আমার প্রিয় পোস্ট

অতি দক্ষ মিথ্যুক না হলে সত্যবাদিতা উৎকৃষ্ট পন্থা

অপঠিত লেখাগুলোর প্রতিক্রিয়া।

০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৪৬

শেয়ার করুন:                   Facebook



Click This Link

শুভর লেখাটা প্রথম পাতায় আসে নি, অবশ্য এটা তার নিজের বিবেচনা,

পুরোনো লেখাগুলো, পুরোনো অনুভবগুলো একবার লিখে ফেললেই যাদের গুরুত্ব কমে যায়, এই লেখাটা ঠিক সেরকম নয় বলেই আসলে এটাকে গুরুত্ব দেওয়া।

অবশ্য মুক্তিযোদ্ধার পিঠে লাথি দেওয়া, তাকে ৩ ঘন্টা বন্দি করে রাখা, কিংবা পরবর্তীতে আমন্ত্রিত অতিথি নয় বিধায় তাকে গেট থেকে বিদায় করে দেওয়া হয়েছে এমন স্বার্থক মিথ্যাচার প্রকাশিত হয়েছে নয়া দিগন্তে ১৩ এবং ১৫ তারিখে,

এই মতকে সমর্থন করেছেন কেউ কেউ, এই ফ্যাব্রিকেটেড স্টোরি, ক্যামেরা ট্রিক্সের অস্তিত্ব আমাকে মুগ্ধ করে সব সময়। ভালো লাগে মানুষের এই বালিতে মুখ গুঁজে বাস্তবতার আড়াল খোঁজার মানসিকতা।

অবশ্য বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে একটা কথা সত্য, এখানে সব মানবিক মানুষের নিজস্ব পকেট আছে, যে যার পকেটের ভেতরে বসে থাকে, এবং মাঝে মাঝে মাথা উঁচু করে বাংলাদেশ দেখে, একটা দুইটা জ্বালাময়ী নিবন্ধ লিখে নিজের জাতিগত দায় চুকিয়ে ফেলে।


জানাযার নামাজ যৌথ প্রকল্প, সবাইকে অংশগ্রহন করতে হয় না, এমন বাধ্যবাধকতা নেই, তবে অন্তত একজনকে সবার পক্ষ নিয়ে মাটির ভেতরে লাশ লুকানোর সময় বলতে হয় তোমার অগস্ত্য যাত্রা আনন্দময় হোক। ইশ্বর তোমাকে ক্ষমা করুক, তুমি যে মাটির তৈরি সে মাটিতেই ফিরে যাও।
যদিও লাশের কিছুই যায় আসে না, তবে তার এই সম্মানটা সামাজিকতার বোধ।

এইসব পকেটজীবি বুদ্ধিমান প্রজাতির মানুষও এমন ভাবেই সম্মিলিত ভাবে প্রতিবাদ জানান। হাই প্রোফাইল না হলে অবশ্য তাদের এই অনুগ্রহ কপালে জুটে না। অবঃ মোস্তাফিজুর বেচারার জন্য খারাপ লাগলো, বেচারা অপরাধী অবস্থায় মৃত্যু বরণ করলো, সামরিক সমর্থিত সরকার অবশ্য অনেক কিছুই করেছিলো, কিন্তু বেচারা অসুস্থ মানুষটাকে মানবিক কারণে জামিন দেওয়ার অনুমতি দেয় নি আদালতকে।
কিন্তু সামাজিক সৌজন্যতার কারণেই মইন উ কে দেখা গেলো তার কবরের পাশে জানাযারত, এবং পরস্পর বৈরী রাজনৈতিক নেতাদের দেখা গেলো এক কাতারে দাঁড়িয়ে জানাযার ভড়ংয়ে অংশগ্রহন করেছেন।

তবে যে মানুষটা যুদ্ধাপরাধের বিচার চেয়ে পিঠে লাথি খেলেন, তার জন্য একটা যৌথবিবৃতি, একটা নিন্দা প্রস্তাব আসলো না সংবাদে, অপরাধীকে আটকের মিলিটারি তৎপরতা দেখা গেলো না, ডেইলি স্টারের ছবি দেখে ঠিকই মিলিটারির পিঠে লাথি মারা যুবককে আটক করা সম্ভব হয়েছিলো, তবে ভিডিও ফুটেজ থাকলেও এই অপরাধী যুবককে আটক করা সম্ভব হলো না।

বেচারা বৃদ্ধ, ফ্যাব্রিকেটেড স্টোরির ভিকটিমের জন্য করুণা রইলো, পিঠে লাথি খেয়েও, ক্যামেরা ট্রিক্সের সন্ধান পাওয়া নয়াদিগন্তের কুশলী সাংবাদিকের জয় হলো। তার অপমানের বিচার হলো না।

