ব্যার্থ রাইসুর কবিতা ছাপানোর কৌশল
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১১:৪৫
জায়গা মতো তেল দিলে সব চাকাই ঘুরে, তেলতো আদতে স্নেহ, ঝড়ে পড়ে পরম আহ্লাদে,
তার কণামাত্র শুষে নিয়ে আমরাও মসৃন হয়ে উঠি
আমাদের ছাপাখানা জুড়ে কবিতাবন্যা হলে আমরাও নাকে রুমাল চেপে কবিসভা যাই,
বস্তাপচা কবিতার শ্রাদ্ধ করি সাথে বাংলা মদ আর
চাটটাতে আরেকটু কাঁচা মরিচ ডলে দিলে বেশ হতো, তা হয় না, পাশে বসে -আপনার ঐ কবিতাটা বেশ হয়েছিলো, আরে ঐ যে ঈদের আগে আগে ছাপা হলো, জামট কবিতা ছিলো।
স্নেহ শুধু স্নেহ ঝড়ে, ঝড়ে পরে কণ্ঠ বেয়ে, তার কিঞ্চিৎ মাত্র যদি স্পশর্্ব করে মাননীয় সম্পাদক অনায়াসে ছাপিয়ে দিতে পারে
যতসব অখাদ্য দৈনিক সাহিত্য সম্ভারে
চাট সহযোগে কিঞ্চিৎ স্নেহ কণ্ঠে ঝড়াতে পারলে আর যদি জায়গা মতো কবিপ্রবরের নাম বসিয়ে দেওয়া যায় বিলক্ষণ ছাপা হবে
আমাদের উত্তরাধুনিক কিংবা উত্তর ধ্বনিক কবিতা দৈনিকে।
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি বিভাগে ।
সদরুল বলেছেন:
হাঃ হাঃ।
অতিথি বলেছেন:
কিছু না হয় বাইরেই থেকে যাক - মধ্যিখানে কয়েকটা উত্তর ধ্বনিক শব্দ, গঠন তো লক্ষ্যনীয়। কবি ও কবিতা আসলেই দুস্প্রাপ্য হয়ে গেছে।
অতিথি বলেছেন:
খ্যাক খ্যাক খ্যাক!! কিন্তু ভাইজানেরা, আপনারা রাইসু-কে নিয়ে যে ভাবে উঠেপড়ে লেগেছেন তাতে তো ভয় পাচ্ছি, পাছে সে আবার না বিখ্যাত হয়ে যায়!!
অতিথি বলেছেন:
যা বলা হোক না কেন, রাইসু এমনিতেই মোটামুটি বিখ্যাত। আজকে রাইসুর পোস্টে যে কবিতাটি আছে তা দেখলাম। খারাপ না, পড়া যায়।রাসেল, আপনের সমালোচনা আসলেই একটু বেশি কড়া হয়েছে। দরকার আছে অবশ্য।
অতিথি বলেছেন:
এইটা প্রতি কবিতা, সমালোচনার কিছু নেই আসলে, আদতে কবিতাই এইটা, নষ্ট কবিতা বলা যায় বড়জোড়, অনুপ্রেরণার কাজটা রাইসুর বিভিন্ন সমকামী কবিতাংশ হলেও এটাকে কবিতাই বলতে চাই আমি। নাম করনের কি আসে যায়, গোলাপ সে গন্ধ ছড়াবেই আর গোবরও শুকাবে ,ঘুটে হবে।
অতিথি বলেছেন:
