somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমাদের পাঠশালা

০৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অনেক দিন ধরেই পরিকল্পনা ছিলো আমরা যাবো আমাদের পাঠশালায়, তবে পারস্পরিক সময়ের হিসেব না মেলাটাও একটা বড় কারণ ছিলো এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত না হওয়ার পেছনে। সব মিলিয়ে যে দিন জানলাম সবাই যাচ্ছে আমাদের পাঠশালায় সেদিন আমার উপস্থিত হওয়ার কোনো সম্ভবনাও ছিলো না, তবে পাকে-চক্রে যখন ঠিক তার আগের দিন ঢাকায় ফিরে আসলাম, তখন মনে হলো একবার যাওয়া যায় রুবেলের স্কুলে, গিয়ে দেখি আসি কি ঘটনা , কি রটনা।

পরদিন সকালে সবার উপস্থিত হওয়ার সময় ছিলো ১১টায়, বাঙালীর সময় আর কান্ডজ্ঞানের অভাব সর্বজনজ্ঞাত, তাই হিসেব করে পিচ্চিকে নিয়ে বাসা থেকে বের হলাম সকাল ১১টায়, গন্তব্য জানা নেই আপাতত। পথে কৌশিককে ফোন করে জানবো কোথায় গিয়ে পৌঁছাতে হবে।

জেবতিক ফোন করেছিলো, সেও যেতে আগ্রহী, আমি বের হওয়ার সময় একটা ফোন করে জানালাম আমি যাচ্ছি, আপাতত রাস্তায়, গেলে দেখা হবে।

কৌশিককে ফোন করে জানলাম আপাতত পল্লবী বাসস্টান্ডের ওখানে পৌঁছালেই হবে, বাকিটা দেখা যাবে।

খটখটে গরম, এবং আমার উৎকণ্ঠা, পিচ্চিকে নিয়ে এই গরমে বের হওয়া এবং এর জবাবদিহিতার বিষয়ও আছে,
ঋকের চাহিদা আমরা সিএনজিতে যাবো, চলতি পথে একজনকে পেলাম। সে গাঁইগুঁই করে যেতে রাজী হলো, তবে মিটারে যাবে না, মিটার নষ্ট, ১৪০ টাকা লাগবে।

তোমারে যে ১৪০ টাকা দিবো তারে নিয়া পল্লবী দিয়া আহো, আমি যাইতাম না তোমার গাড়ীতে, বলে হাঁটা ধরলাম উল্টো দিকে, কিছুক্ষণ পরে পেছন থেকে ডাক এলো, ঠিক আছে ভাই মিটার থেকে ২০ টাকা বাড়ায়া দিয়েন।

চলেন ভাই, বলে উঠে বসলাম। ঋক আনন্দিত, আমি অনেক খুশী পাইলাম- এই তার অনুভুতি।

বিজয় সরণী থেকে কৌশিককে ফোন, সবাই এসে পৌঁছেছে, আমি বললাম, আমি তো চিনি না, সুতরাং আমাকে কষ্ট করে বাসস্টান্ড থেকে ধরে নিয়ে যেতে হবে। হাত ধরে মোরে নিয়ে চল সখা, আমি তো সে পথ চিনি নে চিনি নে অনুনয়ে কোনো কাজ হয় নি, পল্লবী থানার সামনে এসে জানলাম আমাদের গন্তব্য মুসলিম বাজার, পল্লবী ব্লক ডি রোড ২৫ বাসা ৪১।

সেটা কোথায় আমি জানি না, রিকশাওয়ালাকে মুর্শিদ মেনে পথ খুঁজে পাওয়ার আশা করেও সফলকাম হতে পারছি না। এমন উদভ্রান্তের মতো হাঁটা দেখে জনৈক সদাশয় রিকশাচালক জানালেন তিনি আমাকে মুসলিম বাজার পৌঁছে দিবেন। ধরে প্রাণ ফিরে পাওয়ার অনুভুতি নিয়ে চেপে বসলাম। মুসলিম বাজার ঢাল পার হয়ে কোনো এক ২৫ নাম্বার রোড খুঁজে বের করতে হবে।

