আমার প্রিয় পোস্ট

অতি দক্ষ মিথ্যুক না হলে সত্যবাদিতা উৎকৃষ্ট পন্থা

ইশ্বরের অস্তিত্ব প্রসঙ্গে বাখোয়াজী।

০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৪২

শেয়ার করুন:                   Facebook

আস্তিকরা দাবী করে 'সৃষ্টিকর্তা আছে'।
নাস্তিকরা দাবী করে 'সৃষ্টিকর্তা নাই'।
---------------------

সৃষ্টিকর্তা আছে কি নাই তা শক্তিশালী কোন যুক্তি বা বিজ্ঞান দিয়ে কখনো প্রমাণ করা যায়নি।
----------------------------------------------

মূল প্রশ্ন ইশ্বরের অস্তিত্বের প্রশ্ন, ইশ্বর আছেন কি নেই এই বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার পন্থা আদতে কি হতে পারে? অনেক ভাবেই আলোচনা শুরু করা যায়। অনেক ডালপালা মেলবে আলোচনা, যৌক্তিকতার ভিত্তিতে আলোচনার অবসানে আমার নিজস্ব অভিমত কারোই আদর্শিক এবং বিশ্বাসের অবস্থান পরিবর্তন হবে না। তবে মূলত কাউকে অভিভুত করবার জন্য যুক্তি সাজানো নয়- মূলত আলোচনা করবো বলেই আলোচনা করা-

------------------------------------

ঈমানের শর্ত আছে কিছু- আস্তিকতার শর্ত ইশ্বরের অস্তিত্বে নিঃশর্ত বিশ্বাস স্থাপন। সেই সূত্রেই ইশ্বরের কারসাজি এবং কারিগরির উপরেও বিশ্বাস স্থাপন করাটা আস্তিকতার একটা শর্ত হয়ে দাঁড়ায় ।

ইহুদী, খ্রীস্টান কিংবা ইসলাম সব ধর্মেই নিশ্চিত করে বলা হয়েছে ইশ্বরই এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি করেছেন, নির্দিষ্ট কয়েকটি দিনে, নির্দিষ্ট কয়েকটি উদ্দেশ্যেই এই মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়েছে।

আপাতত এখানে দাঁড়িয়ে আলোচনা করা যায়, মহাবিশ্ব সৃষ্টি এবং একে পরিচালনা এবং একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যমুখী করবার জন্য কোনো ইশ্বরের প্রয়োজন রয়েছে কি না?

যদিও এটা ইশ্বরের অস্তিত্ব এবং অনস্তিত্বের প্রশ্নকে মহাবিশ্বের সূচনার পূর্বের বিষয় বলেই ধরে নেবে। অর্থ্যাৎ একবার সৃষ্টি হয়ে যাওয়ার পরে মহাবিশ্বের অভ্যন্তরে ইশ্বরের কোনো প্রভাব নেই। মহাবিশ্বের ভেতরে ইশ্বর লুকিয়ে আছেন- ইশ্বর লুকিয়ে আছেন তার সৃষ্টির ভেতরে জাতীয় মতবাদ অখন্ড ইশ্বরের ধারণাকে ব্যহত করে বলেই পরিত্যাজ্য।[ যদি কেউ বিভাজিত ইশ্বরের অস্তিত্বকে মেনে নিতে আগ্রহী হয় তবে আস্তিকতার যুক্তি অনুযায়ী বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতেই বলতে পারো ইশ্বর নিজেই বিভাজিত হয়ে বিভিন্ন শক্তিরূপ ধারণ করে মহাবিশ্বের ভেতরেই সমাহিত রয়েছেন]

ইশ্বরের অস্তিত্ব তার সংবেদন, তার অনুভুতি- আমরা যেভাবে নিজস্ব পরিমন্ডলে অনুভব , প্রতিক্রিয়া ,সংবেদন নামক বিষয়গুলোকে বৈজ্ঞানিক ভাবে চিহ্নিত করি সেই পর্যায়ে আলোচিত হওয়ার যোগ্যতা রাখে না। ইশ্বরের সংবেদনশীলতার অন্য কোনো পরিমাপ হয়তো বিদ্যমান যা বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় অনুভুত হয় না।

