অতি দক্ষ মিথ্যুক না হলে সত্যবাদিতা উৎকৃষ্ট পন্থা

ইন্টেলেকচ্যুয়াল মাস্টারবেশন- আনু মুহাম্মদ যদি পেট্রোবাংলা পরিচালনা করে তবে কি ঘটতো?

০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২১

শেয়ারঃ
0 1 0

বাংলাদেশ সরকার অবশেষে সমূদ্র উপকূলবর্তী এলাকার তিনটি ব্লকে তেল গ্যাস অনুসন্ধান এবং উত্তোলনের অধিকার দিয়ে টেন্ডার পাশ করেছে। এবং সেই টেন্ডারে অংশগ্রহনকারী ৩ বিদেশী সংস্থাকে এই কাজ করবার অনুমতি দিয়েছে।

সেখানের প্রাথমিক টেন্ডারের শর্ত ছিলো, কোম্পানী লাভের ন্যুনতম ৫৫ শতাংশ পেট্রোবাংলাকে প্রদান করতে বাধ্য থাকিবে। উত্তোলন ব্যয় এবং আনুসাঙ্গিক খরচ কোম্পানীর নিজস্ব, যদি কোম্পানী নির্দিষ্ট ব্লকে গ্যাস খুঁজে পায় তবে তার এইসব খরচ তারা উত্তোলিত গ্যাস থেকে কেটে নিতে পারবে।

এবং এরজন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ আমদানী করতে তাদের কোনো শুল্ক দিতে হবে না। এমন বিভিন্ন বিধি রয়েছে সেখানে।

সেখানে অন্য একটা বিধি আছে, উত্তোলনযোগ্য গ্যাস পেট্রোবাংলার অনুমোদন সাপেক্ষে উত্তোলনকারী সংস্থা রপ্তানী করতে পারবে, এবং পেট্রোবাংলা যদি চায় তার লভ্যাংশ বাবদ প্রাপ্ত অর্থ এই রপ্তানিযোগ্য গ্যাস থেকে কেটে নিতে পারবে তবে সেটা মোট রপ্তানীযোগ্য গ্যাসের ২০ শতাংশ থেকে ৩০ শতাংশের বেশী হবে না।

সুতরাং মায়াকান্না শুরু হয়েছে , দেশ ও এর খনিজ সম্পদ বিদেশীদের হাতে তুলে দেওয়ার চক্রান্ত করছে ক্ষমতাসীন সরকার, এদের প্রতিহত করা প্রয়োজন। বাংলাদেশ পাবে মাত্র ২০ শতাংশ, এ চুক্তি অবশ্যই দেশ বিরোধী- এমন প্রচারণায় মানুষের স্থিমিত দেশপ্রেম পুনরায় সবল হয়েছে, জেগে উঠেছে প্রচন্ড ভাবে।

অন্তর্জালে কথার ফোয়ারা ছড়ানো সহজ সুতরাং সহজেই অনেকে সহিংস হয়ে উঠেছে কিবোর্ড আর মনিটরে থুতু ছেটানোর মতো বালখিল্যতাও ঘটছে।

সমস্যার শুরু কোথায়?

বাপেক্সের পূঁজি নেই, বাপেক্সকে ঢেলে সাজানো প্রয়োজন, তাকে উত্তোলনের ক্ষমতা দেওয়া প্রয়োজন, সেটাও অনেক দক্ষ একটা প্রতিষ্ঠান- সেই দক্ষ প্রতিষ্ঠানকে সবল করবার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না, হয় নি গত ৮ বছরে। সরকারী প্রতিষ্ঠান বলেই এটা অদক্ষ এবং জনগণের আস্থা নেই এই প্রতিষ্ঠানের কতৃপক্ষ এবং কর্মকর্তাদের উপরে, এটা একটা বাস্তব সত্য-

এই আস্থাহীনতার জায়গাটা রাতারাতি কেটে যাবে না। বাপেক্স নিজেও যদি এটা উত্তোলন করতে শুরু করে তখনও একটা আন্দোলন শুরু হবে, বাপেক্স যেহেতু নিজের কারিগরী দক্ষতায় এটা এখনও করতে পারবে না, সুতরাং তাদের অন্য কোনো প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানের সাথে সহযোগী হিসেবে এটা করতে হবে এবং সেখানেও পেট্রোবাংলার বিডিংএর ধারাটা বলবত থাকবে- এটা সকল অংশগ্রহনকারীর জন্য সত্য একটি বক্তব্য-

তখনও আন্দোলনটা শুরু হবে, দেশের গ্যাস রপ্তানী করবার চক্রান্ত শুরু হয়েছে, সেটা কারা করবে এবং কিভাবে করবে এটা এত দিনে পরিস্কার হয়ে যাওয়ার কথা।

