আমার প্রিয় পোস্ট

যখন মুসলমান হলাম !:#P !:#P !:#P !:#P

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪২

শেয়ার করুন:                   Facebook

বাবার বুকের উপর বসে ছিলাম সেদিন ।
পৌষের বিকাল বলে কথা । হঠাৎ বাবা হালকা গম্ভীর হয়ে গেলেন এবং একবার আমার দিকে আর একবার মা এর দিকে তাকিয়ে সিদ্ধান্ত নিলেন , এবার আমাকে সাচ্চা মুসলমান বানাবেন । যেই কথা সেই কাজের মানুষ বলে আমি বাবা কে অসম্ভব ভয় করতাম , তাই ঝটপট বুক থেকে নেমে অন্যদিকে দৌড়ানোর পথ খুঁজতে লাগলাম । আমার সর্বনাশ এর প্রথম পদক্ষেপ নিচ্ছেন বাবা এবং তখন আমার বয়স সাড়ে চার বছর মাত্র ।

তো দাদুবাড়িতে যাত্রা হল শুরু , হৈ হৈ টৈ টৈ , আহা কি সুন্দর জীবন:)
একেতো আকাশে সূর্যদেব বৃদ্ধকাল যাপন করছেন তথায় মৃদুমন্দ বাতাসও হাত পা জমিয়ে দিতে ব্যাস্ত , মনে আমার খায়েস ঢেঁকী ভাঙ্গা আটা দিয়ে পিঠে বানাবেন আমার পিতামহী ওরফে দাদী । সুপারী খেতে খেতে আধাভাঙ্গা দাঁতের ফাঁক দিয়ে অমায়িক হাসির প্রস্ফুটিত আভা যেন তার ঠিঁকড়ে বেরিয়ে পড়ত । সেই বয়সেও দাদী আমাকে পুকুরে নিয়ে গিয়ে সাঁতার কাটতেন । ওলে ওলে আমার লক্ষী দাদী:)

তো দাদুভাই দাওয়ায় বসেছিলেন , আমাকে দেখে ফিক করে হেসে দিলেন , ভাবটা এমন মোরগ ধরা খেয়েছে :| আমাকে পরম আদরে বুকে টেনে নিয়ে বললেন , তোমার জন্যে এবার গরু কোরবান দেয়া হচ্ছে । আমিও মহানন্দে বললাম , সত্যি !! তিনি বললেন , গোয়ালে বাঁধা আছে দেখে এস:) আমি একাধারে পুলকিত ও মোহিত । বাসায় অনেকটা সাজ সাজ রব । ছোট ফুফু , মেঝ ফুফু তো মাশাল্লাহ ঘুরপাক খাচ্ছেন রান্না ঘরে , তাই হালকা খেয়ে নিয়ে ঘর থেকে বাইরে গেলাম ।

পাশের বাসায় থাকে দুই ভাই এবং ঘটনাক্রমে আমরা তিনজনেই নামের শেষে " ল " লাগিয়ে ঘুরছি । খেলার বিভিন্ন পরিকল্পনা করছিলাম , হঠাৎ তারা মোহাবিষ্টের মত বলল , রোজ শুক্রবার তাদের দুইজনের মুসলমান বানানোর প্রক্রিয়া চুড়ান্ত হয়ে যাবে , হাতে আছে দুইদিন । সমবয়সী প্রায় আমরা তিনজন , এবং তারা যখন আমার নাম বলেনি আমি মনে মনে ধরে নিলাম এই যাত্রায় হয়ত আমার পার পেয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাই প্রবল:)

মন হালকা করে বাসায় এলাম , এবং কাউকে জানালাম না যে পাশের বাসায় দুজন ছেলের হালুয়া টাইটX( । জানালে তো আমারো খবর হয়ে যাবে:| অতএব যা তারা জানেনা তা না জানানোই ভালো !!!

সবাই আমার বেশ খাতির যত্ন করছে দেখে ভরসা পেলাম বুকে । যাক কেউ নিশ্চই আমার কষ্ট সহ্য করবে না !!! তো সকালে পিঠা পর্ব চলল , আম্মু আমার আশেপাশে নেই , বাবাও খুশি মনে ঘুরে বেড়াচ্ছেন আর আমাকে পরে বড়শি দিয়ে দেয়া হল আমি পুকুরে গেলাম মাছ ধরতে বাকী দুজনের সাথে । তিনজনের কারোই যেহেতু অভিজ্ঞতা নেই তো তিনজনেই ফিসফাস করতে লাগলাম পরেরদিন কি হতে পারে তাই ভেবে !! এবং যা শুনলাম তাতেই আমার আত্মা উড়ে যাবার উপক্রম হল । ভয়ে ভয়ে নিজেকে গুটিয়ে নিয়ে বাসায় ফেরত এলাম । নিজেকে প্রবোধ দিয়ে বললাম সব ঠিক হয়ে যাবে বাছা এবার ঘুমা ।

শুক্রবার এল যথারীতি , এবং মন খুশি করে দেয়ার মত পরিবেশ:) গরু কুরবানী দেয়াহচ্ছে এটাই মুখ্য বিষয় , কেন দেয়া হচ্ছে তা নিয়ে আমার কোন মাথা ব্যাথা নেই । বাসায় যজ্ঞের বাহার দেখে ভাল লাগল !! আমার বড় ফুপাত বোন এসে পরলেন হঠাৎ এবং আমার দিকে এমন ভাবে তাকালেন যেন আমি ফাঁসির আসামী:| আমিও এমন ভাব করলাম , যেন কিছুই হয়নি । নামাজ শেষে শুনলাম একজন বিশেষ ব্যাক্তি ওরফে হাজাম এসেছেন !! তিনি নাকি সুলায়মানি তরবারী দিয়ে মুসল্মানী করানX(
পাশের বাসায় ঘুসঘাস , নিজের বাসায় ফিসফাস । আমি ভয়ে ভয়ে বাবাকে জিজ্ঞেস করলাম আজকে কি আমাকেও !!!!! তিনি অট্ট হাসি দিয়ে বললেন "অবশ্যই" !!!!! নিজেকে বাঁচানোর শেষ চেষ্টা হিসেবে বললাম , তা আমি সর্বশেষ জন:) তিনি বললেন , বেশ , তাই হবে ।

দেহ মন অবশ হয়ে এল হঠাৎ একজনের আর্ত চিৎকার শুনতে পেয়ে:| আমি পালাব কিনা বুঝতে পারলাম না , কারণ ততক্ষণে বাসায় মানুষ অনেক । দিশেহারা ভাব চলে এল মনে । একে মানসিক বৈকল্য বলে কিনা জানিনা তবে সব কেন যেন অচল হয়ে গেল । বাথ্রুমে গিয়ে শেষবারের মত লিঙ্গাগ্রের বাড়তি চামড়ায় হাত দিয়ে দেখলাম কতটুকু কাটা হতে পারে !!! মায়ায় পরে গেলাম , আহা কতই না সুন্দর এই চামড়া কেঁটে ফেলার কি দরকার !!!
মায়াবাদ দিয়ে বারান্দায় এসে দেখি বেশ ভীড় উঠোনে । তো ছোট ফুফি আমাকে বললেন , বাবা শুধু পিঁপড়ার কুট্টুস কামড়ের মত লাগবে , ভয় পেও না !!! আমার সেই বয়সে তার লিঙ্গাগ্রের কথা ভাবার মত অবস্থা হয়ত ছিলনা , কিন্তু পিঁপড়ার কামড়ের কথা চিন্তা করেই মাথা আউলা হয়ে গেল ।
হঠাৎ দেখলাম আপন জনেরা আমাকে উদ্ধারের জন্যে কেউ নেই । বুকটা ধড়াশ করে উঠল , তবে কি এবার আমার পালা !!!!
অদূরেই দেখতে পেলাম নানা আয়োজন । কাঁঠাল কাঠের ছোট্ট একটা পিঁড়ি দেয়া , সামনে কলা পাতা বিছানো এবং আর একটা পিঁড়ি সামনা সামনি !!! একটা গামলার মত ভরা গরম পানি , আর কি কি সব দেখা গেল । আমাকে পেয়ে আমার চাচা খুব খুশি মনে বললেন , বাবা এদিকে এস । পালাতে গিয়েও বুঝলাম কে যেন আমার হাত ধরে টেনে নিয়ে গেল সেখানে । হাজাম বাবাজীর পবিত্র মুখ দেখলাম , আমাকে দেখে মহান হাসি দিয়ে বললেন , কেমন আছেন বাবা !!
আমি তখন ঘোরের মধ্যে , বাকশক্তি বিলুপ্ত নাকি অর্ধলুপ্ত তাও বুঝলাম না । আমাকে বসানো হল ব্যাঙ্ এর মত । দু পায়ের ফাঁকে হাত ঢুকিয়ে তাধরে রাখা হল , আর আমার ছোট বাবু বের হয়ে রইলেন হাজাম এর দিকে তাকিয়ে:| শেষবারের মত দেখলাম , তার সুলায়মানী তরবারীর করূন অবস্থা দেখে , ছোট্ট একটা চকচকে চাকু :`> :-&
সাড়া শরীর অবস হয়ে গেল হঠাৎ/:) এবং কিছু বোঝার আগেই আমার চোখ চেপে ধরা হল , এবং নিচে হাত দিয়ে চামড়া টেনে ধরাটা অনুভব করলাম । সাঁত করেই কেটে ফেললেন , এবং আমি কেঁদে ফেললাম । এরপর তিনি কি কি যেন জড়িয়ে দিলেন কাঁটা অংশে , পোড়া অনেক কিছুরও গন্ধ পেলাম । এরপর আমাকে আমার ঘরে শুইয়ে দেয়া হল বিছানায় , পা দুটো দুপাশে ছড়িয়ে দিয়ে । ফ্যানের বাতাসের সাথে আবিষ্কার করলাম আমার ফুফাতো বোন হাত পাখা দিয়ে মনযোগ দিয়ে অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে আর বাতাস করছে যায়গামত !!! রাগে দুঃখে ক্ষোভে দু ফোটা চোখের জল ফেললাম :(( এবং ঘুমিয়ে পড়লাম অবশেষে।

সন্ধ্যাবেলায় দেখলাম বাসায় আমাকে দেখার জন্যে বেশ কিছু আত্মীয় দেখা করতে এলেন , এবং একেকজন মায়ায় পড়ে আমাকে অনেক কিছু দিয়ে গেলেন । সবচেয়ে বেশি পেয়েছিলাম গামছা । আদি ও আসল তাঁতের গামছা যার গন্ধ পেলে আজো মনে হয় সেই দিনের কথা:|

সেদিন আমি সাচ্চা মুসলমান এ পরিনত হয়েছিলাম , কারণ আমার লিংগ তার জ্বলন্ত প্রমান হয়ে দাঁড়িয়েছিল । যদিও ভয় পেয়েছিলাম সেদিনের ফুলে ওঠা অগ্রভাগ দেখে ;) পরে সব ঠিক হয়েগিয়েছিল:)

আজকে আবার সেই আমলের মত একটা গামছা পেলাম ঘরে , তাই খেয়াল পরল সেই স্মৃতিময় ঘটনা:)

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরীস্মৃতি কথা  বিভাগে ।

 

  • ৩৪ টি মন্তব্য
  • ৩৬৮ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১৪ জনের ভাল লেগেছে, ৬ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪৫
comment by: ড্রিমক্যাচার বলেছেন: আমার সর্বনাশ এর প্রথম পদক্ষেপ নিচ্ছেন বাবা এবং তখন আমার বয়স সাড়ে চার বছর মাত্র ।


চাপাতো ভালোই পিডাইলেন, সারে চার বছর বয়সের স্মৃতি পরবর্তিতে কতটুকু থাকে তা নিয়া কিচু আর কইলামনা
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪৯

লেখক বলেছেন: থাকে দাদা , থাকে :)

২. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪৬
comment by: অরণ্যচারী বলেছেন: হুমমম। জটিল। :)
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১৩

লেখক বলেছেন: অরণ্যচারী এর কমেন্ট ;)

৩. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪৭
comment by: মিলটন বলেছেন: মনে পড়ে গেল সেইসব দিনগুলোর কথা। +
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৫০

লেখক বলেছেন: :)

৪. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৫০
comment by: সোনালীডানা বলেছেন: আমারটা কাটসে ডাক্তার। ইনজেকশন দিয়া তারপর... :) +
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৫২

লেখক বলেছেন: ভাগ্যবান আপনি ;)

৫. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০০
comment by: একজন ব্লগার বলেছেন: আমার ছোটভাইয়ের একসপ্তাহ আগে হইসিলো। ক্লিনিকের ডাক্তারকে খামচেঁ রক্তাক্ত করে ফেলসিলাম। কাজ না সেরেই ভয়ে সবাই আমাকে বাসাতে নিয়ে আসে সেদিন। বীরের মত একসপ্তাহ পরে আবার গিয়ে মুসলমান হয়ে আসি।:)
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০২

লেখক বলেছেন: হা হা হা হা =p~

৬. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০২
comment by: বুমবুম বলেছেন: আমারডা কাটছিল ডাক্তার।কপাল ভাল জীবনে একবারই কাটতে হয়:)।নাইলে তো খবরই আছিল:|
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০৪

লেখক বলেছেন: ভাইরে বারবার !!!
হা হা , সেটাই কথা:)

৭. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০৩
comment by: একজন ব্লগার বলেছেন: আপনার অডিও ক্লিপটা শুনলাম। আইডিয়া খারাপ না। । আপনার ভোকাল সুন্দর। তবে কথা বলার গতি শেষের দিকে এসে খানিকটা বেড়ে গেছে মনে হয়েছে। আর ব্যাকগ্রাউন্ড গিটারের টিউনটা কি আপনার কম্পোজ করা?
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০৬

লেখক বলেছেন: আরে নাহ , একটা প্রিয়গান ওইটা ;)
আর আইডিয়া টা নিয়ে এরপর দেখা যাক কি হয় ।
ভাল লাগার জন্যে ধন্যবাদ ।

৮. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০৭
comment by: বিডি আইডল বলেছেন: ৪.৫ বছরে এত কিছু....সন্দেহজনক...

গল্প ভালোই
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০৯

লেখক বলেছেন: ছবি যে কথা বলে ;)

৯. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১২
comment by: আবূসামীহা বলেছেন: ওই চামড়া কাটা কি মুসলমান হওয়া? তাইলেতো সব ইহুদীগুলোও মুসলমান।
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১৯

লেখক বলেছেন: তাহলে তাই :)

১০. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪১
comment by: গিফার বলেছেন: হুমম ভালো লাগলো পড়ে.......
১১. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪৮
comment by: নামহীনা বলেছেন: সব মেমোরী থেকে নেয়া না, কিছু কথা এখনকার বানানো।

আর ভাইজান, ঐ ঘটনা-র এতো বড় বর্ননা! আপনার জীবনের অন্য ঘটনাগুলি-র বর্ননায় তো পাতা ভরে যাবে।
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:০২

লেখক বলেছেন: অবশ্যি কিছু কিছু জিনিস পুরো হয়ত খেয়াল নেই তবে সে সময়ের ছবি দেখে বোঝা যায় , আর সময়টা এমন সময় ছিল কিছু কারণে যে অধিকাংশ ঘটনাই মনে আছে ভাল করেই:)

১২. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৫৯
comment by: মোঃ শিহাবুর রহমান বলেছেন: আমারটাও ডাক্তার করছিলো ,বাইচা গেছি মনে হয় ।কিন্তু এই সব আয়োজন মিস করছি ।
বাই দা ওয়ে ,ওইটা কার গান ,আপনার ভয়েসের ব্যাকগ্রাউন্ডে ?
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১৪

লেখক বলেছেন: ডাক্তার রে জাঝা ;)

১৩. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৩০
comment by: নাজিম উদদীন বলেছেন: হুঁ ভয়ানক স্মৃতি।
আমার চাচাত ভাই মুসলমান হতে গিয়ে ঘা হয়ে গেছিল। অনেকদিন লাগসে শুকাতে।
১৪. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৩১
comment by: রাইডার বলেছেন: ভালো গপ্পো
১৫. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩২
comment by: মোঃ আমিন বলেছেন: জটিলসসসস............
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:২২

লেখক বলেছেন: সসসসসসসসসসস

১৬. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:৩৮
comment by: একলব্য১৯৭১ বলেছেন: ওরে বাবা রে, ভাই হারানো দিনের স্মৃতি মনে করিয়ে দিলেন...।আউচ!
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:২৫

লেখক বলেছেন: :(

১৭. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৪২
comment by: ভুডুল বলেছেন: +
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৩১

লেখক বলেছেন: হুমম

১৮. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৪৯
comment by: অ্যামাটার বলেছেন: ওরেরেরেরে...জোশ এক্টা পুষ্ট...পিরিয়তে...ঘুমাইতে যাইতে ধর্ছিলাম...মাগার না কমেন্টাইয়া থাক্তার্লাম্না...

আমার্ডা ৫ কি ৬-এ...ডাঙতোর ইঞ্জেকছন দিয়া নিন পারাইয়া দেছিলো...উইঠ্যা দেখি............

তয় জীবনে পরথমবারের মতন ঐ ঘডনার্পর লুঙ্গি পিন্দনের কৌশিশ কর্ছিলাম...যুদিও ঐডা পিন্দে রাইতে শুইলে সক্কালে উইঠ্যা যথা স্থানে আর পাই না...হেইলাইগা আমি গল্প-উপন্যাস-পেপার-পত্রিকা; সবই পড়ি, কেবল ঐটা ছাড়া;)
১৯. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:২৭
comment by: রুমমা বলেছেন: অনেক মজা পাইছি।ছেলেদের তো খালি এক বার। মেয়েদের তো নাক,কান,পেট..খালি কাট,কাট,আর কাট।সিনেমার মত খালি কাট আর একশন।ছেলেদের আর কয়েক জায়গায় কাটলে ভালো হইতো।sorry to say.....dont mind.
০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:১৭

লেখক বলেছেন: =p~

 

 


স্রষ্টার অসীম সৃষ্টির মাঝে আমিও একজন এবং আমিও স্রষ্টা আমার নিজস্ব সৃষ্টিসমূহের
iblish@live.com
http://iblish-is-alive.blogspot.com/
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৭৬৭১৮