somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... এই অভ্যাস পরিবর্তন না হলে পৃথীবিতে বিপর্যয় আর বেশী দুরে নয়! সাবধান
বিশেষ করে যৌন আচরণের মাধ্যমে সংক্রমিত আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/29527695 http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/29527695 2012-01-23 12:58:56
আরব বিশ্বের পরিবর্তনে এশিয়ার দেশগুলোতে আগাম সতর্ক বার্তা পৌছেছে কি? সরকারের কর্ন কুহরে কি পানি গেল? বহু বছর দুর্ভোগ ও নির্যাতন সয়েছেন মধ্যপ্রাচ্যবাসী জনগণ। চূড়ান্ত হিসাব নিকাশে মনে হয়, তৈরীর সময় এখন এসে উপস্থিত হয়েছে। যা ঘটবার তা ঘটবে। গণঅভ্যুদয়ের গতিপ্রকৃতি দৃষ্টে মনে হচ্ছে ফিলিস্তিন থেকে শুরু করে পাকিস্তান পর্যন্ত মুসলিম বিশ্বে মিসরের এই গণজাগরণ আমূল পটপরিবর্তন ঘটিয়ে ছাড়বে। ১৯৯০ দশকে সোভিয়েতের পতনের পর ইউরোপের পূর্বাঞ্চলে সংঘটিত বৈপ্লবিক পরিবর্তনের কথা প্রসঙ্গত স্মরণে চলে আসে।
বিমোহিত বিশ্ব মিসর ও মধ্যপ্রাচ্যে নতুন ইতিহাস রচনার ক্ষুব্ধ আয়োজন যখন প্রত্যক্ষ করছে তখন আমি অবাক বিস্ময়ে লক্ষ্য রেখে চলেছি গণতন্ত্রের স্বঘোষিত ধারাক-বাহকদের প্রতিক্রিয়ার দিকে। গণতান্ত্রিক বিজয় অর্জনের লক্ষ্যে চালিত মিসর ও মধ্যপ্রাচ্যের জনগণের সংক্ষুব্ধ আন্দোলনে হোয়াইট হাউসের সুনির্দিষ্ট কোনো প্রতিক্রিয়া নেই-লক্ষ্য করতে হচ্ছে। মুসলিম বিশ্বে নির্যাতনের সমাপ্তি এবং গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা প্রবর্তনের ঘোষণাসহ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসী অাঁতাতে অংশ নিয়েছিলেন যে, টনিব্লেয়ার তাকে এখন বলতে শোনা যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা বর্তমানে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয়। পাশাপাশি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি বলছেন, পরিস্থিতি এখনো স্থিতিশীল রয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ওবামা বলছেন, ‘‘মিসরীয় প্রেসিডেন্টকে তিনি বরাবর তাগিদ দিয়ে এসেছেন যে, মিসরে সংস্কার প্রবর্তন অতীব জরুরি। রক্তক্ষয়ী গণআন্দোলনের নবম দিন অতিক্রান্ত হওয়ার পর এখন ওবামা বলছেন, প্রেসিডেন্ট মোবারককে নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় অবশ্যই ক্ষমতা হস্তান্তরে এগিয়ে আসতে হবে। বছরের কিছু বেশি সময় আগে এই ওবামা মুসলিম বিশ্বে গণতন্ত্র প্রবর্তনের উদাত্ত আহবান জানিয়েছিলেন। শুধু ভোট দেয়ার দাবি আদায়ের জন্য মধ্যপ্রাচ্যের জনগণ রক্তক্ষয়ী আন্দোলনে নামেননি। তারা চাচ্ছেন এযাবৎ মধ্যপ্রাচ্যে চলতি আর্থিক ও রাজনৈতিক বিধিব্যবস্থার মৌলিক পরিবর্তন। কিন্তু শুনুন ওবামার সমুদ্রপারের মিত্র ক্যামেরনের উচ্চারণ। ক্যামেরন বলছেন, নির্বাচন আয়োজিত করলেই চলবে না, ভোটচর্চার মাধ্যমে গণতান্ত্রিক গোষ্ঠী গঠন হতে হবে।
প্রশ্ন করতে হয়, গত বছর ইরানী নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে তাদের হৈ হট্টগোলের উদ্দেশ্য কী ছিল? মোবারক চলে গেলে মিসরের ক্ষমতায় এসে বসবে মুসলিম ব্রাদারহুড- এই সর্বনাশা দুশ্চিন্তায় ঘুম হারাম হয়ে গেছে পাশ্চাত্য ও ইসরাইলী দিগগজ পন্ডিতদের। মিসর-ইসরাইলের ভবিষ্যত সম্পর্ক ও উভয়ের মধ্যকার শান্তি চুক্তির ভবিষ্যত নিয়ে জান-কাঁদানি ভাষ্য রচনায় ব্যস্ত দেখা যাচ্ছে বিবিসি ও সিএনএনকে। তাদের প্রশ্নের শেষ নেই-মোবারক পরবর্তী সরকার ইসরাইলের স্বার্থরক্ষা করবে কি? ফিলিস্তিনী-ইসরাইলী শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে অন্তহীন ভাবনায় ভাবিত হয়ে উঠেছেন পাশ্চাত্যের ভাষ্যকাররা। অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ধরে রাখার পাশ্চাত্যকে লাগাতার আহবান জানানো শুরু করেছে ইসরাইল। মোবারকের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করার অভিযোগ এনেছে ইসরাইল যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে। যে যাই বলুক মিসরের তথা মধ্যপ্রাচ্যের গণজাগরণের গতিপরিণতি এবার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে দেখা যাচ্ছে- এবং পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে যে, একনায়ক মোবারকের কথিত হিতৈষীদের ক্রন্দনে ও উচ্চারণে পাশ্চাত্যের ও ইসরাইলের অভিপ্রেত ফলোদয় এবার ঘটবে না- নিরপেক্ষ ভাষ্যকাররা এই মর্মে নিশ্চিত প্রত্যয় ব্যক্ত করে চলেছেন। বহু যুগ পর মধ্যপ্রাচ্যবাসীদের মুখে আরব জনগণের দেশী-বিদেশী শত্রুদের নাম স্পষ্ট উচ্চারিত হতে শোনা যাচ্ছে। আরব বিশ্বের সাংস্কৃতিক পীঠস্থল মিসরে এবারের গণজাগরণ যে ভবিষ্যত বয়ে নিয়ে আসতে যাচ্ছে তা শুধু মধ্যপ্রাচ্যের নয় বরং সারাবিশ্বের আর্থিক-রাজনৈতিক গতিপ্রবাহে পরিবর্তন সঞ্চারিত করবে । বাংলাদেশ সহ এশিয়ার দেশগুলোতে দ্রব্য মুল্য অস্বাভাবিক বৃদ্ধিতে নাভিশ্বাস উঠেছে মানুষের । কিন্তু সরকার ক্ষমতায় আসার প্রাক্কালে দ্রব্য মুল্য নিয়ন্ত্রনের ওয়াদা দিয়ে মানষের সাথে প্রতারনা করে আসছে। আর তারই প্রেক্ষিতে এখনই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ হবে সুচিন্তিত কাজ। তাই সরকারের অপ্রয়োজনীয় চিন্তা বাদ দিয়ে জনগনকে কিছু দেয়ার চেষ্টয় রত হওয়া দরকার। নয়তো মিশরের তথা আরব বিশ্বের মত পরিবর্তনের হাওয়া লাগতে সময় দেবেনা জনগন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/29320984 http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/29320984 2011-02-05 22:59:23
ঢাকার যানজট নিরসনে কি করা যেতে পারে? http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/29318244 http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/29318244 2011-02-01 10:39:39 আচ্ছা এটা হয়না কেন? http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/29222285 http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/29222285 2010-08-14 12:17:33 ভাই এইডা কি? মাথা কি ঠিক আছে?