প্রতিটা তেল কোম্পানীকে প্রতিদিনের আয় ব্যায়ের হিসাব পেট্রোবাংলাকে দিতে হয়, তাদের কোনো বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করার কথাও পেট্রোবাংলাকে জানাতে হয়, সুতরাং একটা উত্তোলন এবং অনুসন্ধানকারী প্রতিষ্ঠান কখন কোন খাতে কত অর্থ বরাদ্দ রেখেছে এবং কিভাবে খরচটা হচ্ছে সেটার একটা ধারণা পেট্রোবাংলার আছে- এবং পেট্রোবাংলার যেকোনো মুহূর্তে কোনো কারণ দর্শানো ব্যতিতই যেকোনো চুক্তিকে অসম্মান করে স্থগিত করবার ক্ষমতাও আছে। এ জন্য তাদের কোনো ক্ষতিপুরণও দিতে হবে না।

বিভিন্ন মানুষ বিভিন্ন রকম অঙ্ক কষে যা দেখিয়েছে তা হলো বাংলাদেশ মোট উত্তোলিত গ্যাসের ২০ শতাংশ মুফতে পাবে, বাকি ৮০ শতাংশ তাদের আন্তর্জাতিক দামে কিনতে হবে- এবং এখানেও একটা শর্ত আছে- যদি কোনো কারণে গ্যাসের আন্তর্জাতিক বাজার দর কমতে থাকে তবে একটা নিম্নসীমা নির্ধারণ করা আছে, যার নীচে বাংলাদেশ সরকার কিনতে পারবে না গ্যাস, এবং এই নির্ধারিত মূল্য হচ্ছে ৭০ ডলার, সুতরাং আন্তর্জাতিক বাজারে যদি গ্যাসের ক্রয়মূল্য ৭০ ডলার থেকে নীচে চলে যায় তাহলেও বাংলাদেশকে ৭০ ডলারে গ্যাস কিনতে হবে- এবং অন্য অংশ হলো, যদি গ্যাসের মূল্য অতিরিক্ত চাহিদার জন্য কখনও ১৮০ ডলারের বেশী হয়ে যায় তাহলেও উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সরকারের সাথে চুক্তিবদ্ধ তারা যতই দাম হোক না কেনো ১৮০ ডলারেই এটা বিক্রয় করবে।

এক হবু বিশেষজ্ঞ ও কর্মী দাবি করছে এটাই নির্ধারিত মূল্য, এই ইন্টেলেকচ্যুয়াল মাস্টারবেশনের কোনো অর্থ নেই। এখন আন্তর্জাতিক বাজারে গ্যাসের বিক্রয় মূল্য ১৪০ কিংবা ১৬০ ডলার যাই হোক না কেনো, বাংলাদেশ সরকার সেই নির্ধারিত মূল্যেই কিনবে, কিন্তু যখন সেটা ২০০ ডলার হয়ে যাবে তখন বাংলাদেশ সরকার চুক্তির শর্ত অনুসারে কিনবে ১৮০ ডলারে- সেই উল্লেখিত ধারার মর্তবা এই, সেটা মূল্যের একটা উর্ধসীমা ধার্য করে দেওয়া।

তেমন ভাবেই যদি গ্যাসের আন্তর্জাতিক বাজার দর কমে ৫০ ডলার হয়ে যায় তাহলে বাংলাদেশ সরকারকে ৭০ ডলার দিতে হবে কোম্পানীকে। এটা ঝুঁকি শেয়ার করা, ভবিষ্যতে কি হবে সেটা না জেনে একটা নির্ধারিত সীমানা বেধে দেওয়া।

বলিভিয়ার গ্যাস ব্যবহারের ৯৫ শতাংশই বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং কল কারখানায় ব্যবহৃত হয়, বাংলাদেশেও অনুপাতটা এমনই ৭৫ শতাংশ গ্যাস ব্যবহৃত হয় বিদ্যুৎ উৎপাদনে, গেরোস্থালী বাজে ব্যবহৃত হয় ৫ শতাংশের কম গ্যাস-

সুতরাং গ্যাসের অপ্রতুলতার মূলত ক্ষতিগ্রস্ত হবে শিল্পায়ন এবং শিল্পায়ন ক্ষতিগ্রস্ত হবে দু ভাবে, পর্যাপ্ত বিদ্যুতের অভাবে এবং পর্যাপ্ত গ্যাসের অভাবে- বিদ্যুৎ সংকট বিষয়ে তেমন বলা লাগবে না, বাংলাদেশের যে মজুত তাতে ২০১৩ থেকে ২০১৫ সালের ভেতরে সকল সিএনজি চালিত যানবাহন রাস্তায় অচল হয়ে থাকবে, সেটা একটা বাস্তব সত্য- আমাদের মজুত গ্যাসের পরিমাণ নিঃশেষিত হয়ে যাচ্ছে, বিকল্প শক্তির সন্ধান করতে হবে, বিদ্যুতের যোগান দিতে হবে, এবং সেটার চাহিদা ২০১৯ সাল নাগাদ হবে ১৯ হাজার মেগাওয়াট, বর্তমানের চাহিদা এবং উৎপাদনের ৫ থেকে ৬ গুণ। এই বাড়তি বিদ্যুৎ বিতর্ক করে উৎপাদন করা সম্ভব নয়, গ্যাস কিংবা কয়লা কিংবা তেল কিংবা পানি কিংবা বায়ু কিংবা সৌর শক্তিকে ব্যবহার করে এটা উৎপাদন করতে হবে।