শেষ পর্যন্ত যেখানে পৌঁছালাম, একটা ১ তলা বাসা, টিনের ছাদ, সামনে একটা আম গাছ। সেটা বাইরে থেকেই দেখা যাচ্ছে, আর ২৫ নাম্বার রোডের অনেকাংশ জুড়েই দেয়ালে ছবি আঁকা। আমাদের পাঠশালা লেখা দেখে নেমে দেখলাম অনেক অনেক মানুষ উপস্থিত সেখানে।

উপস্থিত সবাই নিজের মতো মত বিনিময় করছে, যেহেতু সদ্যাগত সুতরাং আলোচনার লেজ দেখেই সম্পূর্ণটা বুঝে ফেলবো এমন দুরাশা না করে চুপচাপ শুনলাম সবাই কি বলে- ঋককে বললাম বাবা এটা স্কুল তুমি স্কুলে পড়তে যাবা-
পাশের ক্লাশে ছবি আঁকা চলছে, সেখানেই তাকে ঢুকিয়ে দিলাম, ও দিব্যি গ্যাঁট হয়ে বসে দেখা শুরু করলো। একে একে তার কপালে একটা পেনসিল, একটা কাগজ জুটলো, সেটায় তার ছবি আঁকার প্রচেষ্টা চলছে, আমিও পাশে দাঁড়ানো, তবে সদ্য জন্ম নেওয়া আত্মভিমানই বলা যায়া এটাকে-
বাবা তুমি যাও এখান থেকে।


আমি আলোচনায় ঢুকলাম ঠিক এই সময় থেকে।

ঔপনেবিশিকতা, দমন আর জোরপূর্বক বাধ্য করার ফক্করে পরে আছে আমাদের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থা। সেখানে ছাত্র শিক্ষকের ভুমিকাও আলাদা। শিক্ষক সেখানে তার জ্ঞান বিতরন করেন, তিনি তার পঠিত বিষয়াদি উপস্থাপন করেন এবং কেউ সেটা অনুধাবনে ব্যর্থ হলে তিরস্কার করেন, সেটাতেও যদি নিয়ন্ত্রন করতে ব্যর্থ হন তবে তাকে দমন করেন শক্ত হাতে। তাই শুরু থেকেই শিক্ষার্থীরা বশ্যতা শিখে। তাদের ভেতরে প্রশ্ন থাকলেও, কিংবা সংশয় থাকলেও সেটা প্রকাশ করবার দুঃসাহস তার হয় না।

আমাদের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থা আমাদের স্মরণশক্তির পরীক্ষা নেয়, কে বিষয়বস্তুকে কতটুকু গভীরে গিয়ে অনুভব করলো সেটা যাচাই করবার কোনো পদ্ধতি আমাদের সামনে নেই, সুতরাং পঠিত বিষয় কে কতটুকু স্মরণ করতে পারে এবং কতটুকু অবিকল উদ্ধৃত করতে পারে সেটার উপরে আমাদের মেধার বিবেচনা হয়।

কেউ শিক্ষিত হলো কি না এটা যাচাই করবার জন্য আমরা এমন পরীক্ষা পদ্ধতি অনুসরণ করি সব সময়। সুতরাং আমাদের শিক্ষাঙ্গনে আমরা প্রচুর মানুষ দেখি যারা পাতার পর পাতা অবিকল অবিকৃত বলে যেতে পারে, এবং যে বলায় কোনো প্রাণের যোগ থাকে না। পরীক্ষার প্রস্তুতি মানেই বইয়ের দাঁড়ি কমা সেমিকোলনশুদ্ধ মুখস্ত করে পরীক্ষার খাতায় বমি করে আসা।

