আমার প্রিয় পোস্ট

অতি দক্ষ মিথ্যুক না হলে সত্যবাদিতা উৎকৃষ্ট পন্থা

ম্যারেজ ওফ হ্যাভেন এন্ড হেল-3

২১ শে জুন, ২০০৬ ভোর ৬:৩২

শেয়ার করুন:                   Facebook

প্রাচীন ইংরেজি শব্দ মোটেও আধুনিক রূপে ব্যাবহৃত হয় না। আর আমার ক্ষুদ্্র জ্ঞানে যতটা সফল ভাবে সম্ভব অনুবাদের চেষ্টা করেছি। অনেক ভাবধারাই হয়তো পরিস্কার নয়,


নরকের প্রবচনগুচ্ছ

রোপনে শেখো, নবান্নে শেখাও, আর অনুর্বর শীতে উপভোগ করো।
তোমার গাড়ী ও লাঙল চালাও মৃতের বুকের উপর দিয়ে।
জ্ঞানের প্রাসাদ অপরিনামদর্শিতার রাস্তার শেষে।
পরিনামদর্শিতা হতচ্ছিরি বুড়ী, অক্ষমতা যার প্রনয়বাঞ্ছা করে।
কামনা দমন করে যে সে সমাজে মহামারী আনে।
লাঙলে কাটা পড়া কেঁচো সর্বদা লাঙলকে ক্ষমা করে দেয়।
যে পানি ভালোবাসে তাকে নদীটে চুবাও।
নির্বোধ আর জ্ঞানী একই গাছ দেখে না।
যার মুখমন্ডল আলোকিত না সে নক্ষত্র হতে পারবে না।
অনন্তকাল সময়ের জাতককে ভালোবাসে।
ব্যাস্ত মৌমাছির দুঃখবিলাসের সময় নেই।
মুঢ়তার কাল ঘড়িতে মাপা যায় তবে বিজ্ঞতা সময়ে মাপা যায় না।
ফাঁদ পেতে সাস্থ্যকর খাবার ধরা যায় না।
উৎপাদন আকালের মাপে মাপা হয়।
পাখি নিজের ডানায় কখনই খুব উঁচুতে উড়ে না।
মৃতদেহ বদলা নেয় অনিষ্ঠ নয়।
অন্যকে সামনে এগিয়ে দেওয়ার মতো মহৎ কাজ নেই।
নির্বোধ মুঢ়তার চর্চা করলে একদিন জ্ঞানী হতে পারে।
মুঢ়তা প্রতারনার চাদর।
লজ্জা অহংকারের আবরন।

আইন কারাগার নির্মান করে ,ধর্ম বেশ্যালয়।
ময়ুরের অহংকার ইশ্বরের মহিমা।
ছাগলের লালসা ইশ্বরের উদারতা।
সিংহের প্রতিহিংসা ইশ্বরের বিজ্ঞতা।
নারীর নগ্নতা ইশ্বরের সৃষ্টি।
অধিক দুঃখে মানুষ হাসে আর অধিক সুখে মানুষ কাঁদে।

সিংহের গর্জন, নেকড়ের হুঙ্কার, সমুদ্্রের উন্মত্ততা, আর ধংসউন্মুখ তরবারী মানুষের চোখে পরকালের মহৎ নিদর্শন।
শেয়াল ফাঁদকে অভিসম্পাত করে নিজেকে নয়।

আনন্দ নিষিক্ত করে দুঃখ জন্ম দেয়।
পুরুষকে সিংহের চামড়া প ড়াও আর মেয়েদের ভেড়ার লোম দিয়ে মুড়ে দাও
পরিচয়ঃ পাখীর নিবাস, মাকড়সার জাল আর পুরুষের বন্ধুত্ব।
স্বার্থপর হাস্যমুখী নির্বোধ আর বিষন্ন ভ্রুকুঞ্চিত নির্বোধ, দুজনকেই জ্ঞানীর পরিমাপ হিসেবে ব্যাবহার করা চলে।

