মাননীয় নির্বোধ সাংবাদিকেরা যুদ্ধাপরাধীর তালিকা বিনির্মাণে একটু দায়িত্ববোধের পরিচয় রাখুন, অন্তত তদন্ত কমিটিকে সময় দিন
০৩ রা এপ্রিল, ২০১০ রাত ১২:৩৩
অনেক প্রত্যাশিত যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়েছে গত ২৫শে মার্চ। ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে, কমিটির কাছে তথ্য উপাত্ত জমা দেওয়া যাবে, এই তদন্ত কমিটির ক্ষমতা রয়েছে , তদন্ত কমিটি ইচ্ছা করলেই বাংলাদেশী নাগরিকদের কাছে তথ্য আহ্বান করতে পারবে এবং তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক। তদন্ত কমিটি যাদের সাক্ষ্য হিসেবে ডাকবে তাদের কোনো রকম ভয়-ভীতি দেখানোও শাস্তিযোগ্য অপরাধ বিবেচিত হবে। সাক্ষীদের কোনরূপ প্ররোচনা দেওয়া যাবে না, প্রভাবিত করা যাবে না।
নিরপেক্ষতা এবং দক্ষতার সাথে আন্তরিকতার মিশেল ঘটলে এই তদন্ত কমিটির তদন্ত রিপোর্ট নিয়ে কোনো সংশয় তৈরী হওয়ার সুযোগ নেই। ব্যক্তিগত ভাবে আমি তদন্ত কমিটির কাউকেই চিনি না বলে নিরপেক্ষতা এবং দক্ষতার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে পারছি না, তবে তারা ৭১এর যুবক, সুতরাং তাদের আন্তরিকতা প্রশ্নে সংশয় নেই আমার।
আন্তর্জাতিক একটা রীতি বিদ্যমান, এখানে আদালতের রায়ে দোষী সব্যস্ত হওয়ার আগে কাউকে অপরাধী স্বীকৃতি দেওয়া মূলত বিচারের রায়কে প্রভাবিত করবার মতো একটি বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। সুতরাং সংবাদ মাধ্যমের সাথে সংশ্লিষ্ট মানুষদের এ বিষয়ে আরও আন্তরিক হওয়া প্রয়োজন। তারা , বিশেষত প্রথম আলো- ডেইলী স্টার, এবং আমাদের সময়, স্কুপ নিউজ এবং ব্রেকিং নিউজের তাড়নায় তাড়া করছেন এই তদন্ত কমিটির সদস্যদের। তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে এক সপ্তাহও হয় নি। তাদের সংগৃহীত তথ্য উপাত্ত যাচাই করে একটি নিরপেক্ষ এবং একটি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন তদন্ত রিপোর্ট প্রদান করতে আরও কয়েক সপ্তাহ সময়ের প্রয়োজন হবে। তবে আমাদের প্রথম আলো-ডেইলী স্টার এবং আমাদের টিভি মিডিয়ার সাংবাদিকদের সে সময় কোথায়? তারা বাসর রাতে সতীচ্ছদ ছিন্ন হওয়ার আগেই আশা করে বসে থাকেন সন্তান হবে এবং সন্তানের জন্য তারা ওয়াকিং প্যাড কিনে রেখেছেন। বিবেচনাবোধের এমন ঘাটতি অন্য কোনো দেশের মিডিয়ায় দেখা যায় না। টাইমের একটি রিপোর্টের জন্য দুজন সাংবাদিক ৪ বছর খেটেছেন, এবং অবশেষে তারা পঞ্চম বছরে এসে তাদের রিপোর্ট প্রদান করেছেন, বাংলাদেশের তদন্ত কমিটির কাছ থেকে এমন তথ্য পাওয়ার জন্য খানিকটা সময়তো দিতে হবে তাদের। প্রতিনিয়ত টিভিক্যামেরার তাড়া খেয়ে তারা কতটুকু অগ্রগতির সংবাদ জানাতে পারবেন? তাদের তো পড়তে হবে, বিবেচনা করতে হবে, একটা গ্রহনযোগ্য অভিযোগ পত্র দাখিল করতে হবে। বিষয়টার অনেক আনুসাঙ্গিক বিষয়াদি আছে, আবেগের বশবর্তী হয়ে একটি ফালতু ট্রায়াল করে তো লাভ নেই।
