আমার প্রিয় পোস্ট

আমি এক স্বপ্নের সন্নাসী

সাবমিসনের রকমফের অথবা অভিন্নতা!!! একটা ছোট প্রশ্ন।

২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ ভোর ৪:৫৬

শেয়ার করুন:                   Facebook

এটা আসলে অন্য একটা ব্লগে কমেন্ট হিসেবে দিয়েছিলাম। পোস্ট টা পুরোনো হওয়াতে উত্তরের ভরসা করতে পারছিলাম না। তাই একটাঁ নতুন পোস্ট হিসেবেই দিলাম। নিতান্ত কৌতুহল থেকে জানতে চাইছি, অনেক দিন ধরে আমি ব্যাপারটার উত্তর খুজছি, কেউ আলোচনা করলে খুশি হব।

জিশুখ্রিষ্ট আর ঈসা নবি কি একি ঐতিহাসিক চরিত্র না? বাইবেলের ওল্ড টেস্টামেন্ট আর ঈনজিল শরিফ তো একি বিষয়ের বর্ননা। ঐতিহাসিক স্থান, কাল সব একি। আর
ঈসা নবি যে সৃষ্টিকর্তার(আল্লাহর) এবাদত করতেন, হযরত মু: (স.) ও তো সেই একি ধারাবাহিকতায় সেই একি স্রষ্টার এবাদত করতেন। যদি জিশু আর ঈসা একই ব্যক্তি হন সেক্ষেত্রে তো ইসলাম আর খ্রিস্টান ধর্মের কনসেপ্টে একই স্রষ্টার এবাদত করা হয়। পথ ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু ইলাহ তো একজনই, তাই নয়কি? সেক্ষেত্রে স্রষ্টা হিসেবে মুসলিমরা যাকেঁ আল্লাহ হিসেবে এবাদত করে আর ইউরোপিয়ান খ্রিস্টানরা তো তাঁকেই গড হিসেবে প্রার্থনা করে। অর্থাত্ তাঁরা একি সত্তা (এনটিটি), (যুক্তবর্ণ করতে পারলাম না, হচ্ছে না)। আমি বলতে চাই সাবমিসন তো সেই একি সত্তার (এনটিটি) কাছে, সামাজিক রতিনিতি হয়তো ভিন্ন। সেক্ষেত্রে ইসলাম আর খ্রস্টান ধর্মের মাঝে স্রষ্টাবিষয়ক কোনো ভিন্নতা তো আমি দেখি না। যেমনটা হিন্দু বা অন্য কোনো ধর্মর স্রষ্টার ধারনার সাথে রয়েছে।

প্লজ কেউ একটু আলোকিত করুন আমাকে। অগ্রিম ধন্যবাদ।

 

 

  • ৪৪ টি মন্তব্য
  • ৩৯২ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৭ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৩৪
comment by: মানবী বলেছেন: মুসলিম হিসেবে যেহেতু এক স্রষ্টায় বিশ্বাসী - শুধু খ্রীষ্টান নয়, ইহুদী, হিন্দু, বৌদ্ধ আর যতো ধর্মাবলম্বীরা যে নামেই তাঁকে ডাকুক.. তিনি এক আল্লাহ্। একেক ধর্মে তাঁকে একেক ভাবে ডাকা হয়, তবে সব শেষে আত্মসমর্পন এক স্রষ্টা, গড, ঈশ্বর, ভগবান অর্থাৎ আল্লাহ্'র কাছেই।
২. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪৯
comment by: জুবুথুবু বলেছেন: মানবী আপনার উপলদ্ধির যায়গাটা বুঝতে পেরেছি। ধন্যবাদ আপনাকে আপনার উদার মানসিকতার জন্য।

