somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভার্চুয়াল মুক্তিযুদ্ধ- তুই রাজাকার -

০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:১৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অন্তর্জালে আসবার পর থেকেই ভার্চুয়াল মুক্তিযুদ্ধ দেখছি প্রতিদিনই। পরিস্থিতি অনেকাংশে সহনশীল এখন, পূর্বের মতো অতিরিক্ত শিবিরের উঠতি পোলাপাইন এখন এখানে তেমন স্বাধীনতাবিরোধী প্রচারণা চালায় না। সম্মিলিত সচেতনতা এবং ঐক্যবদ্ধতায় কিছু কিছু ব্লগারের ধারাবাহিক তৎপরতায় এটা ঘটেছে। তাদের সবাইকেই সম্মান করছি অন্তত নিরবিচ্ছিন্ন প্রতিরোধে একটা ওয়েব সাইটে এই যুদ্ধে জয়লাভের জন্য।

মূলত এই জয়ী হয়ে যাওয়ার পরে, কোনো সম্মুখশত্রু না থাকবার পরিণতিতে পরিস্থিতি এখন আরো ঘোলাটে। যুদ্ধংদেহী মানুষেরা সামান্য সংশয়েও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাসমেত লাফিয়ে পড়ছেন নাঙ্গা তরবারী নিয়ে মন্তব্যযুদ্ধে। শেষ পর্যন্ত বিষয়টা ব্যক্তিগত আক্রোশ প্রকাশের জায়গাতে গিয়ে সমাপ্ত হচ্ছে। আজ বিষয়টা ব্যক্তিগত পর্যায়ের হানাহানিতে শেষ হলো ,রহমান হেনরি একটি পোষ্ট দিয়েছিলেন, সেটা কতৃপক্ষ কিংবা রহমান হেনরি মুছে দিয়েছেন। সেটার ফলশ্রুতিতে একটা অহংবোধের লড়াই শুরু হয়েছে রাঙা মিয়ার পোষ্টে। কে কার চেয়ে বেশী মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি এটা প্রমাণের জন্য পরস্পরের মুখোশউম্মোচন প্রক্রিয়ায় গিয়ে কাদা ছোড়াছুড়ি চলছে এখানে।

কে কার চেয়ে বড় স্বাধীনতাকামী স্বাধীনতার সপক্ষের মানুষ এটা প্রমাণের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, হয়তো আমার ধারণা, হলোকে কতবেশী বিবেচক এটা প্রমাণের প্রচেষ্টা। লক্ষ্য মূলত একটাই স্বাধীনতার ইতিহাসের বিকৃতি রোধ করা এবং স্বাধীনতার লক্ষ্যকে অবিকৃত রেখে একটা বসবাসযোগ্য বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। বাস্তবের পৃথিবীতে বাংলাদেশ এখনও বসবাসঅযোগ্য একটা ইসলামোফোবিয়া আক্রান্ত দেশ। তবে মুখোশ খোলা, মুখোশ বন্ধ এইসব ব্যক্তিগত অহংবোধের জায়গা থেকে দেখে কার কতটুকু উপকার হয়?

অনেক দিন ধরেই এই প্রশ্নটা ঘুরপাক খাচ্ছে ভেতরে। শেষ পর্যন্ত ব্লগ এবং এখানে একাউন্টে সমর্পিত লেখাগুলো ডায়েরির পাতাই, সেখানে প্রিয় বন্ধুর নামেও কুৎসা লিখা থাকতে পারে, ব্যক্তিগত সম্পর্কে এর প্রভাব পড়তেও হয়তো পারে ব্যক্তিগত ঘনিষ্ঠতার জায়গা থেকে দেখলে।

কিন্তু অহেতুক অহংয়ের মত্ততা কেনো? আপনি স্বাধীনতাকামী, স্বাধীনতার সপক্ষের মানুষ, বিষয়টা আপনার নিজস্ব অভিমান, অহংকারের জায়গা। ব্লগে এই নিয়ে কথার তলোয়ার দিয়ে ঢিসুম ঢিসুম ভিস্কাও ভিস্কাও করে কতটুকু প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায় স্বাধীনতার চেতনা?

