আমার প্রিয় পোস্ট

অতি দক্ষ মিথ্যুক না হলে সত্যবাদিতা উৎকৃষ্ট পন্থা

আমাদের হানাহানির সময়েও শ্বাশতের কালঘড়ি ১২টার দিকে ছুটছে টিক টিক টিক টিক

০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:২৬

শেয়ার করুন:                   Facebook


সব কিছুই পণ্য হয়ে যায়, পূঁজিবাদ এমনই ব্যধি। আমার ক্ষোভও পণ্য হতে পারে, আমার প্রতিবাদ কিংবা আমার কান্না , আক্ষেপ সবটুকুই পণ্য হওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আ: মামুনের লেখাটা পড়ে ক্ষুব্ধ হয়েছিলাম। দু:খ পেয়েছিলাম। তবে এই নিয়ে ব্লগে যেমন তর্ক-বিতর্ক আর কাদা ছোড়াছুড়ি হচ্ছে তাতে ভীষণ রকম বিব্রতবোধ করছি।

কৌশিকের লেখাটা পড়ে আঁতকে উঠেছি। মানুষের অমানবিকতায়। শ্বাশত সত্য আসলে একটা বিজ্ঞাপন। সামহোয়্যারের সচেতন ব্লগারদের সচেতনতা আর সহৃদয়তার বিজ্ঞাপন। এটার বাণিজ্যিক মূল্য আছে। এজ এ কম্যুনিটি ব্লগ, এই ব্লগের সদস্যরা বিভিন্ন জনসেবামূলক কর্মকান্ডে অংশগ্রহন করে। কৌশিকের লেখার এই ভঙ্গিটা আপত্তিকর। আপত্তিকর একই অর্থে দীপুর লেখা। সেখানের একটা শব্দে গিয়ে লজ্জিত হলাম। আঃ মামুনের বিরুদ্ধে স্পষ্ট অনুযোগ তিনি শ্বাশতের টাকা আত্মস্যাৎ করতে চাইছেন।

আজ ভুল বানানে লেখা একজনের ব্লগে গিয়ে দেখলাম কাদা ছোড়াছুড়ির অপূর্ব নজির। কালপুরুষ কিংবা নেমেসিস কিংবা হাসিব কিংবা অন্য সবাই যারা এই কাজটার সাথে জড়িত তাদের সবার হৃদয়বৃত্তিকে অপমান করতে চাইছি না। তবে আমাদের নিজেদের ভেতরে সীমাসচেতনতার স্পষ্ট অভাব দেখলাম।

শ্বাশত সত্য বিষয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গৃহীত পদক্ষেপ আমার নিজের বিশেষ পছন্দ নয়। বরং অনেক বেশী স্থবির আর নিস্প্রাণ মনে হয়েছে। শিবলী, উজ্জল কিংবা সালাউদ্দিন কিংবা অন্য যারা যারা রাজশাহী থেকে লিখছেন তাদের সবার আন্তরিকতার অভাব আছে এই অভিযোগ করছি না।

উজ্জলের সাথে প্রথম যেদিন কথা হলো সেদিন জানলাম, উজ্জল আরও আগে থেকে এই প্রক্রিয়া শুরুর অনুরোধ করছিলো। কোনো এক কারণে তাদের এই দীর্ঘসূত্রিতা। এই দীর্ঘসূত্রিতার উৎস কি আমি জানি না। তবে আঃ মামুনের লেখা পড়ে ক্ষুব্ধ আমি কারণ শ্বাশতের ভেলোর যাওয়া এবং সেখান থেকে ফিরে আসবার প্রক্রিয়াটাতে কোনো চিকিৎসা শুরুর উদ্যোগ ছিলো না। ছিলো এসেসমেন্ট আর ফিজিবিলিটি টেস্ট। এই প্রক্রিয়া শুরু করা যায় কি না এটাই যাচাই করা হলো যেনো।

প্রাথমিক পর্যায়ে আমার জানা ছিলো সম্পূর্ন প্রক্রিয়াটা সমাপ্ত হতে লাগবে ১৬ থেকে ১৮ লক্ষ টাকা। আমাদের উদ্দেশ্যও ছিলো যতটা সম্ভব এই অংকটা ছোঁয়া। তবে শ্রদ্ধেয় শিক্ষক প্রায় ২৫ দিন কোনো রকম সক্রিয়তা ছাড়াই বললেন অনেক ক্ষতি হয়েছে এই অবসর সময়ে, তাই ক্ষতিটা সারাতে এখন আরও বেশী অর্থের প্রয়োজন।

লাল ফিতা আর ইতকর্তব্য স্থির করতে গিয়ে একটা মানুষের জীবন নিয়ে তারা অহেতুক নোংরা কৌতুক শুরু করেছেন এই বোধটা বোধ হয় তাদের নেই। তাদের ৩ মাস আগে যখন এই উদ্যোগ নেওয়ার অনুরোধ করেছিলো উজ্জল তখন শুরু করলে আমরা কতটা এগিয়ে থাকতাম? শ্বাশতের অস্থি মজ্জায় সংক্রামণ তাহলে আরও একটু আগেই সারানোর উদ্যোগ নেওয়া যেতো।

তবে আঃ মামুন অপেক্ষা করেছেন। কোনো রকম উপকরণ ছাড়াই প্রাণঘাতী এক রোগের সাথে সম্মুখ সমরে লিপ্ত শ্বাশতকে সামনে রেখে তারা বিভিন্ন আদর্শিক এবং অনাদর্শিক আলোচনা করবার প্রচেষ্টা করছেন। শ্বাশতের কাছে লড়াইয়ের অস্ত্র নেই। নিরস্ত্র শ্বাশত যখন নিজের প্রাণশক্তি ক্ষয় করে সংক্রামনের সাথে লড়ছে শক্তিশালী ব্যাথানাশক খেয়ে হাসিমুখে সবার সামনে দাঁড়াচ্ছে তখন আমাদের সহৃদয় মানুষেরা পারস্পরিক কাদা ছোড়াছুড়ি আর এসেসমেন্ট করতে ব্যস্ত।

জানতে পারলাম অবশেষে রাজশাহী বিভাগের অলস মানুষদের টনক নড়েছে, তারা এবার কোমর বেঁধে অর্থ সংগ্রহে লিপ্ত হবেন। এই কাজটা আমরা যখন শুরু করলাম তার আগে থেকেই তাদের জানা ছিলো টাকার অঙ্কটা। তারা এই সময়টাতে এসেসমেন্ট আর ক্ষণিক মোবাইলে কথা বলা ছাড়া কি বালটা ছিড়েছেন?

