রইস কবি আর মালিশদার
২৮ শে নভেম্বর, ২০০৬ ভোর ৪:৪৭
আমাদের রইস উদ দ্্ব ীন মিয়া যখন নাম থেকে দ্্ব ীন মুছে ফেলে উদ বেড়ালের মতো প্রগতিশীলতার স্রোতে গা ভাসালেন তখন ঘুনসি কোমরে বেঁধে ডোবায় ডুব দিলো এক ন্যাংটো শিশু। এখানে এই পরিবেশটাকে লক্ষ্য করা দরকার, প্রেক্ষিত বিশ্লেষনের আবশ্যকতা আছে প্রবল ভাবে। দ্্ব ীন মুছে ফেলে রইস হয়ে উঠার ভাবনায় তার এই প্রগতিশীলতার স্রোতে উদ বেড়ালের মতো ভেসে থাকাকেও খোল করা দরকার।
খেয়াল করা দরকার সেই বিকেলের রোদ, সেই বিকেলের রোদ মরে যাওয়ার আগেই আকাশ অন্ধকার করে ঝড় উঠেছিলো, ঘুনসি কোমরে বাঁধা সেই ন্যাংটো শিশুটা তখন পথ হারিয়ে কোনো এক গ্রাম্য বিধবার বাসার সামনে দাঁড়িয়ে তার পোষা ছাগলের হাজামত দেখছিলো বিস্ফোরিত চোখে। সেই ছাগলের বিকট ম্যাঁ ডাকের সাথেই বিজলীর গর্জন, বৃষ্টি মেনেছিলো খুব।
সেই বৃষ্টির ছাঁট গায়ে পড়তেই বাচ্চা ছাগলটা উঠে দাড়িয়েছিলো, হাজাম তার হাতের অবশিষ্ট ছাই যা ছাগলের অন্ডকোষে লাগানোর পরেও রয়ে গিয়েছিলো হাত ঝাড়া দিয়ে ফেলে বললেন মা একটু পানি আনো।
বাচ্চা ছাগল তখনও বোঝে নি তার পুরুষত্ব লুণ্ঠিত হয়েছে এই মাত্র, পা টেনে টেনে সে আশ্রয় নিয়েছিলো চৌকির কোনায়। বাজের ভয়ংকর শব্দে কেঁপে কেঁপে উঠছিলো সে। আর আমেনার বাপ তার দিকে তাকাতেই ভীষন হয়ে দ্্বিগবিদিক জ্ঞানশুন্য ন্যাংটো শিশুর ছুটে যাওয়া দেখে খ্যাঁক খ্যাঁক হেসেছিলো আমেনার বাপ।
রইস মিয়া সেই বিকালেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো বৃষ্টিমঙ্গল কাব্য রচিত হবে,
রচিবে এমন ভাবে য্যান লোকে ভাবে
কবি আছে জগতে একখান
কবির কবির বেটা রইস পাঠান।
পাটকিলে ছোড়ার এক বগ্গা শরীরে ভীষন তাকত,সব ছুঁড়িদের দিকে আড়ে আড়ে চায়। পুকুর পাড়ের জামগাছে উঠে বসে থাকে দুপপুর বেলা, ঘোষদের বাড়ীর মালতি ছুঁড়িটাকে একটা লাইন টানা কাগজে পদ্য লিখে পাঠিয়েছে সে - সেই পড্য পড়ে মুখ টিপে হাসে ঘাটলার সব মেয়ে।
রইস মিয়া দুপপুর বেলা জাম গাছের ডালে বসে দেখে ডোঁয়া পিঁপড়া হেঁটে যায় সামনে দিয়ে কাকের পাখার সাট সাট আওয়াজ স্থিমিত হয়।
কে কোকিলা লীলা করে কাউয়ার ঘরে পাড়ে ডিম
পুকুরের ঘোলা জলে যুবতির স্নান বুকে জ্বলে তারার পিদিম।
ডোয়া পিঁপড়া কামড়ায়, শালার পিঁপড়ার পোন মারি বলে রইস মিয়া ভিন্ন ভাবে ভীষন সামলে পশ্চাতদেশ চুলকায় আর আহ উহ করে। আহারে একেবারে ডোয়া পিঁপড়ার ঘরের উপর বসেছে সে গোয়া মেরে দিয়েছে পিঁপড়া, হঠাৎ অবলম্বনহীন খসে পড়লে জাম গাছে মৃদু আন্দোলন আর পুকুরের পানিতে দীর্ঘ ঝপপাস শব্দ হয় একটা। সচকিত মেয়েরা মেনী মুখো ঢ্যামনা বদের তাড়ী ইত্যকার বিশেষন ঝাড়লেও সে দিকে মনোযোগ দেওয়ার অবসর নেই রইস মিয়া। বরং লুঙ্গির ভেতরে হাত ঢুকিয়ে খাবলা দিয়ে ডোয়া পিঁপড়া সংহারে ব্যাস্ত তখন সে।