যা আজ প্রমানিত সত্য একদা টা শুধু কল্পনায় ছিলো।
ছুঁচো ইঁদুর খরগোশ শেয়াল শেকড় খুঁজে মরে
হাতি ঘোড়া, বাঘ সিংহ ফলাফল বিবেচনা করে।
চৌবাচ্চা ধারন করে ঝর্ণা উপচে পড়ে।
মানুষের চিন্তা অসীমকে ধারন করে।
যদি অসংকোচে নিজের ভাবনা জানাও তবে কূৎসিত ব্যাক্তিরা তোমাকে এড়িয়ে চলবে।
বিশ্বাসযোগ্য সবকিছুই সত্যের একটা প্রতিরূপ।
যখন ঈগল কাকের সাথে বচসা করে তখনই তার সবচেয়ে বেশী সময়ের অপচয় হয়।

শেয়াল নিজের খাদ্য খোঁজে আর ইশ্বর সিংহের জন্য খাবার পাঠান।
সকালে চিন্তা করো, দুপুরে কাজ করো সন্ধ্যায় খাও আর রাতে ঘুমাও।
যে তোমার উপর নিজেকে চাপিয়ে দিয়েছে সে তোমাকে সবচেয়ে ভালো চিনে।
যেহেতু মুখের কথায় লাঙল চলে তাই ইশ্বর প্রার্থনার পেতিদান দেন।
বাঘের প্রতিহিংসা ঘোড়ার উপদেশের তুলনায় প্রাজ্ঞ।
অনড় জলে বিষাক্ততার বাস।
পর্যাপ্ততার নিদান পেতে হলে জানতে হবে পর্যাপ্ততার আধিক্য কি?

নির্বোধের ভর্ৎসনা নিঃসন্দেহে রাজার মুকুট।
আগুনের চোখ, বাতাসের নাক, জলের মুখ আর পৃথিবীর খাদ্য।
ভীতু মানুষ কুটকৌশলে শক্তিশালী।
বৃক্ষ ভূমির কাছে জানতে চায় না কিভাবে সে বেড়ে উঠবে, সিংহ ঘোড়ার কাছে জানতে চায় না কিভাবে সে শিকার করবে ।
কৃতজ্ঞ গ্রহীতার ফলন ভালো।
যদি অন্যরা নির্বোধ না হয় তবে আমাদের তাই হতে হবে।
মধুর পুলকিত আত্মা কখনই কলুষিত হয় না।
যখন কেউ ঈগল দেখো মাথা তুলে তাকাও কারন তুমি মহৎ একটা নিদর্শনের সামনে দাঁড়িয়ে।

শুয়োপোকা পরিচ্ছন্ন পাতায় ডিম পাড়ে আর পুরোহিত নির্মল আনন্দে অভিসম্পাত করে।
একটা ফুল ফোটাতে অক্লান্ত পরিশ্রম লাগে।
আঁটো বন্ধনী এড়িয়ে প্রশান্তিকে অবগাহন করো।
নতুন পানির স্বাদ আর পুরোনো মদের স্বাদ সবচেয়ে ভালো।

প্রার্থনা লাঙল চালিও না, স্তাবকেরা আহরন করো না
আনন্দ হেসো না, দুঃখ কেঁদো না।
মস্তিস্ক মহিয়ান, হৃদয় করুন রস,যৌনাঙ্গ সৈন্দর্য্য আর হাত পা সুষমাময়।
আকাশ পািিখর নিবাস, সমুদ্্র মাছের ঠিকানা তেমনই অবজ্ঞা ঘৃনিতের নিবাস।
কাকের কামনা সব কালো হবে, পেঁচার কামনা সব সাদা হবে।
উচ্ছলতা সৈন্দর্য্যের প্রকাশ।
যদি সিংহকে শেয়াল পরামর্শ দেয় তাবে সে ধুর্ত হবে।
সংকীর্ন পথ প্রগতির নিদর্শন তবে শ্র ীহীন বন্ধুর পথ প্রতিভাবানের কাম্য।
অক্রিয় কামনার প্রতিপালন করার চেয়ে তাকে অঙ্কুরে হত্যা করা উত্তম।
যেখানে মানুষ নেই প্রকৃতি বিরান।
সত্য কখনই বোধগম্য ভাবে প্রকাশ করা যায় না, এবং কখনও বিশ্বাসযোগ্য ভাবে উপস্থাপন করা যায় না।
যথেষ্ঠ!! নাকি অতিরিক্ত!!