কিন্তু ব্যর্থ বানান "ব্যাথ" হইল কেন? ব্যর্থতা কোথায়? কবিতা ছাপানোয়? নাকি কবিতা হইল না যে সেইখানে?কবিতা সার্থক কিনা তা কি খুব দরকারি? কবিতা ছাপানোর কৌশল নিয়া রাসেল কি বলতে চাইলেন তা তার কাব্যপ্রতিভায় ঢাকা পইড়া গেছে। অন্তত আমি বুঝতে পারি নাই। আমার কবিতায় আমি লিখছিলাম "হায়, ভালো ভালো লাম্বা লাম্বা কবিতা আইজকা আর কেইবা ছাপায় এই একান্তই পরিচিত সম্পাদক, আবু হাসান শাহরিয়ার ছাড়া!" এইটারে বলে উইট। উইট যদি ফ্যাদরা হয় বা উইটরে যদি পাঠক ধরতে না পারে সেই ব্যর্থতা অবশ্যই আমার। আমি বলছিলাম ভালো ও লম্বা কবিতা এখন কোনো সম্পাদকরা আর ছাপে না ; তারা কেবলই খারাপ কবিতা ছাপে, কারণ খারাপ কবিতাই লেখা হয়, বিপরীতে আমার কবিতারে ভালো বইলা রীতিসম্মত একটা ভণিতা করছিলাম। এখন কেউ যদি কইয়া ওঠে, অ্যাহ আপনের কবিতারে আপনে নিজেই ভালো কইলেন কা...আমার কিছু বলার থাকে না। তবু বইলা দেখতেছি এমন পাঠকদের সঙ্গেও কতদূর বলা যায়...ধন্যবাদ।
অতিথি বলেছেন:
রাইসু ব্যাখ্যা নিসপ্রয়োজন , তবে ব্যার্থর সাথে আ'কার দিলে ব্যার্থতা দীর্ঘায়িত হয়, এমনটাই আমার অভিমত।
অতিথি বলেছেন:
হাঃ হাঃ, যে আকার দিল তার সার্থকতাও দীঘর্ায়িত হয় কি?
অতিথি বলেছেন:
ব্যাখ্যা যখন কাউন্টার তখন কী কারণে তা নিষ্প্রয়োজন ঘোষণা করেন? ব্যাখ্যাও ব্যর্থ কইতে পারেন...
রাগ ইমন বলেছেন:
আাাাাায়ূ লিখলে আয়ু দীর্গ হবে ভাইয়ারা? হলে , বাংলাদেশের গড় আয়ু বাড়াতে কাজে লাগত।[ এটা উইট না, হুইট, গাম.........]
অতিথি বলেছেন:
উঁহু এইটার নামটা চটকদার, যেমন আপনার কবিতার শব্দ ব্যাবহারের চটক, কবিতা ধ্বনির আগ্রাসনে হত্যা হয়, কিন্তু নামটা বাদ দিয়ে কবিতার বক্তৃতা পড়ে দেখলে ভালো হতো আসলে। ঐ যে সমস্যাটা, ডেফিনেশন যাকে বলে সেই ডেফিনেশনের গ্যাঁড়াকলে এখানে সব আটকা পড়ে আছে।
অতিথি বলেছেন:
নামও তো কবিতার অংশ। বাদ দিবেন কেমনে? "কবিতা ধ্বনির আগ্রাসনে হত্যা হয়" আপনার এই বাক্য বুঝতে পারলাম না। ডেফিনেশনের গ্যাঁড়াকলে কীভাবে সব আটকা পড়ে আছে ভাই না ভালো ঠাণ্ডা মাথায় একটু কন।
অতিথি বলেছেন:
নামও কবিতার অংশ, এইটা হইলো আমাগো নাহান সম্পাদকের ছ্যাপ না পড়া কবিদের প্রকাশনা স্থল এইখানে বিজ্ঞাপন চলে ভালো, নামটা দিলাম ৎকদার, পাবলিক পড়লো, আপনের কথা মনে কইরা একটু হাসলো, একটু আপনের লগে ফাযলামি করলো, নামকরনটা সফল হইলো এইভাবেই।আর ধ্বনিক বলতে যা বুঝাই তা হইলো, এক একটা শব্দকে নিয়া টানাটানি- স্বতঃস্ফুর্ত কবিতা না, যেই খানে কবিতারে নিজের মতো চলতে দিছেন সেইখানে কবিতা দাঁড়াইছে নিজের মতো। এইটারে বাজাবাজি জিনিষটারে আমি ধ্বনিক কইতাছি।
