আমার প্রিয় পোস্ট

অতি দক্ষ মিথ্যুক না হলে সত্যবাদিতা উৎকৃষ্ট পন্থা

মুসলীমদের বিরুদ্ধে গীবত ০২

০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৪১

শেয়ার করুন:                   Facebook

ঢাকা শহরের অভিজাত এবং ব্যয়বহুল রেস্টুরেন্টগুলোতে রমজান মাসে ইফতার পার্টির জন্য বুকিং দিয়ে জায়গা রাখতে হয়। রমাজন শুরুর আগেই অনেকে বুকিং দিয়ে জায়গা পাকাপোক্ত করে রাখে । ইফতার পার্টির ইতরামি টেলিভিশনের কল্যানেও দেখা যায়। ঢাকা শহরের বণিক সম্প্রদায় ইফতার পার্টিতে এতিম ছেলেদের নিয়ে আহার করছেন। জেলখানার শিশুদের নিয়ে আহার করছেন। প্রধান উপদেষ্টা এতিমদের সাথে ইফতারিতে সময় কাটাচ্ছেন, এরও আগে রাজনৈতিক আমলে শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়াও এই সংস্কৃতির ধারক বাহক ছিলেন। এই রমজানে দৌড়ের উপরে থাকবার কারণে ইফতার পার্টিতে এতিমদের সাথে মোলাকাতের সুযোগ হয় নি তাদের বরং ম্যাডাম ও আপাবিহনে এতিম আওয়ামী লিগ ও বিএনপি বিভিন্ন দুতাবাসে গিয়ে ইফতারপার্টিতে মিলিত হয়েছেন। সৈয়দ আশরাফুল বলেছেন আওয়ামী লীগ জামায়াতের সাথে কোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন না করবার সিদ্ধান্তে অটল, তবে ইডতার পার্টির মতো ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যাওয়াটা জায়েজ।

এইসব ইতরামি দেখে অবাক হই না। মূলত বাংলাদেশের রাজনীতি অনেক বেশী ইসলামআক্রান্ত। ইসলামই রাজনৈতিক ক্ষমতায় যাওয়ার অন্যতম মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে বিগত ৩৭ বছরের বাংলাদেশের ইতিহাসে। এই সংস্কৃতিতে আগে প্রচলন না থাকলেও ইদানিং ইফতার পার্টির দাওয়াত চলে আসে। দলবদ্ধ হয়ে টাকার শ্রাদ্ধ করবার অন্য কোনো পদ্ধতি রমজানে থাকে না। উৎসব ও অপচয়প্রিয় বাংলাদেশী জনগণ এটা মেনে নিয়েই অর্থ ও ক্ষমতা প্রদর্শনের প্রক্রিয়াটি শুরু করেছে। হেভিওয়েট ইফতার পার্টি নিয়ে আমার আপত্তি থাকবার কোনো কারণ নেই। গরীবের ক্ষুধার কষ্ট উপলব্ধি করবার যে ধারণা প্রচলিত বাংলাদেশী মুসলিম সমাজে সেটা বোধ হয় ইসলামের রমজানের মূল বিষয় নয়। বরং একটা মাস আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য দিনের বেলা পানাহার থেকে বিরত থাকা এবং সঙ্গম বিরত থাকা এটাই সিয়াম সাধনা। প্রথমিক পর্যায়ে মুসলিমরা কতটা সঙ্গমপ্রিয় ছিলো, কতটা সঙ্গমপ্রিয় ছিলো আরবের উপজাতিগন। তাদের ১টা সম্পূর্ণ মাস দিনের বেলা সঙ্গমনিরত রাখা সম্ভবপর ছিলো না । ভুল হয়েই যেতো।

আমিও একদিন একটি ইফতার পার্টিতে গেলাম। গিয়ে বুঝলাম বাংলাদেশের কর্পোরেট সোসাইটি অনেক বেশী ইসলামিক হয়ে উঠেছে চেতনায়। আমার বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে যাদের সেক্যুলার চেতনা ধারণ করতে দেখেছি এই ৬ বছরে তারাও ইসলামাক্রান্ত হয়ে গেছে।

