ইচ্ছাহলে সেখানে ইচ্ছামতো সাতার কাটা যায়, ইচ্ছা হলে ডুবসাতারে কাটিয়ে দেয়া যায় যতক্ষন ইচ্ছা। বন্ধুর সহচার্যে প্রশান্তির এক সুশীতল বায়ুর পরশে জীবনের তপ্ত, বিষাদ ও বিষন্ন জীবন হয়ে উঠে বক পাখির শুভ্র পালকের ন্যায় । হাজারো সম্পর্কের স্রোতে ভেসে চলতে হয় আমাদের প্রতিদিন। এর মধ্যে কিছু সম্পর্ক থাকে ছকে বাধা , কিছু সম্পর্ক নিয়ম রক্ষার কিন্তু বন্ধুত্ব এমন একটি সম্পর্ক যা কোন বাধা মানেনা। যেখানে স্বার্থ কিংবা প্রয়োজনীয়তায় বেঁধে রাখা যায়না কাউকে। শুধু পরস্পরের সান্নিধ্য যেখানে একমাত্র চাওয়া, আড্ডা উৎসবে মেতে ওঠা, পরস্পরের না বলা কথা, যে কথাগুলো অবলীলায় বলে ফেলা যায় বন্ধুকে। বন্ধুর অপর নাম হচ্ছে আশ্রয়। ক্লান্ত পথিক যেমন গাছের ছায়ায় নিজের সবটুকু পরিশ্রান্তি দূও করে ফেলে, বন্ধুর সঙ্গ তেমনই আমাদের সব ক্লান্তি, নিঃসঙ্গতা, কষ্ট ভুলিয়ে দেয়। আর তখনই বলা যায়, ’বন্ধু বোঝে আমাকে---বন্ধু আছে আর কী লাগে, বন্ধুর পরিচয়টা এমনই।
বন্ধু চিরদিনই নতুন আর বন্ধুত্ব চিরকালই প্রথম। মানুষের বয়স বাড়ে, বন্ধুত্বের বয়স বাড়েনা। বন্ধুত্বের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন নিস্পাপ মানসিকতা, বয়সের নির্দিষ্ট ফ্রেমে যেটা বাধাঁ নয়। বন্ধুত্ব বুড়িয়ে যায়না কখনও মিল থাকলে সহজেই বন্ধুত্ব হয়। যেখানে প্রয়োজনীয়তা বা চাহিদা কোন মুখ্য বিষয় হিসেবে গণ্য হবে না। বন্ধুর প্রয়োজনে বন্ধু সহযোগী হিসেবে পাশে দাডাঁবে, বন্ধু প্রয়োজনটাই হবে মুখ্য। থাকতে হয় আত্মত্যাগ বা নিজেকে উৎসর্গ করার মাসনসিকতা, তবেই কেবল বন্ধুত্ব পূর্ণতা পাবে।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