একটা বড় উত্তর তৈরি করেছিলাম আপনার জন্য। কিন্তু পোস্ট করতে গিয়ে হারিয়ে ফেললাম, লগইন না থাকার কারনে। এখন আর অবিকল ঐ কথাগুলি মনে আসছে না।
তবে একটা যায়গায় আমি আপনার কথায় দ্বিধান্বীত। প্রথাগত ধর্মিয় আচরন কি অন্য ধর্মের স্রষ্টার প্রতি আত্তসমর্পন বা আনুগত্যকে কঠোরভাবে নিরুত্সাহিত করে না? সেক্ষেত্রে সব স্রস্টার অভিন্নতার ধারনায় যৈক্তকভাবে উপনীত হওয়াটা আমার কাছে অসম্ভব মনে হচ্ছে।
আপনার উপলদ্ধিটা জানার আগ্রহ রইল।
৩. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৫
comment by: জুবুথুবু বলেছেন: আমার প্রশ্নটা জেগেছিলো এই পোস্টটি পড়ে। ঘহুরে আসতে পারেন একবার

শাওন
৪. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ ভোর ৫:২৪
comment by: মানবী বলেছেন: জুবুথুবু, আমর বক্তব্য হলো- একজন মুসলিম হিসেবে আমি বিশ্বাস করি সৃষ্টিকর্তা এক। অন্য ধর্মের স্রষ্টা বলে আলাদা কিছু নেই। এক জনই স্রষ্টা তাঁকে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীরা বিভিন্ন নামে ডাকেন। আমি মুসলিম, সুতরাং আমি এক আল্লাহ্ কে মানি, এবং তাঁর নিদের্শিত পথে চলতে চেষ্টা করি। এক জন খ্রীষ্টান তাঁর নিজের মতো করে ধর্ম মানেন। মুসলিম খ্রীষ্টানের মতো করে মানলে তো আর মুসলিম থাকবেননা, তেমনি খ্রীষ্টান মুসলিমের মতো করে মানলে তিনি খ্রীষ্টান থাকবেন না।
আপনাকে বুঝাতে পেরেছি কিনা বুঝতে পারছিনা :(
৫. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৫৭
comment by: মানবী বলেছেন: একটু কষ্ট করে এই পোস্টটি পড়লে হয়তো আমার বক্তব্য বুঝতে পানার কিছুটা সুবিধা হবে।
৬. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ ভোর ৪:১৩
comment by: জুবুথুবু বলেছেন: ধন্যবাদ মানবী। আমার জিজ্ঞাস্য টা এই বিশ্বাস কে কেন্দ্র করেই। আমি আপনাকে উদ্ধৃত করছি,
"একজন মুসলিম হিসেবে আমি বিশ্বাস করি সৃষ্টিকর্তা এক। অন্য ধর্মের স্রষ্টা বলে আলাদা কিছু নেই। এক জনই স্রষ্টা তাঁকে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীরা বিভিন্ন নামে ডাকেন।"
স্রষ্টার এবাদতের ভিন্নতার স্বিকৃতি কি পবিত্র কোরান ও হাদিসের আলোকে ব্যাখ্যা করা যায়। ভিন্ন ধর্মাবলম্বি হয়েও যারা নিজেদের ধর্ম বিশ্বাসের আলোকে এক ও অদ্বিতীয় স্রষ্টার (আল্লার) এবাদত করেন, তারা কি আল্লাহর নিকট দুনিয়াতে আর আখেরাতে সমান মর্যাদা ও অনুগ্রহ লাভ করেন? যদি সেটাই হয় তবে ভিন্ন ধর্মাবলম্বিদের ইসলামে ধর্মান্তরকরনের তো কোনো প্রয়োজন ও যৌক্তিকতা দেখছি না।
৭. ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ২:২৪
comment by: মানবী বলেছেন: স্রষ্টা এক এবং অভিন্ন।
কুরআনে মহান আল্লাহ্ নির্দেশিত উপায়ে ইবাদত করেই একজন মুসলিম। এক জন মুসলিমের কাছে খ্রীষ্ট বা অন্য কোন ধর্মের মতো করে উপাসনা সঠিক নয়, নিজেদেরটা সঠিক এবং তা মেনেই তিনি মুসলিম। ঠিক তেমনি ভাবে, একজন খ্রীষ্টান বা অন্য ধর্মাবলম্বীর কাছে ঈশ্বর/ ভগবানের উপাসনা করার জন্য নিজের পথটিই সঠিক, অন্য ধর্মেরটি নয়। আর সেই কারনেই ধর্মান্তরের প্রশ্ন আসে।

