যদি বাংলাদেশে কখনও প্লেবয় ছাপা হয় নিয়মিত ভাবে তবে সেখানে অবশ্যই ২৫শে বৈশাখ আর ২২শে শ্রাবন বিশেষ রবীন্দ্র সংখ্যা ছাপা হতো। রবীন্দ্রনাথের প্রিয় সাজে প্লেমেট
রবীন্দ্রনাথে সঙ্গম ভাবনা
রবীন্দ্রনাথের প্রিয় আসন। কোনো একটা বিশেষ সংখ্যার পাশে লিখা থাকতো
রবীন্দ্রনাথের আসনে সঙ্গম করুণ, উপভোগ করুণ রবীন্দ্রনাথের প্রেম।[
রবীন্দ্রনাথের প্রেম এবং পূজা পর্বের গান দিয়ে সঙ্গম শুরু করুন, অবশ্য সঙ্গমের শেষ হবে বিদ্রোহী গানে।
কারার ওই লৌহ কপাট দিয়ে সঙ্গম শেষ করুণ।
প্রমাণ করে দিন রবীন্দ্রনাথ ছলচাতুরি করে নোবেল ছিনিয়ে নিলেও বাঙালীর বিছানা থেকে নজরুলকে হঠাতে পারে নি। পারবে না।
রবীন্দ্রফেটিশ আমাদের সাংস্কৃতিক হয়ে উঠবার অন্যতম উপাদান।
এখানে সংস্কৃতি চর্চা সম্পূর্ণটা না হলেও শতকরা ৯০ ভাগ একটা ভড়ং।
অবশ্য ভড়ং সবখানেই আছে, এই আমি সংস্কৃতিকর্মী, আমি সংস্কৃতিসেবী, আমি শিল্পী, আমি বাল আমি চ্যাট, আমি তাই অন্যদের চেয়ে একটু আলাদা, একটু ডিফরেন্ট-
এইগুলো প্রকাশের অনেকগুলো পন্থার একটা রবীন্দ্রনাথের হোগা মারা ধারবাহিক ভাবে। রবীন্দ্রনাথের কুঠিবাড়ি পর্ব, এই পর্ব, সেই পর্ব, পদ্মায় রবীন্দ্রনাথ। রবীন্দ্রবিলাপে মগ্ন জাতি-
এটা টিভি পর্দায় আসবার আগেই একদিন বেইলী রোডে সাইনবোর্ড দেখেছি এটার।
রবীন্দ্রনাথের প্রিয় রান্না।
বাঙালী কখন কাকে দেবতাজ্ঞানে পূজা শুরু করবে, কখন অহেতুক স্তুতির নামে থুতুর ফোয়ারা ছুটাবে বুঝে উঠা কঠিন।
এখানে জনপ্রিয় হওয়া কিংবা অজনপ্রিয় হওয়া সমানভাবে বিপজ্জনক। এখানে একেবারে সাধারণ হয়ে থাকাটাও নিরাপদ নয়। মানে সবার অত্যাধিক আন্তরিক নাক গলানো স্বভাবে আদতে নিরাপদে প্রেম করবার জন্য মানুষ বনে বাদারে ঘুরে গেরিলার মতো।
বাংলাদেশে সংস্কৃতিসেবীদের নজরে পড়ে অনেক ভালো মানুষের নরম হোগাও অত্যাধিক চাপে ফেটে গেছে। এই বদ্বীপে কোনো মতই নিরাপদ নয়, এমন কি বিপরীত মত ধারণ করা মানুষের হোগাও নিরাপদ নয়।
কেউ কাউকে তার নিজস্ব নির্জনবাস দিতে রাজি নয়। বেশীর ভাগ সময় শিল্প এবং শিল্পীকে গুলিয়ে ফেলে। অত্যাধিক বিদ্রোহী গল্পকে লেখকের অবস্থান ভাবে। এই ব্যক্তিবিযুক্ততার ধারণা ধারণ করবার ক্ষমতা অধিকাংশের নেই।
অহেতুক স্তুতি দেখে ভক্তিরসে চটচটে কামার্ত আঙ্গুলে দেবপূজার অনুভুতি আসে মনে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


