somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... ছবিগুলো এরকম হবার কথা ছিলনা , তবে কেন যেন মনে হয় এসবেরও দরকার ছিল !!

নাহ , মায়া নয় সহমর্মিতাও নয় কারো দয়া নিয়েও কেউ বেঁচে থাকতে চায় না , যদি নিজের কিছু থাকে ।

আচ্ছা কবে এসব দূর করা যাবে পৃথিবী থেকে !








আফ্রিকান দূর্ভিক্ষ অনেক বোরিং জিনিস । অনেক তো লাফানো হইসে ।
হয়ত দূর হয়ে গিয়েছে এসব ।

এখন সবাই ফিলিস্তিন নিয়ে চালাবে । সেটাও হয়ত থেমে যাবে কোন একসময় ।

এরপর নতুন কোন এক দেশে শুরু হবে ...

এভাবে চলতেই থাকবে , তো চলুক না হয়

তবে দূর্ভিক্ষের কিছু ক্ল্যাসিক ছবি এসব ।
..................................................................................................

এসবের বিপরীতে কিন্তু আর কিছু ছবি ব্যাপক লাগে





]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28894971 http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28894971 2009-01-09 07:30:36
কান স্থিরচিত্র উৎসব ২০০৯ - অবশেষে কানের একটা ছবি দিলাম আহ ওয়াহ বাহ ভালাইচে দেখতে দেখতে আমিও মুগ্ধ ।
অবশেষে একখান ফটুক তুললাম , কান স্থিরচিত্র উৎসবের জন্যে ।



সাদাকালো এই ফটুক ।

এখন কুইজ কুইজ খেলাঃ


উপরোক্ত কানের বৈশিষ্ট কি !
১। কানে ময়লা ছিল
২। কানের লতিতে একটা তিল ছিল
৩। উপরোক্ত সবই সঠিক
৪। কোনটিই সঠিক না
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28894630 http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28894630 2009-01-08 14:16:45
জৈবিক জীবন - বিতর্কিত সরলরৈখিক কোবতে কিছু জানা
পয়সাকামা
বিয়ে করা

খানাদানা
হজম
হগু মুতু
বিশ্রাম

যৌনমিলন
গর্ভধারন
বাচ্চাপয়দা
লালনপালন

বাচ্চাদের ক্ষেত্রে আবার...

লেখাপড়া
কিছু জানা ......
............... ( পুনঃপাঠ্য প্রথম থেকে )

মাঝখানে ,

শিল্পচর্চা
কাব্য লিখন
পটানো
স্বমেহন

খুব্বেশি কিছু হলে ,

আবেগ বিবেক
দেশ বিদেশ
পৌরনীতি অর্থনীতি
সেবা উপসেবা

নাম কামানো
আখের গুছানো !

একান্তই মহামানব হলে ,


সবকিছু হবে
নিরবে নিভৃতে
...........................


নাহলে আবার প্রথম থেকে পুনঃপাঠ্য


বাকীসব ...

বালছাল ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28894196 http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28894196 2009-01-07 14:03:02
শুধুই দুটো গান মাত্র যে কয়েকটা ভোকাল মৃত্যুর আগেও শুনতে চাইব তার মধ্যে এই একটা ভোকালের কথা না বললেই নয় ।
লিরিকস এর কারনে পোস্ট লম্বা একটু হয়ত ।
<img src=" style="border:0;" />

Scorpions - Obsession




Girl I don't think of you
At least that's what I try to do
And I just miss those days
Our secret little place, Oh well
But I'll be there
Anytime your heart is desperate just to love someone
I want you to call my now
Cause it feels so good to be your lover
When my lips are kissing you all over
And no matter what I do I can't get you off my mind
I just want this night to last forever
It can not get any better
In my life
Now I don't feel the pain
My world went upside down insane
And I don't miss those nights
Now maybe that's a lie as well
Still I'll be there
Anytime your heart is desperate just to love someone
I want you to call my now
Cause it feels so good to be your lover
When my lips are kissing you all over
And no matter what I do I can't get you off my mind
I just want this night to last forever
It can not get any better
In my life
And I'll be there
Anytime your heart is desperate just to love someone
I want you to call my now
Cause it feels so good to be your lover
When my lips are kissing you all over
And no matter what I do I can't get you off my mind
I just want this night to last forever
It can not get any better
In my life
There's nothing left to do
But to say those words to you
Oh yes I do


Scorpions - a moment in a million years



Music : klaus meine
Lyrics: klaus meine

The lights are slowly fading down
Theres no one else, just you and me
Nothing ever changed
I see your faces in the crowd
It seems I know each one of you
For all my life
I wish this night could last forever
But its time to go
I saw you laugh, I saw you cry
All for one and one for all
Nothing ever changed
The way you sang just blew my mind
It gave me chills from head to toe
What a glorious night
To me it could have lasted forever
But its time to go
A moment in a million years
Is all Ive got for you
A moment in a million years
To make some dreams come true
A moment that I wont forget
Until the day I die
A moment in a million years
Called life
The bus is waiting right outside
To hit the road and once again
I leave you all behind
I chase another dream tonight
And by the time youll be home
Ill be far away
Nothing seems to last forever
Its time to go
A moment in a million years
Is all Ive got for you
A moment in a million years
To make some dreams come true
A moment that I wont forget
Until the day I die
A moment in a million years
Called life
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28893937 http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28893937 2009-01-06 23:40:59
একটি শুরুর চেষ্টা , যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে সবার মাঝে ছড়িয়ে থাকা ভাবনাগুলো একত্রিত করে আমরা আসলে কি পেতে পারি
এ নিয়ে ইতিমধ্যেই সবাই যার যার মত পোস্ট দিয়েছেন তাই নতুন করে কিছু বলার নেই ।
তবে তা যেন সর্বাত্মক সফল হয় তা নিয়ে অবশ্যই সবার কিছু না কিছু বলার আছে ।
শুধু সাথে আছি , এগিয়ে যান , সাবাস এই টাইপের কমেন্ট পাওয়ার চাইতে একটা কিছু করাটাই এখানে কাম্য ।
ব্লগের বিগশটস , স্মল শটস , বলে আসলে কিছু নেই , সবার সামনে এগিয়ে আসাটাই মূখ্য ।

## তো প্রথম থেকে শুরু করা যাক ।
এই সাক্ষরগ্রহণ কর্মসূচী এর দায়িত্বে কে বা কারা আছে এবং কিভাবে কি কি করা হবে আশা করা যায় ইতিমধ্যে পুরোটুকু একটা প্ল্যাটফর্মে চলে এসেছে । আর এখানে স্পেসিফিক কোন ফেসভ্যালু নেই তাই ব্যাক্তিগত নামের জন্যে কেউ লাফালেও তাকে শেষ পর্যন্ত হতাশ হতে হবে । গ্রুপওয়ার্ক হিসেবেই আশা করা যায় তা সবার সামনে তুলে ধরা উচিৎ । আর এটা নিয়ে ব্লগার জামাল ভাস্কর তার পোস্টে এজেন্ডা হিসেবে যেসব উল্লেখ করেছিলেন তার মধ্যে আমি এখানে ছয় এবং সাত নম্বর দুটো নিয়ে কিছু করার জন্যে কিছু মতামত চাচ্ছি ।

৬. নতুন কোন পদ্ধতি উদ্ধাবন
৭. একটা ডেডিকেটেড গ্রুপ - যারা তাদের একটা ভাল সময় এর জন্য ব্যয় করতে পারবে

## তবে অনেকের প্রশ্ন থাকতে পারে , এই গণসাক্ষরের ভবিষ্যৎ কি !!! ??
অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক একটি প্রশ্ন । এর আগেও অনেকেই সাক্ষর নেয়ার অভিযান করেছে তাদের ফলাফল কোথায় দাঁড়িয়েছে !! আর এইসব সাক্ষরের ভূমিকা কতটুকু বিচারের ক্ষেত্রে !!
ফিউশন ফাইভ সম্ভবত একটা পোস্টে এর আগে হয়ে যাওয়া এরকম এক অভিযানে দশ লক্ষাধিক সাক্ষরের কথা বলেছিলেন ।

আমার দৃষ্টিতে এটা পাব্লিক ইস্যুকে সবার সামনে তুলে ধরে একটা প্রেসার দেয়ার যৌক্তিক প্রচেষ্টা । সবার অংশগ্রহন যেখানে তুলে ধরবে তাদের একাত্মতা ।
আর বিচারের ক্ষেত্রে ভূমিকার বিষয়টা আসবে তখনই , যখন সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহন সফল হয়ে তা বড় আকার ধারন করবে এবং সঠিক মূল্যায়নের জন্যে সামনে পেছনে সেই পরিমান সাপোর্ট থাকবে ।

আইনগত দিক থেকে এখানে সাপোর্টিভ ইনফো পাওয়া যাবে অন্যান্য সেইসব পক্ষথেকে যারা দীর্ঘদিন এই ইস্যু এর সাথে জড়িত ।
আর দলিল দস্তাবেজ জায়গামত সবকিছুই আছে দেশবিদেশের অনেক সচেতন মানুষের কাছে , তাই এখানে কিছু কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা পরবর্তিতেও করা যাবে ।

............................................................................................
............................................................................................

