সকালে উঠেই বাসের লাইনে দাঁড়াতে হয়, অনেক দিনের অভ্যাসে মোটামুটি সময়টা ঠিক হয়ে গেছে। এমন কি কখন কে উপস্থিত হবে এটাও আন্দাজ করা যায়। ঠিক ৭টা ১৬তে এক মহিলা তার ছেলেকে নিয়ে রিকশা থেকে নেমে রিকশাওয়ালাকে ৬ টাকা দিবে, তার পরে একজনপশ্চিম থেকে উদয় হবে, সে রিকশা ভাড়া দেবে ৮ টাকা। এরপরে স্কুলের পোশাকে এসে উপস্থিত হবে একটি ছেলে, তার ঘাড়ে ভাড়ী ব্যাগ।
কে কোথায় থাকে আমরা জানি না, তবে সবাই মোটামুটি একটা নির্দিষ্ট সময়েই এখানে উপস্থিত হয়ে বাসের অপেক্ষা করি। বাসের কাউন্টার দুইটা। একটা যায় মীরপুর। অনেক ঘুরে সেটা থামে চিরিয়াখানার সামনে। সেটার প্রথম বাস আসে ৭টা ১০ এ, এরপরে প্রতি ১৫ মিনিট পর পর বাস আসতেই থাকে। সুতরাং সেই লাইনে তেমন ভীড় থাকে না।
তবে আজ বাসের লাইন অস্বাভাবিক রকমের দীর্ঘ। কিভাবে যেনো আজ আমি সকালের সেকেন্ড ট্রিপের প্রথম যাত্রী হিসেবে লাইনে দাঁড়ানো। আমার ঠিক পাশেই মিরপুরগামী বাসের লম্বা লাইন। সেখানে এক দশাসই মানুষ দাঁড়িয়ে, তার পেছনে শীর্ণ একজন, তার পেছনে সিঁদুর মাথায় এক মহিলা, তার পেছনের জনের হাতে একটা ঝুড়ি। এবং এরপরের মানুষগুলো আমার পেছনে।
আমি সামনের রাস্তায় তাকাচ্ছি আর ঘনঘন ঘড়ি দেখছি, এতক্ষণে বাসটা চলে আসবার কথা। আমার পেছনে মানুষের সারি দীর্ঘ হচ্ছে। সংস্থাপন মন্ত্রনালয়ের বাসটা সামনে দিয়ে যাওয়ার পরেই বুয়েটের বাসটা যাবে, ঠিক তার পরপরই যাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসটা। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসটা এই ৭টা ২০ এর দিকে বেশ ফাঁকা থাকে।
এরপরেই সোহাগ আর ইউনিকের বাস যাবে সামনে দিয়ে, তখন সামনের উঁচু ভবনগুলোর মাথায় সূর্য উঠে সরাসরি চোখের উপরে পড়বে। সেই আলোতে চোখ কুঁচকে আমাকে তাকিয়ে থাকতে হবে সামনের রাস্তায়।
মাঝে মাঝে বাসের হলদে আভা দেখে লাইন নড়েচড়ে উঠবে।
দৈনিক আল ইহসান- এই পত্রিকাটির নাম কতজন জানে? সাকুরার সামনের ম্যাগাজিন স্ট্যান্ডের পাশে এক কপি আল ইহসান সাঁটানো থাকে দেয়ালের গায়ে। ৪ পাতার দৈনিক, নাম শুনেই বুঝা যায় এটা কোনো না কোনো দরবার শরিফের আনুকূল্যে প্রকাশিত ও প্রচারিত হয়। ঢাকা শহরের রাস্তায় রাস্তায় দেয়ালিকা লাগিয়েছে দৈনিকটি। বিশ্বের সবচেয়ে বেশী দেশ থেকে পঠিত একমাত্র বাংলা আন্তর্জাতিক পত্রিকা।
