আমার প্রিয় পোস্ট

অতি দক্ষ মিথ্যুক না হলে সত্যবাদিতা উৎকৃষ্ট পন্থা

অহেতুক ভাবনা

২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৮:০৮

শেয়ার করুন:                   Facebook

মৃত্যু কতটা সহজ, মাঝে মাঝেই মনে হয়, সামান্য সময়ের হেরফের হলেই হয়তো আমারও মৃত্যু হতে পারতো গতকাল। যখন সায়েন্স ল্যাব মোড়ে আসলাম তখন হঠাৎ মনে হলো আজ কি মঙ্গল বার? চিত্র ভিন্ন কথা বলে, ভীষণ রকম এলোমেলো হয়ে দাঁড়িয়ে আছে বাস, সিএনজি, এবং তখনই মনে হলো এই হেঁটে আসবার সিদ্ধান্ত খুব একটা ভুল ছিলো না।

রাস্তার অন্য পাশের সব দোকানের ঝাঁপ ফেলা, সব দোকান বন্ধ, মঙ্গল বার ছাড়া এমন দৃশ্য দেখা যায় না, অনেক রকম জটিল হিসাব করে নিশ্চিত হলাম আজ সোম বার, মঙ্গল বার হওয়ার কোনো সম্ভবনা নেই। হাঁটতে হাঁটতে যখন টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের সামনে আসলাম তখন গাড়ী পুড়ে সারা, এক প্লাটুন জঙ্গি পুলিশ নির্বোধের মতো দাঁড়িয়ে আছে, রাস্তার অন্য পাশে পোড়া গাড়ীর সামনে আরও কয়েকজন ভীড় করে আছে।

ইদানিং পুলিশ দেখলে কৌতুহল সংবরণ করতে হচ্ছে, পুলিশের ট্রাক রেকর্ড আরও খারাপ হচ্ছে দিন দিন, বেমওকা কখন কোথায় ফাঁসিয়ে দিবে বলা যায় না, নিশ্চিত হলাম কান্ডটা ঘটিয়েছে ঢাকা কলেজের ছেলেরা, তবে কেনো এটাই জানি না।

এত ভাবনায় কাম নাই, রাস্তায় পোড়া গাড়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশ পথে ব্যরিকেড, রিকশাওয়ালাকে বললাম কি রে ভাই কি সমস্যা ?

কইতাম পারি না, এই দিকে বিশাল জ্যাম হইছে।
উল্টা একটা ঝাড়ি দিলাম, মিয়া কি করো এইসব খবর রাখো না।
টিএসসির সামনে আরও একটা পোড়া গাড়ীর অবশিষ্টাংশ খুবলে নিয়ে যাচ্ছে মানুষ। কিছু একটা ঘটেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে গরম খবর বলতে মনোবিজ্ঞানের শিক্ষক বাধ্যতামূলক ছুটিতে গিয়েছে, তবে এই আন্দোলন যারা করে তাদের চরিত্র সম্পর্কে ধারণা থেকেই বলতে পারি এরা অন্তত রাস্তায় নেমে গাড়ী পোড়াবে না, ঘটনা ভিন্ন রকম কিছু।

বাতাসে গুজব ঈদের বন্ধের পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ৩ মাসের জন্য ছুটি ঘোষণা করা হবে। অবশ্য যারাই ক্ষমতায় থাকে তারাও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ন্ত্রন করতে চায়।
নির্বাচিত সরকার আসলে অনুগত ক্যাডারেরা হল দখল করে আর বাধ্যগত শিক্ষকেরা দলীয় প্রধানের পা চেটে সরকারী ভবনে গিয়ে বসে থাকে। ম্যাডামের চামড়া সুন্দর আর আপার হাসি সুন্দর খোশ গল্প করে। এবং এই সুযোগেই উপাচার্য বদল হয়ে যায়। নীল আর সাদা হয় ক্যাম্পাস রাজনৈতিক দলের কল্যানে।

সামরিক সমর্থিত সরকারও প্রথম ক্ষমতা দখল করেই একই নিয়মে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর কতৃত্ব এবং নিয়ন্ত্রন রাখতে চাইলো। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য আছে, রাজনৈতিক ঐতিহ্য, এখান থেকেই আন্দোলন জন্ম নেয়। তাই এখানেই মিনি ক্যান্টনমেন্ট বসিয়ে জিমের মাঠে হাওয়া খায় সৈন্যরা। তাদের জন্যই অবশ্য জিমনাসিয়ামের টয়লেট সংস্কার হয়েছে।