কম্বোডিয়ায় মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের জন্য তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছিলো ২০০৫ সালে, সে তদন্ত কমিটি ২০০৮ সালে এসে একজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ পত্র দাখিল করতে পেরেছে। অনেক রকম অন্তর্ঘাত ছিলো সেখানে, ক্ষমতাসীনেরা আন্তরিক ছিলো না, কিন্তু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট আলাদা, এখানে সরকার আন্তরিক, তবে আন্তরিকতার অভাব মিডিয়া এবং বিরোধী দলের। মিডিয়া কিংবা আরও স্পষ্ট করে বললে মিডিয়ার অত্যাধিক বাড়াবাড়ী বিচার প্রক্রিয়াকে ব্যহত করতে পারে এমনটাই আমার অনুমান। মিডিয়াকে আরও সংযত ভুমিকা পালন করতে হবে। ফলপ্রত্যাশা করা এবং সুন্দর সমাপ্তির আশা করা আশাবাদী মানুষের কাজ, তবে মিডিয়ার ক্ষমতা সম্পর্কে অবগত হয়ে মিডিয়াকে আরও বেশী সংযত এবং সংহত আচরণ করতে শিখতে হবে। এবং যদি সেটা সম্ভব না হয় তবে রাষ্ট্রের কর্তাব্যক্তিদের মিডিয়া সম্পাদকদের ডেকে স্পষ্ট জানানো উচিত তারা কোথায় তাদের সীমারেখা অতিক্রম করছে।
পাপ্পারাজ্জির ভুমিকায় দেখতে চাইছি না আমি সাংবাদিকদের। বরং তাদের মানুষের প্রতি সহানুভুতিশীল একদল সংবাদপত্র কর্মী হিসেবে ভাবতেই আমি সাচ্ছন্দ্য বোধ করবো। তারা পাপারাজ্জির মতো তদন্ত কমিটির সদস্যদের পেছনে ধাওয়া না করে অন্য কোনো উপায়ে সংবাদ সংগ্রহ করে তাদের ব্রেকিং নিউজের পাতা ভরিয়ে তুলুন সমস্যা নেই, কিন্তু একটা সীমারেখা বজায় রাখা প্রয়োজন।
যুদ্ধাপরাধের বিচার বিষয়ে সমন্বয়হীনতার অভিযোগ করেছিলাম আগে, আইনমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, এলজিআরডি মন্ত্রী এবং সরকারের অন্যান্য ব্যক্তিবর্গের বক্তব্যের সমন্বয়হীনতা এত বেশী প্রকট যে যুদ্ধাপরাধের বিচারের বিষয়ে সরকারের আন্তরিকতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছিলো। এখনও সে সমন্বয়হীনতা কাটে নি। তদন্তকমিটি গঠিত হওয়ার পরে আওয়ামী লীগের নেতাদের বক্তব্যের ধারা হওয়া উচিত ছিলো তদন্ত কমিটি নিজেদের কাজ করছে, তারা তদন্ত শেষে যা সিদ্ধান্ত দিবে, যেভাবে অভিযোগপত্র সাজাবে, সে সাজানো অভিযোগপত্রের ভিত্তিতেই ট্রাইব্যুনাল কাজ করবে, ট্রাইব্যুনাল গঠিত হওয়ার পরে তাদের বক্তব্য প্রকাশের কোনো যৌক্তিকতা নেই। বরং তারা যদি হ্যান ত্যান বলে একে তাকে যুদ্ধাপরাধী ঘোষণা দেন কিংবা সাংবাদিকদের এমন সব প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেন এবং সেটা যখন দৈনিকে ছাপা হয় তখন সাধারণ মানুষের ভেতরে সংশয় তৈরি হয়।
বিএনপি আজ তদন্ত কমিটির নিরপেক্ষতা বিষয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেছে, জামায়াত ঘোষণা দিয়ে প্রতিহত করবার, এইসব ক্ষেত্রে তদন্তকমিটি ব্যতিত অন্য যেকোনো ব্যক্তির আলটপকা মন্তব্য কিংবা এখতিয়ারবহির্ভুত মন্তব্য শুধু সংশয় বৃদ্দি করবে এবং তদন্ত কমিটির নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে। এবং এমনটা চলতে থাকলে স্বয়ং বিচারের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে।
