আমার প্রিয় পোস্ট

অতি দক্ষ মিথ্যুক না হলে সত্যবাদিতা উৎকৃষ্ট পন্থা

শয়তানের না জানা ইতিহাস

১৪ ই এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৮:২৯

শেয়ার করুন:                   Facebook

ইশ্বর নিজে এবং তার সদাজাগ্রত এবং অনুগত দেবদুত এবং তার বানী বহনকারী লক্ষ নিযুত পথপ্রদর্শক এবং হাজার হাজার উপাসনালয় এবং সেসব উপাসনালয়ের সব যাজক এবং উপাসক এবং শত শত ধর্মপ্রাণ মানুষের বিপরীতে বলিষ্ঠ একজন একা মাথার শিং তুলে দাড়িয়ে আছে, সেই শয়তানে নমস্কার।
এই একটা ব্যাক্তি ইশ্বর এবং তাবত উপাসনালয়ের উপাসক, দেবদুত, এবং ধর্মপ্রান মানুষের চেয়ে বেশি শক্তিশালী, উনি একাই পৃথিবীতে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছেন, মানুষকে বিপথে নিয়ে যাচ্ছেন, ইশ্বর তার ক্লিব দেবদুত এবং অতিরিক্ত কামুক মসজিদের ইমাম, এবং যৌনবিরত যাজক এবং পুরোহিত এবং এদের প্রহরায় থাকা সমস্ত ধার্মিক মানুষেরা মিলেও তাকে থামাতে পারছে না।
থামাতে পারছে না মানুষের ঘাড়ের উপর ঠ্যাং তুলে বসে থাকা 2 ফেরেশতা। থামাতে পারছে না, আমার প্রায় নিঁখুত কামানো গালে ছোট্টো দাড়ি ধরে অস্তিত্বের লড়াই রত 70 হাজার ফেরেশতা, এই একটা লোক তাবদ ধর্মগ্রন্থে প্রস্রাব করে দিব্যি ল্যাজ নাচিয়ে যাচ্ছেন, তার টিকিটাও ধরতে পারছে না, এত জনবল নিয়েও এই একটা লোককে থামানো যাচ্ছে না এইটা দেখেও যদি কারো একটু সহায়তার খায়েশ জাগতো ভালো হতো।
এই একটা লোককে থামানোর জন্য সপ্তম আকাশের প্রতিটা রন্ধ্রে সিপাহী বসানো হয়েছে, তারা পাথর হাতে নিয়ে অপেক্ষায় থাকে , শয়তান দেখলেই হুঁশ পাখি বলে পাথর ছুড়ে মারে, আর সেই পাথরের আঘাতে মরে যায় হজ্বযাত্রীর দল,
এই বহূরূপি ইবলিশ মাছি সেগে প্রবেশ করে নন্দন কাননে, হাওয়াকে ভুজুং দিয়ে আপেল খাওয়ায় আর সে আপেল খেয়ে বাবা আদমের ডিসেন্ট্রি হলে নন্দনকাননের পরিবেশ সচেতন মন্ত্রি তাকে স্বর্গ থেকে বহিস্কার করেন, তবে আদমের আপেল খেয়ে দিব্য চক্ষু খুলে যায়, হঠাৎ সে আবিস্কার করে তার সামনে এক ন্যাংটা মেয়ে দাড়িয়ে, অর্থ্যাৎ যৌনতা বোধের জনক ইবলিশ আর ওটা আপেল ছিলো না ছিলো ভায়াগ্রা। এবং এই আদম পরে একটা সস্তা কয়ামেরা কিনে ই-বে অকশনে , কিনে প্লেবয়ের সেন্টার পেজে হাওয়ার নগ্ন ছবি ছাপিয়ে দেয়। আদমকে প্রথমে নন্দন কানন থেকে বহিস্কার করে 3য় আসমানে নির্বাসন দেওয়া হয়েছিলো, এই অনাচারের পর তাকে 3য় আসমানের সদর দরজা দেখানো হয়, এবং আদম অধঃপতিত কিংবা ভূপতিত হন।
শয়তান এই কাজ করে দিব্য গ্যাট গ্যাট করে পৃথিবীতে নেমে আসে, এর পর হাওয়াকে আদমের কাছ থেকে দুরে সরিয়ে রাখা হয়, ভায়াগ্রার তীব্র প্রভাবে আদম যখন বৃক্ষচারী বানরদের সতীত্ব নাশ করেন প্রবল পরাক্রমে তখনই দ্্বিপদ প্রাইমেটের সৃষ্টি হয়, এদের নিশান আমরা দেখি এখনও প্রাচীন খননে।
এবং এরও অনেক পরে আদমের সাথে হাওয়ার দেখা হয়, এবং হায় আমার আদম বলে হাওয়া ময়দানের এপাশ থেকে ছুটতে ছুটতে আসেন, অন্য পাশ থেকে আদমের লৌড়ানি, অবশেষে সেই বলিউড হলিউডের মতোই পর্দার মাঝখানে তাদের দেখা হয়, তারা আলিঙ্গনাবদ্ধ হন, এবং পাশের সীটের সদ্য কিশোর সিটি মারে, লে বাওয়া আদম তেরে জাওয়াব নেহী বলে আবার ফুচকি কাটে, বেহায়া শয়তানের অনুচর।
