এত কিছুর পর আমাদের কে আর বিয়ে করবে
বহুদিন ধরে ছেলে আর মেয়েটি দেখা করছে। সম্পর্ক বেশ অন্তরঙ্গ পর্যায়ে পৌঁছেছে। কিন্তু ছেলেটি বিয়ের সিদ্ধান্ত নিচ্ছেই না। শেষ পর্যন্ত মেয়েটি বলল, ‘তোমার কি মনে হয় না, আমাদের বিয়ে করার সময় হয়েছে?’
দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে ছেলেটি বলল, ‘এত কিছুর পর আমাদের কে আর বিয়ে করবে, বলো?’
ইঁন্দুর সরানোর ব্যবস্থা
বুয়াঃ খালাম্মা, দুধের পাতিলে একটা ইঁন্দুর পড়ছে।
গৃহিণীঃ কী! তাড়াতাড়ি ইঁদুরটা সরা।
বুয়াঃ (হেসে) ইঁন্দুর সরানোর ব্যবস্থা কইরাই আফনেরে বলছি। পাতিলের ভিতরে একখান বিলাই রাইখা আসছি!
গান
মেয়ের বাবাঃ এই মাত্র মেয়েটার যে গান শুনলেন এর জন্য আমার বহু টাকা ব্যয় করতে হয়েছে।
ছেলের বাবাঃ হ্যাঁ, তা তো হবেই। নির্ঘাত প্রতিবেশীদের সঙ্গে মামলা লড়তে হয়েছে।
মেন্টালি পাঙ্কচারড
অফিসার: আপনার নাম?
চাকুরী প্রার্থী: এম.পি. স্যার
অফিসার: ঠিক ভাবে বলুন
চাকুরী প্রার্থী: মোতালেব প্রধান স্যার
অফিসার: পিতার নাম?
চাকুরী প্রার্থী: এম.পি. স্যার
অফিসার: এর মানে কি?
চাকুরী প্রার্থী: মোতাওয়াল্লী প্রধান স্যার
অফিসার: বাসা কোথায়
চাকুরী প্রার্থী: এম.পি. স্যার
অফিসার: মনিপুরি পাড়া?
চাকুরী প্রার্থী: মিরপুর স্যার
অফিসার: আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা?
চাকুরী প্রার্থী: এম.পি. স্যার
অফিসার: (রাগত) এর মানে কি?
চাকুরী প্রার্থী: মেট্রিক পাশ স্যার
অফিসার: ক্যান আপনার চাকুরি দরকার?
চাকুরী প্রার্থী: এম.পি. স্যার
অফিসার: মানে কি?
চাকুরী প্রার্থী: মানি প্রবলেম স্যার
অফিসার: আপনার পারসোনালিটি সম্পর্কে কিছু বলুন
চাকুরী প্রার্থী: এম.পি. স্যার
অফিসার: এক্সপ্লেইন প্লিজ
চাকুরী প্রার্থী: Magnanimous Personality স্যার
অফিসার: ওকেইজ.. আপনি এখন আসতে আরেন।
চাকুরী প্রার্থী: এম.পি. স্যার
অফিসার: এইকথাটার মানে কি?
চাকুরী প্রার্থী: মাই পারফরমেন্স?
অফিসার: এম.পি !!!
চাকুরী প্রার্থী: সরি….
অফিসার: Mentally Punctured…!
চুলকানির সমস্যা
রোগী : ডাক্তার সাহেব আমি খুব চুলকানির সমস্যায় ভুগছি। দয়া করে আমাকে একটা ওষুধ দিন।
ডাক্তার : দোকান থেকে এই ওষুধটা কিনে নিন।
রোগী : এতে কি চুলকানি সেরে যাবে?
ডাক্তার : আমি আপনার নখ বড় করার ওষুধ দিয়েছি। যাতে আপনি ভালোভাবে চুলকাতে পারেন।
কোথায় দেখা হবে
একদিন এক ব্যাঙ ভাগ্য পরীক্ষা করার জন্য জোতিষীর কাছে গেলো।
জোতিষী তাকে বললো : খুব শীঘ্রই এক সুন্দরী মেয়ের সাথে তোমার দেখা হবে। মেয়েটি তোমার সম্পর্কে সবকিছু জানে।
! তার সঙ্গে আমার কোথায় দেখা হবে? পার্টিতে নাকি অন্য কোথাও?
জোতিষী : না! মেয়েটির বায়োলজি ক্লাশে।
বিয়ের তারিখ
এক লোক সবসময় ক্রিকেট নিয়ে মেতে থাকে। একদিন তার বৌ গোমড়া মুখে তাকে বলল, তোমার শুধু সবসময় ক্রিকেট আর ক্রিকেট ! তুমি তো বোধহয় আমাদের বিয়ের তারিখটাও বলতে পারবে না!
