অতি দক্ষ মিথ্যুক না হলে সত্যবাদিতা উৎকৃষ্ট পন্থা

বই মেলার জুলুম

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪২

শেয়ারঃ
0 0 0

বই মেলায় যাওয়া হয় নি একেবারেই এমনটা বলবো না। গত শনি বার ছেলেকে নিয়ে গিয়েছিলাম বই মেলায়। অনেক উৎসাহ নিয়ে যাওয়া এবং আশংকা নিয়ে বইমেলার ভেতরে ঘোরাঘুরি করাটাই নিয়তিনির্ধারিত হয়ে আছে বাংলাদেশে।

বাংলাদেশের মানুষ বই কিনে পড়ে না, এমন কি পাঠাভ্যাসের দিক থেকে বিবেচনা করলো হয়তো বিশ্বের প্রথম ৫০টি দেশের একটিতেও থাকবে না বাংলাদেশ। বাংলাদেশ পাঠ্যাভ্যাস বিবেচনা করলো হয়তো এখনও সৌদি আরব, কাতার, মোজাম্বিক কিংবা ঘানা এইসব দেশের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারে, কিন্তু একুশে বইমেলায় গেলে এই সত্য বিশ্বাস করা কষ্টকর।
একুশে বইমেলায় মানুষের মাছি থকথকে ভীড় দেখে কেউ বলবে এই ফেব্রুয়ারী মাসকে বিবেচনায় রেখেই প্রকাশকেরা বই ছাপান, লেখকেরা সারা বছর অপেক্ষায় থাকেন বইমেলায় বই প্রকাশের জন্য এবং প্রকাশকদের কথা শুনলে মনে হবে শুধুমাত্র ফেব্রুয়ারীতেই বাঙালী বই কিনে।

কিন্তু বইমেলায় এত মানুষের ভীড়, এত কোলাহল, এবং একটা দোকানের সামনে দাঁড়ানো অধিকাংশ মানুষই বই কিনছে না। বই মেলা ভাঙবার সময় যারা বই মেলা থেকে ফিরে যাচ্ছে তাদের হাতের দিকে তাকালেও এই সত্যটা স্পষ্ট হয়, ৯০ শতাংশ মানুষ শুধুমাত্র একটা মেলায় না গেলে কেমন হয় ভাবনা থেকে মেলায় আসে।

এইসব অভ্যাগতদের পা না মারিয়ে বইমেলা থেকে ফিরে আসা সম্ভব না মোটেও। দুলকি চালে হাঁটতে হাঁটতে যখন বাংলা একাডেমী চত্ত্বরে ঢুকবো ছেলেকে নিয়ে, তখনই পুলিশ বাগড়া দিয়ে বললো এদিক দিয়ে না প্রবেশ অন্য পথে।

সুতরাং পুলিশ নির্ধারিত প্রবেশ পথে প্রবেশ করলাম বই মেলায়। শিশু উপযোগী বই কিনবার ইচ্ছা ছিলো, ধারাপাত, শিশুশিক্ষার বাইরে যারা এখনও পড়তে শিখে নি কিংবা সদ্য পড়তে শিখেছে তাদের উপযোগী বই নেই তেমন। তবে আমার ছেলের এসবে সমস্যা নেই, যেকোনো বই, দশ বারোটা ছবি থাকলেই তার চলে। সেও কম্প্যুশিক্ষিত, তার অধিকাংশ ইন্ট্যারাকটিভ বইয়ের ভীড়ে নতুন যেকোনো সংযোজন তাকে আনন্দিত করে।

হঠাৎ করেই ছেলের চিৎকার, ওরে বাবা, ওটা আবার কে?
তাকিয়ে দেখলাম ভোম্বল দাসের একটা মুর্তি বানানো, সেটা টোনাটুনির স্টল। সেখানে ভোম্বল দাস দেখে ছেলে উৎফুল্ল। তার টোনাটুনির অনেক কিছু কিনবার আগ্রহ আছে, যাওয়ার পথে কিনে দিবো, সান্তনা দিয়ে বই মেলায় ঢুকে গেলাম।

ঘুরছি গোলক ধাঁধায়, টম এন্ড জেরী কিংবা কার্টুন ক্যারেকটারের উপরে নকল বইগুলোর ছাপা খারাপ, এবং আমি যেসবকে পছন্দসই বিবেচনা করি, দেখা গেলো আমার পছন্দের উপরে ছেলের আস্থা খুবই কম। সুতরাং সে যেসব পছন্দ করে সেসব আমার পছন্দ না হলেও পুনরায় সান্তনা দিতে হয়,
সামনে থেকে ঘুরে আসি, যাওয়ার পথে কিনবো।