শয়তান এর পর কোথায় ঘাপটি মারে এটা জানা যায় না, কথিত নুহের বন্যায় যখন পৃথিবী প্লাবিত হয় তখন শয়তানের থাকার কোনো জায়গা ছিলো না , সে নুহের নৌকার মাস্তুল ধরে ঝুলে পড়ে, এবং গাধাশালায় গিয়ে এক গাধার সাথে সঙ্গমলিপ্ত হয়, এই গাধার ভবিষ্যত বংশধর এবং তাদের তালতো পরিবারবর্গের উজ্জল সন্তানেরা হলো,
মওদুদী, গো আজম, নিজামী, লাদেন। তবে এদের পূর্বপুরুষেরা, মনে রাখতে হবে নুহ সমকামবিরোধী ছিলেন, তাই সেই গাধাকে নোয়াখালিতে নির্বাসন দেওয়া হয়, নোয়াখালী থেকে তারা মাইগ্রেশন করে চিটাগাং, এবং এই 2 জায়গায় তাদের কিছু সন্তন সন্ততি এখনও বর্তমান। শয়তানের কথা বলতে গিয়ে ভুলে শয়তানের ছানা পোনার কথা বলছি, শয়তানের কথা বলি তাহলে, শয়তান নন্দন কানন থেকে বের হয়ে গ্যালাক্সিতে গিয়ে 3 পেগ ভদকার অর্ডার দিয়ে একটু ঝিমান, তার পর হাবিল কাবিলের মধ্যে কলহ বিবাদ তৈরি করে আবার নিদ্্রারত।
তবে সভ্যতার ইতিহাস ঘাটলে একটা জায়গায় এসে মনে বড় শান্তি লাগে, আবু লাহাব এবং মুহাম্মদ 2 জনেই শয়তানের ভয়ে কাতর ছিলেন, 2 জনেই 2 জনকে শয়তানের অনুচর বিবেচনা করেছেন, শয়তানের নিজের কিছু করতে হয় না, তার আইডিয়াই যথেষ্ট এখন, ইশ্বর এত শত অনুচর নিয়ে যাকে দমনের কাজ চালাচ্ছেন ,আমি গোপন খবর পেয়েছি শয়তান এখন প্রকাশ্যে আসতে চায় না, সত্যি কি মিথ্যা যাচাই করতে পারলে ভালো হতো।
শয়তান অন্তর্ধানের পিছনের গল্পটা বলে শেষ করি আজকের আসর-
এক সাধু উপাসনা করছেন, তিনি পদ্মাসনে বসে এক মনে রামনাম জপ করছেন, শয়তান সকল সময়ই উপাসনাবিরোধী, তা লোকে রামনাম জপ করুক আর জিকির করুক, সব উপাসনারত মানুষেরাই শয়তানের 2 চোখের বিষ, এদের দেখলেই শয়তানের 2 চোখে বন্যা চলে আসে, তার মেজাজটাখারাপ ট্যান কার্ভের আধেক পাইয়ে চলে আসে, এবং কঠিন সত্য ভাষন দিয়ে সে সেই রামনাম জপকারী মরমীর ধ্যান ভঙ্গের বিভিন্ন প্রচেষ্টা চালিয়ে যায়।
প্রথমে সে গাধা হয়ে বিকট চিৎকার করে ধ্যানীর আশে পাশে, ধ্যানীর ধ্যান টলে না।
এর পর সিংহ বাঘ, হাতি, সব প্রচেষ্টা ব্যার্থ হলে মোগলাই খাবারে সুঘ্রান, এর পর অবশেষএ জীবনের শেষ চিকিৎসা হিসেবে অপ্সরার রূপ ধরে ধ্যানীর পাশে গিয়ে প্লেবয়ের পাতা উলটাতে থাকে,
যাই হোক ধ্যানীর উত্থান বলে কথা, আকাশ বাতাস কাপিয়ে ধ্যানীর উত্থান হয়, শয়তান প্লেবয়ের পাতার ফাঁকে ছোটো চিরকুট রেখেছিলো, যদি ধ্যান ত্যাগ করো তবে আমাতে গমন করিতে পারিবে-
তা ধ্যানীর উত্থান হওয়ার পর ধ্যানী অপ্সরাকে বলেন- হাই সেক্সি, আমার ধ্যান ভেঙ্গেছে তো আমার পুরস্কার কোথায়?
অপ্সরা বলে এইতো আমি আপনার পুরস্কার, তা ধ্যানী আপনি কিভাবে উপগত হইবেন,
ধ্যানী গম্ভির মুখে বলেন আমি পশ্চাতদ্্বারে উপগত হইবেক।
শয়তান কখনই ওয়াদার বরখেলাপ করে না, তাই ধ্যানী পশ্চাতদ্্বারে উপগত হয়, এবং শয়তান ধ্যান ভাঙানোর আনন্দে ফিক ফিক করে হেসে বলে দেখলে তো আমি আমার ধ্যানে সফল।
ধ্যানীর দউষ্ট রূপ প্রকাশ পায়, বলে বেটা শয়তান তুই একটা নিরেট মুর্খ তুই একটা ত্রিভূজ বেটা, আমার ধ্যানতো ভেঙেছে অনেক আগেই আমি তো ঘাপটি মেরে দেখছিলাম তুই কি করিস, অবশেষে যখন তুই আমাকে গমন করার অনুমতি দিলি তখন আমি ধ্যান ভাঙার ভান করলাম।
টা আমার ধ্যান ভঙ্গ হয়েছে ক্ষতি নেই কিন্তু আমি এটা সবাইকে বলতে পারবো যে আমি শয়তানের পুঙ্গি মেরেছে।
এ খবর পেয়ে শয়তান লজ্জায় কোনো এক ঘবরে মুখ লুকিয়েছে।
শয়তানের লজ্জা প্রবল কিন্তু যাজক এবং ইমামদের লজ্জা কমে না, তারা এখনও শিশুদের পোঁদ মেরে বাজার গরম করে রেখেছে।