৩৯ বছর ধরে বাংলাদেশের মানুষ অপেক্ষা করেছে সুবিচার এবং ন্যায় বিচারের। সামান্য কয়েকজন নির্বোধ এবং অশোভন সাংবাদিক এবং একই রকম নির্বোধ জননেতাদের অহেতুক বাক্যব্যয়ে সেই ন্যায়বিচার যদি হুমকির মুখোমুখি হয় সেটা হবে আরও বেশী দুঃখজনক।
সুতরাং একটা প্রস্তাব পাঠানো যায়, সেটা প্রধানমন্ত্রী[ ইদানিং বাংলাদেশের যে অবস্থা এবং সরকারের আন্তবিভাগীয় সংযোগের যে দুরাবস্থা, তাতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ব্যতিত কোনো কিছু করা কঠিন] দেশের সকল সংবাদপত্র এবং টেলিভিশনের সংবাদের সম্পাদকদের ডেকে ব্যখ্যা করে বলবেন, তিনি সুন্দর করে তাদের সীমারেখা জানিয়ে দিবেন, এবং একই সাথে তিনি আইনমন্ত্রী,উপআইনমন্ত্রী, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এবং তার উপদেষ্টাদের নির্দেশ দিবেন যেনো তারা যুদ্ধাপরাধ বিষয়ে যেকোনো সাংবাদিকদের প্রশ্নের একটা মাত্র উত্তর প্রদান করেন, তদন্ত কমিটি তদন্ত করছে, তারাই অভিযোগ গঠন করবেন এবং তারাই জানাবেন কাকে কাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
সম্পাদকদের ডেকে অনুরোধ করবেন যেনো তারা এমন নিউজহান্ট করতে গিয়ে খোদ ট্রাইব্যুনালকে হত্যা না করে, সুতরাং সরকার ট্রাইব্যুনালের জন্য একজন মিডিয়া করেসপন্ডেন্স নিয়োগ দিবেন এবং সে করেসপন্ডেন্সের কাছেই যুদ্ধাপরাধের যাবতীয় এনকোয়ারী করবে সাংবাদিকগণ। যদি কোনো সাংবাদিক এই নির্ধারিত সীমারেখার বাইরে গিয়ে কোনো আচরণ করেন তবে সেটা আইনবহির্ভুত গণ্য হবে। এবং এটাকে শক্ত হাতে নিয়ন্ত্রন করা হবে। এই মেসেজটা ছড়িয়ে দেওয়া প্রয়োজন।
সংকট হচ্ছে যুদ্ধাপরাধীদের তালিকা নিয়ে, তদন্ত কমিটির সদস্যগন সাধারণ মানুষ, তবে তাদের উপরে আরও বড় একটি দায়িত্বের বোঝা রয়েছে, তাদের যেকোনো ভ্রান্তি কিংবা মানবীয় ভুল একজন সাম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধীর মুক্তির সনদ হয়ে যেতে পারে, অভিযোগ যথাযথ না হলে আদালত এমন কি নিশ্চিত খুনের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকেও দায়মুক্ত করে দিতে পারেন, সুতরাং তাদের আরও বেশী মনোযোগী হয়ে কাজ করবার নির্বিঘ্ন পরিবেশের ব্যবস্থা করে দেওয়া আমাদের সকলের কর্তব্য। সাংবাদিকগণ নিজেদের মনমতো তালিকা নিয়ে হাজির হচ্ছেন এবং সে তালিকা প্রকাশ করছেন নিজেদের দৈনিকে। এক একটা সংখ্যা জানিয়ে দিচ্ছেন এবং সেটা ব্রেকিং নি্উজ কিংবা এমন কিছু একটা হিসেবে ছাপা হচ্ছে। এই আত্মঘাতী পদক্ষেপ বিষয়ে সরকারের নির্লিপ্ততা আমাকে আরও বেশী বিভ্রান্ত করছে।
দায়িত্বজ্ঞানহীন সাংবাদিকতার নজির দেখেছি অনেক, তবে পরিস্থিতির গুরুত্ব না বুঝা সাংবাদিক এবং একই সাথে পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুধাবন করতে ব্যর্থ হওয়া রাজনীতিবিদদের এই সম্মিলন দেখে নিজেই চিন্তিত আদৌ বিচারের কাঠগড়ায় কাউকে আনা সম্ভব হবে কি না। সুতরাং সংশ্লিষ্ট সবাইকে একটু দায়িত্বশীল আচরণের অনুরোধ করছি।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
তদন্ত কমিটির লিখিত অনুমতি ছাড়া তাদের রেফারেন্সে কোন কিছু ছাপাও শাস্তি যোগ্য অপরাধ হওয়া দরকার।
মদন বলেছেন:
অসাধারন!!!