ঈদের আগে জাকাত দেওয়ার একটা প্রথাও প্রচলিত হয়েছে। অমুক বণিকের বাসার সামনে জাকাত নিতে গিয়ে কয়েকজন পায়ে চাপা পড়ে নিহত হয়েছে। কয়েকজন আহত হয়েছে। এমন জাঁকজমকপূর্ণ দান কতটুকু গ্রহনযোগ্য। অন্তত নিঃশর্ত দান সবসময়ই নীরবে হওয়া বাঞ্ছনীয়। তোমরা এমন ভাবে দান করবে যেনো তোমাদের বাম হাতও জানতে না পারে।
টিভি ক্যামেরা নিয়ে, পেপারে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জাকাত প্রদানের মহোৎসবে সামিল হয়ে দানবীর হয়ে যাওয়া মানুষগুলোকে দেখে আশ্চর্য হতে হয়। অবশ্য জাকাতের শাড়ী তৈরির জন্য নির্দিষ্ট কিছু দোকানই তৈরি হয়েছে। সস্তা মিলের শাড়ী বিক্রী করে তারা। জাকাতের কাপড় তৈরির মিল তৈরি হয়েছে। সেই একই গল্প- অর্থনীতিতে একটা বিকল্প চক্র তৈরি হয়েছে।

যদিও জাকাত প্রদান মুসলিম ব্যবসায়ীদের যাদের উদ্বৃত সম্পদ রয়েছে তাদের জন্য বাধ্যতামূলক। যাদের স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পদ রয়েছে যেকোনো একটি দিনে তাদের মোট সম্পদের ৪০ ভাগের একভাগ দরিদ্রদের দেওয়া বাধ্যতামূলক আচরণ।

ইসলামী করব্যবস্থায় চাষকরও আছে। উৎপাদিত শষ্যের ১০ ভাগের একভাগ কর হিসেবে প্রদান করতে হয়, যদি প্রাকৃতিক উৎস থেকে উৎপাদন হয়। যদি সেচ করে জমি চাষ করতে হয় তবে উৎপাদিত ফসলের ২০ ভাগের ১ ভাগ কর হিসেবে প্রদেয়।

জাকাত ৪০ ভাগের এক ভাগ। তবে শষ্যকর এবং জাকাতের ভেতরে সামান্য পার্থক্য রয়েছে। শষ্যকর রাষ্ট্র পরিচালনার কাজে ব্যবহার করা গেলো জাকাতের বরাদ্দ অর্থ দরিদ্রদের উন্নয়নের জন্যই ব্যয় করতে হবে। তবে জাকাতের পয়সা দিয়ে কয়েক হাজার শাড়ী বিতরণ করে কোন দরিদ্রের উপকার হয় কিংবা সে দারিদ্রাবস্থা থেকে স্বচ্ছল অবস্থায় যেতে পারে ?

যেহেতু বাংলাদেশে তেমন রাষ্ট্রীয় কোষাগার নেই যেখানে ধনাঢ্য বণিকেরা নিজেদের সম্পদের ৪০ ভাগের এক ভাগ জমা দিবে এবং রাষ্ট্র দরিদ্রদের আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য এই কোষাগারে জমা দেওয়া অর্থ খরচ করবে, সুতরাং ব্যক্তি নিজ উদ্যোগে নিজের ঈমাণের দায় চুকাতে গিয়ে আরও বেশী অনুকম্পাপ্রত্যাশী দরিদ্র তৈরি করছে।

দরিদ্রদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন কেমন হতে পারে? তাদের আয় উপার্জনের সুবিধা তৈরি করা। একজন কোটিপতি তার জন্য নির্ধারিত জাকাতের আড়াই লক্ষ টাকা দিয়ে অন্তত একজন দরিদ্র ব্যক্তিকে স্বাবলম্বী করে তুলতে পারতেন অনায়াসে। তবে তিনি সেই টাকা দিয়ে আড়াই হাজার শাড়ী কিনে দানবীর খ্যাতী লাভের জন্য মরিয়া।

পাশের বাসার মানুষ না খেয়ে মারা যাচ্ছে ধার্মিকের বিকার নেই, তিনি হজ্জ এজেন্সিকে ২ লক্ষ টাকা প্রদান করে প্রতিটা সক্ষম মুসলিমের জন্য হজ্জ ফরজ- এই ফরজ উদ্ধার করছেন।