বাংলা জনসংখ্যা বিবেচনায় বিশ্বের সপ্তম কিংবা অষ্টম ভাষা। বিশ্বের অন্তত ২০ কোটি মানুষ বাংলায় কথা বলে। সংখ্যাটা ইউরোপের অনেকগুলো দেশের সম্মিলিত জনসংখ্যার তুলনায় অনেক বেশী। অস্ট্রেলিয়ার সমস্ত জনগনের ৪ গুন মানুষ বাংলায় কথা বলে। ফেলনা নয় মোটেও। আন্তর্জাতিক হয়ে উঠা বাঙালী ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে বিশ্বের প্রায় সব দেশেই। সুতরাং সেখানে আল ইহসানের পাঠক থাকাও বিচিত্র নয়। সুতরাং বাংলাদেশের একমাত্র আন্তর্জাতিক পত্রিকা বাংলাদেশের রাস্তায় ফেরি হচ্ছে এমন দৃশ্যও তেমন অবাক করা হতে পারে না।
তবে খুবই অবাক হলাম, যে ছেলেটা দৈনিক আল ইহসান ফেরি করছে তার পরণে মিলন একটা পাঞ্জাবী, লুঙ্গীর এবং পাঞ্জাবির ঝুল সমান। একেবারে সস্তার লুঙ্গী, পাঞ্জাবীর কাপড়টাও সস্তা, অনেক দিন শুধু পানিতে ধুইলে চিরস্থায়ী ময়লার পরত পড়ে যায় কাপড়ে, কাপড় পাতলা হয়ে যায় একটু, জায়গায় জায়গায় ছোপ ছোপ কালো দাগ লেগে থাকে।
ছেলেটার দাড়িও অপুষ্টিতে ভুগছে। কয়েক গাছি দাড়ি সমেত ছেলেটা সেই দশাসই লোকটার কাছে আল ইহসান কেনার অনুরোধ করলো। ফেরিওয়ালা এই ছেলেটা অন্য সব পত্রিকা ফেলে অন্তত ১০০ আল ইহসান নিয়ে রাস্তায় ফেরি করছে দৃশ্যটাই অবাক করা। এটা কোনো ধর্মীয় কাজ?
নিয়মিত পেপারের ফেরী করে যেই ছেলেগুলো তারা অনেকগুলো পেপার রাখে সাথে। আমাদের সময়, মানবজমিন, ভোরের কাগজ, প্রথম আলো যুগান্তর সমকাল, সকল পত্রিকার বেশ কয়েকটি করে কপি তারা রাখে, চলতি বাসের পাশাপাশি ছুটে পেপার বেচে কখনও সিগন্যালে গাড়ী থামলে গাড়ীর ভেতরে ঢুকেও বেচে, যাত্রীরা দরদাম করে পেপার কিনছে এই দৃশ্যটা অবাক করা। যাও মিয়া ৩ টাকা পাইবা, দিছো?
ঠিক আছে স্যার নিয়া নেন।
আমি অবাক হয়ে দেখি ৪টাকার পেপার বিক্রী হচ্ছে ৩ টাকায়।
লোকটাও মওকা মতো একটি সাম্ভাব্য জঙ্গীকে হাতের নাগালে পেয়ে যুদ্ধংদেহী। কি রে ব্যাটা এই পেপার বেইচ্যা টাকা লস ক্যাঁরে?
ছেলেটার ভাঙাচোড়া উঁচুনিচু দাঁত বের হয় কিছু বলবার আশায়। আমিও উৎকর্ণ হয়ে থাকি।
অবশ্য ছেলেটা কিছু বলবার সুযোগ পায় না। তার আগেই লোকটার লম্বা ফিরিস্তি শুরু হয়, দেশটাকে খায়া ফেলাইলো এই মোল্লাগুলান, কি রে সৈদি আরব থেইক্যা যে টাকা পাস ঐগুলান কই যায়?