 

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি  বিভাগে ।

 

  • ২৪ টি মন্তব্য
  • ৪৫৭ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৬ দুপুর ২:০৪
comment by: হিমু বলেছেন: মুখফোড় কি দৈনিক হলুদিয়া সংবাদের নোকরি ছেড়ে ভাগলো? আপনি দেখি ব্যাটার কলামটা বেশ জপিয়ে দখল করেছেন!
২. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৬ বিকাল ৩:০৪
comment by: অতিথি বলেছেন: শয়তান তার অনুসারীদের জন্য কোনো গ্রন্থ পাঠায় নি। তবে আমার ধারণায় সে অনেক বেশি প্রযুক্তিমুখী। তো আপনার কি মনে হয় রাসেল শয়তানের ঐশি সিডি/ভিসিডি আপনার মাধ্যমে পৃথিবীর আলো-হাওয়া দেখবে?
একটু ভেবে দেখুন...অনেক শিষ্যরা অপেক্ষা করছে...প্রথম শিষ্য অবশ্যই আদম...সেই যে গন্দম খেলো...সেই তো সফলতার শুরু.....
৩. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৬ বিকাল ৫:০৪
comment by: অতিথি বলেছেন: জনাব সাইমুম আপনি শয়তানের উৎপত্তি কিভাবে হলো সভ্যতায় এই ধারনাটা নিয়ে একটু পড়ে আসেন ভাইটু।
শয়তান তাদেরই বলা হয়েছে যারা তন্ত্রসাধক,যারা অন্ধকারের ভয় দেখায় মানুষকে, যারা যাদু টোনায় বিশ্বাস করে এবং যাদের এসব অধিভৌতিক ক্ষমতা আছে কল্পনা করা হয়, এর পর আরবের বিভিন্ন পৌত্তলিকদের মন্তব্য পড়েন এবং সাথে হাদিস পড়েন বুঝতে পারবেন এক বিন্দু ভুল কথা নেই এখানে উপমায়। যাই হোক বিষয়টা আপনার কোমল অনুভুতির সেটাকে সম্মান দেখানোর কোনো কারন কি বর্তমান? আমি একটা বিষয় খেয়াল করলাম যখনই গো আজম এবং তার অনুসারিদের নিয়ে কিছু বলা হয় কোথা থেকে যেনো একটা ফ্যাঁচ করে আওয়াজ আসে, সমস্যাটা কি গোলামের ল্যাজে গুতা দিলে আওয়াজ কাদের মুখ থেকে বের হয়? যদিও আমি বুঝি না যখন ধর্মের নামে আপনি ধর্মহীনদের অনুভুতিতে আঘাত করেন তখন সেটা বৈধ হয়, কিন্তু ধর্মহীনতার চোখে ইতিহাস দেখলে কেনো মানুষ ধর্মিয় অনুভুতি আহত হওয়ার সস্তা আলাপ জুড়ে দেয়? আপনি আমার অনুভুতিতে আঘাত করলে ওটা জায়েজ কারন সংখ্যাগরিষ্ঠের অনুভুতি আপনার সাথে এটা কি কোনো মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হলো?? আপনি বুজুর্গ জ্ঞানী বেড়াল, থলে থেকে বস্তুবাদের পঁচা শামুক বের করে জ্ঞান দিতে পারেন, বড় বড় কথার ফানুস উড়াতে পারেন, সমস্যা নেই কোনো, আর আমার জনপ্রিয়তার দরকার হলে আমি আপনাকে নিয়ে প্যারোডী করতাম তা যখন করছি না তখন বলতে হবে সস্তা জনপ্রিয়তার লোভ নেই আমার।

