আমার প্রিয় পোস্ট
- কম সময়ে একসাথে আপলোড করে ব্লগে অনেক অনেক ছবি দেওয়ার অনেকগুলো উপায় (নতুনদের জন্য) - সাইফুলহাসানসিপাত
- বাংলা ব্লগের বিভাজন রেখা : কর্পোরেট বনাম ইনডিপেন্ডেন্ট ব্লগ - মাহবুব মোর্শেদ
- একদিন, দেখে নিও! - সুলতানা শিরীন সাজি
- ব্যাবিলনের শুন্যোদ্যান ( Hanging Garden of Babylon) - বীরেনদ্র
- ব্লগ রাজনীতি ও ব্লগের রাজনীতি - একরামুল হক শামীম
- বেগম আখতার গানের জগতের সম্রাজ্ঞী। - সুরঞ্জনা
- জেগে ওঠো মানুষ, বেঁচে উঠুক তিতাস - অন্যমনস্ক শরৎ
- সামুর বেশকিছু টেকি , টিপস এন্ড ট্রিকস এবং দরকারি পোস্টের সংকলন

- রবিন মিলফোর্ড
- ফিরে দেখা ২০১১ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগে যা কিছু আলোচিত-সমালোচিত... - ফিউশন ফাইভ
- আমার ছানা পাখীর লেখা গল্প " মুক্তিযোদ্ধার গল্প" পড়ে আমি নিজেই মুগ্ধ - মেহবুবা
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র : জনপ্রিয় কিছু অনুষ্ঠান ও তাদের নেপথ্যের কুশলীরা - দস্যু রত্নাকর
- ১৯৭১ , জেড ফোর্সের মুক্তিযুদ্ধ : জিয়া-শাফায়াত-মইন-আমিনুলদের যুদ্ধ দিনের গল্প জানুন ছবি আর বর্ননায়........ - দাসত্ব
- স্মৃতির পাতা থেকে........ - নাআমি
- খনা : এক ক্ষণজন্মা কিংবদন্তীর দুঃখগাথা - ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন
- ক্যাট স্টিভেন্স থেকে ইউসুফ ইসলাম - অসম্ভব জনপ্রিয় এক নওমুসলিমের ইতিকথা - কবির চৌধুরী
- ব্যাক্তি নিরাপত্তা ও আমরা কি করবো। - জুন
- জেনে নিন আপনি সামহোয়্যারের কত নাম্বার ব্লগার {(যারা জানেনা তাদের জন্য) সম্পূর্ণ আজাইড়া পোস্ট} - অণুজীব
- দেখা হবে আবার, এই সামহয়্যারইন, এই মায়াবীবৃক্ষের তলায় - সুনীল সমুদ্র
- সকল ব্লগারের নামের লিস্ট ও লিংক এক জায়গায় জড়ো করা হচ্ছে, আপনারা সহযোগীতা করুন - বহুরূপী মহাজন
- ·٠•●♥♫♫♫ "লালন" - পোস্ট সংকলন ♫♫♫·•●♥ ·٠ - কবির চৌধুরী
- সোনারগাঁও হোটেলের সোনালী স্মৃতি - চার্ত্রুজ-বী
- সোনারগাঁও হোটেলের সোনালী স্মৃতি .... ২য় খন্ড - চার্ত্রুজ-বী
- শব্দ কল্প দ্রুম -৩ - বোকা ছেলে
- আজম খানকে নৈবেদ্য - তাঁর কীর্তি সমগ্র - কবির চৌধুরী
- আঁধারপ্রেমী - অনিক
- ২০০ বছরের পরাধীনতা এবং আমাদের তথাকথিত ওয়ার সিমেট্রী: পর্ব - ১ - মিলটন
- ডঃ ইউনুস ও আমার দেখা একটি সিনেমার কাহীনি - মুরশীদ
- মাতৃভাষা আন্দোলনের সেই সব সূর্যসন্তানেরা...... - রেজোওয়ানা
