আমার প্রিয় পোস্ট

সহজ সরল সবকিছুই ভালবাসি। জটিলতা পছন্দ করি না।

মামা কাহিনী ;) :D B-)

১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:০৯

শেয়ারঃ
0 0 0

ছোট বেলায় বার্ষিক পরীক্ষা কেমন হবে তার চেয়েও বুঝি বেশী টেনশন ছিল পরীক্ষা কখন শেষ হবে। পরীক্ষা শেষ মানে পরদিনই মামাবাড়ি- প্রায় দু'মাসের জন্য।
আর মামা বাড়ী মানেই মুক্ত স্বাধীন জীবন। যে আম্মু বছরের দশটা মাস আমাদের দুই ভাইরে কঠিন রিমান্ডে রাখতেন :(( :(( তিনিও এ দু'মাসে আমাদের কিছুই বলতেন না।

আমার বড় দুই খালার ছেলেরা অর্থাৎ খালাত ভাইয়েরাও এইসময় চলে আসত মামাবাড়ি। আমরা সব সমবয়সী খালাত ভাই আর একমাত্র মামাত ভাই নিপু ( সেইসময় আমাদের কোন মামাত বা খালাত বোন আছিল না। তাই মেয়ে বিষয়ক কুন জটিলতাও ;) ছিল না) সবাই একসাথে। খেলা-ধুলা, দুষ্টামি-বান্দরামী, চুরি-চামারীর সে যেন এক মহাউৎসব। :D :D

এই সময় মামাবাড়ী থাকার আরেকটা বড় সুবিধে হলো বার্ষিক পরীক্ষার রেজাল্ট আমরা মামাবাড়ী বসেই পেতাম। তাই রেজাল্ট নিয়ে আব্বুর ধমকিধামকির ভয়ও ছিলনা। B-) আব্বু অফিস থেকে ফোন করে আম্মুকে আমাদের রেজাল্টের খবরটা দিতেন।

এইরকম একদিন সকাল বেলা দশটা এগারটার দিকে আব্বু ফোন করেছে, ওদের ত রেজাল্ট দিল।

আম্মু বলল, কার কি অবস্থা ?

- আমার চতুষ্কোন আগের মতই, চারে ছিল চারেই আছে।

আম্মু বলল, রনির রেজাল্ট কি ? (আমার বড় ভাই)

- তোমার ছেলে পচিঁশ থেকে সাতাশে গেছে।

আম্মু ঠেস দিয়া কইল, রেজাল্ট ভাল করলে তোমার ছেলে আর খারাপ করলেই আমার।

আব্বু হয়ত ওপাশ থেকে ভাব নিয়া কইছে, আমার ছেলে কখনও খারাপ করে না।

আম্মু এপাশ থিকা জাঝা মারল, এ্যাঁ কি আমার মহাপন্ডিত !!

আমি পাশ থেকে ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করলাম, আম্মু আমার রেজাল্ট কি ?

আম্মু কইল,তুমি আগের মতোই আছো। ( বুক থিকা যেন একটা পাত্থর নামল ) :)

এইবার ভাইয়া মিনমিন কইরা কইল, আমারটা ?

আম্মু ঝাড়ি দিয়া কইল, তোমার উন্নতি হইছে। পঁচিশ থেকে সাতাশ এ গেছ। পিছন থিকা মামা আইয়া কইল, দুরঃ দুই-তিন এদিক ওদিক কিছু না। এইবার তিন পা পিছাইছে আগামী বার ছয় পা আগাবে। কি মামা আগাবি না ?