সেই দুপুরেই আবার মঞ্চে আবির্ভূত হয় ঘুনসি বাঁধা শিশুর, তার হাতে প্রলেপ আস্তে আস্টে ঢেকে দিচ্ছে ডোয়া পিঁপড়া স্মৃতি রইস মিয়ার অনাবৃত পশ্চাতদেশ থেকে। এ মা আপনার বাল উঠে নি, য্যানো বালভিজ্ঞ শৈশবের প্রথম ব্যাতিচারে আশর্য হয়েছে ছেলেটা। যা ব্যাটা পাকনামি চোদাবি না চুপ করে যা করতে আছিলি তাই কর, হোগা জ্বলতাছে আর এই ব্যাটা বালের আলাপ করে। নত মুখে সেই শিশু প্রলেপ মাখিয়ে ফিরে যায়- আসলে এসব শিশুরা কোথায় যায় আমরা জানি না। হয়তো অন্য কোথাও প্রলেপন মগ্ন থাকে-ক্ষুন্নবৃত্তি করে জীবন চালায়-
হা বাৎসায়ন মুনি তোমার কামসূত্রে কিশোরকামের বর্ণনা আছে নেই শিশুপ্রেমবিবরন
শিশুদের ভালোবাসবে কে ভবে রইস কবি ভনে জনে জনে বিলাও সন্দেশ
এই দেশে শিশুপ্রেম নাই কেনো বাৎসায়নে এ কি তব অবহেলা
রচিব নতুন শাস্ত্রশস্ত্র হাতে দাঁড়াও শিশুগন শস্ত্রে প্রলেপ মাখো মসৃন
সহস্র বছরের এই অনাচার বন্ধিবে রচিয়া রইস কামলীলা।
সেই বিকালেই বাজারের ভাঙা রেডিওতে লেজে হোমো এরশাদের ক্ষমতাগ্রহনের খবর প্রচারিত হয়।
এই ঘটনার পর কেটে গেছে এক যুগ,সেই শিশু প্রলেপন হাতে আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে এখন উত্তুঙ্গ তার হাতে মুখে ভীষন মসৃনতা, নিয়ত চর্চায় পারদর্শি হয়ে এখনও সে প্রলেপন মাখে- মাখায়, সবাইকে তোয়াজ করে যায়। প্রথম বর্ষ দ্্ব ীতিয় বর্ষ তৃতীয় বর্ষ যায়- সময় আসলে নিজের নিয়মে বয়ে যায়- উদ বেড়ালের মতো স্রোতে ভাসে রইস কবি। আর প্রগতিশীল রাম ছাগলের ছানা মেলে দেয় ডানা বাংলাদেশের আকাশে পূর্ব বঙ্গে একটাই জেলা বিক্রম পুর সেখানে দুপুর বিশ্রামালাপ বঙ্গীয় ভাষা শুধিতে হইবে
তাই একটা ভাষা আন্দোলন পুটকির চিপায় নিয়ে পা টিপে টিপে হাঁটে রইস কবি। দুপুরের বাসী খাবার ঘাঁই মারে পেটে- একটা মাত্র টাট্টি খানা অনেকক্ষন আটকে আছে সুনিত বাবু-এবাদের ইবাদত উদ্যত হাত জোড়া কাঁপছে বিরবির করে প্রার্থনায় যা বলছে সেটা ইশ্বরের পক্ষেয় শোভনীয় নয় শোনা। দাঁতে দাঁত চেপে সেই উদ্যত ভাষা আন্দোলনের ঘাঁই পেটের ভেতরে নিয়েই একটা উদগ্র চাপের ভেতরে রইস কবি ছুটছে দিকজ্ঞানশুন্য- একটা আড়াল চাই। মালতীর বিয়ের বাসী পোলাও এমন জব্দ করবে কে জানতো।