শিশু একাডেমী, এখনও বাংলা ছড়ার বই পাওয়া যায় ১৬ টাকায়।

আমার এটা জানা ছিলো না, আমার ছেলে বেলায় শিশু একাডেমীর বইয়ের দাম ছিলো ৩ টাকা, ৪ টাকা, তবে শিশু একাডেমীর বইয়ের মূল প্রাণ আমার কাছে বফিকুন নবী, হাশেম খান আর কাইয়ুমের অলংকরণ। বাংলাদেশের শিল্প সংস্কৃতিতে কিংবা বৈশ্বিক বিবেচনায় তারা কত বড় মাপের শিল্পী আমি জানি না তবে আমার কাছে বাংলাদেশের সেরা আঁকিয়ে তারাই।

শিশু একাডেমীর বই কিনলাম, আরও কিনবার ইচ্ছা ছিলো, হয়তো কিনবো শেষের দিকে, তবে একটা কথা বলে রাখি, অধিকাংশ ছড়ার বই যা তা। ছড়া হিসেবে যা লেখা হয়েছে সেগুলো যদি কাইয়ুম ,রফিকুন কিংবা হাশেম খানের ছবি দিয়ে অলংকৃত না হতো তবে নিঃসন্দেহে সেসব খুব উন্নত মানের টয়লেট টিস্যু হতে পারতো।

পপ আপ সিরিজের বই এসেছে, প্রকাশকের নাম প্রগতি পাবলিশার্স। ছয়টা বইয়ের এক সেট, দাম ২৭৫ টাকা, বাংলাদেশের প্রথম প্রয়াস হিসেবে অবশ্যই প্রশংসা করতে হয় এর মানের, পান্তা বুড়ির গল্প, মীনার গল্প, শিক্ষামূলক একটি পপ আপ, বাঘ আর শেয়ালের গল্প, মোটের উপরে খারাপ না , অন্তত বিনিয়োগ সম্পূর্ণ সফল, ছেলে আগ্রহ নিয়ে বই খুলে খেলছে।

টোনাটুনি থেকে ছবি আঁকবার উপকরণ কিনে আনবার সময় ছেলের বায়না ছিলো ওর জন্য ধারাপাত কিনতে হবে, ওটা আপাতত ঝুলিয়ে রাখতে হবে,
এইসব নানাবিধ মুলো ঝুলিয়ে ছেলের সাথে রাজনীতি করাটা উচিত না হলেও আপাতত এর বাইরে অন্য কোনো উপায় নেই।

বাইরে বের হয়েই ছলের আব্দার, বাবা বল কিনবো। আমিও সমাল তালে জবাব দিলাম, যদি বল কিনো তাহলে তোমার বই ফেরত দিয়ে আসবো।

বলের চেয়ে বইয়ের মূল্য এখনও ছেলের কাছে বেশী, সুতরাং ধমকে কাজ হলো।

বাঙালী দুই ঈদে আর পূজায় জামা জুতা কিনে, ফেব্রুয়ারীতে বই কিনে- বাঙালীর রসনার তৃপ্তি নিবৃত করার বাইরে অন্য কোনো কাজে তেমন অর্থ ব্যয় করে না। অবশ্য ইদানিং এই অপবাদ ঘুচে যাচ্ছে কিংবা গিয়েছে হয়তো।

বাঙালী এখন পহেলা ফাল্গুনে হলুদ জামা কিংবা শাড়ী কিনে, ফাল্গুনের রং হলুদ। হলুদ শাড়ী লাল পাড় মাথায় গাঁদা কিংবা বেলী কিংবা লাল গোলাপ, কিন্তু হলুদের ছোঁয়া না থাকলে বসন্ত মলিন। সুতরাং বাঙালী প্রতিবেশীর সাথে পাল্লা দিতে গিয়ে এখন প্রতি বসন্তে নতুন হলুদ জামা কিনে। এটা শুধুমাত্রা অবস্থাপন্ন তথাকথিত শিক্ষিত সংস্কৃতিবান মানুষের চর্চার বিষয় নয় এখন। এমন কি পহেলা ফাল্গুন ভোরের বেলায় রাস্তায় শট শত মেয়েরা নেমেছে হলুদ শাড়ী পড়ে, তাদের সঙ্গতি হয়তো রং কিংবা বাংলার মেলা পর্যন্ত যায় না, কিন্তু ১৬০ থেকে ২২০ টাকার ছাপানো শাড়ী পড়ে যখন রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে তখনই এটা সার্বজনীনতা পেয়েছে।