যেই জায়গাটাতে অবদান রাখা সম্ভব সেটা নিজস্ব পরিমন্ডলের বাস্তব ভুমিতে সেখানে কে কতটুকু হৃদয়বান, কে কতটুকু হৃদয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধরে রাখে এটাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠা উচিত ছিলো আমার বিবেচনায়।

অহেতুক কুৎসা রটনা, এসবের প্রচার এবং প্রসারের বিপরীতে কিছু বাস্তব জীবনে করা উচিত। আজ এই ওয়েব সাইট নিষিদ্ধ ও রাজাকারমুক্ত হলো, রাজাকার সবগুলো নিক ব্যন হলো, তাতে কি এই বিশাল ভার্চুয়াল জগতে তাদের লিখবার এবং প্রকাশের জায়গাটা বন্ধ হয়ে যাবে?

মেনে নিলাম বাংলাদেশের স্বাধীনতার চেতনাধারণকারী ব্লগগুলোতে এইসব শিবিরের উৎপাত শেষ হয়ে গেলো কোনো এক অলৌকিক উপায়ে, কথার কথা আদতে এটা, এরপরও কি মানুষের অনেক ভেতরে লুকিয়ে থাকা ধর্মীয় বোধ এবং আত্মীয়তার টান মুছে ফেলা সম্ভব। মানুষের নিজস্ব ভাবনার জগতে যে বৈপিরিত্ব এবং কলুষতা সেটা কি মুছে ফেলা সম্ভব। এখনও অনেক প্রবীনই এই মত ধারণ করে- ৪৭এ দেশ ভাগ তাদের সবকিছু কেড়ে নিয়েছে, তারা এই দেশভাগ চায় নি। তারা অনেক কিছু হারিয়েছে তাদের জীবনে, তাদের এই কষ্ট কিংবা আক্ষেপ মুছে ফেলা সম্ভব নয়।

তারা এই বাংলাদেশে বসেই তাদের শৈশবের ভারত উপমহাদেশের অস্তিত্বকে পুনরায় উজ্জীবিত হতে দেখতে চায়। ভারতে চলে যাওয়া বাংলাদেশী হিন্দুদের অনেকেই এই ক্ষত পুষে রাখে। এইসব টানের বিপরীতে কিছু মানুষ তাদের যৌবনে পাকিস্তানের জন্য লড়াই করেছে, তাদের জীবনের স্বপ্নের নাম পাকিস্তান,যেমন মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করা মুক্তিযোদ্ধা যুবক তরুন প্রজন্ম বাংলাদেশের জন্য লড়াই করেছেন।

যুবক এবং প্রৌঢ়ের এই জেনারেশন গ্যাপে স্বপ্নে মোহে থাকা অধিকাংশ পাকিস্তান যোদ্ধাদের এই উপলব্ধিই হয় নি যে এই স্বাধীনতা আদতে তাদের চাওয়া স্বাধীন পাকিস্তানের স্বাধীনতা নয়। তবে পাকিস্তানের মোহ তারা কাটিয়ে উঠতে পারে নি।

তেমন ভাবেই নিষ্পেষিত এবং শোষিত পুর্বপাকিস্তানের যুবকেরাও বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরেও উপলব্ধি করে নি সর্বাংশে যে তারা যে বাংলাদেশটা দেখছে এই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তির লড়াই তারা করে নি। তবে কেউ কেউ হতাশায় ভুগেছে, কেউ কেউ আত্মহত্যা করেছে, ক্ষয়ে যাওয়া তারুণ্যের অবসাদ বাংলাদেশ দেখেছে। আদর্শ হারিয়ে উদভ্রান্ত যৌবন বাংলাদেশ দেখেছে, সেইসব যুবকেরা এখনও বৃদ্ধ। তারা এখনও আক্ষেপ করে এই বাংলাদেশ তারা চায় নি কখনও। তারাও পরিবর্তন চায়।

