ম্যারেজ ওফ হ্যাভেন এন্ড হেল-4
০১ লা জুলাই, ২০০৬ রাত ৩:৫৩
নবী ইশিয়াহ এবংইজাকায়েলের সাথে নৈশ্যাহারের সময় আমি তাদের বললাম, তোমরা কিভাবে এমন নিশ্চিত ভাবে বললে যে তোমাদের সাথে ইশ্বরের কথোপকথন হয়েছে? তোমাদের মনে কি এই কল্পনাও আসেনি যে তোমাদের ভুল বুঝবে এবং এর জন্য তোমাদের ভোগান্তি পোহাতে হবে?
ইশিয়াহ উত্তরে বলেছিলো, আমি কোনো ইশ্বর দেখি নি, কোনো ইশ্বরের স্বরও শুনি নি,ইন্দ্রিয়জাত অনুভব বিবেচনা করলে, কিন্তু আমার অনুভবে আমি সবকিছুতেই অসীমতা দেখেছি, এবং আমার দৃঢ় ধারনা হয়েছে এই সৎ রোষ হলো ইশ্বরের কণ্ঠস্বর, তাই পরিনাম চিন্তা না করেই আমি লিখেছি।
আমি প্রতু্যত্তরে তাকে বললাম, কেউ যদি কোনো বিষয়ে দৃঢ় ধারনা পোষন করে তাহলে কি সেই বিষয়টা সত্য হয়ে যাবে?
সে উত্তরে বললো, সব কবিই এমন ধারনা পোষণ করে হৃদয়ে, কল্পনার সময়ে দৃঢ় ধারনা কখনও কখনও পর্বতকেও স্থানচু্যত করেছে, কিন্তু সবার ভিতরে এই দৃঢ় ধারনাপোষণের ক্ষমতা থাকে না।
ইজাকিয়েল এর পর বললো, প্রাচ্যের দর্শন প্রথম মানুষের অনুভবই ইশ্বর কল্পনা-এ শিক্ষা দেয়, কনো কোনো জাতি একটা ধারনাকে গ্রহন করে অন্য জাতিরা অন্য কোনো ধারনাকে, আমরা ইসরাইলের সন্তানেরা কবিসৃজনশীলতাকে ইশ্বর ধারনা করি, এবং বাকী সবই এই ধারনাউদ্ভুত বিষয়। তাই আমরা অন্য দেশের অন্য ধর্মের পুরোহিত অএবং দার্শিনিকদের অবজ্ঞার চোখে দেখি, এবং প্রমানের করি অন্য সব ধর্মের ইশ্বরই আমাদের কল্পিত ইশ্বরজাত হবে এবং সবাই আমাদের ইশ্বরের আনুগত্য স্ব ীকার করবে। এই প্ররোচনায় অন্ধ আমাদের মহান কবি ও সম্রাটের তীব্র কামনা এবং ঐকান্তিক আহবান যে সে ইশ্বরের নামে রাজ্য দখল করে ও ইশ্বরের নামে রাজ্য শাসন করে। আমাদের ইশ্বরমত্ততা এমন অন্ধ যে আমরা আমাদের পাশর্্ববর্তি সকল জাতির উপাস্যদের ইশ্বরের নামে অভিসম্পাত করি এবং তাদের ধর্মবিশ্বাসকে আমাদের ইশ্বরের বিরুদ্ধে বিপ্লব ঘোষনা করি, এবং এি অভিমতের ভিত্তিতে কতিপয় ইতরের দৃঢ় ধারনা জন্মায় যে সকল জাতি ইহুদিদের আনুগত্য স্ব ীকার করবে।
সকল মানুষ ইহুদিদের উপাস্যের উপাসনা করবে এবং তাদের জীবনাচার মেনে চলবে এমন দৃঢ় ধারনার তুলনায় ভয়ংকর অন্য কোনো দমননীতি নেই।
আমি আগ্রহ নিয়ে ইজাকিয়েলের কথা শুনলাম এবং স্ব ীকার করতে হবে যে আমিও এ ধারনায় বিশ্বাস করিনৈশাহার শেষে আমি ইশিয়াহকে বললাম তোমার হারানো সাহিত্যকর্ম দিয়ে পৃথিবীকে অনুগ্রহ করো। সে বললো এর সমতুল কিছুই হারিয়ে যায় নাই, ইজাকিয়েলও তার সাহিত্য নিয়ে এমন কথাই স্ব ীকার করলো।
আমি ইশিয়াহকে জিজ্ঞাসা করলাম , কিজন্য তুমি নগ্ন হয়ে এবং খালি পায়ে 3 বছর কাটিয়েছে? উত্তরে সে আমাকে বললো, যে কারনে আমাদের বন্ধু গ্র ীসের ডিওজিনিস এ কাজ করেছিলো।
আমি ইজাকিয়েলকে প্রশ্ন করলাম,কেনো সে গোবর খেয়ছিলো এবং কেনো সে ডানে এবং বামে কাত শুয়ে ছিলো এতটা দীর্ঘ সময়?