াহো বলেছেন:
সুতরাং সংশ্লিষ্ট সবাইকে একটু দায়িত্বশীল আচরণের অনুরোধ করছি।
সুধাসদন বলেছেন:
সাংবাদিকদের দোষ দেয়ার আগে মন্ত্রীদের কথা বলেন। তদন্ত কমিটি কাজ শুরু করার আগেই তারা একটি বিতর্কিত তালিকা তৈরী করেছে। মন্ত্রীরা পারলে বিনা বিচারে এখনি কাউকে কাউকে ফাঁসি দিয়ে ফেলে! এই ব্লগেও একই অবস্থা দেখা যায়।
লেখক বলেছেন: মন্ত্রীরা তালিকা করলেই সেটা তদন্ত কমিটি আমলে আনবে এমন আশংকার কারণ কি? তালিকা বিতর্কিত মনে করলে বিতর্কিত, তবে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধকালীন সময় নিয়ে গবেষণা করা প্রতিষ্ঠানগুলো যখন গবেষণা করে জানাচ্ছে কোনো তথ্য তখন সেখানে সংশয়ের বিষয়টা কম।
পাকিস্তানী জেনারেলদের ভাষ্যে যাদের ঘাড়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংগঠিত করার দায় এসেছে তাদের বিষয়টাও কি কোনো রকম রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে হয় আপনার? আন্তর্জাতিক আইনের আঁওতায় বিচার হচ্ছে এবং এই বিচারের ক্ষেত্রে তারা প্রয়োজনে প্রকাশিত দৈনিক ও আত্মজীবনির তথ্যকে যাচাই করে আমলে আনতে পারে। এমন কি যদি জাতিসংঘের মাধ্যমে পাকিস্তানকে বাধ্য করা যায় সেনাবাহিনীর বাজেটের তথ্য অবমুক্ত করতে তবে আরও অনেক বিগশটের নাম আর পে রোল পেয়ে যাবেন। তথ্য অবমুক্ত করতে পাকিস্তানের অনীহা বলেই এত ঘুরপথে যেতে হচ্ছে। নইলে সেই পে রোল দেখেই বিচারটা সহজে করা সম্ভব হতো।
আপনার অভিমত কি এই মন্তব্যে?
সুধাসদন বলেছেন:
যুদ্ধাপরাধের বিচারে গঠিত ট্রাইব্যুনালের সরকারি আইনজীবী প্যানেল প্রধানের সমালোচনা করে কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, ছাগল দিয়ে যেমন ধান মাড়া যায় না, তেমনি বাছুর দিয়ে যুদ্ধাপরাধের বিচার করা যায় না। গোলাম আযমকেও ট্রাইব্যুনালের প্রধান করলে আমার কোন আপত্তি ছিল না। কারণ ট্রাইব্যুনালের বিচারক নয়, তদন্ত কর্মকর্তা ও আইনজীবীই হচ্ছে প্রধান। আইনজীবী প্যানেলের প্রধান গোলাম আরিফ টিপুর নামই কখনো শুনিনি মন্তব্য করে তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানতে চান এক্ষেত্রে ব্যারিস্টার রফিক-উল-হক, ড. কামাল হোসেনকে জিজ্ঞাসা করা হলো না কেন?আমরা তলোয়ারের বিচার চাই না, আইনের বিচার চাই উল্লেখ কর তিনি বলেন, যাদেরকে যুদ্ধাপরাধের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তারাই ষড়যন্ত্রকারী কিনা দেখতে হবে। বিচার বিচার বলে চিৎকার করছে তারাও ষড়যন্ত্রকারী কিনা তা প্রধানমন্ত্রীকে খোঁজ নিতে হবে।
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