অতিথি বলেছেন:
ধন্যবাদ রাসেল, উত্তর দেয়ার জন্য। আপনের আপত্তিটা বুঝতে পারতেছি আশা হইল। যে, একটা কবিতার স্বতঃস্ফূর্ততা আমি নষ্ট করলাম ধ্বনি বা শব্দের চমৎকারীত্বের মোহে, এই তো? এইটা প্লেটোপন্থী আস্তিক মত। যে একটা বিড়ালিনী আছে আদর্শ, আপনে তার আদল গইড়া তুলতে গিয়া আপন প্রতিভা দিয়া বিনষ্ট করতেছেন। বিরুদ্ধ মতটা হইল : আপনে যা বানাইলেন সেইটা সেইটাই। হইল কি না হইল সেইটা যে দেখব তার দেখার ভঙ্গি। আপনে যে নামের কি শব্দের মোহে চটক করতে লাগলেন সেইটাও স্বতঃস্ফূর্ততা...আদর্শ কোনো স্বতঃস্ফূর্ততা নাই। আমি পরেরটায় বিশ্বাস করি।
অতিথি বলেছেন:
কি প্রমাণ হইলো ?
অতিথি বলেছেন:
ভালো লাগলো।
ঝরা পাতা বলেছেন:
কবিতার নাম কবিতার একটা অংশ। তবে এইটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। উৎপলকুমার বসু প্রায় কবিতাগুলিকে নাম্বার দিয়ে লিখেন। তাঁর মতে- চটকদার নাম দেখলে অনেক পাঠক আর কবিতা পড়েন না- বদহজম শুরু হয়ে যায় বইলা ওইখানেই ব্রেক মারেন। তয় ভাবতে ভালা লাগতাছে- আমি অহন (আধুনিক) কালিদাসের লগে ব্লগে লিখতাছি।
ঝরা পাতা বলেছেন:
আবু হাসান শাহরিয়ারের কবিতার একনিষ্ঠ ভক্ত। তবে তিনি যে চাটুকারদের সেন্টু খান সে বিষয়ে সন্দেহ নেই। তাঁর "অর্ধসত্য" আর "কবিতা, অকবিতা আর অল্পকবিতা" পড়লে বেশ বোঝা যায়।
সুর বাংলা বলেছেন:
কে যেন সেন্টু না খাওয়াইতে পাইরা ক্ষেইপা গেছে। যাই হোক শাহরিয়ার মিয়া বেকুবগো প্রতিবাদ করতে আইবো না।
হাসিব বলেছেন:
সবাই : অনেকদিন পর গালাগালি ছাড়া একখান ঝগড়া দেখলাম ।ঝরা পাতা : 'চাটুকারদের সেন্টু খান' - এর মানে কি?
অতিথি বলেছেন:
আরো চলুক...............
হযবরল বলেছেন:
কবির নামটা হইল বিরিয়ানী আর কবিতাটা হইল সালাদ। বিরিয়ানী নামকরা হইলে সালাদের মায়েরে-বাপ । কে হিসাব রাখে ? এইটা ফখরুদ্দীনের সালাদ নাকি রইসুদ্দীনের।
অতিথি বলেছেন:
রাইসু আমার পেয়ারের মানুষ । তারে কিছু বললে নাক ফাটায়া ফেলবো।
অতিথি বলেছেন:
পিয়াজু মুন্সী পয়সার মাল একটা কথা কইছেন!