এই আক্ষেপটা পোড়াচ্ছিলো পোস্ট পড়বার পর থেকেই।

কৌশিকের পোষ্ট আর দীপুর পোস্ট পড়ে আশ্চর্য হওয়ার বদলে লজ্জিত হলাম। আমাদের প্রচারের লোভ আছে? আমরা দান করে কৃতজ্ঞতার প্রকাশ চাই। আমরা পেপারে ২ কলাম ছবি চাই? কেউ এসে পিঠ থাবরে বলবে যা করেছো ভালো করেছো,

অন্তত একটা সুন্দর হাদিস বলতে পারি। তোমরা এমন ভাবে দান করবে যেনো তোমাদের বাম হাতও জানতে না পারে। দান গ্রহীতা নিতান্ত দায়ে পড়েই দান গ্রহন করতে বাধ্য হয়, তার এই দুরাবস্থার প্রচার তাকে আরও হীন অবস্থায় ফেলে দেয়। তবে আমার সাম্প্রতিক উপলব্ধি হচ্ছে বোধ হয় এখানে যারা কাজ করেছে তাদের সবার দাবি শ্বাশত অন্তত তার এই দুঃসময়ে তার জন্য অর্থ সংগ্রহে যারা ব্যস্ত ছিলো তাদের সবাইকে প্রতি হাজারের জন্য একবার করে পা ছুয়ে সালাম না করলে এই অর্থ গ্রহন তার জন্য বৈধ হবে না।

কিংবা সবাই হয়তো তার পাছায় একটা করে লাথি দিবে, শালা মুরোদ নাই তবুও বড় লোকের অসুখ বাধালি তুই। এরপর লাথি মেরে গরু দানের মতো তার হাতে টাকা তুলে দেওয়া হবে।

কালপুরুষ মামুনকে বলেছেন- তারা কার সাথে কথা বলে একটা সময় নির্ধারণ করেছেন। মজাটা এখানেই, প্রয়োজন শ্বাশতের, সে অসুস্থ এবং অসুস্থতার মাত্রা চিন্তা করেই আমার নিজের ধারণা অন্তত মামুনের লেখা পড়ে, দীর্ঘ কোনো ভ্রমন তার ভঙ্গুর সাস্থ্যকে আরও ভঙ্গুর করবে।

এরপরও দীপুর নাছোরবান্দা দাবি, সাথে কালপুরুষেরও গোপন বাঞ্ছা শ্বাশত সপরিবারে এসে ঢাকায় উপস্থিত হয়ে কৃতজ্ঞতার নাগপাশে নিজেকে বাধুক। আর দে স্টুপিড এনাফ টু থিংক দিস ওয়ে ওর দে আর যাস্ট নাম্বব বাই দেয়ারর সোকল্ড হিউম্যানেটারিয়ান এফোর্ট?

সামহোয়্যারের কতৃপক্ষ কৌশিকের লেখাটাকে মুছে দেওয়ার কোনো তাগিদ বোধ করেন নি, অন্তত তারা এই বিষয়টা বিজ্ঞাপনের উপযুক্ত ভাবছেন কি না এই বিষয়ক কোনো বক্তব্য তাদের নেই। তারা এই বিষয়ে কোনো আপত্তি জানান নি, তারা কি মৌন ভাবে এটাকে বাণিজ্যিক ভাবে ব্যবহারের আগ্রহ দেখাচ্ছেন না কি তারা কৌশিকের মারাত্মক মানসিক বৈকল্যকে আপত্তিকর ভাবছেন? কোনো স্পষ্ট বক্তব্য এখনও নেই। অথচ এই নিয়ে কাদা ছোড়াছুড়ি চলছেই।

আজকে কিংবদন্তী গিয়েছিলাম সন্ধ্যায়। রাহার সাথে কথা হলো, খুব বেশী সময় কথা হয় নি, তবে যেটুকু জানলাম, সেই প্রথম দিন কোনো এক সহৃদয় ব্লগার কিছু টাকা দিয়ে সবার জন্য ইউনিফর্ম তৈরি করে দিয়েছিলেন, এরপরে শেরিফ নিজ উদ্যোগে কিছু টি শার্ট নিয়ে গেলেও আদতে সামহোয়্যারের সহৃদয় ব্যক্তিরা তেমন ভাবে টি শার্ট কিনতে আগ্রহ দেখান নি। হতে পারে আজিজ মার্কেটের দুর্নাম এ জন্য দায়ি।

তবে ফেসবুকে এই অনুরোধ রাখবার পড়ে তার পরদিন থেকেই ফেসবুকের বন্ধুরা আসছে এই উদ্যোগে অংশগ্রহন করতে। আর সামহোয়্যারের মানুষেরা আপাতত চরম ব্যস্ত কারণ কোনো এক ব্লগ সাইট এটাকে নাকি নিজেদের বিজ্ঞাপনের জন্য ব্যবহার করছে।

সু-শান্ত নিজের বক্তব্য পরিস্কার করতে চেষ্টা করেছেন, তবে যখন তাল গাছ আমারই তুমি যাই বলো না কেনো অবস্থানে মানুষের বৈকল্য পৌঁছে যায় তখন কোনো বক্তব্যই কোথাও পৌঁছাতে পারে না।

আমার ব্লগ, সুশান্ত সেখানেই নিয়মিত লেখেন, তারা যে উদ্যোগ নিয়েছেন এবং তারা শ্বাশতের জন্য যে কয়টা টাকাই সংগ্রহ করতে পেরেছেন তার জন্য তাদের প্রতি অসীম কৃতজ্ঞতা।

আমি কৃতজ্ঞ অন্যসব মানুষেরা যারা নিজেরাই এই উদ্যোগে সামিল হয়েছেন এবং যারা এখনও গোপনে কাজ করছেন শ্বাশতের জীবন বাঁচানোর জন্য। তাদের সবাইকে আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
তারাই আমাদের আনসাঙ হিরো। আমাদের সাধারণ মানুষ। এবং যদি এই উদ্যোগের সাথে যুক্ত কেউ আমার লেখায় কষ্ট পেয়ে থাকে কিংবা আহত হয়ে থাকে তাদের কাছে অগ্রিম ক্ষমা প্রার্থনা।

আমাদের নিজেদের অন্ধকার কাটলো না, নিজের সীমাবদ্ধতা আর স্বার্থান্ধতা প্রচারের মোহ কাটিয়ে না উঠতে পারার ব্যর্থতা অতিক্রম করতে হবে সংশ্লিষ্ট মানুষদেরই।

আমি আশা করতে পারি- হয়তো রাজশাহীর মানুষেরা যখন গা ঝাড়া দিয়ে উঠেছেন কোমরে নেংটি বেধে হয়তো তারা বেশ বড় অংকই সংগ্রহ করতে পারবেন। আজকের সুখবর ছিলো ইতিমধ্যে আমাদের ২৫ শতাংশ অর্থ জোগাড় হয়ে গেছে। আমরা ৬ লক্ষ জোগাড় করতে পেরেছি। যদি আন্তরিক ভাবে চেষ্টা করি তবে ২০ লক্ষও সংগ্রহ করতে পারবো। তবে আমাদের সময় সীমিত। শ্বাশতের কালঘড়ি টিক টিক করে ১২টার দিকে ছুটছে।

টিক টিক টিক টিক টিক টিক টিক টিক

 

 

  • ৭৪ টি মন্তব্য
  • ৯১৩ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৩০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৩০
comment by: মুকুল বলেছেন: রাসেল ভাই, অত্যন্ত সময়োপযোগী লেখা। এসব দেখে পোস্টগুলো কমেন্ট করার উৎসাহ হারিয়েছি...
২. ০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৩১
comment by: নূহান বলেছেন: সময়োপযোগী লেখা। আপনাকে ধন্যবাদ ।
৩. ০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৩৬
comment by: লালমোহন ওরফে জটায়ু বলেছেন: আমারব্লগ চায় শ্বাসত বেচে থাকুক এটাই কামনা। এর বাইরের যা কিছু তাতে আমার ব্লগের কোন ভুমিকা নেই। যারা শ্বাসতকে একটি বিজ্ঞাপণ ভাবছেন তাদের জন্য করুনা।
৪. ০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৩৮
comment by: জেনারেল বলেছেন: গুড জব