ঢালাওভাবে সবাইকে দোষারোপ করার কোনো কারণ দেখছি না। কিছু দায়িত্বহীন পত্রিকা ও সাংবাদিক এ ধরনের কাজ করছে। বিপরীতে আবার অনেকগুলো পত্রিকা এই ইস্যুতে যথার্থ ও দায়িত্বশীল ভূমিকাও পালন করছে। আপনি সবাইকে হরেদরে এক পাল্লায় মেপে ফেললেন। মাইনাস দেওয়া জরুরি ছিল। তবে ব্লগে আপনার প্রত্যাবর্তন উদযাপন করতে গিয়ে সেটা থেকে বিরত থাকলাম।
লেখক বলেছেন: এটা ঠিক প্রত্যাবর্তন নয়, সুতরাং নির্বঘ্নে মাইনাস দেওয়া যাইতে পারে,
বরং মাইনাস কম পড়লে আমি টেনশনে থাকি,মনে হয় কিছু ভুল কইয়া ফেলছি। াপনেরা মাইনাসের বাত্তি জ্বালায়া সঠিক পথে রাখছেন কইয়া এখনও রাস্তায় হাঁটতে পারি।
পৃথিবী আমারে চাই না বলেছেন:
সাংবাদিক আর সরকার, একজন ভুল করলে আর একজন সেটা সংশোধনের দায়িত্ব নিবে। কিন্তু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। এখানে দুইজনই একজোগে একই ভুল করে। দুইজনই চেস্টা করে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে কিভাবে ফায়দা হাসিল করা যায়। তাতে যদি প্রকৃত অপরাধী ছাড়া পায় বা নির্দোষ ব্যাক্তি শাস্তি পায় তাহলেও তাদের কিছু যায় আসে না। নিজেদের স্বার্থই শেষ কথা তাদের কাছে। বর্তমানের আলোচিত ঘটনাটাও সেইদিকেই চলে যাচ্ছে।
রংধনুর সাত রঙ বলেছেন:
পৃথিবী আমারে চাই নার কমেন্টের সাথে একমত হয়ে বলছি এ দেশের ৯০% সাংবাদিক সাংবাদিকতা না করে সন্ত্রাস করছে।
ঈদ এর চাঁদ বলেছেন:
আতেল পোষ্ট । পুরা ভুয়া ।
সুধাসদন বলেছেন:
আশঙ্কার কারণ হচ্ছে, সরকার যে ট্রাইবুনাল , আইনজীবী প্যানেল ও তদন্ত সংস্থা গঠন করেছে, তা সম্পূর্ণ দলীয় ভিত্তিতে। সেখানে এমন কেউ নেই যার উপর ভরসা করা যায়। আর সরকার যে ৩৬ জনের তালিকা প্রকাশ করেছে সেখানে মৃত ব্যক্তি, মুক্তিযোদ্ধা এবং একাত্তরে শিশু ছিল এমন ব্যক্তিও আছে।কারা যুদ্ধাপরাধী তা আমাদের চেয়ে পাকি জেনারেলরা কি বেশী জানে? জেনারেলদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে হবে কেন? তাদের সাক্ষ্য গ্রহণ করলে তো মুজিব সরকারই বিচার করে যেতেন। কিন্তু তিনি তাদের বিরুদ্ধে মানবতা বিরোধী অপরাধ পাননি তাদের ক্ষমা করে দিয়েছেন।
পাকিদের অপরাধ মুজিব আমলেই প্রমাণিত হয়েছিল। ১৯৫জন সেনাকে চিহ্নিতও করা হয়েছিল। কিন্তু তাদের ছেড়ে দেয়া হলো কেন?
লেখক বলেছেন: আপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে তাদের সবাইকে আপনি ব্যক্তিগত ভাবে চিনেন। তাহলে তাদের বিস্তারিত জানিয়ে লিখেন।
তবে আপনাকে করা প্রশ্নের উত্তরটা পেলাম না।
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর খরচের টালিখাতা খুললে পে লিস্টে নিজামি মুজাহিদ আজহারুল ইসলাম,গোলাম আযম আর ইউসুফের নাম পাওয়ার সম্ভবনা কতটুকু বলে আপনার বিশ্বাস?