একটা গাছের গোড়ায় চোখ রেখে সে গাছের শেকড় গুনতে গুনতে রইস অনুভব করে প্রবল ভাষা আন্দোলনের মিছিল নেমে যাচ্ছে হোাগা দিয়ে- অমল সুখে রইস প্রায় নিদ্্রিত হয়ে শেষ সোনাটা বাজাচ্ছিল হোগা দিয়ে- খিল খিল শব্দে পেছন ফিরে দেখলো চৌধুরি বাড়ির জানালায় হেসে লুটোচ্ছে কতিপয় মেয়েরা। দামড়া পোলা সামলাতে পারে নাই- মরাখাকির পুত বাসার খিড়কিতে এমন কাম করছে- হিঃ হিঃ হিঃ হিঃ হিঃ
ভাষা আন্দোলন স্থিমিত হয়ে যায়, আরক্ত মুখে তীব্র মনোসংযোগ দিয়ে গাছের কোটরে কবিতা খোজে রইস মিয়া। সেই ঘুনসি বাঁধা শিশু 10 কিংবা 15 বছর পরে এখন কিশোর কিংবা তরুন- হাসিমুখে তার দিকে তাকায়- বলে আপনার বাল উঠে নাই।
রইস মিয়া কটমট তাকালেও এই সময়টাতে সবার প্রতি একটা তাচ্ছিল্য থাকেই, বয়েসের দোষ বা ুগুন যাই বলি- তাই অম্লান মুখে আউড়ে যায় সেই গত কৈশোর শিশু
আমার কত কত বাল
কত কত খালের কিনারে বসে পরিস্কিনু বাল
আর আবাল কবিরে দেখি আজ হায়
আবাল কবিরে দেখি আজ
কাঁঠাল পাতায় ঘষে
অকর্ষিত হোগা।
খানিকটা কাঁঠাল পাতা হাতে ধরিয়ে দিয়ে সেই না কিশোর না তরুন না যুবক ঘুনসি বাঁধা এককালের শিশুটা চলে যায়। রইস কবি কাঁঠাল পাতা চিবায় আর কবিতা অবতীর্ন হয় ধরাধামে।
এই সব দৃশ্যের সাথে আমাদের সহবাস
বসবাসরত সব বৃক্ষ প্রেমিকেরা আজ হাত নাড়ে
টেলিগ্রাম পৌঁচেছে মুক্তাঙ্গনে
সভাপতি্ন তন্বি সুঠাম তন্দ্র ালু
কিশোর তরুন হয় যুবা প্রৌঢ় এমনটাই রীতি তবে একাগ্র নিষ্ঠায় সেই না তরুন না কিশোর না যুবক ঘুনসি বাঁধা শিশু প্রলেপন দিয়ে যায় ডোয়া পিঁপড়া চর্চিত হোগায়।
একুস্টিক মনোজ কবিতার পান্ডুলিপি পড়ছেন- কবিতার সঠিক সমালোচনা করতে পারে একমাত্র সৎ কবি - রইস মিয়ার স্টেপ ফ্রেন্ড কিংবা দুর সম্পর্কের বন্ধু একুস্টিক মনোজ কবিতা পড়ে আর মাথা নাড়ে বিতৃষ্ণায়
অবশেষে সমালোচনা ছাপা হয় দৈনিকে- উল্লেখযোগ্য কয়েকটা বিশেষন সবার অবগতির জন্য জানানো-
-ছাগল চার পায়ে জুতা পড়লেই সাহেব হয়ে যায় না আর ল্যাদা ছাড়লেই ওটা মুক্তা হয় না- অধ্যাবসায় গুরুত্বপূর্ন রইস মিয়া সেই পরিশ্রম করতে নারাজ তাই যা হবার তাই হয়েছে- উস্কোখুস্কো চুল আর দাড়ি ঝোলালেই কবি হয়ে যায় না লোকে এই সত্য অনুধাবনের ক্ষমতা এখনও হয় নি তার-
-পিঁপড়ার হোগায় ঠেসে বারুদ ভরলেই ওটা জোনাকি হয়ে জ্বলে না তেমন কবিতার সারবস্তু না থাকলে ওটা নিজের ভারে চলে না মোটেও-
একুস্টিক মনোজের সমালোচনায় ব্যাথিত রইস মিয়া এবার সিলোটি বেডিংয়ের দোকানে বসে থাকে- প্রাক যৌবন প্রলেপনিষ্ঠ অভিজ্ঞ মালিশদার সেই শিশুটিকে দেখা যায়-
সে এখন ছাগলের হোগার বাল চেঁচে সাফ করার অভিজ্ঞতা নিয়ে নতুন বিউটি পার্লার খুলেছে-
প্রকাশ করা হয়েছে: কৌতুক বিভাগে ।
টিয়াবাম বলেছেন:
আর আট বীচিওয়ালা ছাগল, তাজমহল দেখে পাড়ি জমালো কাগুর দেশে.....