লোকটি লাফিয়ে উঠে বলল, ছি ছি, তুমি আমাকে কী মনে কর! আমি কি এতই পাগল নাকি? আমার ঠিকই মনে আছে, যেবার শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ইন্ডিয়ার খেলায় টেন্ডুলকর এগার রানের মাথায় মুত্তিয়া মুরলিথরনের বলে আউট হয়ে গেল, সেদিনই তো আমাদের বিয়ে হল!
এ রাম তুমি ন্যাংটো পুটো
তিনজন লোক।
একজন আমেরিকার, একজন ইংল্যান্ডের আর একজন বাংলাদেশের। একসাথে ঘুরতে বেরিয়েছে। কে কাকে কিভাবে টেক্কা দেবে তা নিয়ে প্রত্যেকেই ব্যতিব্যস্ত।
হঠাত আমেরিকার লোকটা বলে উঠল- জানো, আমরা কী রকম বীর? কোন বাঘ যদি আমাদের সামনে এসে দাঁড়ায় তাহলে তার দিকে শুধু বন্দুকটা তাক করলেই কেল্লা ফতে! গুল্লি-র কোনো দরকার নাই!
এই কথা শুনে ব্রিটিশ লোকটা বলল, এ আর এমন কি? আমাদের এমন সাহস যে বন্দুক বেরই করতে হয় না….ঝোলার ভেতর থেকে বন্দুকের নলটা যদি কোনভাবে বাঘ ব্রাদারের নজরে পড়েছে বা কোনমতে টের পেইয়েচে তাইলে সেইখানেই তার হার্ট আ্যাটাক!!
এই দুইজনের কতা শুনে বাংলাদেশের লোকটা ভাবতেসে আমার তো প্রেস্টিজের ব্যাপার। তাই সে চট করে বলল-
আরে ধুরো মিয়ারা! তোমরা কোন জমানায় আছো? আমাদের তো বন্দুক-ফন্দুক কিসসু লাগে না! ওই সব আমাদের সাহসের কাছে ফালতু জিনিস, ফাও প্যাচাল!
কথা শুনে আমেরিকান আর ব্রিটিশ তো জব্বর টাসকি খায়া গেল। জিগাইল-তাইলে তোমরা বাঘরে মারো ক্যামনে?
বাংলাদেশের পাবলিক তখন কয়- আরে মিয়া এইডা কোনো ব্যাপার? কোনো বাঘ আমাদের সামনে আইলে তার সামনে গিয়া আমরা শুধু কই-
” এ রাআআ…..ম ! তুমি ন্যাংটো-পুটো? ”
চারিত্রিক সার্টিফিকেট
: কমিশনার সাহেব বাসায় আছেন ?
: কেন ?
: আমার একটা চারিত্রিক সার্টিফিকেট দরকার |
: তিন মাস পরে আসেন, উনি নারীঘটিত কেসে ছয় মাসের জেলে আছেন |
ঘাড় ধরে বের করে দেব
জেল অফিসারঃ জেলখানার ভেতর যারা আছে তারা সবাই ভীষন দুর্দান্ত চরিত্রের মানুষ। তুমি কন্ট্রোল করতে পারবেতো ?
চাকরি প্রার্থীঃ পারবনা মানে, বেশি তেড়িবেড়ি করলে ঘাড় ধরে বের করে দেব
কুমীর
টুরিস্টঃ নদীতে নামতে পারি? কুমীরের ভয় নেই তো?
স্হানীয় লোকঃ নিশ্চিন্তে নামুন। এখন আর একটি কুমীরও নেই। গত দু বছরে সবকটি কুমীর হাঙর খেয়ে ফেলেছে।
প্রেম এবং বাবা মা
প্রেমিক প্রেমিকা পার্কে গেছে প্রেম করতে। খুব ঘনিষ্ঠ অবস্হা চলছে,সন্ধ্যা হয়ে গেছে অথচ বাড়ী ফেরার নাম গন্ধ নেই। ছেলের দেরী দেখে বাবা মোবাইলে কল করলেনঃ
বাবাঃ কিরে সন্ধ্যা হয়ে গেছে, কখন বাড়ী ফিরবি?
ছেলেঃ বাবা আমিতো প্র্যাকটিকেল ক্লাসে, প্র্যাকটিকেল করছি।
বাবাঃ ও আচ্ছা
এবার মেয়ের মা কল দিলেন মেয়েকে-
মাঃ তুই কোথায়? সন্ধ্যা হয়ে গেছে যে দেখেছিস?
মেয়েঃ মা আমিতো ট্যাক্সিতে,ট্যাক্সিটা নষ্টতো তাই আস্তে আস্তে চলে।(ছেলেটাকে ইশারা করল মুখে ভট ভট করে ট্যাক্সির মত শব্দ করতে)
মাঃ (শব্দ শুনে) হু,বিয়ের আগে এরকম ট্যাক্সিতে আমিও চড়েছি। তুই ট্যাক্সিটাকে তোর বাবার কাছে নিয়ে আয়।তোর বাবা সব ঠিক করে দিবেন
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:২৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



