কথায় কথায় অনেক রকম সত্য বের হয়ে আসে, আমাদের চারপাশে নিয়মিত যাদের বসবাস তারা অনিয়ম পছন্দ করে না। তারা সকল অনিয়মকে ঘৃণা করে কিংবা অস্বাভাবিকতাকে আমরা অগ্রহনযোগ্য ঘৃণায় প্রকাশ করি সম্ভবত।
আমরা যেকোনো অস্বাভাবিকতাকে সংশয়ের চোখে দেখি, কখনও কখনও উপাস্য ভেবে নেই, কখনও কখনও করুণা করি, তবে শাররীক অসঙ্গতি কিংবা মানসিক বৈকল্যকে আমরা কতটুকু মাত্রায় গ্রহন করতে পারি? ব্যধিগ্রস্থতা কিংবা শাররীক ত্রুটিকে আমরা কিভাবে দেখি?
গতকাল বিকেলে হুট করেই বাসার চাপে গিয়েছিলাম ইফতারি কিনতে, সেই ছোটো বেলার পর ইফতারি কেনার আগ্রহ প্রতিবছর কমেছে, কমতে কমতে সেই আগ্রহ কবে যেনো মরে গেছে, এখন তেমন উদ্দীপ্ত মনে হয় না, বরং ইফতারি বাজারে যেতে হবে ভাবলেই গায়ে জ্বর আসে,
মফস্বলের ইফতারি বাজার আলাদা ছিলো, ঢাকার মতো মানুষের ভীড় তখনও ছিলো না মফস্বলে, মফস্বলের মানুষ আমি, অধিক ভীড়ে কাতর হয়ে যাই।
অবশ্য বাসায় তখন ফ্রিজ ছিলো না, আর রোজাও হতো সেই ঠা ঠা গরমের সময়, সম্ভবত মে জুন মাসে, তখন প্রতিদিন ইফতারির সময়টা একটু একটু করে পিছিয়ে যেতো, প্রতিদিন রাতে সেহেরীর সময় এগিয়ে যেতো ২ মিনিট আর ইফতারির সময় পিছিয়ে যেতো ১ মিনিট, সেহেরীর পর থেকে মনে হতো ১৫ ঘন্টা ৩১ মিনিট না খেয়ে কাটাতে হবে, এতটা ধকল কি সহ্য হবে শরীরে?
পরের দিন সেই সময়টাই দেখা যেতো ১৫ ঘন্টা ৩৩ মিনিট, দিন বড় হয়, উপবাসের সময়সীমা বাড়ে, তেষ্টায় বুকের ছাতি ফেটে যায় অবস্থায় ইফতারিতে শরবতের বাধা বন্দোবস্ত ছিলো, তেমন নামি দামি শরবত না, একটু লেবু, একটু খোর্মা সাথে বরফ।
আমার ইফতারি কেনার আয়োজন বলতে ঠিক মাগরিবের আজানের আগে আগে দৌড় দিয়ে বরফ কিনে আনা। শহরে তখন কেবলমাত্র আইসক্রীমের দোকান বসেছে, মাসুম, নুরী, রোলেক্স বেকারীর পেছনে বড় বড় বরফ তৈরি হতো তাদের বরফ কলে। সেই বরফ কল থেকে বরফের টুকরা আসতো বাজারে।
বিশাল কাঠিবিহীন আইসক্রিমের ছাঁচে তৈরী বরফের টুকরার চারপাশে লেগে থাকতো তুষ, তখনও বুঝতাম না এর উপকারীতা, শহরের শেষাংশে চাউলিয়াপট্টি, বালুবাড়ী আর রামনগরের পেছনে ছিলো কাঠকল, স মিলের কাঠের তুষ তখন মানুষ বস্তায় ভরে নিয়ে আসতো বাসায় বিকল্প জ্বালানি, তখনও এটার বাণিজ্যিক মূল্য তৈরি হয় নি, তবে রমজানেই কাঠের তুষের একটু দাম বাড়তো,
তৈরি করা বরফ ছিলো ২টা কেজি, এক কেজি বরফ কিনলে সেটা প্লাস্টিকের ঠোঙায় ভরে দিয়ে দিতো, ভেতরে অনেক তুষের গুড়া থাকতো, আমার কাজ ছিলো ইফতারীর বাজারের ভীড়ে বাজারের কোণা থেকে এই বরফ কিনে আনা,