- - হৃদয়ের কথা-নির্মম বাস্তবতা আর রূপকথা - মানবী
উপজাতীয় সংস্কৃতির টুকিটাকিঃ
০৬ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১:২০
উপজাতীয় সংস্কৃতির টুকিটাকিঃ
"বিশ্ব কবির সোনার বাংলা, নজরুলের বাংলাদেশ, জীবনানন্দের রুপসী বাংলা রুপের যে তার নেইকো শেষ"- সত্যি আমাদের বাংলাদেশকে বিধাতা সাজিয়েছেন নিজ হাতে নানান সাজে, নানান বৈচিত্রে- রুপসী করে!তাইতো কবিগুরু আমাদের জন্ম ভুমিকে দেখেছেন সোনার বাংলা হিসেবে, জীবনান্দ দাশ দেখেছেন রুপসী বাংলার সাজে।ইবনে বতুতা প্রাচীণ বাংলা ভ্রমন করে বাংলাকে আখ্যায়ীত করেছিলেন "Jannat-ul-Bilad" অর্থাৎ পৃথিবীর স্বর্গ হিসেবে। আমরা যারা কবি নই, সাহিত্যিক নই-কিন্তু বাংলাকে দেখেছি নানান বৈচিত্রে-তারই কিছু অভিজ্ঞতা আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই। আমি প্রথমেই তুলে ধরবো বাংলাদেশে উপজাতীয়দের মৌলিক কিছু সংস্কৃতির চিত্র-যা একান্তই আমার দেখা, আমার জানা এবং কিছুটা আমার নিজস্ব ধারনা।
বাংলাদেশ একটি অবারিত সৌন্দর্যের লীলাভুমি। এখানে আছে শতাধিক বিচিত্র ধর্মী নদনদী, চিরসবুজ পাহাড়ঘেরা স্ফটিক জলের হ্রদ, বৃস্টি প্রবণ ক্রান্তীয় অঞ্চলের বনভুমি, চমতকার জলপ্রপাতের ধারার ন্যায় নেমে আসা অসংখ্য চা-বাগান, বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল, পৃথিবীর বৃহত্তম অভগ্ন প্রকৃতিক সমুদ্র সৈকত, অবারিত সুর্য্যলোক, বিস্তীর্ণ শস্যক্ষেত, সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, বৌদ্ধ সভ্যতার অনেক প্রাচীণ নিদর্শন এবং সর্বোপরি বিচিত্র উপজাতীয় সংস্কৃতি ও জীবনাচার।সত্যিকার অর্থেই বাংলাদেশ পৃথিবীর মানচিত্রে একটি সৌম্য, শান্ত হৃদয়কারা শান্তির দেশ।
এদেশের সমৃদ্ধ উপজাতীয় জনগোষ্ঠী সমতলের অন্যান্য জনগোষ্ঠীর মতই সহজ-সরল এবং বিশাল / উদার মনের অধিকারী। তাদের আছে নির্দিস্ট সংস্কৃতি, জীবনধারা ও আচার-অনুষ্ঠান। তাদের ব্যবহৃত বহুবিধ ভাষা ও সংস্কৃতিক ঐতিয্য বাংলাদেশের মুল সংস্কৃতিকে করেছে আরো বেশী সমৃদ্ধ। বাংলাদেশের অনেকগুলো উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো-চাকমা, সাঁওতাল, ওঁরাও, মালো, রাজবংশী, গারো, হাজং, মণিপুরি, খাসিয়া, রাখাইন, টিপরা, পাত্র ইত্যাদি।