আমার প্রিয় পোস্ট

অতি দক্ষ মিথ্যুক না হলে সত্যবাদিতা উৎকৃষ্ট পন্থা

ব্যার্থ রাইসু - কাব্য সঞ্চয়ের ভুমিকা

২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ রাত ৩:৪৪

শেয়ার করুন:                   Facebook

আমি কবি এবং অনাহারী, দিনে বা রাতে লাঞ্চ বা ডিনার না জোটার দিনের পরের সকালে কোষ্ঠকাঠিন্য ভীষন ভোগায়। অনেক ঘাম ঝড়ানো সময় অতিবাহিত হলে কমোডের চারপাশের জমা হয় সাধক বিড়ির ছাই,
নিভন্ত আগুনের আঁচে আচমন করি সেসব সকালে,
অহেতুক সময় নষ্ট আমার পছন্দ নয়, আর কেষ্ঠর রাস্তা পরিস্কার না হলে আমার কানাই আসে না ঘরে,
সে সাধক বিড়ির ছাই আঙ্গুলে ঘষে "টয়লেট পেপারে লিখিত কবিতাগুলো"র খসরা করি আমি।
প্রবল কোঁৎএর তাড়নায় মাঝে মাঝে কবিতা দুমড়ে যায়
মাঝে মাঝে সর্পিল মাঝে মাঝে স্থির সেসব অলস সময়ে টয়লেট পেপারে লিখে যাওয়া কবিতাগুলো সময়কাটানোর বাহন ছিলো। আজ আমার গ্রাসাচ্ছাদকের ভুমিকায় দেখছি এটাকে।
এ কবিতার বেশীরভাগগুলোই ফ্লাশের পরে ডুবো নৌকার মতো ভেসে গেছে ঢাকা শহরের ভূগর্ভস্ত আবর্জনার গোঁলক ধাঁধাঁয়। মাঝে মাঝে কয়েকটা ভুস করে ভেসে উঠে বুড়িগঙ্গায়, চলমান লঞ্চের মরন প্রপেলার এড়িয়ে সাগরের দিকে এগিয়ে যায়।
সেসব ভেসে জাওয়া কবিতা নিয়ে অন্য একটা সংকলন করার ইচ্ছা আমার। সেটার নাম দিবো, "গ্রন্থিল ভ্রমন শেষে উজার মোহনায়" আপাতত এ কাব্য গ্রন্থের কাব্যপরিচালক হিসেবে দুটি কথা না বললেই নয়।


টয়লেট পেপারে লিখিত কবিতাগুলো এজন্যই অভাবনীয় যে একটা ভীষন নির্বেগ অলস সময়ে ত্যাগের বাসনা বুকে লিখিত সবগুলো কবিতাই, এবং তার প্রথম পাঠক ভক্ত সুহৃদ কানা রূশিদ,
তার সম্পাদনায় এবং নিপুত হস্তাক্ষরে পুর্ন লিখিত হয় কবিতাগুলো, ছাপাখানায় আসার আগে এ কবিতাগুলো দুই জন্ম পেড়িয়ে এসেছে,

এর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কবিতা বাঘের প্রেম এবং আমার নির্বংশ হাত।
বাঘের প্রেম

মাচানে চাঁদ হাসে
জিম করবেট বসে থাকে পা ঝুঁলিয়ে
চাঁদের বুড়িকে চোখ মারে
চেয়ে চেয়ে দেখি আমি অশায় চাঁর

প্রেমিক বাঘ এসে ভাংবে এ ঘাড়
করবেটের রাইফেলে বুক পেতে দিবে
আমাকে ভীষন ভালোবেসে

আমার নির্বংশ হাত

অবশেষে হে প্রনয়ী 5 অঙ্গুরিয়
অবগাহন কুসুম উষঞতা
মৃদু কাব্য সঞ্চালন হয় আহা আহা
যেমন ইচ্ছা লিখবার আমার কবিতার খাতা জুড়ে
শামসুর রেহমান আহত বাঘের মতো
বুকের রক্ত চাটে
ঘর্ষনে বর্ষন হবে আজ
আহা তীব্র কম্পন চেতনায়
তিতকুটে জীবনের ভাঁজে
তোমার স্তনবৃন্ত দাঁতে কাটি
কুটকুট ইদুঁরের মত
সঞ্চালকের ভুমিকায়
প্রনয়ি 5টি আঙ্গুল
বেহালার ছিড়ে যাওয়া তার

এবং মৃত আগ্নেয়গিড়ির দমকে দমকে
স্বেদময় উদগীরন
এই দুইটা কবিতা বলেই আমাকে যেতে হচ্ছে, অবশিষ্ট কবিতাগুলো নিয়ে আসবেন কানা রূশীদ

আমি যাই বন্ধু আলসারে ডাক এসেছে যেতে হবে হোটেল ছালাদিয়া।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি  বিভাগে ।

 

  • ২ টি মন্তব্য
  • ৩৯০ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ সকাল ১০:০২
comment by: অতিথি বলেছেন: রাসেল.........খুবই মজা পাইলাম। আপনার রসবোধের সাথে আপনার প্রতিভার খিচুঁড়ি বানাইয়া যে মালখানা আপনি প্রসব করলেন তা কানা রুশদি, ভোতা রাইসু আর কবিতা কপচানির উত্তম রগড় হইয়াছে। এই লিখা ইহাও প্রমাণ করিয়াছে যে আপনার কাব্য প্রতিভাও শেকড় পর্যন্ত বিস্তৃত। শুধু আর দশজনের মত টয়লেটে যাওয়ার সময় পান না বিধায় আমরা পাঠককূল নির্যাতনের হাত হইতে বাঁচিয়া গিয়াছি।
২. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ সকাল ১০:০২
comment by: অতিথি বলেছেন: ইউসুফ গুলের ভূষি দিনে রাইতে দুইবার খাইয়া দেখতে পারেন

 

 


অনেক অনেক চেষ্টা হয়েছে ব্লগানোর বাংলা করা নিয়ে, আমার এখন ব্লগের নতুন বাংলা করতে ইচ্ছা করলো তাই দিলাম এর নাম...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ১২৪৪৮৪