অতিথি বলেছেন:
চমৎকার হচ্ছে আর একটু হলেই রইস কবির সমকক্ষ হয়ে যাবে- তখন দুজনে মিলে কোথাও বাগ টাগ বোটে বসে দেখপে-
অতিথি বলেছেন:
রাসেল মন্তব্য আগে না পড়বো আগে!
অতিথি বলেছেন:
রাসেল ভাই,আপনারে পইড়া মুগ্ধ!...... হের পিছনে না লাগলে হয় না!হেরে এখন মাপ কইরা দেন।
অতিথি বলেছেন:
ভালো লাগল।
হিমু বলেছেন:
গল্প হিসাবে খারাপ না। পরবর্তীতে স্ক্যানস্কুন করে কোথাও না দিলেই হলো।
অতিথি বলেছেন:
হ, আমিও কই, রাসেল দাদার এই রইসু বিকার কবে যে যাইবো? এইটারে ইগনোর করা যায় না? আপনার এইটা ছাড়া বাকী তো সব ভালই ইনজয় করি।
অতিথি বলেছেন:
অশোভন, অপ্রাসঙ্গিক এবং অপ্রয়োজনীয় বলে রাইসুর মন্তব্য মুছিয়া ফেলা হইলো।
অতিথি বলেছেন:
হা হা হা!
অতিথি বলেছেন:
হা হা হা! ভুতের মুখে রাম নাম!!
অতিথি বলেছেন:
শেষ পর্যন্ত রাসেলদারও পদস্খলন হইলো!?
অতিথি বলেছেন:
অশোভন, অপ্রাসঙ্গিকতা আর অপ্রয়োজনীয়তার মান নিয়া আমি পুরা কনফিউজড হইলাম!
অতিথি বলেছেন:
অপ্রাসঙ্গিকতা এবং অপ্রয়োজনীয়তা বুঝার জন্য আসলে জিভটাকে সামান্য ছুটি দিতে হয়, অযথা চাটাচাটিতে ব্যাস্ত থাকলে নিজের অর্থহীন আচরন এবং অপ্রয়োজনীয় কর্মকলাপের মাধ্যমে সব অপ্রাসঙ্গিক অশোভনতাকে নিতান্ত সভ্য মানুষের কাজ মনে হয়।যাই হোক আপনে বড় মানুষ, অনেক দিন দ্্বান্দ্বিক বস্তুবাদী ভাবধারায় অবগাহন করছেন এর পরও আপনার বিবেচনা বোধের ভেতরের তস্কর মনোভাব ও পলায়নবাদী মানসিকতার পরিবর্তন হয় নাই।
রাইসুর পুরো নাম কি? এটা একেবারে অপ্রয়োজনীয় তথ্য এই রচনার প্রেক্ষিতে, কেউ যদি সাইধা নিজের হোগায় বাঁশ টাইনা আমোদিত হয় সেই অসুস্থতার জন্য আমারে দোষারোপ করার চেষ্টাটাকে আমি াপ্রাসঙ্গিক বলি।
আর সে তাকে ভিত্তি করে আমার যৌনতার নির্মান বিষয়ক যে হাইপোথিসিস দাঁড়া করছে ঐটা সে য্যানো অগাস্টিন গোমেজের হোগায় গিয়া ঢুকায়। এইটা আমার কাছে অশোভন মনে হইছে।
যাউক গা। অযথা কথা কইয়া মুখ খুলায়েন না। মুখ খুললে আপনের সামান্য অসুবিধা হইতে পারে।
অতিথি বলেছেন:
অসুবিধা ক্যান হইবো ...কন না...তয় পলায়ন বাদী কইলেন...এই অবজারভেশন আপনের ঠিক আছে...ঐটার কারনেই হয়তো এখন ব্যক্তিগত জীবনে আছি...কিন্তুতাও ঐ মন্তব্য আমার কাছে এই ব্লগের অনেক কালচার থেইকা অনেক ভিন্ন কিছু মনে হয় নাই।