াহো বলেছেন:
সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম এর দেয়া ৫০ যুদ্ধাপরাধীর তালিকা১. গোলাম আজম
২. মওলানা এ কে এম ইউসুফ
৩. মতিউর রহমান নিজামী
৪. দেলোয়ার হোসাইন সাঈদী
৫. মো: কামরুজ্জামান
৬. মওলানা আব্দুর রহিম
৭. আব্বাস আলী খান
৮. আলী আহসান মোহাম্মদ মোজাহিদ
৯. আব্দুল কাদের মোল্লা
১০. মোহাম্মদ হামিদুল হক চৌধুরী
১১. খাজা খায়রুদ্দিন
১২. মোহাম্মদ আলী
১৩. মোহাম্মদ আব্দুল আলীম
১৪. এএমএস সোলায়মান
১৫. সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী
১৬. ফজলুল কাদের চৌধুরী
১৭. জুলমত আলী খান
১৮. কাজী কাদের
১৯. খান আব্দুস সবুর খান
২০. মওলানা ফরিদ আহমেদ
২১. শাহ্ মোহাম্মদ আজিজুর রহমান
২২. মাওলানা আব্দুল মান্নান
২৩. ডা: আবু মোতালেব মালেক
২৪. মোহাম্মদ ইউনুস
২৫. এবিএম খালেক মজুমদার
২৬. এএন এম ইউসুফ
২৭. নুরুল আমিন
২৮. এ কিউ এম শফিউল ইসলাম
২৯. আবদুল মতিন
৩০. এড. মোহাম্মদ আইনুদ্দিন
৩১. মাওলানা নুরুজ্জামান (আইআরপি)
৩২. মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক
৩৩. গোলাম সরোয়ার
৩৪. মোহাম্মদ আকতার উদ্দিন আহমেদ
৩৫. মাওলানা আবদুস সোবাহান
৩৬. ক্যাপ্টেন (অব: ) আব্দুল বাছেদ
৩৭. আবদুল মতিন ভূঁইয়া
৩৮. মোহাম্মদ আবুল কাশেম
৩৯. ওবায়দুল্লাহ মজুমদার
৪০. মীর কাশেম আলী
৪১. ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল জব্বার
৪২. মাওলানা আবুল কালাম আজাদ
৪৩. মোহাম্মদ আবদুল হান্নান
৪৪. ব্যারিস্টার কোরবান আলী
৪৫. আশরাফ হোসাইন
৪৬. এড. আনসার আলী
৪৭. মোহাম্মদ কায়সার
৪৮. আবদুল মজিদ তালুকদা
৪৯. নওয়াজেস আহমেদ
৫০. একে মোশাররফ হোসেন।
কোন ভুল থাকলে জানাবেন Please ?
লেখক বলেছেন: তাদের কৃতকর্ম এবং অবস্থান এবং রাজাকার ও শান্তিবাহিনীতে তাদের অবস্থান বিষয়ে তথ্য থাকলে সেটা জানান।
১ থেকে ২৮ পর্যন্ত তালিকার মানুষদের কর্মক্ষেত্র, ১৯৭১ এ রাজনৈতিক আনতি এবং পাকিস্তানী সেনাবাহিনীকে সহযোগিতার তথ্য তো আছেই।
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
হাসিনা কতৃক নিয়োগ কৃত ও লালিত পালিত দুদকের চেয়াম্যান ও দুদকের অবস্হা দেখেছেন........?????যদি সৎ ভাবে এই প্রতিষ্ঠানের দিকে খেয়াল করে থাকেন তবে যুদ্বাপরাধ ওরফে মানবতা বিরোধী কর্মকান্ডের বিচার ও তার লিষ্টি বানানোর মাজেজা বুজতে কষ্ট হওয়ার কথা নয়|
আর দেশের সা;বাদিকদের অবস্হা রমরমা পতিতাবৃত্তির মত হয়ে গেছে, ওদেরকে নিয়ে লিখা বা আলাপ আলোচনায় বমি আসে|
জোকার৬৬৬ বলেছেন:
একটা হিসাব দেখি-ধরি একজন রাজাকারের বয়স ১৯৭১ ছিলো ২০ বছর। তার ৩৯ বছর পর এখন তার বয়স ২০+৩৯= ৫৯ বছর। এতদিনে অনেকেই মরে ভুত হয়ে গেছে।
এদের বিচারে কাল ক্ষেপন করা কি আর উচিত হবে??
শয়তান বলেছেন:
একমত ।
দ্রীঘাংচু বলেছেন:
আমার এক্টা দুশ্চিন্তা হৈতেছে রাসেল ভাই, যুদ্ধাপরাধীগো বিচার আবার গোলামাজমের নাগরিকত্ব মাম্লার মতো না হয়ে যায়।
স্বপ্নকথক বলেছেন:
এক মুজিবের বিচার চললো ১২ বছর ধরে, ২২০০০ যুদ্ধাপরাধীর বিচার করতে কত সময় লাগবে?
