পারি দাও স্রোত,কঠিন প্রয়াসে অকুতোভয়, এ নিশীথের তীরে, হবে ফের সূর্যোদয় !

ভর্তি সংকট শুরু! এস এস সি পাশ করা শিক্ষার্থীরা বিপাকে! কোথায় হবে আশার প্রতিফলন।
১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৪৪
২০০৮ সালে পাশ করা এস এস সি শিক্ষার্থীরা ভয়াবহ সংকটের আবর্তে। যদিও আমাদের ল্যাপটপ উপদেষ্টা হিসেবে খ্যাত জনাব ড.হোসেন জিল্লুর রহমান বলেছেন ভর্তি নিয়ে কোন সংকট নেই। কিন্তু বাস্তব অবস্থা তার উল্টা। সরকারী কলেজ গুলোতে সংকট আরো বেশী। বাধ্য হয়ে বেসরকারী উচ্চ খরচে ভর্তি হতে বাধ্য হচ্ছে। বানিজ্য বিভাগে জিপিএ ৩.৫০ চাওয়া হয়েছে। কিন্তু ৪.৫০ পাওয়া শিক্ষার্থীরা ৩.৫০ পাওয়া ছাত্রছাত্রীদের সামনে আসতে দিবেনা এটাই স্বাভাবিক। অতএব ৩.৫০ থেকে নীচের দিকে জিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থিরা যাবে কোথায়? সকল দিক থেকে সরকার বিপাকে পড়ে এখন পাগলের প্রলাপের মত ল্যাপটপ মানব দিয়ে গদবাধা বাক্য বমি করানো হচ্ছে।
জনগন তথা আমরা কি কিছু করতে পারি? এই বড় অংশ শিক্ষার্থীরা কি বিপাকে নাই! তাদের ভাগ্যে কি ঘটবে? আগামীতে এ সংকট আমাদের জাতিকে কি উপহার দিবে? তা বোধগম্য নয়।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): হায়রে কলেজ! ;
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ বিজ্ঞান বিভাগের সংকট বেশী কিনা জানিনা।
এ+ পাওয়া ছাত্রছাত্রীদের নম্বরের তুলনায় নাকি কলেজের আসন সংখ্যা কম... সেই ক্ষেত্রেতো সি+ এর নিচের কথা বাদ ই দিলাম, এ এবং এ এর নিচের সবার কি হবে??
ছাত্রছাত্রী:আসন রেশিওর অবস্থা শুনছি ইংরেজি ভার্শান এর ছাত্রছাত্রীদের জন্য নাকি আরো খারাপ।
কি হবে ভাল রেজাল্ট করে যদি কলেজেই ভর্তি হতে না পারে ছেলেমেয়েরা? কি হবে কষ্টকরে নাইন-টেনে পড়া?
লেখক বলেছেন: বেপারটা আসলেই এমন।
রুখসানা তাজীন বলেছেন:
কলেজে ভর্তি না হয়েও HSC পাশের ব্যবস্থা করতে হবে।
লেখক বলেছেন: হুমমমমমমমমমমমমম!


















আর শুধু বাণিজ্য বিভাগের কথা বলছেন কেন? আমার তো মনে হয়, বিজ্ঞান বিভাগে সংকট আরও বেশি।