## এবার কথা হোক কিভাবে সাক্ষর নেয়াটা সফল করা যাবে ।

আমার একান্ত অভিমত , প্রথমে একটা টাইম লিমিট বেঁধে নিয়ে আর একটা টার্গেট সামনে ঝুলিয়ে অগ্রসর হতে হবে । কারন সংখ্যার প্রাধান্য এখানে উল্লেখ্য ।
নির্বাচনের আগে দৈনিক ইত্তেফাকের জরিপে দেখা গিয়েছে ভোটারদের শতকরা ৫ ভাগের কাছে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাওয়া একটা প্রধান দাবী । এই শতকরা হারের পরিমান বাড়াতে হবে । এটা অন্যান্য সবার চাওয়া হলেও প্রধান ছিলনা তবে প্রথম পাঁচ চাহিদার মাঝে ছিল বলেই আশা করা যায় একটা অন্যতম প্রধান কিছু চাওয়া হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা যাবে ।

## আইনগত দিক দিয়ে যেহেতু দীর্ঘমেয়াদী ব্যাপার হবে তাই যতদ্রুত প্রাথমিক একাত্মতা সম্ভব ততই ভাল । কারন , ধরলাম আর একটা কিছু হয়ে গেল এটা ভাবাটা অত সহজ নয় ।


## জনগনের মাঝে সবচেয়ে সহজে পৌঁছানো সম্ভব ছাত্রগোষ্ঠি এর মাঝে ।

তাদের কাছে পৌঁছাতে হলে ইউনি এর প্রধান প্রধান ছাত্র সংগঠনের সাথে আগে যোগাযোগ করে নিয়ে একটা মিট করে উদ্দেশ্য বিধেয় বুঝিয়ে প্রতিটা ফ্যাকাল্টিতে যদি ফর্মগুলো পৌঁছে দেয়া যায় , আশা করা যায় অতি দ্রুত একটা ফিডব্যাক পাওয়া যাবে । নিজে গিয়ে বসে থেকে এই সাক্ষর সংগ্রহের চেয়ে দায়িত্ববান পাতি নেতৃত্ব অনেক আগ্রহ সহকারে তা করবে বলেই আমার বিশ্বাস । যদি ফ্যাকাল্টি এর শিক্ষক শিক্ষিকাদের কাছে পৌঁছানো যায় সেটাও প্রভাব ফেলবে দ্রুত কাজের জন্যে । এবং টার্গেটেড স্পটে এসব সংগ্রহ করাটাই কাম্য । ছাত্র ছাত্রী এবং অন্যান্যদের রেস্পন্স কাজে লাগিয়ে তা দ্রুতই করা সম্ভব ।

# আর ছড়িয়ে দিতে অনলাইনেই প্রাথমিক কাজ সেরে নেয়া যায় বিভিন্নগ্রুপে ফর্ম ছড়িয়ে দিয়ে এবং সামনা সামনি গিয়ে সব তুলে দিয়ে । সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে জনসংখ্যা বেশি বলে সেখানে ক্যাম্পেইন করা সহজ হবে সময়ে সময়ে । আর প্রাইভেট ইউনি গুলোতেও আশা করা যায় ব্যাপক সাড়া ফেলার মতই কিছু করা যাবে ।
বিভিন্ন লেকচার টাইমের এন্ট্রিতে যদি দিয়ে দেয়া হয় ফর্ম তাহলেও অনেক সাক্ষর আসবে ।

## এবার ভাবা যাক পোস্টারিং এর ক্ষেত্রে ।

ফ্লায়ার বা লিফলেট যাই হোক না কেন ফটোকপি করে এলোপাথাড়ি ছড়িয়ে দেয়া যায় গুরুত্বপূর্ন জনবহুল যায়গাগুলোতে । আর প্রধান রাস্তাগুলোর অনেক যায়গায় পত্রিকা দেয়ালে যেখানে লাগানো থাকে সেখানেও পোস্টার লাগানো যায় সবাইকে জানানোর জন্যে ।
আস্তে আস্তে একটা সরব ইস্যু হিসেবে তা সবার মাঝে ছড়াবে এভাবেই ।
এছাড়া টি-শার্ট , ক্যাপ বিভিন্ন ক্যাম্পেইন এর সময় স্পন্সর যদি যোগাড় করা সম্ভব হয় তবে আরো ভাল ভূমিকা রাখা যায় এখানে ।

## এবার অন্যান্য গণসংযোগ নিয়ে ভাবা যাক ।

আগে থেকে যারা ফিল্ডওয়ার্ক করছে তাদের সাথে মিশে যাওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ । এক ও অভিন্ন চাওয়া এখানে তাই সবাই এগিয়ে আসবে । অনেকেই এর আগে র‌্যালী করেছেন এবং এখনও করে যাচ্ছেন তারা আমাদের মাঝেই বিদ্যমান । তাদের প্রতিটা র‌্যালী এবং মিট এর সময় এই ফর্ম যদি দেয়া যায় সবাই অবশ্যই এগিয়ে আসবেন । এখানে উল্লেখ্য তারা ফান্ডিং নিয়েই মাঠে নেমেছেন তাই তাদের সাথে যোগ দিলে তাদের কাজেও নতুন মাত্রা যুক্ত হবে ।

## আর একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আসে তা হল মিডিয়ায় প্রচার ।

কোন ব্যাক্তি বিশেষ এর নুড়ানী চেহারা দেখার চাইতে সবার অংশগ্রহন এখানে প্রাধান্য পাবে আশা করা যায় আর সবাই এই বিষয় নিয়ে সচেতন কিনা সেটাই ফোকাস এর বিষয়বস্তু । প্রচারেই প্রসার ।
টিভি চ্যানেল এবং জাতীয় স্থানীয় অথবা ছোটখাট ম্যাগাজিনও এখানে এগিয়ে আসতে পারে অনেক গুরুত্বসহকারে ।

# আর ফর্ম যেটা তৈরী হয়েছে সেটাই ফাইনাল কিনা আমি জানিনা , যদি মাল্টি গ্রুপটাস্কের সাথে এটা জড়িত হয় সেখানে এই ফর্মের এ্যাড্রেস সেসব গ্রুপে কেমন প্রভাব ফেলবে তাও আলোচ্য বিষয় । কারণ বাস্তবতায় দেখা যায় সবাই নিজ নিজ কাজে নিজেই ফোকাস টা পেতে চায় , এটা নিয়ে ভেতরে চাপা কিছু অনেকের না চাইলেও থাকে তাই ইউনিফাইড একটা কিছু যদি হয় তবে সেটার ক্ষেত্রে কি হবে সেটা জানা উচিৎ ।

.....................................................................................................
.....................................................................................................

## আমার যতটুকু বলার তার মধ্যে মূল কথা হল ,

# এই কাজের শুরুতেই খুব শক্ত একটা ভিত্তি দরকার , যতই তা পাব্লিক ইমোশনের উপর ভিত্তি করে হোক না কেন , সবার প্রশ্নের উত্তর দেবার মত সামর্থ্য থাকা উচিৎ ।
# যদি লিগ্যাল এ্যাডভাইসর এর দরকার হয় তা যেন এ্যামেচার ল স্টুডেন্ট এর মতামত না হয়ে প্রফেশনাল কারো দ্বারা পরিষ্কার করে দেয়া হয় ।
# আর অনেকভাবে কাজ করা গেলেও , এটা মিনিমাম ইনপুট দিয়ে ম্যাক্সিমাম আউটপুট কিভাবে পেতে পারে সেজন্যে প্ল্যান তৈরী করে সেটাকে সফল করার প্রয়াস নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে ।
# আর এর শেষ কোথায় তা জানার জন্যে আগে থেকেই অন্যান্য চলমান প্রক্রিয়ার সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে ঠিক করে নেয়া । কারণ ( ধরাযাক ) ১ কোটি সাক্ষর যদি হাতে এসে তার ফলাফল দাঁড়ায় সংসদ ভবনের সামনে রোদ মাথায় বস্তা ভরে বিচারের দাবীতে দাঁড়িয়ে থাকা কোন শেষ না জেনে , তা পুরোটাই অর্থহীন ।

পরিশিষ্টঃ যা করার তা পরিষ্কার জেনেই এবং শেষে কি হবে কিভাবে হবে তা মাথায় রেখে একটা জোরালো ইস্যু তৈরী করাটাই বর্তমান উদ্দেশ্য ।



এবার ...........................................]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28893130 http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28893130 2009-01-05 08:17:34
প্রিয় কাঠবেড়ালী এর জন্যে একটি লুতুপুতু চিঠি <img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_71.gif" width="23" height="22" alt="!:#P" style="border:0;" />
আমি জানি তুমি খুব ভাল আছ । দেখতে দেখতে চার বছর হয়ে গেল । কতকি বদলে গেল এর মাঝে , অবাক তাই না !

টিএসসি তে খাওয়াদাওয়া , চারুকলার সামনের সেই তেহারী অথবা মাঝে মোতালিবপ্লাজায় লুকিয়ে নিজেদের গোপন চুমুর স্মৃতি । ভর্তিপরীক্ষা দিতে গিয়ে উন্মাদপ্রায় অবস্থা অথবা তোমার কান্নাকাটি অথবা ধীরে ধীরে থেমে যাওয়া । মোবাইলের মিস্কল মিস্কল খেলা , অথবা কাছে ডাকার ছলচাতুরী । রাতজেগে থাকা একেরপর এক , বিদায় বেলার কান্না অথবা প্রথম সেই ছোঁয়া , ডায়েরীতে লিখে রাখতে সব ।

এখন আর আমার বছর শুরু হয়না তোমার জন্যে ৪ টে করে টেডিবিয়ার অথবা কানের দুল কিনে । এখন আর অপেক্ষা করিনা কোন মিস্কলের , ভ্যালেন্টাইন্সের আগে তোমার আম্মুর জন্যেও কেনা হয়না কোন আনা ফ্রাঙ্কের ডায়েরী , ভাবতেও পারিনা তোমার বাসার ছাদে গিয়ে ঘন্টারপর ঘন্টা দুই অধরের মিলন । এখনো হঠাৎ আকাশের তারা গুলো দেখে মনে পরে সেসময় বুকের মাঝে গুটিশুটি হয়ে থেকে চিনে নিতে একেরপর এক । ভাবতে ভবিষ্যতের কথা । নরম পেলব তুলতুলে পেটে হাত দিয়ে মজা করা হয়না । পহেলা বৈশাখে শেষবার তোমার এক বন্ধু বলেছিল এই শেষ হয়ত । সে ঠিকই বলেছিল । চলে যেতে হয়েছিল তাই আর তো হয়ে উঠল না এরপর ।

এবার দেশে আবার পহেলা বৈশাখে মেতে উঠব । হা হা , লাল সাদা শাড়ী পরে আলমাসে যাবে কিনা জানিনা । তবে সবই তো থাকবে । শুধু হাতে হাত ধরে রিকশা করে কোথাও যাওয়া হবেনা , দেখা হবেনা বসুন্ধরায় কোন মুভি । শেভ করার পর রয়ে যাওয়া একটা দাঁড়ি হয়ত আর তুমি কখনো দেখবেনা , আর আমিও দেখবনা হাল্কা সবুজাভ লালচে কোন চোখ ।

আর কি বলব বল !! তুমি মুক্তি চাওয়ার পর অনেক দূর থেকে আর কোন উপায় খুঁজে পাইনি । উলটো তিনজনকে ডেকে নিয়ে খোলা আকাশের নিচে বসে ছিলাম । এরপর বাসায় সবাই আমাকে ধরে নিয়ে গিয়ে নানান পরামর্শ দিয়ে থামাতে চাইল । সারারাত পার্কে হেঁটে পরে ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম । তবে তুমি তো মুক্ত । ফেরত এসে শেষ দেখায় তুমি কেঁদেছিলে । এখনো সেটাই আমার কাছে শেষ দৃশ্য ।

এরপর শুরু হয়েছিল আমার মুক্তির পালা । জমিয়ে রাখা সেসব চিঠি যা ছিল সব তো আগুনে পুড়িয়ে ফেলেছিলাম , সবাইকে দিয়ে দিয়েছিলাম যা কিছু ছিল সব । পারফিউম থেকে পায়ের জুতো পর্যন্ত সবকিছু পাল্টাতে হয়েছিল । তাতেও যখন কিছু হলনা ক্যারিয়ারটাই পালটে ফেললাম ! যার জন্যে শুরু করেছিলাম সেই যেহেতু নেই তাই ক্যারিয়ার টা শুধুই কেন সেদিকে টানা তাই না !!

