অনু কবিতা
১০ ই জুন, ২০০৬ রাত ৩:১৩
খুব বেশি কবিতা পড়তে হয় না তাহলে কবিতায় অন্য মানুষের ছাপ পড়ে,এবং একটা সময় এসে নতুন কোনো ভাবনা মাথায় আসে না, যব কথারই পুনারাবৃতি ঘটছে মনে হয়- একটা বয়েসে আঙ্গিক, চটক এসব নিয়ে মাথা ব্যাথা ছিলো। সে সময় কবিতা লিখে দেশোদ্ধার করে ফেলা যাবে জাতীয় পাগলামিও ছিলো কিছু দিন, এখন সেই সব ঝামেলা মুক্ত।
তবে কিছু কিছু সময় আসে যখন মনে হয় খুব বেশি কিছু না বলেই থেমে যাওয়া ভালো। সব প্রকাশ্য হতে হবে এমনও নয়, রহস্যময়তাও একটা আঙ্গিক।
সেই রকম ধারনা থেকেই কিছু কবিতার আলতো উঁকি দেওয়া মুখ কখনই টেনে হিঁচড়ে বড় করতে চাই নি, এই সব কাব্য কণা নিয়ে শিরোনামহীন
1।
সদ্য ঘুম ভাঙা বিস্ময়ে যদি দেখ
চির পরিচিত সূর্যের বদলে আমিই
তোমার জানালায় উঁকি দিয়ে
দেখছি তোমার বিস্ময়...
2।
চলে যাও এখনই
দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর ছায়ায় ঢেকে যাচ্ছে বিকেল
জ্যামিতিক নক্সায় পাখিরা আকাশ ঢাকে
এখনই চলে যাও
সন্ধ্যা এসেছে ক্লাত পায়ে
রোজকার মতো রাতে ফিরে যাবে
ফিরে যাও তোমার নিবাসে।
3.
এসেছিলো , এসে চলে গেছে
তার গন্ধ লেগে আছে ঘাসে
সুরঞ্জনার হৃদয়ে যে ঘাস
সে ঘাসে বিষাদের বাতাস ফিরে আসে
তোমার গন্ধ লেগে আছে ঘাসে
এসেছিলে, চলে গ্যাচো এসে
তোমার গন্ধ ভাসে সন্ধ্যার বাতাসে---
4.
এখন ঘন অন্ধকার
আমার আকাশ থেকে চাঁদ চুরি গ্যাছে
হয়তো বেঁচে থাকবার ক্লান্তি, কোনো গভীর হতাশা
তাই হয়তো জীবনের গান থামিয়ে দিল সহসা
গলায় ফাঁস বেঁধে, সমস্ত প্রতিরোধ আর
প্রথাগত মুল্যবোধ লাথি দিয়ে ছুড়ে দিলো দুরে
মুক্ত মাটি থেকে দেড় হাত উপরে
ভেসে থাকলো যার জীবনে অনেক উঁচুতে উঠার ইচ্ছে ছিলো।
প্রকাশ করা হয়েছে: কবিতা বিভাগে ।
অতিথি বলেছেন:
আলু আলু গোল গোল মার্কা প্রেমও তাহলে করেছেন! ইস! বয়সটা 10 বছর পিছালে এগুলোই তো এরোপ্লেন বানিয়ে গার্লস স্কুলে পাচিলের ওপাশে চালান করতে পারতাম!
অতিথি বলেছেন:
জানি না মনে হয় 96-97
অতিথি বলেছেন:
কবেকার লেখা ? কোনটাই তো সীল মারা প্রেমিকের খাব মনে হইলো না । তোমার টোন অনেক অনেক স্ট্রং । দেখলে হিংসা হয় ....
শুভ বলেছেন:
ক্ক-ক্ক-বি্ব-তা বুঝি কম। তা এইসব আরও প্রসব করলে মন্দ হইতো না।প্রসব বেদনায় খুব সমস্যা না হইলে!