ধর্ম মানুষের বিশ্বাস, যে যেভাবে ঈশ্বরের সান্যিধ্য লাভের পথটি সঠিক এবং নির্ভুল মনে করেন, বিশ্বাস করেন, তিনি সেই ধর্ম অবলম্বন করেন। :)
৮. ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৪৬
comment by: জুবুথুবু বলেছেন: ধন্যবাদ মানবী। আপনার দৃষ্টিভঙ্গি অনেক উদার আর আপনার বিশ্বাস আপনার উপলদ্ধির যায়গায় গিয়ে মিশেছে। এইখানে যুক্তি প্রতিযুক্তি আমার কাছে কিছুটা অস্বস্তিকর।
আমার এই পোস্টের মূল উদ্দেশ্যও তা ছিল না। ধর্মের ঐতিহাসিক বিবর্তনেই একটা নির্দিষ্ট ভুখন্ডে নির্দষ্ট জনপদে ইহুদি, খ্রিস্টান আর ইসলাম ধর্মের কালানুক্রমিক উত্পতি। প্রত্যেক ধর্মেই প্রত্তাদেশ বা ওহি এসেছে একই স্রষ্টার কাছ থেকে। সংকলিত আসমানি কিতাবসমূহ তার সরাসরি নির্দেশনা। এর পরও ধর্মিয় বিভাজন থেকে যাওয়া এবং এটা নিয়ে শতাব্দির পর শতাব্দি ব্যাপি রক্তক্ষয়ী বৈরিতা বিদ্যমান থাকা আসলে স্রষ্টার অস্তিত্তকেই, নিদেনপক্ষে তার অক্ষমতাকেই নির্দেশ করে। স্রষ্টাকে সর্বশক্তিমান এবং সর্বজ্ঞ হিসেবে মেনে নেয়া হয়েছে। কিন্তু তার প্রেরিত পুরুষদের মাধ্যমে পাঠানো ধর্মীয় মতবাদ এবং ধর্মীয় আচরন ক্রমাগত বিবর্তিত হয়েছে। তারমানে স্রষ্টা তার মতবাদের বিবর্তন করেছেন, এটা কি তার সর্বজ্ঞ ধারনার সাথে contradictory na?
অনেক যুক্তির অবতারনা করে হয়তো এই অভিযোগটাকে ডিফেন্ড করা যাবে, কিন্তু আমার মনে হয়না তাতে যে গ্রাউন্ড থেকে প্রশ্নটা করা হয়েছে তাকে খুব সত্ ভাবে address করা যাবে।
আপনার মন্তব্যের অপেক্ষায় থাকব।
৯. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ১২:৩১
comment by: রিফাত ভাই বলেছেন: আপনাকে প্যাঁচালী ডট কম ( http://www.pechali.com ) এ আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। ভালো লাগলে আসবেন আমাদের সাথে আড্ডায় বসতে।
১০. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১:৪৯
comment by: মানবী বলেছেন: আল্লাহ্'র প্রেরিত ধর্ম গ্রন্থগুলো মানুষের জীবন বিধান। সময়ের সাথে সাথে অনস্থার প্রেক্ষিতে তিনি তাঁর কিছু আদেশ নিষেধে নমনীয়তা কখনও কঠোরতা এনেছেন।
বিভিন্ন গ্রন্থের কথা বাদ দিলাম, কুরআনের প্রথম দিকেই জুয়া ও মদ হারাম করা হয়নি। মানুষ যখন এই দুইয়ের এ্যবিউজ করেছে এবং এসবের কারনে আল্লাহ্'র ইবাদতে বিঘ্ন ঘটিয়েছে.. তখন এগুলো নিষেধ করা হয়েছে।

মুসলিম হিসেবে বিশ্বাস করি, কুরআন সম্পূর্ণ নাজিল করার পর আল্লাহ্ জানিয়েছেন যে তিনি মানুষের জন্য 'সম্পূর্ণ জীবন বিধান' প্রেরণ করলেন। সুতরাং, পূর্বের গ্রন্থগুলো এবং কুরআনে কিছু ব্যতিক্রম থাক স্রষ্টা কন্ট্রাডিক্টরি কিছু করেছেন বলা যাবেনা। কারন, কুরআন সম্পূর্ণ প্রেরণের আগে তিনি কোথাও বলেননি যে তাঁর নির্দেশ পরিবর্তন হবেনা।