বাংলাদেশের দক্ষিন পুর্ব, উত্তর মধ্য সমভুমি, উত্তর পুর্বে চা-বাগান এবং উপকুলীয় অঞ্চলসমুহে এদের বসবাস। প্রতিটি উপজাতীয় জনগোষ্ঠীরই রয়েছে স্বতন্ত্র সংস্কৃতিক বৈশিস্ট। এদের সংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-তঞ্চংগাদের কোরাস গান, মনিপুরীদের "রাসলীলা" নৃত্য, চাকমা, ত্রিপুরা এবং মারমাদের নববর্ষ উপলক্ষে নানান বর্ণিল অনুষ্ঠান, খিয়াংদের জুম চাষ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠান। বাংলাদেশের বেশীর ভাগ উপজাতীয়দের রয়েছে তাদের নিজস্ব ভাষা, নিজস্ব পার্বণ। প্রায় সব উপজাতীয়রাই তাদের পার্বণ উপলক্ষে আয়োজন করে নৃত্য-গীতের অনুষ্ঠান।
মণিপুরী উপজাতীয়দের সব চাইতে উল্লেখযোগ্য অনুষ্ঠান হলো-রাধা-কৃষনের প্রেমলীলাকে ঘিরে আয়োজিত "গোপী নৃত্যানুষ্ঠান"। তাছাড়া মনিপুরী, সাঁওতাল ও ওঁরাও'রা বসন্তকালে "হোলী" উতসবের আয়োজন করে থাকে-যেখানে একে অন্যকে রঙ ছিটিয়ে উচ্ছল উতসবে মেতে ওঠে। ওঁরাও যুবক-যুবতীরা নিজেদের তৈরী মদ পানকরে ঢোল-বাঁশী এবং মন্দিরার তালে তালে নেচে বছরের প্রথম রজনী উতযাপন করে-যা অত্যন্ত উপভোগ্য। বাংলাদেশের অনেক উপজাতীয়রা তাদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে বিভিন্ন ঋতুকে ঘিরে। মনিপুরিরা শস্য কাটার মৌসুমে গানের প্রতিযোগীতার আয়োজন করে থাকে। মালো পাহাড়ি উপজাতীয় যুবক-যুবতীরা ফসল ঘরে তোলার প্রথম দিনে মদপান করে নৃত্য করে সারারাত ধরে। একই কায়দায় সাঁওতালরা একনাগারে ৪ দিন ধরে ফসল কাটার উতসবের আয়োজন করে থাকে।অন্যদিকে গারো উপজাতীয়রা শস্য বপন এবং শস্য কাটা উভয় মৌসুমেই অমন আয়োজন করে থাকে। এদের প্রত্যেকটি উতসবের আয়োজনই হয়ে থাকে রাতে এবং সব অনুষ্ঠানেই স্থানীয় ভাবে তৈরী মদ পান এবং নাচ-গানের আয়োজন থাকবেই। গারোদের অনুষ্ঠানে মহিষের শিং'এ তৈরী শিংগা বাঁজানো হয় এবং রাতের গভীরতার সাথে সাথে মদ্যপানের মাত্রা এবং নাচের উদ্যামতা বাড়তে থাকে।
বাংলাদেশের উপজাতীয় জনগোষ্ঠীসমুহের মধ্যে গারো এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের কতিপয় বৌদ্ধ ধর্মাবল্মবী উপজাতি ছাড়া অধিকাংশ উপজাতিরই কোন নির্দিস্ট ধর্মবিশ্বাস নেই। এদের অধিকাংশই তাদের প্রাচীন রিতিনীতিকেই তাদের ধর্ম হিসাবে বিশ্বাস করে। ঈদানীং গারো এবং সাঁওতালদের অনেকেই খ্রীস্টধর্ম গ্রহন করেছে কিন্তু পাশাপাশি তাদের প্রাচীন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানাদিও পালন করে যাচ্ছে! ওঁরাও এবং মনিপুরি উপজাতীয় জনগোষ্ঠী এখনো পুর্নিমা এবং অমাবস্যাকে অত্যন্ত গুরুত্বে সাথে উতযাপন করে থাকে। তাদের ধর্মীয় এবং সংস্কৃতিক অনুষ্ঠানাদির বেশীর ভাগই পুর্ণিমা এবং অমাবস্যায় উতযাপিত হয়ে থাকে।
উপজাতীয় সংস্কৃতির একটি উল্ল্যেখযোগ্য দিক হলো-তাদের বিভিন্ন প্রকার কুসংস্কার! যেমন ওঁরাও উপজাতি কোথাও যাত্রা স্থগিত করবে যদি যাত্রারম্ভে হোঁচট খায়, পেছন থেকে কেউ ডাক দেয়, টিকটিকি ডাকে, কাক ডাকে কিম্বা শুণ্য কলশী নজরে পরে।ওঁরাও'রা জমি চাষ শুরু করে পুর্ব দিক থেকে-তাহলে ফসল বেশী ফলবে, ঘর বানানো শুরু করবে ওদের পবিত্র দিন মঙ্গলবার। তারা মনে করে ডান দিকে চুলের সিঁথি করা, সন্ধ্যা বেলা ঘর ঝাড়ু দেয়া, মেয়েদের মাথার চুল বাহিরে ফেলে দেয়া(মাটিতে পুতে রাখতে হবে), সুর্য্যাস্তের পর নিজ ঘর থেকে অন্যকে কিছু ধার দেয়া, পেঁচার ডাক শোনা, রাতে কুকুরের কান্না ইত্যাদি অলক্ষুণে বিশয়। তারা আরো মনে করে দুধেল গাভীর প্রথম দুধ নিজেদের পান করা সাস্থ্যহানির কারন এবং সন্তান জন্ম দানের পর একনাগারে ৭ দিন নবজাতক শিশু এবং মা'কে গো-শালায় রাখা ঈশ্বরের নির্দেশ। গারোরা বিশ্বাস করে পরিবারের মৃত সিনিয়র আত্মীয়ের আত্মা রাতে হিংস্র পশু হয়ে পৃথিবীতে ফিরে এসে পরিবারের অন্য কাউকে হত্যা করবে। মানুষ হত্যা করার সুযোগ না পেলে অন্তত গৃহপালিত কোন গবাদিপশু হত্যা করবেই। মনিপুরি গর্ভবতী নারীরা খোলা চুলে ঘরের বাহির হয়না-চুলের সাথে ভুত-প্রেত ঘরে চলে আসার ভয়। তাছাড়াও মনিপুরি গর্ভবতী মহিলা কোন অবস্থায় সাঁকো কিম্বা নদী পার হলে গর্ভের সন্তানের অনিস্ট হবে। খাসিয়া ও মুন্ডা উপজাতীয় জনগোষ্ঠী বিশ্বাস করে-পরিবারের মৃত আপনজনের মৃত আত্মা তাদের ঘরে প্রবেশ করতে পারে-তাই তারা তাদের ঘরের ভিতর নির্দিস্ট একটা বসার যায়গা করে রাখে-যেখানে মৃত আত্মারা এসে রাতে বসবে।
ভিন্ন ভিন্ন উপজাতীদের বিয়ের অনুষ্ঠানও অনেক চমকপ্রদ। অধিকাংশ উপজাতীয়দের ভিতরে নারী-পুরুষের প্রেমের বিয়ের প্রচলন খুব বেশী। তারা বিয়ের পুর্বেই ভবিষ্যত দম্পতিদের পরিচয় এবং জানাশোনাকে বিয়ের অংশ মনে করে। সিলেট অঞ্চলে বাস করে "পাত্র" নামক সম্প্রাদায়। তাদের বিয়েতে বর-কণেকে অবশ্যই পালকী চড়ে নিতে হবে! ওঁরাও সম্প্রদায়ের মধ্যে ভাদ্র, পৌষ ও চৈত্র মাসে বিয়ে সম্পুর্ণ নিষিদ্ধ। তাদের বিয়েতে বিবাহপুর্ব অনুষ্ঠান যেমন-পারস্পরিক বর-কণে দেখা, পাত্র-পাত্রীর গায়েহলুদ অনুষ্ঠান আবশ্যিক এবং পাত্রকে যৌতুক প্রদান বাধ্যতামুলক। বিয়েতে পাত্র-পাত্রী উভয় পরিবারের পক্ষের মহিলারা বিয়েসংক্রান্ত গান গেয়ে আনন্দ ফুর্তি করে।