সংস্কৃতি চর্চায় প্রচারণার বিকল্প নেই মোটেও, তাই প্রতি বছরই এমন হলুদ শাড়ী পড়া মেয়েদের সংখ্যা বাড়ছে, ঈদ পূজার ধর্মীয় আবহের বাইরে সার্বজনীন বাঙালী উৎসব হয়ে যাচ্ছে পহেলা ফাল্গুন আর পহেলা বৈশাখ।

একই সাথে ভ্যালেন্টাইন দিবস উদযাপনের হ্যাপা। সেদিন আবার সবাইকে লাল জামা পড়তে হয়, ভালোবাসার রং লাল? আমি জানি না আসলে।

যাই হোক গত কাল ফাল্গুনের প্রথম দিবসে বই মেলায় গিয়ে খুব একটা ক্ষতি হয় নি, অনেকের সাথে দেখা হলো। চা আর পানির জন্য হাহাকার বাদ দিলে মোটের উপরে সময়টা খারাপ কাটে নি।

বই মেলায় লিটলম্যাগ চত্ত্বরে গিয়ে দেখলাম সিটিসেল জুমের দোকান, তবে আমি জানি না, সিটিসেল জুমের কয়টা প্রকাশনা আছে? কিংবা বিডিনিউজ২৪.কমের স্টল কেনো লিটলম্যাগ চত্ত্বরে। মিডিয়া সেন্টার আছে, সেখানে কেনো নয়?

সেখানেই দেখলাম আহসান হাবিবকে, হুমায়ুন আহমেদ, জাফার ইকবালের পরিবারের অবহেলিত এবং সম্ভবত সব চেয়ে দুর্বল সেন্স অফ হিউমারের অধিকারী সদস্য। তার নিয়মিত প্রকাশনা উন্মাদের স্টলে বসে আছে মুখ শুকনো করে, আমি স্কুলে থাকতে নিয়মিত উন্মাদ পড়তাম, এরপরে আমার রুচি বদলে গিয়েছে, উন্মাদের মান আমার চাহিদার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ে নি, বরং শিশিরের রাজনৈতিক কার্টুন কিংবা রনবীর স্যাটায়ার আমার এখন উপভোগ্য মনে হয়, উন্মাদ ঠিক সেইরকম একটা অবস্থানে নেই বলেই আমার কাছে উপভোগ্য নয়।

জানি না উন্মাদ বাজারে কেমন চলে, তবে বই মেলায় আহসান হাবিব বিকল্প আয়ের সংস্থান হিসেবে পারিবারিক ব্যবসা খুলে বতে পারে। বই মেলায় জাফর ইকবাল আর হুমায়ুন আহমেদের অটোগ্রাহের বাজারদর ভালো, আহসান হাবিব বইমেলায় বুথ করে ভাইদের দিয়ে অটোগ্রাফের ব্যবসা করলো অন্তত সারা বছরের খোরাকি হয়ে যাবে তার। পঅটোগ্রাফ প্রতি ১ টাকা পেলেও প্রতি দিন অন্তত ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা উপার্জন হবে। যদি এটাও করতে ইচ্ছা না করে, বেহুদা উন্মাদের স্টলে মুখ গোমড়া করে বসে না থেকে বরং ভাইদের দেওয়া অটোগ্রাসের সংখ্যা গুনতে পারে, বইসা বইসা বাল খাউজানোর চেয়ে অটোগ্রাফ গোনা শোভন।

আরিফ জেবতিক, আমি আর মুকুল গিয়ে দাঁড়ালাম বিদ্যাপ্রকাশের স্টলের সামনে। বই মেলা থেকে বের হয়ে যাওয়ার আগে আগে। মানুষ শখ করে চিরিয়াখানার সামনে গিয়ে বাঁদরের খাঁচার সামনে দাঁড়িয়ে থাকে, আমরাও একই রকম উৎসাহ নিয়ে দাঁড়িয়ে আছি, আগ্রহ নিয়েই দেখছি, মোহিত কামাল অটোগ্রাফ দিচ্ছে।

এই রকম সস্তা একটা লেখক বাংলাদেশে পুরস্কৃত হয় এবং মানুষ আগ্রহ নিয়ে তার অটোগ্রাফ নিচ্ছে এটা দেখে আক্ষেপ করি না, বরং মনে হয় আদতে মোহিত কামালের মানের লেখকেরা যখন সর্বাধিক বিক্রিত লেখকের তালিকার উপরে থাকে, তখন বই মেলা থেকে বের হওয়ার সময় যেসব মানুষ বই না কিনে বের হয়, তাদের রুচিবোধ অবশ্যই উন্নত।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫১
আরিফুর রহমান বলেছেন: ধুর!

