পারি দাও স্রোত,কঠিন প্রয়াসে অকুতোভয়, এ নিশীথের তীরে, হবে ফের সূর্যোদয় !

ভয়াবহ খাদ্য সংকটের মুখোমুখি সারাবিশ্ব! উত্তরনের উপায় বের করতে হবে এখনই!
০৩ রা এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৯:১৫
ভয়াবহ প্রতিকূল আবহাওয়া, জলবায়ুে অভাবনীয় পরিবর্তন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং উন্নতবিশ্বের খাদ্য শষ্যকে জ্বালানীতে রুপান্তর করার উদ্যোগ কারনে সমগ্র বিশ্ব ভয়াবহ খাদ্য সংকটের মুখোমুখি। আর্থ পলিসি ইন্সটিটিউট এর পরিচালক জ্যানেট লারসেন এর মতে গাড়ীতে ব্যবহারের জন্য খাদ্য শষ্যকে জ্বালানীতে ব্যবহারের পদক্ষেপের কারনে বিশ্বের বহু প্রান্তে ভয়াবহ খাদ্য সংকট হিসেবে দেখা দিয়েছে। তিনি সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে বলেন- আমেরিকার সুপার শপ গুলোতে খাদ্য দ্রব্য বিক্রয় হচ্ছে খুব চড়া দামে। এর ফলে বিশ্ব বাজারে এর বিরুপ প্রতিক্রয়া দেখা দিয়েছে। খাদ্যের চড়া মুল্যের কারনে উন্নয়নশীল দেশগুলোয় রাস্তা রাস্তায় লোকজন দাঙায় লিপ্ত হচ্ছে। এছাড়াও পাশ্চাত্যের বহু দেশ খাদ্য শষ্য থেকে জ্বালানী তৈরী করছে।
চলতি বছর আমেরিকা উৎপাদিত প্রতি চারের মধ্যে এক বুশেল ফসল পুড়িয়ে ইথানল তৈরীর পরিকল্পনা করেছে। অপরদিকে পাম অয়েলের দাম রেকর্ড করেছে। বায়োফুয়েল তৈরীতে ব্যবহার করছে পাম। যা ইন্দোনেশিয়া এবং মালয়েশিয়া র স্বল্প আয়ের মানুষ পড়েছে যন্ত্রনায় পড়েছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী জানুয়ারীর শেষ ভাগ থেকে এ পর্যন্ত বিশ্বে খাদ্যশষ্যের দাম বেড়েছে ৩৫ ভাগ। ২০০২ এর পর থেকে খাদ্য শষ্যের দাম বেড়েছে ৬৫ শতাংশ। ২০০৭ সালে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার দেয়া বিশ্ব খাদ্য সূচকে দুগ্ধ পন্যের মুল্য ৮০ ভাগ এবং শষ্য মুল্য প্রায় ৪২ ভাগ বেড়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। বৃটিশ থিংক ট্যাংক চ্যাথাম হাউস এর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে- বিশ্বব্যাপী খাদ্য পন্যের সাম্প্রতিক মুল্য বৃদ্ধি সাময়িক উল্লস্ফন মুল্যস্ফীতি নয়। এখন থেকেই দ্রব্য মুল্য নির্ধারনের পদক্ষেপ নেয়া দরকার। খাদ্য মুল্য বেড়ে যাওয়ায় হাজার হাজার মেক্সিকো বাসী রাস্তায় প্রতিবাদ দিতে দেখা যায়। খাদ্যাভাবে মৃত্যুর সংবাদে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়ায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়তে দেখা যায়। ক্যামেরুন ও বার্কিনোতে একই অবস্থার খবর পাওয়া যায়। এদিকে মিশর , আর্জেন্টিনা, কাজাকিস্তান, ও চীন সহ কয়েকটি দেশ আভ্যন্তরীন খাদ্য শষ্য চাহিদা মেটানোর জন্য শষ্য রফতানীর উপর নিয়ন্ত্রন জারি করেছে। ভিয়েতনাম ও ভারত চাল রফতানী বন্ধ করে দেয়ায় এ সংকট আরো বড় আকার ধারন করেছে। জাতি সংঘের হিসেব মতে ভুট্রার দাম আগামী দশকে ২৭ ভাগ, সয়াবিনের দাম ২৩ ভাগ, এবং চালের দাম ৯ ভাগ বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। আই ওয়া স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতিবিদ ব্রুস ব্যবকক বলেন বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে মুল্যবান ঘটক হল কৃষক। কৃষককে উৎসাহ প্রদান না করলে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি সম্ভব নয়।
এখন থেকেই বিশ্বের জনগোষ্ঠিকে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির প্রতি বিশেষ লক্ষ্য রেখে বার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহন করা দরকার।
নয়তো বিশ্বে খাদ্য সংকট আরো প্রকট হয়ে দেখা দিবে।
তথ্য সূত্র: ইসলাম অনলাইন ।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): খাদ্য সংকটের মুখোমুখি বিশ্ব! ;
ত্রিভুজ বলেছেন:
হুমমম....
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
ত্রিভুজ বলেছেন:
বিশ্বে মানুষ মারার প্রযুক্তির পেছনে যত টাকা ব্যায় হয়, তার তিন ভাগের এক ভাগও যদি খাদ্য সমস্যা সমাধানের পেছনে ব্যায় হতো, তাহলে পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ খেয়ে পড়ে বেঁচে থাকতে পারতো। আর মানুষের অন্ন বস্ত্র বাসস্থান সমস্যার সমাধান হলে বিশ্বজুড়ে এত সন্ত্রাসী কার্যকলাপও হতো না।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ভাল বলছেন। আসলেই তাই।
কেএসআমীন বলেছেন:
দারুন পোস্ট, সময়োপযোগী, ধন্যবাদ। আমাদের এখন বিকল্প খাবারের চিন্তা করতে হবে। আলু খেতে হবে।
আটার বিকল্প নাকি বের হয়েছে, সেটা নিয়েও ভাবতে হবে।
আর কোন উপায় নেই।
লেখক বলেছেন: আমাদের এখন বিকল্প খাবারের চিন্তা করতে হবে। আলু খেতে হবে।
এইটা তো উপদষ্টা প্রদত্ত সমাধান।
উৎপাদন বাড়ানোর পদ্ধতি বলেন।
চালের দাম যে বিশ্ব বাজারে বেরেছে, তা ভারতে থেকে অনুভব না করা গেলেও, খুব শিঘ্রই যে, আনুভব করতে হবে তা বেশ বোঝা যাচ্ছে!
লেখক বলেছেন: আমরা তো বুঝতাছি। কিন্তু দশে পরিচালনা কারীরা বুঝতে পারলে হয়?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
রাজনীতি বলেছেন:
ভাল পোষ্ট। ধন্যবাদ। আসলেই খাদ্য সংকট।
মাইনুল বলেছেন:
খাদ্যাভ্যাস বদলাতে হবে।
লেখক বলেছেন: হুমমম! ভাল বুদ্ধি। ঘাষ আর মাটি খাইতে পারি?

