এবার আমিও মুক্ত , চরম ভাবে মুক্ত । আমি জানি তুমি এই নতুন আমিকে চিনতে পারবেনা , আর আমাকে দেখা তো দূরের কথা বাসার অনেক কাছে থেকেও । অনেক খবরই তো রাখো আমার, কিন্তু তাও তুমি জানোনা এই নতুনত্বের স্বাদ কোথায় । তুমি চাইলেও পারবেনা সেসব ভুলতে যার শুরুই ছিল আমাকে দিয়ে , আর আমি !! হা হা , ভুলব না কিন্তু আটকাবেনা কিছুই । কারন তুমি নিজেই পারবেনা ভুলে যেতে ।

কোন রাগ নেই ক্ষোভ নেই তোমার প্রতি কারন দোষ যেহেতু তুমি আমাকেই দিয়েছিলে সব টুকু মেনেই নিয়েছি । আট মাস পরপর দেশে এসে একেরপর এক ক্ষমা চেয়েও তো একবারো বলতে পারনি তুমি শেষ কোন কথা । নিজেদের ইগো নিয়ে তৈরী দূরত্বে আরো কিছু দিয়ে দুজন দুজগতের বাসিন্দা । এছাড়া আগেই জানতাম একটা "কিন্তু" ছিল বরাবরই ।

যাইহোক আমাদের বাঁধন্মুক্ত হবার ৪ বছর পূর্তি সমাগত । আমাদের আবেগীয় অন্ধ ব্যাপার যা ছিল একসময় , তা থেকে দুজনের বেরিয়ে আসায় আমার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ।

আশা করছি নিজেরা নিজেদের কাছে এখন সেসব বিষয় থেকে মুক্ত । বাস্তবতা এই দূরত্বকে আরো বাড়িয়ে দিবে । সেখানে সফলতাটাই কাম্য ।
মনেপ্রাণে শুধু এটুকুই চাই যেন তুমি সেই আগের মতই পবিত্র থাক ।

অনেক লম্বা হয়ে গেল । যাইহোক ১৯৯২-২০০৮ এর প্রথম দেখা থেকে শুরু করে সবকিছু তো আর একপাতায় লেখা যাবেনা । অসংখ্য ধন্যবাদ তোমায় অনেক ভালো কিছু স্মৃতি উপহার দেবার জন্যে ।
বাকি জীবনেও তুমি আমি দুজনেই সেসব যায়গা গুলোতে বারবার ঘুরেফিরে আসব , শুধু একসাথে থাকবনা । তোমার আমার কমন যায়গা গুলতো আর কখনো পাল্টাবেনা । সেই একই সব কিছু থেকে যাবে ।

লক্ষীটি কখনো মনখারাপ কোরনা , দূরে থেকেও তো আছি বেঁচে দুজনেই । সঙ্গী সঙ্গিনী পাল্টালেও কিছুই যায় আসেনা । সময়ের স্তরগুলো যেভাবে একবার তৈরী হয় সেসব তো পাল্টাবেনা । স্মৃতিকাতর হলেও তুমি কাউকে বলবেনা আমি জানি এজন্যেই বললাম ভাল থেকো ।

...
.........

এখানে উল্লেখ্য , ইহা একটি আবেগীয় চিঠি । যান্ত্রিক জীবনে ব্যাস্ত হয়ে পড়ায় মাঝে মাঝে ঝাঁকি দিয়ে কিছু আবেগ বের করতে হয় ।
আর আমাদের দুজনের কেউই জীবনে পাওয়া না পাওয়া নিয়ে এখন আর ভাবিনা ।
অন্তত আমি মনে করি ইহজীবনে আমার সেরকম আর কিছু পাবার নেই । যথেষ্ট পরিপূর্ণ এখন ।
......................................................................................................

আবার পিরীত করার ইচ্ছা আছে মনে<img src=" style="border:0;" /> মাঝখানে বহুত মাইয়ার সাথে পোংটামী করা শেষে এবার একটা সিরিয়াস প্রেম করিতে সাধ হইতাচে , তয় বুইঝাশুইনা আর কি । এক্সপেরিমেন্ট অধ্যায় এর পরিসমাপ্তি , দেখা যাক কি হয় <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28892842 http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28892842 2009-01-04 14:49:34
মনিটরের সামনে বইয়া থাকা সেসব অভাগা যারা অন্যকোথাও কিছু করতে পারেনাই তাগোরে একটু দেরীতে হইলেও শুভনববর্ষ যাইহোক ব্লগে শুভনববর্ষ আমল চলতাছে ।
চামে দিয়া সকলরে ছুড একখান উইশ ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28891355 http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28891355 2009-01-01 01:35:24
এই মাত্র যা শিখলাম তা হল সেমাই এর জর্দা বানানো ( খুব সাধারনভাবে )
উপকরনঃ সেমাই , দুধ , তেল বা ঘি , লবঙ্গ , দারচিনি , তেজপাতা , এলাচ , চিনি , বাদাম , কিস্মিস প্রভৃতি ।

রন্ধনপ্রণালীঃ
সেমাই গুড়ো গুড়ো করার স্টাইলে ভাংতে হ্ল প্রথমে । ফ্রাইপ্যান এ তেল বা ঘি দিয়ে গরম করা হয় , সাথে তেজপাতা বাদে যা যা মস্লা আছে দিয়ে দিতে হয় । একটু নেড়ে সেমাই ধেলে দিয়ে বেশ কিছুক্ষণ ঘাঁটাঘাটি করা হল । এরপর পানি বা দুধ যা খুশি দেয়া যায় স্বাদ অনুযায়ী যা ইচ্ছে । চিনি পরিমান মত সাথে দেয়া হল এবং তেজপাতা । আমি নিজেও বুঝলাম না পরে কেন তেজপাতা দেয়া হল তবে ধারনা করছি প্রথমেও দেয়া যায় । এবার যতক্ষন না ঝরঝরে হচ্ছে ততক্ষন পর্যন্ত হাত ব্যাস্ত থাকল নাড়ানো তে । শেষে বাদাম আর কিস্মিস ছড়িয়ে বাটিতে নামানো হল ।

আমার কাছে এটা একটা গুরুত্বপূর্ন জিনিস কারন এত সাধারন রান্নাটা আগে জানতাম না তাই বলা যায় শেখাটা খুবই দরকার ছিল । ভবিষ্যতে কাজে দেবে একলা থাকার সময়ে । সম্ভবত ২০০৮ এর প্রথম এবং শেষ রান্না শেখা আম্মুর কাছ থেকে । এর আগে অন্যকোন রান্না আম্মুর কাছ থেকে শিখিনি , আর আজকে নতুন কিছু শিখব না । পরবর্তীতে অন্যকিছু শেখা যাবে <img src=" style="border:0;" />

ছবি দিতে পারলাম না ডাটা কেবল সাথে নেই বলে <img src=" style="border:0;" /> ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28890827 http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28890827 2008-12-31 09:09:06
ব্লগে দরকার ছিল এখন একবাল শঙ্কছীল আর সরপুছাগু এর মত নামাযী ঈমান্দারীর প্যাচালীয় প্রলাপ আর চৈয়দ বংশীয় কিচু বাক্যবাণ ,... নতুন করে বলার কিছু নাই নির্বাচন নিয়ে । জল্পনা আর কল্পনার অবসান হয়ে গেল ।
আনুষ্ঠানিক ঘোষণাটাই বাকী । খালেদা একটু চোটপাট দেখাতে পারে , কিন্তু তার পোলা নাই বৈলা সেরাম কিচু হইবনা । জোর এ কম হইবে আর কি । আগে নূড়ানী চেহারা দেখায়েও কিছু আকর্ষোণ টানাটানি করা যাইত । পাব্লিক হয়ত ল্যাদাবে যাগো চোখ কানে সমস্যা আছে । তারপরেও ব্যাবধান টা আসলেও বিশাল ।

কদিন আগেও জামাতীদের জামাতে লাফালাফি করা দেখতাম , একটারে কিছু কৈতে সিরিয়াল দিয়া পুস্টানি হৈত ব্লগে । যুদ্ধাপরাধী কৈলে তল তাইকা তাগো দুইটা জিনিস গায়েব হইয়া যাইত , তারপরেও বলদের মত জামাতে আইত । সেসব কৈ । রস তো নাই হোইয়া গেল ।

আম্লীগ বিএনপি কে কার চেয়ে কত খারাপ এটা নিয়ে কত তর্কাতর্কি ভর্তা হয়ে গেল । তয় সংসদে রাজাকার , প্রাক্তন রাজাকার দেখা যাইবনা আর এটা শান্তির লক্ষণ ।
ফক্রুদ্দীনের বিরানী খাওয়া দুই বছর ধইরা হৈল এইডায় একটু হইলেও পাব্লিকের চক্ষুতে ভেজাল গুলান যায়গামত অন্তত দেইখা দেওন গেসে । স্বাদ তো চিরম্লান ।

নয়া সরকার এ যে কেউ আইলেও সেম্নে আগের মত পাব্লিক্রে ভূষি খাওয়াইতে কেউই পারব না । আব্দুল মুহিত পরের অর্থমন্ত্রী হোইবে নাকি জানিনা , তয় এই দেশ রে চালাইতে পত্তম বছরে বহুত কষ্ট হইব । জনগন এর যা করনের তা করা শেষ একদিনের মাঝে , পরে নিজেগোরে ঠিক্মত চালাইলেই হইব ।

যাইহোক এসব আমার কওনের কিচু না , বহুত আমলদার বালেগ এখানে আচেন , হেগো মাঝে ঐগুলান ছাগুর মুখে হাগু করন যাইতাচেনা মনে হয় ।

চৈয়দ নাই , নূড়া নাই , শঙ্ক সর্পু কেউই নাই , আর কি কি যেন ছিল তাও নাই ।
রাত জাইগা নির্বাচনী ফল দেখলাম , ফলাফল ঘুম আইতাচে ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28890222 http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28890222 2008-12-30 05:23:53
কেন হারিয়ে যায় স্মৃতিগুলো , স্মৃতিগুলো কেন হারিয়ে যায় , তোমার জন্যে সত্য মিথ্যা গল্পগুলো কি সব বদলে গেল !! সারাদিন দৌড়ঝাপ ছিল গতকাল , এক জায়গা থেকে আর এক জায়গা , ব্যাংকের কাজ ডিএইচএল এ পাঠানোর কাজ , ক্যারিয়ারের দিকে এগুনো আর একধাপ , এবং কাছের সব বন্ধুদের সাথে গল্পগুজব ফুচকা পর্ব শেষে ক্লান্ত দেহে বাসায় ফেরত এসে বিছানায় এলিয়ে দেয়া । দিবাগত রাত্রে আম্মুর সাথে একটু গল্প শেষে চা বিরতি এবং অবশেষে মুভি টাইম ।