আমাদের আশা আছে, এখনো, দেইখেন!
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:০৫

লেখক বলেছেন: আমাদের আশা এখনও আছে। এইটা সত্য-

মানুষের জীবিকা মূলত অন্নমুখী চেতনা তৈরি করে, পরবর্তী পর্যায়ে সেটা বস্ত্রমুখী হয়, এরপর গৃহসজ্জ্বা। এই পর্যায়টা পার হয়ে গেলে মানুষ মননশীল বই কিনতে চায়, আমাদের পরিবর্তনের প্রথম ধাপটা শুরু হয়েছে।

এখন একেবারে নিম্নবিত্ত মানুষ ক্ষুধার অন্ন সংস্থান হলে উৎসবের আমেজের সাথে তাল মিলিয়ে পোশাক পড়ছে। হয়তো এরাই একদিন বই কিনবে।

তারা যখন বই কেনা শুরু করবে তখন আর সস্তা মধ্যবিত্ত বিকার আর বিলাসের ছবি সাহিত্যের প্রধান উপজীব্য হবে না।

২. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫২
মেহবুবা বলেছেন: ভালই লিখেছেন ! তবে আমরা বই মেলায় গেলে কাঁধে ব্যাথা হয়নি এমন কম ঘটেছে!
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:০২

লেখক বলেছেন: বইমেলাতে যেতে অনাগ্রহী কাউকে কাঁধে নিয়ে বই মেলা ঘুরালে এমনটা ঘটতেই পারে।

৩. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৬
পলাশমিঞা বলেছেন: আপনার সাথে আমি একমত।

তখন বই মেলা থেকে বের হওয়ার সময় যেসব মানুষ বই না কিনে বের হয়, তাদের রুচিবোধ অবশ্যই উন্নত।


এইখান খাসা হইছে।

ভাইজান আপনিও লেখালেখি করেন নাকি। আমিও লেখি :(
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:১০

লেখক বলেছেন: হ

ব্লগ লিখি, নিয়মিত।

৪. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৬
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: আহসান হাবিব সম্পর্কে খুব ভালো না জানলেও উন্মাদ প্রিয়র লিস্টিতে ছিল...উনার প্রতি আক্রমণ ভাল্লাগলো না।

আর সিটিসেল, বিডিনিউজ কেমনে স্টল পায় বুঝি না! আমাদের সামহোয়ার তো একটা স্টল দিবার পারে
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:০১

লেখক বলেছেন: এইটা ঠিক আক্রমন না, আমার ব্যক্তিগত অভিমত বলা যায়।

৫. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৯
পলাশমিঞা বলেছেন: @ ভাঙ্গা পেন্সিল

আমাদের সামহোয়ার তো একটা স্টল দিবার পারে

আমিত গত বছর বলেছিলাম কিন্তু ওরা আমাকে ব্যান মোবারক দিয়েছিল :(
৬. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:০০
শিবলী বলেছেন: পড়ে বাস্তবতার সাথে নিজের চিন্তাটা মিলে গেল।

গতকাল বইমেলায় গিয়েছিলাম
ভীড়ের কারনে কোন স্টলেই দাড়াতে পারিনি, বই দেখাতো দুরের কথা।
আগে থেকে ঠিক করে যাওয়া একটা বই , ঐ বইয়ের স্টলে যেয়ে জিগ্গাস করতেই , সেলস ম্যান এমন ভাব দেখাল, যেন ঐ বইয়ের নাম জীবনেও শুনেনাই :(
৭. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:০৩
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: বানিজ্য সবই বানিজ্য....

ছোটবেলা আমিও খুব আগ্রহ করে উন্মাদ পড়তাম। ভালই লাগতো...এখন জানিনা কেমন। কারন অনেকদিন পড়া হয়না।

মোহিত কামাল টিনেজারদের মাঝে এখন একটা ট্রেন্ড। আমরা যত যাই বলিনা কেন হুআহ, মোকা এরাই কিন্তু সর্বাধিক পঠিত আমাদের দেশে। আমার মনে হয় হুমায়ুন আজাদের মতো লেখকদের বোঝার মতো প্রজ্ঞা এখনও আমাদের দেশের পাঠকেরা অর্জন করতে পারেনি। যেখানে বেশীর ভাগ পাঠকদের বয়স ২৫ এর কম।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:০৮