ওঁরাও এবং মনিপুরিদের ধর্মের সাথে হিন্দু ধর্মের অনেক মিল খুঁজে পাওয়া যায়। এরা বিয়ের সময় উঠোনে রংগীন শামিয়ানা টাংগিয়ে থাকে। শামিয়ানার নিচে ঈশ্বরের আশীর্বাদ লাভের জন্য মংগলঘাট স্থাপন করে। শামিয়ানার নিচে বর-কণে উভয়ে উভয়কে কপালে সিদুর পরিয়ে দেয় এবং সেইসাথে উভয় পক্ষের মহিলারা সমস্বরে উলুধ্ববি দেয়।অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে বর-কণে মংগলঘাটের চারপাশে দুজন দুজনার হাত ধরে ঘোরে। তখন মুরব্বীরা বর-কণেকে দুর্ব্বা ঘাস ও ধান দিয়ে আশীর্বাদ করে। মনিপুরিরা বিয়ের সময় প্রদীপ জ্বালিয়ে একটি ছেলে শিশুর দ্বারা কণের পা ধুয়ে কণেকে স্বাগত জানায় এবং একই সময় বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে কীর্তন পরিবেশন করে। বর-কণেকে ঘরে তোলার পরে একটি পানি ভর্তি পাত্রে দুটো টাকি মাছ ছেড়ে দিয়ে নির্দিস্ট সংখ্যা গণনার মধ্যে মাছ দুটো ধরতে ব্যার্থ হলে প্রথম রাতে স্বামী স্ত্রীকে প্রথম রাতে আলাদা ঘুমোতে হবে! আলাদা ঘুমানোর ভয়ে সম্ভবত সকল বর-কণেরাই টাকি মাছ ধরার ট্রেনিং নেয় এবং সকলেই নির্দিস্ট সময়ে টাকি মাছ ধরতে সক্ষম হয়! গারো সম্প্রদায়ের মধ্যেও এই নিয়মটা চালু আছে-তবে তা কিছুটা ভিন্ন ভাবে।
চাকমা/ মগ উপজাতীয়রা নববর্ষের উতসবের সময় অবিবাহিত যুবক-যুবতীরা একে অন্যের গায়ে পানি ছিটিয়ে জীবন সংগিনী নির্বাচনের সুযোগ পায়। পরবর্তীতে তাদের পিতা-মাতার সম্মতিতে তাদের পরিণয় সম্পাদিত হয়। অন্যদিকে খাসিয়া, গারো এবং ত্রিপুরা উপজাতীয় মেয়েরা বাজারে পণ্যসামগ্রী কেনা-বেচার ছলে তাদের সংগী/সংগিনী নির্বাচনের সুযোগ পায়। পরবর্তীতে তাদের পিতা-মাতার সম্মতিতে তাদের পরিণয় সম্পাদিত হয়। আবার গারো, সাঁওতাল, মনিপুরিয় যুবক-যুবতীরা একসাথে ফসলের ক্ষেতে কাজ করার সময় উভয় উভয়ের কর্মদক্ষতা দেখে সমঝোতার মাধ্যমে সংগী/সংগিনী নির্বাচন করে। খাসিয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে বিয়ের ব্যাপারটা অনেক ক্ষেত্রেই ব্যতিক্রমধর্মী। একজন খাসিয়া যুবতী চাইলেই তার পছন্দের যুবককে তার বাড়িতে আমন্ত্রন করে তার সাথে এক সপ্তাহ স্বামী-স্ত্রীর মত ঘর সংসার করতে পারে। খাসিয়া যুবতী যদি মনে করে যুবকটি তার উপযুক্ত তবে সে তার অবিভাবককে জানাবে। তারপর পিতা-মাতার সম্মতিতে আনুষ্ঠানিক বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হবে। চাকমা উপজাতীয়দের ক্ষেত্রে বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পাদিত হয় কণের বাড়িতে-যেখানে দুই পক্ষের মুরব্বীগন মদ্যপানের মাধ্যমে বিয়ের অনুষ্ঠান শুরু করে।