অতিথি বলেছেন:
শুভ ভাই আমি বিশ্বাস করি না আপনি কবিতা বোঝেন না! এই কথা গিয়ে বলবেন বাড়ির পাশের চায়ের দোকানদারকে। আপনি যে কবিতা ভালোই বোঝেন এবং পড়েন তা আর অজ্ঞাত থাকছে না।
হযবরল বলেছেন:
অনু কাব্যের শক্তিশালী দিক, পুরো গল্পটা দিতে হয়না। হাইস্পিডে বলটা ছুড়ে দিবেন, বল ইনসুইঙ্গার হবে নাকি আউটসুইঙ্গার হবে পাঠক নিজেই ডিসাইড করবে।
অতিথি বলেছেন:
আমি জানি সে অমূল্যতবুও ছুইনা
আমি জানি সে নির্ভীক
তবুও কাছে যাইনা
আমি জানি সে সফল
তবুও বলিনা কেমন আছ
আমি তোমার কাছে যাই না
আমি তোমাকে পেতে চাইনা
অতিথি বলেছেন:
আমি জানি সে মূল্যহীণতবু ছুই
আমি জানি সে একটা ফুটো বেলুন
তবু তাতেই উড়ি
আমি জানি সে ব্যর্থ
তবুও বুকে আগলে রাখি
আমি তোমারে কাছে চাই না
তবুও তোমাতেই শান্তি খুঁজি!
অতিথি বলেছেন:
আবেগ হিসাবে খারাপ না লেখা গুলি তয় কবিতা হিসাবে খুব সুবিধার হয় নাই রাসেল।আপনে এই গুলি 96/97 সালে লিখছেন?! পড়লে তো মনে হয় 70 সালের!অসংখ্য দুর্বল লাইন আর ইমেজে ভর্তি!ক্লীশে ছবি আাঁকনের চেষ্টা অনেক বেশি! তয় যদি কন আপনে 96/97-এ আপনের বয়স আছিলো 17/18 তাইলে ঠিকই আছে! ঐ বয়সের আন্দাজে হিসাবে চালাইয়া দেওন যায়! ছন্দ ব্যাপারটা আসলে কবিতাতে থাকলে ভালো হয়, কবিতা পড়তে আরাম লাগে। আপনের গদ্য গুলি তো এতো কাঁচা হয়না!
যাউগ্গা পুরান কবিতা হয়তো এরম নতুন কবিতা দেখলে ভালো লাগবো আশা করি!!
অতিথি বলেছেন:
হুমম ভাস্কর সাহেব আপনি ভালোই বলেছেন, আসলে টাইম ফ্রেমের মধ্যে আটকা পড়ে গেলাম তাই 70 এর মনন্তর থেকে আর বের হতে পারলাম না- অন্য একটা কথা ভাইটু বয়েসের সাথে কবিতার কোনো সম্পর্ক আমি দেখি না এখনও মহাদেব সাহা ভাইটু গদগদে প্রেম নিয়া কবিতা লিখতেছে, উহার শরীরে বয়েসের ছাপ পড়লেও মন এখনও 15তেই আটকায়া আছে- যাযাকুল্লাহ খায়ের ভাইটু।
অতিথি বলেছেন:
খাওয়া দাওয়া হয়েছে??
অতিথি বলেছেন:
কিসের খাওয়া। সুমন ল্যাটকা খিচুড়ি খাওয়ািতাছে- আমি মাছি মারতেছি- ঘরে যা আছে তাই খায়া ফেলামু।
অতিথি বলেছেন:
আমি আপনের কথাই কইছি রাসেল সাহেব, কোন মহাদেবের কথাতো কই নাই। 70-এর মন্বন্তর আবার কি করলো আপনের কবিতায়! ঐটার উদাহরণ দিয়েন না...কারণ ঐ সময় অনেক ভালো কবিতাও হইছে, যেই গুলি শুনলে এখনো রক্ত গরম হয়। কিন্তু আপনের মূল সমস্যা আপনের আবেগের বিষয় গুলি ঠিক কবিতার মতন হয় না! কেরম রাজনৈতিক বক্তৃতার মতো লাগছে কিছু অংশ আর দুইটা কবিতাতে কেরম আধা খ্যাচরা প্রেমের গন্ধ পাইছি! বয়সের কথা কইছি কারণ মানুষের অভিজ্ঞতার সাথে সে তার প্রকাশ ভঙ্গী পালটায়, আপনেরো হয়তো পালটাইছে। কে জানে!আপনে হয়তো আপেনর ক্লীশে কাহিনী ধরতে পারছেন।ধরতে পারলেই ভালো কি কন?