নদী, অরন্য জনপদ, নগর, হ্রদ, যে নামেই ডাকো না কেনো, প্রাচীন কবিদের চেতনায় ও কল্পনায় যা কিছু মূর্ত ছিলো সবাইকেই সে ইশ্বরের প্রতিরূপকল্পনা করেছে।তার কল্পনার অসীমতা যতটা ধারন করতে পারে ততটাকেই ইশ্বরের সীমা নির্ধরন করেছে তারা।
এবং তাদের মানসকল্পনায় ইশ্বরের চেতনার জন্ম হয়, প্রতিটা নগর ও জনপদ পত্তনের ইতিহাসে তারা ইশ্বরের ছাপ খুঁজে পেয়েছে,
অবশেষে প্রথার জন্ম, এবং কিছু মানুষ এই নিয়মবদ্ধতার সুযোগে বিমূর্ত চেতনাকে কলুষিত গন্ডিবদ্ধ করে পুরোহিততন্ত্র তৈরি করলো।


কবির কবিতা থেকে প্রার্থণার ধাঁচ চুরি করে,
অবেশেষে তারা ঘোষণা করলো ইশ্বরের আদেশেই সবকিছুর সৃষ্টি
এবং অতঃপর তারা মানুষের হৃদয়ের ইশ্বরকে ভুলে গেলো।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: কবিতা  বিভাগে ।

 

  • ৬ টি মন্তব্য
  • ৩২৫ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২১ শে জুন, ২০০৬ দুপুর ১২:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: ওরে ভাউরে ..এতো বিশাল!!!
২. ২১ শে জুন, ২০০৬ দুপুর ১২:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: বাউরে আরও এক পর্ব বাকী আছে- এর পর 25 লাইনের বেশী হইলে অনুবাদ করবো না।
৩. ২১ শে জুন, ২০০৬ দুপুর ১২:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: শুকরিয়া।
৪. ২১ শে জুন, ২০০৬ দুপুর ১:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: "কবির কবিতা থেকে প্রার্থনার ধাঁচ চুরি করে,
অবশেষে তারা ঘোষণা করলো ঈশ্বরের আদেশেই সবকিছুর সৃষ্টি
এবং অত:পর তারা মানুষের হৃদয়ের ঈশ্বরকে ভুলে গেলো।"

পড়ে তো ভ্রম হচ্ছে আমার লেখা। তবে কি আমিও নরকবাসী হবো।

"যেখানে মানুষ নেই, প্রকৃতি সেখানে বিরান"
তবে কি সুফলা হয়ে উঠবে নরক মানুষের দাপাদাপিতে...?
৫. ২৫ শে জুন, ২০০৬ বিকাল ৫:০৬
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: পুরা কবিতাটা একটানে পড়া যায় না। মূল কবিতাটা কি বস এভাবেই থেমে থেমে লেখা? যেমন ধরেন, প্রতিটা লাইন যেন পরের লাইন থেকে আলাদা। ছন্দে এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভাব বা বিষয়ে কোন মিল নেই। শেষ অংশে এসে মিল পাওয়া গেলো।
প্রথম পড়ে মনে হয়েছিলো অনেকগুলা কবিতার প্রথম লাইন যেন। অর্থাৎ সূচীপত্রের মতন।
তারপর মনে হলো- প্রতিটা লাইনেরই আলাদা করে একেকটা কোটেশন হবার যোগ্যতা আছে।
এবং তারপরে, মনে হলো। অনেকগুলো বিচ্ছিন্ন ভাবনাকে একসাথে করে কবি শেষে এসে বলতে চেয়েছেন, কেমন করে কবির কবিতা থেকে প্রার্থনার ধাঁচ চুরি যায় সবার হাতে!
এবং বস, ঠিক তখুনি কবিতাটা খুব ভালো লেগে যায়!
৬. ২৫ শে জুন, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: আমার ধারনা ছিলো উল্লাস থেকে উল্লাসিত হয়। অবশ্য উল্লসিত হইলেও আবেগে কমতি পড়ে না

 



 


অনেক অনেক চেষ্টা হয়েছে ব্লগানোর বাংলা করা নিয়ে, আমার এখন ব্লগের নতুন বাংলা করতে ইচ্ছা করলো তাই দিলাম এর নাম...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ১১২৭৪১