যদিও অস্তিত্বের প্রমাণ কিভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব এ নিয়ে একটা আলোচনা করা যায়।
দৃশ্যমান হওয়ার অন্য একটি শর্ত হচ্ছে তাকে প্রতিক্রিয়া দেখাতে হবে, ইশ্বরের ক্রোধের প্রতিক্রিয়ায় যেভাবে ধর্মগ্রন্থে বর্ণিত আছে বিভিন্ন জনপদ ধ্বংস হয়েছে। সুতরাং ইশ্বরের অস্তিত্ব একটা সময় পর্যন্ত ছিলো। বইয়ের বক্তব্য সত্য মেনে নিলে এমনটাই ধরে নিতে হয়।

পুঁথির বক্তব্য ধরে নিলে এটাও ধরে নিতে হয় ইউনুস নবী সরাসরিই বেহেশতে গিয়েচিলেন আজরাইলের সাথে বন্ধুতার কারণে। এবং এখানেই আদতে অস্তিত্ব এবং অনস্তিত্বের প্রমাণের জায়গাটা চলে আসে।

পূঁথি নির্ভরতায় আমি নিশ্চিত বলতে পারি, পৃথিবীতে মানুষ সৃষ্টি হওয়ার আগেই বেহেশত দোজখ নির্মিত হয়েছে, ইডেনে ইশ্বরের বাসস্থান।সুতরাং ইশ্বরকে খুঁজে পাওয়া না গেলেও তার বাসস্থান খুঁজে পাওয়ার একটা সম্ভবনা থেকেই যেতো।

আপাতত বেহেশত দোজখের অস্তিত্ব কিংবা এমন কোনো স্থাপনার অস্তিত্ব বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমাণিত নয়। যতটুকু হাবল দেখে তার পরিসীমায় এমন কোনো স্থাপনা নেই যা পূঁথি বর্ণিত বেহেশত দোজখের ধারণাকে প্রতিষ্ঠিত করে।

------------------------------------------------------------------

বর্তমান মহাবিশ্ব পরিচালনা করা কিংবা এটার সৃষ্টির পেছনে ইশ্বরের কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ প্রভাব নেই। মহাবিশ্ব প্রসারিত এবং বিকশিত হওয়ার কোনো পর্যায়েই ইশ্বর কোনো ভুমিকা রাখতে পারেন না। ইশ্বর প্রাকৃতিক নিয়মের দাসত্বশৃঙ্খলে বন্দী। তার কোনো কিছু পরিবর্তন করতে চাওয়ার বিষয়টাও প্রাকৃতিক জগতে চিহ্ন রেখে যাবে যা পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব।

মুলত মহাবিশ্বকে পর্যবেক্ষণ করে এখনও বেহেশত দোজখ নামক ইশ্বর ও ফেরেশতাদের আবাসস্থলের খোঁজ পাওয়া যায় নি। সুতরাং এই মহাবিশ্বে আমাদের পর্যবেক্ষণসীমা যেখান থেকে আলোর গতিতে আসলেও ২০০০ বছরের ভেতরে পৃথিবীতে পৌঁছানো সম্ভব এমন নিকট দুরত্ব থাকা আমাদের মিল্কি ওয়েতে কোনো স্থাপনার অস্তিত্ব পাওয়া যায় নি।

-----------------------------------------

মুসা ইশ্বরকে সরাসরি দেখতে পারেন নি, তবে তার তেজের প্রভাবে পর্বত পুড়ে যায়। মুহাম্মদ ইশ্বরকে সরাসরি পর্যবেক্ষণ করেছেন। তাওরাতকে সত্য ধরে নিলে, অর্থ্যাৎ তাওরাতের গল্পগুলোকে সত্য মেনে নিলে তাদের দাবিকেও সত্য মেনে নিতে হয়। মুসার কারণেই এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি ও বিকাশ। মোহাম্মদ নিজের গুরুত্ব আরও বর্ধিত করবার কারণেই মিরাজের নিঁখুত মিথ্যা গল্প সাজিয়েছিলো।
কথা চলেই আসে, বিজ্ঞান তো মেনেই নিয়েছে আলোর গতিতে চলমান সকল বস্তুর জন্যই সময় স্থির। এই সত্য প্রতিদিনই প্রমাণিত হচ্ছে গবেষণাগারে। সুতরাং মুহাম্মদের মিরাজ সম্পর্কিত গল্পগুলোকে কেনো গাঁজাখুরী বলা হবে। এমনও হতে পারে মুহাম্মদ সত্যি সত্যিই ইশ্বরের সান্নিধ্যে এসেছিলো।