এক ছুটে গেলে সময় লাগতো ৩ মিনিট, সেখানে গিয়ে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখতাম, কেউ কিনলো ৪ কেজি, কেউ ৫ কেজি, আমাদের ১ কেজির হিসাব তখন কেউ আমলে আনতো না। হাতুড়ি ছেনি দিয়ে বরফ ভেঙে বিক্রী হচ্ছে বাজারে, মানুষ ২ টাকায় হিমালয়ের টুকরা বাসায় নিয়ে যাচ্ছে, আমিও কিনছি, ইফতারীর আগে আগে পশ্চিমের আকাশে দেখছি, বিক্রেতাকে অনুরোধ করছি চাচা একটু তাড়াতাড়ি করেন, আজান দিয়ে দিবে,
এক টুকরো বরফ, সাথে কিছু ছোটো টুকরা, তুষে মাখামাখি কিনে রাজ্যজয় করে ফিরে আসছি বাসায়, তুষের চারপাশ ভিজে যাচ্ছে, ভেজা তুষ মুছে মা শরবতের জগে বরফ ফেলছে, এই ইফতারির দৈনন্দিন চিত্র।
হঠাৎ করেই বাসায় ফ্রীজ আসলো, এই উৎসবও বন্ধ হয়ে গেলো। তাই গতকাল যখন ইফতারীর বাজারে যাচ্ছি ছেলেকে নিয়ে, মনে পড়লো এমন ইফতারির বাজারে আমি কখনও যাই নি বাবার সাথে, একটু আক্ষেপ রয়েই গেলো, বাবার সাথে তেমন পরিচয় হওয়ার সুযোগ হলো না, তার আগেই বাবা মরে গেলো এমন কি মরে যাওয়ার আগে তার সাথে আমার ৬ মাস দেখা হয় নি। নতুন নতুন স্বাধীনতা পেলে মানুষ স্বেচ্ছাচারী হয়ে উঠে, আমিও একটা সময়ে স্বেচ্ছাচারী জীবনে সম্রাট ছিলাম নিজের রাজ্যপাটে।
ছেলের অভিধানে নতুন শব্দ যুক্ত হচ্ছে, এই রমজানে ইফতারি যুক্ত হলো, সেই সাথে কাবাব, দইবড়া, বেদানা, নানাবিধ শব্দে ভরভরন্ত তার শব্দ ভান্ডার,
ইফতারীর ভীড়ে ছেলে কানে কানে বললো চলো বাবা, বাসা যাই।
ইফতারিতে যা কিনবার ছিলো কেনা হলো না, অবশ্য কেনা হয়ে উঠবে না, ইফতারির সময়ে মানুষ কুম্ভকর্ণ হয়ে যায়, অনেক দিনের পরে জেগে উঠে পৃথিবীর ক্ষুধা নিয়ে, আমার সামনে একজন চোখের পলকেই ১৫০০ টাকার ইফতারি কিনে ফেললো, মোবাইলের কল্যানে জানা গেলো এটাই শেষ নয়, আরও কিছু কিনবার আছে।
আমার পকেটের কোনে পড়ে থাকা ৫০ টাকার ছেঁড়া নোট আগলে ইফতারির ইতরামি ছেড়ে পালিয়ে আসলাম দ্রুত। চলো বাবা বাসায় যাই, ছেলের এই আব্দার অবশ্যপালনীয় মনে হলো তখনই রাস্তায় দাঁড়িয়ে হাতাছানি দিয়ে রিকশা ডাকলাম, সামান্য একটু পথ।
ছেলের জিগীষায় বিরক্ত হতে পারি না, তার বিদ্রোহে সামিল হতে পারি না, বাসার গলিতে ঢুকবার আগেই ছেলে বেঁকে বসে, না বাসায় যাবো না, অন্য দিকে যাবো।
সেই অন্য দিকের কোনো নাম নেই, রিকশাওয়ালাও ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে থেকে থাকে, ভাই বামে গলিতে ঢুকেন।
না বামে গলিতে যাবো না, অন্য দিকে চলো।
কিছু মনে করবেন না, একটু সমস্যা হচ্ছে,
আমি রিকশাওয়ালার দিকে তাকালাম, ব্যাটা রিকশা চালচ্ছিস চালা, তোরে তো ভাড়া গুণেই দিবো, সমস্যা বলবার দরকার কি তোর?
