নাস্টালজিয়া
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৩৬
হুমায়ুন ফরিদী অভিনয়ের ভক্ত আমি। তবে সংস্কৃতিসেবী হিসেবে আমি নিম্ন মানের। নাটক পাড়ায় গতায়ত নেই। এমন কি যারা থিয়েটার কর্মী তাদের বিষয়েও আমার তেমন ভক্তিশ্রদ্ধা নেই।
তবে হুমায়ুন ফরিদীর টিভি নাটকে অভিনয় দেখেই আমি তার মুগ্ধ ভক্ত। অনেক দিন পরে ঈদের অবসরে হুমায়ুন ফরিদীকে দেখলাম। আফজালের সাথে তার কথাবার্তা নিয়ে একটা অনুষ্ঠান হয়েছে টিভিতে।
হুমায়ুন ফরিদীকে সেই অনুষ্ঠানে দেখে বুকে ধাক্কা লাগলো। তার বিধস্ত নিস্প্রাণ চেহারা দেখে কষ্ট পেলাম। সেই সাথে তার বন্ধুবৎসলার উদাহরণ দেখেও সামান্য আলাদা ভাবনা ছিলো মনের ভেতরে। তবে সরাসরি মেকাপবিহীন হুমায়ুন ফরিদীকে দেখে যে ধাক্কা লাগলো সেটা কাটিয়ে উঠতে পারলাম না।
হুমায়ুন ফরিদী এবং আফজাল হোসেন দুই জনের সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ। থিয়েটার আর অভিনয়ের কারণেই তাদের এই অন্তরঙ্গতা। বহুব্রীহির আফজালের ছবিটা মনে গেঁথে আছে।
যাই হোক হঠাৎ করেই আফজালকে দেখে মিকি মাউসের কথা মনে পড়লো।প্রিয় অভিনেতা আফজালের এত বড় বড় কান দেখে অন্য কোনো উপমাই মনে আসলো না। এই কান নাড়িয়ে মাহফিলে বাতাস করা যাবে। হাতির শরীরের সাথে মানানসই কান থাকে, তবে আফজালের শরীরের তুলনায় কানটা রীতিমতো বড়।
চুল কাটবার ধরণ হয়তো একটা কারণ - তার অতিবৃহৎ কানটি হয়তো পেছনে বড় করে রাখা চুলের কারণে কখনই তেমন চোখে পড়ে নি আমার।
যেমন করে চোখে পড়লো অনুষ্ঠানটা দেখে তাতে বুঝলাম আমি অনেকটা পথ পাড় হয়ে এসেছি। আমার শৈশবের নায়কদের বিধস্ত বার্ধক্যকবলিত অস্তিত্ব আমাকে নস্টালজিক করে ফেললো অনায়াসে।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
আপনেও বুড়া হইতাছেন। কত হইল?
লেখক বলেছেন: হইলো তো অনেক। ৩২ চলে গেলো।
লেখক বলেছেন: হো হো হো হো হো
হা হা হা হা হা হা
এট্টুসখানির জন্য মিস করলাম মনে হয়।
বহ্নিশিখা বলেছেন:
আমিও দেখলাম অনুষ্ঠানটা। ভালই লাগল।
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
শিরোনামের ভুল কি অনিচ্ছাকৃত নাকি ইচ্ছাকৃত?
ভোরের তারা বলেছেন:
হুমায়ুন ফরিদী আমারও প্রিয়।তাকে দেখে আমিও কষ্ট পেলাম। কান কাটা রমজান এবং হুমায়ূন আহমেদের নাটকের সেই মাস্টারের চরিত্রের কথা মনে দাগ কেটে আছে। ধন্যবাদ তাকে নিয়ে লেখার জন্য।
কঁাকন বলেছেন:
আপনিও বুরা হয়ে যাচ্ছেন


