মুলত এখানেইএকটা গলদ ধারণা রয়ে যায়। যেসব বস্তুর ভর রয়েছে সেসব বস্তু কোনো সময়ই আলোর গতিবেগ অর্জন করতে পারবে না। বরং তার অতিক্রান্ত দুরত্ব তার কক্ষপথ কিংবা গতির দিক পরিবর্তনের সাথে সাথেই সময়ের তীর বদলে যাবে। বিষয়টা আরও বেশী গাণিতিক হয়ে উঠবার আগেই বিষয়টাকে স্থগিত রাখি এই পর্যায়ে।

যখন মিরাজ হয় তখন বদনা থেকে পানি গড়ানো শুরু করেছিলো, এবং মিরাজের অবসানেও মুহাম্মদ ফিরে এসে দেখলো বদনার পানি গড়িয়ে গড়িয়ে পড়ছে। অতিক্রান্ত সময়ের পরিমাণটা সীমিত। এই সীমিত সময়ে কতদুর ভ্রমন করা সম্ভব? কতদুর গিয়ে দুই রাকাত শোকরানা নামাজ আদায় করা সম্ভব। বায়তুল মোকাদ্দাসে গিয়ে সেখানে নামাজ পড়বার সময়ও মোহাম্মদ স্থির। সুতরাং নামাজের সময়টাতে কোনো আপেক্ষিকতার তত্ত্ব খাটছে না।

-----------------------------------------------------
তবে সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বকে নাকচ না করে দিয়ে এই বক্তব্যগুলো শুধুমাত্র এই মহাবিশ্বের সসীমতায় ইশ্বরের উপস্থিতিকেই নাকচ করে, যেমন ভাবে নাকচ করে তার নির্মিত আবাসস্থল এবং সেখানে গুনগান গাইতে থাকা ফেরেশতাদের উপস্থিতির বিষয়টাকে।

 

 

  • ৩৫ টি মন্তব্য
  • ৫০৭ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২১ জনের ভাল লেগেছে, ১১ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৪৩
comment by: বিডি আইডল বলেছেন: বাকোয়াজ
০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৪৭

লেখক বলেছেন:

কথা সত্য-

২. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৫১
comment by: সত্যেন্দ্র ছাতু বলেছেন: কঠিণ লেখা।
৩. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৫৭
comment by: জাতিশ্বর বলেছেন: দ্বিতীয় প্যারার দেড় লাইনের মাজেজা যা বুঝি :

শক্তিশালী কোন যুক্তি বা বিজ্ঞান দিয়ে যেহেতু 'আছে' প্রমান করা যায় নাই, অতএব 'নাই' বলার মধ্যে কোন ত্বাত্ত্বিক বিচ্যুতি নাই।

যেহেতু 'আছে'প্রমান করার ক্ষমতা শক্তিশালী ক্ষমতাসীনদের হাতে ছিল/আছে,তার পরও যখন হয়নি,সুতরাং পরের কোটি বাক্য মূল্যহীন।
৪. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৫৮
comment by: নিরক্ষর বলেছেন: ইহা একটি বোকাইম্যা রচনা বলে মাইনাচ প্রদান করছি।
৫. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৩১
comment by: আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

আলোচনায় মজাক পাইছি । চলুক ।
৬. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৩৩
comment by: বাফড়া বলেছেন: প্লাস দিয়া মন্তব্য শুরু করি।

===
''অনেক ডালপালা মেলবে আলোচনা, যৌক্তিকতার ভিত্তিতে আলোচনার অবসানে আমার নিজস্ব অভিমত কারোই আদর্শিক এবং বিশ্বাসের অবস্থান পরিবর্তন হবে না। ''

এই কথাটা একশ কথার এক কথা। এইটা কেউ বুঝতে চায়না। আপন্নে নামী ব্লগার, আপনার কথা অনেকে মানলেও মানতে পারে
===

''সৃষ্টিকর্তা আছে কি নাই তা শক্তিশালী কোন যুক্তি বা বিজ্ঞান দিয়ে কখনো প্রমাণ করা যায়নি।''

এইটাও কথা সত্যি। তয় আমি যেহেতু আস্তিক তাই আমর চেষ্টা থাকবে উনার অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য। অথচ এইটা ''যুক্তি বা বিজ্ঞান দিয়ে '' প্রমাণ করা যায় না দেইখাই তো চুপ থাকিরে ভাই। নাইলে তো পোস্ট দিতাম ডজন খানেক (কে জানে প্রমাণ করার কারণে নোবেল ও পাইতাম ডজন খানেক)।