লেখক বলেছেন: এটা একদিক দিয়ে ঠিক বলা যায়, হুমায়ুন আহমেদের কৃতিত্ব একটাই, তার লেখা দিয়ে প্রাক তরুণ আর প্রক যৌবনকে মুগ্ধ করে রেখেছেন, তারা হুমায়ুন আহমেদ পড়ে বই পড়তে শিখে এবং এরাই একটা পর্যায়ে হুমায়ুন আহমেদ পড়া ছেড়ে দিয়ে অন্য মননশীল বই পড়তে শুরু করে।

জাফর ইকবাল লেখক হিসেবে ঠিক হুমায়ুন আহমেদ কিংবা মোকার কাতারে না, অন্তত আমার বিবেচনায়।
কিন্তু মোকা কেনো এটা আমি বুঝতে পারি না।

৮. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:০৭
মেহবুবা বলেছেন: অনাগ্রাহী মানে ? আমার কন্যাসহ গিয়ে বই কিনে যখন ফিরছিলাম , মনে হল ঝাকা ঞলে বেশ হত । এবার না , গতবার !
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:১০

লেখক বলেছেন: যাস্ট কিডিং,

বুঝতে পারছিলাম বইয়ের বোঝা টেনে ঘাড় ব্যথা।


কিন্তু কাউকে ঘাড়ে টানলেও ঘাড় ব্যথা করে। অবশ্য গাধার ব্যথা মানুষ বুঝে না।

৯. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:০৮
ভেংচুক বলেছেন: উন্মাদ এখন আর টানে না
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:১৩

লেখক বলেছেন: হ, সেইটাই,
আগে সেন্টারফোল্ড নিয়া গবেষণা করতাম।

উন্মাদের অবস্থা হইছে ইত্যাদির মতো। একই প্যাটার্ণ। এমন কি রিপিটেশন দেখছি কৌতুকের। মান ধরে রাখা কঠিন, মান উন্নয়ন করা আরও কঠিন, তবে অবনমনের সীমা নাই,

উন্মাদ উন্নয়নের উল্টা পথে যাইতেছে।

১০. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:১৩
সহেলী বলেছেন: বই মেলা ! ভাবতেই মনে হয় আমরা ধনী .... । এমন একটা মেলা ,আমাদের প্রানেরও মেলা ।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:১৫

লেখক বলেছেন: বাংলা একাডেমী থেকে বের করে বই মেলার জন্য আরও খোলা মেলা প্রান্তর প্রয়োজন। একটু অবকাশ, একটু দম নেওয়ার ফুরসত প্রয়োজন।
বই মেলা গিয়ে বই দেখার বদলে মানুষের গুঁতা খাওয়া আর নিয়মিত ধুলিস্লান ঠিক আমাকে উজ্জীবিত করতে পারে না।

১১. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:১৯
জেরী বলেছেন: ভালো বলেছেন......+++

মোহিত কামালের কোন লেখা পড়ি নাই....কি এমন লিখে যে সবাই এত আগ্রহ নিয়া পড়ে??
১২. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:২৮
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: @পলাশ মিয়াঃ ব্যানেতে ডরায় না বীর;)
১৩. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৫২
ফাহমিদুল হক বলেছেন: অপসাহিত্য পড়ার চাইতে কিছু না পড়াই ভালো তবে!
বইমেলার ডায়রি ভালো হয়েছে।
১৪. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৫৫
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: আমি মোকা পইড়া দেখিনাই...যখন দেখি কোন লেখক/লেখিকা রে নিয়া খুব ফালাফালি হইতেছে, তাও আবার গল্প উপন্যাস তখন একটা সন্দেহ কাম করে মনের ভেতর। মাঝে মাঝে জানতেও ইচ্ছা হয় কি কারনে এই তোলপাড়। কিন্তু পকেটের অবস্হা এবং বইয়ের দাম বিবেচনা কইরা কিনতে আর ইচ্ছা হয়না।

নাসরিন জাহানের কিছু লেখা আমার বেশ ভাল্লাগছে। তারে নিয়া খুব একটা তোলপাড় নাই।

আর হুআহ নিয়া যেইটা কইলেন তার একটা উদাহরন হইতে পারি আমিই। ছোটবেলা এমন কইরা হুআহ গিলতাম, একবার হলুদ পান্জাবী পর্যন্ত বানাইয়া ফেললাম আবেগের তোড়ে। বাট বয়স বাড়ার সাথে সাথে পাঠাভ্যাসও পল্টি খাইলো। আবেগও পল্টি খাইলো।

কন্টিনিউয়াসলি লোক হাসানো খুব কঠিন কাম। সেইটা একটা ফেক্টর উন্মাদ আর ইত্যাদির বেলায়। একলা আর কত টানবো। একসময় থামা উচিত। কিন্তু তারা বুঝতেছেনা যে কোন সময়ে তাদের থামা উচিত। এইটাই সমস্যা।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:০৫

লেখক বলেছেন: মোহিত কামালের বইয়ের দাম বেশী, মাত্রাছাড়া বেশী বলা যায়।

নাসরিন জাহান আমার পছন্দ ছিলো, অনেক দিন পড়ি না।

১৫. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩৮
ইশতিয়াক অাহমেদ বলেছেন: প্রিয়, রাসেল এবং ৮ টি ডট

আমি আপনার লেখার একজন নিয়মিত পাঠক। আপনার যে কোন লেখাই আমি অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়ি। কখনো কখনো ভালো লাগে, কখনো কখনো মুগ্ধ হই...আপনার লেখা সবসময়ই একটা 'ষ্ট্যান্ডার্ট ম্যান্টেনড' করে চলে।
কিন্তু এই প্রথম আপনার লেখা আমাকে হতাশ করেছে। যেভাবে বইমলোকে ধুয়ে দিলেন...তা সত্যিই কষ্টের। লেখা পড়ে বোঝা গেল এমন একটা লেখা লেখবার বাসনা থেকেই বইমেলা ঘুরে এসেছেন। আপনার সব কথার সাথে আমি দ্বিমত নই।
তবে,
'একটা কথা বলে রাখি, অধিকাংশ ছড়ার বই যা তা। ছড়া হিসেবে যা লেখা হয়েছে সেগুলো যদি কাইয়ুম ,রফিকুন কিংবা হাশেম খানের ছবি দিয়ে অলংকৃত না হতো তবে নিঃসন্দেহে সেসব খুব উন্নত মানের টয়লেট টিস্যু হতে পারতো।'
- বিষয়টা খুবই অশালীন লেগেছে। কোনো সন্দেহ নেই দলীয় লেজুর বৃত্তির কারনে অনেকে সরকারী এই প্রতিষ্ঠান থেকে বইপ্রকাশ করে নিয়ে যায়। কিন্তু এই ল্যাঙ্গুয়েজ? খুবই আপত্তিকর। একটা মিনিমাম যোগত্যা হয়তো তাদের আছে।

'সেখানেই দেখলাম আহসান হাবিবকে, হুমায়ুন আহমেদ, জাফার ইকবালের পরিবারের অবহেলিত এবং সম্ভবত সব চেয়ে দুর্বল সেন্স অফ হিউমারের অধিকারী সদস্য। তার নিয়মিত প্রকাশনা উন্মাদের স্টলে বসে আছে মুখ শুকনো করে, আমি স্কুলে থাকতে নিয়মিত উন্মাদ পড়তাম, এরপরে আমার রুচি বদলে গিয়েছে, উন্মাদের মান আমার চাহিদার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ে নি, .....জানি না উন্মাদ বাজারে কেমন চলে, তবে বই মেলায় আহসান হাবিব বিকল্প আয়ের সংস্থান হিসেবে পারিবারিক ব্যবসা খুলে বতে পারে। বই মেলায় জাফর ইকবাল আর হুমায়ুন আহমেদের অটোগ্রাহের বাজারদর ভালো, আহসান হাবিব বইমেলায় বুথ করে ভাইদের দিয়ে অটোগ্রাফের ব্যবসা করলো অন্তত সারা বছরের খোরাকি হয়ে যাবে তার। পঅটোগ্রাফ প্রতি ১ টাকা পেলেও প্রতি দিন অন্তত ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা উপার্জন হবে। যদি এটাও করতে ইচ্ছা না করে, বেহুদা উন্মাদের স্টলে মুখ গোমড়া করে বসে না থেকে বরং ভাইদের দেওয়া অটোগ্রাসের সংখ্যা গুনতে পারে, বইসা বইসা বাল খাউজানোর চেয়ে অটোগ্রাফ গোনা শোভন।'

