somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কৌতুক

০৪ ঠা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:২১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


০১.

আবিদ চর্ম, যৌন ও সেক্স বিশেষজ্ঞের ঘরে ঢুকেই হম্বিতম্বি শুরু করলো, মিয়া বালের ডাক্তার হইছেন। আপনের কথা শুনে তো আমার জীবন বরবাদ হইয়া গেলো।
ডাক্তার কোনোমতে তাকে ঠান্ডা করে বললো, আপনার সমস্যা যদি বিস্তারিত বলতেন তাহলে বুঝতে পারতাম।
আরে রাখেন মিয়া আপনার বিস্তারিত, আপনেরে আইস্যা বলছিলাম ডাক্তারসা'ব আমার বৌয়ের সাথে সেক্স করবার সময় তাড়াতাড়ি আউট হয়ে যায়, তো আপনি কইলেন সেই সময় যদি কোনো চড়া আওয়াজে আমি ভয় পাইয়া যাই তাহলে এই সমস্যা কাইট্যা যাইতে পারে, কইছিলেন না?

ডাক্তার বললো, হ্যাঁ বলেছিলাম। কিন্তু তারপর কি হইলো?

আপনার কথা শুনে আমি বাইরে গিয়া একটা পিস্তল কিনলাম। তারপর ঘরে গিয়া দেখি আমার বৌ বিছানায় শুইয়া আছে খুল্লামখুল্লা।

তারপর?
তারপর আর কি, আমরা শুরু করলাম, তো 69 স্টাইলে করতেছি, এই সময় বুঝলাম আমার আউট হইয়া যাইতেছে, তো আমি বিছানার তল থেকে পিস্তল বাহির করে ছাদে গুলি করলাম একটা।

তারপরই সব ভজঘট লাইগ্যা গেলো। আমার বৌ ভয়ে ধন কামড়আয়া ছিড়্যা ফেললো, আর ওয়ারড্রোব থেকে আমার বন্ধু চিৎকার দিয়া ন্যাংটা বাহির হইলো।

০২.

এক মহিলা ডাক্তারের কাছে গিয়া বলছে ডাক্তার সাহেব আমার স্বামী আমাকে যৌনতৃপ্তি দিতে পারে না।

হুমম, তো আপনি অন্য একজন প্রেমিকের কথা ভাবছেন কখনও?

হুমম সেইটাও করছি কিন্তু কিছুতেই পরিপূর্ণ তৃপ্তি পাচ্ছি না।

তো আরও একটা প্রেমিক খুঁজে নেন।
ডাক্তার সাহেব আমি এই চেষ্টা করে দেখছি, আমার এখন সাতটা প্রেমিক, একটা স্বামী, সবার সাথেই নিয়মিত সম্পর্ক হচ্ছে কিন্তু কিছুতেই তৃপ্তি পাচ্ছি না।

ডাক্তার কিছুক্ষণ মাথা চুলকে বললো, তাহলে তো আপনার বিষয়টা একেবারেই ব্যতিক্রম।
এইটা কি আপনি ওদের বুঝিয়ে বলতে পারবেন, ওরা তো আমাকে বেশ্যা বলে ডাকে।

০৩.
সুন্দরী এক মহিলা বাসায় ফিরবার পথে হারিয়ে গেলো নির্জন জঙ্গলে, সেখানে অনেকক্ষণ খুঁজে একটা বাসায় দেখলো একটা বাসায় সুঠাম এক যুবক বলে আছে।
আপনি কি আমাকে শহরে যাওয়ার রাস্তা চিনিয়ে দিতে পারবেন?

অবশ্যই। কেনো পারবো না?

আমি অনেক ক্লান্ত, একটু বিশ্রাম নিলে আপনাদের আপত্তি আছে কোনো?

আরে না না, আমার ভাই আছে ঘরে, ওকে বলেন, আপনার জন্য পানি গরম করে দিবে, খাওয়ার গরম করে দিবে, আপনি নিশ্চিন্তে বিশ্রাম নিতে পারেন।

বিশ্রাম শেষ হওয়ার পরে মহিলা বললো, আপনাদের সেবার প্রতিদান তো আমি দিতে পারবো না, তবে চাইলে আপনারা আমার সাথে সেক্স করতে পারবেন

কিন্তু আমরা তো এর আগে কখনই কোনো মেয়ের সাথে সেক্স করি নি।
সমস্যা নেই। তাহলে শুরু করি, কে প্রথমে যাবেন।

হঠাৎ মহিলা ব্যাগ থেকে ২টা কন্ডম দিলো দুই ভাইয়ের হাতে।
এইসব কি?
যদি এইটা পড়ে সেক্স করেন তাহলে আমি প্রেগন্যান্ট হবো না।

তার চার দিন পরে বড় ভাইকে এসে ছোটো ভাই বললো, আচ্ছা ঐ শহরের মেয়েটা যদি প্রেগন্যান্ট হয়ে যায় তাহলে কি তোমার কোনো সমস্যা আছে?
নাহ নাই।
তাহলে কন্ডোমটা আমরা খুলেই ফেলি কি বলো?


০৪.
তিন দেশের তিন সাংবাদিক, ভারতের কৃষ্ণচন্দ্র, পাকিস্তানের হামিদ কাশিম আর বাংলাদেশের শওকত আজিম, হঠাৎ তাদের দেখা হলো, তারা সবাই সামরিক বাহিনীর পেশাদার সাংবাদিক। দুই এক পাত্র পেটে পড়বার পড়ে মুখের বাঁধন খুলে গেলো তাদের,
ভারতের সাংবাদিক বললো, আমাদের সেনাবাহিনীর সদস্যরাই সবচেয়ে সাহসী আর অনুগত
কিভাবে এইটা প্রমাণ হবে।
শুনো একদিন আমাদের এক সৈনিককে মেজর জেনারেল হুকুম দিলো, যাও এখনই ১০ তলার উপর থেকে লাফ দিয়া পড়ো।
সৈনিক কোনো কথা না বলে ১০ তলা থেকে ঝাপাইয়া পড়লো-

পাকিস্তানের সাংবাদিক বললো, এইটা কোনো ব্যাপারই না, আমাদের সৈনিকেরা আরও সাহসী আরও অনুগত ।

সেইটা কি রকম ভাবে?
শুনো যুদ্ধ চলছে আফগানিস্তানের সীমান্তে। সেখানে এক সৈনিককে মেজর হুমুক করলো যাও তুমি একটা মাইক নিয়া গ্রামে গিয়া বলবা এইখানে যত তালেবান আছে তারা সবাই কান ধরে আমার সামনে দাঁড়াবা।
সৈনিক ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে চলে গেলো গ্রামে, সেই কথা বলবার পর তালেবানরা তাকে জ্যান্ত কবর দিয়া ফেললো।

বাংলাদেশের সাংবাদিক বললো, আমাদের সৈনিকেরা আরও সাহসী, আরও অনুগত।

সেইটা কি রকম ভাবে?

ধর পিলখানায় আর্মি ম্যাসাকার হইছে, সে সময় মইন উ আহমেদ বলছে তোমাদের সেইখানে লড়াই করতে যাওয়ার দরকার নাই।
তারপর তারে ধইরা জুতা খুইল্যা পিটাইছে।

এইটা কি রকম সাহস আর আনুগত্য হইলো?

তোমরা মনে হয় জানো না মইন উ আহমেদ আমাদের সেনাবাহিনীর সর্বাধিনায়ক আর আমাদের সব অফিসাররাই আমেরিকার অনুগত।
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৯


রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×