প্রহেলিকা -1
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৫:২৮
1.
ভাঙতে ভাঙতে আর কতদুর যাওয়া যায়, ঢেউ ভাঙে পাড় ভাঙে বুক ভাঙে ঘর ভাঙে কথা ভাঙে শব্দ ভাঙে অক্ষর ভাঙে একটা গোঙানি অবশিষ্ঠ থাকে অবশেষে।
2.
রহম দিল চিল চিৎকার দেওয়ার পরে ঝড়ের মাতম লাগে সিনা টান করে হেঁটে যায় লবঙ্গ সুন্দরি দাঁতে আমড়া কাটে টক টক টক শো দেখে আধেক রাতে নিমীলিত চাঁদের সঙ্গে কেলী।
3.
আর কিছুই ভাল্লাগানে রোগটার নাম বিষন্নতা বাতি জ্বলে বাতি নিভে রাত্রির অতিকায় পাখা ঝাপটায় ভোরের অলিন্দে আমাদের দিনগুলো ফুলে ফলে ভরে উঠে পুনরায় আর চিৎকার নয় শুধু অন্ধকারের সিম্ফনি শীৎকারমুখর রাতের শেষে ক্লান্তি আসে ঘন পায়ে বাসর ভিজিয়ে দেয় যৌবতি চাঁদের শর।
4.
বুকজলে নাইতে নেমে পানার সবুজ চাঁদোয়ার নীচে তারাদের ভাঙচুর মাছেদের স্যাঁতস্যাঁতে সংসারে চুইয়ে পড়ে গাছের সঞ্জিবনীসুধা কিছু মাছ পেট উলটে শুয়ে আকাশ দেখে অবহেলায় কাঁকড়ার দাঁড় কাটে ভোরের শিশির। তিরতির ল্যাজ নাড়িয়ে শিশু মাছ যায় স্কুলবাসে চেপে সেখানে উদ্যত কুঠারের নীচে অহেতুক প্রাণ দেয় নিরীহ বটের ঝুড়ি ঘর ভেঙে অকস্মাৎ ঢুকে পরে শঙ্কিত সময় থমথমে দন্ডকারন্যে চাঁদ ঝুলে থাকে তারাদের ভাঙচুড় শেষে মাছেদের সংসারে আলো জ্বালে সূর্যপ্রদীপ।
প্রকাশ করা হয়েছে: কবিতা বিভাগে ।
অতিথি বলেছেন:
পোস্টের সাইজ ভালো লেগেছে। ভাঙনের গানটা ভালো লাগে নি। গোঙানিটা চলে।
অতিথি বলেছেন:
ঠা ঠা রৌদ্রে বিড়ি মুখে দেওয়া মাত্র জ্বলে ওঠে , ভুরভুরে ধোঁয়ায় নাকে মুখে ঈশ্বরের নিকুচি - ঠিকুজি সকাশে মাহফিলি চাম....
অতিথি বলেছেন:
জলপাই রঙের ফিরে আসা - আধারের ভাঙনের সাথে সেতুবন্দী - সুমনের চেহাড়ায় দেখতাম শমিত এখন শমিতেও দেখি রাসেল! উত্তরসূরীদের ভুরিভোজে দাদা হাজির!
ঝরা পাতা বলেছেন:
সব ভাঙনে থাকে নতুন সৃষ্টির প্রেরণা- এটাই কি বলতে চেয়েছেন? শেষ লাইনে এসে ওরকম মনে হলো।
অতিথি বলেছেন:
আরও কয়েক বার পড়তে হবে ভাইয়েরা। কয়েক বার নিজের মতো করে ভাবতে হবে কি অর্থ আছে, কিংবা আদৌ কোনো অর্থ বহন করে এইসব নাকি শুধু বিচ্ছিন্ন শব্দের কোলাজ এইগুলা।নাহ সূর্য প্রদীপে এসে থামলাম কারন মনে হইলো এর পর আর কিছুই বলার নাই।
অতিথি বলেছেন:
3নং বেশ লেগেছে।


