তবে কোথাও জানি শুনছিলাম ফিলোসফিতে যে পজিটিভ/অ্যাফার্মেটিভ প্রপজিশন দেয় , প্রমাণের দ্বায়িত্ব তার; যে নেগেটিভ প্রপজিশন দেয় প্রমাণের দ্বায়িত্ব তার না। এমন হলে কিন্তু ইশ্বরের অস্তিত্ব প্রমাণের দ্বায়িত্বটা কিন্তু আস্তিকদের উপর যায়, নাস্তিকদের উপর যায়না, তারা অস্তিত্ব অস্বীকার করলেও না।
===

ধর্মে কিন্ত আরও অনেক প্যাচ আছে... যেমন আপনে কইতে পারেন ঐ যে সাইকো টা ঐ দিন স্কুলে ধুইকা ১৫/২০ টা পুলামাইয়ারে মাইরা ফেলল, ঈশ্বর বা আল্লাহ চাইলে কি বন্ধকরতে পারতো না? হের মাইন্ড চেইন্জ কইরা দিতে পারত না? তখন কোরানের আলোকে বলা হইব দেখ মানুষরে আশরাফুল মাখলুকাত বানায়া ছাড়া হইছে। তার উপর যদি কন্ট্রোল ই রাখা হয় , তাইলে সে আর সৃস্টির সেরা জীব থাকে কেমনে? তাই মানুষ যা ইচ্ছা করতাছে,ইশ্বর কোন ইন্টারফিয়ার করেন না। এই রকম কইরা কিন্তু খারাপ কাজ, ইত্যাদির ব্যাপারে ঈশ্বরের ইন্যাক্টিভিটি টা জাস্টিফাই করা হয়া গেছে। অহন এই রকম প্যাচ খেলায়া উনার অনস্তিত্বর ব্যাপারে উনি প্রশ্ন করার পথ বন্ধ কইরা দিছেন। কি আর করা আস্তিক যখন তাই মাইনা নিয়া অপেক্ষায় আছি হাশরে কার কি হালত হয় দেখার জন্য

০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:০৪

লেখক বলেছেন: ধরে বান্ধে কাউকে যেমন আস্তিক বানানো যায় না, পিটায়াও কাউকে নাস্তিক বানানো যায় না। বরং এইসব প্যাঁচাপ্যাঁচির জায়গায় গিয়া মানুষের ধর্মানতি এবং ধর্মীয় দলবদ্ধতা বাড়ে।

আস্তিক ঐক্যসংস্থা এবং নাস্তিক ঐক্য সংস্থাও তৈরি হয়। এইসবের সাথে রাজনীতি থাকে। মূলত এই সংহতি, অনৈক্য এইসব প্রক্রিয়ায় ধর্মবিদ্বেষ যেমন বাড়ে তেমন ধর্মভক্তিও বাড়তে থাকে।

আস্তিক-নাস্তিক লড়াইটাতে যুথবদ্ধতার জায়গাটাতে তাবলিগী জামাতবিদ্বেষী বান্দাও যুক্ত হয়, জামায়াতমনোভাবসম্পন্ন মানুষেরাও যুক্ত হয়, একই ভাবে জামায়াত বিদ্বেষী আস্তিক মানুষেরাও যুক্ত হয়।

নাস্তিকদের ভেতরেও একই ধরণের ঐক্যবদ্ধতার একটা দাবি উত্থাপিত হয়েছে। তারাও না কি কার্যকরণ না বুঝেই আস্তিকদের বিরোধিতাকারী নাস্তিকদের সমর্থন জানায়। প্যাঁচের শেষ নাই।

৭. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৩৫
comment by: অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: আমি একটা শর্ত দিলাম, ঈশ্বরের টিকে থাকা না থাকা একটা সমাজরাজনৈতিক প্রপঞ্চ। আমার শর্ত আস্তিকদের শর্তের চাইতে শক্তিশালী কেননা এটা বিশ্বাস করতে হয় না এটা যুক্তি দ্বারা বিবেচনা যোগ্য। মানুষের বিশ্বাস মনুষ্য বিবেচনা দ্বারা নির্ধারিত।
আমি তো এর মধ্যেই ঈশ্বরের চাইতে শক্তিশালী, তবে কোপা দেয়া অণ্ধ মুজাহিদ কর্মী বা ধর্মীয় রাজনীতির চাইতে নই। যারা এই রাজনীতি করেন তারাও এটা ভালো বুঝেন, তাদের কাছে ঈশ্বরের ধারণার মত হটকেক আর কোনকালেই কিছু ছিল না।
অত্যন্ত মজার পোষ্ট। ভালো লাগলো।
৮. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৩৫
comment by: সাদাকালোরঙিন বলেছেন: নাই কাজ তো খই ভাজ .....নিম্নমানের রচনা।
০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৪০

