আমার প্রিয় পোস্ট

অতি দক্ষ মিথ্যুক না হলে সত্যবাদিতা উৎকৃষ্ট পন্থা

কালচাড়াল শক।

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৬ রাত ২:০৩

শেয়ার করুন:                   Facebook

সাংস্কৃতিক পার্থক্যের কারনে কিছু বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয় মাঝে মাঝে, এখন যেখানে আছি সে দেশে আবার পদবির সামনে মিঃ লাগিয়ে সম্বোধনের নিয়ম, আবার কিছু কিছু স্থানে ফার্সট নেমের সামনে মিঃ লাগিয়ে সম্বোধনের নিয়ম। আমার এক প্রিয় বান্ধবি একবার আমাকে বললো তোমাদের ওখানের রীতি কি? তোমরা কিভাবে বড়দের সম্বোধন করো?
আমি চিন্তিত হয়ে বললাম সচারাচর মামা চাচা ভাই দাদা খালা এইসবই চলে , বড়দের নাম ধরে ডাকলে সচারাচর তাদের সম্বোধনের শেষে কোনো একটা সম্পর্কসূচক পদও লাগানো হয়। তাই আমাদের হাজার হাজার মামা চাচা খালা ভাই থাকে। আমাকে প্রশ্ন করার কারন ছিলো তার সদ্য কথা বলতে শেখা মেয়েকে ঠিক কোন পদ্ধতিতে বড় করে তুলবে এটা নিয়ে।
বেশ কয়েক বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চত্ত্বরে আড্ডা দেওয়ায় একটা বাজে অভ্যাস গড়ে উঠেছিলো, একা খেতে না পাড়ার ব্যামো। বাসায় আমি যেসময় খেতাম সে সময় ভদ্্রলোকেরা সবাই রতিঃক্রিয়া সেড়ে ঘুমাতো। যারা অতিরিক্ত পবিত্রতাবাদী তাদের স্লানের শব্দ ঝংকারের সাথে আমার রাত্রিকালীন খাওয়া চলতো। তবে দুপুরে কিংবা বিকালে খাওয়া হতো সদলবলে। এখানে আসার পর এই এক ঝামেলায় সারাক্ষন সঙ্গি খুঁজতাম, কার সাথে দুপুরে খাওয়া যায়। কেউ সঙ্গি না হলে উপাস থাকার মতো অবস্থা। এক দিন সন্ধ্যায় ক্লাশ শেষ তখন চোখে াপন্ধকার দেখছি ক্ষুধায়। অফিসে কেউ নেই, আমার অফিস মেট আসলো, তাকে বললাম আমার ক্ষুধা লাগছে চলো একসাথে খেতে যাই।
সে উত্তর দিলো আমার আজকে ডিনার আছে।
আমি নাছোড়বান্দা বললাম আরে বাবা ডিনারের ক্ষতি হবে না, সামান্য কিছু স্ন্যাকস খেয়ে চলে আসবে, কিংবা একটা কোক, একা খেতে ইচ্ছা করছে না বলেই তোমারে অনুরোধ করতেছি।
সে ভাঙা রেকর্ড পূনরায় বাজালো, আমার আজকে ডিনার আছে ।
আমি বুঝলাম,
পরে একজন আমাকে জানালো এই ডিনারের কথা শুনলে আর অনুরোধ করতে নেই, ওটা অভদ্্রতা, এখানে ছেলে মেয়েতে ডিনারে যাওয়া মানে কিছু রসায়ংহটিত বিষয়াসয় বিদ্যমান।
এর পর থেকে আর কাউকেই ডিনারের কথা বলি নি।
তবে সবচেয়ে আশ্চর্য দৃশ্য দেখেছি গাওসিয়ায়। এক দিন এক বন্ধুর সাথে গেলাম, উদ্দেশ্য তার জন্য জামা কেনা এবং চপ্পল কেনা এবং আরও কিছু, মেয়েদের সাথে মার্কেটে যাওয়ার পথে এই আরও কিছু টুকিটাকি কিনার কথা বললে না যাওয়াটা বুদ্ধিমানের কাজ, আমার অবশ্য অখন্ড অবসর ছিলো তাই অপচয়ে কৃপনতা করি নি।
সেখানে ভয়ংকর ভীড়। একপা হাঁটলেই মেয়েদের সাথে ধাককা লাগার সম্ভবনা। ওসব এড়িয়ে ধীরে ধীরে যাচ্ছি, দেখলাম এক ছেলে মেয়ের স্তন ধরে হাঁটছে, এবং মেয়েটা পাত্তা না দিয়ে গল্প করতে করতে আগাচ্ছে,
এমন একটা দৃশ্য বেশ অপরিচিত, বরং বাংলাদেশের পরিচিত দৃশ্যের কাতারে এই বিষয় পড়ে না মোটেও। আমি হাঁ করে তাকিয়ে ভেবে বের করলাম, এই গাওসিয়ায় একদল স্তনলোভী মানুষ ঘুরে, তাদের কাজই হলো সুযোগ পেলেই মেয়েদের বুকে আর পাছায় হাত দেওয়া, তাই এই মানব বর্ম পেছনে দাড়িয়ে পাছা সামলানো এবং নিজের প্রেমিকার স্তন অনাক্রান্ত রাখতে প্রেমিক খুব ব্যাস্ত হয়ে বন্ধনির কাজ করছে।
সেই বক্ষবন্ধনী হাতের মালিককে হাজার সেলাম।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি  বিভাগে ।

