পারি দাও স্রোত,কঠিন প্রয়াসে অকুতোভয়, এ নিশীথের তীরে, হবে ফের সূর্যোদয় !

বুদ্ধি বাড়ানোর উপায় !

১৫ ই মে, ২০০৮ সকাল ৮:৪৮

শেয়ার করুন:                   Facebook

মানুষের মস্তিষ্ক যে কাজ করে তার সামগ্রিক প্রকাশের নাম বুদ্ধি। একজন পরিণত মগজের মোট ওজনের ৮০ ভাগ তৈরি হয় জীবনের প্রথম তিন বছরে। বুদ্ধি ও মেধার মূল চালিকা শক্তি হলো মগজের ওপর ছড়ানো প্রায় পাঁচ মিলিমিটার পুরু ও দেড় বর্গমিটার বিস্তৃত ধূসর সেরিব্রাল কর্টেক্সের বিভিন্ন অংশ এবং প্রিফন্সন্টাল কর্টেক্সের অংশ এবং প্রিফন্সন্টাল কর্টেক্সের সমনðয়। তবে বুদ্ধি সবটাই জন্মগত। বয়স বাড়ার সাথে সাথে বুদ্ধির কমতি হতে পারে। বুদ্ধি কিছুটা জেনেটিক। বাকিটা গড়ে ওঠে শেখার মাধ্যমে। দু'ধরনের বুদ্ধি দেখা যায়, ১. সহজাত ২. শিক্ষণীয় মাধ্যম। সহজাত হলো যে বুদ্ধি আল্লাহর পক্ষ থেকে দেয়া হয়েছে। আর শিক্ষণীয় হলো যা শেখার মাধ্যমে বুদ্ধি বাড়ানো যায়। তবে বুদ্ধির বড় একটা অংশ নির্ভর করে শেখার পরিবেশ, পদ্ধতি, আবেগ ইত্যাদির ওপর। জন্মের পর প্রথম দিকে প্রোটিন বা জরুরি কোন খাদ্য উপাদানের ঘাটতি থাকলে পরবর্তীতে বুদ্ধির স্বাভাবিক বিকাশে বাধাগ্রস্ত হয়। অতএব দেখা যাচ্ছে, বুদ্ধির বিকাশ হয় শিশু বয়স থেকে যথাযথ খাদ্য গ্রহণ, উপযুক্ত স্বাস্খ্যকর পরিবেশ ব্যায়াম এবং সঠিক লাইফস্টাইলের মাধ্যমে। তবে শিক্ষণীয় অংশ হিসেবে নানা উপায়ে বুদ্ধি বাড়ানো যায়। মনোবিজ্ঞানীদের গবেষণা থেকে এ কৌশলগুলো বের হয়েছে।
০ কোন কিছু শিখতে হলে সে বিষয়ের প্রতি প্রচণ্ড উদ্দীপনা থাকতে হবে।
০ যে বিষয়টি শিখতে যাচ্ছি, তা শেখার তথ্য ও পদ্ধতি বার বার দেখা।
০ যে বিষয়টি শিখছি তার প্রতি প্রবল আবেগ থাকতে হবে। তবে তা যেন একঘেঁয়েমি না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখা।
০ শেখার পরিবেশ হবে স্বত:স্ফূর্ত।
০ শেখার প্রতিটি বিষয়কে সহজভাবে নেয়া কঠিন বিষয় হলেও তা সহজভাবে নেয়া।
০ সর্বোপরি শেখা ও জানার বিষয়টি আনন্দ ও বিনোদনের মাধ্যমে নিতে হবে।
০০ বুদ্ধি বিকাশের জন্য কি কি করা উচিত।
০ সব সময় যন্ত্রনির্ভর না হয়ে বই, কম্পিউটার, মোবাইল দূরে রেখে বু বা পরিবারের লোকের সাথে সময় কাটানো।
০ জটিল চিন্তা থেকে সব সময় নিজেকে বাইরে রাখার চেষ্টা করতে হবে। প্রয়োজনে অনেক সময় খোলা আকাশের নিচে কাটানো।
০ যোগ ব্যায়াম শরীর ও মন দুটোই ভালো রাখে এ জন্য নিয়মিত যোগ ব্যায়াম করা।
০ মাঝে মাঝে মনকে কল্পনার জগতে নেয়া।
০ বুদ্ধি বিকাশের সবচেয়ে বড় মাধ্যম বই। এ জন্য নিয়মিত বইপড়া।
০০ যে সব কাজ করা উচিত নয়।
০ যতটুকু কাজ করা সম্ভব তার চেয়ে বেশি কাজ করা উচিত নয়।
০ কেউ সমালোচনা করলে ভেঙ্গে না পড়ে ইতিবাচকভাবে নেয়া।
০ অযথা টিভি বা কম্পিউটারের সামনে সময় নষ্ট না করা।
০ মোবাইল ফোন সবসময় চালু না রাখা।
০ সর্বদা যন্ত্র নির্ভর না হওয়া।
০ প্রয়োজন ছাড়া ঘন্টার পর ঘন্টা ইন্টারনেটে সময় ব্যয় না করা।
০ নিজের মতামতের সাথে অন্যের মতামতকে গুরুত্ব দেয়া।
০ অ আবেগ বা বিশ্বাসকে প্রাধান্য না দিয়ে যুক্তির গুরুত্ব দেয়া।
০ ওপরোক্ত নিয়মগুলো মেনে চললে বুদ্ধির বিকাশ ঘটানো সম্ভব।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): মানুষের বুদ্ধি ! ;

