ভরা জোছনায় চুপি চুপি তোমার হাত ধরে থাকি
স্পর্শের উষ্ণতায়, মমতায় নাকি না পাওয়ার শূণ্যতায়
নোনা জল মুক্তোর মত ঝড়ে, গড়িয়ে, টপটপ করে
সে খবর কি তুমি রাখ?রাখ না।
নির্জন অন্ধকার, অমাবস্যায়, ঝি ঝি ডাকা রাতে
নির্ঘুম চোখে ঘোর আঁধারেও দেখতে পাই
তোমার নাকের ডগায় জমে থাকা বিন্দু বিন্দু ঘাম
হাত বাড়াতে গিয়েও আমি হাত গুটিয়ে নেই।
শীতের ভোরে ঘাসের উপর বিছিয়ে থাকে সাদা শিউলির চাদর
আমি দুহাত ভরে শিউলি নেই, গালে ছোঁয়াই
আনমনে আমি তোমাকেই স্পর্শ করি
সে অনুভূতি কি তোমাকে ছোঁয়?ছোঁয় না।
ভরা বর্ষায় বারান্দায় দাড়িয়ে বৃষ্টির ধারা দেখি
বৃষ্টির জল যেন বুকের ভিতরে লুকানো হৃদপিন্ডে
হিম শীতল শূণ্য হাহাকারে ভরিয়ে দেয়
তুমি কি জান বৃষ্টির জলের সাথে মিশে যায় অশ্র“?জান না।
আমার অস্তিত্ব, অস্তিত্বে -অনূভূতিতে একাকার হয়ে থাক তুমি
তুমি কি জান তোমাকে অনুভবে না পেলে
আমি অস্তিত্বকেই অনুভব করব না?জান না।
তুমি জান না, রক্ত ক্ষরণে হৃদপিন্ডের ঠিক যেখানে তুমি,
রক্ত জমাট বেঁধে কালচে নীল হয়ে যাচ্ছে
তবু তোমাতে আমাতে যোজন যোজন দূরত্ব।
আমি সাধারনের চেয়েও আরো বেশী সাধারণ
এই আটপৌরে সাধারনত্ব নিয়েই অসাধরণ
তোমার কাছে পৌছার দূরত্ব অতিক্রমে সে কি প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