এই ছেলেটা নিশ্চিত এতিম খানায় থেকে বড় হয়েছে, পড়েছে মাদ্রাসায়, লিল্লাহ বোর্ডিংয়ে থেকে বড় হয়ে উঠা ছেলেটার সাথে এইসব আলোচনা করে কোনো উপযুক্ত উত্তর পাওয়া সম্ভব নয়, তাই লোকটা সময় বুঝেই হাল ছেড়ে দেয়। গিয়া জিগাইস তোগোর মালিকরে, এত টাকা ওরা কই রাখে?
বুঝলেন ভাই সৈদি আরব থেকে যেই টাকা আসে সেই টাকা যদি উপযুক্ত বিতরন হইতো তাইলে বাংলাদেশে আর একটা গরীব থাকে? গরিবীকে যাদুঘরে পাঠানোর জন্য ইউনুসের দরকার পরে?
বাঙালি মাত্রই রাজনীতিসচেতন। এবং প্রতিটা মানুষের হাঁড়ির খবর তার নখদর্পনে থাকে। কোন রাজনীতিবিদ আর কোন ব্যবসায়ী কোনো আঁতাত করছে, এমন কি হোয়াইট হাউসের ভেতরে বুশ আর ডিক চেনীর ভেতরে ইরাক আর ভেনেজুয়েলা নিয়ে কি গোপন ফিসফাস সেটাও বাঙালী জানে।
চলমান রাজনৈতিক দোলাচল ও আন্তর্জাতিক পররাষ্ট্রীয় নীতির এনসাইক্লোপিডিয়া বাংলাদেশের পেপারখোর মানুষ। তারা সৈদি আরব আর কুয়েত থেকে কিভাবে অনুদান আসে সেটার খবরও রাখে, সেই অনুদান বাংলাদেশে পৌঁছে কোথায় কোথায় কার পকেটের অন্ধকারে খাবি খায় সেটার সংবাদও রাখে তারা। এমন কি এই টাকার উপযুক্ত ব্যবহার কিভাবে করা সম্ভব সেটাও তারা বলে দিতে পারে।
মিয়া এরা কি আর টাকা পাইবো, তুমি জিগাইয়ো তোমার সাংবাদিকরে, ওরো সব টাকা মাইরা একএকজন টাকার জাহাজ হইয়া গেছে।
অনেক জাহাজের ভীড়ে টাকার জাহাজ তেমন নতুন কিছু না।
মাদ্রাসার ছাত্রদের বিষয়ে সরাসরি অনেক অভিজ্ঞতা আছে, তবে সংশ্লিষ্ঠতা তেমন নেই আমার। পরিচিত মানুষদের অভিজ্ঞতার জানি সেখানে আদতে কার ভর্তি হয়, এবং তাদের অনেকের পরিণতি কি।
আমার এই দরিদ্র ছেলেটার জন্য সামান্য দুঃখ হয়। সামান্য স্বচ্ছলতা থাকলে কেউই আদতে নিজের ছেলেকা মাদ্রাসায় পাঠায় না। এমন কি ছেলেকে যদি ২ বেলা নিয়মিত খেতে দিতে পারে তাহলেও বাবা মায়েরা ছেলেদের সচারাচর মাদ্রাসায় পাঠায় না।
তবে সাম্প্রতিক উগ্র ইসলামপন্থী মানুষদের সাথে মাদ্রাসার সম্পর্কের কথা ব্যপক প্রচারিত হওয়ার পরে মাদ্রাসার বিষয়ে একটা উদ্বেগ ও আশংকা তৈরি হয়েছে। সবাই আদতে মাদ্রাসাগোছের কাউকে দেখলেই সাম্ভাব্য বোমাবাজ চিহ্নিত করে ফেলে। এক দল মানুষের অপকর্মের ভুক্তভোগী হয় অন্য সব নেহায়েত সাধারণ মানুষও।