আমার একটা পা বাসের তলায় পড়ে কেটে গেছে , হাঁটু থেকে বাদ দিতে হইছে।
এতক্ষণ খেয়াল করি নি, খেয়াল করে দেখলাম রিকশার মাত্র একটা প্যাডেল, অন্য প্যাডেলটা খোলা। বিব্রত হলাম, বললাম ভাই আপনার অষুধ শেষ হইছে?
বাংলাদেশের মানুষ অট্যন্ত পরিশ্রমি এবং সেইসাথে পরিশ্রমবিমূখ, যদি করুণায় জীবনযাপনের সুযোগ থাকে তবে পরিশ্রমী হতে তারা নারাজ, এই মানুষটাকে দেখলাম ব্যতিক্রম, একটা সুস্থ পা নিয়ে সে ঢাকা শহরের বিশ্রী যানজটের ভেতরেই রিকশা চালাচ্ছে।
রিকশায় বসে থাকাটা রীতিমতো অসহনীয় বোধ হচ্ছে, অনুশোচনায় দ্বগ্ধ হওয়া যাকে বলে, নামবার আগেই রিকশাওয়ালা বললো, এই পরিশ্রম করতে পারি না ভাই, ইচ্ছা আছে একটা দোকান দিবো, পয়সা জমাচ্ছি, যদি একটু সহায়তা করেন ভালো লাগবে।
রাস্তায় ল্যাংড়া ফকির আর ফটকা মানুষদের নিয়মিত দক্ষিণা দেওয়া সহৃদয় মানুষ আমরা। প্রতিদিন সকালেই আমি যে বাসে যাই সেখানে ল্যাঙড়া ভিখারি উঠলেই ২০ থেকে ৩০ টাকা নিয়েই নামে, তবে এই পরিশ্রমী মানুষটাকে কোনো সহায়তাই দেওয়া যাবে না, যারা করুণা নিয়ে চলতে চায় তাদের আমরা করুণা করতে আগ্রহী কিন্তু যারা পরিশ্রম করে জীবন যাপন করতে চায়, মাথা উঁচু করে নিজস্ব পরিচয়ে জীবন যাপন করতে চায় তাদের সহায়তার কোনো উদ্যোগ আমাদের নেই।
মনে হলো একটা মানবসেবামূলক প্রতিষ্ঠান হলে ভালো হতো, যেখানে এইসব পরিশ্রমী মানুষদের স্বাবলম্বী হয়ে উঠবার কাজে সহায়তা করা যেতো। সহায়তা করা গেলো না প্রাণ খুলে, পকেটের বাড়ন্ত অবস্থা,
এ গেলো এক ধরণের বৈকল্য, পরিণতিতে তফাত আছে, নিউমার্কেটের সামনে তিন পায়ে হেঁটে যাওয়া করুণা প্রত্যাশী মানুষের চেয়ে একপায়ে রিকশা চালানো মানুষ অনেক সম্মানিত এই বোধটুকু নিয়ে সকালে গল্প করছিলাম।
একজন বললো, আর বলবেন না ভাই, আমি একদিন বাসে উঠছি, একটা সীট ফাঁকা পেয়ে বসলাম, পাশে তাকায়া দেখি এক হিজরা বসে আছে, সাথে সাথে আমার শরীরটা শক্ত হয়ে গেলো।
ওকে ভয় পাওয়ার কিছু নাই আমি জানি, কিন্তু এরপরেও সহজ হতে পারলাম না।