আপনে টিয়াবামের মন্তব্যটা যদি অশোভন, অপ্রাসঙ্গিক আর অপ্রয়োজনীয় মনে না করেন তাইলে রাইসুরটা আমার কাছে এই পোস্টে এক্কেরেই শোভন আর আপনের ঐ গল্পের ধারাবাহিকতায় ঐটারে প্রায় প্রাসঙ্গিকই লাগছিলো। গল্পে আপনে রাইসুর দায়িত্ব নিছেন, মন্তব্যে রাইসু মন্তব্যে আপনের দায়িত্ব নিছে, এই তো।
আর আবারো কই আমার অসুবিধা নিয়া আপনের না ভাবলেও চলবো। আপনে অসুবিধা তৈরী করেন আমার লেইগা...
অতিথি বলেছেন:
রাসেল ডট ডট, আমার মনে হয় ভাস্কর ঠিকই কইছে।
অতিথি বলেছেন:
রাস্তায় খাড়ায়া মেয়েদের প্রতি মন্তব্য করন, মেয়ে দেখলে বিগলিত হওন, এইসব সমস্যা সব মানুষের আছে- এইসব কমন কিছু বৈশিষ্ঠ্য, এমন অনেক কমন বৈশিষ্ঠ্য আছে, কবি হইলে পুর্বজদের সামান্য হেয় করতে হয় এইটাও কমন বৈশিষ্ঠ্য সাহিত্যাঙ্গনে, তেমনই কমন বৈশিষ্ঠ্য পছন্দের কবিদের স্তুতি আর অপছন্দের কবিদের চৌদ্দগুষ্ঠি উদ্ধারের । বাংলাদেশের লিটলম্যাগ কালচারের একটা বড় অংশ এই কাদা ছোড়াছুড়ি নিয়া ব্যাস্ত- গল্পের রইস উদ দ্্ব ীনের এমন কিছু বৈশিষ্ঠ্য রাইসু যদি নিজের ট্রেড মার্ক ভাইবা লয় তাইলে ঐটা তার নিজের সমস্যা। আপনের সাথে রাইসুর এই একটা বিষয়ে চরম মিল আছে। যাউকগা আপনে আপনার ব্যাখ্যা নিয়া থাকেন- সেই ব্যাখ্যা আমি খাইতাছি না যখন তখন সেইটা আমার কাছে না বেইচ্যা অন্য কোথাও দরদাম করেন- আখেরে লাভ হইবো।
অতিথি বলেছেন:
রাইসু আপনে সব সময় প্রয়োজনের বেশী বুইঝা অভস্ত্য- এই বাপের আগে বাল ফেলানো মানসিকতা ছাইড়া দিলে কিছু হইতে পারতো আপনের।( হতাশামিশ্রিত হাসি)
অতিথি বলেছেন:
না বাপজান, বাল আপনের একান্তই নিজস্ব সম্পত্তি। ওইটা ফেলানো বা না ফেলানো আপনারই। জামাল ভাস্কর যে ঠিক না সেইটা তো খালি আপনের জাস্ট আগের পোস্টটা পইড়াই না বুঝলাম। বাপ বাল ফেলাইছে তায় বুঝতে পাইরা আমি জামাল ভাস্কর নামক বালটিকে ফেলাইয়া দিচ্ছি। রাসেল, আমি আপনের লগে আছি।
অতিথি বলেছেন:
রাসেল, আমি একটু বেরুচ্ছি। বাংলাবাজার পত্রিকায় যাবো। পুরনো কিছু পত্রিকা কিননের জন্যে। পরে যাবো যায়যায়দিনে মাহবুব মোর্শেদের কাছে। সন্ধ্যায় শাহবাগে যাবো, আপনি থাকলে চইলা আইসেন, ভাস্করও আইসেন। কৌশিকরে নিয়া আইসেন। পিয়ালরে নিয়া আইসেন রাসেল। দাওয়াতে কোনো প্যাচ নাই।
