বাংলাদেশ দুতাবাস বসে বসে বাল ছিড়ে আঁটি বান্ধে এখন??
৩০ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:২৩
কুয়েত আর সৈদি আরব থেকে বাংলাদেশী শ্রমিকদের এক কাপড়ে বের করে দিয়েছে সে দেশের সরকার। এ পর্যন্ত ফেরত এসেছে ৫০০ জনের বেশী শ্রমিক। ডিপোর্টেশনের অপেক্ষায় আছে আরও ১০০০ জন।
বিকেল ৩টায় কুয়েতের কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করবে বাংলাদেশের দুতাবাস। তবে শ্রমিকদের অভিযোগ তাদের সহায়তার কোনো প্রচেষ্টা করে নি সেদেশে নিযুক্ত পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মকর্তারা।
বাংলাদেশে সৈদী আরবের নতুন রাষ্ট্রদুত বলেছেন জিয়াউর রহমানের সাথে তাদের দেশের বন্ধুতাপূর্ণ সম্পর্ক ছিলো, এখনও তাদের সাথে বাংলাদেশের সুসম্পর্ক বিদ্যমান, যদি খালেদা জিয়া সৈদি আরবে যান তবে তাকে প্রাক্তন প্রধান মন্ত্রীর মর্যাদা দেওয়া হবে।
চুদির ভাই দুতাবাসের কর্মকর্তারা কি বাল ছিড়ে ওখানে বসে বসে। সুইমিং পুল সহ বাসায় বসে বসে হোগা পানিতে ভিজায়? শ্রমিকদের ব্যপারে উদাসীন এই দুতাবাসের কর্মকর্তা কর্মচারীদের বিচার চেয়েছে ডিপোর্টেড শ্রমিকেরা।
তাদের নির্যাতনের চিহ্ন শরীরে বয়ে নিয়ে আসেছে বাংলাদেশে, বাংলাদেশের শ্রমিকদের নির্যাতনের বিচার চায় নি বাংলাদেশ।
শালার আজ্জব দেশে বসবাস আমাদের। চুতমারানী দুতাবাসের ফারস্ট কেলাশ অফিসার, দেশের সেরা সেরা মেধাবী বাঞ্চোতদের হোগায় লাথি মেরে দেশে ফেরত আনা হোক।
শ্রমিকেরা কিঞ্চিৎ লাথি থাপ্পড় দিয়ে খানকির পোলাদের উন্নাসিকতার প্রতিশোধ নিতে পারলে আমি খুশী।
কৌশিক বলেছেন:
ঠিক। শুয়োরের বাচ্চাদের বালে আগুণ জ্বালাইয়া দিতে হবে। চুদির পুতদের দেশে যদি আগুণ দিয়া আইতে পারতো শ্রমিকেরা তাইলে আরো ভালো হইতো।
সরপ বলেছেন:
গালি দিয়ে মুখ খারাপ করার জন্য মাইনাস। ভদ্র ভাষা ব্যবহার করুন।
রাঙা মীয়া বলেছেন:
শুয়োরের বাচ্চাদের বালে আগুণ জ্বালাইয়া দিতে হবে
মিলটন বলেছেন:
হ ওরা ঐখানে বইযা বইয়া বালই ছিড়বো, তাতে আপনের কি? ওরা তো বাল ছেড়ার লিগাই বেতন পায়। আর সহায় সম্বল বেইচা যে শালারা যায়, তার হেগোরের বাল ছেড়া তাকায় তাকায়া দেখে। কৌশিক তো কমই কইসে আরো বেশী কওনের দরকার আছিল।
যীশূ বলেছেন:
শালার আজ্জব দেশে বসবাস আমাদের! এই আজ্জব দেশটাই আমাদের দেশ।
সরপ বলেছেন:
মাইনাস এখনও দেই নাই, হাতে রাখছি। সৌদি আরবের মত দেশের বিরুদ্ধে কথা বলে লাভ কি? আজ কথা বললে কাল বাকি শ্রমিকদের পাঠিয়ে দেবে।
কৌশিক বলেছেন:
সরাইছে
আনিসুজ্জামান উজ্জল বলেছেন:
আমি শুনেছিলাম, ওনারা পার্টি আর বউদের সাজসজ্জা নিয়ে এতই ব্যস্ত থাকেন যে, ভুক্তভোগীদের কথা শোনার সময়ই পান না। দুতাবাস কর্মকর্তাদের কাছ থেকে খারাপ ব্যবহার নাকি নিয়মিত ঘটনা। কেবল কুয়েত নয়, গোটা বিশ্বের চিত্র প্রায় একই রকম। বিদেশে যাওয়া বাংলাদেশী শ্রমিকরা চাষাভুষা তাই তাদের কথা শোনার কি আছে এটাই ওনাদের সাইকোলজি। এইসব কর্মকর্তাদের দেশের সবচাইতে জঘন্য কারাগারের জঘন্য সেলে আটকে রাখা উচিত। আপনি ঠিকই বলেছেন রাসেল।
সরপ বলেছেন:
গালিযুক্ত পোষ্ট প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে দেয়ায় কতৃপক্ষকে ধনবাদ।
মহাকাল বলেছেন:
ভাই সৌদি আরবের অবস্হা ও ভালা না । যে কোন সময় একটা অঘটন ঘইটা যাইতে পারে। সৌদি আরবে বাঙ্গালীগো স্পন্সরশীপ ট্রান্সফার বন্ধ কইরা দিছে ৬ মাস ধইরা, রেসিডেন্স পারমিট রিনিউ করাইতে গেলে নানান ঝামেলা, আরও হাজারো সমস্যা লেইখা বুজান যাবেনা।
কিন্তু পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় বা এখানকার বাংলাদেশী কুটনৈতিক মিশনগুলার কাজ কাম দেখলে মনে হয় চুদমারানীর মাদারচোদ সবকয়টারে ফখরু খানকিরপুতের বালের লগে লটকায়া ফাঁসি দেই।
আমার স্পন্সরশীপ ট্রান্সফার ও হ্যাংগ হইয়া আছে প্রায় ৭ মাস ধইরা
শালার ফকরা মাদারীর কোন মাথাবেথানাই। যদি বেগম খালেদা এই মুহুর্তে একবার আইসা ঊমরা কইরা কিং আবদুল্লারে একটা সালাম জানায়া ও যায় তাইলে সব সমস্যা ২৪ ঘন্টার মধ্যে সমাধান হবে বাট সম্ভব না
ফ্রুলিংক্স বলেছেন:
মধ্যপ্রাচ্যে সমস্যা শুরু হয়েছে অনেক আগে। আমাদের মাথামোটাগুলো সব ঠিক আছে বলে পগার পার। দেশে-বিদেশের বিভিন্ন দুতাবাসের কর্মকর্তা সবকঠি একই খোয়াড়ের শুয়র।


