(এবিষয়ে আর আলোচনা করবোনা। ধর্ম প্রত্যেকের নিজস্ব বিশ্বাস, তর্ক করে কারো বিশ্বাস পরিবর্তন করা যাবে না :)

জুবুথুবু, এখনও প্রথম পাতায় এ্যাক্সেস দেয়নি আপনাকে!!
১১. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১:৫০
comment by: মানবী বলেছেন: প্রথম পাতার অভিনন্দন জুবুথুবু :)
১২. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১:৫৩
comment by: রাশেদ বলেছেন: স্বাগতম!
১৩. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১:৫৬
comment by: মানবী বলেছেন: মি এন্ড মাই টাইপিং :(

অনস্থার প্রেক্ষিতে = অবস্থার প্রেক্ষিতে
ব্যতিক্রম থাক = ব্যতিক্রম থাকলে
১৪. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৫:৫০
comment by: জুবুথুবু বলেছেন: মানবী, প্রথমেই দুঃখ প্রকাশ করছি আপনার নিজস্ব নৈতিক অবস্থানে অস্বস্তিকর অনুপ্রবেশে। আমি আগেই বিষয়টা পরিষ্কার করে বলেছিলাম আমার এই পোস্টের উদ্দেশ্য তা ছিলো না। এই অনভিপ্রত অবতারনাটা বিষয়ের বাইরে বলে ভাববেন।
আমি আসলে বিষয়টার ঐতিহাসিক দিকটাকে জানতে চাইছিলাম। ইহুদি, খ্রিস্টান আর মুসলিমদের মাঝে যে আপাত বৈরিতা ইতেহাসে দেখা যায় সেটার কারন ও প্রেক্ষাপট হয়ত ইতিহাসে খুজে পাওয়া যাবে। বিষয়টাকে ধর্মীয় দৃষ্টিকোন থেকে কিভাবে দেখা হয় সেটাই আমার আগ্রহের বিষয় ছিল।
আমি আপনার নিজস্ব মতামত পেয়েছি। একটা দৃষ্টিভঙ্গি জানা হল। ধন্যবাদ এই বিষয়টাকে আলোকিত করার জন্য।

প্রথম পাতায় এক্সেসের ব্যাপারটা বুঝলাম না। আমি তো প্রথম পাতায় অনেক আগে থেকেই ঢুকতে পারি। তবে এই পোস্ট টা প্রথম পাতায় আসেনি কেনো জেনো। ব্লগের সব কানুন এখনো বুঝে উঠতে পারি নাই। অনেক ধন্যবাদ অভিনন্দন এর জন্য।

@রাশেদ, আপনাকেও ধন্যবাদ।
১৫. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:০০
comment by: আমি কে বলেছেন: আপনি এক্সেস করতে পারবেন প্রথম পাতায়, কিন্তু আপনার পোস্ট প্রথম পাতায় পাবলিশ করতে পারবেন না বেশ কিছু দিন। আপনার ব্লগ অ্যাড্রেসে সেইভ হয়ে থাকবে।
১৬. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:১৫
comment by: জুবুথুবু বলেছেন: ধন্যবাদ আমি কে।
প্রথম পাতায় পাবলিশ করতে কি করতে হবে? পোস্টের সময় একটা মেসেজ এসেছিল কতৃপক্ষ কিছুটা পর্যবেক্ষনের পর সিদ্ধান্ত নেবে এই ব্যপারে।
১৭. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৫:১১
comment by: মানবী বলেছেন: জুবুথুবু, দুঃখ প্রকাশের কিছু নেই। আমার ভালো লেগেছে আলচোনা করতে, এক সময় তো ইতি টানতেই হবে.. তাই শেষ করা :)

প্রথম পাতায় এ্যক্সেস হলো, আপনি পোস্ট করলে তা প্রথম পাতায় প্রকাশিত হবে, আপনার পোস্টে মন্তব্য করা হলে তা "সাম্প্রতিক মন্তব্যের" ঘরে দেখা যাবে। আপনাকে প্রথম পাতায় এ্যাক্সেস দেয়া হয়েছে।