অতিথি বলেছেন:
ডিয়ার ঝরাপাতা, সাধুসন্তের সারল্য, কবিতার নামের বদলে নাম্বার এগুলিও কারো কাছে চটকদারি প্রতিভাত হইতে পারে...আপনি কি বলতে পারেন, আপনের যত কবিতা ভালো লাগছিল তার একটাও চটকদার না। একেক জন একেক রকম কবিতা লেখে। কারো বৈশিষ্ট্যরে তার দোষ হিসাবে দেখানো যায় না।
বড় ভাই উৎপলকুমার বসুর ওই কথা (যদি উনি বইলা থাকেন) যে একটা ঢাহা বেহুদা কথা তা বুঝতে পারবেন কয়টা কবিতায় উনি নাম্বার মারছেন আর কয়টা কবিতায় নাম লাগাইছেন সেইটা খেয়াল করলে।
অতিথি বলেছেন:
আমার তো ব্লগে মামু আর ফটকার কোবতেই সবচাইতে ফেবারিট লাগতাছে। গোপাল গুড স্টার্ট দিছিলো। অহন আবার ঝিমাইয়া গেছে।
ঝরা পাতা বলেছেন:
ডিয়ার রাইসুদা,ব্র্যাকেটের যদি তিনি বইলা থাকেন দেইখা আপনার সংশয় নিবারণ করিবার জন্য বড়ই আকুলিত হইলাম। তাই নিচের লিংকখান একটু দর্শন সবিশেষ পাঠ করিলে এই অভাজন কৃতার্থ হইবো। 11 নম্বর প্রশ্ন খুব খিয়াল কইরা।
[link|http://www.boipara.com/bengali_literature_ebooks/bengali_literature_interviewutpal01.asp| mv
অতিথি বলেছেন:
ডিয়ার ঝরা পাতা,মূল বিষয়ে আপনের আদৌ আকুলতা নাই যে! অর্থাৎ কিনা তিনি কয়টা কবিতায় নাম্বার বসাইছেন আর কয়টায় নাম...
অতিথি বলেছেন:
বিষয় কি?
ঝরা পাতা বলেছেন:
ডিয়ার রাইসুদা,সেই হিসেব আপনিই করে দেখুন না। লিংকটার হোম পেইজে গেলে হয়তো কিছু পেলেও পেতে পারেন।
অতিথি বলেছেন:
এক বইপাড়ার লিংক দিয়া তো আপনে উৎপল বসুর সব বইয়ের কবিতার শিরোনামের খবর পাইবেন না। উৎপল বসুর শেষ বই 'সুখ-দুঃখের সাথী' (2006) -র কবিতাগুলির প্রায় সবগুলিই উনি ওনার চটকদারি থিয়োরির কারণে হয়তো নাম্বার দিয়া রাখছেন। আগের বইয়ের বেশির ভাগ কবিতারই শিরোনাম আছে। ওনার তত্ত্ব ওনার ওপর খাটাইয়া দেখা যাইতে পারে যে ওনার আগের বইগুলা চটকদারি আর এই বইখানা নাম্বারধারী! আচ্ছা, আপনে উপরে যা যা কইলেন তা কি ওই লিংকে গেলে আমি পাবো ডিয়ার ঝরাপাতা?
অতিথি বলেছেন:
উপরের প্রশ্নটা আসলে মশকরা। উত্তর দেয়ার বোকামী কইরেন না। ধন্যবাদ লিংকটা দেওয়ায়।
অবজারভার বলেছেন:
শিরোনাম সংখ্যায় না কথায় এইটা কোনো ব্যাপার না। কবিতায় কবিতা আছে কি না সেইটা হইলো আসল কথা। উৎপল কুমার বসুর অনেক কবিতাই আছে বালের মতো আবার অনেক কবিতা কবিতার মতো। শিরোনামের উপরে এইটা মোটেই নির্ভর করে না।এখানে বলে রাখা ভালো উৎপল কুমার বসুর কবিতা পড়ছি এইটা আগেই জানা থাকলে অনেক সময় প্যাঁচপেঁচে কাদাকেও ফেয়ারনেস ক্রিমের মতো লাগে। নামপ্রভাব যে কী ভয়ানক পাঠক মাত্রই তা জানেন।


