কতটা নির্মম? আর ওরাই নাকি মানবতার দোহাই দেয়?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/29182705 http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/29182705 2010-06-22 14:51:28
ভাই এইটা পুলিশ না জানোয়ার? http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/29154946 http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/29154946 2010-05-14 20:39:39 সাহায্য চাই http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/29154643 http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/29154643 2010-05-14 09:34:38 বাংলাদেশিরা সব যায়গায় কি অবহেলিত? http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/29043967 http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/29043967 2009-11-15 19:16:57 চোরের আবার রূপচর্চা! হায়রে আমগো ফুলিশ বাহিনী! সারদা পুলিশ একাডেমির প্রধান মাজহারুল হক বলেন, এই প্রকল্প পুলিশ অফিসারদের সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি তাদের আত্মবিশ্বাসী হতে সাহায্য করবে। কার জন্য কোন রঙ মানানসই, কোন পারফিউম ভালো লাগবে সব বিষয়েই পুলিশ কর্মকর্তারা প্রশিক্ষণ নেবেন কানিজ আলমাস খানের কাছ থেকে। মাজহারুল হক বলেন, সারদা পুলিশ একাডেমির ইতিহাসে কোন বিউটিশিয়ানের কাছ থেকে পুলিশের রূপচর্চার পাঠ গ্রহণের ঘটনা এই প্রথম।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/29003432 http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/29003432 2009-09-02 12:36:41 কোমল এনার্জি ড্রিংক আমাদের জীবনী শক্তি কমিয়ে অক্ষম করার ষড়যন্ত্র! জনস্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের খাদ্য পরীক্ষাগারে বাজারে দেদারসে বিক্রি হওয়া সিংহভাগ কোমল পানীয়তে মানুষের শরীরের জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ ও বস্ত্রকলের বিষাক্ত রঙ থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। মান নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারির ব্যবস্থা অপ্রতুল হওয়ায় বিষাক্ত রাসায়নিক ও মাদকের উপকরণের সংমিশ্রণে তৈরি কোমল পানীয়তে বাজার এখন সয়লাব। নিষিদ্ধ নেশার উপকরণের মাত্রাতিরিক্ত উপস্থিতির কারণে কোমলমতি শিশু ও কিশোর বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের কোমল পানীয় সেবনের জন্য দৌড়ঝাঁপ শুধু দৃষ্টিকটুই নয় বরং ভবিষ্যতের জন্য অমঙ্গলের ইঙ্গিতবাহী। এই প্রবণতা রীতিমতো উদ্বেগজনক এবং বৃহত্তর স্বার্থে এ থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
দেশের বিভিন্ন সীমান্ত পথে আসা ক্ষতিকর মাদকের নীল দংশনে ইতোমধ্যে নেশামুক্ত দেশের প্রায় অর্ধকোটি মানুষ। দেশের সর্বগ্রাসী আগ্রাসনের মুখে বর্তমানে বেকার ও হতাশাগ্রস্ত তরুণ সমাজের পাশাপাশি স্কুল ও কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রীরাও মাদকের থাবার শিকার হচ্ছে। হেরোইন, ফেনসিডিল, ইয়াবা, আইস, মারিজুয়ানা এক্সটাসি, চরস ও আফিম সেবনের পরিণতি নির্ঘাত ধ্বংস জানার পরও মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার বন্ধ হচ্ছে না বরং বেড়ে চলেছে। আর বিপথগামী তরুণ যুবাদের নেশাসক্তের দায় মেটাতে প্রতি বছর দেশ থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে সতের হাজার কোটি টাকা।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মতে সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে দেশে বত্রিশ ধরনের মাদকদ্রব্যের বিস্তার ঘটছে। তাছাড়া বানের পানির মতো দেশে মাদকদ্রব্য প্রবেশ করলেও রহস্যজনক কারণে ধরা পড়ে মাত্র দশ শতাংশ। পানীয়তে নেশার উপকরণ মিশিয়ে শিশু-কিশোরদের নেশাযুক্ত পানীয়তে অভ্যস্ত করার নীলনকশা তৈরি করা হয় আগেই। গবেষণা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষায় দীর্ঘমেয়াদী সেই ষড়যন্ত্র ফাঁস হয়ে গেছে।
জাতিকে সুস্থ, সবল ও নেশামুক্ত রাখা সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। এই দৃষ্টিকোণ থেকে বাজারে মাদক মিশ্রিত কোমল পানীয় অবিলম্বে সরিয়ে ফেলার ব্যবস্থা করতে হবে। জনস্বাস্থ্যের ভাবনা মাথায় রেখে নরওয়ে, সুইডেন ও ফিনল্যান্ডসহ বিশ্বের আরো কয়েকটি দেশে কোমল পানীয় উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ নিষিদ্ধ করেছে। বাংলাদেশেও সেই দৃষ্টান্ত অনুসরণ করা যায় কিনা তা গভীরভাবে ভেবে দেখতে হবে। কোমল পানীয়ের ক্ষতিকর দিকগুলো খুঁজে বের করার লক্ষ্যে আমেরিকাসহ বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে চলছে নিরন্তর গবেষণা।
যুক্তরাষ্ট্রসহ বেশ কয়েকটি দেশে পরিচালিত গবেষণায় প্রকাশ পেয়েছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। দেখা গেছে বেশির ভাগ কোমল পানীয় তৈরিতে ব্যবহার করা হয় বস্ত্রকলের বিষাক্ত রঙ, ইথিলন গ্লাইকল নামে এক জাতীয় বিষ, ম্যাকারিন, দূষিত কার্বন-ডাই-অক্সাইড, ফসফরিক এসিড, সাইট্রিক এসিড ও ডিস্টিল ওয়াটার। কার্বনিক ও বেঞ্জয়িক এসিডের ব্যবহারও চলে বেশুমার। রিপোর্টে বলা হয়, এতে দেহে প্রথমে সাময়িক কৃত্রিম উত্তেজনা হয় এবং হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়। কোমল পানীয়তে অভ্যস্ত শিশু-কিশোররা মোটা হওয়ার কারণে ডায়াবেটিস ও হাইব্লাড প্রেসারে আক্রান্ত হয়। যুক্তরাষ্ট্রে অপর এক গবেষণায় কোমল পানীয়ের কারণে ছাত্র-ছাত্রীদের দাঁতের হাড়ে মারাত্মক রোগ ধরা পড়েছে। আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপনের এই যুগে এনার্জি ড্রিংক কিংবা চাঙ্গাকারী পানীয়ের নামে বাজারে যা পাওয়া যাচ্ছে অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে সেগুলোর কঠোর মান নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা জরুরি হয়ে পড়েছে। এ ব্যাপারে বিএসটিআইকে উদাসীনতা ও নিষ্ক্রিয়তা ঝেড়ে ফেলে আরো কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। কোনো প্রতিষ্ঠানের কোমল পানীয়তে নেশাকর কোনো পদার্থ পাওয়া গেলে সেই পণ্য নিষিদ্ধ করা ছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।
শিক্ষা, নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধ জাগিয়ে তুলে নেশায় বিভ্রান্ত যুবসমাজকে আবার ফিরিয়ে আনতে হবে সুস্থ পথে, কল্যাণের পথে। দেশকে এগিয়ে নেয়ার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রতিটি হাতকে রূাপন্তরিত করতে হবে দেশ গড়ার হাতিয়ারে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28997663 http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28997663 2009-08-21 23:50:19
সোয়াইন ফ্লু'' ভাইরাস! এখনই সচেতন হওয়া দরকার। এই রোগটি যে কারনে হয়:
১. এটি একটি শুকরের শ্বাসকষ্ট জনিত রোগ।
অর্থাৎ কোন অন্চলের শুকরের এই রোগ থাকলে তা ঐ এলাকায় মানুষের ছড়ালে এরপর মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায়।
এই রোগের লক্ষণ:
১. প্রচন্ড শ্বাসকষ্ট হবে
২. থান্ডা, সর্দি সাথে হাচি প্রচন্ড আকার ধারন করবে।
তবে এ উপসর্গ দেখা দিলে সাথে সাথে চিকিৎসকের শনসাপন্ন হওয়া উচিত। চিকিৎসায় এ রোগ ভাল হয়।
কিন্তু বিমান বন্দরে বুথ বসানোর পাশাপাশি ''শুকর '' আছে এমন এলাকায় কোন ধরনের উদ্যেগ কি নিয়েছে সরকার?
আজ ও সায়েদাবাদ রেললাইন এ শুকরের পাল অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে জনসম্মক্ষে! এ থেকে কি সোয়াইন ফ্লু'' নামক ভাইরাস ছড়াতে পারেনা!