ধন্যবাদ।
১৮. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:৪৭
comment by: পুতুল বলেছেন: জুবুথুবু, অনেকবার ঢুকেছি আপনার ব্লগে। আমি নাস্তিক তাই তাই আলোচনায় অংশ গ্রহন থেকে বিরত ছিলাম। প্রথম পাতায় স্বাগতম।
১৯. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১১:০৬
comment by: জুবুথুবু বলেছেন: ধন্যবাদ মানবী, যতটুকু বুঝতে পারছি এতে আপনার কোনো ইংগিত ছিলো, এজন্য আবারো ধন্যবাদ।
খুব ভালো লেগেছে যে আলোচনাটাকে আপনি সরাসরি address করেছেন, পাতিলা না ঠেলে। অনেক ক্ষেত্রেই আমরা যুক্তিবোধের কাফেলাটা উপলদ্ধীর চৌকাঠ পর্যন্ত নিয়েই থেমে যাই। আমি আসলে ঐ চৌকাঠ টা ডিংগাতে চাইছিলাম।
আলোচনার জন্য ধন্যবাদ।
২০. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১১:০৯
comment by: জুবুথুবু বলেছেন: ধন্যবাদ পুতুল। আপনি আমার প্রিয় ব্লগারদের একজন। উৎসাহো পাবো আপনার আগ্রহে।
২১. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩০
comment by: বিহংগ বলেছেন: ভিন্ন পথ।লক্ষ্য একই।৫
২২. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৮:০১
comment by: জুবুথুবু বলেছেন: ৫ এর জন্য ধন্যবাদ বিহংগ।
২৩. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১১:২৫
comment by: পুতুল বলেছেন: আছেন কেমন? জুবুথুবু? ঈদ মোবারক।
২৪. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১১:৩৮
comment by: জুবুথুবু বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ পুতুল। ভালো আছি। আপনাকেউ বাসি ঈদের তাজা শুভেচ্ছা। আপনার ব্লগে কিন্তু নিয়মিত ঢু মারি। তবে কমেন্ট করা হয় না। আপনার লেখাটার একটা বৃহৎ ছবি আকার চেষ্টা করছি। বিষয়টা আমার খুব প্রিয়।
২৫. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৩:১৬
comment by: পুতুল বলেছেন: ধন্যবাদ জুবুথুবু। ভাল থাকবেন।
২৬. ২০ শে অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩০
comment by: বিহংগ বলেছেন: জুবুথুবু, কেমন আছেন।
২৭. ২০ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:০৯
comment by: জুবুথুবু বলেছেন: বিহংগ, অনেক ধন্যবাদ খোজ নেবার জন্য। চমত্কার আছি। ফুলবালিকা নিয়ে আপনার পোস্ট পড়তে গিয়েছিলাম কৌশিকদার একটা মন্তব্য থেকে। অশ্রু নয়নে পড়তে হয়েছে। আপনি তো দারুন লিখেন!
২৮. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৮:০৫
comment by: বিহংগ বলেছেন: জুবুথুবু, ধন্যবাদ লিখা পড়ার জন্য।
বুকের গহীন থেকে সাধুবাদ। লিখার পর যদি আপনাদের ফীডব্যাক আশা করি। তাইলে নিজের জন্য সুবিধা হয়।
২৯. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৪৫
comment by: বিহংগ বলেছেন: ও মাই গড, আপনি দেখি আমার বাড়ি কেনার খবরও পেয়েছেন। ভালো থাকুন। নতুন কবিতায় স্বাগতম।
৩০. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:১১
comment by: জুবুথুবু বলেছেন: কবিতা পড়েছি, বরাবরের মতো চমত্কার। মাথা জ্যাম হয়ে আছে কয়েকদিন। একটু ঠিক হলে আপনার ব্লগবাড়িতে হুরমুঢ় করে ঢুকবো।
৩১. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৩৩
comment by: শাওন বলেছেন: সরি ভাই । আমি ব্যাপারটা খেয়াল করিনি । চোখের উপর দিয়ে চলে গিয়েছে ।

--আপনার কথা মত : " মুসলিমদের 'আল্লাহ' আর ইউরোপিয়ান খ্রিস্টানদের 'গড' তো একি সত্তা (এনটিটি)" হলে আজও খ্রিষ্টান আর মুসলিম আলাদা কেন ? দুটো গোত্রের মধ্যে মারামারি কেন ?