শোমচৌ দা, এই বিষয়ে বলতে হবে মুখফোড় কে , ওর শয়তান নাম 2 লেখার ইচ্চা আছে কি না, কিংবা ও কোনো সূত্র দিতে পারবে কি না সেটার উপর ভিত্তি করে 2য় প্রস্থ লেখা যায়, তবে সাইমুম ভাই যখন ফ্যাঁচ করেছে তখন একটা চেষ্টা দেওয়া যায়, বেচারা শয়তান একা একা এত জনের সাথে ফাইট দিচ্ছে ওকে একটু নৈতিক সমর্থন না দিলে কিভাবে হবে?
৪. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৬ বিকাল ৫:০৪
comment by: সাইমুম বলেছেন: ধর্ম অনুসারীদের ব্যর্থতাকে ধর্মের দোষ দেয়া যায় কি? আপনি শয়তানের পূজা করলে করতে পারেন। কিন্তু নবীদের নিয়ে বাজে মন্তব্য করা কি আপনার অধিকারের মধ্যে পড়ে? এ জাতীয় ঘোড়ারোগ মানসিক দিক থেকে সুস্থ কোনো লোকের কাজ নয়। যারা মুক্তচিন্তা করার সামথ্য রাখেন, তারা কি এভাবেই কথা বলেন? আমার তো তা মনে হয় না। আপনি যা বুঝাতে চান, তা শালীন ভাবে কি বলা যায় না? একমাত্র নির্বোধরাই শালীনতার ধার ধারে না। শয়তানের অন্যতম পরিচয়ও তাই। একজন নাস্তিকেরও রুচি থাকে। তবে অর্বাচীনের তাও থাকে না। থাকাটা তার জন্য জরুরিও নয়। আপনি না হয় ধর্ম মানেন না। দ্যাটস ওকে। তাই বলে কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানতে হবে --এ চিন্তা কি বালখিল্যতা নয়? বাজারে গিয়ে মাছ কেনার আগে মানুষ মাছের কাংশা কেন উলটায় জানেন? কারণ পচন শুরু হয় মাথা থেকে। রাস্তায় দাড়িয়েও আপনি ব্যক্তি স্বাধীনতার নামে লাঠি ঘোরাতে পারেন। তবে আপনার স্বাধীনতার সীমা হচ্ছে পথচারীদের নাকের ডগা পর্যন্ত। আপনি রাস্তায় নেংটো হয়ে হাটেন না কেন? নিশ্চয় শালীনতা বোধের কারণে।
আপনি কি সস্তা জনপ্রিয়তা কামাতে চাইছেন? তাহলে উপদেশ চাইতে পারেন।
৫. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০৪
comment by: সাইমুম বলেছেন: আগে বলুন, ধর্ম নিয়ে আপত্তিকর বক্তব্যের প্রতিবাদ একমাত্র জামাতী বা গো-আযমের অনুসারীরা করে --এ ভন্ডামি আপনি কার কাছে শিখলেন?
৬. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০৪
comment by: অতিথি বলেছেন: জনাব সাইমুম একেশ্বরবাদী ইশ্বরের কল্পনা পৃথিবীতে আসার আগেও ইবলিশ কল্পনা ছিলো মানুষের ভিতরে সে অর্থে ইবলিশ ইশ্বরের অগ্রজ, আপনি অগ্রজকে সম্মান করছেন না এটা কি রকম কথা ভাই? আর শালীনতার বরখেলাপ হলো কই? এরপর **** দিয়ে লিখবো ,শালার কি যন্ত্রনা , মনের সুখে ব্লগাবো তারও উপায় নাই।
ধরেন এই যে ইবলিশ আল্লাহ'র কল্পনার চেয়ে প্রাচীন সেই অর্থে পৃথিবীর ইতিহাসে ইবলিশ আল্লাহ র বাবা গোত্রিয় বুজুর্গ মানুষ এটাতে আবার আহত হইয়েন না, বেয়োজোষ্ঠদের সম্মান করতে হয়। :)
৭. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০৪
comment by: অতিথি বলেছেন: আপনি বাংলা পড়তে পারেন এটা মনে হয় সত্য, আমার বক্তব্যটা দেখেন ভালো করে, গোলাম আজমকে নিয়ে কিছু......... ওখানে ধর্ম নিয়ে আপত্তি করার কিছু দেখছি না, ভন্ডামি আমি করতেছি না করতেছেন আপনি, সমস্যা হচ্ছে আপনি ভন্ডামি করতেছেন এইটা বুঝতেছেন না, আদম পৃথিবীতে আসছে 4000 বছর হইছে, আপনে সীরাতুন্নবী দেইখেন ঐখানেও এইটাই লিখা আছে, এখন আমি যেই ইবলিশে রকথা কই ঐটা তারও 3000হাজার বছর আগের।
যাউকগা, আপনি হইলেন জ্ঞানি বিড়াল আপনেরে জ্ঞান দিয়া কিছু হইবো না, মানুষ মানুষের বিশ্বাস নিয়া মুড়ি খাইলেও ইতিহাস বদলের কোনো সম্ভবনা নাই
৮. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০৪
comment by: উৎস বলেছেন: রাসেল ভাইয়ের প্রতিভা সচরাচর প্রশংসা পায় না, এবার কিছুপাচ্ছে, ধন্যবাদ রাসেল।