সামহোয়্যারের কতৃপক্ষ কৌশিকের লেখাটাকে মুছে দেওয়ার কোনো তাগিদ বোধ করেন নি, অন্তত তারা এই বিষয়টা বিজ্ঞাপনের উপযুক্ত ভাবছেন কি না এই বিষয়ক কোনো বক্তব্য তাদের নেই। তারা এই বিষয়ে কোনো আপত্তি জানান নি, তারা কি মৌন ভাবে এটাকে বাণিজ্যিক ভাবে ব্যবহারের আগ্রহ দেখাচ্ছেন না কি তারা কৌশিকের মারাত্মক মানসিক বৈকল্যকে আপত্তিকর ভাবছেন?
৫. ০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৪১
comment by: রাতুল" বলেছেন: খুব ভাল বলেছেন। উচিত কথা।
৬. ০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৪৫
comment by: একজন ব্লগার বলেছেন: সব দোষ আমার । আমিই প্রথম কথাটা সবাইরে বলছিলাম! আমারে মাইনাস দেন!:(
৭. ০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৪৭
comment by: আরিফ জেবতিক বলেছেন: রাসেল,
সারাদিন ব্লগে অনেকবারই চোখ বুলিয়েছি কিন্তু লজ্জায় লগইন করতে পারিনি ।
মাঝে মাঝে নিজেদের দীনতা দেখে আৎকে উঠি।




আপনার এই লেখার সবটুকুই বলতে চেয়েছিলাম , বলতে চাই ।
এবার লগইন করলাম কারন এই কথাগুলোই বলা হয়েছে ।
৮. ০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৪৯
comment by: নেমেসিস বলেছেন: নোংরামি এবং তিক্ততার চুরান্ত সীমারও বাইরে চলে গেছে ব্যাপারটা । এই পোস্টের নীচের পোস্টটা দেখে আমার বোধবুদ্ধি নাশ পাচ্ছে আস্তে আস্তে । যদিও কাল রাতের বেলাতেও শাশ্বতর চিকিৎসার খরচ নিয়ে একটা প্রচন্ড রকম ভাল খবর পেয়েছিলাম নতুন করে তারপরও আমার মনে হচ্ছে না আমার আর ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোর এ জাতিয় কাজে থাকা উচিৎ ।

আমি হয়ত এ ধরনের কাজের যোগ্যই নই । সবাই ক্ষমা করে দিবেন আশা করি ।
০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৫৮

লেখক বলেছেন: আমি লজ্জিত, তবে লজ্জাজাতীয় শব্দ হয়তো মানসিক আঘাত কাটাতে সহায়ক হবে না। ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোর ব্যধি সহজে কাটবার না।

আমি নিজেও ত্যাক্ত- বিরক্ত এই অহেতুক নোংরামি দেখে। গালি দেওয়া যায়, তবে গালি দিয়ে তেমন কোনো পরিবর্তন আসবে না।

এই ঘটনার পরে কোনো অনুরোধ করাটা অনুচিত হবে। শুভেচ্ছা আর সমবেদনা। ভালো থাকবেন। আপনার আন্তরিকতা আর আবেগ নিয়ে আমার কোনো সংশয় বা সন্দেহ নেই।

৯. ০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৪৯
comment by: রাশেদ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পোস্টটার জন্য।
১০. ০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৫০
comment by: বুমবুম বলেছেন: কি যে হইতাছে বুঝি না:|
১১. ০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৫১
comment by: প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: সুন্দর করে বলেছেন রাসেল ভাই...

পারলে সোমবার সন্ধ্যায় আজিজে আইসেন এক চক্কর

ব্লগে আর কিছু বলব না... চেক হস্তান্তর এর পর নিভৃতে চলে যাব..
১২. ০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৫৫
comment by: কেহেরমান বলেছেন:
রাসেল ভাই
আপনার পা ছুঁয়ে সালাম করতে ইচ্ছে করছে।

ভালো থাকবেন।

অনেক অনেক ধন্যবাদ গঠনমূলক পোস্টটি দেয়ার জন্য।

একই সাথে আমি নিজেও লজ্জিত দীপুর বক্তব্য আপনাদের সামনে তুলে ধরার জন্য।
কিন্তু এদেরকে চিনিয়ে দেয়ার জন্যই পোস্ট দুটো দিয়েছি। মাফ করবেন।

শাশ্বত সুস্থ হয়ে উঠুক সবার সহযোগিতায়।
১৩. ০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৫৭
comment by: মখআলমগীর বলেছেন: এক কথায় যা বলার বলা হয়ে গেছে।
ধন্যবাদ
১৪. ০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:০৪
comment by: কৌশিক বলেছেন: শাশ্বতের জন্য এখনও আমার কোন আবেগ নেই। তোমার অনেক আবেগ আছে, আমি শ্রদ্ধা করি। আমর আবেগ নাই, সেজন্য লজ্জিত নই। অপরিচিত একজন মানুষের জন্য আমার আবেগ সংগঠিত হয় না। তবে আমি চেয়েছি তোমার ইনভলবেশন দেখে তোমার হাতকে শক্তিশালী করতে। তুমি আমাকে প্রলুব্ধ করেছো, শাশ্বত নয়। একজন শাশ্বত স্পেশাল হয়ে ওঠে না আমার কাছে। এমন হাজারো শাশ্বতকে বাঁচানোর জন্য একটা প্লাটফর্ম আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। সেটাকে পৃষ্ঠপোষকতা করাটা জরুরি। সেটাকে লাথি মেরে হাজারো শাশ্বত কেন একজন শাশ্বতকেও বাঁচানো অসম্ভব। কমিউনিটিই নাই তারপরে আবার ইনিসিয়েটিভ।

আমারব্লগ বা সামহোয়ার কার কি কৃতিত্ব এই প্রসংগ আসে নাই কখনও। যতক্ষণ না পর্যন্ত আমারব্লগ তার কৃতিত্বের স্বীকৃতির জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। আমি পরিষ্কারভাবেই প্রত্যেকের ক্ষুদ্র প্রচেষ্টাকে অপমানিত হতে দেখেছি একজন বৃহৎ কন্ট্রিবিউশনের নিশানা তুলে ধরা কয়েকটা ফ্রিকের আচরণে। কেউ একজন এক লাখ টাকা দিলেই তাকে মাথায় তুলে নাচার কোন অর্থ নাই। যার আবেদনে সাড়া দিয়ে তিনি এক লাখ টাকা দিলেন তার ভূমিকাটা কোন অংশে কম নয়। সবচেয়ে বড় কথা প্রতিষ্ঠান ডিফেইম হওয়ার আগ পর্যন্ত আমি এ বিষয়টাতে নৈর্ব্যক্তিক। দেখতো পারে পোস্ট ঘেটে।

আমারব্লগের শাশ্বতকে লুফে নেয়ার কারণ আছে। ইটস আ্য চানস। ক্যানভাসিং করুক, নো প্রবলেম। কিন্তু প‌্যারেন্ট অর্গকে ডিফেইম করে নয়।

মানুষের বৈকল্য অনুসন্ধানের আগে নিজের পক্ষপাতকে বৈকল্য ভাবার মত সুস্থ্যতা অর্জন করো বালক।
০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:২২

লেখক বলেছেন: কৌশিক, আমার পক্ষপাতিত্বের তেমন কোনো কারণ বিদ্যমান নেই। তোমার সাথে আমার যতটুকু ব্যক্তিগত পরিচয় আমার ব্লগ কিংবা ওখানে যারা লিখছে তাদের কারো সাথে তেমন পরিচয় নেই। অন্তত যেহেতু আমি আমার ব্লগে যাই না কিংবা সেখানের লেখা পড়ি না তাই আমার পক্ষে অবগত হওয়াও সম্ভব না যে তারা এটা দিয়ে নিজেদের বিজ্ঞাপন করছে।

তবে তোমার লেখার যে বক্তব্য- সেটা পড়ে তোমার মুখেই ঝাল খাওয়ার অনুভুতি নিতে হয়েছে। মূলত সেই স্বাদ আমার পছন্দ হয় নি বলেই তোমার লেখা কিংবা দীপুর লেখার কথা এখানে উঠেছে।