বাংলাদেশের বিভিন্ন উপজাতি সম্প্রদায়ের পোষাক পরিচ্ছদে রয়েছে নানা রঙ এবং ডিজাইনের বৈচিত্র। কিছু কিছু উপজাতি বিশেষ করে মুড়ংরা এখনো গাছের ছাল-বাকল অথবা শুধু মাত্র লিংগ আচ্ছাদন করার উপযোগী ছোট পরিচ্ছেদ পরিধান করে থাকে। মুড়ংদের বেশী দেখা যায় পার্বত্য জেলার লামা এবং আলীকদম উপজেলায়। উপজাতীয়দের ব্যবহৃত পোষাকের নামও বিচিত্র। যেমন-থামি, গাঞ্চি, পঞ্চাটাট, মাঠা, পিন্দন, ছিলাম ইত্যাদি।উপজাতীয়দের গয়নার ধরনেও রয়েছে বৈচিত্র।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই নভেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:২৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সিউল রায়হান বলেছেন:
সব উপজাতির আলাদা ভাষা ও বর্ণমালা আছে এবং সেটাকেও তাদের সংস্কৃতির অংশ মনে করি....... সবার হয়তোবা বর্নমালা নেই কিন্তু অনেকেরই আছে এবং উপজাতিদের এই মুহুর্তে একটা বড় সমস্যা সেটার বিলুপ্তি হওয়ার আশঙ্কা........ সেটাকে সংরক্ষন করা উচিত.....পোস্টে প্লাস..... ভাল লেগেছে......
লেখক বলেছেন: আপনার সাথে একমত। উপজাতীয়দের বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করতে সর্বাগ্রে এগিয়ে আসতে হবে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন তথা সরকার এবং বেসরকারী পর্যটন কোম্পানীগুলোকেই।
সেজুঁতি বড়ূয়া বলেছেন:
আপনার লেখা পড়ে অবাক হয়েছি। আপনি অনেক সুন্দর ভাবে বিভিন্ন আদিবাসীদের মৌল সংস্কৃতি তুলে ধরেছেন-যা আমি একটা আদিবাসী গোষ্ঠীর সদস্য এবং আদিবাসীদের নিয়ে কাজ করা একজন কর্মী হয়েও জানতামনা। তবে একটা বিশয় খারাপ লেগেছে-আপনি "আদিবাসী"দের সর্বত্রই "উপজাতি" হিসেবে উল্ল্যেখ করেছেন দেখে। আরো একটা বিশয়-আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সব চাইতে বড় সম্প্রদায় চাকমা এবং ত্রিপুরাদের নিয়ে মাত্র একটা লাইন লিখেছেন-তাও অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত ভাবে! অথচ তাদেরই রয়েছে সুবিশাল সংস্কৃতিক ঐতিয্য।আপনার বিস্তারিত পরিচয় কি জানা সম্ভব?