একজন ধর্মবেত্তা চমৎকার একটি মন্তব্য করেছেন- যে মানুষটি মনে করে প্রতিবেশীকে ক্ষুধার্ত রেখে মক্কায় গিয়ে কা'বা শরীফের চারপাশে ৭ বার ঘুরপাক খেলেই হজ্জ্ব কবুল হয়ে যাবে সে বোকার স্বর্গে বসবাস করছে। প্রতিবেশীর হক আদায় না করে, আশেপাশের মানুষের জীবন যাত্রার উন্নয়ন না ঘটিয়ে যে মানুষ হজ্জবের নামে অর্থ অপচয় করে সে প্রকৃত মুসলিম হতে পারে না। তার হজ্জ্ব কখনই কবুল হবে না।

আমি আশায় আশায় থাকি, কবে বাংলাদেশের প্রচারমুখী মুসলিমদের ভেতরে এই চেতনার জন্ম হবে। যখন তারা ইসলামের নামে এইসব অনৈতিক শান শওকত দেখানোর প্রতিযোগিতা না করে প্রকৃত মুসলিমের মতো প্রতিবেশীর হক আদায় করবে, কবে তারা একটু ধর্মান্ধ মুসলিম না হয়ে সামান্য বিবেচক মানুষ হয়ে উঠবে।

 

 

  • ২২ টি মন্তব্য
  • ৩৫০ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১২ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৪৪
comment by: রাতমজুর বলেছেন: ঠিক।
২. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৪৮
comment by: শয়তান বলেছেন: শস্যকরের ব্যপারটা আরেকটু পরিষ্কার করবেন ?
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৫৬

লেখক বলেছেন: আপনি একটি চাষযোগ্য ভূখন্ডে মালিক। চাষ করে আপনার যদি ১০০ কেজি ফসল উৎপাদিত হয় তবে আপনি দিবেন ১০ কেজি চাল।

এটা প্রযোজ্য যখন আপনার জমিতে প্রদত্ত পানি প্রাকৃতিক উৎস থেকে আসবে। ধরেন আপনি একটি নদীর চরে একখন্ড জমি চাষ করছেন। আপনাকে সেচের পানির জন্য কোনো পরিশ্রম করতে হচ্ছে না, কিংবা আপনি যে ফসল চাষ করছেন সেটা বৃষ্টির পানিতেই পরিপূষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সে ক্ষেত্রে আপনার প্রদত্ত শস্যকর ১০০ কেজিতে ১০ কেজি।

কিন্তু আপনি এমন কোনো জমিতে ফসল উৎপাদন করছেন যেখানে আপনাকে সেচের জন্য অন্য কোনো উৎস থেকে পরিশ্রম করে নিজের জমিতে পানি আনতে হচ্ছে। কিংবা কুয়া খুঁড়ে সেই কুঁয়ার পানি কোনো ভাবে আপনার জমিতে ব্যবহার করতে হচ্ছে- এই পরিশ্রমের পারিশ্রমিক হিসেবেই সম্ভবত আপনার প্রদত্ত শস্যকর হবে ১০০ কেজি ফসল উৎপাদিত হলে ৫ কেজি।

উশর বিষয়ে বিস্তারিত অনেকেই জানে। আমি এর বেশী আসলে জানিও না।

৩. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৫৪
comment by: স্ুদীপ্ত বলেছেন: আমিও এমন অনেক উদাহরণ দেখেছি। কালিমা শুধু মুখেই থাকে, লোকদেখানো নামাজ পড়ে, রমজান মাসে ইফতার পার্টি দেয়, চুরির টাকায় হজ্জ করে আর দানবীর খ্যাতির জন্য যাকাত দেয়। ইসলামের পাঁচ স্তম্ভ তারা এভাবেই পালন করে।
৪. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:০৯
comment by: ফালগুনি কায়সার বলেছেন: বাহ!অনেক তথ্যের সমাহার।খুব ভাল লাগছে।তবে আপনার লেখাটি পুরোটা পড়ে পাড়িনি,পড়লে আরো মন্তব্য পাবেন.........
৫. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:১২
comment by: কিস্তোয়ার বলেছেন: অনেক ভাল লিখেছেন।কিন্ত লেখার শিরোনামে"মুসলীম" বানান লিখেছেন একভাবে মূল লেখায় লিখেছেন "মুসলিম"। এটা কি ইচ্ছাকৃত।না অনিচ্ছাকৃত।
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:১৬

লেখক বলেছেন: বানান বিভ্রাটে মুসলমানিত্ব খারিজ হয়ে যায় এমন ফতোয়া এখনও বাজারে আসে নি।

৬. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:১৭
comment by: শয়তান বলেছেন: কনফিউশনটা আসলে ইসলামি শস্যকর নামকরনে । ব্যপারটা আমার অজানা ছিল ।
৭. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:২১
comment by: কিস্তোয়ার বলেছেন: যা মনে করেছিলাম তাই।আপনি এক কথায় উত্তরটা দিতে পারতেন।এখন কি আমাকে কাঁঠাল পাতা খেতে বলবেন।
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৩৫

লেখক বলেছেন:
খেতে ইচ্ছা করলে খান।

না কি আপনাকে আমি অনুরোধ না করলে আপনি কাঁঠাল পাতা খাওয়া থেকে বিরত থাকবেন?