ভাইয়া মাথা নেড়ে জানাল আগাবে। ( মাথা নাড়ানো দেখে মনে হলো কনফিডেন্স বড়ই কম )

মামা বাকী সব ভাইগো উদ্দেশ্য কইরা কইল, এদের রেজাল্ট ভাল হইছে। সবাই চল, বাবুর হাট বাজার গিয়া মিষ্টি খামু। এই কথা শুইনা সবাই ত ফাল দিয়া উঠল আর আমাদের দুই ভাইয়ের অসাধারন B-) রেজাল্টের জন্য মনে মনে বুঝি একশ একটা ধন্যবাদও দিয়া দিল।

বাবুর হাট বাজার গিয়া বুজলাম মামার আসল উদ্দেশ্য কি আছিল। আমগো সবডির মাথায় কদমছাট দিয়া /:) মিষ্টি খাইয়া তারপর বাড়িত ফিরলাম। বাড়ি আইয়া ঘরে ঢুকনের আগেই সবডি মিল্লা ঝাঁপ দিয়া গিয়া পড়লাম পুকুরে, মামাও বাদ যায় নাই।

ডুবাইতে ডুবাইতে চোখ লাল কইরা ফেলছি এমন সময় আইল মরার বৃষ্টি। মামা কইল, কাপড় চোপড় ভিজব। তাড়াতাড়ি ঘরে চল।

দুপুরে ভাত খাইতে বসছি; মামা তার সব ভাগিনাদের উদ্দেশ্য কইরা কইল, মামা ভাল না মামানি ভাল ? (এই প্রশ্ন মামানির সামনে হরহামেশাই করেন)।

আমরা একসাথে আওয়াজ দিয়া কইলাম, মামা।

মামা কইল, মামা ভাগিনা যেখানে বিপদ নাই সেখানে।এই কথা আমরাও সুরে সুর মিলাইয়া কইলাম।

আমি একফাঁকে আস্তে কইরা কইলাম, মামানিও ভাল। মামানির রাজা বাদশা আর চোরের গল্প না শুনলে আমার রাতে ঘুম আসে না।

মামা খেইপা গিয়া কইল, যা! তুই আমার ভাগিনা না। তোর মামানির ধারে যা।

মন খারাপ কইরা মামার পাশ থেকে উঠে মামানির পাশে গিয়া বসলাম। মামানি আমারে কাছে টাইনা কইল, এইটা আমার সবচে লক্ষী ছেলে। সংগে সংগে মন পুরা ভাল হয়ে গেল :)

দুপরের খাওয়া শেষ অথচ বাইরে বৃষ্টি থামার নাম নাই। আকাশের কপালে আজকা ঠাডা পড়ছে X( ।খেলাধুলা বন্ধ তাই সব ভাইয়েরা মিল্লা মামা মামানির সাথে বিটিভিতে রাজ্জাক কবরীর সিনেমা দেখতে বসলাম। মামানির কোলে গিয়া বসব তারও উপায় নাই, মামা কোলে মাথা রাইখা আরামসে টিভি দেখতেছে।

হঠাৎই শুরু হলো রাজ্জক কবরীর বৃষ্টি ভেজা হেভ্ভী রোমান্টিক একটা গান। সেই গান দেইখা মামানির মনে কী হইল কে জানে মামারে কইল, দেখছ কি সুন্দর গান গাচ্ছে বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে। কী রোমান্টিক !

মামা কইল, এইখানে রোমান্টিকের কি আছে ?

মামানি মুখ ঝামটা দিয়া কইল, এইসব তুমি কি বুঝবে, তোমার মধ্যে এসব থাকলে ত।

- বুঝুমনা মানে! রাজ্জাকের এই ছবিও আমি হলে গিয়া সাত বার দেখছি।

- বুঝ বলেইতো খাওয়া-দাওয়া, ঘুম আর ব্যবসা। এছাড়া তোমার দুনিয়ায় আর কিছু নাই।

তখন খুব বেশী ছুডু আছিলাম। মামা মামানির কথার মানে বেশিরভাগই বুঝি না কিন্তু এইটুক বুঝছি পরিস্হিতি সুবিধার না।

মামা আর কোন কথা না বইলা আমগোরে অবাক কইরা দিয়া দুইহাতে মামানিরে কোলে তুইলা নিয়া কইল, চল বৃষ্টিতে ভিজি।

মামানি ভীষন লজ্জা পাইয়া কইল, আহঃ ছাড় ! কি কর ভাগিনাদের সামনে !