 

  • ১৯ টি মন্তব্য
  • ৪৬২ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৮:০৮
comment by: অতিথি বলেছেন: হ, আমি এক পোলারে চিনতাম। হালার কাম আসিলো গাউসিয়ায় গিয়া গুতানো। একটা পোস্ট দিমু এই লইয়া দেখি।
২. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৮:১০
comment by: অতিথি বলেছেন: হা হা হা.......যা দিলেন তাতে তো এইবার তেনাগো হইয়া যাইব।
আসেন আমরা বাসে, ভীরে, মার্কেটে সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা করি।
৩. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৮:১৭
comment by: অতিথি বলেছেন: আমার এইখানে সেহেরির টাইম হয় নাই, আমি সেফ।
৪. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৮:২০
comment by: অতিথি বলেছেন: হা হা হা কিন্তু তেনাগো তো রোজা মাখরু হয়া গেল.....কি সব টিপাটিপি ধরার কথা বলেন, তাদের নতুন দু:স্বপ্নের শুরুয়াত করায়া দিলেন।
৫. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৮:২১
comment by: অতিথি বলেছেন: হ হাদিসে কইছে চুম্মা দেওন যাইবো কিন্তু পানি বাইরাইলে রোজা মকরুহ, এখন তেনাগো চলমান বিরিনে যদি নীল ছবি শুরু হইয়া পানি বাইরায়া যায় তাইলে কিন্তুক আমার দুষ নাই।
৬. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৮:২৩
comment by: উৎস বলেছেন: রাসেলীয় মজার লেখা।

আমার ধারনা বক্ষবন্ধনীর চেয়ে পিছনে মানব বর্ম হলেই বেশী লাভ।
৭. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৯:৩২
comment by: অতিথি বলেছেন: সাধু, সাধু, .....ভালো ভালো.......
৮. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ১০:৪২
comment by: অতিথি বলেছেন: আমি কিছু বুঝলাম না কেন!
৯. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ১০:৪৫
comment by: অতিথি বলেছেন: বেশ ! বেশ !
১০. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ১০:৫৪
comment by: অতিথি বলেছেন: পারুম না! ছি ছি লজ্জা করে না বুঝি!
১১. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৬ দুপুর ১২:১৬
comment by: অতিথি বলেছেন: ভাল্লাগছে!
১২. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৬ দুপুর ১:২২
comment by: অতিথি বলেছেন: রমযানের পবিত্রতা....
১৩. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৬ রাত ৯:৩১
comment by: হযবরল বলেছেন: দুই হাত ? না এক হাত? সব কিছুতেই সমঅধিকার চাই।
১৪. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৬ রাত ১০:৪০
comment by: রাগ ইমন বলেছেন: ওহ , এই ব্যাপার?
তা সমঅধিকার চাওয়ার ব্যাপার যখন,
ফ্লাডিং এ সম অধিকার চাই!!! :)
১৫. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৮:৫৫
comment by: অতিথি বলেছেন: হযু হাতের সংখ্যা দিয় কি হইবো, বাম হাতের যোগ্যতা ডান হাতের কম, বুঝতে হইবো ডান পন্থা বামপন্থা বাদ দিয়া বেশীর ভাগ মানুষ মধ্যপন্থি ক্যানো।
১৬. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৯:২১
comment by: অতিথি বলেছেন: একটা কুইজের মতো পড়ছিলাম সোভিয়েতস্কি কৌতুকভ এ :
প্রশ্ন : মুরগীর স্তন নাই কেন ?
উত্তর : মোরগের হাত নাই যে !
১৭. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৯:২৩
comment by: অতিথি বলেছেন: হ একখান বই বাইরাইছিলো, পুরা আগুন।
১৮. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৬ রাত ১০:২৫
comment by: ঝরা পাতা বলেছেন: ব্লগের হেডিং ভালা হইছে।
১৯. ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৬ দুপুর ১২:৫৪
comment by: অতিথি বলেছেন: আবার হোক বনফায়ার !

 

 


অনেক অনেক চেষ্টা হয়েছে ব্লগানোর বাংলা করা নিয়ে, আমার এখন ব্লগের নতুন বাংলা করতে ইচ্ছা করলো তাই দিলাম এর নাম...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ১২৪৪৯২