মিজাজ বিলা সুনিত পলের লিখা পড়ে।
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩১
গতকাল সুনিতা পলের লেখা পড়ে বিরক্ত হয়েছিলাম, যদিও সুনিতা পলের সাথে কোনো যোগাযোগের সুবিধা নেই, তবে বাংলাদেশের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে তার আগ্রহ আমার পছন্দ হয় নি। কোথাও স্পষ্ট বলা নেই বাংলাদেশের সাথে সুনিতা পলের যোগাযোগ কোন সূত্রে, তবে Click This Link
এই লেখাটা পড়বার পর থেকেই ভাবনা বিক্ষিপ্ত। বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে যতটা গালি দেওয়া সম্ভব দিয়েও গায়ের ঝাল মিটছে না, একবার মনে হলো এটার প্রতিবাদ করা প্রয়োজন, তবে গ্লোবাল পলিটিসিয়ান সাইট ই মেইল ফিডব্যাক নেয়, সরাসরি বলবার উপায় নেই, সেখানে ই মেইল করবো হয়তো তবে তার আগে নিজের গা জ্বলুনি কমিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।
সুনিতা পল এই লেখায় বিশিষ্ট ইহুদিপ্রেমী ভুমিকায় অবতীর্ণ, বাংলাদেশ ইসরাইলকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেয় নি, যদিও ইসরাইল অন্য সব মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সাথে বাংলাদেশের স্বীকৃতিও চাইছে অনেক দিন ধরে, তবে বাংলাদেশ এখনও সেই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিয়ে ইসরাইলের সাথে কুটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে নি।
তাইওয়ানকে বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেয় নি চীনের চাপে, তাইওয়ান বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি চেয়েছিলো তবে চীন এখনও তাইওয়ানকে নিজেদের তালুক ভাবে, সেখানে নির্বাচন হয়, সেখানে যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের অস্থায়ী অবস্থান গ্রহন করে, তাইওয়ানে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক মহরা চালায়- এবং সুনিতা পলের অভিযোগ মতো ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশনের সদস্য হওয়া সত্ত্বেও এর সদস্য দেশগুলোর ভেতরে ইরাক, ইরান সিরিয়ার উপরে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা জারি করবার চেষ্টা করে, ইরাকে অনেক দিন অর্থনৈতিক অবরোধ ছিলো, ইরানে অন্তত ১ বছর আগেও পরমাণু অস্ত্র প্রসঙ্গে অর্থনৈতিক অবরোধ ছিলো, তবে সুনিতা পল এইসব নিয়ে না লিখে বাংলাদেশকে সম্মানিত করবার প্রচেষ্টা করলেন কেনো?
তথ্যের অবাধ প্রবাহ অন্তর্জালে, তবে তথ্যের যাচাই বাছাই করবার সময় কোথায়, বাংলাদেশ সরকার সুনিতা পলের লেখার বিরোধিতা করবে এমন তৎপর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র দপ্তর নয়, কিংবা বাংলাদেশের তথ্য দপ্তর, আমি ঠিক জানি না সুনিতা পলের এই প্রচারণার প্রতিবাদ কুটনৈতিক ভাবে করা উচিত না কি এটা তথ্যবিকৃতি বলে এটার প্রতিবাদ করা উচিত।
ইহুদিবিদ্বেষী বাংলাদেশ পরিচয় তুলে ধরে যখন সুনীতা পল আব্দার করেন এ কারণে বাংলাদেশের পন্য বর্জন করা উচিত, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও কঠোর নীতিমালা গ্রহন করা উচিত তখন মাগীর হোগার কাপড় তুলে মনে হয় বিছুটি পাতা লাগিয়ে দি।