অতিথি বলেছেন:
গল্পের রইস মিয়া যদি আলদা কেউ হয় (আপনের দাবী অনুযায়ী) তাইলে আমার কিছু বলার নাই। আমি আসলে অন্য যে কারো মতোই এই লেখারে আপনের রাইসু বিষয়ক স্যাটায়ার টাইপ ভাবছিলাম ( যেইটা আপনে অতীতে অনেকই করছেন)।লেখা আপনের। এখন আপনে যদি এইটারে কাল্পনিক চরিত্র কন, কারো সাথে মিল পাওয়া গেলে দুঃখিত হইতে চান আমার কিছু বলবার নাই!
অতিথি বলেছেন:
রাসেল হইল কাউয়ার মতো মুখ লুকাইয়া ভাবে কেউ দেহে না।
আলী বলেছেন:
বল্গের নিয়ন্ত্রনকারী কেউ আছে কি? নোটিশবোর্ড তো কবেই পইচা ভাইঙ্গা গেছেমনে হয় এখন এই বল্গের মা-বাবা যারা ছিল তারা হয় মারা গেছে না অন্য কোন জায়গায় পার্টি করতাছে। তা না হলে কোন ছাগুরাম সাতটা লেখা দিয়া হাফহাজারী পালন করে?
1) কথা হয় আমার কপিপেস্ট নিয়া মাননাল আমি কপিপেস্ট করি লেখা কম্পোজ তো আমার ই করা লাগে নাকি সেইটা কোন কুৎসিত আর্বজনাখেকো পাখি কইরা দেয়?
2) লেখা দেয়া হবে ব ল্গারা পড়বে কমেন্ট দিবে এইটাই বল্গের নিয়ম কিন্তু ড্রাফট কইরা রাখলে এটা কি বল্গিং?
3)এই ঘটনার জন্য নোটিশবোর্ড এবং সামহোয়ার ইন বল্গ কতৃপক্ষ সম্পূর্ন দায়ী কারন যখন নতুন আপগ্রেড করা হল তখনই অনেক বল্গার আওয়াজ তুলেছিল ড্রাফটকে পোট হিসেবে কাউন্ট না করার জন্য তখন ড্রাফট পোস্ট হিসেবে কাউন্ট অফ করে দিলে এখন কেউ সাত পোস্ট দিয়ে হাফহাজারী করতো না।
4)শুধু নিক ব্যান করলেই সামহোয়ার ইন বল্গ সুন্দর পরিবেশ ভালো হয় না আরো অনেক দিক দেখতে হয়
অতিথি বলেছেন:
আলী ক্ষেইপ্যা গেলা ক্যান?এইটাকে প্রতিযোগিতার পর্যায়ে নামাইও না। অযথা চাপ নেওয়ার কিছু নাই-এইটারে উপভোগের চেষ্টা করো- ড্রাফট কইরা কেউ পোষ্ট 500 কইরা ফেললো তাতে কি হইছে? তুমি মাঝে মাঝেই ভালো খবর জানায়া যাও-এই কাজটা কয়জন করে কও?
আতাহার বলেছেন:
বাপে নাম রাখছিল রইস উদ্দিন। হালার বেটা ঢাকায় আইসা নামকরণ করে ব্রাত্য রাইসু। এই ক্ষেতটা কবি কয় কোন হালা। একটা খচ্চর।
রাশেদ বলেছেন:
+
মুকুল বলেছেন:
সবাই দেখি অতিথি হৈয়া গেছে!


