-- খ্রিষ্টানরা যীশূকে আল্লাহর পুত্র বলে সম্বোধন করে । কিন্তু আল্লাহর যে কোনো পুত্র নেই । আল্লাহ যে এসব থেকে অনেক উপরে ।

-- মুসলমানরা নামাজ পড়ে । ওরা যে পড়েনা ।

-- মুসলমানরা যে হালাল হারাম বেছে খায় , ওরা তো খায়না ।

এরকম অনেক পয়েন্ট আছে ।
৩২. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:১৮
comment by: জুবুথুবু বলেছেন: অর্থাত্ আচরনের ভিন্নতা। সেগুলোও তো এসেছে ভিন্ন ভিন্ন সময়ের কিছু ঐশি নির্দেশের প্রতিপালনের ফলেই। আর সে ঐশি নির্দেশগুলিওতো এসেছে একি স্রষ্টার কাছ থেকেই তাই নয়কি? সময়ের বিবর্তনে আচরনের ভিন্নতা আসলে সেটাকে না হয় মানা যায়, এমনকি এটাকে কেন্দ্র করে জনগোষ্ঠির পৃথকভাবে ধর্মপালনের ঐতিহ্যকেও নাহয় বোঝা যায়। একদল পূর্বতন নিয়মকানুন গুলিকে আকরে থাকতে চায়, আরেকদল নতুন গুলিকে। তাতেতো উভয়ের স্ব স্ব ক্ষেত্রে সাবমিশনের গুনগত কোনো রকমফের দেখিনা। স্রষ্টার যে গুনগুলিকে উভয়গোষ্ঠি প্রশংশা করে এবং তাদেরকে কেন্দ্র করে এবাদত করে তার আলোকে বলা স্রষ্টার কাছে আচরনের এই ভিন্নতা খুব গুরুত্বপূর্ণ হবার কথা না।
ধর্মের যে সামাজিক অবয়বটা তাকে পরিবর্তন করলেই সাবমিশনের পূর্ণাংগতা আসে আর প্রতিশ্রুত পারলৌকিক সুবিধাদির নিশ্চয়তা আসে, এই ভাবনাটাই আমার কাছে হাস্যকর মনে হয়।
ধর্মান্তরের প্রশ্নটাও আমার কাছে একারনেই হাস্যকর মনে হয়, যদিও জানি এটা মুসলিমদের কাছে একটা গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় অনুষংগ।
৩৩. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:১৯
comment by: জুবুথুবু বলেছেন: উপরের মন্তব্য @ শাওন
৩৪. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:১৯
comment by: বিহংগ বলেছেন: জুবুথুবু,
আমার ও আসা হয়না, আপনারা আমারও খোঁজ রাখেন না। কেমন আছেন?
৩৫. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৩১
comment by: জুবুথুবু বলেছেন: আপনার খোঁজ নিতে যাইত মাঝে মাঝে, কিন্তু আপনিতো ব্লগবাড়িটা ফাকা রেখে কোথায় যেন উধাও হয়েছিলেন। অনেক ভাল লাগল আপানাকে অনেক দিন পর ব্লগে পেয়ে। আপনার হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া লেখা আবার চাই, অনেক অনেক।
৩৬. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪৮
comment by: বিহংগ বলেছেন: যাক, আজকে দেখা হয়ে গেলো।
ভালো আছেন , তাই না।
৩৭. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৫০
comment by: পুতুল বলেছেন: ঈদ মোবারক! প্রিয় জুবুথুবু।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:১৪

লেখক বলেছেন: এই দেখুন আপনার মন্তব্যের জবাব দেয়া হয়নি। অনেক দিন ব্লগে লগইন করা হয়নি।
অনেক অনেক ধন্যবাদ প্রিয় পুতুলদি। আপানাকেও ঈদ মুবারক। আমার ব্লগে এসে আমাকে খুঁজে গেছেন, এই আনন্দ আমার কাছে সিম্পলি মাত্রাছাড়া।