বাংলাদেশ দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে বর্ণবাদের কারণে কোনো রাষ্ট্রীয় সম্পর্ক রাখে নি, এখনও যেহেতু বাংলাদেশ ইসরাইলকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেয় নি তাই ইসরাইলের অস্তিত্ব সম্পর্কে উদাসীন বাংলাদেশ, যখন বাংলাদেশ এই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিবে তখন সুনিতা পল কোনো অভিযোগ আনলে আমি মানতে পারতাম, বাংলাদেশের কাছে রাষ্ট্রীয় ভাবে অস্তিত্ববিহীন একটা ভুখন্ডের জন্য সুনিতা পলের মায়া কান্না আর বাংলাদেশকে সন্ত্রাসের মদদদাতা রাষ্ট্র, হামাস এবং অন্যান্য জঙ্গী দলগুলোর প্রতি সহানুভুতিশীল একটা রাষ্ট্র হিসেবে চিহ্নিত করা এবং এমন দাবি করা যে বাংলাদেশের সাথে বৈদেশিক বাণিজ্যে আসলে ইসলামী শয়তানের উপকৃত হবে এবং বাংলাদেশ ইহুদিবাদ, যুক্তরাষ্ট্র এবং সেমেটিকদের শত্রু দাবিটা করবার সময় এই চুতমারানী মহিলার কি মনে হয় নি, ক্রিশ্চায়িনিটি সেমিটিজমের একটা রুপ হলেই ইসলামিজম সেমিটিজমের আরেকটা রুপ, বাংলাদেশ এন্টিসেমেটিক আদর্শ ধারণ করে না।
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
হমম পড়লাম......মহিলা এর আগে প্রথম আলো গ্রুপের বিরুদ্ধে লিখেছিলো।গতকাল কোন একটা লিংকে তানিয়া আমির তথা কামাল হোসেনের "দ্যা ল এসোসিয়েটস্" বিরুদ্ধে লিখেছে এই রকম একটা লিংক দেখলাম।সে বেশ কৌশলে এগুচ্ছে।প্রথমে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান গুলোকে আক্রমন করে একটা বেইস্ খুঁজে পেতে চাচ্ছে।এরপর সেই বেসের উপর দাঁড়িয়ে তার এজেন্ডা ধরে এগুবো।
অবশ্য শুধু সুনিতা পল নয়,অনেক ভারতীয় সাংবাদিকই হরহামেশাই "বাংলাদেশ"কে পিটাইতে চায়।
আরেকটা লিংক ছিলো শেয়ার করার মতো খুঁজে পাচ্ছিনা।
যাইহোক শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
দ্বিতীয় লিংকটা'ও পড়লাম।এই পরের আর্টিকেলে ভদ্রমহিলা মনে হয় ইসরাঈল সরকারকে অনুরোধ করবে বাংলাদেশে কয়েকদিন বোমাবর্ষন করার জন্য।
দস্যু বনহুর বলেছেন:
ইন্ডিয়ান সাংবাধিকগুলার ভাব চুদানি নতুন না।
লেখক বলেছেন: এইটা শুধুমাত্র ভারতের খেলা না, ভারত এই খেলায় গ্যালারিতে বসে থাকা দর্শক, জন্মগত পরিচয়ে ভারতীয় হলেও সুনিতা পল মনে হয় না এখন ঠিক ভারত সরকারের নুন খাচ্ছে আর বাংলাদেশের বিরোধিতা করছে, বরং অন্য কারো নুন খাওয়ার জন্য জিহ্বা ঝুলায়ে রাখছে এখন।
মানুষের যৌনসঙ্গী এবং মানুষের যৌনপারঙ্গমতার খবরও রাখে এই সাংবাদিক মহিলা। এরপরে হয়তো কোনো এক প্রতিবেদনে লিখবে শালার বাংলাদেশের মইন মিয়ার ধন ছোটো, ভালো মতো কোপাইতে পারে না, মাইন মিয়ার বৌয়ের সাথে মইন মিয়ার সম্পর্ক এই কারণে ভালো যাইতেছে না।
রাসেল ( ........) বলেছেন:
প্রচারণার ধরণটা পরিচিত, অন্তত আমার যা মনে হলো, বাংলাদেশ ধীরে ধীরে ইহুদীবিদ্বেষী একটা দেশে পরিণত হচ্ছে, এখানে সংবাদপত্র যদিও আপাতদৃষ্টিতে ইসলামী জঙ্গীবাদের পৃষ্টপোষকতা করে না, তবে আড়ালে আবডালে এরা ইসলামী জঙ্গীদের প্রতি সহানুভুতিশীল, এরা যুক্তরাষ্ট্রের শত্রু দেশগুলোর প্রতি বেশী আকৃষ্ট এবং এরা যুক্তরাষ্ট্রদের মিত্রদের বিষয়ে শত্রুভাবাপন্ন।\আব্দার ইহুদি ব্যবসায়ীদের প্রতি- যারা বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক নীতিগুলোর রুপরেখা প্রনয়ন করে, বাংলাদেশ ধীরে ধীরে তালেবান অধ্যুষিত রাষ্ট্র হয়ে যাচ্ছে, এর পরিবর্তন প্রয়োজন, দাতা দেশগুলোর খবরদারি চাই- এবং এখানে অবশ্যই প্রো আমেরিকান একটা কাঠামো প্রয়োজন।