আগে জানতাম পাপকে ঘৃনা কর পাপীকে নয়, সাইমুম পাপকে ঘৃনা করতে মানা করছেন (অর্থান্তরে) , তাহলে পাপ পাপী দুইজনই বাদ, ঘৃনা করব কাকে? যাদের ওপর পাপ করা হয়েছে তাদের?
৯. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:০৪
comment by: অতিথি বলেছেন: সম্পাদক দাদা আমার উপাখ্যানের মাঝের অধ্যায়টাকে বিনাশ করে ছাড়লো।
১০. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৬ রাত ৮:০৪
comment by: অতিথি বলেছেন: রাসেলের মন্তব্যে রাসেল আরো ক্ষুরধার যুক্তির অবতারণা করেছে। ব্র্যাভো রাসেল। 'থলে থেকে বস্তুবাদের পঁচা শামুক বের করে জ্ঞান দেয়া ...' আহ এরকম কথার ক্ষুর কতদিন পড়ি না.....
১১. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৬ রাত ৮:০৪
comment by: সাইমুম বলেছেন: দু:খিত রাসেল সাহেব, আমি কোনো নাস্তিকের মনে কষ্ট দেইনি। কিছু ভন্ডের মনে কষ্ট দিয়েছি। প্রমাণ নিন : ব্লগাররা আইডেন্টিটি হিসেবে তাদের ছবি ব্যবহার করেন। আমি মনে করি নাস্তিকরাও তা করেন। তবে ধর্ম ইসু্যতে যারা ভন্ড অথচ নিজেদেরকে স্বঘোঘিত নাস্তিক দাবি করেন বা কপট নাস্তিক সাজেন তারা মোটেও করে না।
আপনি এসএসসি পরীক্ষার ফরম ফিলাপ কালে নিজেকে কোন ধর্মের পরিচয় দিয়েছেন? পাসপোর্টে (যদি থেকে থাকে) আপনি কোন ধর্মের লোক? বিয়ে (যদি করে থাকেন) কোন ধর্মমতে করেছেন বা করবেন? কোই জবাব হ্যায়? ভন্ডামি করে বেশিদিন আসল পরিচয় লুকিয়ে রাখতে পারবেন?
সালমান রুশদী আর যাই হোক আপনাদের মতো ভন্ড আর কাপুরুষ নয়।