গত কয়েকবছরে যতগুলো আন্তর্জাতিক বোমা হামলা ও ইসলামি জঙ্গি হিসেবে আটক হওয়া যুবকদের যাচাই করে জানা গেছে এদের অর্ধেকের বেশী আদতে কোনো মাদ্রাসার সাথে সম্পর্কিত নয়। তবে পাকিস্তানী কিংবা আলজিরিয়ান যারা জঙ্গী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে তাদের সবারই মাদ্রাসা কানেকশন আছে।
আরব উপদ্বীপ কিংবা মিশরের মানুষের অন্য আদর্শিক কারণ আছে, সেটা বোধ হয় সামাজিক বোধের সাথে মিলে মিশেই আছে, সুতরাং সেখানের সাধারণ শিক্ষিত যুবকও ইসলামি জঙ্গীতে রুপান্তরিত হতে পারে সহজেই, তবে উপমহাদেশের প্রেক্ষিত বিবেচনা করলে এখানে যাবতীয় ইসলামি উগ্রপন্থার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত মানুষগুলোর মাদ্রাসা কানেকশন অবধারিত শর্ত।
ইরাকে কিশোরীরাও আত্মঘাতি বোমা হামলা করছে, ভাইয়ের অসমাপ্ত মিশন সমাপ্ত করছে বোন, নিজেরাই সুইসাইড বোম্বিং স্কোয়াডে নাল লিখিয়ে আসছে, এই জঙ্গীবাদ কোনোভাবেই ইসলাম কায়েমের জন্য নয়,বরং চরিত্রে সেটা ঔপনিবেশিকতাবিরোধী। তবে প্রতিবাদী মানুষগুলো জন্ম সূত্রে মুসলিম হওয়ায় এইসব আত্মঘাতি মানুষগুলোও ইসলামি জঙ্গি হিসেবে চিত্রিত হচ্ছে।
উপমহাদেশের প্রেক্ষিত ভিন্ন, এখানে নতজানু সরকার, জাতীয়তাবাদী চেতনা পদলেহনের ধাক্কায় প্রথম বিশ্বমুখাপেক্ষী, এখানের প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্যতার বদলে রয়েছে জনসম্পদের প্রাচুর্যতা, এটা সাম্ভাব্য বহুজাতিক ভোক্তা তৈরির উপযুক্ত ক্ষেত্র- এখানে তেমন স্পষ্ট ঔপনিবেশিকতা নেই, সসৈন্য উপস্থিতি নেই। এখানের ধাঁচ আলাদা, এখানে মানুষ ইসলাম কায়েমের নামে বোমাবাজি করে, এবং এই বোমাবাজদের সাথে মাদ্রাসার সংশ্লিষ্ঠতা আছে। এটাই বাস্তবতা।
আল ইহসান বিক্রী হবে না এটা জানাই ছিলো, তাই অযথা গালি খেয়ে মুখ চুন না করে ছেলেটা আল ইহসান নিয়ে রওনা দিলো, তেলতেলে বিব্রত হাসিটুকু শেষ পর্যন্ত তার মুখে লেপ্টে ছিলো সামাজিক ঘৃণার থুতুর মতোই। আর উৎফুল্ল দশাসই লোকটা একটা সাম্ভাব্য জঙ্গীকে নাজেহাল করবার আনন্দে চারপাশ থেকেই হাততালির প্রত্যাশা করছিলো।
এর ভেতরেই বাস চলে আসলো। সুতরাং এইসব ফালতু বিষয়ে উৎসাহী না হয়ে আমিও বাসের টিকেট হাতে লাইন ধরে সামনে আগাই- একটা বাস আসছে, সামনে ব্যনার লাগানো। সাবের হোসেন চৌধুরি শেখ হাসিনাকে স্বাগতম জানিয়েছে।
বাসভর্তি সুবেশী নারীরা। সবাই বাস নিয়ে যাচ্ছে, শেখ হাসিনা, শেখ হাসিনার আগমন শুভেচ্ছা স্বাগতম বানীতে চারদিক প্রকম্পিত। এই সকালে এত সজ্জিত হয়ে বাসে উঠতে এই মহিলাগুলোকে কতটা ভোর থাকতে উঠতে হয়েছে?