যদি গ্যাসভিত্তিক হয়- তবে বাংলাদেশের গ্যাসের চাহিদা ক্রমশ বাড়বে, এবং গভীর সমুদ্র থেকে পাইপ দিয়ে গ্যাস বাংলাদেশে নিয়ে আসবার জন্য পেট্রোবাংলা নিজেই মরিয়া হয়ে থাকবে। সুতরাং গ্যাস রপ্তানী হবে এমন কোনো সম্ভাবনা নেই। এবং সেই সাথে চুক্তির বাধা আছেই- পেট্রোবাংলা সম্মতি না দিলে কোনো কোম্পানীই এই গ্যাস রপ্তানীর অনুমতি পাবে না। এবং একই সাথে যখন গ্যাস উত্তোলিত হবে তখন কোম্পানিগুলো বেলুনে গ্যাস ভরে সেগুলো বাতাসে উড়াবে না, তাদেরও ব্যবসা করতে হবে। কোনো না কোনো একটা মধ্যবর্তী ব্যবস্থা আমাদের খুঁজে নিতে হবে।

কোনো রকম অগ্রিম ঘোষণা ব্যতিত একটা হিসাব শুনলাম উত্তোলন ব্যয় এবং অবকাঠামো জনিত ব্যয় হবে উত্তোলিত গ্যাসের ৫৫ শতাংশ- এটা ঠিক এই অনুপাতে হতে হবে কারণ যারা বিজ্ঞ মতামত দিচ্ছে এবং মিছিল মিটিং রাজনীতি করছে বিদ্যমান ন্যুনতম ৫৫ শতাংশ লভ্যাংশের হিসাব থাকলেও সেটাকে ২০ শতাংশ ৮০ শতাংশ অনুপাত করতে এই ম্যাজিক নাম্বারের প্রয়োজন আছে।

চুক্তির ধারাগুলো না পড়ে ইন্টেলেকচ্যুয়াল মাস্টারবেশন চলছে, স্টিকি পোস্টে বিপ্লব হচ্ছে- পেট্রোবাংলার উপরে আমাদের আস্থা নেই, তাদের প্রশাসনিক কর্মকান্ডের উপরে আমাদের আস্থা নেই, আস্থা নেই বিদ্যমান রাজনীতি এবং সরকারের উপরে, সুতরাং তারা যে সিদ্ধান্তই গ্রহন করে সেটাকেই আমাদের দেশ বিরোধী গণবিরোধী মনে হয়। এবং মুলত অনাস্থাটা যারা প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালনা করে এবং এর নীতিগত সিদ্ধান্তগুলো গ্রহন করে তাদের উপরে, এইসব প্রতিষ্ঠিত, শিক্ষিত এবং দক্ষ মানুষের উপরে আমাদের ভরসা নেই, আমরা নতুন মানুষ পাবো কোথায়? জান্নাতুল ফেরদৌস থেকে ফেরেশতা ভাড়া করে আনবো? তারা নিজেদের নূরের শরীর এবং বিচক্ষনতা এবং আনুগত্য দিয়ে সরকারী প্রতিষ্ঠানের উপরে বিদ্যমান অনাস্থা কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করবে?

পেট্রোবাংলাকে কিভাবে আরও জনকল্যানমুখী করা যায় সেটা নিয়ে প্রস্তাবনা আসুক, সরকারের নীতিনির্ধারনী মহলে এটা উপস্থাপনের পরিবেশ তৈরি হয়ে যাবে, আগে এমন কোনো ফিজিবল প্রস্তাবনা আসুক।

বাংলাদেশের বিভিন্ন কল-কারখানার উৎপাদন ক্ষমতা কমেছে অদক্ষ প্রশাসনিক ব্যবস্থা এবং ম্যানেজমেন্ট ও ম্যানেজারিয়াল সংকটে, এর বিকল্প হিসেবে এসেছে প্রাইভেটাইজেশনের আইডিয়া, সেটা খুব বেশী ফলপ্রসু হয় নি, বরং সরকারী প্রতিষ্ঠান এবং কলকারখানাকে দক্ষ এবং উৎপাদনশীল করে তুলবার এই উদ্যোগ ব্যকফায়ার করেছে। উৎপাদন সংকট কমে নি, বরং বেড়েছে বহুগুণ।

সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগ, যেখানে সরকারের হাতে ৫১ শতাংশ শেয়ার থাকবে এমন প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগের কথাও নীতিনির্ধারণী মহলে চলছে- সেটাও যে খুব বেশী ভালো ফলাফল বয়ে আনবে এমন মনে হয় না আমার।

সমস্যাটা শিক্ষিত এবং নীতিনির্ধারক মহলের সমস্যা সম্ভবত, সেটাকে আরও বেশী জনকল্যানমুখী করে তুলতে পারলে তারা প্রতিটা চুক্তি থেকেই আরও বেশী ভালো ফলাফল বয়ে আনতে পারতো।

এখন পেট্রোবাংলার নির্ধারিত ক্ষমতা অক্ষুন্ন রেখে এটাকে প্রাইভেট কোম্পানি করে আনু মুহাম্মদের তত্ত্বাবধানে ছেড়ে দিলে কি মনে হয় আনু মুহাম্মদ এর চেয়ে ভালো কোনো ফলাফল বয়ে নিয়ে আসতে পারবে?

 

সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৮
ষড়ৈশ্বর্য মুহম্মদ বলেছেন: হুমম। গ্যাস বিতর্কের এই দিকটাও জানা জরুরি। তবে আপনি এত ক্ষিপ্ত কেন বুঝলাম না। ইনেটেলকচুয়াল মাস্টারবেশন টেশন বলে একেবারে.....!
২. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫২
ঝড়ানিলপাতা বলেছেন: হ পারত। আনু ঐটার লুইটা খাইয়া নিজের আখের গোছাইত



টাইম পেলে ঘুরে আসুন
Click This Link
৩. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৭
আকাশ_পাগলা বলেছেন: আমাদের দেশটা এমন কেন রে ভাই !!

আনু মোহাম্ম সঠিক হোক আর ভুল, পুলিশ তাকে মারবে কেন ???? এগুলা নিয়ে সরাসরি আলোচনা হতে পাএ না অথোরিটির সাথে ????

যে এই চুক্তি বাস্তবায়ন করছে, সে কী "" আপনার পোস্টের "" অপেক্ষায় থাকে !!!! সে ব্যাপারটাকে কীভাবে ব্যাখ্যা করছে???? সেই ব্যাখ্যা শুনে আনু মোহাম্মদের কাছে ভাল যদি না লাগে, তাইলে একটা কারণ ঠিকই আছে। সবাই ঘাস চিনে, জনগণ ঘাস খায়, চিনেই খায়।

সামনে কি হবে, সেটা সামনেই দেখা যাবে। কিন্তু যাই হোক, পুলিশ একটা মানুষকে মারবে কেন ???? চোর ডাকাতের কিছু করতে পারে না, আর আনু মোহাম্মদকে মারবে কেন ???

এমন কোন সংস্থা কী নাই, যেখানে যে কেউ সরকারকে কোন প্রশ্ন করতে পারে । আর সরকার সেইটার উত্তর দিতে বাধ্য ?????

সামুএর মডু আমরা নির্বাচন করি না, তারা চুপ করে থাকে, কোন প্রশ্নের উত্তর দেয় না, কোন নতুন ব্যবস্থা বা বাটনের রিকোয়েস্ট করলে চুপ থাকে, ভাব দেখায়, দাম দেখায়।

কিন্তু, গণতান্ত্রিক সরকার এমন হবে কেন???

রেটিং দিতে চাই নি। কিন্তু, উপরে উঠতে যেয়ে এক্সিডেন্টলি ক্লিক করে ফেলছি প্লাসে।
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০৬

লেখক বলেছেন: আনু মুহাম্মদকে পুলিশ মারছে, সেইটা কোনো ভাবেই ন্যায় সংগত দাবি করি নাই, বরং সেইটা জঘন্য একটা অগণতান্ত্রিক আচরণ হইছে-

কতৃপক্ষ হোগা মারতে চায় এই একটা অবস্থান বোধ হয় বাঙ্গালীর মজ্জাগত ব্যধি। সুতরাং কতৃপক্ষের উপরে অনাস্থাটাই স্বাভাবিক এবং কতৃপক্ষের যেকোনো আচরণকেই সংশয় এবং সাম্ভাব্য ষড়যন্ত্র ধরে নিতে হবে, এই ব্যাধি থেইক্যা কেউ মুক্ত হইতে পারে নাই।

৪. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০৫
মেঘ বলেছেন: আনুকে মারামারির দরকার কি??
আপনার লিখা পড়ে ভালো লাগলো, আেকটা দিক জানলাম চুক্তির। +
৫. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১২
মামুন বিদ্রোহী বলেছেন: আকাশ_পাগলার সাথে একমত..
৬. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১৯
দন্ডিত বলেছেন: দেশের গ্যাস নিয়া এইসব টানাটানি হইত না যদি প্রযুক্তিতে একটু উন্নত হতাম আমরা। আর সকল চুক্তিতেই কোন না কোন ভাবে ,হোক সেটা কূটনৈতিক অথবা গ্যাস নিয়ে, আমরা সাবমিশনে পরে থাকি, ধুর !