অবশ্য ধারাবাহিক অপমানের পরে এই সামান্য লাথির অপমান হজম করবার ক্ষমতা বৃদ্ধের আছে।



Click This Link বীরাঙ্গনাদের নিয়ে লেখা অন্য একটা পোস্ট।

 

 

  • ১৪ টি মন্তব্য
  • ২৪৮ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৮ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৪৮
comment by: রাযহান বলেছেন: বস, কেমন আছেন ? মনটা ভালো নেই বুঝি ?
০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫৪

লেখক বলেছেন: মনের অবস্থা ঠিকই আছে, কিন্তু গত ৩ দিন ধরে লজ্জায় ম্রিয়মান, একজনকে কথা দিয়ে সেই কথা রাখতে পারি নি।

এইসব উদ্ভট অহেতুক লেখা আসলে সেই ব্যর্থতাকে আড়াল করবার প্রচেষ্টা। ধন্য সব সাংবাদিক আর ফিচার লেখক যারা পাতার পর পাতা লিখে যেতে পারে।

২. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৪৯
comment by: কৌশিক বলেছেন: +
০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫১

লেখক বলেছেন: গেলা না?

৩. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫২
comment by: কালপুরুষ বলেছেন: ভাল লেখা। +
৪. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫৩
comment by: আরিফ জেবতিক বলেছেন: শুভ'র লেখাগুলো পড়ছি । যেহেতু নিজের পাতাতেই দেয়া , তাই কমেন্ট করি না ।


অফটপিক :আপনাকে ফোন দিয়েছিলাম বিকেলে , শুনলাম ফোনটি কোথায় যেন ফেলে গেছেন ।
০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫৮

লেখক বলেছেন: আরে বস, কাহিনী যা হইছে না, ঐটা নিয়া লিখবো ভাবছিলাম, এই লেখাগুলা পইড়া আর ঐটা নিয়া লিখতে পারলাম না, পরে লিখবো একদিন।

যাউকগা শাপলুর নাম্বারটা নিলাম, শাপলুকে টানা আধাঘন্টা ফোনের ট্রাই করলাম, আজিজের ৩ তলায় উদ্দেশ্যমূলক ঘুরলাম,
কিন্তু আলোচিত জায়গাটা আসলে কোথায় সেটার হদিশ পেলাম না।
কোন কেন্দ্রে গিয়ে সবাই বসেছিলো এটা উদ্ধার করতে পারি নি, পরীবাগের রাস্তায় রাস্তায় দাঁড়িয়ে এর চেহারা ওর চেহারা দেখলাম, সবই অপরিচিত, আর মজার কথা হলো শাপলুর ফোন বন্ধ।

৫. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫৫
comment by: কৌশিক বলেছেন: না। একা একা কেমনে যাই?
১০ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:১১

লেখক বলেছেন: সামনে ২টা ৩ দিনের বন্ধ, ১৪ থেকে ১৭ আর ২১ থেকে ২৪
এর ভিতরে একদিন সাখাওয়াৎয়ের ঐখানে গিয়া চুঁয়ানি খাইয়া আসবো।

৬. ১০ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:০০
comment by: আরিফ জেবতিক বলেছেন: সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্র ।

( এখন আর ঠিকানা দিয়া কী হবে :) ?)
১০ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:০৮

লেখক বলেছেন: হা হা হা হা,

আমিও সেইটা আশা করছিলাম, কিন্তু পরিবাগে গিয়া ঐটা খুঁজে পাইলাম না,


অসাংস্কৃতিক ব্যক্তত্বের জন্য অবশ্য প্রয়োজনীয় একটা জায়গা, তবে এইসব প্রয়োজনীয় জায়গার হদিশ জানা থাকে না। আমার যা যা দরকার সবগুলাই এইখানে আছে, সংস্কৃতি, বিকাশ এবং কেন্দ্র।

৭. ১০ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:০৭
comment by: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: ধারাবাহিক অপমানের পরে এই সামান্য লাথির অপমান হজম করবার ক্ষমতা বৃদ্ধের আছে।
মনে হয় আমাদেরও কিছুদিন পরে হজম ক্ষমতা হয়ে যাবে ।
৮. ১০ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:১৪
comment by: কৌশিক বলেছেন: ওকে
৯. ১০ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৪৭
comment by: অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: সারা বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধাদের মত লাথি খেয়ে যাচ্ছে অনবরত।

 



 


অনেক অনেক চেষ্টা হয়েছে ব্লগানোর বাংলা করা নিয়ে, আমার এখন ব্লগের নতুন বাংলা করতে ইচ্ছা করলো তাই দিলাম এর নাম...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ১১২৮৬৫