আজকের ইফতারিতেই, চিকেন স্যুপ একটা আইটেম হতে পারে না?
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১০
বাঙালীর সেই রসনা বিলাস যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। ছেলেবেলায় আমরা তেঁতুলের আঁচার হাতের মুঠোয় আঙ্গুল দিয়ে চেটে চেটে খেতাম, কিন্তু এখন সেটা যেকোন দোকানে প্যাকেটে মোড়ানো দুইটাকা দিয়ে কিনতে পাওয়া যায়। অর্থাৎ আমাদের স্বাদ একই থাকলেও খাবারের পরিবেশনার ঢং পরিবর্তন হয়েছে।
ঠিক তেমনই, চিকেন স্যুপ চাইনিজ রেস্টুরেন্টের আলো আধারের কক্ষের টুং টাং বাটি চামচের শব্দ থেকে বাঙালীর রান্না ঘরের হাড়ি পাতিলের মধ্যে এসে পৌছেছে। আমরা ইফতারীত্ও চিকেন স্যুপ একটা আইটেম হিসেবে বানাতে পারি।
চিকেন স্যুপ অত্যন্ত একটি পুষ্টিকর খাবার যা সহজে কমখরচে বাসাতেই বানান যায়। মুরগীর মাংসের কম গুরুত্বপুর্ন অংশ গুলি দিয়েই চিকেন সুপ বানান যায় [যেমন পা, গলা ইত্যাদি]। এই খাবারটি বাচ্চা এবং পরিবারের বয়স্ক মানুষ সহ সবার জন্যই সমান ভাবে উপকারী।
উপকরনঃ মুরগির কাঁচা মাংস, পানি, কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, লবন, টেস্টিং সল্ট, সাদা গোল মরিচের গুড়া, ডিম এবং কর্ণফ্লাওয়ার অথবা এরারুট।
রান্নার প্রনালীঃ ৩/৪ টুকরা কাঁচা মাংস, পেঁয়াজ কুঁচি, কাঁচা মরিচ, লবন একসাথে মিশিয়ে পরিমান মত পানি দিয়ে পাতিলটি চুলাতে তুলে দিন। তবে আপনি পছন্দ করলে এর সাথে হালকা কালারফুল ভেজিটেবলস দিতে পারেন, যেমন গাজর বা পেঁপে [এখানে আপনি প্রেসার ব্যাবহার করলে ভালো হয়] এরপর একসময় মাংশগুলো সিদ্ধ হয়ে হাড় থেকে খুলে যাবে। তখন ঐ মিশ্রন থেকে হাড় গুলো আলাদা করে ফেলে দিন। এরপর আবারো মিশ্রনসহ পাতিলটি চুলোতে চড়িয়ে জ্বাল ধরিয়ে দিন। এবার কিছু সময় পর ডিমের ফেটে ফুটন্ত পানিতে ছাড়তে থাকুন এবং সাথে নাড়তে থাকুন। [মনে রাখবেন, ডিমের ফেটা অংশ কখনই একবারে পানিতে ঢালবেন না, এতে ডিমটি পুরো জমাট বেঁধে যেতে পারে]
এবার একটা কাপে ঠান্ডা পানিতে [কখনই গরম পানিতে নয়] কর্নফ্লাওয়ার পরিমানমত গুলিয়ে সেটা মিশ্রনটা স্যুপের গরম পাতিলে ঢেলে দিন। এবার নাড়তে থাকুন। পরে টেষ্টিং সল্ট এবং সাদা গোলমরিচের গুড়া দিয়ে হালকা গরম করে নামিয়ে ফেলুন।
এবার বাটিতে ঢেলে বিটলবন মিশিয়ে গরম গরম ইফতারীর পরিবেশন করুন। দেখবেন, ইফতারীর পরে আপনাকে কেমন সতেজ লাগছে।
তো আজকে ইফতারীতেই নতুন একটি আইটেম হিসেবে মজাদার একবাটি চিকেন স্যুপ হয়ে যাক..........