- এই অংশটি আপনার মতো লেখকের কাছ থেকে আসায় খুবই আহত করেছে আমাকে। কোনো সন্দেহ নেই হুমায়ুন আহমেদ, জাফর ইকবালের চেয়ে দূর্বল সেন্স অব হিউমারের লেখক আহসান হাবীব। কিন্তু আমি জানিনা আপনি কোন বিবেচনায় অটোগ্রাফ ব্যবসার বুদ্ধি দিলেন হিউমার লেখার ষ্টাইল পাঠকপ্রিয়তা অনেক বিষয় বিবেচনায় আহসান হাবীব অনেকের চেয়ে এগিয়ে। তবে আপনার লেখার শেষ অংশ পড়ে মনে হলো হয়তো নিতান্তই কোন আক্রশ থেকেই এই বিষয়ের অবতারনা। নইলে, বইসা বইসা ... চেয়ে অটোগ্রাফ গোনা শোভন।'-এই লাইন আসা সম্ভব না।

আমি জানি এদেশে নষ্টদের কত কদর। আমি জানি কিভাবে মেধাহীনরা পৃষ্টপোষকতা পায়। কিভাবে মিডিয়া সামান্য লেখালেখি পারা লোককে লেখক বানিয়ে দেয়। আমি এসব বিষয়ে সম্পূর্ণ একমত। তবে এভাবে না। মতামত আরেকটু সহনশীল আরো পরিমিতি বোধ থেকে আসা উচিত।
আপনার মনে রাখা জরুরী ব্লগে অনেকে লেখেন। ভালো লিখেন কয়েকজন। আপনি তাদের একজন। সুতরাং একটু ধীরে...।

রাসেল আপনি ভালো থাকুন।

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩০

লেখক বলেছেন: বাঙালী মাংনা পেলে আলকাতরা খায়, আর বিনামূল্যে যেটা বিতরণ করে সেটা উপদেশ। আমিও একটা উপদেশ দিলাম বিনামূল্যে। তবে মাংলা পাওয়া আলকাতরা খেলেও মাংনায় পাওয়া উপদেশ বাঙালীর পছন্দ হয় না সব সময়।

আহসান হাবিব আমার উপদেশ শুনে উন্মাদের ধাঁচ বদলাবে না এটা আমি নিশ্চিত, এমন কি আমার এই অর্থকরী বুদ্ধি শুনে নিজস্ব উপার্জন বাড়িয়ে নিবে না, এটাও আমি নিশ্চিত।

পাঠকের অভিমত নিজস্ব বৃত্ত থেকে আসে, লেখকের অভিমতও তেমন ভাবেই নিজস্ব বৃত্তের ভেতরেই ঘুরপাক খায়। আপনাকে মর্মাহত করবার জন্য দুঃখিত হলেও আমি নিজের বৃত্ত ছেড়ে নড়ছি না এ মুহূর্তে।

আপনিও ভালো থাকুন,

১৬. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪৭
নির্বাক হাসান বলেছেন: লেখার চেয়ে কমেন্ট বড়।

খাউজানির সাথে বইমেলার সম্পর্ক কি বুঝলাম না

মাইনাচ
১৭. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫৭
ত্রিশোনকু বলেছেন: "এই রকম সস্তা একটা লেখক বাংলাদেশে পুরস্কৃত হয় এবং মানুষ আগ্রহ নিয়ে তার অটোগ্রাফ নিচ্ছে এটা দেখে আক্ষেপ করি না, বরং মনে হয় আদতে মোহিত কামালের মানের লেখকেরা যখন সর্বাধিক বিক্রিত লেখকের তালিকার উপরে থাকে, তখন বই মেলা থেকে বের হওয়ার সময় যেসব মানুষ বই না কিনে বের হয়, তাদের রুচিবোধ অবশ্যই উন্নত"

-সহমত, গত বছর একটা কিনেছিলাম, আজতক শেষ করতে পারিনি।



"জাফর ইকবাল লেখক হিসেবে ঠিক হুমায়ুন আহমেদ কিংবা মোকার কাতারে না, অন্তত আমার বিবেচনায়।
কিন্তু মোকা কেনো এটা আমি বুঝতে পারি না।"

- একমত। বর্ণনার সময় কাল ও ক্রিয়া ঠিক রাখতে পারেন না। উপন্যাসের মান উন্নত নয়। তবে এখনো তার সাইফি গুলো ভাল লাগে।

"ভেংচুক বলেছেন: উন্মাদ এখন আর টানে না।"

-আমার মনে হয় (আমি ভুলও হ'তে পারি) ইসতিয়াক চলে যাবার পর থেকেই উন্মাদের মান নিম্নগামী। আহসান হাবিবের একটা বই কিনেছি, এখনো পড়া শুরু করিনি।