মামা কইল, তুমি ভাগিনাদের সামনে আমার রোমান্টিকতা নিয়া প্রশ্ন তুলছ। আজকে দুইজনে মন ভইরা বৃষ্টিতে ভিজুম। বইলাই মামানিরে পাঁজকোলা কইরা নিয়া গেল বাইরের উঠানে।

দুর ! রাজ্জাক কবরী বাদ। আমরাও পিচ্চি সবগুলান ছুটলাম মামার পিছন পিছন। মামা মামানিরে নিয়া উঠানের মাঝখানে ভিজতেছে আর মামানি কবরীর মতো লাজুক হাসি দিয়া দু'হাতে মামার গলা জড়িয়ে ধরে আছে। ঝুম বৃষ্টিতে কী অপূর্ব রোমান্টিক সিন।

আমরাই বা বাদ যাই কেন। সবগুলা বান্দর লাফ দিয়া গিয়া পড়লাম উঠানে। তারপর মামা মামানির সাথে সেই জল কাদা বৃষ্টিতে মাখামাখি গড়াগড়ি.................


আহঃ মাঝে মাঝে ভাবি কতইনা সুন্দর আছিল সেই দিনগুলা।




 

সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:০৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:১৬
বড় বিলাই বলেছেন: ভীষণ মজার স্মৃতি।
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৩২

লেখক বলেছেন: থ্যাংকু আপু।ভালো থাকবেন।
টারজন কেমন আছে ? ;)

২. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৩২
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: অসাধারণ লাগলো। প্রিয়তে রেখে দিলাম:)
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৩৬

লেখক বলেছেন: এই পরথম কারো প্রিয় হইলাম। আমারতো আনন্দে ফাল দিতে ইচছে করতেছে :):)
ভালো লাগায় খুশি হলাম।ভালোথাকবেন।
ধন্যবাদ।

৩. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৩৩
আহমেদ রাকিব বলেছেন: পুরাই আয় ছেলেরা আয় মেয়েরা ফুল তুলিতে যাই, ফুলের মালা গলায় দিয়া মামার বাড়ি যাই।
-------------------------------------------------------------------------
- আমার চতুষ্কোন আগের মতই, চারে ছিল চারেই আছে।
--------------------------------------------------------------------------
তোর নাম চতুষ্কোণ???

রাজ্জাক কবরী তোর মামা মামী ছিল। কিন্ত মজার কথাতো কইলি না যে তোর আব্বার নাম ছিল রাজ্জাক।

পুষ্ট ভালা হইছে। তুই ধরতে পারতেছস কি লিখতে হবে আর কি লিখতে হবে না? ;)
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৪১

লেখক বলেছেন: ক্লাশ ওয়ান থিকা ফাইভ পর্যন্ত ঐ চারেই আটকা ছিলাম।
আর সব কথা ওপেন করতে নাই ;)

৪. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৪০
একরামুল হক শামীম বলেছেন: লেখাটা কেন জানি খুবই ভালো লেগে গেল। প্রিয়তে রাখতে ইচ্ছা হলো খুব। :)
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: হয়ত এমন একটা ছোটবেলা আপনারও ছিল। ছোট বেলার স্মৃতি সব সময়ই প্রিয় হয়।
ভালো লাগা এবং কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ।

৫. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২০
আহমেদ রাকিব বলেছেন: তোর এই লেখাটা অপরাবাস্তবের সিলেকশনে দিয়ে দিলাম। স্টিকি পোষ্টে। :)
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৮

লেখক বলেছেন: তোরে ধন্যবাদ দিয়া ছোট করুম না।
তয় ভাল লাগছে বইলা খুব খুশি হইলাম।

১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৯

লেখক বলেছেন: সেই দিন গুলা আসলেই ব্যাপক আছিল :) :)

৭. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:১২
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম।
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩১

লেখক বলেছেন: আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম :)

৮. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৯
রথে চেপে এলাম বলেছেন: আপনারা ছোট বেলায় কত মজাই না করছেন!!!!!!
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৪

লেখক বলেছেন: এই যে ছোত মানুত রাকিব যে তোমার মারে ফোন দিব কইছইল, দিছে ;) ?