মনির হাসান বলেছেন:
গুড পোস্ট ... আলোচনার কিছু বাকি রাখেননি।
ভাবনাবিহীন বলেছেন:
জয় বাংলা। নিয়োগপ্রাপ্ত জাজ রা দেখলাম প্রসিকিউটর লগে নিয়া পরিদর্শন করতে গেছে। সুবিচারের আন্তর্জাতিক রীতিই হইলো বিচারক উকিলদের সাথে ট্রায়াল ছাড়া একসাথে হবে না। অতিউৎসাহী লীগার রা এইগুলা করে বিচার প্রক্রিয়ার ক্ষতি করতাছে।
াহো বলেছেন:
৬৬ বছর পর যুদ্ধাপরাধের দায়ে বিচারের মুখোমুখি নাৎসি প্রহরীদ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ৬৬ বছর পর যুদ্ধাপরাধের দায়ে ৮৯ বছর বয়স্ক জন ইভান ডেমিয়ানইউর বিচার গত সোমবার জার্মানির মিউনিখের একটি আদালতে শুরু হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে ১৯৪৩ সালে সোবিবর ডেথ ক্যাম্পে ২৯ হাজার বন্দীকে জোর করে গ্যাস চেম্বারে ঢুকিয়ে হত্যার কাজে সহায়তার অভিযোগ রয়েছে।
হুইলচেয়ারে বসে নীল কম্বল গায়ে চাপিয়ে এই যুদ্ধাপরাধী মিউনিখের আদালতে পৌঁছানোর অনেক আগেই ১৫০ আসনবিশিষ্ট আদালত-কক্ষ ভরে যায়।
জন ইভান ডেমিয়ানইউ হিটলারের নাৎসি পার্টির কর্মী বা হিটলার সেনাবাহিনীর সদস্য ছিলেন না। তিনি ছিলেন সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নাগরিক। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে ১৯৪২ সালে সোভিয়েত সেনাসদস্য হিসেবে সোভিয়েত ক্রিম দ্বীপে ধরা পড়ার পর জার্মানির দখল করা পোল্যান্ডের ট্রেবলিংকার জার্মান এসএস বাহিনীর ট্রেনিং ক্যাম্পে প্রশিক্ষণ নিয়ে কুখ্যাত সোবিবর ডেথ ক্যাম্পে স্বেচ্ছায় প্রহরী হিসেবে দায়িত্ব নেন।
এই ক্যাম্পের প্রহরীরা ১৯৪২ সাল থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়া পর্যন্ত ২৯ হাজার বন্দীকে হত্যা করে। তাদের মধ্যে বেশির ভাগ বন্দীকে জোর করে গ্যাস চেম্বারে ঢুকিয়ে হত্যা করা হয়।
জার্মানির লুদভিনাহাফন শহরে অবস্থিত কেন্দ্রীয় আর্কাইভ (যেখানে নাৎসিদের সব অপকর্মের যাবতীয় দলিল রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়েছে) থেকে পাওয়া একটি পরিচয়পত্রের সূত্র ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত এই যুদ্ধাপরাধীকে জার্মানিতে ফেরিয়ে আনতে আবেদন করেন মিউনিখের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি। পরে এ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র সরকার এ বছর ১২ মে একটি বিশেষ অ্যাম্বুলেন্স বিমানে করে ইভান ডেমিয়ানইউকে মিউনিখে পৌঁছে দেয়। এর পর থেকেই তাঁকে মিউনিখের জেলে বন্দী করে রাখা হয়। কেন্দ্রীয় আর্কাইভে পাওয়া পরিচয়পত্রে ছবিসহ প্রহরী হিসেবে সোবিবর বন্দিশিবিরে নিয়োগ এবং কাজ করার ব্যাপারটি স্পষ্ট হয়েছে।
এই যুদ্ধাপরাধী ১৯৫২ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছিলেন, ১৯৭৫ সালে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন সরকার যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত ৭০ জন যুদ্ধাপরাধীর তালিকা যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে হস্তান্তর করে। তাঁকে সে সময় মার্কিন-সোভিয়েত শীতল সম্পর্কের কারণে যুক্তরাষ্ট্র তাতে তেমন সাড়া দেয়নি। তবে ১৯৭৬ সালের গ্রীষ্মে নিউইয়র্কের একটি স্থানীয় ইউক্রেনীয় পত্রিকা ডেমিয়ানইউর যুদ্ধাপরাধী পরিচয় ফাঁস করে দেয়।