সে উত্তরে বললো মানুষের চেতনার উন্মেষে এমন আচার পালন করে উত্তর আমেরিকার আদিবাসিরাও এবং কেউ যদি বর্তমানের স্বাচ্ছন্দ্য এবং সন্তুষ্টি লাভের দোহাই দিয়ে নিজের সৃজনশীলতা বা চেতনাকে বাধা দেয় সে কি সৎ?
পুরোনো কল্পনা মতে 6000 বছর পরে পৃথিবী আগুনের গ্রাস হবে এ কথা সত্য, এমনটাই আমি নরকের শুনেছি।
জ্ঞানবৃক্ষের পাহাড়াদার আগুনের তরবারি ধারি দেবদুতকে আদেশ দেওয়া হলো সে যেনো এটার পাহাড়া ছেড়ে যায়, এবং যে সখনই পাহাড়া থেকে বিদায় নিবে তখনই সমস্ত সৃষ্টি আগুনের দখলে যাবে, আর অসীমতা পাবে এবং শুচিতা বর্তমানে সীমিত ও কলুষিত।
ইন্দ্রিয়সুখের দ্্বারাই এমনটা ঘটবে। কিন্তু এর আগে মানুষের আত্মাভিন্ন একটা দেহ বিদ্যমান এ ধারনাকে পরিত্যাগ করতে হবে। এবং আমিই তা করবো, উপরের প্রলেপ মূছে দিয়ে ভেতরের সত্যকে উদঘাটনের কাজটা আমি করবো নরকের আগুনে।যদি চেতনার দুয়ার খুলে দেওয়া হয় তাহলে মানুষ সব কিছুকেই তার স্বরূপে দেখতে পাবে, সেই স্বরূপ অবিনশ্বর-অসীম। মানুষ নিজের খন্ডিত করে চাদরের আড়ালে আর সেই চাদরের ক্ষুদ্্র ফাঁক দিয়ে পৃথিবী দেখে।
প্রকাশ করা হয়েছে: কবিতা বিভাগে ।
অতিথি বলেছেন:
তারপর?
অতিথি বলেছেন:
হ যারা চমক দেয় তারা এইর'মই চমক দেয়, তাও ভালো 3য় বিবাহবার্ষিকির খবর দিছে, হুমায়ুন বাদশাহতো একেবারে টিন এজ 2টা ছেলে নামাইলো ঝোলা থেকে শুধু তাই না, বৌও খুঁজা শুরু করলো।
অতিথি বলেছেন:
মিয়া তাইতো বলি এতো ইরেগুলার কেনো লেখায়। আগে বলবেন তো যে বিয়া খাইতে হেভেন আর হেল মাঝে বেড়াইতে গেছেন। নাহ্, আপনেগো নিয়া আর পারি না। কই একটু দাওয়াত ফাওয়াত দিবেন তা না। আরেকজন তো দেখলাম, কথা নাই বার্তা নাই, বিয়ার খবর নাই... এদিকে থার্ড বিবাহ বার্ষিকী পালনে ব্যস্ত!