কম্যুনিটি গড়ে তোলা দরকার, দরকার একটা সম্মিলিত প্লাটফর্ম, এ বিষয়ে তোমার সাথে আমার মতদৈত্বতা নেই। তবে মাদার ফাদার ফ্যামিলি ট্রি নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি না করে ওটা এমন কোনো নির্দিষ্ট স্থানের লেখক কিংবা পাঠক ফোরাম আকৃতি পাক এটা আমি চাই না। প্রথম আলো বন্ধুসভা আর ভোরের কাগজ পাঠক ফোরাম এমন দাবি পরিসর সংকুচিত করে। নির্দিষ্ট ভোক্তা শ্রেনীকে ঘিরেই এই মাতম চলবে, আর নেতৃত্বের লড়াই আর দ্বন্দ্ব প্রকট হবে।

১৫. ০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:০৬
comment by: কেহেরমান বলেছেন:
কৌশিক হচ্ছেন এই ধরাধমের সবচেয়ে উর্বর মস্তিস্কের মহামানব।
১৬. ০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:০৬
comment by: আরিফ জেবতিক বলেছেন: আমার একটা ক্ষুদ্র অনুরোধ আমাদের সংশ্লিষ্ঠ ব্লগার বন্ধুরা বিবেচনা করতে পারেন ।

দয়াকরে মামুন সাহেবের প্রেস কনফারেন্সে গিয়ে চেক দেয়া জাতীয় নির্মম কৌতুকে আপনারা অংশ নিয়েন না প্লিজ ।

আমি আশা করব ব্লগের যে কোন দুই তিনজন বন্ধু কষ্ট করে রাজশাহী গিয়ে শ্বাশতের বাসায় তার হাতে চেকটি পৌছে দেবেন ।
১৭. ০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:১০
comment by: আইরিন সুলতানা বলেছেন: এতোদূর এসে অর্থ সংগ্রহের প্রচেষ্টা আর চিকিৎসা কোন সামান্য ভুল বোঝাবুঝিতে ব্যহত তবে না আশা করি...

বাকী যা হচ্ছে এরকম টুকটাক হবেই...আমরা একেতো মানুষ তার উপর বাঙালী... :)

আশা করি সবাই এখনো একটি জায়গাতে একত্রিত আছেন...ক্ষুদ্র কিছু মতভেদ হয়ত সাময়িক...

১৮. ০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:১৪
comment by: জেনারেল বলেছেন: কৌশিক হচ্ছেন এই ধরাধমের সবচেয়ে উর্বর মস্তিস্কের মহামানব
১৯. ০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:২০
comment by: কালপুরুষ বলেছেন: সুন্দর বক্তব্য। শুধু্‌ একটা জায়গায় কিছু ভুল ব্যাখ্যা ধরিয়ে দিতে চাই। আমি কখনই শাশ্বত'কে সপরিবারে ঢাকায় আসার কথা বলিনি। বলেছি শাশ্বত'র মা-বাবা ঢাকায় এলে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে ঢাকায় সংগৃহীত টাকাটা তাঁদের হাতে তুলে দেয়ার জন্য। যাতে অনেকেই শাশ্বত'র অসুখের খবরটা জেনে এগিয়ে আসতে পারে। রাজশাহী'তে উঠানো টাকা রাজশাহী'তে যেভাবে ইচ্ছে মামুন সাহেবরা শাশ্বত'র হাতে তুলে দিক এ ব্যাপারে আমার কোন বক্তব্য নেই।
২০. ০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:২০
comment by: মখআলমগীর বলেছেন: আইজুর চামচা জেনারেল এইখানে বড়রা কথা বলতেছে তুমি ফিডার অন্য কোথাও গিয়া খাও। এইটা ছাড়াও আরও হাজারটা পোস্ট আছে এই ব্লগে
২১. ০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:২২
comment by: শেরিফ আল সায়ার বলেছেন: এরপরে শেরিফ নিজ উদ্যোগে কিছু টি শার্ট নিয়ে গেলেও আদতে সামহোয়্যারের সহৃদয় ব্যক্তিরা তেমন ভাবে টি শার্ট কিনতে আগ্রহ দেখান নি। হতে পারে আজিজ মার্কেটের দুর্নাম এ জন্য দায়ি।


আমি নিজ উদ্যোগে টি-শার্ট নেই নি। এখানে হয়তো কোনো মিসটেক আছে।
আমি নিজ উদ্যোগে আমার ইউনিভার্সিটিতে একটি কেম্পেন করেছি। এ টুকুই। আমি এর বেশী কিছু করতে পারিনি। আনেক কিছু করার ইচ্ছে ছিলো।

ভালোই লিখেছেন।
০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:২৬

লেখক বলেছেন: বক্তব্যের ভুলের জন্য দুঃখিত , আমার মনে হয়েছিলো তুমি কিছু টি শার্ট তোমার ইউনিভার্সিটিতে বিক্রি করেছিলে।

তেমনটা না করেও তুমি তোমার জায়গা থেকে যতটুকু করেছো সেটুকুর জন্যও তোমার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ কমলো না।

২২. ০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৩০
comment by: রোবোকপ বলেছেন:
স্যালুট, এই লেখাটার জন্যে।
মানুষ বড় অদ্ভূত! সবকিছুই এখন পণ্য। শ্বাশতও তাই।
ধিক এই জীবন।
২৩. ০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৩৮
comment by: শেরিফ আল সায়ার বলেছেন: না না। আমি চেয়েছিলাম। কিন্তু আমাকে বলা হয়েছিল, টি-শার্ট টাকা দিয়ে তারপর বিক্রির জন্য নিতে হবে। তাই আমি ঐ রিক্সটিতে যাই নি।
শ্রদ্ধা নয় রাসেল ভাই। আমি খুব সরল একটা মন নিয়ে এসেছিলাম একজন মানুষকে বাচাতে। কারণ, আমি যখন এধরনের অসহায় মানুষগুলোকে দেখি তখন, আমি নিজেকে ঐ জায়গাটিতে কল্পনা করি। ইচ্ছে করে করি না, অটোমেটিকেলি হয়ে যায়। শাশ্বতের ব্যাপারটা জানার পর তাই হয়েছিল। ব্লগে নতুন আমি। তাও অচেনা মানুষগুলোর কাছে গিয়ে বলেছিলাম, আমি আপনাদের সহযোগিতা করতে চাই।
কিন্তু আমি খুব হতাশ হলাম। এভাবে ব্যাপারটাকে নোংরা করে দেয়া হবে এটা আমি ভাবিনি। টি-শার্ট নিয়ে, প্রচারণা নিয়ে, টাকার হিসাব নিয়েও শেষমেষ হয়ে গেলো। কোনটাই বাদ যায়নি। তাহলে আলটিমেটলি আমরা আমাদের মূল এইম থেকে বিচ্যূত হয়ে গেছি। তাই না? কিই বা আর আমাদের মাঝে অবশিষ্ট রইলো?
এত কথা বলার জন্য আমি দুঃখিত। শুরু থেকেই আমি এই বিষয়গুলো নিয়ে বিরক্ত ছিলাম। তাই এত কথা বললাম। আমি হয়তো আপনাদের চেয়ে কম বুঝি। কিছু মনে করবেন না।
০৬ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১:০২

লেখক বলেছেন: আকাশসমান ইগো সমস্যা নিয়ে সম্মিলিত ভাবে কাজ করা সম্ভব হয় না। এই পরিস্থিতিতে দেখলাম সবাই নিজের অহংবোধের ভারে ক্লান্ত। ৫ ফুট শরীরের ভেতরে ৩৪ ফুট অহং পুরে সেই ভারে বাঁকা হয়ে চলছে

মানুষের উপকারে আসবার আনন্দ যখন মানুষের গর্ববোধের ভারে চাপা পড়ে তখন মানবিকতার পচা শবের গন্ধই ছড়ায় চারপাশে।

২৪. ০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৩৮
comment by: মোহম্মদ নিজাম উদ্দিন বলেছেন: শ্বাশত'র জন্য ভালবাসা। যারা কাদা ছুড়াছুড়ি করে তােদর জন্য ঘৃনা
গুড রাইিটং
২৫. ০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৫৬
comment by: অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: সময়োপোযোগী পোষ্ট। পক্ষপাত ঘাটঘাটি কইরা নাদি বিছরানির সময় নাই। আমার তোমার সচল অচল সামহয়ার ইনআউট নিয়া ব্লগবাজী পড়ে করা যাইব। কয়েকটা বিষয়ে সরাসরি সিদ্ধান্তে আসা দরকার।
১. শ্বাশত এবং তৎপরবর্তী কারো জন্য সাহায্য/অর্থ সংগ্রহ প্রক্রিয়ার গঠন কাঠামো কি হইব?
২. আশু পরিস্থিতিতে শ্বাশতের জন্য কর্ম প্রক্রিয়া কতদূর, ক্যামনে কি?
৩. রাজশাহী বা মঙ্গলগ্রহের কেডা কি কইল এইটা নিয়া আর মাথা ঘামানো সময় নষ্ট।'
তাই প্রেস কনফারেন্স কইরা আমরা করছি এই পদ্ধতিতে যাওন একটা আবালত্ব হইব।
সংগৃহীত টাকা পৌছায়াইয়া দেওনের কি হইল?
০৬ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: আরিফের সাথে আমি এ জায়গাটাতে একমত, মানবিকতার করুণ উপহাস কিংবা সংবাদপত্রে কৌতুক উপস্থাপন নিমিত্তে যে পদক্ষেপ সেটাতে অংশগ্রহন করাটা অন্তত যারা আন্তরিক ভাবে শ্বাশত ক্যাম্পেইনে জড়িত ছিলো তাদের জন্য অবমাননাকর হবে। অপরিচিত একটা মানুষের জন্য যে মমত্ববোধ জন্মেছিলো সেটার কণামাত্র এখন অবশিষ্ট নেই।
টুটুল যেভাবে ভালো বুঝবে সেভাবেই টাকা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করবে। আমি এখনও জানি না সোমবার সবাই মিলে বসে ঠিক করবে কারা কিভাবে এই সংগৃহীত টাকা পৌঁছে দিবে।

শ্বাশত এবং এর পরে যাদের জন্য মন পুড়বে তাদের জন্য অর্থ কিংবা সহায়তা সংগ্রহ প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগেই করতে হবে। তবে সেটার গঠনকাঠামো যদি নির্দিষ্ট ব্লগভিত্তিক হয় তবে বাণিজ্যিক প্রচারণার অভিযোগটা সব সময়ই জ্বজল্যমাণ থাকবে।
মুক্তবাজার অর্থনীতির প্রতিযোগিতা এইসব মানবিকতা বিষয়ে বোধ হয় কার্যকরী নয়। তাই আমার ব্লগ, সচলায়তন সামহোয়্যার , প্যাঁচালীর সদস্যরা প্রতিযোগিতা করে অর্থ সংগ্রহ করবে এমন দুরাশা আমার নেই।

আঃ মামুনের পোষ্টে যতটা নোংরামি হয়েছে তাতে শ্বাশত বিষয়ে এখন কেউ আন্তরিকভাবে এগিয়ে আসবে এমন অন্ধ আশাবাদী হতে পারছি না আমি।

একটু আক্ষেপ রয়ে যাবে, অন্তত আমাদের নাম ফুটানো আর নাম কামানোর কুকুর লড়াইয়ে একজনের জন্য জমে উঠা মমত্ববোধ ছিন্নভিন্ন হলো। তার অস্থি আর করোটি চিবিয়ে আমরা তার রক্ত মেখে উল্লাস করছি- এই মানবিক বোধটুকুই বোধ হয় সঙ্গি হয়ে থাকবে।

২৬. ০৬ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:১৪
comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন: অনেক কথা সুন্দরভাবে প্রকাশ পেল পোস্টের মাধ্যমে।
২৭. ০৬ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১:১১
comment by: দস্যু বনহুর বলেছেন: আমাদের মনের কথাগুলাই আপনে গুছায়া লিখ্যা দিলেন। আপনেরে স্যালুট।
২৮. ০৬ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১:১১
comment by: আকাশচুরি বলেছেন: মনের কথা গুলো সুন্দর বলে দিলেন, ধন্যবাদ। নিজেদের ভাগ বুঝে নেওয়া আর সেটুকু বজায় রাখতে কাদা ছোড়াছুড়ি করে মুলত: আমরা শ্বাশত কে আরেকটু মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছি, যা কিনা আমরাই চেস্টা করে যাচ্ছিলাম দুরবর্তি করতে।

২৯. ০৬ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১:২৮
comment by: অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: একটু আক্ষেপ রয়ে যাবে, অন্তত আমাদের নাম ফুটানো আর নাম কামানোর কুকুর লড়াইয়ে একজনের জন্য জমে উঠা মমত্ববোধ ছিন্নভিন্ন হলো। তার অস্থি আর করোটি চিবিয়ে আমরা তার রক্ত মেখে উল্লাস করছি- এই মানবিক বোধটুকুই বোধ হয় সঙ্গি হয়ে থাকবে....
এবং এই বিষয়ে কেবল কৌশিক বা দীপুর প্রসঙ্গ আসা এবং আমারব্লগে সংশ্লিষ্টদের বিষয় না আসা দৃষ্টিকটূ রাসেল।
এবং হ্যা নিশ্চিত করেই..... ব্লগভিত্তিক হয় তবে বাণিজ্যিক প্রচারণার অভিযোগটা সব সময়ই জ্বজল্যমাণ থাকবে। এটাতে ডেলিবারেটলি ঘটেছে। যেমনটা ঘটেছে মিল্টন ও কৌশিককে দৃশ্যপট থেকে বিরাম দেয়ার বিষয়। একদল অভিযোগ তুলছে এটা সামইনের প্রচারণা কেবল কিন্তু তারা নিজেরাও সেটাই করছে। তুমি কেবল এক পক্ষকে দেখলা কৌশিকের পোষ্টের কারণে..কিন্তু অপরপক্ষ দেখলানা। কিংবা মনে কর প্রথম দিককার আড্ডায় ৭৯০টাকা কে ৭৯০০ টাকা পরিবেশনের বিভ্রান্তি, যতদূর মনে পড়ে ফিউশন ফাইভের পোষ্ট। ম্যানিপুলেশন সবসময়ই হচ্ছে আবার নিজেদের বিশুদ্ধ, ভালো, উচ্চতর দাবী করারও চলছে। এর কোনটাতেই আমি প্রশ্নহীন মুক্তবুদ্ধি চেতনা, মুক্তিযুদ্ধ চেতনা, নাস্তিক্য চেতনা, কথা বলার জায়গার চেতনাকে বানিজ্য বিযুক্ত করে দেখতে না রাজ। এই ধরণের প্রপাগান্ডাও আর্থরাজনৈতিক। সামইন কোনদিনই এর বাইরে ছিলনা, যেমনটা অন্যগুলোও নয়।

একজনের জন্য অথবা অন্য অনেকের জন্যই কার্যকর সাহায্য সংগ্রহ প্রক্রিয়া এই জটিলতা সমেতেই মোকাবেলা করতে হবে, এটাই আমার পন্থা। জনপ্রিয়তা ও বানিজ্যিক স্বার্থ ছাড়া কোন ব্লগই ফিলান্থ্রপিক কাজে এগিয়ে আসবে না। এইটা মুক্ত বাজারের ধর্ম। তাহলে এটাতে চেতনার বুলি লাগানো পরিশেষে বানিজ্যিক উদ্দেশ্যেরই নামান্তর। কিন্তু আমি আশাবাদী এ কারণে যে, যারাই যে মুহুর্তে যে মাধ্যমে সাহায্য করেছেন তারা এইসব বলয়ের বাইরে এসে কাজ করেছেন। এবং আমি তাদের সকলের উদ্দেশ্যে বলতে চাই এগুলা কোন বিষয়ই না, কঠিন কাজের জন্য কোমল মনের বিষয়ে আরো সতর্ক হতে হবে এখন থেকে।
০৬ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১:৪৭

লেখক বলেছেন: শরৎ আমার ব্লগ নিজের ব্লগে কি করছে এটা আমার দেখা উচিত ছিলো এই লেখা লিখবার আগে- এই অবস্থানটা যদি তোর মনে হয় সঠিক তাহলে সে বিষয়ে আমার ভিন্ন মতটা জানিয়ে রাখলাম।

কৌশিক কোন পরিস্থিতিতে, কি অনুপ্রেরণায় এমন উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছে এটা আমার জ্ঞাতসীমার বাইরে। আঃ মামুনের একটা মন্তব্য তার নিজের ব্লগে এখনও বিদ্যমান, অনুরোধ করবো সেটা পড়ে আসবার জন্য। সেখানে সবার বক্তব্য এবং হানাহানি ঠিক কোন বাণিজ্যিকতার খাতিরে।

আমি এক দেশদর্শী কারণ এখানে একটাই দেশে আমি ঘুরছি। অন্য কোথাও কেউ কি বাণিজ্য করে কি সফলতা লাভ করলো এটা দেখবার জন্য যদি আমাকে সারাদিন পুলিশিং করতে হয় তাহলে কোনো পর্যায়েই লেখার কাজটা হয়ে উঠবে না।

সা'ইন কিংবা আমার ব্লগ কিংবা অন্য যেকোনো ব্লগের অর্থনৈতিক সাবলম্বীতা প্রয়োজন। এটার জন্য একটা অসুস্থ মানুষের ঘাড়ে উঠে লাফিয়ে বিজ্ঞাপণ করতে হবে- এই অশালীনতা এবং কৌশিকের ততোধিক অশালীন লেখা,

শরৎ সা'ইনের পরিচিত ব্লগার এক হয়ে একটা উদ্যোগ নিয়েছে, সাহায্যের আহ্বান এসেছে এখানের একটা পোষ্টে- সা'ইনের সংশ্লিষ্ঠতা এতটুকুই শ্বাশতের অর্থনৈতিক ইস্যুতে। জানা নিজ উদ্যোগে উপস্থিত ছিলো প্রথম দিন, কিংবা পরের দিনও হয়তো উপস্থিত ছিলো।
তবে এমন কোনো ঘোষণা কি সা'ইনে এসেছে- তারা শ্বাশতের জন্য এই পরিমাণ অনুদান বরাদ্দ করবে?

কৌশিকের পোষ্টের হাস্যকর দিকটা এখানেই।

কোনো না কোনো জায়গা থেকে চাক বাধা শুরু হয়, তাই বলে মৌচাকের সেই অংশটুকুই মক্কা হয়ে যাবে?

৩০. ০৬ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:৩৬
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: মানুষের মনের দীন হীন রুপ দেখে বলার কিছু পাই না।

রাসেল ভাইয়ের সাথে একমত হওয়া ছাড়া আর কিছঈ বলার নেই।
৩১. ০৬ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১০:০৩
comment by: কৌশিক বলেছেন: সামহোয়ার কেন দিচ্ছে না এই প্রশ্নটা আসছেই আমারব্লগ থেকে, আমারব্লগীও কন্ট্রিবিউশনের পরে। বিষয়টটা এমন, আমরা তো দিছি, তোমরা কত দিছো?

এই ক্যাম্পেইনে এমন প্রশ্ন করার অধিকার মানেই ক্যাম্পেইনকে বাণিজ্যিকিকরণ করে ফেলা। অন্য মতলব ঢোকানো।

প্রত্যেকে স্বপ্রনোদিত হয়ে যেখানে অংশগ্রহণ করে সেখানে কেউ যদি এমন কৈফয়ত ও জবাবাদিহিতার নেতামী ফুটায় ... সে অভিলিপ্সা সম্বন্ধে নতুন করে ভাবো।

তোমার লেখায় আপাদমস্তক সেই অনুপস্থিতি বিদ্যমান - পুলিশিং করতে চাও না তুমি - কিন্তু অনেকেই আছে - যারা এই ক্যাম্পেইনকে আরো ব্যাপক মানুষের কাছে পৌছানোর চেয়ে নিজেদের সোগার গু নিয়ে লাফালাফি শুরু করেছে।

ক্রনলিজকাল ডেভলপমেন্টগুলো দেখো

১. শাশ্বতের জন্য প্রথম মিটিং [এই মিটিংকে আইজু ও অন্যরা বিশেষত আবালব্লগ বলেছে শাশ্বতকে অবমাননা করা হয়েছে, হাস্যরস করা হয়েছ]
২. আলমামুনের সতর্কতামূলক পোস্ট [এই পোস্ট আঘাত করেছে বটে কিন্তু সেটা নিয়ে তেনা পেচানো হয়েছে এমন যে আবালব্লগ তাদের পোস্ট আনস্টিকি পর্যন্ত করেছিল, টুটুল এবং অন্যান্যরা এই সিদ্ধান্ত পর্যন্ত নিয়েছিল যে বসুন্ধরার ক্যাম্পেইনের পরে এটা বাদ দেয়া হবে, তুমি নিজেই তার সাক্ষী]
৩. দীপুর পোস্ট যেখানে পত্রিকায় টুটুল ও মিলটনের নাম আসাটাকে সে সমালোচনা করেছে
৪. যীশুর পোস্ট যেখানে সে রাহার গেঞ্জির মেকিং চার্জ নিয়ে কোয়েরী করেছে
৫. মামুন ও অন্যান্যদের পোস্ট আবালব্লগের উল্লেখ না থাকায় আবালব্লগের হয়ে আবাল নেমেসিসের মামুনকে সমালোচনা
৬. আবলব্লগের সুশান্তর নিজের কন্ট্রিবিউশনকে সামহোয়ারে এসে জানান দিয়ে যাওয়া
৭. সামহোয়ার কত দিয়েছে এই হিসাবের মন্ত্রণা
৮. মামুনের শাশ্বত ক্যাম্পেইন ও ইত্যকার ঘটনাপ্রবাহে নেতৃত্ব ও কৃতিত্ব জাতিয় জটিলতার উদ্ভব [কোথায় প্রেস ব্রিফিং, ঢাকার কোন ব্লগারের সাথে কথা হয়েছে ইত্যাদি]



এইসব ঘটনায় কোথায় সামহোয়ার কর্তৃপক্ষ তেনা পেচিয়েছে? সব ব্লগারদের সমস্যা, ব্লগারদের কৃতিত্ব, ব্লগারদের অংশগ্রহণ।

কিন্তু একটাই প্রসংগ আসছে সেটা হলো আবালব্লগের ভাগে কৃতিত্ব কম পড়ে গেছে। এবং সেই আবালরা আবার সামহোয়ারে এসে এখানে সামহোয়ারকে ডিফেমের স্ট্রাটেজি নিয়েছে।

একটা সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বিশেষত এমন সামিয়িক ফান্ড রেইজিং ক্যাম্পেইনে স্বেচ্ছায় আগতদের প্রতি ক্ষুদ্র কন্ট্রিবিউশনের একটা কিউমিলিটিভ ইফেক্ট হয়।