এই পরিবর্তন তেমন নতুন কিছু না, প্রয়োজনে সাংবাদিক ভাড়া করে কিছু বক্তব্য প্রদান করানো তেমন নতুন কোনো ঘটনা না যুক্তরাষ্ট্রের প্রেক্ষিতে। বাংলাদেশের প্রাক্তন পরিচিত সমাজতন্ত্রের প্রতি সহানুভূতিশীল ধর্মনিরপেক্ষ জোটবিরোধী সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী একটা দেশ হিসেবে। এই পরিচয় বুইড়া গবেষকদের ভেতরে ঢুকে বসে আছে। অবশ্য বাংলাদেশের দুর্ভাগ্য
আমাদের হ্যাডম নেই, অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা নেই, মুখের উপর বলতে পারি না এদের যা ব্যাটা তোর মায়েরে চুদি, যা বাল ফেলানোর ফেলা গিয়া, দুরে গিয়া মর তোরা।
আমরা তোয়াজ করবো, আমরা তেল কোম্পানী গ্যাস কোম্পানিকে পায়ে তেল দিয়ে বাংলাদেশে আনবো, আমরা মরিয়ার্টি, হ্যারি কে টমাস আর বিউটি আপাকে সেলাম জানাবো।
এবং সেই সাথে ভুলে যাবো এখন যারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র নীতির রুপরেখা প্রণয়ন করে তাদের একজন একবার বলেছিলো, এই এককেন্দ্রিক বিশ্বে বিশ্বের সাম্যাবস্থার জন্য, বিশ্বের শান্তি এবং সমৃদ্ধি অব্যহত রাখবার জন্য বিশ্বের অন্য সব দেশগুলোর উচিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে অর্থনৈতিক সুবিধা প্রদান করা, কিংবা অন্য সব রাষ্ট্রের উচিত বিশ্বের মোড়লগিরি গলানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ট্যাক্স দেওয়া, বিশাল সৈন্যবাহিনী পুষে বিশ্বকে স্থিতিশীল রাখছে যুক্তরাষ্ট্র- এই সৈন্যবাহিনী ভরণপোষনের একটা অংশ দেওয়া উচিত অবশিষ্ট বিশ্বের।
গালি দিতে চরম অপছন্দ করলেও এই একবার বলি,এইখানেরও কোন জামাতি বা বিএনপি'র চুতমারানি (আমি আওয়ামী সাপোর্টার না) স্রেফ তানিয়া আমিরের বিরুদ্ধে লেখসে বইলা এই লেখার লিংক দিয়া ব্লগে বেকুবের মত ফাল পাড়তাসে,হারামজাদার মাথায় ঢুকে নাই এই লেখাটা কতটা বাংলাদেশবিদ্বেষী। বিছুটি পাতার শেয়ার ঐ শালারেও দিয়েন।
কঁাকন বলেছেন:
ভালো লাগলো লিংকের জন্য ধন্যবাদ
জ্বিনের বাদশা বলেছেন:
এইসব তো নতুন কোন কথা না ... বাংলাদেশ তো অনেক আগে থেকেই "ব্যর্থ রাষ্ট্র" ... বিদেশিইদের মুখে সেইটা শুইনা আমাদের অনেকেরই অর্গাজমের আনন্দ হয় ... এখনও আবার অনেকেরই হবে ... ভবিষ্যতেও আবার অনেকেরই হবে ... কার হবে ডিপেন্ড করবে কে ক্ষমতায় আছে তার ওপর ... এরকম এক জাতির এরকম হোগামারা খাওয়াই নিয়তিতবে এটাও ঠিক যে, যে দেশে রাজাকারদের ইহুদী বলে গালি দেয়া হয় (আপনার মনে আছে কিনা, একটা স্লোগান ছিলো, "গোলাম আজম, সাঈদী; বাংলার ইহুদী"), সেদেশে ইহুদীবিদ্বেষ নেই সেটা বলা কঠিন ... পদে পদে ইসরাইলের বাপ আমেরিকার পা চাইটা, আবার ইসরাইলরে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর দ্বিমুখী নীতি নিয়া যতদিন মাইনর/ইনসিগনিফিক্যান্ট দেশ হিসাবে থাকতে পারব, ততদিনই টিকা থাকব ... একটু মাথাটা উঁচা হইলে এমনেই বাবাজী আমেরিকা থেকা ফরমান আইসা পড়ব যে এখন মেঝভাই ইসরাইলের লগে হাত মিলাও ...
কানা বাবা বলেছেন:
1. Dhaka's most influential newspaper Weekly Blitz said...
2. It may be mentioned here that, Weekly Blitz is the only newspaper in Bangladesh, which continues to confront rise of radical Islam and militancy...
হাসুম না কান্দুম? কয় কী এই মাতারি? আইমান আল জাওয়াহিরি কবে আবার বাংলাদেশে আইচিলো?
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
এই মাতারির পার্সেনাল ব্লগের সন্ধান পাওন যায় কিনা দেখেন, তারপর সেইখানে গিয়া চুতমারানি রে...!



















এইসব বালের প্যাঁচাল পড়লে মাথা ঠান্ডা রাখা মুশকিল, কি করুম বুইঝা পাইতেছি না।