বাংলাদেশ পরিবর্তিত হোক এটাই সবার চাওয়া। মুক্তিযুদ্ধে সম্মানিত হামিদুল্লাহ যখন জামায়াতের রাজনীতিতে যুক্ত হয় তখন সেটা কোনো এক নিজস্ব স্বার্থচিন্তা থেকেই ঘটে। এমন স্বার্থচিন্তার খপ্পরে পড়ে মূলত স্বাধীনতার লক্ষ্যবিচ্যুত হয়ে আছি।

অসম্মানিত হীনমন্যতার অভিশাপ বয়ে নিয়ে বেড়ানো বাংলাদেশের ক্ষয়িষ্ণু আত্মসম্মান যদি এর সম্পূর্ণ ইসলামী করণে সম্ভবপর হতো তবে বাংলাদেশের মানুষ এটাই মেনে নিতো। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ ইসলামি বাংলাদেশের কাঠামো এখনও মেনে নেয় নি। তবে একই সাথে এটাও সত্য- যাদের বচনামৃতে আমরা স্বাধীনতা দেখি, আমাদের মাননিয় লোলচর্ম বৃদ্ধবুদ্ধিজীবি তাদের স্বার্থপরতা এবং লেজুরবৃত্তি এবং অন্ধত্বের কুফলও ভোগ করছি আমরা।

আদর্শচ্যুত কবি আল মাহমুদ বখে যাওয়া কবিদের মতোই একাত্তরের করুণ সুর গেয়ে দিব্যি মেয়ে নিয়ে ফুর্তিফার্তা করেছেন। তবে একই অভিযোগ অনেকের বিরুদ্ধেই আছে। তারাও সীমান্তের অনেক দুরে থেকে পারস্পরিক আড্ডায় চায়ের কাপ চুমুক দিয়ে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ করেছেন এবং সুবিধালোভি এবং সুবিধাভোগী এইসব পাপোষ মানুষেরাই একদিন বাংলাদেশে এসে বাংলাদেশের স্বাধীনতার রুপরেখা নামক প্রচারনা চালিয়েছেন।

তাদের পারস্পরিক কাদা ছোড়াছুড়ি, একে গ্রহন তাকে বর্জন, তাদের তাবেদারী, তাদের তহবিল তছরুপ এবং তাদের নিজের পকেটে টু পাইস মিলে মিশে একটা জঘন্য স্বাধীনতা যুদ্ধের নয় মাসের গল্প আমাদের সামনে উঠে আসছে।

এক কোনোটাই মিথ্যা নয় আবার কোনোটাই সর্বাংশে সত্য নয়। ব্যবহারযোগ্যতা বিবেচনা করলে এই ব্যবহারবিধিটা রাজনৈতিক। ইসলামিক বাংলাদেশের স্বপ্ন আমি দেখি না এমন কি এতে আমি বাংলাদেশের কোনো মঙ্গল দেখি না। তবে আমার এই দেখা এবং না দেখা, আমার ধর্মীয় চাদরের অন্ধকারে ঢেকে যাওয়া বাংলাদেশ না দেখতে চাওয়ার সক্রিয় অবদান এখানে শিবির পোন্দানো কিংবা যা তোর মাকে চুদি, তুই বেজন্মার জাত বলে শেষ হয়ে যায় না। এইসব আমলনামায় বড় কিছু যোগ করে না। ভার্চুয়ালী আজ এই সাইটে ওকে ব্যন করা হলো, তাকে ব্যন করা হলো, ব্লগস্পটে গিয়ে শিবিরের গ্রুপকে ব্যন করবে কারা? কারা প্যাঁচালিতে গিয়ে এদের ব্যান করবে।