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
ভুরিদত্ত বলেছেন:
গুড! উতুও মুরগির সুরুয়া খেতে কুব কুব ভালোবাসতো। লেখক বলেছেন: ভাই উতু্ও মানে বুঝলামনা। ধন্যবাদ আপনাকে
প্রচেত্য বলেছেন:
সংযমের মাস এরকম খোলামেলা খাবার-দাবারের ছবি ব্যবহারে আরো সতর্ক হউন - এপাশে রোজাদার পাঠকের কথা একটিবার মাথায় রাখবেন আশা করি।
ভাই, আপনার রান্নাটা হেভ্ভী হইছে
চমতকার লাগলো, তথ্যনির্ভর এবং বিষয় বিশ্লেষক রান্না
শুভকামোনা থাকলো
ঈদের খুব কাছাকাছি শুভেচ্ছা
লেখক বলেছেন: আমরা কিন্তু রোজা থেকেও বিভিন্ন রকম রান্না করি। সামনে অনেক খাবার, কিন্তু আল্লাহর হুকুম ছাড়া খাওয়া যাবে না এটাই তো সংযম। এটাই তো রোজা।
তবে এই ছবিটি যদি সমস্যা হয়ে থাকে আপনাদের তবে আপনারা বললে আমি মুছে ফেলবো।
আপনাকে ধন্যবাদ।
দি ফ্লাইং ডাচম্যান বলেছেন:
জ্বী আজ আমিও এই আইটেমটার কথাই ভাবছিলাম, পার্থক্য এক্টাই, আমারটা ইন্সট্যান্ট স্যূপ! ব্লগার আপুদের জন্য ঈদের গিফট!
লেখক বলেছেন: তবে ইন্সট্যান্ট স্যুপের চেয়ে অরিজিলাল হোম মেইড স্যুপ অনেক ভালো।
আপনার গিফট পোষ্টে যাবো। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: তবে এটা তো খুবই ভালো। আর স্যুপও আছে অনেক রকম। সেগুলোও বেশ চমতকার।
ভুরিদত্ত বলেছেন:
উত্তম কুমার
লেখক বলেছেন: হঠাত করেই উত্তম কুমার চলে আসলো কেন ভাই?
রথে চেপে এলাম বলেছেন:
পছন্দ হইছে। আমি ভাল পানি গরম করতে পারি, টী ব্যাগ দিয়া চা বানাইতে পারি, এখন ডিম পোচ করাও শিখে গেছি লেখক বলেছেন: যখন চা বানাতে শিখেছেন তখন স্যুপের মত সোজা রান্নাও পারবেন। চেষ্টা করেন।
নাহিদ মাহমুদ বলেছেন:
ইত ইজ অ্যা ভেরী ডেলিছিয়াছ আইটেম দ্যাট আই এভার সিন এন মাই লাইফ। হোয়াট এ গ্রেট ফাইন আইটেম ইউ হ্যাভ সাজেস্টেট আস তু ইট। থ্যাঙ্কু। মেনি মেনি থ্যাঙ্কূ। আই হ্যাভ ফরগোটেন স্পিচ তু গিভ ইউ থ্যাংকু। পিলিজ কেউ আমারে হেল্প করো সো দ্যাত আই ক্যান গিভ হার থ্যাকস পোরোপারলী।
লেখক বলেছেন: ওয়েলকাম।
ইফতারীর পর পর্যন্ত কোনদিনও সতেজ লাগেনাই......খাইলেই.....
লেখক বলেছেন: হুম ঠিকই বলেছেন, ইফতারীর পর খবর হয়ে যায়।
মিলটন বলেছেন:
হুম বাসায় বানানো এই চিকেন স্যুপ আমি প্রায়ই খাই। আমার ভালো লাগে।
লেখক বলেছেন: আসলেই ভাল লাগে।
প্রচেত্য বলেছেন:
আরে না না ,, ডিলিট করবেন ক্যানো .. ডিলিট করার কোনো দরকার নাই, পোষ্টে শোভা এই ছবিটা ...
লেখক বলেছেন: আচ্ছা ঠিক আছে।
লেখক বলেছেন: আপনাকে স্বাগতম।
শাওন৩৫০৪ বলেছেন:
চিকেন স্যুপ আসলে ভাল আইটেম হইতে পারে ইফতারীতে...রেসিপি টা আর আইডিয়া শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ...
লেখক বলেছেন: একবার নিজে রান্না করে খেয়ে দেখেন ভালো লাগবে।
লেখক বলেছেন: আগে নিজে বানিয়ে খান তারপর আমার রান্না করাটা খেলে আপনার রান্নার বাজে কোয়ালিটিটা বুঝতে পারতেন।
![]()
ভুরিদত্ত বলেছেন:
উত্তম কুমার = উতু
রাত্রী বলেছেন:
অনেকদিন পর লিখলেন ভাবী। ভালো লাগলো রেসিপিটি পেয়ে। আমিও ঘরে তৈরী স্যুপ বেশি পছন্দ করি।
নীল ভোমরা বলেছেন:
নতুন পোস্ট কই?!
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