চুক্তিটা আমার কাছে এখনও ফেয়ার লাগছে না, তবে হয়ত ভালো টার্মে চুক্তি আমাদের ভাগ্যেই নেই। এরশাদের করা চুক্তির জন্যে এখনও নিজেদের তেল নিজেরাই কিনি।
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২৩

লেখক বলেছেন: আমার কাছে চুক্তিটা ফেয়ার মনে না হইলেও বিদ্যমান অবস্থা বিবেচনা করলে এই চুক্তি থেকেই সেরাটা বাহির করে আনতে হবে।

বাপেক্সের অবস্থা ভালো না, পেট্রোবাংলা সাপোর্ট দিবে না, হাতে ৪ বছরের মতো সময়-

৭. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩১
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: চুক্তিটা না পইড়া আপনের এখানে মন্তব্য করতে পারছি না। অন-লাইনে চুক্তিটা পাওয়ার উপায় আছে ?
তবে পুলিশের ঝাঁপিয়ে পড়াটা আমার কাছে অনর্থক মনে হয়েছে।
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৫

লেখক বলেছেন: চুক্তির খসরা পাওয়ার সম্ভবনা এখনও নাই।

পেট্রোবাংলার ওয়েব সাইটে একটা খসরা টেন্ডারের শর্ত ঝুলানো আছে, আর আছে এনার্জি পলিসির একটা কপি-

এই নিয়েই পাব্লিক কথা বলতেছে, পক্ষে-বিপক্ষে

৮. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৭
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: আপনি অনেক সিনিয়র ব্লগার।
আপনার ও অন্য ব্লগারদের মতামত চাই
Click This Link
৯. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫২
এস বাসার বলেছেন: ........।এবং সেই সাথে চুক্তির বাধা আছেই- পেট্রোবাংলা সম্মতি না দিলে কোনো কোম্পানীই এই গ্যাস রপ্তানীর অনুমতি পাবে না।

লেখক আমি আপনাকে এটা বলতে পারি যে পেট্রোবাংলা নুন্যতম সম্ভাবনাতেই এই অনুমতিটা দিবে, আশা করি মন্ত্রী মোশারফের কথা মনে আছে, সামান্য ৯০ লাখ টাকার গাড়ীর লোভে ১৭০০০ কোটি টাকার গ্যাস পুড়িয়েছিলেন।
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৮

লেখক বলেছেন: আপনি পেট্রোবাংলাকে দোষারোপ করছেন, বলছেন তারা ন্যুনতম চাপেই সম্মতি দিয়ে দিবে, আমিও একই রকম সংশয় নিয়ে বলছি আনু মুহাম্মদকেও যদি পেট্রোবাংলার প্রধান করে দেওয়া হয়, আনু মুহাম্মদও একই রকম চুক্তিতে সাক্ষর করতো। সেটা তখন দেশ বিরোধী হতো না হয়তো।

১০. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৭
জানপরী বলেছেন: আপনার বিশ্লেন ভাল লাগেনি। অনেক লিখেছেন।
শর্তের সজা হিসাব:
অবকাঠামো খরছ বাবদ কোম্পানি প্রথমে নিয়ে নেবে ১০০% এর মধ্যে ৫৫% । অবশিষ্ট থাকবে ৪৫ %। এই ৪৫% এর মধ্যে হিস্যা হিসাবে কোম্পানি নেবে ৮০% আর বাংলাদেশ পাবে ২০% >>>>>তার মানে কোম্পানি ৩৬% ও বাংলাদেশের ৯%।
তাহলে মোট কোম্পানি পাবে (৫৫% + ৩৬%) = ৯১%
বাংলাদেশ পাবে ৯%।

এতে বাংলাদেশের লাভ কোথায়??????????????????????

০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২০

লেখক বলেছেন: আপনের অঙ্ক জ্ঞান বিশেষ ভালো না, ছোটো বেলায় পড়া ফাঁকি দিয়েছেন, সুতরাং এইসব অঙ্কের হিসাব অন্য কোথাও দেখান, যারা চঞ্চল হয়ে উঠবে শুভঙ্করের ফাঁকি ধরতে পেরে- আমি আপাতত এই অঙ্কের ধাঁধাতে আপনার অন্ধ চোখ দেখতে পারছি।

১১. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:২৫
আশীফ এন্তাজ রবি বলেছেন: সাহস করে বলবার জন্য ধন্যবাদ।


হিজড়া শুয়োরদের দেশে আপনার লেখা পড়ে মাঝে মাঝে আশ্চর্য হই ....
১২. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৬
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: সবই বুঝলাম কিন্তু আনুরে ক্যান পিটাইলো- এই হইলো মন্তব্যের ট্রেন্ড, ভাবটা যে আপনি কইতাছেন আনুরে পিটানো ঠিকাছে
১৩. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:০৩
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: আপনার হঠাৎ সুশীল ভাব ধারাটা ব্যপক কৌতুকের জন্ম দিচ্ছে