এখানে যেকোনো বিদ্রোহ কিংবা রাজনীতির উন্মেষ দমন করবার পবিত্র বাসনা নিয়েই সেনাবাহিনী অপেক্ষা করে জিমের মাঠে। সেখান থেকেই আগুণ জ্বলে, অবশ্য বিশ্ববিদ্যালয় গ্যারিসন না, সেখানে কেনো সৈন্যসামন্ত নিয়ে মেজরসাব বসে থাকবে, এমন কি এখানে যুদ্ধকালীন অবস্থা নেই, এরপরও ক্যাম্পাসে মিলিটারির উপস্থিতি আমারও জঘন্য লাগে।
অবশ্য ২৩শে আগস্ট থেকে পরিস্থিতি বদলেছে, এখন সৈন্যসামন্ত নিয়ে আর গ্যারিসন সাজে নেই বিশ্ববিদ্যালয়, তবে কাছেপিঠেই র‌্যাব ৩ এর একটা আস্তানা বসেছে। ক্যাম্পাস ছেড়ে গেলেও মিলিটারিসমর্থিত সরকারের ক্যাম্পাসের উপরে দখলদারিত্ব ছাড়বার বাসনা নেই।

কেনো প্রয়োজন এই যুদ্ধযুদ্ধ সাজের? ক্যাম্পাসের লাগোয়া বিডিআর ক্যাম্প, সেখানে থেকেই তো ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা রক্ষা করা যায়। যাই হোক এইসব ভাবনা ভাবতে ভাবতেই দেখি, ৩ নেতার কবরের সামনে প্রাইমারি শিক্ষকদের প্রতিকী অনশনের সমাবেশ। একজন শিক্ষক নেতা ভাষণ দিচ্ছেন,

একতার বিকল্প নাই, আমরা একতা ভাঙলাম তো আমরা ছোটো হয়ে গেলাম, আমরা শেষ।

এইসব ভাষণ নিয়ে কোনো কথা বলতে চাই না, প্রাইমারী শিক্ষকদের একটু সম্মান প্রাপ্য। কোনো মতে বাসা ফিরে এসেও হিসাব মিলে না, ক্যাম্পাসে গাড়ী পোড়ালো, সেখানে উপস্থিত ৩টা টিভি চ্যানেলের গাড়ী, ঘটনা কি?

ঘটনা জেনে অবাক হলাম, যুবরাজ টয়লেটে পড়ে আহত হয়েছে, সেই সংবাদে উত্তেজিত ছাত্রদল রাস্তায় গাড়ী ভেঙেছে, গাড়ী পুড়িয়েছে। ভুল সময়ে ভুল স্থানে থাকা গাড়ী আর গাড়ীর মালিকের জন্য সমবেদনা।

ঘটনা এখানে থেমে থাকলেই ভালো হতো, তবে ঘটনা শেষ হয় না, কিছুক্ষণ পরেই জানলাম গাড়ী পোড়ানোর সময় সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে একজন গুরুতর আহত হয়েছে, এবং হাসপাতালে মারা গিয়েছে।

মৃত্যু কতটা সহজ, এই মানুষটা কখনও ভেবেছিলো এমন অকালে তার মৃত্যু হবে, বাংলাদেশের মানুষ এখন এইসব ঝামেলা এড়িয়ে বাঁচতে চায়, একটু পরিস্থিতি গোলমেলে দেখলেই তারা রাস্তা ছেড়ে সরে যায়, অহেতুক জনরোষ কিংবা সাধারণ গুন্ডাদের উন্মাদনার শিকার হতে চায় না, মানুষ দিন দিন পাষন্ড হয়ে যাচ্ছে, এবং একই রকম উদ্ভট উদ্ভট ঘটনায় আলগোছে মানুষ মেরে ফেলবার ঘটনাও ঘটছে প্রচুর।

মোবাইল চুরির অভিযোগে একজনকে পিটিয়ে মেরে ফেললো কয়েকজন, ছিনতাইয়ের অভিযোগে একজনকে পুড়িয়ে মেরে ফেললো, ২ টাকা বাকির জন্য মানুষকে খুন করে ফেললো একজন, প্রেমিকের সাথে অবৈধ সহবাসের প্রতিবাদ করায় স্বামীকে ফাঁসি দিয়ে মেরে ফেললো একজন, এইসব অস্থিরতার ভেতরেও মানুষ সচেতন ভাবে বাঁচতে চায়। তাই জাহাঙ্গীর আলমের মৃত্যু নাড়া দেয় ভীষণ ভাবে।