আর শোমচৌ সাহেব, আপনিই কি দীক্ষক দ্রাবিড়? আপনিই কি অপ বাক? আপনিই কি হীরক লস্কর?
১২. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৬ রাত ৮:০৪
comment by: অতিথি বলেছেন: রাসেল ভাই, আপনার নিজের পোষ্টের প্রতি এতই যখন আপনার দরদ, তখন রাস্তায় নেমে দেখুন না- জনগন আপনাকে কিরকম ভোট দেয়!
আফটার অল, আপনি ভূল কিছু লেখেন নি! নবীদের নিয়ে ব্যঙ্গ! সেতো করাই যায়। এটা এখন কোন ব্যপারই না। ডাচ'রাও করেছে।
অতএব, আপনার কোন ভয় নেই। আপনি আপনার মতবাদ নিয়ে রাস্তায় নেমে আসুন।
আমরা আপনাকে স্বাগতম জানাচ্ছি।
১৩. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৬ রাত ৯:০৪
comment by: অতিথি বলেছেন: এটা প্রথাগত পথ হয়ে গেলো না সাইমুম, এখন ছবি নাদেওয়ার পিছনে লাগলেন, আমি ছবি দিলে কি ওটা প্রান্ট করে থুতু দিতেন? না কি ডেক্সটপে সাজিয়ে পূজা দিতেন ধূপ-ধূনা দিয়ে, আমার ছবির প্রয়োজনটা কেন? যদি চান তাহলে একেবারে আপাদমস্তক খুলে ছবি তুলে আপনাকে পাঠিয়ে দিবো, কিন্তু ঐ ছবিতো প্রোফাইলে দেওয়া যাবে না, আপনার মতো জ্ঞানী বেড়ালের জন্য এইটুকু ছাড় দেওয়া যায়।
আর অন্য একটা সমস্যা হলো বাংলাদেশের কোনো সরকারী অফিস ধর্মহীনতা পছন্দ করে না, আমি বেশ কয়েক বার চেষ্টা করে হাল ছেড়ে দিয়েছি। আপনার বিশ্বাস না হলে একটা হালকা চেষ্টা করে দেখতে পারেন, কোনো সরকারি অফিসে ধর্ম না লিখে পার পাওয়া যায় কি না, এমন কি পাসপোর্টেও চেষ্টা করে দেখতে পারেন।
আর আপনার পরবর্তি পদক্ষেপ কি আমাকে কামুক এবং নারীভোগী প্রমান করা।
আপনি একেবারে প্রচলিত ধারায় কথা বলেন, এই সব ক্লিশে কথা বলে কি হবে, সেই 1500 বছর ধরে এই একই ধারায় কাজ করছেন আপনারা।
আর আপনি বলতে একটা শ্রেনী, একটা মানুষ না, বুঝতে হবে এই কথাটাও। নাকি পচা শামুকে পা কেটেছে বলে ঝোলা নামিয়ে হাটছেন এখন?? কিংবা সেইসব তথাকথিত বস্তুবাদি যারা পরলৌকিক মোহে অবশেষে তুমুল শরিয়তি হয়ে যায়। এবং নিজেদের প্রমানের চেষ্টা করে,
নয়া মুসলিম এর হাতে গরু নিরাপদ নয় এমন একটা প্রবাদ প্রচলিত বাংলা ভাষায় এমন সদ্য ইভানোলজিক্যাল মুসলিমদের নিয়েও অনেক সমস্যা। [ইংলিশ][/ইংলিশ]
১৪. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৬ রাত ৯:০৪
comment by: অতিথি বলেছেন: পাগলা ক্ষেপছেন নাকি?
১৫. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৬ রাত ৯:০৪
comment by: অতিথি বলেছেন: হা হা হা আপনি শুরু করেছেন হে জ্ঞানী বিড়াল আমি শুধু বলছি নতুন কোন ধাঁচে খেলতে চাইলে আসেন খেলি, একই ধাঁচের জিনিষ আর ভালো লাগে না, আর আপনাকে কথাটা বলছিলাম যে বাংলাদেশ এখনও ততটা উদার নয় যে ওখানে ধর্মহীনতা গ্রহনযোগ্য হবে, আপনি নিজে চেষ্টা করে দেখতে পারেন হে নতুন বস্তু এবং বাস্তুচু্যত ভাববাদী।
আপনার আসল ইসু্যটা বুঝলাম না, আমার ছবি দেওয়া আসল ইসু্য না আমার পাসপোর্টে ধর্ম লেখা? কোনটা হে মহান জ্ঞানী।
ছাগলের 3 নং বাচ্চার মতো অযথা ফাল পাড়লে তো হবে না, এমন কিছু বলতে হবে যা বোধগম্য, বাবরাইলে হবে না যে আমি জিতে গেছি। ঠিক না, যতদুর জানি এক কালে আপনি বেশ কট্টর বস্তুবাদের চর্চা করেছেন সেই ভুলে যাওয়া অতীত থেকে দু একটা শানিত যুক্তি তুলে আনেন না, এই সব মেয়ে মানুষের মতো ছিনালি টাইপ তর্ক না করে একটু যৌক্তিক তর্ক করি।
১৬. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৬ রাত ৯:০৪
comment by: হাসান বলেছেন: ক্ষ্যাপনোর কোনো কারন লাগে নাকি? হুদা কামেই ক্ষ্যাপে!!!
১৭. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৬ রাত ৯:০৪
comment by: সাইমুম বলেছেন: বুঝলাম সৌখিন ন্যাকামির সস্তা প্যাচ দিয়ে পার পেতে চাইছেন। আচ্ছা আপনার ছবি পেলে যে কায়দায় আমি পুজো করতাম কিনা জানতে চেয়েছেন,
আপনি তো একই কায়দায় যারা ছবি দিয়েছেন , তাদের ছবির পুজো নিশ্চয়ই করেন না। তাহলে এভাবে জবাব দিয়ে আপনি নিজেকে কোন কাতারে নিলেন, তা বুঝতে ব্লগারদের বাকি রইলো না। যার মুখে যা মানায়, তাতো সে বলবেই। তবে আসল ইসু্যতে আপনি যে চুপসে গেছেন, তা আর গোপণ রইল কই? আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। গন্দম আমি খাইনি। আপনি এবং আপনার নেই ভন্ড গুরু খেয়েছে --এটা এখন পরিষ্কার।
১৮. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৬ রাত ১০:০৪
comment by: অতিথি বলেছেন: ধন্যবাদ হে বেড়াল, 9 জন্ম নিয়ে আপনি যুগে যুগে আদরে আদরে গরগর করে শিকা ছেড়ার অপেক্ষায় থাকেন আর কালো বেড়াল হয়ে প্রগতির সামনে দাড়িয়ে নাক কেটে নিজের রক্তপাত করেন আর অভিধানে অনেক শব্দই নেই যেমন ধরেন নতুন জন্ম নেওয়া মুসলিম যেটা ইংরেজিতে বিদ্যমান, এটা কি ভাবগতবস্তুবাদী মুসলিম রেঁনেসার নব যুগের আলো বিচ্ছুরিত হচ্ছে??