অতিথি বলেছেন:
হ ভাই ঠিকই কইছেন-আমি যা কইতে চাইছিলাম তা বুঝেন নাই।
অতিথি বলেছেন:
নাহ আপনের কথা শুনলেই বুঝা যায় আপনে ভিতরে ভিতরে অনেক গভীর, পাতি কুঁয়ার মতো। বালতি বালতি জ্ঞান ফেইল্যা দিয়াও কমাইতে পারতেছেন না। আমি তর্ক করতে যামু ক্যান কন? আমি কবিতা লিখছি, আপনেরা হইলেন বিচারক- যার যেমন লাগবো সে তেমন ভাবে পড়বো, কবিতার সাথে কবিতার ব্যাখ্যা দেওয়ার নিয়ম এখনও চালু হয় নাই।
অতিথি বলেছেন:
হা হা হা - কবিতার সাথে কবিতার ব্যাখ্যাও দিতে হবে এখন থেকে!
অতিথি বলেছেন:
প্রথমেই কইয়া নেই আপনে আমার চেয়ে জ্ঞানী, আপনে আমার চেয়ে কবিতা ভালো বুঝেন, রাজনীতি ভালো বুঝেন-আপনেই সেরা-কিন্তু একটা বিষয় বুঝলাম না আপনে ক্যান কবিতা পইড়া রক্ত গরম করেন- আমাগো টাইমটা ভালা না- আমরা রসময় পইড়া রক্ত গরম করি- নাতো জ্যাযমিনের ভিডিও দেইখ্যা রক্ত গরম করি- এই জন্যই আমাদের প্রতিরোধগুলা খুব তাড়াতাড়িই বানচাল হইয়া যায়-
কবিতা নিয়ে কথা কইতেছিলেন ঐটা নিয়াই কইতেছিলাম যে বয়েস হইলে কবিতার ধাঁচ বদলায়, আবেগের প্রকাশ বদলায় এমনটা সব সময় সত্য না- কেউ কেউ এখনও কৈশোরের আবেগ নিয়াই লেইখ্যা যাইতেছে-
আর নতুন কবিতা কইতে কিছু নাই- আমি এখন কবিতা লিখি না- তাই কইতে পারতেছি না আমার প্রকাশ ভঙ্গি বদলাইছে কি না- দেখি কোনো দিন সময় সুযোগ পাইলে লেইখ্যা দেখতে হইবো কি হইছে- কি বদল হইলো।
যাযকুল্লাহ খায়ের।
অতিথি বলেছেন:
আপনের বুঝানোটা ভালো হয় নাই তাই বুঝি নাই রাসেল সাহেব! ভালো কইরা বুঝাইয়া দিয়েন!
অতিথি বলেছেন:
রাসেল সাহেব আমি আপনের রক্ত গরম করনের উদ্দেশ্য বুঝি নাই! আপনে কি রক্ত গরম করনের লেইগা বই পড়েন নাকি! আর আমরা কইয়া আপনে কাগো কথা কইলেন নিজের দায় আর কার কার উপর চাপাইলেন সেইটাও বুঝিনাই! মহাদেব সাহার কবিতার বিষয় হয়তো পালটায় নাই কিন্তু লেখার ধাচ ঠিকই পালটাইছে! ভাষা পালটাইছে! আপনে আমি তো মহাদেব সাহার মধ্যবয়সে লেখা কবিতা পড়নেরই সুযোগ পাইছি খালি! আর আপনে তো তর্ক এড়াইতে চাইতাছেন, আমি আপনের চাইতে জ্ঞানী সেরা এই সব কওনের আপনে কে? আমিও তো তা কইনাই বইলাই মনে হয়! আমার মন্তব্যও তো আপনে নিতে পারেন নাই বইলা মনে হইতাছে!
অতিথি বলেছেন:
জামাল - রাসেল আপনার জন্য কাস্টমাইজড হয় নাই। অথবা আপনি তার অপারেটিং ধরতে পারেন নাই। অপারেটিং জেনে নেয়াটাই বোধহয় বুদ্ধিমত্তার পরিচায়ক।
উৎস বলেছেন:
কবিতা, মন্তব্য সবই জটিল!
শমিত বলেছেন:
মহাদেব সাহা পড়তে চাই , এট্টু সাহায্য করবেন!