লেখক বলেছেন: কথা সত্য-

৯. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৪৬
comment by: প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: লেখকের খপর কি?
০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৪৮

লেখক বলেছেন: সাপের খোলস ছাড়ার মতো শরীরের চামড়া খুলে খুলে যাচ্ছে। আপাতত খবর এইটুকুই।

১০. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:০০
comment by: শয়তান বলেছেন: আপাতত বিশ্বাস দিয়াই ঈশ্বরের অনস্তিত্বে আছি :)
১১. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:০০
comment by: প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: তাইলেতো নয়া চাম্রা বাইর হবে... :)
এইডা কিন্তু ভালা...
শীতের পাতা ঝড়ানোর পর বসন্তের নতুন পাতা ...
বড়ই সৌন্দর্য্য
০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:০৬

লেখক বলেছেন: বসন্ত আইতাছে না এই নিয়াই ব্যপক সমস্যায় আছি।

চিকেন পক্স ছুঁয়ে যাওয়ার পরে আর কোনো বসন্ত আইলো না জীবনে।

১২. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:০৭
comment by: স্টিংরে বলেছেন: অনেকের লুঙ্গির নিচে ধর্ম লাফ মেরে উঠছে দেখতেছি।
১৩. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:১০
comment by: নূহান বলেছেন: হ,
১৪. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৩২
comment by: মাহিরাহি বলেছেন: ঈশ্বরের অনস্তিত্বের এত সহজ সরল যুক্তি থাকার পরও পৃথিবীর প্রায় সব মানুষই ঈশ্বরে বিস্বাস করে। খুবই আফসোস নয় কি?

হাজার বছর ধরে বিদ্যান মানুষেরা ঈশ্বরের জারীজুরি ফাস করে দেবার জন্য কত যুক্তি প্রমান হাজির করেছে, তবুও মানুষ ফেরে না।

এই জায়গায় ঈশ্বর জিতে গেছেন নয় কি?

আমার বিশ্বাস আপনারা মত বিদ্যান শতে একজন হয়। শেষ পর্যন্ত পৃথিবী বোকাসোকা মানুষেই বোঝাই হয়ে থাকবে। আর তাই শেষ পর্যন্ত জয়টা ঈশ্বরেরই হবে।
০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৫০

লেখক বলেছেন: বোকাসোকা হয়ে থাকাই ভালো আসলে, নিজের উপরে এত চাপ নেওয়ার কোনো কারণ নেই।

ইশ্বর বিশ্বাসের কাঠামোতে ইশ্বরের থাকবার প্রয়োজনীয়তা আছে বলেই মানুষ এত প্রমাণের ধার না ধেরেই বিশ্বাস করছে। সংশয়ী মানুষের সংখ্যা কম।

১৫. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৫২
comment by: বাফড়া বলেছেন: ''ধরে বান্ধে কাউকে যেমন আস্তিক বানানো যায় না, পিটায়াও কাউকে নাস্তিক বানানো যায় না। বরং এইসব প্যাঁচাপ্যাঁচির জায়গায় গিয়া মানুষের ধর্মানতি এবং ধর্মীয় দলবদ্ধতা বাড়ে'

সেইটাই দেখতাছি... শুধুই ধর্মীয় (অধর্মীয়ও বটে, খিকজ) দলবদ্বতা বাড়ে!!