আপনার দেখি আমার চেহারা মুবারক দেখার শখ জাগছে, ই-মেইল এড্রেস দেন ছবি পাঠিয়ে দিবো, দেখে জীবন ধন্য করুন হে বিড়াল তপস্ব ী বেড়াল।
১৯. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৬ রাত ১০:০৪
comment by: সাইমুম বলেছেন: ভাইজানরে আপনি আপনার রুচি মতো লিখে যান। আর আমি আমার রুচি মতো লিখে যাচ্ছি। আমি মনে করি, আপনাকে আরেকটু বোঝা আমার দরকার। আপনাকে যতটুকু বুঝতে পারি নাই, ওটাই তো মূল্যবান।
ও হ্যা। যে সব পশ্চিমা তত্ত্বকথায় আজ আমার বিশ্বাস নেই, ওগুলোকে আমি আমার আলোচনায় টানতে চাই না। আপনি অনেক কিছু আওড়িয়ে আমাকে রীতিমতো মুগ্ধ করছেন। আপনাকে ধন্যবাদ যে দিতেই হয়। আপনি আমারে গন্দম খাওয়াইতে পারবেন আশা করি। তবে আগে রাগাতে হবে না? অভিধান বহির্ভূত আরো কিছু ডায়ালগ ছাড়ৃন না হে গুরু! বড়ই ইন্তেজারে আছি। আপনার সামর্থের বাটখারা বেশ ভারি। আর মুখের ভাষা? ফ্যান্টাস্টিক। মধু চুইয়ে চুইয়ে পড়ে। আমি আপনার মাঝে আমাকে হারাই। আবার খুজেও পাই আপনার মাঝে। ডাক ছেড়ে তাই বলতে ইচ্ছে করছে: হে রাসেল ভাইয়া, আপনার লেখার ভাষা আর মনের ভাষার মাঝে মোটেও দুই নম্বরী নেই।
২০. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৬ রাত ১০:০৪
comment by: অতিথি বলেছেন: হুমম সবার কপালে কি আর ঘি জুটে , কেউ কেউ পান্তা ভাতের পাবলিক, আপনেও ঐ রকম............
২১. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৬ রাত ১০:০৪
comment by: সাইমুম বলেছেন: গুরু আপনার বিনয় দেখে আমার সত্যিই ভালো লাগছে। ই-মেইলে আপনার ছবি পাঠানোর প্রস্তাবটা অবশ্যই লুফে নিতে পারতাম, যদি আমার আপুমণির বিয়ে না হতো। আপনাকে দুলাভাই ডাকার লোভ সামলাতে ভীষণ কষ্ট হচ্ছে। ধন্যবাদ
২২. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৬ রাত ১১:০৪
comment by: অতিথি বলেছেন: হুমম শালী আধা ঘরওয়ালী এবং শালা মানেই যাবৎজীবন জ্বালা, আপনে সারা জীবন আমার গলায় কাঁটা হইয়া আটকায়া থাকবেন না এই আনন্দেই আমি মাতোয়ারা।
২৩. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৬ রাত ১১:০৪
comment by: সাইমুম বলেছেন: সত্য কথা। আর এ সত্য কথা কয়জন কইতে পারে? আবারো ধন্যবাদ। সালাম লইলে আওয়াজ দিয়েন।
২৪. ১৫ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৬:০৪
comment by: সাইমুম বলেছেন: দুলাভাইগো, কিযে কন? আপনে আমারে ছাইড়া থাকতে পারবেন? আপনার জন্য আমি ভালোবাসার চটপটি পাঠাইলাম। খেয়ে জীবন ধন্য করবেন। না খেলে কিন্তু আমি কেঁদে কেঁদে হিসি দেবো। আপনাকে হারানোর ভয় ছাড়া আমার আর কিছুই নেই। জয় করার জন্য আছে সারা পৃথিবী।

 

 


অনেক অনেক চেষ্টা হয়েছে ব্লগানোর বাংলা করা নিয়ে, আমার এখন ব্লগের নতুন বাংলা করতে ইচ্ছা করলো তাই দিলাম এর নাম...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ১২৪৪৪২