মাশীদ বলেছেন:
শমিত দা, এখানে দুটো আছে। পড়ে দেখতে পারেন।
অতিথি বলেছেন:
উফফফফফফ..ভাস্করদা কি ল্যাখ নাকি এখনও । গা গরম হয় ? গরম না উত্তপ্ত ? কবিতার কি কবিতা হইতেই হইবো ? কবিতা কেমন হয় আমি কি জানি ? আপনি যা জানেন তাতে কি আপনে শিওর ? শিওর হওয়া কি আসলে সম্ভব? সম্ভাবনা বিষয়টা কি সম্ভাব্য? ইত্যাদি জটিল বিষয় ।
কালপুরুষ বলেছেন:
রাসেলের কবিতার ধরণ ক্রিকেটীয় ভাষায় বীরেন্দ্র শেওয়াগ আর শহীদ আফ্রিদীর ব্যাটিং তান্ডব। শব্দের বলকে রাসেল ইচ্ছামত পিটায়। কাব্যের লেন্থ আর ভাষার বাউন্সার কপিবুক ষ্টাইল বা গ্রামারের ধার ধারেনা। ভাবের বল পাইলেই আচ্ছামত পিটায়। হয় চৌকা, নয় ছক্কা নয়তো এলবিডাবলু নয়তো কীন বোলড। বলের ছন্দ নিয়া ঠুকাঠুকির কোন কারবার নাই।
অতিথি বলেছেন:
মহাদেব সাহার কবিতা পাওয়াটা শক্ত আমার জন্য। http://www.kobitaogaan.com
এই খানে 2টা কবিতা আছে মহাদেব সাহার কবিতা সেকশনে- এছাড়া অন্য কোনো সোর্স দেওয়া যাচ্ছে না- অবশ্য হিমু চাইলেই ম্যানেজ করতে পারে।
অতিথি বলেছেন:
সুমন তুমি দুইটা ভুল ব্যখ্যা করছো! আমি গা গরমের কথা কই নাই রক্ত গরমের কথা কইছিলাম! যাউগ্গা রাসেল সাহেবের রক্ত গরম আর আমার রক্ত গরম এক কথা না তাতো তার কথাতেই বোঝা গেছে। তার রক্ত গরম করতে রসময়ের পুরুষালী ফ্যান্টাসী নিয়া ভাবতে হয় আর নাইলে জ্যাজমিন-এর ন্যাংটা শরীরে শীৎকার দ্যাখতে হয়! আর আমি রাসেলের কবিতা হয় নাই এইটাও কই নাই কইছি তার কবিতা সুবিধার হয় নাই, এইটার একটা ব্যখ্যা চাইতে পারতা আগেই নিজের মতো বুইঝা নিছো! আমার রাসেলের কবিতা পইড়া আরাম লাগে নাই কারণ তার কবিতায় তোমার কথা অনুযায়ী কই কিসের জানি একটা অভাব দেখছি। যে কোন আবেগই তো ভালো কবিতা না! এইটা নিশ্চয়ই মানবা তুমি! আর কালপুরুষ সাহেব যেমনে শেভাগ আর আফ্রিদীর উদাহরণ দিছেন ঐটাও আমার যুৎসই লাগে নাই! কারণ এই ক্রিকেটাররা কিন্তু ব্যাকরণ মাইনা খেলতে পারেন না তা না। এরা রক্ষনাত্মক কম খেলে! এরা ব্যাটিংয়ের নিয়মটা জানে এইটা তাদের পা আর মাথার অবস্থান দেখলেই টের পাওন যায় কিন্তু রাসেলের কবিতায় আমি এই সবের বালাই দেখি নাই, বা ছন্দ ভাঙলে যেই সমস্যা হয় সেইটা যে ছন্দ জানে সে একরম ভাবে সামলাইবো আর না জানলে আরেক রকম। রাসেল দ্্বিতীয় ভাগের মতোন আচরন দেখাইছেন!
অতিথি বলেছেন:
রাসেল তোরে দিছে রে....সুমনরেও লগে...ভাস্কর ভাই কেমন আছেন ?
অতিথি বলেছেন:
ধন্যবাদ ভাস্কর ভাই। আমি আগেই বুঝছিলাম আপনার অগাধ জ্ঞান।
অতিথি বলেছেন:
ভাস্কর ভাই জ্যাজমিন রে কেমনে চিনেন ?
অতিথি বলেছেন:
ক্যান জ্যাজমিন তো এখন বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় শিল্পের নাম! বিদেশীরা নাকি চুটাইয়া অর ভিডিও কিনতাছে! আমিও একটা দেখছি, জুইতের লাগেনাই! তয় রাসেলের কথা মতো মনে হইলো ঐটা প্রবাসী বাঙালীগো প্রেরণা


