খুব ফান্ডামেন্টাল একটা তথ্য হলো, রিকভারী বাদ দিলে বাকী যে গ্যাসটা থাকে তার ওপর সরকার আর তেল কোম্পানীর লাভের শেয়ার ৮০ -২০ হয় ... রিকভারী বা অপারেশন কস্ট সাধারণতঃ ৫০% এর বেশী হয়না ... বিশেষ করে যখন আপনি ওয়েলহেড লেভেলের রিকভারী হিসাব করেন ... তারওপর কোম্পানীর মেশিন আমদানীর ট্যাক্স মাফ হইছে, বাংলাদেশে লেবার দশ ভাগের একভাগ সস্তা

কাজেই ভালো চুক্তি হলে বাংলাদেশ পেতো ৪০ ভাগ, আর বিদেশী কোম্পানী ৬০ ভাগ ... এখন পাবে ২০ ভাগ আর ৮০ ভাগ ... বিদেশী কোম্পানীর জন্য এটা লাভজনক কারণ যেখানে তারা ১০ ভাগ লাভ হিসাবে পায় (৬০ - অপারেশন ৫০), সেখানে তারা ৩০ ভাগ লাভ হিসাবে পাবে ... মানে ৩ গুণ!!! এজন্যই এত উৎসাহ এদের

কথা হলো সমুদ্রের গ্যাস কি এখনই তুলতে হবে?
নিচের এই লিংকে এই লাইনের অভিজ্ঞ লোকজন কিন্তু বলতেছে স্থলেই অনেক ক্ষেত্র এখনও ইজারার ফাঁদে আটকে আছে
Click This Link

কাজেই বুঝতে অসুবিধা হয়না পেট্রোবাংলায় বসে কারা কলকাঠি নাড়ছে
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৭

লেখক বলেছেন: অপারেশনাল কস্ট ৫০% এর বেশী হয় না এটাকে সত্য ধরে নিবো না কি ৫৫% কিংবা ৬০ % হিসাবকে সত্য ধরবো?

এরপরের অপারেশনাল কস্ট বাদ দিয়ে গ্যাস বিক্রির লাভের ৫৫ % বাংলাদেশের হওয়ার কথা, উপরে একজন জানপরী হিসাব কষে দেখানো চুক্তিটা ৮০% - ২০% এর, মূলত এই জায়গা নিয়েই প্রশ্ন চলছে,

যদি উত্তোলন ব্যয় মোট উৎপাদনের ৫০% এর কম হয় তাহলে পেট্রোবাংলা দেশীয় কর্মীদের নিয়োগ দানে বাধ্য করে অপারেশনাল কস্ট কমিয়ে আনতে পারে- একজন বিদেশী অফিসার যেখানে বেতন পাচ্ছে বার্ষিক ২ লাখ পাউন্ড সেখানে বাংলাদেশের একজন পাচ্ছে ১০ হাজার পাউন্ড, এমন অতিরিক্ত বেতন পাওয়া কর্মকর্তাদের উপস্থিতি কমিয়ে দিলেও অপারেশনাল কস্ট কমিয়ে আনা সম্ভব, সম্ভব দেশে অভিজ্ঞ জনশক্তি নির্মাণ।

সরকার এইসব জায়গায় নজর দিতে পারে, সেখানে অপারেশনাল কস্ট কমিয়ে আনার সম্ভব প্রচুর পরিমাণে, একই সাথে তেল কোম্পানীর ড্রিলিং, অপরেশনাল সব জায়গায় বাংলাদেশীদের প্রাধান্য দিতে হবে এমন শর্তও আরোপ করতে পারে, যদি হঠাৎ করেই এই কোম্পানীগুলো কোথাও চলে যায় আমাদের হাতে অন্তত অভিজ্ঞ শ্রমিক থাকবে-

বিদ্যমান ব্যবস্থাকে সমর্থন করছি তবে সেই সমর্থন দেওয়াটা যে সুশীলত্ব এমন মনে হয় নি।

চুক্তিটা মন্দের ভালো হয়েছে এবং এটাকে আরও ভালো করা সম্ভব ছিলো, কিন্তু আমাদের যদি সে প্রস্তুতি না থাকে তাহলে আমরা কিভাবে পাল্টা প্রতিরোধ করবো? এই চুক্তিকে সমর্থন করতেই হবে কিংবা এই চুক্তিকে বাস্তবায়ন করতেই হবে এমন বাধ্যবাধকতা পেট্রোবাংলা কিংবা সরকারের নেই-