১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৯

লেখক বলেছেন: মোবাইল নাম্বারটা দেন কাজটা আমিই কইরা দেই ;)

১০. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:০২
পারভেজ বলেছেন: খুব মজা করে স্মৃতিচারণ!
চমৎকার।
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:২২

লেখক বলেছেন: থ্যাংকু ভাইয়া।আপনার কথা রাকিবের কাছে শুনেছি।
ভালো থাকবেন।

৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৯

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ :)

১২. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২১
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: ইশ!!! কত কত কথা যে লুকিয়ে আছে আমাদের অতীতে!!!!!!!!!
০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:১৩

লেখক বলেছেন: আপু আম্মারে প্লাস দিয়া সেই যে গেলেন আর কুন খবর নাই।ঐ দিন আপনার পিসির ঘটনা জানলাম। আবার সময় করে আসলেন খুব খুশি হলাম। ভালো থাকবেন।
কত কত কথা যে লুকিয়ে আছে আমাদের অতীতে!!!!!!!!!

১৩. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০০
বিষুন বলেছেন: শৈশবের অসাধারন কাহিনী উপহার দেবার জন্য অনেক ধণ্যবাদ । খুব উপভোগ করলাম।

ভাল থাকবেন ।
১১ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনিও ভাল থাকবেন।

১৪. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:০০
মোহাম্মদ লোমান বলেছেন: স্মৃতি কথা বেশ ভাল লাগল। সুন্দর লিখেছেন।
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভালো থাকবেন।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৮

লেখক বলেছেন: আমারও ইচ্ছে করে।

ব্লগে স্বাগতম আপু।

১৬. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩০
মেঘাচ্ছন্ন বলেছেন: ভালো লাগলো লেখাটা ... +++++
০৯ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৪১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মেঘাচ্ছন্ন। ভালো থাকুন।:)

১৭. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪৯
তুষারকনা বলেছেন: দারুন স্মৃতি!! খুব ভালো লাগলো....++++++
০৯ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ তুষারকনা।

ভালো থাকুন।:)

১৮. ১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:২৬
রক্তিম কৃষ্ণচূড়া বলেছেন: বাহ্‌ !! মামা-মামানি তো ভারী রোমান্টিক !! :D
১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: জি, তা আর বলতে! ;)

১৮ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ৯:৪৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সাকিরা পাঠ ও মন্তব্যের জন্য!

২০. ১৮ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ৯:৪৫
নিস্সঙ্গ যোদ্ধা বলেছেন: ছোটবেলায় অনেক ভালো ছিলাম ........ অনেক সুন্দর ছিলো দিনগুলি ....

যদিও মামা ছিলো না :(
২৩ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:১৭

লেখক বলেছেন: পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ যোদ্ধা।

২১. ২২ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৩৮
সমুদ্র কন্যা বলেছেন: মামা-মামানি তো দেখি সেইরকম রোমান্টিক। :P
২৩ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:৩২

লেখক বলেছেন: হা হা হা। আসলেই রোমান্টিক।:)

২২. ২৬ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৫৩
হানিফ রাশেদীন বলেছেন: সেই দিনগুলা . . . এ-রকম প্রাণ নয়, প্রাণের উৎসব নয়, এখন তো পরিবারের কারো সাথে কারো তেমন দেখাই হয় না। ''অভ্যাস পালন'' করার মত পরস্পরের সাথে সম্পর্ক।

আমার মামা নেই।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১১:৫৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ হানিফ রাশেদীন। দেরিতে উত্তর দেয়ার জন্য দুঃখিত।

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১২:১৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৪. ৩০ শে নভেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:০৯
মাহী ফ্লোরা বলেছেন: এই লেখাতো আগেও একবার পড়েছি।তাইলে আমার কমেন্ট নাই কেন? :(
১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:১৮

লেখক বলেছেন: তাই তো! কই গেলু? :(

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৬৮০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
তোমাকে অবশ্যই তোমার ভালবাসার কাজটি খুঁজে পেতে হবে। তোমার ভালোবাসার মানুষটিকে যেভাবে তোমার খুঁজে পেতে হয়, ভালোবাসার কাজটিকেও তোমার সেভাবে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই