আমার প্রিয় পোস্ট
- জ্ঞানপিপাসুদের জন্য কিছু ফ্রি ই-বুক সাইট - রাকিব
- অনুসরন করুন আপনার পছন্দের ব্লগারদের - আছহাবুল ইয়ামিন
- সা. ইন ব্লগারদের সাথে ঈদ - আলাম ভাইয়ের বাসায় আমাদের গেট-টুগেদার (উৎসর্গ মুজতবা) - মনিটর
- অন্তর্জালে আমি কাদের কাদের পুন মার্তে চাই? - পাগলা গারদের ওয়ার্ডেন
- কিছু পুংটা পোলাপাইনের আলাম ভাইয়ের রোদ চশমা ষড়যন্ত্র ও তদ্বিষয়ক আমার ভীতিকর অভিজ্ঞতা - সংস্থাপক
- ঈদে আলাম ভাইয়ের বাসায় ছাগ মাংস ভক্ষণ এবং একটি যাদুকরী রোদ চশমা - অচেনা বাঙালি
- কে ছিলেন চাণক্য? - ইমন জুবায়ের
- মানুষের পেশাকে সম্মান করতে শিখুন - লোকালটক
- কারওয়ানবাজারের কলু কামার কেন কা কা করছে? - ফিউশন ফাইভ
- উবুন্টুতে ভার্চুয়াল উইন্ডোজ ইনস্টল - হাসিব
- মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানিগুলোর মাল্টি ডাইমেনশনাল প্রফিট ও আমাদের হতভাগা দেশের লাভ (একটি সহজ-সরল হিসাব) - বহুরূপী মহাজন
- আন্তর্জাতিক শেয়ার বাজারের পতন ও ফাইনান্সিয়ালাইজেশানের সংকট - দিনমজুর
- নোটিশ বোর্ডকে ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি, অনৈতিক কাজ দ্রুত বন্ধ করার জন্য। নীতিহীন লোকগুলি আমার উপর ক্ষেপা তাই তারা নানা ভাবে আমার ক্ষতি কারার চেষ্টা করছে এবং করবে। আমি আপনাদের এ ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষন করছি। তারা আমার আরো ছবি বিকৃত করে প্রকাশ করতে পারে। এই অনৈতিক কাজ স্থায়ী ভাবে বন্ধ করার জন্য আপনাদের সহযোগীতা চাই। প্রতিবাদ সরূপ প্রদত্ত পোষ্টসমূহ ইতোমধ্যে মুঝে দিয়েছি। - মোহাম্মদ আলী আকন্দ
- চোরের স্রষ্টার পক্ষ থেকে কৈফিয়ত - চোর
- আমরা যা চাই তা ফ্রী তে চাই , কি দরকার রেজিস্ট্রশন করে সময় নষ্ট করার তাই না !!
- জটিল
- নবীন লেখকলেখিকাদের জন্য :: কিভাবে বই বের করবেন। পর্ব-১ - ফারিহান মাহমুদ
- প্রসঙ্গ যখন গীটার
- জটিল
- নির্বাণোন্মুখ নৈমিষারণ্য (এই কবিতা ব্লগের সকল বিখ্যাত কবি বা মহিলা কবিদের জন্যে উৎসর্গকৃত) - জটিল
- ব্লগের সবাইকে ১৬৬তম মণিপুরী মহারাস উৎসবের নিমন্ত্রন। কবে কখন কি অনুষ্ঠান, কিভাবে যাবেন বা কোথায় থাকবেন ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য। - কুঙ্গ থাঙ
- আজ 'জটিল' এর জন্মদিন - মিলটন
- ছবি চাই, ছবি। দিন না একটি ছবি (রিপোস্ট) - রাগিব
- জাফর ইকবাল বাঙালি জাতিকে কি দিয়াছেন? - আলেকজান্ডার ডেনড্রাইট
- কলকাতা - ১৯৪৭
- জটিল
- টাইম ট্রাভেল করে যদি আমাকে কোথাও যতে দেয়া হত আমি হয়ত এসবজায়গাতেই যেতে চাইতাম , ফিরে দেখা বাংলাদেশ সেই সুদূর অতীত থেকে - জটিল
- রসময় গুপ্ত একদা টেস্টিং সল্ট এর বিজ্ঞাপনদাতা ছিলেন গাঁজা ইফেক্ট-১ - জটিল
- জাহানারা ইমামের একাত্তরের দিনগুলি এবং একটি প্রজন্মের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক চেতনা - তানজিল আহমেদ
- হুমায়ুন আহমেদ এর কিছু বই
- জটিল
- পুরনো দিনের বাংলা সিনেমার গান
- জটিল
- বাংলা সিনেমার ডায়ালগ লিখি আসেন
- জটিল
- ব্লগারস ব্লাড ব্যাংকঃ ১২৯ ব্লগারের তথ্য (আপডেট পোস্ট) - ভবঘুরে
- বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, এর নীতিমালা... - নোটিশবোর্ড
ডি এইচ লরেন্স বা শিশ্নের গর্ব ঃমূল সিমোন দ্য বোভোয়ার
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:১৬
ডি এইচ লরেন্সের নাম শোনেননি এমন লোক আশা করা যায় অনেক কম , তার বইগুলো অথবা লেডী চ্যাটার্লীস লাভার নামক বইটি অনেকের ভাবাবেগ কে নাচিয়েছে ।
মূল গল্পটি পরেছিলাম ক্লাস ইলেভেন এ থাকতে ।
আর এখন লেখক সম্পর্কে একজন প্রথিতযশা নারীবাদী এর কিছু মন্তব্য প্রতিবেদন এখানে উল্লেখ করলাম ।
হুমায়ুন আজাদের দ্বিতীয় লিঙ্গ বইতে তার পুরো অনুবাদ করেছেন ।
.......................................................................
পুরুষ এবং নারীর বিশেষ সম্পর্ক সংজ্ঞায়িত করা তার কাজ নয় , বরং তাদের উভয়কে জীবনের সত্যের কাছে ফিরিয়ে আনা তার কাজ । এ -সত্য প্রদর্শনের মধ্যেও নেই , ইচ্ছের মধ্যেও নেইঃ এটা জড়িত পাশবিকতায় , যার ভেতরে ছড়ানো মানুষের শেকড় । লরেন্স সংরক্ত ভাবে প্রত্যাখ্যান করেন লিঙ্গ মস্তিষ্কের বৈপরীত্য; তার আছে মহাজাগতিক আশাবাদ যা আমূল ভাবে বিপরীত শপেনহায়ারের হতাশাবাদের ; শিশ্নের মধ্যে প্রকাশিত বেঁচে থাকার ইচ্ছে হচ্ছে আনন্দ ।
লেডী চ্যাটার্লি ও মেলর্স উন্নীত হয়েছে একই মহাজাগতিক আনন্দেঃ একে অন্যের সাথে মিশে যায় , তারা মিশে গেছে গাছপালা , আলো , বৃষ্টির সাথে । লরেন্স এ মতবাদটি সাধারন ভাবে ব্যাখ্যা করেছেন " দি ডিফেন্স অফ লেডী চ্যাটার্লিতে" ঃ বিয়ে এক প্রতিভাস যদি তা স্থায়ীভাবে ও আমূল্ভাবে শৈশ্নিক না হয় , যদি তা জড়িত না থাকে সূর্য ও পৃথিবীর সাথে , চাঁদের , গ্রহনক্ষত্রের সাথে ...শতাব্দীর ছন্দস্পন্দনের সাথে ।
বিয়ে কিছুই নয় যদি তা না স্থাপিত হয় রক্তের প্রতিসাম্যের ভিত্তির উপর । কেননা রক্ত হচ্ছে আত্মার সারবস্তু ।
" পুরুষের রক্ত আর নারীর রক্ত হচ্ছে দুটি অনন্তকালীন পৃথক স্রোতধারা , যা মিশ্রিত হতে পারেনা " একারণেই এ স্রোতধারা দুটি তাদের সর্পিল পথেই আলিঙ্গন করে জীবনের সমগ্রতাকে ।
" শিশ্ন হচ্ছে কিছু পরিমাণ রক্ত , যা পরিপুর্ণ করে নারীর ভেতরের রক্তের উপত্যকাকে । পুরুষ রক্তের তীব্র ধারা চরম গভীরতম তলে নিমজ্জিত করে নারীর রক্তের মহাধারা কে... তবে কোনটিই বাঁধ ভেঙ্গে ছোটে না । এটা হচ্ছে মিলনের বিশুদ্ধতম রূপ...এবং এটা মহারহস্যগুলোর অন্যতম ।"
লরেন্স ব্যাক্তিগতভাবেই বিশ্বাস করেন পুরুষের আধিপত্যে । " শৈশ্নিক বিয়ে " পদটিতে তিনি "কামগত" ও"শৈশ্নিক" এর মধ্যে স্থাপন করেন যে প্রতিসাম্য , তাতেই এটা প্রমাণ হয় । যে দুটি রক্তধারা রহস্যময় ভাবে বিবাহিত হয় , তাদের মধ্যে শৈশ্নিক ধারাটিই লাভ করে আনুকূল্য ।
" শিশ্ন কাজ করে দুটি নদীর মিলনের উপায় রুপে ; এটা একই স্রোতে সংযুক্ত করে দুটি ভিন্ন ছন্দকে ।" এবং ভবিষ্যতের সাথে সেতু হচ্ছে শিশ্ন ।
লরেন্স কখনোই দেখান না যে নারী আলোড়িত করছে পুরুষকে , কিন্তু বারবার দেখান যে গোপনে নারী উত্তেজিত হচ্ছে পুরুষের তীব্র , সুক্ষ ও ধীরে- কৌশলে প্রবেশকারী আবেদনে ।
পুরুষের একটি সামাজিক সুবিধাকে জোড়া লাগিয়ে দেয়া হয় এসব মহাজাগতিক সুবিধার সাথে । সন্দেহ নেই এ শৈশ্নিক ধারা যেহেতু মহাবেগ শালী , আক্রমনাত্মক যেহেতু ছড়িয়ে পড়ে ভবিষ্যতের ভেতরে - লরেন্স নিজেকে ব্যাখ্যা করেন , তবে অশুদ্ধভাবে - পুরুষকেই"সামনের দিকে বইতে হয় জীবনের ধ্বজ্জ্বা" ; পুরুষ উদ্দেশ্য এবং পরিনতির প্রতি একাগ্রচিত্ত , পুরুষ ধারন করে সীমাতিক্রমণতা ; নারী জড়িত থাকে তার ভাবাবেগের মধ্যে , সে হচ্ছে সম্পুর্ন অন্তর্মুখিতা ; সে উৎসর্গিত সীমাবদ্ধতার কাছে । পুরুষ শুধু যৌনজীবনে সক্রিয় ভূমিকাই পালন করেনা , সে একে অতিক্রম করার ব্যাপারেও সক্রিয় ; তার মূল রয়েছে কামবিশ্বে , কিন্তু সে এর থেকে মুক্তি অর্জন করে ; নারী বন্দী হয়ে থাকে এর ভেতরেই । চিন্তা ও কর্মের মূল রয়েছে শিশ্নে; শিশ্নের অভাবে নারীর এটিতেও ওধিকার নেই ওতিতেও নেইঃ সে পুরুষের ভূমিকায় অভিনয় করতে পারে , এবং চমৎকার ভাবেই পারে , কিন্তু এটা খেলা মাত্র , এতে নেই গভীর সত্যতা । নারীর 'গভীরতম চেতনা আছে পাছায় ও পেটে' । যদি একে বিকৃত করা হয় এবং শক্তি প্রবাহ ধাবিত করা হয় উর্ধ্মুখে , বক্ষে , মাথায়...নারী হয়ত পুরুষের বিশ্বে বুদ্ধিমান , মহৎ, দক্ষ , মেধাবী , যোগ্য হয়ে উঠতে পারে ; কিন্তু লরেন্সের মতে , তখন সব কিছু ধ্বসে যায় এবং সে ফিরে যায় কামের কাছে । ' বর্তমান মুহূর্তে যা তার করনীয়' । কর্মের এলাকায় পুরুষকেই হতে হবে প্রবর্তক , সদর্থক এবং নারী সদর্থক শুধু আবেগের স্তরে ।
......................................
...............................................................
.......................................................................................................
প্রকাশ করা হয়েছে: সাহিত্যিক ভাবুকতা বিভাগে ।
লেখক বলেছেন: কোন বই টা , লরেন্সের , বোভোয়ার এর নাকি হুমায়ুন আজাদের দ্বিতীয় লিঙ্গ !!
অ রণ্য বলেছেন:
এবং প্রিয়তে
লেখক বলেছেন: আচ্ছা ।
মানুষের পৃথিবী বলেছেন:
নারীর 'গভীরতম চেতনা আছে পাছায় ও পেটে'। এই যদি হয় নারীর প্রতি শেষ কথা তাহলে সভ্যতা কি সামনের দিকে এগুবে নাকি ক্রমাগত ছুটতে থাকবে সেই আদিম গুহায়? এভাবেই পুরুষতন্ত্র নারীকে ভাবে। এভাবেই ধর্ম নারীকে ভাবে। এবং শেষ পর্যন্ত এভাবে নারী নিজেকেই এমন করেই ভাবতে থাকে। কিন্তু দেখুন তারপরও এই নারীদের মধ্য অনেকেই (সংখ্যায় খুবই অপ্রতুল হলেও) এই শিশ্নকেন্দ্রীকতার বহু উর্দ্ধে উঠে এসে কেউ প্রীতিলতা হয়েছে, কেউ বেগম রোকেয়া হয়েছে, কেউ মার্জোরি কিনান রলিংস হয়েছে আবার কেউ হয়েছে ইলা মিত্র।
মানুষই ভাঙে। মানুষই ভাঙবে এই শিশ্নকেন্দ্রীক চেতনার অর্গল।
লেখক বলেছেন: আমি পুরোটুকু তো দেই নি এখানে , বইটা বিশাল , শুধু কইয়েকটা অংশ । আরো অনেক আলোচনা আছে । সব লেখা যাবেনা , ফ্রয়েডিয় মতামত হোক বা মঁতেরঁল বা ক্লদেল এর লেখার বিশ্লেষন এভাবে এক কথায় এখানে দেয়া যাবেনা ।
সিমোন যেভাবে তার কয়েকটা সমালোচনামূলক লাইন লিখেছেন তারই কিয়দাংশ এখানে , আর লেখার বিষয়বস্তু অনেকটা লরেন্স এর দৃষ্টি ভঙ্গী কেন্দ্রিক ।
মানুষের পৃথিবী বলেছেন:
হ্যা সিমোনের বক্তব্য এটি নয়। আমি 'দ্যা সেকেন্ড সেক্স' পুরোটা পড়েছি। এবং নারীকে নতুন করে ভাবতে শিখেছি। পুরুষের অভিজ্ঞতার অলিগলিগুলো নারীর জন্য অবারিত করে দেয়া হলে সেও হয়ে উঠবে ভ্যানগগ কিংবা নেরুদা। এমনি তার সার কথা। এবং সবার শেষে মার্কসের সেই বিখ্যাত উক্তি দিয়ে তিনি শেষ করেছেন (নিজ ভাষায়): নারী এবং পুরুষের সম্পর্কের ধরণই বলে দিবে একটি সমাজ কতখানি উন্নত কি অবনত। আমি দেখেছি কি অপার বিশ্লেষণী শক্তি রাখেন বেভোয়ার। নারীরা কেবল লিপস্টিক আর বয়ফ্রেন্ডে লীন না হয়ে ভাবতে শিখুক, বেভোয়ার কিংবা তারও অধিক ক্ষুরধার হয়ে উঠুক এই কামনায়।
লেখক বলেছেন: বিষয়টা আসলে কঠিন কিছু নয় , এজন্যে গবেষণাও করতে হয়না তেমন , দৃষ্টিভঙ্গী এমন একটা জিনিস যা গড়ে তুলতে অনেক কিছুর প্রয়োজন ।
শুধু পান্ডিত্য দিয়ে যেমন মানুষ নিজের ক্ষুদ্রতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনা তেমনি কিছু কিছু জিনিস থেকে যায় । নারী কোনদিন পুরুষ হবেনা বা পুরুষ কোনদিন নারী হবেনা , আর এসব আলোচনা করাটা একপর্যায়ে বিফল হয় যখন নারী ও পুরুষ একে অন্যের পরিপূরক হিসেবে নিজেদের মেনে নিতে ব্যার্থ হয় ।
সবাই নিজেদের মত থাকলেই হল , সংঘর্ষ এর কারণ মূর্খতা আর এর দায়ভার নিতে হয় তাদের কেই যারা সংশ্লিষ্ট ।
ফেরারী পাখি বলেছেন:
হুমায়ূন আজাদের দ্বিতীয় লিঙ্গ পড়েছিলাম বহু আগে। আতটা পরিস্কার মনে নেই। আর লেডি চ্যাটার্লিজ লাভার পড়া হয়নি। তাই আনন্দ টুকু পুরোটা নিতে পারলাম না। এক নজরে অনেক কিছু দেখলাম।
লেখক বলেছেন: হুমমম
মানুষের পৃথিবী বলেছেন:
শুধু নারী পুরুষ কেন? এই বিশ্বভ্রহ্মান্ডের সব কিছুই সবকিছু্র পরিপূরক। ইংরেজীতে যাকে বলে - সিমবায়োসিস। 'সবাই নিজেদের মত থাকলেই হল' কথাটি মেনে নেয়া গেল না। নারীরা এখন যেমন আছে ঠিক তেমনি থাকতে বলছেন কি?
লেখক বলেছেন: হুমম , লেখাটা নারীপুরুষ বলে এর মধ্যেই আমি সীমাবদ্ধ রইলাম তাই সব কিছুর মধ্যে হিসাব টা এখানে গুরুত্বপূর্ন নয় ।
আর আপনার চারপাশের নারীদের কে অবস্থান অনুযায়ী সম্মান করবেন এটাই কাম্য , আমি নিশ্চই চাইবনা আমার বাসার কাজের বুয়া , কালকে নিজেকে বেগম রোকেয়া অথবা সিমোন দ্য বোভোয়ার হিসেবে নিজেকে দাবী করুক ।
![]()
সজল বলছি বলেছেন:
লেডি চ্যাটার্লিজ লাভার পড়েছি। বইটি পড়ে অনেক কিছু ভাবার আছে।
লেখক বলেছেন: হাসা কইলেন ! কি কি ভাবসেন কন ।
মানুষের পৃথিবী বলেছেন:
কাজের বুয়া কেন কাউকেই আমি বলব তুমি নিজেকে বেগম রোকেয়া ভাব। প্রত্যেকেই একেকটি স্বতন্ত্র স্বত্ত্বা। কেউ যখন তাকে শাহরুখ খান বললে খুশি হয় তার জন্য আমার সত্যিই করুনা হয়।যাহোক, আমি কিন্তু অব্শ্যই চাইবো আমার কাজের বুয়াটি সম্ভব হলে আর কাজের বুয়া না থাকুক। কাজের বুয়া কোন দিক থেকেই ন্যূনতমভাবেও সম্মানজনক পেশা নয়। ক্রীতদাসেরই একটু পরিবর্তিত রূপ মাত্র। আপনি এভাবে ভাবেন কিনা জানিনা, অনেকেই এই ধারণা পোষণ করেন যে কিছু লোককে অবশ্যই কাজের বুয়া, রিক্সাওয়ালা, মেথর ইত্যাদি থাকতেই হবে, নইলে সমাজ তার ভারসাম্য হারাবে। এ যে কত বড় নির্মম (এবং ভুল) ধারণা তা ভাষায় বর্ণনার্য নয়। আমি অনেক কাজের বুয়াকে দেখেছি গার্মেন্টসে ভাল কোন (তার স্ট্যান্ডার্ডে) কাজ পেলে সে গার্মেন্টসের কাজটিকেই পছন্দ করে। কারণ সেখানে সে একটি আপেক্ষিক মর্যাদা খুজে পায়।
বিতর্কের খাতিরে কিংবা 'জিততেই হবে' এমন ধারণা না নিয়ে আমার এই মতামতটির উপর মন্তব্য করলে খুশি হবো। আপনার নিরপেক্ষ মতামত আমার বিপরিতে গেলেও আমি সমান খুশি থাকব। ধন্যবাদ।
মানুষের পৃথিবী বলেছেন:
সংশোধনী: কাজের বুয়া কেন কাউকেই আমি না বলব তুমি নিজেকে বেগম রোকেয়া ভাব।
মানুষের পৃথিবী বলেছেন:
সংশোধনীর সংশোধনী: কাজের বুয়া কেন আমি কাউকেই বলব না তুমি নিজেকে বেগম রোকেয়া ভাব। লেখক বলেছেন: আমি কথাটা রূপক অর্থে বলেছি দাদা ![]()
কেউ যদি নিজের অবস্থান পরিবর্তন করতে পারে সেটা অবশ্যই একটা মূল্যবান পাওয়া , সেক্ষেত্রে এগিয়ে আসাটাই উচিৎ ।
যখন সে অবস্থান পরিবর্তন করবে তার প্রাপ্য সম্মানটাও পরিবর্তিত হবে। আর এটাই হয় ।
কাজের বুয়াকে আমার জানামতে অসম্মাঞ্জনক কিছু মনে হয়না , কারণ সে পরিশ্রম করেই অর্থ উপার্জন করে । সমাজে এরকম শ্রেণী এর মানুষ আছে এবং থাকবে । না হলে বিত্ত হিসেবে শ্রেণী বিভাগ অনেক কম হত । কিন্তু কাউকে এই শ্রেণীর কারণে যদি অসম্মান করা হয় সেটা দুঃখজনক ।



















এই বইটি আমার পড়া ভাল লাগা বইটির একটি
খুব সুন্দর পোষ্ট
+