যে অদ্ভুত পরিস্থিতি বিরাজ করছে তাতে আগামী ৫ বছর পরের ছবিটা মনে রাখতে হবে।
রক্ত এবং দেশপ্রেমের উত্তাপে এই বাস্তবতা বোধ বিলুপ্ত হয়ে গেলে সেটা ভালো কোনো পরিণতি বয়ে নিয়ে আসবে না।

মানুষ পুনরায় গরু গাড়ীর যুগে ফেরত যেতে চায় না,পায়রার পায়ে চিঠি বেধে উড়াতে চায় না, কিংবা অতি অলৌকিক মানসিক যোগাযোগ, কল্পকাহিনীর মতো সাইকোকাইনেসিসও সম্ভব না, মনের জোড়ে বিদ্যুতের টার্বাইন কিংবা গাড়ীর চাকা ঘুরানো সম্ভব হলে ভালো হতো,
ভালো হতো যদি আমরা উত্তপ্ত বক্তৃতার জোড়ে কিংবা জোশে কল কারখানার চাকা সচল রাখতে পারতাম-

সেসব সম্ভব না বলেই একটা মন্দের ভালো ব্যবস্থাকে আপাতত মেনে নেওয়া উচিত।

১৪. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:১৮
হাসান শরিফ বলেছেন: ভালো লেখা হইছে। এই কথাগুলো বলা খুব জরুরী। আমারও সেই একই প্রশ্ন: বাপেক্সের ক্ষমতা নেই সাগরে গ্যাস অনুসন্ধানের। তাইলে কি আমরা গ্যাস ফেলে রাখবো? তেল গ্যাস রক্ষার নামে কিছু লোক আছে সবকিছুতেই প্রতিবাদ করবে। তারাই তবে বলে দিক সমাধান।
১৫. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৪
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: জ্বিনের বাদশা বলেছেন: আপনার হঠাৎ সুশীল ভাব ধারাটা ব্যপক কৌতুকের জন্ম দিচ্ছে

আপনার মন্তব্যে ঝাজা। এইটার ইজারা কারা পাইছে জানতাম মঞ্চায়
১৬. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০৪
অ্যামাটার বলেছেন: সজ্ঞানে মাইনাস প্রদান করলাম।
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২১

লেখক বলেছেন: কলেমা পড়ে দিছেন?

১৭. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪২
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: বেসিক প্রশ্নটাই আমরা এড়িয়ে যাচ্ছি ... এখন এত তড়িঘড়ি করে সমুদ্র ইজারা দেয়ার দরকার কি, যেখানে স্থলের গ্যাসফিল্ডগুলোর একটা বিরাট অংশ ইজারার ফাঁদে আটকা পড়ে আছে (ডিটেইলস আগের মন্তব্যে দেয়া লিংকে পাবেন)?
জেনে রাখা ভালো, সমুদ্রে এখন কাজ শুরু করলেও সেই গ্যাস প্রোডাকশনে আসতে সাত-আট বৎসর লাগবে বলে অভিজ্ঞরা মত দিচ্ছেন


আর সুশীলতার কথা আসছে এই জন্য যে এই আপনি রাসেল(...)ই গত তত্ত্বাবধায়কের আমলে "সুশীল বঙ্গ ..." নামের একটি সিরিজে প্রচুর সমালোচনা করেছেন পশ্চিমা বেনিয়া জোট আর তাদের ছত্রছায়ার তত্ত্বাবধায়ক সরকার আর তার সমর্থক "সুশীল"দের ... আর আজ হঠাৎ পশ্চিমা বেনিয়া জোটের হাতে সব তুলে দিতে আপনার আপত্তিগুলো নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়াটা তাই কৌতুককর ...আপনার কথাবার্তায় মনে হচ্ছে যে এইসব মাল্টিন্যাশনাল তেল কোম্পানীরা উন্নয়নশীল দেশগুলোতে কোন মধুর আশায় যায় সেটা আপনি এখন অজানা কারণে ভুলে গেছেন বা ভুলে যেতে চাইছেন ... অথচ এই সত্যের নিদর্শন তো সারা পৃথিবীতে আছে ... সেজন্যই বলেছি এসব আর কিছুনা... আশা করি পিয়াল ভাইও জবাব পাইছেন
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৩

লেখক বলেছেন: বহুজাতিক তেল কোম্পানিকে ইজারা দেওয়া কিংবা অনুসন্ধান এবং উত্তোলনের অনুমতি প্রদানের বাইরে বিকল্প কি আছে? বাপেক্স গত ২ বছরে উন্নত হইছে? এখানে একজনের পোষ্টের লিঙ্ক আছে, সেখানে বলা আছে বাপেক্সের দুর্বলতা এবং অসারতার কথা। ইউনিভার্সিটি ওফ ক্যালিগেরীতে বাংলাদেশের ২৫জন ইঞ্জিনিয়ার আছে তাদের ফেরত আনবার উদ্যোগ নিতে সমসয়া নেই। তাদের দিয়ে বাপেক্সকে তৈরি করা হোক।