মানুষটা জানতোও না মৃত্যু ওত পেতে আছে, তার পথের পাশে যেখানে কোনো ভাবেই কল্পনা করা যায় নি একদল ছাত্র হঠাৎ একটি সিএনজি করা গাড়ীত আগুণ জ্বালাবে, সেই সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হবে, এবং বিস্ফোরিত সিলিন্ডারের একটা টুকরো এসে বিধে যাবে বুকে, আমিও কাছাকাছি সময়ে সেখানে উপস্থিত ছিলাম, এই অঘটন আমার সাথেও ঘটতে পারতো, বলা যায় না আমার নিস্পৃহতার ভেতরেও মাঝে মাঝে অহেতুক কৌতুহল চলে আসে, সে রকম কোনো কৌতুহলে আমার মৃত্যু হওয়াটাও বিচিত্র কিছু ছিলো না।

এমন অঘটনে মৃত মানুষটার জন্য শোকগ্রস্ত হয়েছিলাম, একজনের কথার পাল্টা জবাবে তার উষ্মা বুঝতে পারলাম। খবরটা দেখেছেন-

আমি অবসর সময়ে পেপার নাকের ডগায় লাগিয়ে রাখি, আমার কাছে অনেক খবরই গুরুত্বপূর্ণ- মানুষটাকে খুন করলো চোরটার জন্য। সবকয়টাকে ফাঁসি দেওয়া দরকার।

আমি বললাম কাকে ফাঁসি দিবেন, কিভাবে দিবেন?
মানুষটা এতটা উত্তেজিত হয়ে যাবে বুঝতে পারি না, ধরে ৫০টাকেই ফাঁসি দিয়ে দেওয়া দরকার, ইতরের দল,

আমি মিনমিন করে বলতে চাইলাম বিষয়টা সম্পূর্ণটাই দুর্ঘটনা,
এইটা দুর্ঘটনা মনে হইলো আপনার কাছে, সিলিন্ডারে আগুণ ধরায়া দিলে ঐটা বিস্ফোরিত হবে না তো কি হবে?

আমি যুক্তির কাছে পরাস্ত হই, যেই চাপে সিলিন্ডারে গ্যাস ভরা থাকে, সেটা যদি সাধারন সময়েও বিস্ফোরিত হয় তবে আশে পাশে নরক হয়ে যাবে, সাধারন চাপের ১০০০ গুন বেশী চাপে গ্যাস ঢুকানো হয়, কম্প্রেশনের মাত্রা তেমন না হলে সম্ভব না গ্যাসে গাড়ী চালানো। এক একটা সিলিন্ডারের টুকরা কমপক্ষে ১৫০০ মিটার প্রতি সেকেন্ডে ছুটে যাবে বিস্ফোরণের পরে, দুরপাল্লার রাইফেলের গুলির গতি এর কাছাকাছি, এবং এটা অন্তত ৫০ মিটার বৃত্তের সবকিছু ঝাঁঝরা করে ফেলবে। গ্রেনেডের মতো মারাত্মক একটা বিস্ফোরক পিঠে ঝুলিয়ে গ্যাসচালিত যানবাহন ঘুরছে শহরে।

তবে শেষ পর্যন্ত যারা সিলিন্ডারে আগুণ জ্বালিয়েছে তাদের ফাঁসির দাবির চেয়ে তাদের শনাক্ত করবার উপায়টা নিয়েই চিন্তিত হই, আমিও চাই আসলে এই মানুষগুলোর শাস্তি হোক, একজন মানুষ অতর্কিতে মরে যাবে কোনো এক কুখ্যাত মানুষের মাথায় সামান্য ছড়ে যাওয়ার প্রতিবাদে?

সারাদিন এমন সান্তনা ছিলো মনে, তারেক জিয়ার আঘাত তেমন মারাত্মক নয়, বরং পরিস্থিতিকে ঘোলা করতে অহেতুক গুজব রটানো হয়েছে, জামায়াতের কোলে বসে হোগা মারা খাওয়া দেলোয়ার বোকাচোদা উত্তেজিত হয়ে অনেক বিপ্লবী কথা বলে, সারাক্ষণ মাল টেনে যাওয়া এই মাতালের কথা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত না, তারেক জিয়ার কিছু হলে দাবানল জ্বলে উঠবে এমন হুমকি শুনে মনে হয় ন্যাম ভবনে গিয়ে ছাগলটাকে পাতলা বেত দিয়ে আগাপাশতলা পিটাই।

রাজনীতিবিদ এবং আটক ব্যবসায়ী সবাই জেল হাজতে যাওয়ার পরে গুরুতর আহত হয়ে যায়, তারা হাসপাতালে বিলাসী অবকাশে মগ্ন, তাদের দেখতে যাচ্ছে সাংবাদিক, বড় বড় হাসপাতালের বিট শুরু হয়েছে প্রতিটা সংবাদপত্রে।

সব দৈনিকের খবরেই দেখলাম আঘাত গুরুতর কিছু না, পড়ে মাথা ছড়ে গেছে, পিঠে আর কপালে আঘাত লেগেছে, মাথা সামান্য ফুলে গেছে, তবে সংগ্রামের হেড লাইন দেখে ভরকে গেলাম, আরে ঘটনা কি?