মানুষ অনুরোধে ঢেঁকি গিলে ফেলে, আপনি অনুরোধে কাঁঠাল পাতা খান??

৮. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:২৬
comment by: কুবের বলেছেন: আমােদর বর্তমান মুসলিম নামধারী ব্যক্তিেদর আসল রুপ েতা ইটাই।
৯. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৪০
comment by: আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

দু'টা পর্বই পড়লাম ।

বেশ ভালো বিশ্লেষণ । ভলো লেগেছে ।
১০. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৫০
comment by: কিস্তোয়ার বলেছেন: রাসেল দুঃখিত।কিছু মনে করবেন না।আপনার বিশ্লেষনধর্মী লেখার জন্য ধন্যবাদ।লোক দেখানো ইসলামী কালচার আপনি চমৎকারভাবে তুলে ধরেছেন।
১১. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৫২
comment by: টোকন বলেছেন: ভাল বলেছেন.......

সহজ ভাষায় আত্মগরিমার মোহপুষ্ট বাংগালী স্বভাব...
১২. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:০০
comment by: শাওন বলেছেন: মুল বিষয়টা ভালো ।
১৩. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:২৮
comment by: মো: শাহরিয়ার কবির ( রনি ) বলেছেন: লেখার শিরোনাম হওয়া উচিত ছিল " নামধারী মুসলমানদের বিরুদ্ধে গীবত ০২ " ।
১৪. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৪৯
comment by: হুমায়ুন কবির হাকিম বলেছেন: লেখা পছন্দ হয়েছে.........এটা তো গীবত নয়........আমি চরমভাবে ইসলাম ধর্মে বিশ্বাস করি তারপরও এই লেখাটা ভাল লাগলো..........কারণ মানবতার কল্যাণ সম্পর্কিত লেখাগুলো সবসময়ই ভাল লাগে আর ইসলাম সেটাই শেখায়......কিন্তু ধর্মান্ধ এবং ক্ষমতালোভী মানুষগুলোর জন্য ইসলাম আজ ভীতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে......

ধন্যবাদ আপনাকে.........
১৫. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৪৬
comment by: ফ্রুলিংক্স বলেছেন: ভালো লাগলো।
১৬. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:৫৩
comment by: আরিফ জেবতিক বলেছেন: মুসলিম বাঙালের মোহরানা নিয়ে একটা গীবত (!) চাই ।

যার চৌদ্দগুষ্ঠির সমবেত মূল্য ১০ হাজার , সে ১০ লক্ষ টাকা মোহরানায় বিয়ে করে সমাজে ভাব নেয় । কিন্তু পরে আর মোহরানা দেয় না ।
১৭. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:২৪
comment by: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: +++++
১৮. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:২০
comment by: দ্বিতীয়নাম বলেছেন: কি সব ম্লেচ্ছ দেশী মুচলমানদের পিচে লাগছেন। আমরা তো এহনও আরবী অনুবাদ কইরা দীন বুঝি, পিউরিটি আসে নাই। তারচেয়ে বরং আরব মুসলমান, পারসী মুসলমান, হাবসী আর ককেশীয় নব্য মুসলমানগো হিপোক্রেসি নিয়া লেখেন।
গত দুইশ বছরে জগতে মুসলমানগো অবদান দেইখা ক্যামনে খেষ্টান, হিদু আর ইহুদিরা তাগো পিছে লাগছে - তা দিয়া একটা পর্ব দেন।
১৯. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৩৩
comment by: ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন: যাকাত নিয়ে অধমের একটা লেখা আছে। সময় হলে পড়তে পারেন।

Click This Link

 



 


অনেক অনেক চেষ্টা হয়েছে ব্লগানোর বাংলা করা নিয়ে, আমার এখন ব্লগের নতুন বাংলা করতে ইচ্ছা করলো তাই দিলাম এর নাম...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ১১২৮৫৪