এখানেও বলছি পরেও বলবো, দেশে ড্রিলিং এবং এই সংক্রান্ত কাজ করবার অভিজ্ঞ জনবল নেই, সেটা তৈরি করে নিতে হবে, পেট্রোবাংলা তেল গ্যাস কোম্পানিগুলোকে বাধ্য করতে পারে দেশীয় জনবল নিয়োগ করতে
বিশেষত টেকনিক্যাল পজিশনগুলোতে।

সেটা পরবর্তী প্রকল্পগুলোতে নয় বরং এই চলমান প্রকল্পগুলোতেই ঘটতে পারে।

১৮. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৩
নাজিম উদদীন বলেছেন: আমাদের সব চুক্তিই মন্দের ভাল, কবে যে ভাল হইব!
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪২

লেখক বলেছেন: হইবো একদিন, তবে অনেকগুলা শর্ত আছে, সেই শর্তগুলা পুরণ হইতে হবে।
বাংলাদেশের নিজস্ব দক্ষ জনবল এবং যন্ত্রঘাটতি মেটাতে হবে-
অন্তত আগামী ১৫ বছরের পরিকল্পনা মাথায় রাখতে হবে,

চুক্তি করবার আগে আলোচনা করতে হবে সবার সাথে।

১৯. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৫২
জানপরী বলেছেন: @লেখক, আমারও তাই মনে হয়: কেন যে শিক্ষকেরা আমারে (এস এস সি ও এইচ এস সি তে) সব সময় ৯০-১০০ ঘরে নম্বর দিত বুঝতাম না।
২০. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০৮
রোহান বলেছেন: রক্ত এবং দেশপ্রেমের উত্তাপে এই বাস্তবতা বোধ বিলুপ্ত হয়ে গেলে সেটা ভালো কোনো পরিণতি বয়ে নিয়ে আসবে না।

-- আমাদের দেশে বিভিন্ন ইস্যুতে বিভিন্ন নামকে লাইমলাইটে আসতে দেখা যায়। এরা বুদ্ধিজীবি হিসাবে কখনো পরামর্শ দেয় না, বিরোধীতাতেই এদের আগ্রহ বেশী দেখা যায়। এইটাই আফসোসের কথা। কয়দিন আগে মোজাফফর বললো টিপাইমুখ বন্ধ করো নাইলে গদি ছাড়ো। অবাক হইছি, এরা কই টু দ্যা পয়েন্ট কথা বলবে, সমাধানের পথ কোথায় আছে সেটা দেখাবে -- তা না করে পল্টনের মাঠ ময়দানের ডায়লগ যদি এদের মুখে শুনি তখন আমগো মতো ম্যাংগো পাব্লিক কনফিউজড হবে না কেন...

আনু মুহাম্মদকে পেট্রোবাংলার দ্বায়িত্বে দিলে যেই লাউ সেই কদুই হইতো। ক্ষমতা, চেয়ার, গদি -- এসব খুব বাজে জিনিস।

চুক্তির আরেকটা দিক দেখানোর জন্য এবং অবশ্যই সাহসী লেখাটার জন্য অনেক ধন্যবাদ :)
২১. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৩
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: সল প্রশ্নটাই বাদ রয়ে গেছে কিন্তু, এখনই তড়িঘড়ি করে সমুদ্র ইজারা দিয়ে দিতে হবে কেন?

ইজারা দিয়ে তো এখনকার সংকটের সমস্যা সমাধান হবেনা ... পেট্রোবাংলা আর বাপেক্সকে রিস্ট্রাকচারিং করে নিজেদের উদ্যোগ নিতে সমস্যা কি?
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩১

লেখক বলেছেন: এখনই সংকটের সমাধান হবে না, দেশের অভ্যন্তরে যেসব ব্লকে এখনও অনুসন্ধান শুরু হয় নি, সেসব ব্লকে অনুসন্ধান শুরু করা এবং সেসবকে উত্তোলনউপযোগী করে তোলা জাতীয় বিষয়গুলোতেও একই সময় লাগবে, সাগর ইজারা কিংবা অন্য ব্লকগুলো পুনইজারা কিংবা বাপেক্স ও পেট্রোবাংলা পুনর্গঠিত করে অনুসন্ধানের উদ্যোগের মধ্যে পুনর্গঠনের ধারণাটার সমস্যা হলো এটা কিভাবে করা উচিত এবং কি কি করা উচিত এ বিষয়ে সরকার উদ্যোগ নিলে সেটা কার্যকর হতে আরও ২ বছর লাগবে। এই ২ বছরে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে।

২২. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:০৫
যীশূ বলেছেন: হুমমমমমমমম।

 

মোট সময় লেগেছে ২.০৩০৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
অনেক অনেক চেষ্টা হয়েছে ব্লগানোর বাংলা করা নিয়ে, আমার এখন ব্লগের নতুন বাংলা করতে ইচ্ছা করলো তাই দিলাম এর নাম...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