এই কথার পরে দেখা গেলো সবারই অনেক হিজরা বিষয়ক অভিজ্ঞতা আছে, তারা মানুষের বাচ্চা চুরি করে নিয়ে যায়, যারা হিজরা তারা নিজেরাই হিজরা বসতি খুঁজে বের করে তাদের সাথে চলে যায়, হিজরাদের ভেতরে সঙ্গোপনে এই গোত্রপ্রীতি কাজ করে।
অনেক আপত্তিকর কথাও উঠে আসে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠে এক ছেলে এক হিজরার হাত ধরে ঘুরছে, এটা দৃষ্টিকটু, একটা পোলা একটা পোলার হাত ধরে ঘুরতিছে না মেয়ের হাত ধরে ঘুরতিছে বুঝা যাস্সে না। একটু মেয়েলী গড়নের , অনেক মেকাপ দেওয়া, দেখে মনে হস্সে ছেলে আবার মেয়েও মনে হস্সে, পরে দেখলাম এই কেস, ঐ ব্যাটা হিজরা। শালার ব্যাটা একটা পোলা হিজরার হাত ধরে ঘুরতেছে।
একজন বললো হিজরারা চুরি করে, ভিখ মাঙ্গে খায়, যারা হাততালি দিয়া পয়সা কামাইতে পারে তারা পরিশ্রম করবে কেনো?
আমাদের সামাজিক অনুভবগুলো অনেকটা কাছাকাছি, নেহায়েত অপরিচিত এই বৃহন্নলা গোষ্ঠী, তারাও শাররীক প্রতিবন্ধী, কিংবা বিকলাঙ্গ কিংবা যেহেতু কোনো পরিসংখ্যান পাওয়া যাচ্ছে না তাই বলতে পারছি না বিশ্বের মানুষের ঠিক কত শতাংশ এই গোত্রের অংশ।
তবে সত্য হলো এই মানুষগুল ঠিক আমাদের আশেপাশে থাকে না। আমি একজনকেই চিনতাম, রাজু, তবে সে যখন বলতো তোকে আমার ভালো লাগে, তুই আমার কথা মন দিয়ে শুনিস, অন্য সবার মতো করিস না, তখন একটু গর্বিত লাগলেও তার হাত পা ভেঙে চুড়ে কথা বলবার ভঙ্গিটা হজম করতে কষ্ট হতো,কিছুটা দুরত্ববোধ করতাম।
তার অতিরিক্ত শাররীক ঘনিষ্ঠ হয়ে আসবার বামোকে অসস্তিকর উৎপাত মনে হতো, একটু দুরত্ব বজায় রাখবার সচেতন চেষ্টাও ছিলো সব সময়।
আজ মনে হলো সামাজিক মানুষেরা বোধ হয় সচেতন ভাবেই উৎপাদনশীলতাকে পছন্দ করে কিংবা গ্রহনযোগ্য ভাবে। আমাদের সামাজিক মননে হিজরাদের অবস্থান কোথায়? যদি একটা তুলনামূলক চিত্র আঁকি, এর এক পাশে থাকবে অতিউর্বর পুরুষেরা, বাঘের বাচ্চা পুরুষ যাদের সন্তানউৎপাদনশীলতা বেশী, সঙ্গমক্ষমতাও বেশী হয়তো।
এমন পুরুষদের আমরা একটু সম্মানের চোখে দেখি, তারা তাদের এই যোগ্যতায় একটু ডাঁট নিয়ে চলে, এটা সকল সমাজেই সত্য সম্ভবত, আমার এক পরিচিত কালো ছেলে একবার গল্পের ছলে বললো, বুঝলা মেয়েরা আমার জন্য পাগল, গত রাতেই একজনের সাথে ডেট করছি, মাগী একদম ভালো না, গায়ে হাত না দিতেই অর্গাজম হয়ে যায় অবস্থা, তো চলতেছে, মাঝে মনে হইলো শালার কন্ডম না পুড়ে যায়।