আমরা তথাকথিত স্বাধীনতা যুদ্ধের ভার্চুয়াল যোদ্ধারা সামহোয়্যার রণাঙ্গনে নেচে কুদে বিনোদন দিচ্ছি, এ তার হোগা মেরে ফাটিয়ে ফেলছি তার মায়ের ভোদার ভেতরে ঘোড়ার আস্তাবল বানাচ্ছি। একে রাজাকার তাকে স্বাধীনতাবিরোধী উপাধি দিচ্ছি- এবং শেষ পর্যন্ত অন্তর্কলহে লিপ্ত হচ্ছি। আজ সবার মুখোশ খুলে দিবো, সবাই ওদের মুখোশ চিনে রাখুক জাতীয় আচরণও আদতে অন্তর্কলহের নিদর্শন।

অহংবোধের লড়াই এবং পারস্পরিক ধাক্কাধাক্কিতে মূলত এই ফোরামকে স্বাধীন বাংলাদেশের ভুখন্ড বানিয়ে রাখা যাবে না দীর্ঘ ক্ষণ। বাংলাদেশের সামাজিক রাজনীতিতে যেভাবে ইসলামবাদ ঢুকেছে, তার প্রতিফলন এখানে ঘটবে। আজ দশজনকে রাজাকার বলা হবে। তাদের ব্যন করা হবে। পরের সপ্তাহে আরও দশ জন আসবে। এইভাবে আসতেই থাকবে বছর বছর। প্যাট্রোলিং করে কতদিন অনুপ্রবেশ রদ করা সম্ভব। মাঠপর্যায়ের সক্রিয়তা ছাড়া, এইসব রোবট এবং গাইডেড ধার্মিকদের নিজস্ব অন্ধত্ব মাঠপর্যায়ে প্রতিরোধ না করলে এই অন্তর্জালিক লড়াইয়ে জয়ী হওয়ার সম্ভবনা কম। আমি বলবো একেবারেই নেই।

জামায়াত শিবিরদের রাজনৈতিক ভাবে প্রতিহত করে রাজনৈতিক ভাবেই নিশ্চিহ্ন করতে হবে। সেই যুদ্ধে জয়ী হতে পারলে অবশেষে সেদিন আসবে যেদিন এই লড়াই সমাপ্ত হবে। তখন সেইসব ভারতের প্রেমে মশগুল বৃদ্ধদের মতো কতিপয় প্রাক্তন জামাতীদের মগজে এইসব ইসলামী বাংলাদেশের স্বপ্ন হয়তো আমৃত্যু থেকে যাবে কিন্ত অবসরের জাবর কাটবার মতোই তারা এইসব স্বপ্ন দেখে আত্মপ্রসাদের ভুগবে এবং নিজের ভেতরে এই বাসনা নিয়ে কবরে যাবে-

তবে এটা সম্ভবপর হবে যদি আমরা জামায়াতকে রাজনৈতিক পর্যায়ে প্রতিহত করে তাদের নিশ্চিহ্ন করতে পারি।

অন্তর্জাল ঠিকানা নিবন্ধন করতে পয়সা খুঁজে, এখানে কোন ওয়েব সাইটের কনটেন্ট কি হবে এটা নিয়ে ভাববার সময় কোথায়? মেজর ডালিমেরলেখা অন্তর্জালে ছড়িয়ে আছে। এই লেখাগুলোকে সম্পূর্ণ মুছে ফেলা সম্ভব? বিশাল অন্তর্জালিক জগতে কোথায় কে কোন স্বাধীনতাবিরোধী বাক্য কিংবা নিবন্ধ লুকিয়ে রেখে সেসব খুঁজে খুঁজে মুছে ফেলানো রীতিমতো অসম্ভব একটা প্রয়াস। সুতরাং আমাদের বিকল্প একটা উপায় নির্ধারণ করতে হবে। এবং এই বিকল্প উপায় নির্ধারণ করবার দক্ষতার উপরে নির্ভর করে আমাদের চুড়ান্ত বিজয়।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:২৪
১৮টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৪৩


মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?

লিখেছেন হিমন, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৫০

হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×