"লেখক বলেছেন: বাংলা একাডেমী থেকে বের করে বই মেলার জন্য আরও খোলা মেলা প্রান্তর প্রয়োজন। একটু অবকাশ, একটু দম নেওয়ার ফুরসত প্রয়োজন।
বই মেলা গিয়ে বই দেখার বদলে মানুষের গুঁতা খাওয়া আর নিয়মিত ধুলিস্লান ঠিক আমাকে উজ্জীবিত করতে পারে না।"

-গতবছর শেষের দিকে ইন্টারন্যাশনাল বুক ফেয়ারে গিয়েছিলাম। ইউনিভারসিটির খেলার মাঠে হয়েছিল। বেশ ছিমছাম।


"জেরী বলেছেন: ভালো বলেছেন......+++

মোহিত কামালের কোন লেখা পড়ি নাই....কি এমন লিখে যে সবাই এত আগ্রহ নিয়া পড়ে??"

-একটু উদাহরন দেই: "......ডোর খোলার সংগে সংগে বারান্দার ফুলের টবগুলো দেখা যায়।............" (মায়াবতী, পৃ:১৪)।

আমার ধারনা তার বইয়ে কিছু নিষিদ্ধ সম্পর্কের অবতারনা করার জন্যেই তিনি এত পাঠক প্রিয়। আর যেহেতু তিনি মনোবিজ্ঞানী তাই ঐ সম্পর্কগুলোকে সত্য বলে ধরে নেয় তার পাঠকরা। মায়াবতীতে এক প্বার্শ চরিত্র তার প্রবাসী আপন মামার সাথে প্রেম করে।

১৮. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫২
এস্কিমো বলেছেন: আপনি কি কি বই কিনলেন?
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩২

লেখক বলেছেন: আমি এখনও বই কিনি নি, উপন্যাস কিংবা গল্প কিনবার ইচ্ছাও নাই, এখন থেকে অটোবায়োগ্রাফি আর বায়োগ্রাফি কিনবো, কিনবো জার্নাল, সেটা ১৮৫০ থেকে ১৯৫০ এর ভেতরে প্রকাশিত হলে আরও ভালো হয়। এমন কিছু বইয়ের সংবাদ থাকলে ভালো হয়।

১৯. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪০
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: বরং মনে হয় আদতে মোহিত কামালের মানের লেখকেরা যখন সর্বাধিক বিক্রিত লেখকের তালিকার উপরে থাকে, তখন বই মেলা থেকে বের হওয়ার সময় যেসব মানুষ বই না কিনে বের হয়, তাদের রুচিবোধ অবশ্যই উন্নত।



--- :) :) :)
ওই লোক ঝানু মাল, বাজারে কি চলে তা বুইঝা নিয়া একটা খিচুরী রান্ধছে, পাব্লিক খাইতাছে.। আর কি।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫০

লেখক বলেছেন: খিচুড়ি জিনিষটা খারাপ না, আমার ভালোই লাগে।

২০. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২২
দস্যু বনহুর বলেছেন: মোহিত কামাল তার অন্তঃসারশুন্য উপন্যাসগুলোর নাম দিয়েছে 'মনোবৈজ্ঞানীক উপন্যাস'। গত কয়েক বছরে দেশে মোহিত কামালের টার্গেট মানসিক রোগী এবং নিজেকে মানসিক রোগী ভাবা পাব্লিকের সংখ্যা আশংকাজনকভাবে বেড়ে গেছে। মনোজগৎ নামে একটি পত্রিকা বের হয়, সেখানে লোকজনের হাজার হাজার সমস্যার বিবরন পড়লে বুঝা যায় সংখ্যাটি কত ভয়াবহ।
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৫

লেখক বলেছেন: সাইকো এনালাইসিস করে সম্পর্কের জটিলত বুঝতে পারা হোগাপাকনা পোলাপাইনের সংখ্যাও বাড়ছে অনেক। এইটাও মোহিত কামালের অবদান।

২১. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩২
শুকলা দাস বলেছেন: হুমম। কিন্তু লেখক হিসাবে জাফর সাহেব কেন হুমায়ুন মোকাদের কাতারে পড়বেন না একটু ব্যাখ্যা করলে আমি খুশি হতাম। জাফর স্যার মানুষ হিসাবে তাদের চেয়ে ভালো বলেই কি তিনি সস্তা লেখার দায় এড়াতে পারবেন?

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৮৭৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
অনেক অনেক চেষ্টা হয়েছে ব্লগানোর বাংলা করা নিয়ে, আমার এখন ব্লগের নতুন বাংলা করতে ইচ্ছা করলো তাই দিলাম এর নাম...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