====

''নাস্তিকদের ভেতরেও একই ধরণের ঐক্যবদ্ধতার একটা দাবি উত্থাপিত হয়েছে। তারাও না কি কার্যকরণ না বুঝেই আস্তিকদের বিরোধিতাকারী নাস্তিকদের সমর্থন জানায়। প্যাঁচের শেষ নাই। ''

ব্লগের বর্তমান প্রেক্ষাপটে আপনার কথাটার সত্যতা দেখছি বেশ কয়দিন ধরে

০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:০২

লেখক বলেছেন: আক্রান্ত বোধ করবার কোনো কারণ না থাকলেও মানুষ আক্রান্ত বোধ করে, মূল্যবোধভিত্তিক জীবনযাপনের কারণেই মূল্যবোধকে অতিগুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় বিবেচনা করে।

মূল্যবোধ শেষ পর্যন্ত কয়েকটি অনুশাসনের পরিশীলিত রূপ যা অন্তত সামাজিক স্থিরতার শর্তকে আরও শক্তিশালী করে। ধরা যাক আমি সমাজবিদ্বেষী, এই অবস্থান নিয়ে নিলেই মূল্যবোধকে রক্ষা করবার প্রতিক্রিয়া দেখা দিবে, মূল্যবোধগুলোও যে দিনে দিনে বিবর্তিত হয়ে বর্তমানের পরিশীলিত রূপ পেয়েছে এই উপলব্ধি থাকবার পরেও মানুষের মূল্যবোধীয় অনুভব আক্রান্ত হয়।

প্রতিক্রিয়ার বাইরে নিয়ে গেলে যেমন এই লেখাটা তেমন কোনো গুরুত্ব বহন করে না। আমিও প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছি, প্রশ্নোত্তর আর আলোচনার ছলে এইসব ছলাকলা দেখানো উচিত হচ্ছে কি না এটাও একটা প্রশ্ন?

১৬. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:০৮
comment by: মাহিরাহি বলেছেন: নিজের উপর থেকে একটু চাপ কমালেই ত পারেন, শুধু শুধু কষ্ট পাওয়া।

অনস্তিত্বশীল কিছু একটার পিছনে দৌড়াতে দৌড়াতে আপনার অস্তিত্বটাই না তাতে বিলীন হয়ে যায়।

আর সংশয়ী না হয়ে নিশ্চিত হওয়াটাই একজন বিদ্যানের জন্য শোভনীয় নয় কি।

যুথবদ্বতার প্রসংগ টেনে আপনি নিজেও একটা দলের পক্ষ নিলেন নয় কি?

কোনটা সংকীর্নতা আর কোনটা উদার্যতা তার মধ্যে কোন সংশয় না থাকাটাই বান্চনীয় নয় কি?

০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৩৯

লেখক বলেছেন: ঔদার্য্য এবং সংকীর্ণতা স্পষ্ট বুঝা যায় হয়তো নিজস্ব উপলব্ধিতে কিন্তু এটার সীমানাটা কে নির্ধারণ করে?

আমি অনেক আগে থেকেই মূলত নাস্তিক। সুতরাং আমার যুথবদ্ধতার প্রশ্ন আসলে আমার রাজনৈতিক অবস্থান নাস্তিকসমব্যাথী হয়ে উঠাটাই স্বাভাবিক।

তবে নাস্তিকতার প্রশ্নে আসলে কিছু বিষয় চলে আসে। প্রথম পর্যায়ে যখন নিজের বিশ্বাসের প্রশ্নটা এবং উপলব্ধির প্রশ্নটাতে নিঃসংশয়তা তৈরি হয় তখন উচ্ছ্বসিত আচরণ করে সবাই। সময়ের সাথে বিজ্ঞতা বাড়ে, তখন আর এইসব বিষয় নিয়ে রাতব্যপী তর্ক-বিতর্ক করবার আগ্রহ থাকে না।

এবং আমার নিজের মনে হয় এই বিষয়ে ১০০০ পুস্তক লিখে প্রচার করলেও আস্তিক মানুষদের আস্তিকতা পরিবর্তিত হবে না। শুধুমাত্র সংশয়ী মানুষেরাই দিক পরিবর্তন করে সম্পূর্ণ আস্তিক এবং সম্পূর্ণ নাস্তিক হয়ে যাওয়ার সম্ভবনা রাখে। সংশয় জ্ঞান ও উপলব্ধির জন্ম দেয়, সুতরাং সংশয় খারাপ একটা অবস্থান না।

১৭. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:১৭
comment by: আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন:
"যদি কেউ বিভাজিত ইশ্বরের অস্তিত্বকে মেনে নিতে আগ্রহী হয় তবে আস্তিকতার যুক্তি অনুযায়ী বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতেই বলতে পারো ইশ্বর নিজেই বিভাজিত হয়ে বিভিন্ন শক্তিরূপ ধারণ করে মহাবিশ্বের ভেতরেই সমাহিত রয়েছেন"

এই কথাগুলো খুব মনে ধরলো!
১৮. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:২৬
comment by: বাফড়া বলেছেন: ''আমিও প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছি, প্রশ্নোত্তর আর আলোচনার ছলে এইসব ছলাকলা দেখানো উচিত হচ্ছে কি না এটাও একটা প্রশ্ন?''