রুবেলের বক্তব্য এখানেই- আমাদের এই প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা ছাত্রের অনুসন্ধিতসাকে কঠোর ভাবে দমন করে, এবং তাকে বাধ্য করে নিজের আগ্রহ না থাকলেও না বুঝে অনর্থক স্মরণশক্তির পরীক্ষা দিতে। যে ছেলেটা আমাদের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থায় প্রথম হয়, তার মূল যোগ্যতা মূলত সে অন্যদের তুলনায় অনেক ভালো ভাবে পঠিত বিষয়কে স্মরণ করতে পারে এবং এই স্মার্ত হয়ে উঠবার সম্পূর্ন প্রক্রিয়াটিতেই ব্যহত হয় শিক্ষার্থীর সৃজনশীলতা।

প্রত্যেকের নিজস্ব ধরণ আছে, সবার ক্ষমতাও এক রকম নয়, সুতরাং শিক্ষকের ভুমিকা শুধুমাত্র কাউকে নিস্প্রাণ মুখস্ত করতে শেখানো নয়, বরং শিক্ষকের দায়িত্ব শিক্ষার্থীর সামনে একটি জগত খুলে দেওয়া, শিক্ষকের মূল ভুমিকা পথনির্দেশকের, সেখানে শিক্ষক প্রতিটা শিক্ষার্থীর সাথেই তার উপলব্ধিজাত জগতকে চিনতে শিখছে, সে সেখানে ডিকটেটরের ভুমিকায় নেই, বরং তার ভুমিকা অনেকটা দর্শকের। সেও কচি চোখে দেখছে কিভাবে এক একটা অক্ষর তার পরিচিত রুপ হারিয়ে একটা স্বর একটা ধ্বনি হয়ে উঠছে, সে ধ্বনি নিছক একটা উচ্চারণ নয়, কলার ‘ক’ আর কমলার ‘ক’ আলাদা নয়, স্বরে এক হলেও তাদের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র এই নির্ধারিত উচ্চারনটিকেই নির্দিষ্ট করে দেওয়া। এর বাইরে আকৃতিগত মিল থাকলেও সে মিল শুধু উচ্চারণের। যে মানুষটা শিখলো 'ক' এ কলা, তাকে বাধ্য করা হলে, 'ক' এ কমলা কিংবা কাঁঠাল কিংবা কদম সে শিখবে না। তাকে এই বিষয়টাও বুঝাতে হবে। আমরা যতবার উচ্চারণ করবো 'ক' সেটা এক হোক কিংবা একাত্তর, আমাদের সেই উচ্চারণটুকুই নির্দিষ্ট করছে এই চিহ্নটি।

কেউ প্রথমে স্মরণ করে সেটাকে চিহ্নিত করতে পারে, যে এভাবে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে তাকে ঠিক সেভাবেই পড়ানো ভাল, যে উচচারণকে গুরুত্ব দিয়ে শিখতে চায়, তাকে সেভাবে সেখানোই উপযুক্ত পন্থা বিবেচিত হতে পারে। আমাদের পাঠশালা ঠিক এ কাজটিই করে, তারা শিক্ষার্থীর চাহিদা অনুসারে পড়ানোর চেষ্টা করে। সুতরাং এখানে শিক্ষক নেহায়েত কোনো একনায়ক নয়, যার মূল আগ্রহ লাঠি পেটা করে তাকে চিহ্নস্মরণে বাধ্য করা। বরং শিক্ষক ছাত্রের জুতায় পা গলিয়ে বুঝতে চাইছে কেনো তার বুঝ আর ছাত্রের বুঝের জায়গাটা মিলছে না।