স্মৃতিচারন উপলক্ষ্যে একটি প্রিয় গান

হ্যারী পটার দেখেছিলাম প্রথম ক্যাডেট কলেজে কিন্তু প্রথম চাওয়ার বিপরীতে দেখানো হয়েছিল সেবার জিসম নামক হিন্দি মুভি । হা হা , অবশ্যই মজা পেয়েছিলাম ।

মনে পড়ে সেইসব হাউজ ফিলিংস নামক এক অনুভূতির কথা ।
যখন প্রথম কলেজে ছিলাম তখন তিন হাউজের ভেতরে ছিলাম থার্ড , যাবার পরের বছরে হলাম সেকেন্ড , খেয়াল আছে আমাদের লীডিং ব্যাচের ভাইয়ারা বলেছিল সরি ভাইয়ারা তোমাদের কে কিছু দিতে পারলাম না । কলেজ ডাইনিং হল প্রিফেক্ট আমাদের হাউজে থাকায় একটা স্পেশাল ট্রীট পেয়েছিলাম তখন । মন খারাপ হয়েছিল তবু । আজ দশ বছর পরেও মনে পরে সেসব ফীল এর কথা । স্যার বা ম্যাডাম দের সাথে দেখা হলেই জিজ্ঞাসা করি চ্যাম্পিয়ন কে হল এবার । শুধু ক্যাডেট না , হাউজের সাথে জড়িত সবাই , ফ্যাকাল্টি মেম্বারস , এমনকি বেয়ারা , ওয়েটার , গার্ড রা পর্যন্ত এক এক হাউজের সাপোর্টার ছিল । কলেজই ছিল পরিবার যেখানে আমাদের ফর্ম মিস্ট্রেস ছিলেন একজন মা এর চাইতেও বেশি কিছু । আমরা সবাই পেয়েছিলাম অনেক অনেক ভালবাসা তাদের কাছ থেকে ।

ওয়াল ম্যাগাজিনের জন্যে টানা ছয় বছর কাজ করেছিলাম , কোথাও যা কিছুই হোক না কেন ডাক পড়ত , আমাদের চাওয়া ছিল খুবই ক্ষুদ্র , একটু মুড়ি আর চানাচুর তাতেই হয়ে যেত রাতভর কাজের রসদ । ড্রয়িং ইকুইপমেন্টস নিয়ে ধ্যান করা শেষে জুনিয়র দের কাজ দেখিয়ে সব করা হত । শেষে প্রাইজ টা নিয়ে যখন হাউজে ফিরতাম অসাধারন এক তৃপ্তি কাজ করত ।

খেয়াল আছে সেসব এ্যাথলেটিক্স এর দিন , যখন থ্রোয়িং ইভেন্টস এ যেতাম , মাঝে দুইশ মিটার স্প্রিন্ট এর শ্যুট আউটে একেরপর এক চলত নিজেদের কে চিয়ার আপ করা । যখন রুমমেট কে ঝাড়ি দিতাম যে প্রাইজ না পেলে ঘর থেকে বের করে দেব বলে , অথবা পোল্ভোল্ট এ তাকিয়ে থাকতাম তার দিকে আর মনে মনে প্রার্থনা করতাম আর একটু উপর দিয়ে যেন সে যেতে পারে । এখনো মন খারাপ হয় লাস্ট ইভেন্টে জয়ী হয়েও এক রাজাকারের কারণে আমাদের হাউজের এ্যাথলেটিক্স ট্রফি মিস হয়ে যাওয়া । সবাই তো কেঁদেছিলাম একে অপরকে জড়িয়ে ধরে ।

মনে পড়ে সেসব স্মৃতি যখন ক্রস কান্ট্রিতে একসাথে দৌড়াতাম সবাই । ভোর বেলায় জেগে উঠে প্ল্যান রেডী করতাম , পাশে দাঁড়াতাম কারো কিছু হলে । আর ফাঁকীবাজ তো সবাই ছিলাম , তারপরেও কি যেন থাকত সবার ভেতরে । পরীক্ষায় একটু ভাল হলে যেন এ্যাকাডেমিক্স ট্রফি টা ঘরে আসে সেটার জন্যে একটা অদম্য চেষ্টা ।

মনে পরে সেসব প্রিয় মুখ , মনে পরে সেসব স্মৃতি , মনে পরে জীবনের শেষ ক্রস কান্ট্রি যেবার ফিনিশিং পয়েন্ট এ চরম স্প্রিন্ট দিয়েছিলাম কাছের বন্ধুর সাথে , হোক না ১১১ তম কিন্তু তবুও একটা দৌড় । হাউজ মাস্টার আমার দিকে মেজাজ খারাপ করেছিলেন কেন সেই দৌড় আগে দেইনি তাই বলে , হা হা । সেসব মুহূর্ত ।

মনে হয় আজকেও যখন পরীক্ষা বাদ দিয়ে নিজেরাই ইলেকশন নিয়ে ফর্মে ভোটাভুটি করতাম । ২৫ জনের মাঝে এক একজন এক এক দলের পদপ্রার্থী হয়েও যখন আওয়ামীলীগ এক টা ভোটের জন্যে নিরংকুশ জয় লাভ নিয়ে টেনশনে ছিল । সেই একজন ছিলাম আমি কোন দিকে ভোট দিব সেটা দেখার জন্যে সবাই হা করে তাকিয়ে ছিল আমার দিকে । অনবদ্য সব অনুভূতি ।

হারিয়ে যাই সেসব দিনে যখন জেপিশীপ নিয়ে সবার কথা শুনতাম আর যখন ফর্ম লীডার হয়ে সামনে থাকতাম । প্রেপ টাইমে যখন সবাই মাঝে মাঝে নিজেদের একাত্মতা ঘোষণা করতাম । হয়ে যেত মৌন মিছিল । এক প্রাণ আমরা সবাই ।

আজ অনেকেই ভোট দিবে , আমি ভোটার হতে পারিনি সেসময় ছিল না বলে , অনুভব করব সেসবই । স্মৃতিতে ফিরে আসবে কৈশোর আবার হারিয়ে যাব সেসবের মাঝে ।
সেসব প্যারেন্টস ডের কথা হয়ত জীবনেও ভুলবনা , আমার প্যারেন্টস কে যখন রিসিপশনে বলা হত " ছেলেকে সাবধানে থাকতে বলবেন " । ভুলবনা সেসব এক্সট্রা ড্রীল , এখনো মজা করব সেসব লাস্ট ওয়ার্নীং নিয়ে । সেসব দিন যখন কলেজ পালিয়ে সিগারেটের কার্টুন কিনে আনতাম অথবা বার্থ ডে এর মিস্টি । এসব ভোলা যায় না , কখনোই না । এস এস সি এর ৩ দিন আগেও রাতের সময় টানা ৭৮ টা সিগারেট কয়েকজন মিলে ৩ ঘন্টায় শেষ করার ঘটনাও ভোলার নয় ।

আমাদের সেই আমলের এ্যাডজুটেন্ট এর সাথে আজও যোগাযোগ হয় ।
যেই স্যার প্রথম লাইট আউটের জন্যে আমাকে চড় দিয়েছিলেন সেই স্যারই রাস্তায় দেখা হলে বলেন " আরে ... " অবাক ভালবাসা । ম্যাডামের বাসায় যাওয়ার পর অনেক যত্ন নিয়ে তার রান্না উপভোগ করার মজা । একটা কিছু হলেই সবার মাঝে ছড়িয়ে পরে সব । এখনো সবাই এক বাঁধনে বাঁধা ।

এখনো বাস্কেটবল খেলা সেই পার্টনারের সাথে কথা হয় , আমি জানি সে আর কোনদিন বাস্কেটবল খেলতে পারবেনা তবুও সেইসব মুহূর্ত মনের মাঝে এসে যায় । মনে পরে ভ্যালেন্টাইন্স ডে তে স্পেশাল ওয়াল ম্যাগাজিনে নিজেদের ভালবাসার নাম দিয়ে ছোট্ট ছোট্ট উইশ করার সব কথা । মনে পরে সেসব প্রচ্ছদ যা আঁকতাম । আহ , স্মৃতিময় কৈশোর । অনেক অনেক অনেক কিছু পেয়েছি এ জীবনে ।

ছোট্ট একটা ঘটনাবহুল জীবন্মাত্র <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28889623 http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28889623 2008-12-29 09:44:32
<img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_73.gif" width="23" height="22" alt="=p~" style="border:0;" /> সেরাম কাহিনী ছয় ফিট হাইটের দোস্ত একটা জীবঙ্কাহিনী কৈল । কয়দিন আগের কথা ।
পাঁচ ফিট ৯ ইঞ্চির এক মাইয়ারে তার নজরে লাগসে । তো হেতে সেই মাইয়ারে রাতে কল করসে । মাইয়ার মা ধরসে কল । মায়ের হাইটও সেরাম আর কি ।

দোস্ত ফুনে কয় , আন্টিইইই আআআ আমার অবস্থা খারাপ আআআ পিলিজ আপনার মাইয়ারে একটু ফুন্ডা দেন । আন্টি কয় কি হইসে তুমার !! দোস্ত কয় আন্টি আমি দূর্বল হইয়া পইড়া যাইতাচি , প্লিজ আপ্নের মেয়েরে একটু পাঠান , একটু ঝিমায় কয় ... আন্টি এককাজ করেন আপ্নে নিজেই আসেন আআআআআআআআআআআ <img src=" style="border:0;" />
আন্টি নিজেও সেরাম পিস ,
কয় , বাবা ইঞ্জামামের ব্যাট চিনো
দোস্ত কয় , আআআআআ হ চিনি
আন্টি কয় ইঞ্জামামের ব্যাট দিয়া তোমারে পুন্দামু হালারপুত <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />
এই ওয়ানপিস শট এই আমার দোস্ত হা হইয়া গেসিল , হা হা হা <img src=" style="border:0;" />
আন্টির প্রশংসা করতে হয় এই জব্বর একখান উত্তরের লাইগা ।

বর্তমান অবস্থাঃ দোস্ত ইঞ্জামামের লাহান নূড়ানী দাঁড়ি রাখসে <img src=" style="border:0;" />

এরপর অন্যদিকে আর এক অবস্থা । রক্সী পেইন্টের মালিকের বাড়ির সামনে বাঁশের স্তুপ এ ছয়জন বইসা আছি । ঠান্ডায় কাব্জাব অবস্থা । আমি চা খাওনের লাইগা উঠসি । আর এক দুস্ত বইল । হেতের সাইজ আবার কুংফু পান্ডার পান্ডাটার লাহান । তো হেয় বসতে গিয়া বাঁশ একসাইডে ডাইবা গেল । পাশের দোস্তের বৌ সামনে খাঁড়ায় আসে আড্ডা দিতাসে হেয় নিজেও ।
পাশের দোস্ত কয় , ঐ সাবধানে বইস , আমার বিচি কিন্তু ঝুইলা আসে , বাঁশের চিপকোনে পড়লে ঝামেলা আসে <img src=" style="border:0;" />
হালায় পাংখা একখান ডায়ালগ মারল , আমরা চিকনে হের বৌ এর দিকে তাকাইলাম , মুখের অবস্থা দেইখা মজাইলাম অনেক <img src=" style="border:0;" />

পরিশিষ্টঃ ব্যাফক আড্ডা হইসে কালকে <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28888831 http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28888831 2008-12-27 20:36:11
বরাবরের মত কানঝালাপালা করা বক্তৃতা এবং তাদের উদ্দেশ্যে মূত্রত্যাগ পাব্লিক কে খাওয়ানো কথামালা শুনতে শুনতে বিরক্তির চূড়ান্তে ।
অতএব ১৪ তলা থেকে সেই দিকে টার্গেট করে জানালা দিয়ে মূত্রত্যাগ করলাম ।
জানি কারো গায়ে পৌঁছাবেনা , আর সেটাই আফসোস ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28888506 http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28888506 2008-12-27 01:12:43
কাঁচ ভাঙ্গার আওয়াজ যে কারনে ঘুম আসছিল না তা ভেবে অনেক্ষন চুপ থাকলাম ।
খাওয়া দাওয়া করতে গিয়ে শেষে ভেতরে জমাট বাঁধা রাগ নিয়ে প্লেট টা সবেগে মাটিতে ফেললাম ।
টাইলসে চুর চুর হয়ে গেল কাঁচ ।
শুনলাম , কাঁচ ভাঙ্গার আওয়াজ , মুহূর্তে সব শান্ত মনে হল ।
ওম শান্তি ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28887816 http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28887816 2008-12-25 17:14:49
আমি দূর হতে তোমাকে দেখেছি আর মনে মনে কত কি যে করেছি !!!

.........................................................................................................
সবাই ভোটাভুটি করতাচে , এদিকে বিরস বদনে দেক্তাচি সব । লেকার কিচু নাই তব্দা খাইয়া স্মৃতিচারনের পালা ।
মনে মনে ভাবি ..............................................................................

একা একা কেন ভাল লাগেনা এই তো সেইদিনের কথা অথচ আজ !!

<img src=" style="border:0;" />

কান ফাইট্যা যাইতাচে এক লগে নৌকা আর ধানের শীষ এর কোপাকুপি দেইখা । মুখের মইদ্যে তেল মাইরা সিলসিলা কইরা এক এক ডায়ালগ বাইরাইতাচে আহারে !!!

মনে মনে দয়াল বাবার কতা মনে পৈড়া গেল<img src=" style="border:0;" />


হে হে , যাইগা বাইরে , গোপালের দোকানে চা খাই এট্টু হেরপর অন্যকোথাও যাওয়া হৈবেক ।

<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28887274 http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28887274 2008-12-24 15:18:36
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ প্রেমিকা মেরেছিল সুগন্ধি ...








সারমর্মঃ
প্রেমে পড়িলে প্রেমিকার সেই বিশেষ বায়ুকেও মনে হয় স্বর্গীয় বাতাস !!
( আবেগীয় পিরীত ভার্সন )


<img src=" style="border:0;" /> ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28886199 http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28886199 2008-12-22 14:52:18
এদিক সেদিক ঘুরিয়া ফিরিয়া দেখিনু সেরূপ হাসি , আহা বড্ড ভালবাসি শেষেরটা তুলে নিয়ে মুখে দিলাম , এবার অবাক করা একটি চমৎকার মুহূর্ত <img src=" style="border:0;" />
স্পেশাল সস এর বাটিতে আঙ্গুল দিয়ে পুরো বাচ্চা একটা মেয়ের মত করে সে একটু সস নিয়ে মুখে দিয়ে লাজুক ভাবে খেয়ে ফেলল :`> চোখে মুখে এক্কেবারে বাচ্চাদের মত নিষ্পাপ অভিব্যাক্তি আর মজার এক অপূর্ব মিশ্রণ । হে হে , এই হাসিটাকে নাম দেয়া যায় সস খাওয়া হাসি <img src=" style="border:0;" /> ।

যাকে নিয়ে এসব ঘটনা তিনি হলেন আমাদের পুতলা ।
মহাখালী গুলশানের মাঝা মাঝি এলাকায় বসে এক ছোট্ট ফাস্টফুড শপে গপ্প করছিলাম দুজনে , তো কথার ফাঁকে ফাঁকে এসব হয়ে যাওয়ায় আবিষ্কার হয়ে গেল এই হাসিটার নাম এবং নামকরন এর কৃতিত্ব পুতলার একান্তই নিজের । আমি মাঝে দিয়ে প্রত্যক্ষদর্শী হবার বিরল সৌভাগ্য লাভ করলাম ।

এরপর , আমাদের রামু ভাই এলেন , বেশ কিছুক্ষণ আলাপ করে সেখান থেকে বের হয়ে এলাম সবাই । রামু ভাই অফিসের দিকে যাবেন তাও এগিয়ে দিলেন আমাদের কে । আর এবারে আমাদের গন্তব্য আড়ং এর দিকে । সেখানে পৌঁছে এদিক সেদিক ঘুরলাম মাঝে পুতলার পছন্দের একটি পিস দেখা গেল । ছোটখাট একটি সুন্দর স্কাল্পচার যেখানে একজন মা তার শিশুকে ধরে আছেন এবং মাঝে মোম্বাতি রাখার সুন্দর স্থান রয়েছে । আম্মুর জন্মদিন বিধায় সে এটা সিলেক্ট করল , আমারও পছন্দ হয়ে গেল আইডিয়া টা । সব নিয়ে ফেরত এলাম যার যার বাসায় ।
দরজা খুলতেই আম্মুর হাতে তুলে দিলাম এই গিফট , আম্মু লাজুক মুখে নিয়ে বলল এটা কি !!! আমি বললাম নিজে খুলে দেখ <img src=" style="border:0;" /> তো সে বের করার পর মোম জ্বালিয়ে দিলাম নিজে , বললাম এটা আজকে তোমার জন্মদিনে <img src=" style="border:0;" />
এবার আম্মুর মুখে যে হাসিটা দেখলাম সেটা হুবহু সেই সস খাওয়া হাসি <img src=" style="border:0;" /> হে হে ।

যাইহোক আমার দায়িত্বে স্পেশাল শাহী খিচুঁড়ী আর ডিমের দোপেঁয়াজী রান্না হৈবেক বলে আম্মু আনন্দের মধ্যে আছেন । আগামীকাল বিকালে কোন ইতালীয়ান খাবার রান্না করব ভাবছি । মাঝ রাত্রের উইশ এর পর থেকে আজকের দিনটি অতীব আনন্দে গেল , গতকাল থেকে যে আড্ডা দেয়া শুরু হয়েছে সেটার স্বার্থকতা দেখতে পাচ্ছি সবখানে ।

পুতলাকে আন্তরিক ধন্যবাদ একজন কাছের বন্ধু হিসেবে এই সময় সাথে থাকার জন্যে আর বিশেষ করে এই হাসির জন্যে <img src=" style="border:0;" />

যাইহোক মেঘ না চাইতেই বৃষ্টির মত আম্মু চা এনে দিলেন এখন , অতএব হাল্কা বিরতি আর সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ সাথে থেকে উইশ এর জন্যে , আম্মুকে জানিয়ে দিয়েছি সব এবং তার পক্ষ থেকে শুভকামনা রইল সবার প্রতি ।

<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28885878 http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28885878 2008-12-21 21:15:33
আম্মুর জন্মদিনে কি কি করা যায় সেটাই ভাবতাছি <img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_40.gif" width="23" height="22" alt=":``" style="border:0;" />
আমি নিজে অবশ্য ভুলে গিয়েছিলাম এই দিন টা যার জন্যে ক্ষমা করা যায় না আমাকে , তবে ডিনারের সময় অত্যন্ত লাজুক মুখে আম্মু যখন বলল যে তার জন্মদিন , আমি নিজের ভাগ্যকে আসলেও ভাল মনে করলাম । যাক সময়মত তাঁর পাশে আসা গেল তাহলে !!!
হা হা , আম্মুকে জিজ্ঞেস করলাম " বয়স কত হল আম্মু !! <img src=" style="border:0;" /> " <img src=" style="border:0;" /> আম্মু লজ্জায় বলল বয়স কি আর বলা যায় <img src=" style="border:0;" />
বহুত মজা পেলাম , আজকের শ্রেষ্ঠ বিনোদন এটা ।
ভাগ্য ভাল আম্মু আমার ব্লগ এর হদিস জীবনেও জানবেনা <img src=" style="border:0;" />

আম্মুর হিসাব শুনে আমার মাথাও বিলা হয়ে গেল , বললাম তার মানে তুমি যখন __ তখন আমার জন্ম !!! হ্যাঁ সূচক উত্তর পেয়ে অবাক হলাম , তারমানে আমার আগের হিসেব ভুল ছিল:-*

যাক , এই হল আমার আম্মুর জন্মদিন যিনি কিছুই করতে রাজী নন এই দিন উপলক্ষ্যে তো এজন্যে মনে হচ্ছে আমাকেই একটা কিছু করতে হবে ।

সম্ভাব্য কাজগুলোর মধ্যে আমি যা করতে পারি তা হলঃ
১ , দুটো বিশেষ আইটেম নিজে রান্না করে খাওয়াতে পারি ।
২ , তার প্রিয় লেখকের কোন বই দিয়ে চমকে দিতে পারি ।
৩ , হাল্কা ফটোসেশন করে ফাইজলামী করতে পারি ।
৪ , আর মনভরে তার জন্যে দোয়া করতে পারি যেন তার ইচ্ছেগুলো পূরণ হয় ।

আমি জানি তিনি কিছুইচাননা , সেই কবে তার জন্যে একটা চাদর কিনেছিলাম সেটা আজও পরে থাকেন , সেদিন দেখেছিলাম তার খুশি খুশি চেহারা , এক্কেবারে পিচ্চিদের মত । এবার দেখা যাক কি কি করতে পারি । কেক কুক খাইতে তার ভাললাগেনা তাও জোর করে চেষ্টা করা হৈবেক ।

এই আম্মু হচ্ছে সেই আম্মু যিনি আমার জন্ম তো বটেই পরবর্তীতে আরো অনেক কিছু এখনো করে যাচ্ছেন । একমাত্র তিনিই খোঁজ নেন কোথাও যাবার সময় , প্রতিদিন অন্তত দু একবার ঠিকমত খাওয়া দাওয়া করেছি কিনা সেসব হিসেব আর কি ।
কোন কারনে না খেলে যদি দূরে থাকি আমি জানি তিনিও না খেয়ে থাকেন । কেন যেন আমার জন্যে অসম্ভব রকমের স্নেহ মমতায় তিনি ভরিয়ে রাখেন সবকিছু । নাহ তিনি আবেগে অন্ধ নন , বাস্তবতায় পরিপূর্ণ । সবকিছুই তাকে খুলে বলি নির্দ্বিধায় , হয়ত এজন্যেই আমাকে কিছুই বলেননা ।
তার কোন কিছু হলে এম্নিতেও কিভাবে যেন বুঝতে পারি , অত্যন্ত সহজ সরল একজন যাকে সত্যির মত করে মিথ্যে বললেও হয়ত বিশ্বাস করে ফেলবেন এরকম ।
এজন্যেই ভয় হয় আমার শুধু । কোন কিছু যাতে আম্মুর কষ্টের কারণ না হয় সেজন্যেই কিছু করতে হবে । যার ছোট্ট চাওয়া আমার প্রতি , " দূরে কোথাও যদি চলে যাস মাঝে মাঝে খোঁজ নিবি ফোন করে " এটাতেই নাকি তিনি খুশি !!

হায়রে অবাক বিশ্ব , অবাক মায়ের এই ভালবাসা , অবাক করা তার এই চাওয়া ।

মা আমি জানি আমি তোমার পায়ের নখেরও যোগ্য নই , অনেক কষ্ট দেই তারপরেও একটু মন খারাপ হলেই তোমার কাছেই আসতে হয় শেষ পর্যন্ত , আর তো কিছু পারিনা আমি ।

এই জন্মদিনে তোমার জন্যে অনেক অনেক শুভেচ্ছা আর আমার ক্ষুদ্র সামর্থ্যের ভালোবাসা ।

আবেগ কে যথাসাধ্য কম আনার চেষ্টা করেছি লেখায় ( তাও হয়ত পুরো সফল হইনি ) , অনেক কিছু লিখতে মন চাইলেও লিখলাম না । আবেগ নিয়ে ছিনিমিনি খেলা টা ঠিকনা । তবে আম্মুর জন্যে যা তা অকৃত্রিম এবং সবটুকু নিজের ভেতরেই রইল ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28885491 http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28885491 2008-12-21 00:07:21
আসবনা আসবনা কৈরাও ঢাকায় আবার আইলাম !!!! বেশ কয়েকটা কাজ বাকী , ঝটপট করতে হবে ।
রাত ১১-৫০ এর বাসের টিকেট কিনে ভেবেছিলাম হাতে বহুত সময় । ১১-৩৬ এ গোসল করতে গেলাম , তারপর খানাদানা করলাম , ঘরে এদিকে ব্যাগের ভেতর কিছু গুছানো হয়নি , মাথা খারাপ হবার যোগাড় !! ঘড়িতে দেখায় ১১-৫৩ , বাস চলে গেল নাকি আমাকে ফেলে ভেবেই দৌড় !!!!!!!!! কোনমতে ব্যাগে সব গুছিয়ে বের হবার সময় খেয়াল পড়ল টিকেট টা টেবিলে ফেলে এসেছি <img src=" style="border:0;" /> আবার গিয়ে আনতে গেলাম , লাইট জ্বালিয়ে টিকেট নিয়ে ফেরার পর ফ্যান অন করে ফেললাম ভুলে !!! হাহা , কোনমতে সেটা অফ করে তালা লাগিয়ে বাইরে দৌড় ।

এবার রিকশা দেখা যায় , মালিক রে খুঁজে পাইনা , ধরফর করতাছে ভেতরে । পরে ভাবলাম যা আছে কপালে । বিড়ি ধরাইয়া রিকশাওয়ালারে ডাক দিয়ে উঠে বসলাম । বাস এর কাউন্টার একটু দূরে , ২৫ মিটার এগিয়ে গিয়েই দেখলাম যে বাসে যাওয়া হবে সেই বাস রিকশারে কাটায় গেল । রিকশাওয়ালা রে কৈলাম মামু এইটায় যামু , যেমতে পার ধর এইটা । হাহা , অবশেষে রিকশা মোটামুটি রকম টেনে আর একটু হলে বাসের পশ্চাৎদেশে ধাক্কা খায় আর কি । নেমেই ব্যাগ দিয়ে ভেতরে গেলাম । আহহহহহ ।
পাক্কা ১২-০১ এ আমি বাসের ভেতর ।

দুইঘন্টা পরই যাত্রা বিরতি পেয়ে কয়েকজনকে কল দিলাম , এক সিনিয়র মাইয়া জিগাইল শীতের কাপড় আনছ তো !! মনে মনে বিলা খাইলাম , উত্তরের হিমালয়ের আশপাশ থাইকা আইতাছি আর হেয় ঢাকার মাঝখানে বইসা কি আলাপ শুরু করল !!!
তার কথার কারণ বুঝলাম ভোর ৫ টায় ঢাকায় নেমে !! কলেজ গেট এর কোন্দিকে আমারে নামাইল বুঝতারলাম না , কাঁচা ঘুম ভেঙ্গে মাথা আউলা , আকাশে চান্দ দেখা যায় কিন্তু আশেপাশে ঘোলা !!! ব্যাপার না আমি নিজেও ছয়দিন পর সূর্য্যের আলো দেখছিলাম উত্তরে থাকার সময় , তয় আবার কুয়াশার মাঝে যদি হারায় যাইতে হয় মেজাজ বিলা হবে , ঠান্ডা এখানে বেশ কম সেই হিসেবে । খাজনার চেয়ে বাজনা বেশি ।

যাইহোক , আমি এখানে দেখতাছি একটু হলেও নেট স্লো !! ঢাকায় এত বাজে পার্ফরমেন্স দিবে ...এটাই কাম্যছিল অবশ্য । যাইহোক , আসার সময় হর্ণের আওয়াজ শুনতে হয়নাই তাই শান্তি লাগতেছে , তয় এখন ভুটভাট শব্দ শুরু হবে হয়ত ।

যাইহোক , দিনের শুরুটা ভাল । রিকশাওয়ালার প্রথম কাস্টমার , লিফটের প্রথম ব্যাক্তি এরপর কি হয় পরে দেখা যাবে । বাইরে কাউয়া ডাকাডাকি শুরু করসে , একটু শুয়ে থাকি না হয় । হালকা ঘুম দেয়া উচিৎ ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28885108 http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28885108 2008-12-20 06:14:41
আমার রান্নাবান্নাঃ ডিমের দোপেঁয়াজী তথা ডিমের ঝোল তরকারী নিজের মত করে এই আইটেম এর সঠিক নাম জানিনা তাই একটা কিছু বলে দিলাম ।





উপকরনঃ
ডিম , কাঁচা মরিচ , পেয়াজ , হলুদ , ধনেপাতা বা গুড়ো , জিরা , আদা , লবন , তেল , লবঙ্গ , দারচিনি আর পরিমান মত পানি , মিক্সড মশলা একটু থাকলে আরো ভালো হয় আর কি ।

তো যেমনে রান্না করবেনঃ

প্রথমে ডিম সিদ্ধ করে নেয়া হবে , খোসা ছাড়িয়ে সুন্দর করে ধুয়ে নিয়ে একটু ফুটো ফুটো করে নেয়ার পালা এবার । ফ্রাই প্যান এ তেল দিয়ে ডিম টা আগে হলুদ , শুকনা মরিচ এবং লবন দিয়ে মেখে গরম তেলে ছেড়ে দিতে হবে । ভাজা ভাজা হলে সুন্দর দেখাবে লালচে রঙ টা ।

এবার পেঁয়াজ একটু বেশি পরিমানে পাতলা পাতলা করে স্লাইস করে কেটে তেল এ ছাড়তে হবে , সাথে কাচা মরিচ । তাপ টা একটু কমিয়ে দিয়ে আস্তে আস্তে সবসময় নাড়িয়ে সেরাম কৈরা সাইজ করতে হবে । এরপর সাথে বাকি মসলার মিক্সচার দিয়ে একটু তাপ বাড়িয়ে দ্রুত নাড়লেই হবে । পরিমানের কথা কৈলাম না , নিজের আইডিয়ার উপরে জিনিস নাই তয় পেঁয়াজ বেশি দিলে মজা বেশি হয় কৈয়া রাখলাম ।
এরপর হালকা পানি দিয়ে দেয়া হবে । প্রবল জ্বাল দেয়ার পালা এবার । একসময় দেখা যাবে তেল এর একটা স্তর উপরে জমা হতে হতে পানি যখন ফুটতে থাকবে সেটা আবার মিশে যেতে থাকবে , তখন ভেজে নেয়া সিদ্ধ ডিম টা আস্তে করে ছেড়ে দিতে হবে ।
কেউ ঝোল পছন্দ করে থাকলে আর একদফা পানি এরপর দেয়া যাবে । তবে একটু বেশি সময় ধরে রেখে সেই ঝোল কমিয়ে স্বাদ বাড়ানো যায় আরো একটু বেশি ।
শেষ মুহূর্তের একটু আগে আলাদা করে আর একটা বা দুটো ডিম ( হিসেব মত ) ফাটিয়ে হালকা লবন দিয়ে ফেটে নিয়ে ঝোলের চারপাশে ছড়িয়ে দেয়া হবে । এটা এরপর নাড়ানো হবে পুরোটা সাইজ না হয়ে যাওয়া পর্যন্ত ।
এম্নে এম্নেই হয়ে যায় সাধের ডিমের এই আইটেম ।
এরপর নিজের মত করে পরিবেশন করে খেয়ে দেয়ে রেস্ট নেয়ার পালা ।

<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

ছবিটা আমার নিজের রান্নার :`> ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28884541 http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28884541 2008-12-18 22:36:20
তোতা মিয়ার ব্যার্থতায় ভরা জীবন যৌবন ও একটি অমীমাংসিত উপাখ্যান
তোতা মিয়া উত্তরাঞ্চলের কোন একটি উপশহরের বাসিন্দা । প্রায় পাঁচ ফুট তিন বা চার ইঞ্চি উচ্চতার শ্যামল কালো গড়নের সে । তার আসল নামই এটা । ১৯৮৫ সালে ইন্টার পরীক্ষার পর আর বেশিদূর এগোতে পারেনি সে । এরপর ছোটখাট ব্যাবসায় নিজেকে নিয়োজিত করে সময়ে একটা কিছু হবার স্বপ্ন দেখে সে । নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের হয়েও একসময় আধাপাকা একটি বাড়ী বানায় । ২০০৬ সালে সে বিয়ে করে একজন স্থানীয় রমনীকে । সুখের স্বপ্ন কে আরো মোহনীয় করার চেষ্টায় সে সংগ্রাম শুরু করে । কিন্তু নাহ সেই সুখের সংসারে হানা দেয় অন্যকিছু যা একে একে নিঃশেষ করে দিতে থাকে ।

ঘটনার সূত্রপাতঃ

গত ২রা নভেম্বর বকুল নামক একজনের বাসায় গিয়েছিলাম খুব সকালে তাকে ডাকতে । যাবার সময় দেখি তার পাশের আধানির্মীত একটি দরজায় একজন প্রায় মাঝ বয়সী রমনী কান্না কাটি করছে । বকুলের বাসায় গিয়ে তাকে ডেকে নিয়ে তাকে সহ বের হয়েছিলাম । জানার আগ্রহ থেকেই বললাম কি হয়েছে সেই মহিলার । এরই মাঝে যা বের হয়ে আসল তা হয়ত এরকম আরো অনেক তোতামিয়া অথবা তার বৌদের কাহিনী ।

যা হয়েছিল বা হচ্ছেঃ

মহিলা কান্নাকাটি করছিল তার জামাই তথা তোতামিয়ার অত্যাচারের কারণেই , আবার বকুলের মতে সেই মহিলাও অনেক ভয়াবহ । বকুলকেও নাকি ইঙ্গিতপূর্ণ সায় দিয়েছিল কোন একসময় । প্রথমে বলতে না চাইলেও পরে বের হয়ে আসে একটি চেনা গল্প যা জীবনের একটি নির্মমতা হয়ত ।

বিয়ের আগেও এলাকার কালীমন্দিরের এক ছেলের সাথে সেই রমনীর ঘনিষ্ঠতা ছিল । বিয়েরপরেও সামলাতে পারেনি নিজেকে । লুকিয়ে যোগাযোগ রেখেছিল সেই ছেলের সাথে । তোতামিয়া ব্যাবসার জন্যে প্রায়ই বাসায় থাকেনা আর মোবাইলের যুগে সেই সুযোগের পূর্ণ ব্যাবহার করেন এই রমনী । দুপুরে বা বিকেলে সময় সুযোগ বুঝে চলতে থাকে তাদের মনোবিহার ।
হঠাৎ স্ত্রীর আচরনেই বুঝতে পারে একটা কিছু তোতামিয়া । ক্ষেপে গিয়ে হয়ে যায় পাশবিক । চুলের মুঠি ধরে পেটাতে থাকে যখন বাক্যবাণেও কাজ হয়নি । প্রায় রাত্রেই চলত এসব ।
অবশেষে স্বীকার করতে বাধ্য হয় সেই অবাধ্য বৌ । ক্ষমা চায় তোতা মিয়ার কাছে , কিন্তু তোতা মিয়া ক্ষমা করতে পারেনা । পৈশাচিক আনন্দে পেটাতে থাকে তার বৌকে । কারণ ক্ষমা চাওয়ার পরেও যোগাযোগ করেছিল সেই ছেলের সাথে ।

বকুলের সাথে তোতামিয়ার ভাই ভাই এর মত সম্পর্ক । অনেক কিছুই শেয়ার করে তারা , এরকম একবার বিধ্বস্ত অবস্থায় সে বাইরে বিড়ি খেতে খেতে বলেছিল ...
" বকুল তোমার ভাবীকে ল্যাংটা করে পিটায় পাছা ফাটাইসি " বকুল দেখেছিল তোতামিয়ার চোখের ক্ষোভ , তো সে বলেছিল " ক্ষমা করা যায় না !! " উত্তরে তোতামিয়া বলেছিল " এই ম* যদি পা ধরেও মাফ চায় করুম না " তো তোতামিয়া এরপরেও এরকম চালিয়ে যেতে থাকে । বকুল বলে " ভাবীর সাথে কোন দৈহিক কিছু হয় না ! " তোতামিয়া বলে এটাকে ভোগ করাও পাপ , এরপর আর কিছু বলেনি বকুল ।
এটুকুই শুনেছিলাম বকুলের কাছ থেকে ।

আমার দৃষ্টিভঙ্গীঃ

তোতামিয়া যা করেছে বা করছে সেটা তার ক্ষোভ থেকে কারণ ঘরের খেয়ে পরের জন্যে নিজেকে বিসর্জন দেয়া বৌকে কিভাবেই বা সে মেনে নেবে , এটা তো অনেকটা রাজাকার মনোবৃত্তি !!! আবার সেই বৌ ক্ষমা চাবার পরেও কেন অন্যের দিকে ইঙ্গিত দিবে !!! এটা কি ব্যাক্তি স্বাধীনতার প্রয়োগ নাকি বিবাহ নামক একটি বাঁধনের প্রতি ঘৃণা !! নাকি সেই বাঁধন থেকে ছুটতে পারছেনা বলেই আস্ফালন !!!
উলঙ্গ করে পাশবিকতা তোতা মিয়া কোথা হতে শিখল !! সে তো s&m সম্পর্কেও কিছু জানেনা , নাকি জানে !!

তোতা মিয়া কোনদিন কম্পিউটার হাত দিয়ে ধরে দেখেনি এটা নিশ্চিত । কোথাও ব্রাউজ করাও তো দূরের কথা । যৌনতা কি সে প্রাকৃতিকভাবে শিখেছে নাকি অন্যকোনভাবে !! জৈবিক চাহিদা পূরনের জন্যে সে যে ৪০ বছর বয়সে বিয়ে করেছে এর আগে সে কি নিষ্পাপ ভার্জিন ছিল যে বৌ এর এরকম হজম করতে পারেনি । আর এখন যদি সে বৌকে প্রয়োজনেও কাছে না নেয় তবে কি মাংসের স্বাদ পাওয়া জীবন টা হঠাৎ নিরামীষ ভোজী হয়ে গিয়েছে !!!!

পঞ্চান্ন হাজার বর্গমাইলের এই দেশে প্রতি বর্গমাইলে এরকম একটি করে তোতামিয়া বা তার বৌ আছে হয়ত যারা শারীরিক বা মানসিক ভাবে একে অপরকে ঘায়েল করে যাচ্ছে নির্মম্ভাবে । এদের প্রতিটা হিট যদি এ্যালেক্সা র‌্যাংকিং এ কাউন্ট করা যেত , নিশ্চিতভাবে বলে দেয়া যায় র‌্যাংকিং ফেটে চ্যাপ্টা হয়ে তামা তামা হয়ে যেত ।

তো এদের কে কিভাবে চেতনা বা বোধ দিয়ে ঠান্ডা করা যায় !!! এদের তো কোন ফোরাম ও নেই বা ভার্চুয়াল কোন আড্ডা খানাও নেই , তবে এরা কি সংখ্যালঘু !! নাকি সংখ্যাগুরু !! নাকি এরকম মনোঃক্ষুন্ন হয়েই তোতামিয়া বা তার বৌ এরা কেঁদে যাবে , হয়তবা ভেতরে না হয় বাহিরে !!
ব্যাপার টা যেনো এরকম দাঁড়ায়

" হে গঙ্গা তরিণী
পাপ তো আমি করিনি
পাপ করেছে মোর অঙ্গে
তাই ধুতে এসেছি গাঙ্গে "

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ উর্বর কিবোর্ডের কোন কল্পনাপ্রসূত কিছু নেই এখানে । তোতামিয়া এবং বকুল এর সেসব কথা এবং আমার নিজস্ব কিছু দৃষ্টিভঙ্গী এখানে লিখলাম শুধু ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28884349 http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28884349 2008-12-18 15:28:44
১৬ই ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার ১৯৭১ , একাত্তরের দিনগুলি , জাহানারা ইমামের ডায়েরী থেকে

আজ সকাল ন'টা পর্যন্ত আকাশযুদ্ধ বিরতির কথা ছিল , সেটা বিকেল তিনটে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে । দুপুর থেকে সারা শহরে ভীষণ চাঞ্চল্য ও উত্তেজনা । পাক আর্মি নাকি সারেন্ডার করবে বিকেলে । সকাল থেকে কলিম , হুদা , লুলু যারাই এল সবার মুখেই এক কথা । দলে দলে লোক জয় বাংলা ধ্বনি তুলে রাস্তায় বেরিয়ে পরেছে কারফিউ উপেক্ষা করে । পাকসেনারা , বিহারিরা সবাই নাকি পালাচ্ছে । পালাতে পালাতে পথে ঘাটে এলোপাথাড়ি গুলি করে বহু বাঙ্গালিকে খুন-জখম করে যাচ্ছে । মঞ্জুর এলেন তাঁর দুই মেয়েকে নিয়ে , গাড়ির ভেতরে বাংলাদেশের পতাকা বিছিয়ে । তিনিও ঐ এক কথাই বললেন । বাদশা এসে বলল , এলিফ্যান্ট রোডের আজিজ মোটরসের মালিকখান জীপে করে পালাবার সময় বেপরোয়া গুলি চালিয়ে রাস্তায় বহু লোক জখম করেছে ।

মঞ্জুর যাবার সময় পতাকাটা আমাকে দিয়ে গেলেন । বললেন , " আজ যদি সারেন্ডার হয় , কাল সকালে এসে পতাকাটা তুলব । "

আজ শরীফের কুলখানি । আমার বাসায় যাঁরা আছেন , তাঁরাই সকাল থেকে দোয়া দরুদ কুল পড়ছেন । পাড়ার সবাইকে বলা হয়েছে বাদ মাগরেব মিলাদে আসতে ।
এ.কে.খান, সানু , মঞ্জু , খুকু সবাই বিকেল থেকেই কুল পড়ছে ।

জেনারেল নিয়াজী নব্বই হাজার সৈন্য নিয়ে আত্মসমর্পণ করেছে আজ বিকেল তিনটের সময় ।

যুদ্ধ তাহলে শেষ ? তাহলে আর কাদের জন্য সব রসদ জমিয়ে রাখব ? আমি গেস্ট্রুমের তালা খুলে চাল , চিনি , ঘি , গরম মশলা বের করলাম কুলখানির জর্দা রাঁধবার জন্যে । মা , লালু , অন্যান্য বাড়ির গৃহিণীরা সবাই মিলে জর্দা রাঁধতে বসলেন ।

রাতের রান্নার জন্যেও চাল , ডাল , আলু , পেঁইয়াজ ইত্যাদি এখান থেকেই দিলাম । আগামীকাল সকালের নাশতার জন্যও ময়দা , ঘি , সুজি , চিনি , গরম মশলা এখান থেকে বের করে রাখলাম ।

....................................................................................................