তারেক জিয়াকে ইসিইউতে রাখা হয়েছে নিবিড় পর্যবেক্ষণে, ৪৮ ঘন্টার আগে কিছু বলা সম্ভব না, গুজবের মাত্রা কতটা? এই একটা দৈনিক পড়েই যাবতীয় জ্ঞানতৃষ্ণা মেটানো উজবুকের কমতি নেই, তাদের সবাই জানবে আগামী ৪৮ ঘন্টার ভেতরে তারেক জিয়া মরেও যেতে পারে, এবং সংবাদটার ভেতরে জোবাঈদার উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে তাকে ৪৮ ঘন্টা পর্যবেক্ষণ করা হবে। এই ঘটনার শেষ।

সংগ্রামের দোসর নয়া দিগন্তে না কি প্রকাশিত হয়েছে তারেক জিয়া পঙ্গু হয়ে যাবে গতকাল বাথরুমে পা পিছলে পড়ে গিয়ে, শালার সাংবাদিকতা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যদি ৩ মাসের জন্য বাধ্যতামূলক বন্ধ হয়ে যায় তবে এখানের ২৮ হাজার ছাত্রের কি হবে, এখন কলা ভবনে কমবেশী ৬ থেকে ১ বছরের সেশন জট, আর বিজ্ঞান বিভাগে সেটা ১ বছর থেকে ১৫ মাস, এই ৩ মাসের অহেতুক বন্ধে হয়তো জীবন থেকে ২ বছর হাওয়া হয়ে যাবে অনেকের। অবশ্য আমাদের শাসক মহলের এতে মাথা ব্যথা নেই। তাদের ক্ষমতার ছড়ি নির্বিঘ্নে পিঠে চালাতে পারলেই তারা খুশী।

ছাত্রদলের হামলায় নিহত ব্যবসায়ীর মৃত্যু অনভিপ্রেত এবং এরজন্য দায়ী ব্যক্তিদের শাস্তির দাবি জানাই, তবে এর সাথে ছাত্র দলের নির্বুদ্ধিতার নিন্দা জানাই, তাদের এই অহেতুক আচরণের কারণেই পুনরায় কিছু মানুষ ছাত্র রাজনীতি বন্ধের দাবিতে কলাম লিখবে, তারাই শিক্ষাঙ্গনকে রাজনীতির কলুষমুক্ত রাখতে জোর দাবি জানাবে, এবং তারাই শিক্ষকদের দলীয় দুর্গন্ধা মাখা কলাম ছাপাবে, বিশেষজ্ঞের মতামত হিসেবে শিক্ষকের রাজনৈতিক বক্তব্য ছাপাবে।

ছাত্র রাজনীতি এইসব পাতি নেতাদের জীবিকার একটা উপায়, হয়তো ছাত্রদল নিজের পেটে নিজেই লাথি মারলো। এবং একই সাথে ৩ মাস বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখবার দাবিটার যৌক্তিকতাও প্রমাণ করলো।

 

 

  • ৬ টি মন্তব্য
  • ১৫৬ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১১ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৮:২১
comment by: মুকুল বলেছেন: একজন মানুষ বাথরুমে পড়ে আহত হয়েছে, এই খবরে প্রকাশ্যে একজন সাধারণ মানুষকে হত্যা শুধু এই দেশেই সম্ভব! :(
২. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৮:২৮
comment by: শান্তির দেবদূত বলেছেন: কিছুই বলার নাই :(...... সুধুই দীর্ঘশ্বাস :(.....
আজব দেশের আজব পাবলিক আমরা :(
৩. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৮:৫০
comment by: লেখাজোকা শামীম বলেছেন: হে আল্লাহ, উনারা যেন আর বাথরুমে না পড়িয়া যান। তাহলে আমরা মরিয়া যাইব।
৪. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:২৬
comment by: বোলারস ব্যাকড্রাইভ বলেছেন: আমার কথা হইল বিশ্ববিদ্যালয় খোলা থাকবো আর ছাত্রদলের ঐ নেতাগো ধইরা তারেকের লগে বাঁশডলা দিতে হইবো। হারামীর পোলারা...
৫. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১৭
comment by: রাজর্ষী বলেছেন: ভালো লাগলো
৬. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৬:২০
comment by: কঁাকন বলেছেন: সত্যি সেলুকাস!!!!!!

 

 


অনেক অনেক চেষ্টা হয়েছে ব্লগানোর বাংলা করা নিয়ে, আমার এখন ব্লগের নতুন বাংলা করতে ইচ্ছা করলো তাই দিলাম এর নাম...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ১২৪৪৩২