অতিথি বলেছেন:
এই মিয়া জানে না - তার ভক্তরা তাকে কত মিছ করতাছে! কোথায় যে হাওয়া হইয়া থাকে!
কালপুরুষ বলেছেন:
রাসেল (8 ডট),কিছু সত্য পরে প্রকাশ না করলে প্রথমেই প্রত্যাখাত হয়ে প্রস্থান করলে মনটা ভারাক্রান্ত হয়ে যেতে পারে। আর এটা করতে ভাল লাগবেনা আমার মত এক অপরিপূর্ণ মানব জীবের। এখন খারাপ লাগছে না যে যাই ভাবুক । আর এটাতো ঠিক আমি এই ব্লগ্ল সাইটের সর্বজেষ্ঠ্য ব্লগার। ব্যপারটা কেমন রেমাঞ্চকর না? কেউ এই বয়েসে এমন করে আমার মত ছোটদের সাথে খাপ খাওয়াতে পারবে? মনে হয় না। এমন প্রাণ শক্তি 50 বছরের কোন শিশু জিইয়ে রাখতে পারে না।
কালপুরুষ বলেছেন:
কৌশিক,আমিও এব্যপারে একমত। রাসেলের ফরোয়ার্ডিং লেটারসহ দৈনিক পত্রিকাগুলোর সাহিত্যের পাতায় দেয়া যেতে পারে। এ প্রসঙ্গে রাসেল (8 ডট) কি বলে?
অতিথি বলেছেন:
এটার ব্যাপারে আপনার মূল্যায়ন অন্যায় হয়েছে। আপনাকে পাম্পিং করার আমার দরকার আছে বলুন! পত্রিকায় এর চেয়েও অনেক জঘন্য বিষয় ও লেখা আমাদের গিলতে হয়। দ্্বিতীয় এডিটিং ওই কিঞ্চিতকর অসামনঞ্জস্যতা দূর হয়ে যাবে। ঐক্যতানও ফিরে আসবে। তবে পুরো লেখাটা শেষ হলে একটা সম্পূর্ণ পোস্ট আশা করি। আমার পরিচিত কয়েকজন ব্লগার আপনার লেখা পড়ার জন্যই শুধু এই সাইট ভিজিট করে। আর সত্যিকথা বলতে কি - আপনাকে যদি এখানে না দেখি - তবে এটাকে আর ঐশ্বর্যশালী মনে হয় না।
ডাইরেক্ট কইলাম । নো অয়েলিং!
অতিথি বলেছেন:
এটা প্রচলিত সাময়িকির সাহিত্যপাতায় না যাওয়ার 1001টা কারন আছে, তার প্রথমটা হলো এটার মান অতীব নীচু, অন্তত সম্পুর্ন প্রকাশ যোগ্য কিছু হচ্ছে না এটা আমার বিবেচনায়। অনুবাদের জায়গাটা থেকে দেখলে আমার মনে হয় সম্পুর্ন মানে এখন পর্যন্ত যা হয়েছে তার ভেতরে কোনো ঐক্যতান নেই, প্রতিটা আলাদা আলাদা সময়ে লেখা তাই পারস্পর্যহীন,এবং বাকী 1000টা কারন দর্শানোর প্রয়োজন নেই।
কৌশিক- আমি হাওয়া হয়ে থাকি না, পড়ছি মন্তব্য করছি, এখানে লেখা হচ্ছে না কারন গত কয়েকদিন ঘুমাতে গিয়েছি সন্ধ্যায়।



















প্রতিটি চিন্তাশীল মানুষের পড়া উচিত! আর একটা কথা - ফুট নোটে মুল লেখক আর লেখার নাম দিয়ে দিলে নতুন পাঠকদের উৎসাহী করতে পারে।