এই কথাটার অর্থ বুঝলাম না।

===

প্রতিক্রিয়া নিয়ে তো কোন প্রবলেম নাই কিন্তু মাঝে মাঝে প্রতিক্রিয়া টা আজব রুপ নেয়। এই যেমন আপনি বললেন
''একই ভাবে জামায়াত বিদ্বেষী আস্তিক মানুষেরাও যুক্ত হয়'', কিংবা ''তারাও (নাস্তিকরা) না কি কার্যকরণ না বুঝেই আস্তিকদের বিরোধিতাকারী নাস্তিকদের সমর্থন জানায়''। এই টাইপের 'সেট' প্রতিক্রিয়া কি আসলেই কোন ভ্যালু এড করে নাকি মাঝে মাঝে ভাবি।

===

বাই দ্য ওয়ে আমি নিজেও যে এর উর্দে তা কিন্তু না। ব্যাপারটা হচ্ছে ব্রেকিং পয়েন্ট। আর কোন আস্তিকের ব্রেকিং পয়েন্ট হয়ত কম, আমার বেশী... তবে হয়তো আলাপ আরেকটু আগালে আমিও ব্যাক টু দ্য স্কয়ার ওয়ান... ধুমায়া 'প্রতিক্রিয়াশীল'' প্রতিক্রিয়া দেখাব

০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: নাহ এই লেখাটাও একটা প্রতিক্রিয়া। মূলত প্রশ্নটা তো ইশ্বরের অস্তিত্ব অনস্তিত্ব এবং যৌক্তিক প্রক্রিয়ায় ইশ্বরের উপস্থিতি না পাওয়া বিষয়ে। এর প্রতিক্রিয়ায় লিখলাম যেটা সেটাতেও আদতে এই প্রশ্নের উত্তরে আমার নিজস্ব বিবেচনাটাই প্রধান।

প্রতিক্রিয়া সবটাই তবে কোনো কোনোটা ক্ষতিকারক কোনোটা নয়।

১৯. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:২৬
comment by: প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
পেলাস।

মুহাম্মাদ (সাম্প্রতিক ক্যাচালের পর থেইকা খালি মুম্মাদ কইতে মন চায়) মিয়া যে আসলে মানসিক রোগী আছিল তার প্রমান হইল গিয়া এই মিরাজ। আর যদি কইতে হয় সে সুস্থ আছিল তাইলে আছিল চরম মিথ্যাবাদী।
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:০৫

লেখক বলেছেন: মানসিক অসুস্থতা বিষয়টাতে আমার আপত্তি আছে। বিচক্ষণতার প্রশ্ন আসলে মুহাম্মদের বিচক্ষণতা নিয়ে সংশয় নেই।


ব্যক্তি মানুষ যখন প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠে তখন অনেক মিথও জন্ম নিতে পারে। অনেক অলীক বিশ্বাসও বিশ্বাসীরাই আরোপ করে তাদের ধর্মগুরুর চরিত্রে। যেহেতু জীবনি লিখবার কাজটা শুরু হয়েছে মুহাম্মদের মৃত্যুর আরও অন্তত ১৫০ বছর পরে সুতরাং এই সময়ের ভেতরে গড়ে উঠা চরিত্র নিয়ে একটা প্রশ্ন রয়েই যায়।

বায়োগ্রাফীর ভেতরেও অনেক লুকোছাপা চলতে পারে, মহাপুরুষের নিজস্ব ভুল গুলোও অনেক সময় কোনো একটা উদ্দেশ্য পূরণের নিমিত্তে অলৌকিকত্ব দিয়ে ব্যখ্যা করা হতে পারে। অনেক রকম সম্ভবনাই বিদ্যমান।

মানুষ হিসেবে অনেক দোষ ত্রুটি থাকলেও আদতে মোহাম্মদের অনুসারীরা মোহাম্মদের যে চরিত্র নির্মান করেছে সেখান থেকে তার আশু মুক্তির কোনো সম্ভবনা নেই।

২০. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৩০
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: আলোচনাটা ফিজিক্সের দিকে গেল, তাই অংশ নিতে পারলাম না। মনটা খারাপ হইয়া গেল:(