এর আগে ১৯৮৮ সালে এই যুদ্ধাপরাধীকে ইসরায়েলের দাবির মুখে সেখানে পাঠানো হয় এবং তাঁর অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। কিন্তু ইসরায়েলের বিচারিক প্রক্রিয়ার ফাঁক গলিয়ে মুক্ত হয়ে ১৯৯৩ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ফেরত যান এবং পুনরায় যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন।
সোমবার মিউনিখের আদালতে বিচারের প্রথম দিন রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি নাৎসি আমলের পরিচয়পত্রটি পেশ করেন। অন্যদিকে ডেমিয়ানইউর আইনবিদ আদালতে জানিয়েছেন, তাঁর মক্কেল জীবনের হুমকির মুখে জার্মান বাহিনীর আদেশ পালন করেছেন মাত্র। কিন্তু আদালতে সাক্ষ্য দিতে আসা সোবিবর ক্যাম্পে নিহত ১৯টি পরিবারের সদস্যরা এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা তথ্য বলে জানিয়েছেন।
ভগ্ন স্বাস্থ্যের কারণে এই ৮৯ বছর বয়স্ক যুদ্ধাপরাধীকে চিকিত্সকেরা আদালতে তিন ঘণ্টার বেশি উপস্থিত না রাখার অনুরোধ করেছেন।
জন ইভান ডেমিয়ানইউর বিরুদ্ধে পরিচালিত যুদ্ধাপরাধী মামলায় দোষ প্রমাণিত হলে জার্মান যুদ্ধাপরাধ আইন অনুযায়ী তাঁর বয়স বিবেচনায় ১৫ বছর জেল হতে পারে।
Click This Link
ওরাকল বলেছেন:
সহমত।তবে ট্রাইবুনালের আইনজীবি পেনেল নিয়ে আমার বিশেষ আপত্তি আছে। ঐ পেনেলে দেশের স্বনামধন্য ও পরিচিত আইনজীবিদের অনুসস্থিতি বিশেষ ভাবে লক্ষনিয়। তুলনা মূলক অনভিগ্য এই আইনজীবিদের বিশেষ কোন ট্রেইনিং ও দেয়া হয় নি (যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ তদন্ত সাধারন কোন ব্যাপার নয়)। সুতরাং তারা কতটুকু কি করতে পারবে তা নিয়ে শংকিত।
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন:
+ সহমত।
মৌ-মাছি বলেছেন:
ভালো বিশ্লেষন করেছেন। হাজার রকমের তালিকা তৈরী বিভ্রান্তির সৃষ্টির জন্য বলে আমার মনে হয়।
কৌশিক বলেছেন:
+
হয়রান ভাই বলেছেন:
ব্রিলিয়্যান্ট লিখা।
ষড়ৈশ্বর্য মুহম্মদ বলেছেন:
এই দেশে সুবোধ খুব কম।
জাতি জানতে চায় বলেছেন:
মন্ত্রীদের বক্তব্যে সমন্বয়হীনতা, নির্বোধ সাংবাদিকতা অথবা পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝতে ব্যর্থ রাজনীতিকদের কথা এনে বরং পোস্টকে ডিপ্লোম্যাটিক বানাইয়া ফেলছেন! যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকে গতানুগতিক পলিটিক্যাল ইস্যু ধরে অগ্রসর হওয়ার কারনে এই ইস্যুতে মহাজোটে সমন্বয় নিয়া চিন্তা-ভাবনা না থাকারই কথা! বিচার নিয়া যতটুকু লম্ফ-ঝম্ফ শোনা যায় সেটা দীর্ঘদিনের পলিটিক্যাল ইস্যুকে জীবিত অবস্থায় ধরে রাখার চেষ্টা বলেই মনে হয়! বিচারের ইস্যুটা নতুন বা এতটা সূক্ষ্ম না যে সাংঘাতিকদের এখানে নির্বোধ হওয়ার সুযোগ আছে! উল্টো সাংঘাতিকরা তাদের মালিকদের মতিগতির দিকে লক্ষ্য রেখেই প্রবন্ধ রচনা করে যাচ্ছেন! দল যেখানে পরিস্থিতির গুরুত্বকে পাত্তাই দিতে চায় না, সেখানে রাজনীতিকদের ব্যর্থ হওয়ার সুযোগ কই?!
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