৩৮. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:৪৬
comment by: পুতুল বলেছেন: প্রিয় জুবুথুবু, অনেকদিন দেখা নেই!
আমিও মৌলিক কোন লেখা লিখতে পারছিলাম না। ব্যাক্তিগত অনেক ঝামেলার ভেতরে ছিলাম।
কিন্তু এখন লেখায় মনোযোগ দিতে পারব।
রক্তজবা নামের গল্পটি সময় করে পড়তে পারলে খুব খুশী হব।
আর এখন থেকে শেরালী কথাই লিখব।
ভাল থাকবেন।
বাসন্তী শুভেচ্ছা।
০৫ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ২:২৩

লেখক বলেছেন: আজ অনেক দিন পর ব্লগে লগ ইন করেছিলাম শুধু আপনার লেখাতে মন্তব্য করব বলে। করে এসেই দেখি আমার ব্লগে আপনার আমন্ত্রন। গল্পটা দারুন হয়েছে। কোথায় যেন আমার নিজের ভেতরের কিছুটা অনুরনন। পরার সময় সেটার হাতছানিতে কিছুটা উদ্বেল ছিলাম।

কাজের চাপে সময় পাচ্ছি না খুব একটা, আগামি সপ্তাহে দেশে যাবো। আপনার লেখার আরো বেশি স্বাদ নেয়া যাবে।

৩৯. ১৫ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:৪৯
comment by: পুতুল বলেছেন: শুভ নববর্ষ ১৪১৫
০৫ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:২৬

লেখক বলেছেন: এইরে, এতোদিন হয়ে গেল!! এখন প্রতিসম্ভাষন দেয়াটা বাতুলাতা। অনেক অনেক ভালো থাকবেন।

৪০. ১৮ ই মে, ২০০৮ দুপুর ২:১৩
comment by: স্রাফা বলেছেন: নিছের লিংকে গিয়ে...
ভোট দিন.

টাইপ করুন : ৫.ক


Click This Link
৪১. ২৯ শে মে, ২০০৮ সকাল ১০:২০
comment by: সমাজতান্ত্রিক ফোরাম বলেছেন:
প্রিয় সমাজতান্ত্রিক ফোরাম গ্রুপের সদস্য,

আমাদের প্রিয় ব্লগার নিকো "সমাজতন্ত্রের প্রায়োগিকতা" শীর্ষক তার একটি পোস্টে ( Click This Link) একটি আলোচনা উপস্থাপন করেছিলেন, যেখানে তিনি বাংলাদেশের বাম দলগুলোর বিরোধ নিয়ে চমৎকার একটি সমালোচনা করেছেন। এই আলোচনাটি নিয়ে সমাজতান্ত্রিক ফোরাম গ্রুপের সদস্যদের মধ্যে একটি ওপেন বিতর্ক হতে পারে বিবেচনা করে পোস্টটিকে স্টিকি করা হয়েছে। এবং মূল আলোচনার সাথে যুক্ত করে তিনটি প্রশ্ন নির্ধারণ করা হয়েছে। আমরা আশা করছি, আপনারা এই বিতর্কে অংশ নিবেন এবং আপনাদের গুরুত্বপূর্ণ মতামতটি জানাবেন।
প্রশ্ন গুলো নিম্নরূপঃ
১। কেন বাম দলগুলো এত ভাগে বিভক্ত? অন্তত তাদের নেতাদের বক্তৃতা শুনলে খুব বেশী পার্থক্য আছে বলে মনে হয় না।
২। বিপ্লবের স্তর কি হবে? সমাজতান্ত্রিক? জনগণতান্ত্রিক? বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক?
৩। আমাদের রাষ্ট্র ব্যবস্থা ও উৎপাদন পদ্ধতি কিরূপ? পুঁজিবাদী? সামন্তীয়? আধা পুঁজিবাদ, আধা সামন্তবাদ? আধা সাম্রাজ্যবাদ আধা সামন্তীয়?



 

 

comment by:
কানামাছি ভোভো
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ১৭০২