সেই ইন্টারে আপেক্ষিক তত্ত্ব পড়ছিলাম, তারপর হকিং-এর ব্রিফ স্টোরি পড়ছিলাম। সেই জ্ঞানের ভিত্তিকে সৃষ্টিকর্তা বিষয়ক আলোচনায় অংশ নিতে আগ্রহবোধ করলাম না। :(
২১. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৩৬
comment by: মাহিরাহি বলেছেন: সংশয়ী হওয়া এবং প্রতিক্রিয়াশীল হওয়া।

বচনে অসংযমী হওয়া ক্রোধান্বিত হওয়া।

যুক্তিহীন মানুষই রাগে বেশি।

হেরে গেলেই মানুষ উষ্মা প্রকাশ করে।
২২. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:২০
comment by: দ্বিতীয়নাম বলেছেন: +
পুরানো মন্তব্যটা আবার দিলাম
বুঝা যাইতেছে, আস্তিকদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য বিজ্ঞানকে আরও কিছু বাইর করতে হইবো। স্বাভাবিক গতিতে জগত সংসারের নতুন নতুন ব্যাখ্যা বিজ্ঞান দিব আর আমাগো ধর্মীয় আবাল যাকের-শমশেরগং তার উপরে হামলে পড়বো।
এগুলান (আবাল মতলববাজ ধর্মীয় পন্ডিতগন) বিজ্ঞানের আপাতঃ ব্যাখ্যাতীত বিষয়গুলি দিয়া যেমন ঘোল পাকায় , তেমনি বিজ্ঞানের অর্জনগুলিও তাগো গ্রন্থে খুইজা পায়।
এরেই বুঝি কয় নেপোয় মারে দই বা গাছেরটা আর তলারটা খাওয়া।
মানুষের বিকার, সংস্কার, দুঃস্বপ্ন, আবেগ, বিশ্বাসের ব্যাখ্যাও বিজ্ঞান দেয় তার নিয়ন্ত্রিত গন্ডিতে থেকে। আর তাতে আবেগিত, বিকার-সংস্কারগ্রস্থ মানব সন্তান সস্তুষ্ট না হইলে বিজ্ঞান নিরুপায়।

১৪০০ বছরের আগ পর্যন্ত অবিশ্বাসীদের মোকাবেলায় মাঝে মধ্যেই ঈশ্বরের প্রায় সশরীরী উপস্থিতি/প্রতিক্রিয়া উল্লেখিত হলেও, তারপরে এর কোন দৃষ্টান্ত দেখা যায় না। হয়তো ইদানিং অবিশ্বাসীদের ঈমান তত মজবুত নয় :-O
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৪০

লেখক বলেছেন:
" হয়তো ইদানিং অবিশ্বাসীদের ঈমান তত মজবুত নয় :-O "

সেই সম্ভবনাও থাকতে পারে।

আবার এমনও হতে পারে ইশ্বর স্পেসশীপ নিয়ে অন্য কোথাও রওনা দিয়েছেন। সুতরাং এখানে আগামি ২০০০ বছরে তার ফিরবার সম্ভবনা নেই। ২০০০ বছর পরে তিনি নিয়মিত হবেন, ভক্তদের দেখা দিবেন।

২৩. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:০৫
comment by: শফিকুল বলেছেন: যুক্তি গুলো অসাধারন ।

আপনার লেখা পড়ে আবার নতুন করে ভাবতে মন চায়।

আপনাকে ধন্যবাদ।

ভাল থাকবেন।
২৪. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:২৪
comment by: লুকার বলেছেন:

রাসুলুল্লাহর দূরদৃষ্টি তেমন ছিল না বলেই মনে হয়। তাঁর সমাধানগুলো প্রায় সবই তৎকালীন স্থানীয় সমাজের জন্য প্রযোজ্য। পৃথিবীর নানাদেশে যে নানারকম মানুষ, তাঁদের নানা বিচিত্র সমস্যা, ভবিষ্যতে জ্ঞান বিজ্ঞানে মানুষ অনেক এগিয়ে যাবে, রাসুলুল্লাহর বক্তব্য ও জীবন চুলচেরা বিশ্লেষণ করবে- সেসব হয়তো উনি ভাবেন নি।

 

 


অনেক অনেক চেষ্টা হয়েছে ব্লগানোর বাংলা করা নিয়ে, আমার এখন ব্লগের নতুন বাংলা করতে ইচ্ছা করলো তাই দিলাম এর নাম...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ১২৪৫২৭