ছবিটি রায়েরবাজারের বধ্যভূমির , ব্লগার বৃত্তবন্দী এর ক্যামেরায় তোলা]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28882945 http://www.somewhereinblog.net/blog/jotilblog/28882945 2008-12-15 23:28:07
ফিরে দেখা ১৬ই ডিসেম্বর , একটি নিকের জন্মদিন , তার মানে এই না যে সেজন্যে সেটাকে একটা দিবস হিসেবে ঘোষণা... রেজিস্ট্রেশন শেষ করে প্রথম এই পোস্ট ছিল আমার
প্রথমে বহুত পোংটামী মার্কা পোস্ট দিতাম , সেগুলোর গায়েবানা মোবারক হয়ে গিয়েছে ব্যান খাওয়ার পর , রাগে দুঃখে ক্ষোভে শোকে , আহহহহহহহহ

তবে প্রথম পোস্ট দেয়ার পর ঘুম দিয়েছিলাম একটা , শান্তির ঘুম ।

খেয়াল আছে তখন ব্লগার চাঙ্কু আমার হাউস্মেট এবং ব্লগ এর নিয়মিত পাঠক হিসেবে থাকত কিন্তু টাইপ করতে পারতনা বলে শুধুই নীরব দর্শক ছিল আর একা একা হেসে যেত লেখা পড়ে । আমি তার রুমে গিয়ে তখন দেখতাম এসব কীর্তিকলাপ ।
সে একজন সফল ব্লগার আজকে , তার জন্যে অনেক অনেক শুভকামনা । প্রিয় চাঙ্কু ভাই আপনি কৈ হারায় গেলেন !!! আওয়াজ দিয়েন সময় করে ।

তবে প্রথম ব্লগে আনেন আমাকে শ্রদ্ধেয় হাসান ভাই । এক্স ক্যাডেট এবং অতিব ভদ্র একজন মানুষ । সেসময় অন্য নিক এ প্রথম রেজিস্ট্রেশন করি এবং যথারীতি ভুলে যাই । মাঝে মাঝে এসে ঘুরপাক খেতাম ব্লগে এরপর আবার জেজে তে হারায় যেতাম । টার্গেট নিয়েছিলাম জেজে তে এলিট হতে হবে । কয়েকদিনের মধ্যেই সেটা পূরণ হয়ে যাওয়ার পর আবার এলোপাথাড়ী ঘুরতাম এই সাইট ঐ সাইট । আর ভয়েস চ্যাট এই সময় কেটে যেত ।

মজার বিষয় হল , অনলাইনেই পরিচিত একজন অতি আপন শ্রদ্ধেয় বড়ভাই আমাকে প্রথম অভ্রতে টাইপ করার কথা বলাতেই আমি আজকে এই ব্লগে লিখছি । না হলে বিজয় কিবোর্ড এর ভয় আমাকে তাড়িয়ে বেড়াতো আজও হয়ত ।
ইহ জীবনে আমি তার কাছে কৃতজ্ঞ থাকব সবসময় এবং একটু আগেও আমি বাংলা লেখার ছোটখাট ঝামেলা নিয়ে আলোচনা করলাম ।

ভাইজান এখন আমাদের সাথে এই সামুতে । আমি জানি তিনি অতিব শীঘ্রই একজন জনপ্রিয় ব্লগার হয়ে যাবেন তার শত ব্যাস্ততার মাঝেও । এজন্যে জনসমক্ষে তার কিছুই আগে ভাগে বলব না । সবসময় তিনি একজন স্পেশাল মানুষ আমার কাছে ।

দেশে আসার আগে ইচ্ছে হল ব্লগ মিট এ যাবার । সেই সূত্র ধরে যোগাযোগ হল দু একজন ব্লগারের সাথে । হালকা পাতলা থেকে শুরু করে সেই বিষয় টা গুরুতর হয়ে গেল ।

বিশেষ করে ব্লগার বৃত্তবন্দী ভাই যখন আমাকে প্রথম ফোন টা করলেন , তখন আমি একজন বন্ধু বাসায় ছিলাম রায়ের বাজারে । সেদিন এর আগের রাত্রেই পা দিয়েছিলাম ঢাকায় । আর সেই রাত্রে ৯ টায় দেখা হয়েছিল তার সাথে শ্যামলী এর ওভারব্রীজ এর উপর । খেয়াল আছে সিগারেটের উলটো দিকে আগুন ধরিয়েছিলাম কথা বলতে বলতে ......

নিলা এর সাথে তখন দুষ্টুমী হত , পরে আরো ভাল করে জানার সুযোগ হল তাকে । যদিও সে এখন ব্লগে তার আগের নিক বন্ধ করে দিয়েছে তবে হয়ত তাও এখনো সে আছে আমাদের মাঝেই । যদিও পরিচয় অল্প স্বল্প তবুও খুব ভাল একজন মানুষ বলব তাকে আমি ।

এরপর শফিকুল ভাই এর সাথে দেখা এবং ব্লগার উজ্জ্বল ভাই ও ছিলেন । শফিকুল ভাই এর পরিবার তথা প্রথম ব্লগ ফ্যামিলী দেখা হল । বাসার পাশেই তিনি থাকেন বলে বলা যায় একদম নিত্যকার ব্যাপার । এবং মানুষ হিসেবে প্রচন্ড মজার এবং দিলখোলা মানুষ তিনি , প্রচন্ড আন্তরিক , আর কি বলব বাকীটা ইতিহাস ।
কোনবার ই তার বিশেষ মুহূর্তগুলোতে যাওয়া হল না এজন্যে আফসোসসস আমার ।
তবে তিনি আছেন সাথেই ।

এভাবে হঠাৎ কোন একভাবে ব্লগার শিরোনামহীন এর সাথে পরিচয় হয় । আমি এখনো কোন এক কারণে নিজের কাছেই ছোট হয়ে যাই যখন দেখি তার একটা বিশেষ কাজে আমি ব্যর্থ হয়েছিলাম । তবে আমি বলব শিরোনামহীন চরম বন্ধুভাবাপন্ন একজন বিশেষ মানুষ । অত্যন্ত খোলা মনের এবং সহজ সরল । আমার অন্যতম ভাল বন্ধু যার সাথে অনেক কিছুই শেয়ার করা যায় যেকোন সময় ।

এরপর তানজু এর কথা বলা যাক । এইটারে আর কি বলব , আমি পোলা ভাইবা কথা কইতাম শুরু থেকে । ফেসবুকে দেখি এরপর । আর পুতলার কাছ থেকে যখন জানলাম যে এটা পোলা না তখন আকাশ থেকে পরার দশা হয়েছিল । এইটা আসলে পাঙ্খা দোস্ত মানুষ । জোস একজন এবং ক্ষেত্র বিশেষে একটা মাস্টার পিস । দোস্ত মাইন্ড খাইস না ।

আর একজন হলেন শ্রাবনসন্ধ্যা আপু । চরমভাবে তাকে বড়বোনের মর্যাদা দিয়ে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি । অত্যন্ত খোলামনের এবং তিনি নিজে মনেপ্রাণে একজন ভিন্ন ধাঁচে গড়া মানুষ । জাফনা তার আদরের পিচ্চি এবং অতি চঞ্চল প্রকৃতির একজন যে আমাকে গোল গোল চুলের মামা উপাধি দিয়েছিল ।
হে হে , রাজামশাই এর মাযেজার জন্যেই আপু ব্লগে এজন্যে রাজামশাইরেও জাঝা ।

এবার রাতমজুর ভাই এর কথা বলা যাক । বরাবরের মত এম এস এন এ অফলাইনে থাকা মানুষ । হঠাৎ একটা কবিতা পোস্ট করার পর প্রথম ধাক্কা দিয়ে বলেন কোবতে ভাল হইচে !! আমি একটু ধাক্কা খেলেও সেদিন তার সাথে একাধারে অনেক অনেক কথা হয় । মানুষ হিসেবে জোস একটা ভাব আছে এবং আমি বলব কিছু খাঁটি মানুষের মাঝে তিনি একজন । দুঃখের বিষয় হল শুধু কথা আর এম এস এন এবং ব্লগের মধ্যে সীমাবদ্ধ হলেও এখনো তার সাথে সামনাসামনি দেখা হইলনা । হয়ত আমার নয়ত তার ব্যাস্ততার মাঝে ভেস্তে গিয়েছে বহুত প্ল্যান । প্রাপ্তির জন্যে একটা কিছু মাথায় আছে , কাজটা ঢাকায় গিয়ে নিজে থেকে করতে হবে । ঢাকার বাইরে বসে কিছু করতে পারছিনা বলে নিজের প্রতি আফসোস । তবে এজন্যে রাতমজুর ভাই এবং সাথে যারা সবসময় ছিলেন তাদের জন্যে অন্তর থেকে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি ।

এছাড়া আরো যাদের সাথে কিছু কিছু কথা হলেও হয়েছে তারা হলেন ব্লগার জেসন , এম এস এন এ তার সাথে মাঝে মাঝেই কথা হয় , সনিক বুম নামেও একজন আছেন , আইরিন সুলতানাও আছেন এদের মাঝে , পিচ্চি মুন্না , কবি আব্দুল হক তথা পলাশ মিঞা , মনির হাসান , শিহাব তথা আগলিআগলি , আগরতলার দীপংকর দা ... এরকম আরো যারা আছেন তাদের কেও আমার পক্ষথেকে বিশেষ শুভেচ্ছা বাণী সাথে থাকার জন্যে ।

আর ফোনে কথা হয়েছে কৌশিকদা , শামীম এর সাথে , মিলটন ভাই এর সাথে তো ব্লগ মিটেই দেখা ১৫ আগস্ট এর মিটে । সেদিন অনেকের সাথে দ্রুত হ্যান্ডশেক করে হারিয়ে গিয়েছিলাম । তাই খেয়াল নেই সবকিছু ।

এছাড়া ব্লগে অনেকেই কমেন্টের মাধ্যমে পরিচিত কমবেশি । তাদেরপ্রতিও আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি । নাম হয়ত উল্লেখ করছিনা মেসেঞ্জারে নেই বলে তবে তারপরেও তারা কাছের মানুষ এবং তাদের লেখার আমি গুণমুগ্ধ ভক্ত ।

এর মাঝেও বিশেষ একস্থান দখল করে আছে বিশেষ একজন । তার প্রতিও শ্রদ্ধা জানাচ্ছি তার নিজের সব ভালকিছুর জন্যে এবং হয়ত আরো বেশি কিছু যা লিখে প্রকাশ করা সম্ভব নয় । অত্যন্ত কাছের মানুষ হিসেবে তার জন্যে একটা কিছু আলাদা করে দেয়া উচিৎ ।

আর কি বলব !!! আমি নিজেও জানিনা আমি কোন টাইপ ব্লগার , তবে এটা ঠিক খুব ছোট্ট আমার ব্লগের সার্কেল । এরপর ধীরে ধীরে হয়ত বাড়বে । খোদা মালুম ।

এতকিছু এজন্যেই বললাম আর কি , ১৬ই ডিসেম