পাশে দাঁড়ানো ছেলেটা একটু শূন্য চোখে বললো আমার তো এমন হয় না।
এই কতক্ষণ টিকে থাকা ভিত্তিক পুরুষত্ব ভাবনার সাথে উৎপাদনশীলতার মিলনে আমাদের পুরুষাকার গড়ে উঠে।
এর পাশেই থাকে নপুংশক, তার পাশেই থাকে আঁটকুড়া,
ঠিক অন্য পাশে অতি উর্বরা নারী, কচি বয়েসের মেয়েরা, কাকবন্ধ্যা এবং বন্ধ্যা।
তবে সামাজিক ভাবে হলেও পুরুষাকারচিহ্নিতকারী ভাবনায় পুরুষেরা নপুংশক এবং আঁটকুরাদের একটু করুণার চোখে দেখে ঘৃণা করে না মোটেও।
অন্তত সমাজের একটা অংশ তাদের করুণা করে হলেও সমাজের অন্তর্গত ভাবে, একই ভাবে বন্ধ্যা নারীরাও নারীদের করুণা পায়, একটা অংশ এই বিচ্যুতিকে গ্রহনযোগ্য মেনেই নিয়েছে। এই উৎপাদনশীলতামুখী ভাবনায় হিজরাদের অবস্থান কোথায়?
তারা না পুরুষ, না নারী, তাদের শরীর কাঠামোতে পুরুষের লক্ষণ নেই, তারা উৎপাদনশীলতার কোনো মানদন্ডেই পড়ে না। বরং তাদের সামাজিক ভাবে ঘৃনা করে নারী পুরুষ উভয়েই, তারা এই প্রকৃতির কোনো অংশের প্রতিনিধিত্ব করে না আদতে।
তাই সামাজিক প্রকাশ্য কিংবা অপ্রকাশ্য ঘৃণায় তারা নিজেদের গোত্র খুঁজে নিতে বাধ্য হয়। সমাধান খুঁজি আমরা, তারা কোনো একটা নির্দিষ্ট অঞ্চলে চলে গেলে সমস্যা হয় না আর, তারা সেক্স বদল করে মেয়ে হয়ে গেলো, কিংবা পুরুষ হয়ে গেলো, তাহলে তো এই সমস্যা আর থাকবে না। তখনই মনে হয়, এরা নিজেরা নিজেদের বৈকল্য বুঝে উঠবার আগেই সামাজিক ভাবে চিহ্নিত হয়ে যায়, তাদের উপরে এই সামাজিক চাপ সব সময়ই থাকবে , মানুষ একটা পরিচয়ে স্থিতু হয়ে যাওয়ার পরে সেই ভাবনা থেকে সরে আসতে পারে না। যতই শৈল্যকারিগরী হোক না কেনো, যে মানুষটা পূর্বে হিজরা ছিলো, তার সামাজিক পরিচয়ে সেটা অমোচনীয় কালিমা। সেই কালিমা মুছে আমরা অন্য পরিচয় মেনে নিতে পারবো কি?
তাই তারা সামাজিক মানুষের অংশ হয়ে উঠতে পারে না কোনো দিন, তারা রাস্তায় দাঁড়িয়ে হাততালি দিয়ে বলে
এ্যাঁই ১০টা টাকা দিয়ে যা না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