বিষয়টা এভাবে ব্যপ্তি লাভ করে

সুজন পোস্ট দেয় [এই পোস্ট দশজন দেখে]
তুমি সেই পোস্ট স্টিকির জন্য আবেদন করো [সেইপোস্ট নতুন বিশজন দেখে]
হাসিব পোম্ট দেয় [নতুন আরো বিশ জন দেখে]

প্রতিটা পজিটিভ মুভ আরো নতুনদের সম্পৃক্ত করে। কিন্তু ক্রনলজিকাল ডেভলপমেন্টগুলো দেখলে দেখবা সেখানে অনুৎসাহি করা হয়েছে নুতন সম্পৃক্ততা।

লোকজন দেখে মনে করেছে মাশাল্লাহ মেলা হলো। এতটুকু হলো তো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র করে। সেটা ভুলে যায় সবাই - ভুলে গেছে সবাই।

তুমি পক্ষপাতদুষ্ট নও, তবে অজ্ঞানতাপ্রসূত তথ্যের উপরে ভর করে অশালীনতা দেখছো।
০৬ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:২৩

লেখক বলেছেন: কৌশিক তুমি নিজে যেই উদ্যোগ নিয়ে বিভেদের প্রথম বাধাটা দুর করেছো সেটার জন্য অভিনন্দন, জানা ছিলো না আমার, তাই নীচের মন্তব্যে অনেক বেশী অভিযোগ করে ফেলেছি।

৩২. ০৬ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১০:২৩
comment by: যীশূ বলেছেন: পোস্টের জন্য স্যালুট। তবে এ বিষয়ে আলোচনা করতে ইচ্ছা করছে না।
৩৩. ০৬ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১১:১৫
comment by: কালপুরুষ বলেছেন: দান, অনুদান, সাহায্য, সহযোগিতা এগুলো সম্পূর্ণ নিজের সদিচ্ছা, নিজের চিন্তা-ভাবনা ও দৃষ্টিভঙ্গির ব্যপার। এখানে যেমন মানবিকতার ব্যাপার আছে তেমনি আছে সামর্থ্য ও ইচ্ছার ব্যাপার। কারো কাছে সাহায্যের হাত বাড়ালেই যে সাহায্য আসবে এমন নয়। তাই সাহায্যের ব্যাপারে কাউকে চাপ দেয়া বা দাবী করাও আমার কাছে যুক্তিহীন মনে হয়। কারণ সচেতন ব্যক্তি মাত্রেই মানবিক আহ্বানে সাড়া দেবে তার সামর্থ্য ও সাধ্যের দিক বিবেচণা করেই।

শাশ্বত'র সাহায্যের বিষয় নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক ইমেজ সৃষ্টির ব্যাপারটি সম্পূর্ণভাবে ব্লগারদেরই সৃষ্টি। এখানে সা.হ.ই বা আ.ব. কেই দায়ী নয়। তবে সা.হ.ই. ব্লগারদের একাত্মতা নিয়ে আ.ব. ব্লগাদের ঈর্ষান্বীত ভাবটা সুস্পষ্ট। এটার সুস্পষ্ট প্রমাণ প্রথম যখন শাশ্বত'র ব্যাপারে আমরা পা.লাইব্রেরীর মিটিং-এ বসি সেদিন থেকেই। কৌশিক সে বিষয়ে কিছু উল্লেখ করেছে। যদি ঢাকায় অবস্থানরত ব্লগাররা আমরা এক হয়ে একটা উদ্দ্যোগ নেই সেখানে কে সা.হ.ই আর কে আ.ব. সে বিষয়টি আসার কথা নয়। কিন্তু এসেছে। কারণ আ.ব. এর বিশেষ একজন সদস্য পা.লাইব্রেরীর মিটিং-এ ছিলেন না। কারণ ওখানে সামহয়্যারের ব্লগাররা ছিলেন। যদি থকতেন তবে আইজু বা তার সাঙ্গপাঙ্গ সেই মিটিং নিয়ে কটাক্ষ করতেন না।

তাহলে বোঝা যাচ্ছে এটা কারও পরিকল্পিত ইস্যু। নিজেদের প্রচারণার একটা কৌশল মাত্র। যা পরবর্তীতে কারও মন্তব্যে সুস্পষ্ট হয়েছে ব্যপারটা। যা শাশ্বত'কে ছাড়িয়ে নিজেদেরকে প্রচারমুখী করে তুলেছে। সা.হ.ই ব্লগাররা কিন্তু কখনই সেভাবে চিন্তা করেনি বরং কে কোথায় ব্লগিং করে সেসব ভুলে এক হয়ে কাজ করে গেছে। আর এই বিভাজণ প্রক্রিয়ার সূত্রপাত হয়েছে একজনের মন্তব্য থেকে, যেখানে একটা সাইটের ভূমিকাকে বার বার হাই লাইট করা হয়েছে। সা.হ.ই এর ব্লগাররা তা কখনই করেনি। বরং সা.হ.ই. ব্লগের ভূমিকাকে উহ্য রাখারই চেষ্টা করা হয়েছে। আমার এখনো বিশ্বাস শাশ্বত'র সাহায্যে এগিয়ে আসার ব্যাপারে সা.হ.ই ও সা.হ.ই. ব্লগারদের ভূমিকা যথেষ্ট আন্তরিক, প্রচারবিমুখ ও স্বচ্ছ। কারো কারো ব্যক্তিগত অভিমত বা লেখা অনেকের মাঝে সংশয় ও দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করলেও আপামর সাধারণ ব্লগার সবাই সমালোচনার ঊর্ধে থাকার দাবীদার।
৩৪. ০৬ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:১৬
comment by: ঠিকানা বলেছেন: কালপুরুষ বলেছেন , কারণ আ.ব. এর বিশেষ একজন সদস্য পা.লাইব্রেরীর মিটিং-এ ছিলেন না।

--

আমারব্লগে ব্লগ করে এমন কাউকে স্পেসিয়াল সদস্য করা হয়েছে এই প্রথম শুনলাম। কোন স্পেসিলিটি মেইন্টেইন করা হয় না সেখানে তাই জানি।

কাল্পুরুশ ও কৌশিক কে অনুরোধ করি আবল ব্লগের পুটকিতে না লাগার জন্য।
৩৫. ০৬ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৪২
comment by: হাসিব মাহমুদ বলেছেন:

কালপুরুষ আর কৌশিক জাইনা খুশি হবেন যে সম্ভবত "আমার ব্লগ" শাশ্বত ক্যাম্পেইন থেকে সাইন অফ করে ফেলছে ।
৩৬. ০৬ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:০২
comment by: শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: আমার খালি মনে হয়, ব্লগের বাইরে যারা অর্থ দিয়েছেন তারা যদি ব্লগের লেখাগুলো পড়তেন তাহলে তারা কি ভাববেন। কেউ কেউ যে পড়ছেন না তাই বা কে বলবে।

অর্থ উঠানোর অনেক সমস্যা আছে। একদল সব সময়েই মনে করে এর পেছনে কোনো ধান্দা আছে। কেউ কেউ মনে টাকাটা আসলে মেরে দেওয়ার জন্য।

একটু বেশি অংকের টাকা চাইতে গেলে এই সমস্যা আরও বেশি হয়। কারো কারো সমস্যা আরও প্রকট। আমি সাংবাদিক হিসেবে দেখেছি চ্যারিটির জন্য টাকা তুললেও পরে এর প্রতিদান দিতে হয় কোনো নিউজ ছাপিয়ে অথবা না ছাপিয়ে।