বাস আমাদের পেছনে রেখে সামনে চলে গেলেও বেশি দুর যেতে পারে না সামনে অনেকগুলো গাড়ী আটকে আছে।
পদাতিক আওয়ামী লিগের সমর্থকদের মিছিল যাচ্ছে এয়ারপোর্ট। তাদের পেছনে হাঁটার গতিতে গাড়ীগুলো যাচ্ছে। মিছিলে অন্তত হাজার খানেক মানুষ, তাদের পেছনে আমরাও আছি, যাদের নিয়মমতো পৌঁছাতে হয় কাজের ঠিকানায়। সামান্য হিসেবের হেরফের হলেই যাদের দৈনিক মজুরি কাটা যায়।
তাদের পাশ কাটিয়ে বাস চলে যাবে এটাও তাদের পছন্দ না। শেখ হাসিনার আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা হয়তো এই শ্লোগান শুনতে পারবেন না। তার আহত বধিরপ্রায় কানের চিকিৎসা হয়েছে বৈদেশে। তিনি সুস্থ শ্রবনক্ষম হয়ে ফিরে এসেছেন কি না সেটাও জানি না। তবে এই মানুষগুলোকে দেখি, যারা অনেক প্রত্যাশা নিয়ে পায়ে হেঁটে যাচ্ছে অন্তত ১৫ কিলোমিটার, তাদের নেত্রীকে স্বগত জানাতে। সাবের হোসেন মহিলাদের জন্য দয়পরবশ হয়েই গাড়ীর বন্দোবস্ত করেছেন, তবে যুবক, তরুন এবং বৃদ্ধদের জন্য এইসব ব্যবস্থা নেই।
৩২ নাম্বারের সামনে অন্তত ৪ ট্রাক পুলিশ, ব্যরিকেড, এবং অসংখ্য কর্মীর ভীড়। এতগুলো মানুষ শুধু একটু আশ্বাসের বানী শুনতে চায়। দেশে গণতন্ত্র ফিরবে, দেশের মানুষের অভাব ঘুচবে। দেশে অন্তত মানুষ মানুষের মতো বাঁচবে। তারা নিয়মিত সস্তায় ভাত-ডাল খেয়ে বাঁচতে চায় একটু সম্মানের সাথে।
তারা ১৮ই ডিসেম্বর ভোট দিবে , অনেক প্রত্যাশা নিয়ে মানুষ ঘুম চোখেই রাস্তায় নেমেছে, এত ব্যস্ত রাস্তার সবগুলো মানুষের ভোগান্তির কারণ হয়েও তারা তাদের সমর্থন জানাতে নেমেছে রাস্তায়।
তারা কিসের প্রত্যাশা করে, প্রত্যাশা আদতেই যৌক্তিক কি না, এইসব নিয়ে সভা সেমিনার, গলা ফাটানো বক্তৃতা এবং সংশয় প্রকাশ করতে পারি সুশীল মধ্যবিত্ত হয়ে- তবে এতগুলো মানুষের অব্যক্ত প্রত্যাশা কি শেখ হাসিনার কানে পৌঁছাবে।
শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরছে অনেক অনেক দিন প্রবাসে থাকবার পরে, বিদেশে উন্নত চিকিৎসা নিয়ে তার প্রায় বধির হয়ে যাওয়া কান হয়তো এখন পুনরায় সচল হয়ে উঠেছে।
তিনি বিদেশে প্রায় বধির কানের চিকিৎসা করে অনেক দিন পর ফিরছেন। ঢাকা শহরের চিরায়ত যানজটকে আরও একটু উস্কে দিয়েই ফিরেছেন, তার শ্রবনক্ষমতা ফিরে পাওয়া কানে এই প্রত্যাশার অব্যক্ত স্বর প্রবেশ করুক।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