 

  • ৯ টি মন্তব্য
  • ২৮৮ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৪ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৫ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:০১
comment by: অ্যামাটার বলেছেন: পিরিয়তে রাকিলাম,
আমার বুদদি সুদদি মাশআললাহ, এককেবারে হাঁটুর কাছে!
২. ১৫ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:২২
comment by: কাঙাল বলেছেন: ভাল লেখা। তবে কোন বই থেকে কপি করেছেন তাহা এখানে উল্লেখ করিলে আরও খুশী হইবো
১৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১০:৫৪

লেখক বলেছেন: দি মেমব্রেন- ড. নিজাম উদ্দিন এর লেখা। ধন্যবাদ

৩. ১৫ ই মে, ২০০৮ সকাল ১০:৩৪
comment by: মুজািহদ বলেছেন: অ্যামাটার ভাইয়া তবুও অনেক উচুস্তরের বুদ্ধিযুক্ত মানব,
আমার ঘাস ফড়িং (জি. এফ) তো আমার বুদ্ধিটা একপ্রকার জোর করেই হাটুর নিচে পাঠিয়ে দেয়।
৪. ১৫ ই মে, ২০০৮ সকাল ১১:২৯
comment by: কোপা সামছু বলেছেন: ফুষ্ট পইরা যতটুকু বুজলাম আমার বুদ্ধি এত বেশী যে ভারে হাটুর নিচে চইল্যা গেছে।
৫. ১৫ ই মে, ২০০৮ সকাল ১১:৩৫
comment by: মদন বলেছেন: আমার বুদ্ধি আছে?
৬. ১৭ ই মে, ২০০৮ দুপুর ২:৩৬
comment by: শীমুল শরীফ বলেছেন: এতো নিয়ম মাইনা বুদ্ধি খাটানোর সময় পামুতো?
৭. ১৭ ই মে, ২০০৮ দুপুর ২:৪২
comment by: অিনেকত বলেছেন: বুদ্ধি বাড়বে তো ? বাড়লে কিভাবে বুঝবো যে, আমার বুদ্ধি বেড়েছে ?
৮. ২৩ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:০৯
comment by: ঝুমী বলেছেন: বাহ্ বেশ ভালো বলেছেন তো! লেখাটা আমার প্রিয় পোস্টে নিয়ে রাখলাম। +:)

 

 


সুস্থ মনের সকল ব্লগারদের এই ব্লগে স্বাগতম । লেখার উপর কোন বাজে মন্তব্য গ্রহনীয় নয়। আশকরি সকলেই দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেবেন।...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ১৫৫৯৮