কোনো শিক্ষাব্যবস্থাই সম্পূর্ণ এবং শতভাগ সফল হয় না, প্রতিটা মানুষের নিজস্ব ভিন্নতা তার শিখবার ক্ষমতাকে নিয়ন্ত্রন করে, তবে আমাদের পাঠশালায় অন্তত শিক্ষার্থীরা নিজেদের অন্য সব প্রথাগত স্কুলের তুলনায় ভাগ্যবান ভাবতেই পারে, সেখানে ছাত্র শিক্ষক ব্যবধান প্রায় নেই বললেই চলে, শিক্ষক আর ছাত্রের মধ্যে মাঝের প্লাটফর্মের ব্যবধান তুলে দিয়েছে অনেক আগেই বাইরের স্কুলগুলো, শিক্ষককে একই সমতলে রেখেছে,

এই স্কুলের শিক্ষার্থীরা সবাই প্রায় বঞ্চিত শ্রেণী থেকে উঠে আসা, যারা হয়তো স্কুলের সময়টাতে কায়িক শ্রম দিলেও সংসারে ন্যুনতম একটা অবদান রাখতে পারতো, এই অভাবী মানুষের ছেলে-মেয়েরাও আদতে কারো চেয়ে পিছিয়ে নেই,

আর্থিক সামর্থ্য শিক্ষা পাওয়ার অধিকারকে নিয়ন্ত্রিত করবে এমন অনাচার মেনে নেওয়া যায় না সভ্য সমাজে।

তবে এখানে স্কুলের নিয়মতান্ত্রিকতা অনুপস্থিত বলেই সবাই আমাদের পাঠশালাকে নিজেদের পাঠশালাই মনে করে, রুবেল কিংবা একজন ছাত্রের ভেতরে তফাত নেই, তারা একইভাবে আমাদের পাঠশালাকে অনুভব করে-

আমাদের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের ভেতরে প্রতিযোগিতা উস্কে দেয়, স্মরণ শক্তির পরীক্ষা দেওয়ার সময় সবাই সবার সাথে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়, এই প্রতিযোগিতায় কেউ প্রথম হয়, কেউ দ্বিতীয় হয়, কেউ অকৃতকার্য হয়, এবং পারস্পরিক বৈরিতা এবং প্রতিযোগিতায় আমরা বড় হই।

আমাদের পাঠশালা শিক্ষার্থীর বছর বছর পরীক্ষা নেয়, যোগ্যতা প্রমাণের এই প্রতিযোগিতায় কেউ কাউকে হারিয়ে প্রথম হতে চায় না, যেহেতু সবার ভেতরে সমান হৃদ্যতা তাই একবার প্রথম হওয়া ছেলেটা দ্বিতীয় কিংবা চতুর্থ হয়েও বন্ধুর সাফল্য আনন্দিত হয়।

নিয়মিত ছুটির দিন বলতে শুক্রবার, শনি বার যেমন ইচ্ছা কাজ করবার দিন, সেদিন সেখানে নিয়মিত স্কুলের বদলে নাচ-গান- ছবি আঁকা শেখানোর দিন। তারা স্কুলে এসে নিজেরাই হারমোনিয়াম নিয়ে গান গাইছে, ছবি আঁকছে।

আমার ছেলে সেই এক দঙ্গল ছেলে মেয়ের সাথে বসে পড়ছে, কিংবা ছবি আঁকছে এবং বিষয়টা উপভোগ করেছে।

এই স্কুলের নিয়মিত শিক্ষক সম্ভবত ৭ জন, সেই সাথে আরও আনুসাঙ্গিক খরচ আছে, এখানে যারা পড়াচ্ছে তাদের অন্য সব কাজের জন্য সময় দিতে হলে তারা সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে এখানে পড়াতে পারবে না। যদি তাদের অন্য ধান্দায় ব্যস্ত থাকতে হয়, তবে তাদের পড়ানোর বদলে মূল চেষ্টা হবে কোনো মতে সমাজ সেবার দায় সেরে নিয়মিত জীবিকাতে পূর্ণ মনোযোগ দেওয়া, তাই অন্তত যতটুকু বেতন দিলে একজন শিক্ষকের পেট পিঠ আলাদা থাকে ততটুকু দিতে গেলেও ন্যুনতম ৭ হাজার টাকা বেতন দিতে হয়।