এছাড়াও রাজশাহী রেলস্টেশনের বিপরীত পাশেও শুকরের পাল অবাধে জনগনের সামনে বিচরণ করছে।
অতএব এই ভাইরাস মহামারী আকার ধারন করার আগেই এই সব শুকর প্রবন এলাকায় বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহন করা দরকার। যেহেতু বাংলাদেশে শুকর আছে কিছু এলাকায় তথাপি এর নিয়ন্ত্রন এখনই করা দরকার।
নইলে মহামারী না হলেও একটা ভাল ক্ষতির আশংকা উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না। যদিও এই ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর জন্য এ পর্যন্ত জাতীয় বক্ষব্যধী হাসপাতালে সিট তৈরী করা হয়েছে মাত্র ৪ টি!
একটু উদ্যেগ আমাদের এই মহামারীর আশংকা থেকে বাচাতে পারে।
আসুন আমরাও সতর্ক হই। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28945080 http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28945080 2009-05-01 17:53:32
আমরা নিজেরাই নিজেদের পরিবেশকে বাস এর অযোগ্য করে তুলছি
বর্তমানে সমগ্র বিশ্ব পরিবেশ সমস্যায় জর্জরিত। পরিবেশের নানা দূষণের কারণে আজ বিশ্বের জীব প্রজাতিগুলো হুমকির সম্মুখীন। বিশেষ করে গ্লোবাল ওয়ার্মিং নিয়ে মানুষের ভাবনাটা একটু বেশি। কারণ ক্রমাগত পৃথিবী উত্তপ্ত হচ্ছে। ফলে অচিরেই বিলুপ্তির বা ধ্বংসের মুখে পড়বে পৃথিবীর অধিকাংশ জীব। আন্তর্জাতিক জলবায়ু বিশেষজ্ঞদের অভিমত, গত আঠারো শতকের মাঝামাঝি থেকে এ পর্যন্ত বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে ০.৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস। তাদের মতে, একুশ শতকের শেষের দিকে পৃথিবীর তাপমাত্রা ১.৪ থেকে ৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। যদি পৃথিবীর তাপমাত্রা ২.৫ ডিগ্রি বৃদ্ধি পায় তাহলে বিশ্বের ২ কোটি মানুষ ঘাতক ব্যাধিতে আক্রান্ত হবে। ৩০০ কোটির অধিক মানুষ বিশুদ্ধ পানি থেকে বঞ্চিত হবে এবং খাদ্যাভাবের কারণে আরো ৫ কোটি মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করবে। ক্ষতিগ্রস্ত হবে আমাজান রেইন ফরেস্টের অধিকাংশ এলাকা। যদি তাপমাত্রা ১.৬ থেকে ১.৭ ডিগ্রি বৃদ্ধি পায় তাহলে বিশ্বের সমস্ত প্রবাল শৈল ক্ষয়ে যাবে এবং বিশ্বের ৯ থেকে ১৬ ভাগ প্রজাতি বিলুপ্তির হুমকির সম্মুখীন হবে। তাপমাত্রা যদি ১.৯ থেকে ২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায় হবে রেইন ফরেস্টের ৪৭ ভাগ জীব ও উদ্ভিদ বিলুপ্তি হয়ে যাবে। ধ্বংসের মুখে পড়বে ১৪ ভাগ সরীসৃপ, ১৮ ভাগ উভচর, ১০ ভাগ পাখি ও ১৫ ভাগ স্তন্যপায়ী প্রাণী।
নামিবিয়া, সাউথ আফিন্সকা ও নর্দান অস্ট্রেলিয়ার ৪১ থেকে ৫১ ভাগ স্খানীয় গাছ বিলুপ্ত হয়ে যাবে। ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে ৮ থেকে ২০ শতাংশ দাবানল বেড়ে যাবে। উত্তর আমেরিকার মিঠা পানির ২৫ ভাগ মাছ, ২৭ ভাগ শ্যামন মাছ এবং ৪০ ভাগ পর্বতশৃঙ্গ বিলুপ্ত হয়ে যাবে। দক্ষিণ আফিন্সকার ২৪ থেকে ৫৯ ভাগ স্তন্যপায়ী, ২৮ থেকে ৪০ ভাগ পাখি এবং ২১ থেকে ৪৫ ভাগ সরীসৃপ বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। তাপমাত্রা যদি ২.৬ থেকে ৩.১ ডিগ্রি বৃদ্ধি পায় তাহলে বিশ্বের ২১ ভাগ থেকে ৫২ ভাগ জীব প্রজাতি বিলুপ্তির মুখে পড়বে। আর্কটিক অঞ্চলের ৬২ ভাগ বরফ গলে যাবে, যার ফলে মেরুভালুকরা বিলুপ্তির সম্মুখীন হবে। ইউরোপের ৪ থেকে ২১ ভাগ বৃক্ষ বিলুপ্ত হয়ে যাবে। অস্ট্রেলিয়ার ২১ থেকে ৩৬ ভাগ প্রজাপতি বিলুপ্ত হয়ে যাবে। অবশিষ্ট প্রবালশৈলগুলো ধ্বংসের মুখে পড়বে এবং সেইসাথে অ্যালপাইন প্রজাপতিগুলোর বিলুপ্ত হবার ঝুঁকি বাড়বে। তাপমাত্রা যদি ৩.৩ থেকে ৩.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায় তাহলে সমগ্র বিশ্বে ফাইটোপ্লাঙ্কটনের উৎপাদন ৫ শতাংশ কমে যাবে। নর্দান ফরেস্টের বিশেষ করে চীনের বনাঞ্চল ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং খুব অল্পসংখ্যক প্রাণী ও উদ্ভিদ পৃথিবীর বুকে টিকে থাকবে। পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলেই এসব ঘটবে। পৃথিবী যতই উত্তপ্ত হবে ততই আমরা বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তের দিকে চলে যাবো। তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে বরফ গলে ক্রমানðয়ে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে যেসব দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে তার মধ্যে বাংলাদেশের অবস্খান সর্বাগ্রে। আমাদের দেশের যে হারে বন ধ্বংস হচ্ছে তাতে অচিরেই আমরা বিপর্যয়ের মুখে পড়বো। কেননা বায়ুমণ্ডলের কার্বন-ডাই অক্সাইড শোষণ করার প্রধান উপাদান হচ্ছে বৃক্ষ সম্পদ। বৃক্ষ সম্পদ ধ্বংসের ফলে কার্বন-ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে ঝড়, জলোচ্ছðাস বৃদ্ধি পেয়ে পরিবেশের বিপর্যয় ডেকে আনছে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে ২০৫০ সাল নাগাদ সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা ১৩ সেন্টিমিটার বেড়ে যাবে। ফলে বাংলাদেশের ১৮ শতাংশ জমি সমুদ্রের পানিতে তলিয়ে যাবে। সুন্দরবনসহ অনেক উপকূলীয় দ্বীপ তলিয়ে যাবে। বিশ্বব্যাপী পরিবেশ বিপর্যয়ের জন্য মূলত মানুষই দায়ী। তাই সুন্দর এ পৃথিবীকে জীবের বাসযোগ্য করে রাখতে হলে বিভিন্ন দেশের সরকার প্রধান, বিজ্ঞানী, জনগণকে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার জন্য এগিয়ে আসতে হবে। তাহলে পৃথিবী ও পৃথিবীর জীব প্রজাতিকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে বলে আশা করা যায়।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28894212 http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28894212 2009-01-07 14:20:23
তথ্য প্রযুক্তির উন্নয়নে ১০ বছরের রোডম্যাপ ব্যয় হবে ১০ হাজার কোটি টাকা মরক্কো ডিজিটাল বৈষম্য রোধকল্পে প্রয়োজনীয় ব্যবস্খা গ্রহণ করেছে। দেশটিতে জাতীয় টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেশন এজেন্সি এর সম্পৃক্ততা বাড়াতে প্রজেক্টর হাতে নিয়েছে। এ ক্ষেত্রে তারা গ্রামের দিকেও দৃষ্টি দিয়েছে। তারা মনে করে এর সম্পৃক্ততা বাড়াতে হলে শহর-গ্রাম নির্বিশেষে সকলের অংশগ্রহণ জরুরি প্রয়োজন। আগামী ২০১১ সালের মধ্যে ৯ হাজার গ্রামে আইসিটি সুবিধা প্রদান করা হবে। তাতে উপকারভোগীর সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় দুই মিলিয়ন।
বাংলাদেশে সম্প্রতি প্রণীত রোডম্যাপে তথ্য প্রযুক্তি শিক্ষা যাতে গ্রামে গ্রামে ছড়িয়ে দেয়া যায় সেজন্য এর বিকেন্দ্রীকরণের বিশেষ প্রস্তাব রাখা হয়েছে। উক্ত আইসিটি রোডম্যাপে ১০ বছরে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে। রোডম্যাপে ই-বিজনেস, ই-ডেমোক্রেসী, ই-ফাইন্যান্স, ই-সিটিজেন, ই-এসএমই, ই-হেলথ, ই-কালচার, ই-এগ্রিকালচার, ই-এডুকেশন, ই-ডিজাস্টার এন্ড ক্লাইমেট চেঞ্জ ইত্যাদির ওপরও বিশেষ জোর দেয়া হয়। এসবের সম্মিলিত অন্তর্ভুক্তি উক্ত খাতকে অনেক উন্নত ও সহজ করবে। এ সবের সফল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার, টেলিকম এবং ডিজিটাল কনটেন্ট, এপ্লিকেশন্স ইত্যাদির ওপর জোর দিতে হবে। এজন্য দক্ষ জনশক্তির ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয় এ সংক্রান্ত এক সেমিনারে।
অনেকে মন্তব্য করেছেন, সম্প্রতি যে আইসিটি রোডম্যাপ হাতে নেয়া হয়েছে তা আরো অনেক আগে হওয়া উচিত ছিল। আমাদের আরো এগিয়ে যাওয়া উচিত ছিল। অনেকে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে তেমন স্বত:স্ফূর্তভাবে অনুভব করছেন না। হাইটেক পার্কের কাজ শুরু হয়েছিল ১৯৯৮ সালে। এর গতি এখনো সেই তিমিরেই। এসব ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রীতা অবশ্যই পরিহার করতে হবে। না হলে স্বপ্ন কেবল স্বপ্নেই থেকে যাবে, বাস্তবে আর রূপ নিবে না।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28870084 http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28870084 2008-11-17 08:20:19
আজকের দিবসের মাহাত্ন কি? আপনারা কি জানেন? http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28855209 http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28855209 2008-10-15 22:55:41 পাবনা হেমায়েত পুর মানসিক হাসপাতার ট্যুর এ যাচ্ছি। কে আছেন? http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28851422 http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28851422 2008-10-06 08:48:40 ভাই পাবনার যারা আছেন.............তাদের স্বাগতম। আমি এখন পদ্মা এত্স প্রেস এ। http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28850998 http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28850998 2008-10-04 23:45:08 ঈদ মোবারক। .........................................ভাল কাটুক সকলের দিনটি। http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28850353 http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28850353 2008-10-02 11:52:44 অপুষ্টির আগ্রাসী থাবায় বিপন্ন মানুষ............................ বিশ্ব খাদ্য শীর্ষ সম্মেলনের লক্ষ্য হলো আন্তর্জাতিক, আঞ্চলিক ও জাতীয় পর্যায়ে এমন কিছু নীতি ও কার্যক্রম উদ্ভাবন করা যেগুলো অনাহার ও অপুষ্টি দূর করবে এবং সকলের জন্য একটি স্খায়ী খাদ্য নিরাপত্তার ব্যবস্খা করবে। সকল পক্ষ কর্তৃক একটি নীতি সম্পর্কিত বিবৃতি স্বাক্ষর এবং বাস্তবায়নের জন্য একটি কর্মপরিকল্পনা অনুমোদনের মাধ্যমে এই লক্ষ্য অর্জিত হতে পারে। ‘এফএও'র সদস্য দেশগুলো একমত হয়েছে যে, শীর্ষ সম্মেলনের কর্মপরিকল্পনা সুনির্দিষ্ট ও বাস্তব সুফল বয়ে আনবে এবং এর জন্য দেশগুলো এবং এর প্রতিষ্ঠানগুলোকে জবাবদিহি করতে হবে। খাদ্য নিরাপত্তার সকল দিক পর্যালোচনা করে দেখার মতো একটি আন্তর্জাতিক পরিপ্রেক্ষিতে ঐ শীর্ষ সম্মেলনের থাকবে। শীর্ষ সম্মেলন আঞ্চলিক অবস্খার কথা বিবেচনায় রেখে আন্তর্জাতিকভাবে অনাহার ও অপুষ্টির সমস্যার মূল কারণ নিরসনের চেষ্টা করবে।
শীর্ষ সম্মেলনের প্রস্তুতি হিসেবে ‘এফএও' দেশ ও অঞ্চলগুলোকে তাদের পরিপ্রেক্ষিত ও নীতিগত অগ্রাধিকার তুলে ধরে পত্র প্রণয়নের আহ্বান জানায়। আঞ্চলিক পত্রগুলো শীর্ষ সম্মেলনের সচিবালয়ে পেশ করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের পত্রটির শিরোনাম হলো ‘বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্রের অবদান।” যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগ, পররাষ্ট্র দফতর ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্খার নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সংস্খাকে নিয়ে গঠিত একটি ওয়ার্কিং গ্রুপ এই পত্রটি প্রণয়ন করে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই পত্রে দেশে-বিদেশে খাদ্য নিরাপত্তা সম্পর্কিত বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতির রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে। এতে ব্যাখ্যা করা হয়েছে যে, খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার মূল কারণগুলো যথা- যুদ্ধ ও বেসামরিক সংঘাত, অনুপযুক্ত জাতীয় নীতি, গবেষণা ও প্রযুক্তির অপর্যাপ্ত উন্নয়ন, হস্তান্তর ও অভিযোজন, বাণিজ্যে প্রতিবন্ধকতা, পরিবেশের অধোগতি, দারিদ্র্য, জনসংখ্যার বৃদ্ধি, নারী-পুরুষের মধ্যকার বৈষম্য ও দুর্বল স্বাস্খ্য এগুলো দেশগুলোর নিজেদের এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উভয়েরই সমাধান করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব পত্র ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সংস্খাসমূহ ও কানাডার সরকারি সংস্খাসমূহ সম্মিলিতভাবে একটি পত্র প্রণয়ন করে। এটির শিরোনাম হলো “খাদ্য নিরাপত্তা পরিস্খিতি ও সমস্যাসমূহ উত্তর আমেরিকার পরিপ্রেক্ষিতে।” ইস্ট লানসিং-এ মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটিতে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার একটি ফোরামে বেসরকারি খাত, বেসরকারি সংস্খা ও আন্তর্জাতিক সংস্খার প্রতিনিধি এবং শিক্ষাবিদদের বৈঠকের পর এই পত্রটি চূড়াত করা হয়। খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনে দেশগুলোকে সহায়তার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বিরাট স্বার্থ রয়েছে। উভয় দেশই প্রধান খাদ্য উৎপাদন ও রফতানিকারী এবং একই সঙ্গে তাৎপর্যপূর্ণ খাদ্য সাহায্য প্রদানকারী দেশ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28848061 http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28848061 2008-09-26 10:22:09
জীবাশ্ম দেখে বিজ্ঞানীদের ধারণা এক সময় এন্টার্কটিকা মহাদেশ উষ্ন ছিল । প্রিয় ব্লগার বৃন্দ বিভিন্ন ব্যক্তিগত ব্যস্ততার কারনে দীর্ঘদিন পর পোষ্ট।


পৃথিবীর দক্ষিণ প্রান্তের শীতলতম মহাদেশ এন্টার্কটিকা বর্তমান সময়ে শতকরা ৯৮ ভাগ বরফে আবৃত। কিন্তু একসময় এই শীতলতম মহাদেশটি ছিল উষä! সাম্প্রতিক এক গবেষণার মাধ্যমে উদ্ধার করা জীবাশ্ম দেখে বিজ্ঞানীরা অভিমত প্রকাশ করছেন, এই মহাদেশটি আগে এ রকম ঠাণ্ডা ছিল না। প্রায় এক কোটি ৪০ লাখ বছর আগের ক্রাস্টেশিয়া শ্রেণীর অস্ট্রাকডের একটি জীবাশ্ম উদ্ধার করা হয় এন্টার্কটিকা মহাদেশের ড্রাই ভ্যালি অঞ্চলের একটি প্রাচীনতম লেকের তলদেশে। কোটি বছর ধরে সংরক্ষিত জীবাশ্ম বিজ্ঞানীদের ধারণা দিতে সহায়তা করে, একসময় এন্টার্কটিকা মহাদেশ অনেক উষä ছিল। লেইচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত ভূতত্ত্ববিদ মার্ক উইলিয়ামস বলেন, ‘এই জীবাশ্মটি এন্টার্কটিকা মহাদেশের প্রাচীনতম সময়ের আবহাওয়ার আকস্মিক পরিবর্তনের ওপর একটি সঠিক ধারণা দেবে। এর সাহায্যে এন্টার্কটিকা মহাদেশের পূর্ব দিকের বরফস্তরের বিষয়ে অনুসান করা যাবে, যা কিনা পৃথিবীর উষäায়নের বিষয়টি বুঝতে সহায়ক একটি ভূমিকা পালন করবে।' এই গবেষণা দলের সহযোগী হিসেবে কাজ করেছেন এডাম লুইস ও ডেভিড মার্কান্ট এবং বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষক দল। জীবাশ্ম উদ্ধারের ঘটনা শুরু হয় বেশ কয়েক বছর আগে থেকে। প্রথমে গবেষণা দলটি ২০০৬ সালে সর্বপ্রথম আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সৃষ্ট ছাই নিয়ে আসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নর্থ ডাকোটা স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে স্নাতক শ্রেণীর এক ছাত্র রিচ থমসন সর্বপ্রথম এই ফুটবলসদৃশ জীবাশ্মটি খুঁজে পান।
উল্লেখ্য, পৃথিবীতে এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো একটি নরম দেহাবয়ববিশিষ্ট ফসিলের সান মিলল। একই বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবাশ্ম বিজ্ঞান বিভাগের একজন অধ্যাপক অ্যালান অ্যাশওয়ার্থ বলেন, এই জীবাশ্মটির সবগুলো নরম প্রত্যঙ্গ, এমনকি হাঁটাচলার পা এবং লেজটি ভালোভাবে সংরক্ষিত অবস্খায় উদ্ধার করা গেছে। এই মহাদেশটি (এন্টার্কটিকা) স্খায়ী বরফাবৃত হওয়ায় ফসিলটি এত দিন ভালোভাবে ছিল। বর্তমান সময় অস্ট্রাকড প্রজাতির প্রাণীরা আর এ্যান্টার্কটিকা মহাদেশে বাস করে না। গবেষক দলটি এ ছাড়া আরও কয়েকটি বিভিন্ন বয়সী অস্ট্রাকডের আংশিক অক্ষত জীবাশ্ম খুঁজে পেয়েছে এখানে। ধারণা করা হচ্ছে, এখানে অস্ট্রাকডের একটি বিশাল আবাসস্খল ছিল।
এই অস্ট্রাকডের আশপাশে বেশ কিছু মস উদ্ভিদ এবং তুন্দ্রা অঞ্চলে জন্মায় এমন বেশ কিছু উদ্ভিদের পরাগরেণুর সান পাওয়া যায়। এই অস্ট্রাকড বেঁচে থাকার জন্য খুব বেশি উষä তাপমাত্রার প্রয়োজন হয় গ্রীষ্মকালে। কিন্তু বর্তমান সময়ে এন্টার্কটিকা মহাদেশে তাপমাত্রা গ্রীষ্মকালে দীর্ঘ সময় ধরে গরম থাকে না।
এই অস্ট্রাকডের আবিষ্কার একটি বিষয়কে পরিষ্কার করে, যে অনেকটা আকস্মিকভাবে এন্টার্কটিকা মহাদেশের আবহাওয়া উষä থেকে শীতলে পরিবর্তিত হয়, যার কারণে এই প্রজাতিটি সম্পূর্ণ এ অঞ্চল থেকে বিলুপ্ত হয়ে যায়।
বিজ্ঞানী আশওয়ার্থ আরও বলেন, ‘আমরা এখন বিশ্বাস করছি এই বিশেষত এ অঞ্চলের হিমবাহগুলো প্রায় এক কোটি ৪০ লাখ বছর ধরে বরফে আবৃত লাখ বছর ধরে বরফে আবৃত হয়ে আছে।' কিন্তু তাঁদের এই যুক্তিতে অনেক বিজ্ঞানী আবার একমত হচ্ছেন না। নর্দান ইলিনয়স বিশ্ব বিদ্যালয়ের অণু জীবাশ্ম বিজ্ঞানী রিড স্কেরার বলেন, ‘এ ধরনের জীবাশ্ম খুঁজে পাওয়া নি:সন্দেহে একটি চমকপ্রদ বিষয়।কিন্তু এর মানে এই নয় যে তুন্দ্রা অঞ্চল ধারাবাহিকভাবে সুদীর্ঘ দিন ধরে বরফে আবৃত ছিল। উল্লেখ্য, বিজ্ঞানী রিড দীর্ঘদিন ধরে এই এন্টার্কটিকা নিয়ে গবেষণা করছেন। তবে বিজ্ঞানীরা জোর গলায় দাবি করছেন, মূলত এক কোটি ৪০ লাখ বছর আগের ভয়াবহ আবহাওয়া পরিবর্তনই এই মহাদেশে থেকে উদ্ভিদ ও প্রাণীদের বিলুপ্ত হওয়ার মূল কারণ। সব মিলিয়ে বর্তমানে এই অস্ট্রাকডের জীবাশ্মপ্রাপ্তি এন্টার্কটিকা মহাদেশের উষäতা- বিতর্ককে নুতন করে আলোচনায় ফিরিয়ে এনেছে।




]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28844933 http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28844933 2008-09-18 22:05:04
আমাদের শিক্ষাঙ্গন গুলো আবারো উত্তপ্ত হচ্ছে। রাজনীতির গুনগত পরিবর্তন হয়েছে কি? জাতির বিবেকের কাছে প্রশ্ন। http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28835587 http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28835587 2008-08-27 14:16:49 আমার প্রিয় ব্লগে ১০০ তম পোষ্ট এর পর ব্লগাভিজ্ঞতা ! সবচেয়ে ভাল লাগত একজনের পোষ্ট এ আরেকজনের সুচিন্তিত সংশ্লিশ্ট বিষয়ে মতামত। আবার কেউবা না বুঝেই আরেকজনের পোষ্ট এ বাজে কমেন্টস করে থাকে। যা কারো কাম্য নয়। ব্লগ হাজার রকম মানুষের হাজার রকম প্রকাশের জায়গা। সকলেই একেকটা কোন থেকে একেকটা পোষ্ট দিয়ে থাকেন। এরই মাধ্যমে কেউ কেউ ঐ নিকের বিরাগভাজন হন। তবে কর্তৃপক্ষের বিরাগভাজনের শিকার কিছু ব্লগারের লেখার কী বোর্ড কে থামিয়ে দিয়েছে। আমার এই অভিজ্ঞতায় আমি কর্তৃপক্ষের কাছে আবারো আবেদন জানাতে চাই প্রতি মাসে সেরা ব্লগার ঘোষনা অথবা মাস শেষে কুইজ এর ব্যবস্থা করে সেরা ব্লগার নির্বাচন অথবা বছর শেষে সেরা ১০ ব্লগার ঘোষনার জন্য কোন পরীক্ষার আয়োজন করা যেতে পারে। এর ফলে পুরাতন অনেক ভাল ব্লগার বৃন্দ লেখালেখির কাজে ফিরে আসবে বলে আমার বিশ্বাস। ২০০ তম পোষ্ট লিখার ইচ্ছা প্রকাশ করে আজকে ১০১ তম পোষ্টে ব্লগের অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করলাম। সকলের সাথে আবারো মতামত ভাগাভাগি করবো বলে আশা রাখি। আসুন সবাই মিলে নিজস্ব মতামত গুলো আরো ভালভাবে তুলে ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28828942 http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28828942 2008-08-09 07:03:49 বেশী করে পরিকল্পনা বিহীন শিল্পায়ন করুন ! আগামী শতাব্দতীতে দেশকে নিশ্চহ্ন হতে সহায়তা করুন। এই শতাব্দীর শেষের দিকে বাংলাদেশ সমুদন্স গর্ভে বিলীন হতে চলেছেঁ' শীর্ষক রিপোর্টটিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, আগামী দিনগুলোতে দুই মেরুতে বরফ গলার হার ব্যাপক হারে বাড়বে| এর জেরে পানির বৃদ্ধি ঘটবে এবং বাড়বে সমুদের পানির স্তর| পানির স্তর বাড়বে ২৫ মিটার পর্যন্ত| যা ডেকে আনবে ভয়ঙ্কর বিপর্যয়| সমুদ্র তলের খুব কাছাকাছি থাকার কারণে সমুদ্র সহজেই গ্রাস করবে বাংলাদেশ, নেদারল্যান্ডের মতো নীচু দেশগুলোকে| উপগ্রহচিত্র নিয়ে সমীক্ষা চালানোর পর রিপোর্টটি পেশ করেছে নাসার গডার্ড ইনস্টিটিউট অব স্পেস স্টাডিজ|
মূল রিপোর্টটি তৈরি করেছেন নাসার অধীন সংস্খাটির ডিরেক্টর ও অধ্যাপক জিম হ্যানসেন| রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, জলবায়ু ও ভূগোল সংক্রান্ত ব্যাপারে তাঁর হিসেব-নিকেশ ত্রুটিহীন ও অব্যর্থ হয়ে থাকে| এ জন্য তিনি তার রিপোর্টে একবারও হতে পারেঁ' শব্দটি ব্যবহার করেননি| ওই বিপদ সম্পর্কে তিনি নি:সন্দেহে বলেই হতে চলেছেঁ' বা হবেঁ' শব্দ দুঁ'টি নিশ্চিতভাবে ব্যবহার করেছেন| আশঙ্কা করা হচ্ছে, অস্তিত সংকটের এই নয়া হুঁশিয়ারিতে নতুন করে আতঙ্ক ছড়াতে পারে সদ্য সিডরেঁ' বিধ্বস্ত বাংলাদেশে|
অন্যদিকে আন্তর্জাতিক জলবায়ু ও পরিবেশ সংক্রান্ত বৈজ্ঞানিকদের সংস্খা গভর্নমেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জঁ' (আইপিসিসি) জারি করেছে আরেক বিপদবার্তা| জলবায়ুর বদল ও লাগাতার প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের জেরে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ তার খাদ্য উৎপাদনের ক্ষমতা ৩০ শতাংশ হারাবে| এছাড়া ১৭ শতাংশ গাছপালা ও জৈব উপাদান মুছে যাবে চিরতরে|
মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের মতে, ২০২০ সালের মধ্যে বসবাসের অযোগ্য হয়ে যাবে বাংলাদেশের উপকূল এলাকা| এর ফলে বাস্তুহারা কোটি কোটি লোক প্রতিবেশী দেশগুলোতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করলে সীমান্ত সংঘর্ষ অনিবার্য হয়ে উঠবে ভারত, চীন ও বাংলাদেশে|
ঢাকা ভিত্তিক একটি পরিবেশ সংস্খার গবেষক ও চিন্তাবিদ মোজাহারুল আলম এখানকার এজঁ' পত্রিকায় উদ্বেগ জানিয়েছেন, এর আগে বৈজ্ঞানিকরা সমুদেন্সর পানির স্তর ৬ থেকে ৮ মিটার উঁচু হওয়ার সতর্ক বার্তা জারি করেছিলেন| কিন্তু ২৫ মিটার উঁচু হওয়ার বিপদবার্তা আগে কখনও শুনিনি। আর শিল্প কারখানার ধোয়ার কারনে উষ্নতা বাড়ছে পৃথিবীর। আসুন সবাই মিলে দেশকে সমুদ্রতলে নিয়ে যাই। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28828693 http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28828693 2008-08-08 13:00:22
অবশেষে সয়াবিন ও শরীরের জন্য ক্ষতিকর ! আমাদের উপায় কি? সম্পন্সতি হার্ভার্ড স্কুল অব পাবলিক হেলথের একদল বিজ্ঞানী প্রজনন স্বাস্খ্য ক্লিনিকে আসা ৯৯ জন পুরুষের খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করেন| একই সঙ্গে বিজ্ঞানীরা সন্তান উৎপাদনে অক্ষম ঐসব পুরুষের বীর্য নমুনা সংগ্রহ করেন| সয়াবিন ও সয়াবিন উপাদানে তৈরি খাদ্য গ্রহণের মাত্রাভেদের উপর ভিত্তি করে ঐসব পুরুষদের চারভাগে বিভক্ত করেন বিজ্ঞানীরা| হিউম্যান রিপ্রোডাকশন নামক জার্নালে প্রকাশিত রিপোর্টে তারা উল্লেখ করেন তাৎপর্যপূর্ণ তথ্য| বলা হয়, পরীক্ষায় দেখা গেছে যেসব পুুরুষ অতিমাত্রায় সয়াবিন ভক্ষণে অভ্যস্ত কম মাত্রায় ভক্ষণকারীদের তুলনায় তাদের শুক্রাণুর মাত্রার পার্থক্য বিস্তর| বিজ্ঞানীদের ভাষায়, স্বাভাবিক হিসেবে একজন পুরুষের প্রতি মিলিমিটার বীর্যে ৮০ থেকে ১২০ লাখ শুক্রাণু থাকার কথা| যারা সয়াবিনজাত খাবারে বেশি অভ্যস্ত তাদের বেলায় এ মাত্রা ৪১ লাখ পর্যন্ত কম থাকার নজির মিলেছে|
গবেষকদলের প্রধান ড. জর্জ ক্যাভারোর ভাষায়, সয়াবিন থাকা আইসোফ্লাভোন্স নামে এক প্রকার রসায়ন শুক্রাণু উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটিয়ে থাকতে পারে| একই রসায়ন পুরুষ হরমোন স্টেন্সাজেন উৎপাদনেও বাধা সৃষ্ট করতে পারে| তার ভাষায়, অতিমাত্রায় ওজন বা মুটিয়ে যাওয়া পুরুষরা এক্ষেত্রে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্খায় থাকেন| এদিকে ইউনিভার্সিটি অব শেফিল্ডের অ্যানডেন্সালি বিভাগের সিনিয়র লেকচারার ড. অ্যালান পেসি বলেন, যদি সয়াবিনের শুক্রাণু উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটাবার মতো ক্ষমতা থাকতো, তাহলে এশীয়দের মধ্যে এর নেতিবাচক প্রভাব লক্ষ্য করা যেতো| অথচ বাস্তবতা হচ্ছে, এশীয়রা সয়াবিনে অভ্যস্ত হলেও তাদের মধ্যে প্রজনন অক্ষমতা বা পুরুষ হরমোন ঘাটতির মতো দশা খুবই কম| এছাড়া এটাও স্পষ্ট যে, বিশ্বের একটি বিরাট অংশের মানুষের খাদ্য তালিকায় সয়াবিন অন্যতম উপাদান হলেও প্রজনন স্বাস্খ্যের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাবের প্রমাণ এখনও সর্বজন স্বীকৃত নয় তবুও এ নিয়ে রয়েছে বিস্তর মতপার্থক্য। কিন্তু আমাদের জন্য কোন সুখবরের সন্ধান মিলবে কি?

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28828688 http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28828688 2008-08-08 12:46:48
একটি আবেদন কর্তৃপক্ষ বরাবর । এমন টা হতে পারে কি? http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28825460 http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28825460 2008-07-30 00:54:26 নোটিশ বোর্ডে দেখুন ! কোম্পানীর কর্মকর্তা / কর্মচারীদের জন্য নতুন নিয়মাবলী নিয়মসমূহ নিন্মরূপ:
যানবাহনের ক্ষেত্রে:
১. যদি কেউ দামী গাড়ীতে অফিসে আসেন তবে ধরে নেয়া হবে তার কামাই রোজগার ভাল । অতএব তার বেতন বাড়ানো হবেনা।
২. কোন কর্মচারী বা কর্মকর্তা যদি ১০ বছরের পুরনো গাড়ীতে অফিসে আসেন তবে ধরা হবে যে তার সন্চয় মোটামুটি ভাল । তাই তার বেতন বাড়বেনা।
৩.যদি কেউ পিক আপ ভ্যানে আসে তবে সে ঠিক আছে। আর যেহেতু সব ঠিক আছে তাই তার বেতন বাড়ানো হবেনা।
লান্চ বিরতির নিয়মাবলী:
১. কৃষ্নকায় কর্মচারিদের দুপুরের খাবারের সময় ৩০ মিনিট দেয়া হবে। যাতে তারা ভাল মত খেয়ে কোম্পানির কাজে বেশী মনযোগী হতে পারে।
২. সাধারন স্বাস্থ্যবানদের জন্য ১৫ মিনিট খাবারের সময় দেয়া হবে। যাতে তারা মোটামুটি খাবার খেয়ে স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে পারেন।
৩. মেদ সম্পন্ন কর্মচারীদের জন্য খাবারের সময় আজ থেকে ৫ মিনিটের দীর্ঘ সময়। কারন সামান্য পানীয় আর হজমের বড়ি খেতে এর চেয়ে বেশী সময় লাগেনা বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত।
মেডিকেল ছূটি বিষয়ে জরুরী জ্ঞাতব্য:
এখন থেকে এই ব্যপারে ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন গ্রহনীয় হবেনা। যেহেতু ব্যক্তি ডাক্তারের কাছে যেতে পেরেছেন তবে তিনি অফিস করার ও ক্ষমতা রাখেন বলে বিশ্বাস।
ইন্টারনেট বিষয়ে নেত্র আকর্ষন:
ব্যক্তিগত কাজে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ব্যবহারের সব তথ্য রেকর্ড করা হবে। এবং এজন্য বোনাস থেকে চার্জ কাটা হবে। তবে যারা বোনাসের আওতায় পড়েন না তাদের বেতন থেকে চার্য কাটা হবে।
জরূরী নোট----সবাই মনযোগ সহকারে দেখুন:
ইন্টারনেট চার্য প্রতি মিনিট ১৬০ টাকা। কারন আমরা দ্রুতগতির ৪ মেগাবাইটের গতি সম্পন্ন ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকি।
ভাল করে দেখার জন্য নির্দেশ:
সাধারনভাবে সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, ৭৫ শতাংশ কর্মচারী আগামী ৩ মাস কোন বেতন বা সম্মানী পাবেন না। কারন তাদের ইন্টানেট চার্য ৩ মাসের বেতন এর চেয়ে বেশী হয়ে গেছে।
কোম্পানীর প্রতি আপনাদের অকুন্ঠ আনুগত্য প্রকাশের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। এখানে আমরা ইতিবাচক মনোভাবের চর্চা করতে চাই। তাই কর্মচারীদের কাছ থেকে এ বিষয়ে কোন মন্তব্য, অভিযোগ, পরামর্শ গ্রহন করা হবেনা।
আশা করি আমরা এ আদেশ যথাযথ ভাবে মেনে চলতে সচেষ্ট হব। এমন হলে কেমন হয়?<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />:-*]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28822006 http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28822006 2008-07-19 22:12:07
বিশ্বের ইতিহাসে সর্বোচ্চ মুক্তিপন ! ছেলের জন্য মায়ের আকুতির প্রমান। গুজব রয়েছে,
ওয়াল্টারের ছোট দুই ভাই মুক্তিপণের এই অর্থ পরিশোধে সম্মত ছিলেন না। সম্প্রতি সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক গোলযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ককের অপহরণ এবং এ সংক্রান্ত নানান তথ্য বেরিয়ে আসে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28821265 http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28821265 2008-07-17 12:51:14
আজ বাংলাদেশের রাজধানী ``ঢাকা'' র ৪০০ তম জন্মদিন। ঐতিহাসিক এক বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী এই ঢাকা! ১৬১০, ১৯০৫, ১৯৪৭ এবং সর্বশেষ ১৯৭১ সালে ঢাকা রাজধানীর মর্যাদা লাভ করে আজ পর্যন্ত অপরিবর্তিত রয়েছে।
এটি পৃথিবীর ঐতিহাসিক শহরগুলোর মধ্যে অন্যতম।
ঢাকা নামটির কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা যায় না। তবে বিভিন্ন মতামত প্রচলিত রয়েছে। ঢাকা ভাষা- নামে এক ভাষা এ ভূখণ্ডে প্রচলিত ছিল, তা থেকে এর নাম ঢাকা হয়েছে। আরো একটি মত হল- ঢাকা-ঈশ্বরী থেকে ঢাকা নামটি এসেছে। কারো কারো মতে, এ অঞ্চলে প্রচুর ঢাকগাছ জন্মাত। তা থেকে ঢাকা নামটি এসেছে। এ রকম আরো অনেক মতামত প্রচলিত আছে ঢাকা নামটি নিয়ে।
মুসলিম-পূর্বকালে রাজধানী ঢাকা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানা যায় না। জানা যায়, সুলতানি আমলে এ শহরটি বাংলার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠে। মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর ১৬০৮ সালে বাংলা জয়ের জন্য ইসলাম খানকে বাংলার সুবাহ্দার হিসেবে নিযুক্ত করেন।সে তারিখটি ১৬ জুলাই ১৬০৮। সে দিনই ইসলাম খান সুবা বাংলার রাজধানী হিসেবে ঢাকাকে মর্যাদা দেন।
তিনি ১৬০৯ সালের জুন মাসে বাংলাদেশ ভূখণ্ডে রংপুরের ঘোড়াঘাটে এসে পৌঁছান। ১৬১০ সালের জুন-জুলাই মাসে তিনি ঢাকা এসে পৌঁছান। এ সময়ই তিনি বাংলার রাজধানী পশ্চিম বাংলার রাজমহল থেকে ঢাকায় স্খানান্তর করেন। সম্ভবত ঢাকাকে রাজধানী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন ১৬১০ সালের ১৫ জুলাই। মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুসারে তিনি ঢাকার নাম রাখেন জাহাঙ্গীরনগর। প্রশাসনিকভাবে এ নামটি ব্যবহার হলেও লোকমুখে ঢাকা নামটিই প্রচলিত থাকে।
এরপর রাজধানী হিসেবে ঢাকার মর্যাদা এক শ বছরের বেশি সময় অক্ষুণí ছিল। এখানে ছিল প্রশাসনিক সদর দফতর, সুবাহ্দার ও অন্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বাসস্খান। নবাব মুর্শিদকুলী খাঁ ১৭১৭ সালে ঢাকা থেকে বাংলার রাজধানী পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় স্খানান্তর করেন। এ সময় ঢাকা রাজধানীর গুরুত্ব হারিয়ে স্খানীয় এক নায়েব-নাজিমের শাসনকেন্দ্রে পরিণত হয়। ১৮৪৩ সাল পর্যন্ত এ ব্যবস্খা প্রচলিত ছিল।
১৯০৫ সালে পূর্ববঙ্গ ও আসাম নিয়ে একটি প্রদেশ গঠিত হয়। ঢাকা দ্বিতীয়বারের মতো রাজধানীর মর্যাদা লাভ করে। বঙ্গভঙ্গ রদ হওয়ার ফলে ১৯১১ সালে ঢাকা রাজধানীর মর্যাদা হারায়। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ উপনিবেশের পতন ঘটলে স্বাধীন পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর ঢাকা পূর্ব পাকিস্তান অংশের রাজধানী হিসেবে মর্যাদা লাভ করে। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হলে ঢাকা চতুর্থবারের মতো রাজধানীর মর্যাদা লাভ করে। রাজনীতি, অর্থনীতি, প্রশাসনিক, সামাজিক, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
কালস্রোতে ঢাকা শহর থেকে নগর, রাজধানী, মহানগর ও বর্তমানে মেগাসিটিতে রূপান্তরিত হয়েছে। ঢাকাকে একটি আধুনিক মেগাসিটিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে বিভিন্ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের কাজ চলছে। বর্তমানে ঢাকার জনসংখ্যা ১ কোটি ২৫ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। আর তার সাথে ঢাকা পা রাখল ৪০০ বছরের জীবনে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28820800 http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28820800 2008-07-16 08:07:40
আজ ``ঢাকার'' ৪০০ তম জন্মদিন। ঐতিহাসিক এক বর্ণাঢ্য জীবন অতিক্রম করল ঢাকা ১৬১০, ১৯০৫, ১৯৪৭ এবং সর্বশেষ ১৯৭১ সালে ঢাকা রাজধানীর মর্যাদা লাভ করে আজ পর্যন্ত অপরিবর্তিত রয়েছে।
এটি পৃথিবীর ঐতিহাসিক শহরগুলোর মধ্যে অন্যতম।
ঢাকা নামটির কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা যায় না। তবে বিভিন্ন মতামত প্রচলিত রয়েছে। ঢাকা ভাষা- নামে এক ভাষা এ ভূখণ্ডে প্রচলিত ছিল, তা থেকে এর নাম ঢাকা হয়েছে। আরো একটি মত হল- ঢাকা-ঈশ্বরী থেকে ঢাকা নামটি এসেছে। কারো কারো মতে, এ অঞ্চলে প্রচুর ঢাকগাছ জন্মাত। তা থেকে ঢাকা নামটি এসেছে। এ রকম আরো অনেক মতামত প্রচলিত আছে ঢাকা নামটি নিয়ে।
মুসলিম-পূর্বকালে রাজধানী ঢাকা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানা যায় না। জানা যায়, সুলতানি আমলে এ শহরটি বাংলার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠে। মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর ১৬০৮ সালে বাংলা জয়ের জন্য ইসলাম খানকে বাংলার সুবাহ্দার হিসেবে নিযুক্ত করেন।সে তারিখটি ১৬ জুলাই ১৬০৮। সে দিনই ইসলাম খান সুবা বাংলার রাজধানী হিসেবে ঢাকাকে মর্যাদা দেন।
তিনি ১৬০৯ সালের জুন মাসে বাংলাদেশ ভূখণ্ডে রংপুরের ঘোড়াঘাটে এসে পৌঁছান। ১৬১০ সালের জুন-জুলাই মাসে তিনি ঢাকা এসে পৌঁছান। এ সময়ই তিনি বাংলার রাজধানী পশ্চিম বাংলার রাজমহল থেকে ঢাকায় স্খানান্তর করেন। সম্ভবত ঢাকাকে রাজধানী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন ১৬১০ সালের ১৫ জুলাই। মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুসারে তিনি ঢাকার নাম রাখেন জাহাঙ্গীরনগর। প্রশাসনিকভাবে এ নামটি ব্যবহার হলেও লোকমুখে ঢাকা নামটিই প্রচলিত থাকে।
এরপর রাজধানী হিসেবে ঢাকার মর্যাদা এক শ বছরের বেশি সময় অক্ষুণí ছিল। এখানে ছিল প্রশাসনিক সদর দফতর, সুবাহ্দার ও অন্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বাসস্খান। নবাব মুর্শিদকুলী খাঁ ১৭১৭ সালে ঢাকা থেকে বাংলার রাজধানী পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় স্খানান্তর করেন। এ সময় ঢাকা রাজধানীর গুরুত্ব হারিয়ে স্খানীয় এক নায়েব-নাজিমের শাসনকেন্দ্রে পরিণত হয়। ১৮৪৩ সাল পর্যন্ত এ ব্যবস্খা প্রচলিত ছিল।
১৯০৫ সালে পূর্ববঙ্গ ও আসাম নিয়ে একটি প্রদেশ গঠিত হয়। ঢাকা দ্বিতীয়বারের মতো রাজধানীর মর্যাদা লাভ করে। বঙ্গভঙ্গ রদ হওয়ার ফলে ১৯১১ সালে ঢাকা রাজধানীর মর্যাদা হারায়। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ উপনিবেশের পতন ঘটলে স্বাধীন পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর ঢাকা পূর্ব পাকিস্তান অংশের রাজধানী হিসেবে মর্যাদা লাভ করে। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হলে ঢাকা চতুর্থবারের মতো রাজধানীর মর্যাদা লাভ করে। রাজনীতি, অর্থনীতি, প্রশাসনিক, সামাজিক, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
কালস্রোতে ঢাকা শহর থেকে নগর, রাজধানী, মহানগর ও বর্তমানে মেগাসিটিতে রূপান্তরিত হয়েছে। ঢাকাকে একটি আধুনিক মেগাসিটিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে বিভিন্ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের কাজ চলছে। বর্তমানে ঢাকার জনসংখ্যা ১ কোটি ২৫ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। আর তার সাথে ঢাকা পা রাখল ৪০০ বছরের জীবনে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28820798 http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28820798 2008-07-16 07:53:16
ডেসা থেকে ডিপিডিসি! আমাদের প্রয়োজন মেটাবে কতটুকু? তবে মানুষ এখন আর জিম্মী থাকবেনা। স্লোগান দিয়েছে- dependeble power- delighted customer
বিল তৈরী করতে গেলে এখন জোর গলায় কথা বলা যাচ্ছে। মানুষ যদিও এখনো তার থেকে সুফল অনেকাংশে পেতে শুরু করেনি। তবে আশার বানী হল পরিবর্তনের হাওয়া লেগেছে। এই বাতাসে ঝড়ে পড়েছে নামী দামী সব স্থানীয় চোরের দল। যদিও তারা বলছে আমরা চাকুরী ছেড়ে দিয়েছি। এখন অপেক্ষার পালা কবে নাগাদ মানুষ বিদ্যুৎ বকিভাগের আসল সুবিধা ভোগ করবে? অর্থাৎ বিদ্যুৎ ঘাটতি মিটিয়ে দেশকে অন্ধকারের রাজ্য উৎখাৎ হবে? সেই প্রত্যাশায় ডিপিডিসি র আগমনকে সাধুবাদ। আশা করি জনগন প্রত্যাশিত সেবা উপভোগ করবে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28820492 http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28820492 2008-07-15 12:52:27
কন্যা সন্তান কি অভিশাপ সমাজের সভ্যতার স্থলন গিয়ে কোথায় ঠেকবে? একটি সন্তান ঘরে আনন্দের উৎস বলে যেখানে বিবেচ্য হবার কথা। কিন্তু তা না হয়ে কন্যা সন্তানকে অভিশাপ স্বরুপ দেখাচ্ছে।
এই অবস্থা শুধু বাংলা দেশে নয়। ভারত এবং চীনে এই অবস্থা আরো বেশী। ভারতের ঝাড়খন্ডের শান্তি রানী স্বামীর চাপে ৫ বার গর্ভপাত করেছেন। কারন তার পূর্বে আরো ২ টা কন্যাসন্তান রয়েছে। হরিয়ানা প্রদেশেও লক্ষীরানী নামের এক গৃহবধূ কণ্যা সন্তানের ভ্রুণ নষ্ট করার মত ঘৃণ্য কাজও করেছেন স্বামীর চাপে। বাংলাদেশে ভ্রুন নষ্ট করার প্রচলন না হলেও ভারত ও চীনে এর সর্বাধিক প্রয়োগ দেখা যায়।
এখন ভারতে কোন কোন প্রদেশে বিয়ে করার জন্য কন্যা সন্তান অন্য অঞ্চল থেকে আনা হচ্ছে। এবং আশংকার কথা হল কন্যা বিক্রয়ের হাট ও বসছে। যাকে স্থানীয় ভাবে করোজ বলা হচ্ছে। তবে আরো নির্মম বেপার হল এসব হাটে মেয়েদের কে কয়েকদফায় বিক্রয় করা হয়। এসব হাট বসছে দিল্লির অদুরেই। তবে চীন রয়েছে ভয়াবহ সংকটে। এক সন্তান নীতির কারনে ২০২০ এর মাঝে চীনে ৩ কোটি বিয়ের উপযুক্ত মানুষ বিয়ে করার জন্য কনে পাচ্ছেনা। বিভিন্ন স্থান থেকে কনে আমদানী শুরু করেছে চীন। অধিকাংশ মেয়ে ভ্রুণ নষ্ট করার কারনে এমন অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু বলা বাহুল্য যৌতুকের কারনে আর উত্তরাধিকারের কথা বলে পুত্র সন্তানকে যেভাবে গ্রহন করা হচ্ছে তা কতটুকু যুক্তিযুক্ত?
অথচ আজকে পুরুষের পাশাপাশি সমাজে নারী তার স্থান সমূহ পাকাপোক্তভাবে গড়ে নিচ্ছে। বদল হচ্ছে অবস্থার। নারী সমাজের জন্য এক অপরিহার্য্য অংশ । এটা বুঝলে তবেই সত্যিকারের মুক্তি আসবে নারী সমাজের । বন্ধ হবে নারী নির্যাতন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28820173 http://www.somewhereinblog.net/blog/jottilblog/28820173 2008-07-14 14:34:09