তারপর যদি দেখা যায় কাদা ছোড়াছুড়ি তাহলে আগ্রহ কারোই থাকে না। আমারও নেই।
আপনার লেখাটা ভাল হয়েছে দেখেই কথাগুলো বললাম।
৩৭. ০৬ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৫৮
comment by: রাসেল ( ........) বলেছেন: অভিনন্দন কৌশিক এবং কাদা ছোড়াছুড়িতে অংশগ্রহনকারী সবাইকে। সবার সম্মিলিত উদ্যোগে শ্বাশত বিষয়ক জনসচেতনতা এবং অর্থ সংগ্রহ অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটলো। আপনাদের কৃতিত্বে আপনাদের অভিনন্দন।

কৌশিক তোমার কালানুক্রমিক লিস্টি দেখলাম। প্রথম দিনের সম্মিলনপরবর্তী যেসব পোস্ট এসেছিলো তারা সবাই সামহোয়্যারের কৃতিত্ব হাইজ্যাক করবার অপচেষ্টা থেকেই এই কাজে উদ্বুদ্ধ হয়েছিলো।
তোমার অভিযোগের বিচারিক রায় দেওয়ার জন্য আমি লিখি নি এই লেখাটা। তবে বারংবার যেভাবে কথাটা উঠে আসছে তাতে আমার অবস্থানটা হয়ে গেছে বিচারকের। আমি বিচারক হিসেবে কোনো রায় দিতে লিখছি না। আমি আমার অনুভব লিখছিলাম।

শেষ পর্যন্ত মূলত সমস্যাটা মিডিয়া কভারেজ পাওয়া না পাওয়ার। কে কতটুকু মিডিয়ার আনুকল্য পেলো, কার নাম পেপারে আসলো কার নাম আসলো না, কাকে হাই লাইট করা হলো, কাকে করা হলো না, কামড়াকামড়ি এই ইস্যুতেই।


তোমার ব্যক্তিগত ক্ষোভ থাকতে পারে, তোমার ব্যক্তিগত দুঃখবোধ থেকেও তোমার যে অনুপ্রেরণাই থাকুক না কেনো সেটা অনুদিত হলো বিচ্ছিন্নতায়।

সবারই নিজস্ব জায়গা থেকে বিষয়টা দেখতে হবে, কালপুরুষ আমার তুলনায় অনেক বেশী সম্পৃক্ত, তাই তার মনে হয়েছে আমার ব্লগের বিশিষ্ট কোনো জন সম্মেলনে উপস্থিত থাকলে হয়তো শ্বাশতের প্রচারণার এমন দুর্গতি হতো না।
মহান কালপুরুষকে অনুরোধ সেই পাপিষ্ঠের নাম সবার সামনে বলে দিন, কে নেপথ্যে থেকে এই উদ্যোগের ভিত খুঁড়ে ধ্বসিয়ে দিলো সেটা জানবার অধিকার বোধ হয় সংশ্লিষ্ট সবারই আছে।

আর যারা এই বিচ্ছিন্নতার চর্চা করছেন, কৌশিক কিংবা অন্য কেউ, সাম্প্রদায়িকতা কিংবা মানুষ এবং মানুষের মধ্যে যেসব বিষয়ে বিভেদ আছে, হাতের মাপ, শরীরের মাপ, শরীরের রং এবং কাঠামো থেকে শুরু করে ভাষা আর ধর্মের বিভেদ, সব কিছুই কাউকে না কাউকে বারংবার চোখে আংগুল দিয়ে দেখাতে হয়। কাউকে না কাউকে চোখে কাঁটা ফুটিয়ে দেখাতে হয় এই বিভেদের কারণে আমরা আলাদা এই বোধটা জাগাতে হয়।

নতুন সাম্প্রদায়িকতা বোধ হয় আমি এই ব্লগের তুমি সেই ব্লগের। এই নতুন বিভাজন রেখা আবিস্কারের কৃতিত্ব আসলে কার?
৩৮. ০৬ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:২৫
comment by: রাসেল ( ........) বলেছেন: আমি আশা করতে পারি হাসিবের এই শঙ্কা মিথ্যা প্রামণিত হবে। আগামি কাল হয়তো সবাই বিভেদ ভুলে একত্রিত হবে প্রাণের দাবিতে।

সবাইকে শুভেচ্ছা।

৩৯. ০৬ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:২৫
comment by: শিবলী নোমান বলেছেন: শাশ্বত বিষয়ে যে কাদা ছোড়াছুড়ি দেখা গেছে তা আসলেই অতুলনীয়। এই বিষয় নিয়ে আসলে আর কোনো কথা বলতেও ভয় করছে। কখন জানি আমার কোন কথা বিতর্কের ঝড় তোলে। এছাড়া গালিগালাজ এমন পর্যায়েই চলে গেছে, যেখানে ঢুকতে যাওয়া অনেকটা অরুচিকরই মনে হচ্ছে। তারপরেও রাসেলের এই পোস্ট আমাকে এ প্রসঙ্গে কিছু লিখা উচিত বলে মনে করিয়ে দিয়েছে। রাসেল, আপনি আমরা যারা রাজশাহী থেকে লিখি, তাদের আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেননি। কিন্তু প্রশ্ন তুলতে হয় না। আসলে বাস্তবতা হলো, আমি ব্যক্তিগতভাবে এই বিষয়টা নিয়ে খুব বেশি সময় দিতে পারিনি। এ ব্যর্থতা আমার। সুজন পোস্ট দিয়েছে, আপডেট দেয়ার চেষ্টা করেছে। আর উজ্জল, বাপ্পী, দীপা, বনশ্রীসহ আরো বেশ ক'জন ঢাকায় ছিলো। আমাকে তা দেখে তুষ্ট থাকতে হয়েছে। ব্লগারস কমিউনিটি যে অসম্ভব আন্তরিকতা নিয়ে কাজটা করেছে, আমি কেবল তা জেনে বসে থেকেছি। মাঝে মধ্যে ফোনে দু'য়েকজনকে উপদেশ খয়রাত করেছি। আমি নিজে এর কোনোটাতেই অংশ নিতে পারিনি। এতে আমার আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও আমার খণ্ডানোর পথ নেই। বয়স, পাঠগ্রহণ আর কাজের দিক থেকে জ্যেষ্ঠ হবার কারণে এ দায় তো আমার যে, আমাদের যে ছেলেমেয়েরা কাজটা করার চেষ্টা করেছে, সময়ে তাদের পাশে আমি দাঁড়াতে পারিনি। সে দায় আমি নিলাম। আমার এই মন্তব্যে যদি কোনো বিতর্ক ওঠার মতো পয়েন্ট থাকে, তাহলেও দয়া করে সেদিকে নজর কম দিয়ে যারা যে কাজটি করছিলেন তা করুন। আমি কোনো বিতর্কের জন্য নয়, এই মন্তব্যটা ইতিবাচক মনোভাব থেকেই করছি। প্লিজ শাশ্বতর জন্য কাজটা যেনো থেমে না যায়। কারণ আরো অনেকের মতো আমিও প্রিয়জনের তিলে তিলে মৃত্যুর দিকে যাবার দৃশ্য চোখের সামনে আমি দেখছি। আজ ৮ মাস হলো আমার শ্বশুর প‌্যানক্রিয়াসের ক্যান্সারে আক্রান্ত। একটা বাইপাস হয়েছে জানুয়ারিতে। এখন কেমো চলছে। চিকিৎসক খুব বেশি আশাবাদী নন। প্রতিদিন সুঠাম মানুষটিকে তিলে তিলে মৃত্যুর দিকে যেতে দেখছি চোখের সামনে। আমার বউ আর ছোট বাচ্চাটার দিকেও তাকাতে পারি না। আমার বউ রাতে ঘুমায় না। সারারাত কাঁদে, আমিও একবুক কষ্ট নিয়ে জেগে থাকি। আমার শ্বশুরের কোনো পুত্র সন্তান নেই। কাজেই সব দায়ভার আমার। আমি রাজশাহীতেও থাকি কম। আমার চাকরি এই যায়, স