স্কুলের শিক্ষা উপকরণ বিনামূল্যে প্রদান করা হয়, এই শিক্ষা উপকরণে রয়েছে কাগজ কলম, রঙ পেন্সিল এবং নিয়মিত টিফিন।

সব মিলিয়ে স্কুল চালাতে খরচ হয় ১ লক্ষ টাকার মতো, এবং এটা সম্পূর্ণই অনুদানের অর্থে পরিচালিত। তবে অর্থ সংস্থানের নিয়মিত পন্থা না থাকায় কোনো কোনো মাসে টিফিনে টান পড়ে, কখনো কাগজে কলমে টান পড়ে, অভাব আর উতসাহে এভাবেই চলছে আমাদের স্কুল।

যারা সহযোগিতা করতে চান, তাদের জন্য আমাদের পাঠশালার নিজস্ব ওয়েব সাইটে সাহায্যের কিংবা সহযোগিতার ফর্ম আছে। সেখানে নিবন্ধিত হয়ে নিয়মিত অর্থ সহায়তা করতে পারেন। সেটা এককালীন, মাসিক, ত্রৈমাসিক, ষান্মাসিক বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা, আপাতত লক্ষ্য একটাই, এই নিয়মিত সহযোগিতা করবে এমন মানুষের সংখ্যা ১০০০ করে ফেলা, যারা প্রতি মাসে অন্তত ১০০ টাকা দিবে।

তবে সবার সমান সামর্থ্য নেই, যেকোনো অঙ্কের অনুদানই গ্রহন করা হয়, যারা অর্থ সহযোগিতা করতে চান না। তারা নিজেরা হয়তো একটা ক্লাশের সবার জন্য একটা করে রঙ পেন্সিলের বাক্স কিনে দিতে পারেন। কেউ তাদের টিফিনের দায়িত্ব নিতে পারেন, কেউ হয়তো এককালীন খাতা দিয়ে দিতে পারেন, সহযোগিতা শুধুমাত্র অর্থ নাও হতে পারে, কেউ ভালো আঁকতে পারলে সেও এখানে শিক্ষার্থীদের নিজের সেই সময় দিয়ে সহায়ত করতে পারে।

আমাদের নিজের ক্ষমতা আর সামর্থ্যের উপরে নির্ভর করে আমাদের স্কুল এগিয়ে যাবে। এ স্কুল এগিয়ে যাবেই, হয়তো খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে আগাবে কিংবা টগবগিয়ে সেটা ঠিক করে দেবো আমরাই।

রুবেলের আপাতত লক্ষ্য এখানে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত ন্যুনতম অর্থে শিক্ষা প্রদান করার। কেউ যদি সে পর্যন্ত পড়ে বাড়তি পড়তে চায়, তাকে উন্মুক্ত বিশববিদ্যালয়ে ভর্তি করে দেওয়া এবং তাদের তত্ত্বাবধানের কাজ করতেও রুবেলের আপত্তি নেই। কেউ যদি বৃত্তিমূলক শিক্ষা গ্রহন করে প্রতিষ্ঠিত হতে চায় তাকেও সহযোগিতা করতে চায় রুবেল।
৩ কামরার স্কুলে ক্লাশের সংখ্যা বাড়ানোর প্রধান বাধা অর্থ। আরও বড় একটা জায়গা নিয়ে স্কুল শুরু করতে হবে, সামনে সামান্য হলেও খেলার মাঠ থাকবে, প্রতিটা শ্রেণীর জন্য ন্যুনতম একটা ক্লাশরুম আর একজন শিক্ষক। এই চাওয়াটাও পুরণ হচ্ছে না পয়সার মারপ্যাঁচে।


৪টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৪৩


মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?

লিখেছেন হিমন, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৫০

হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×