অনেক ধন্যবাদ একটা সুন্দর লেখা পাঠকদের উপহার দেবার জন্য।
লেখক বলেছেন: আমার লেখা পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
"আদিবাসী" এবং "উপজাতি" সম্পর্কে আমার ধারনার কথা জেনে আপনি আমার উপর ক্ষুদ্ধ হবার আশংকা অনুভব করছি। আমি মনে করি-বাংলাদেশে কোন আদিবাসী নেই। যাদেরকে আমরা আদিবাসী বলি-তারা প্রকৃতপক্ষে উপজাতি। এরা সবাই বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে কিম্বা বিতারিত হয়ে ভিন্ন ভিন্ন দেশ থেকে এদেশে এসে বসবাস শুরু করেছে। যেমন চাকমের এক সময় বার্মা বর্তমান ইয়াঙ্গুন থেকে বিতাড়িত করা হলে তারা আরাকান পারহয়ে বাংলাদেশের পার্বত্যাঞ্চলে এসে বসবাস শুরু করে......আবার অনেক চাকমা পুর্ব পুরুষ এদেশে ডাকাতি/লুন্ঠন করতে এসে থেকে গিয়েছে- যে ইতিহাস অনেক লম্বা। তাদেরকে আদিবাসী বলা চলেনা। এবিশয়ে বেশিকিছু লিখতে গেলে ব্লগে অহেতুক ঝগড়া ফ্যাসাদ লেগে যাবে। চাকমাদের সম্পর্কে বেশী কিছু লিখিনি-কারন, তাঁদের নিয়ে ভবিষ্যতে আলাদা একটা পোস্ট দিতে চাই।
সেজুঁতি বড়ূয়া বলেছেন:
মিঃ জুল ভার্ন, আদিবাসী সম্পর্কে আপনার বক্তব্যে আমি একমত নই। আপনি কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে দিয়ে আদি বাসীদের(আপনার ভাষায় উপজাতীয়দের) বিচার করছেন এবং আদিবাসীদের বিশেষ করে একটি সম্প্রদায়কে চিনহিত করে কালিমা লেপন করেছেন-যা দুঃখজনক। আমি শুধু আপনাকে ক্লিয়ার করে বলতে চাই-চাকমারা ডাকাতি এবং দস্যুতা করতে এদেশে আসেনি-অন্য কেউ এসে থাকবে। চাকমারা তথা বৌদ্ধ ধর্মাম্বলীরা অহিংস ধর্মে বিশ্বাসী শান্তি প্রিয় নাগরিক। আমিও ব্লগে ঝগড়া কাইজ্জা করতে চাইনা-শুধু বল্বো-আপনি আদিবাসী সম্পর্কে খুব সীমিত জ্ঞান নিয়ে ঐ মন্তব্যটা করে থাকবেন।
লেখক বলেছেন: আমি "খুব সীমিত জ্ঞান" নিয়ে মন্তব্য করেছি-সেটা আমিও জানি। দয়া করে আপনি আপনার "অসীম জ্ঞান" দিয়ে আমাদের জানিয়ে দিতে পারেন-আমার লেখার অসারতা-তাহলে আমার মত অনেক সীমিত জ্ঞানী মানুষ অসীম জ্ঞানের অধিকারি হতে পারবেন।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
স্কাউট বলেছেন:
@ সেজুঁতি বড়ুয়া...... চাকমারা "ভয়ঙ্কর"রকম শান্তিবাদী। তাইতো তারা শান্তি বাহিনী করে হাজার হাজার বাঙ্গালী মেরে চলছে, দেশে-বিদেশীদের অপহরন, ছিন্তাই করে চলছে বছরের পর বছর ধরে! কী শান্তির নমুনা। আমি মনে করি চাকমাদের মধ্যে এমন একজন নারী-পুরুষ শিশু নেই-যে কোননা কোন ভাবে শান্তি বাহিনীর সাথে সংশ্লিষ্ঠ নয়। ভেরী গুড পোস্ট!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সবাক বলেছেন:
জুলভার্ণকে ব্লগে দেখে ভালো লাগতেছে।
জুলভার্ন যেনো দীর্ঘস্থায়ী হয়। লিখে যাক মনের যতো বলা না বলা কথা। কোন বাধা নাই। লিখতে হবে প্রাণ খুলে।
শুভেচ্ছা শুভকামনা চিরন্তন ভালো থাকার বাসনা।
লেখক বলেছেন: আপনাদের প্রত্যাশা যেনো পুরণ হয়-সেই দোয়া চাই।
কুঙ্গ থাঙ বলেছেন:
============================================মনিপুরি যুবক-যুবতীরা পূর্নিমা রাতের মধ্যরাত থেকে ভোর অবধি খোলা আকাশের নীচে মদ পানকরে উন্মাতাল নাচে মাতাল হয়ে রাত কাটিয়ে দেয় বাদ্যের তালে তালে।
============================================
আপনার কল্পনাশক্তির দৌড় দেখে অবাক হতো হলো।
'মনিপুরি যুবক-যুবতীরা পূর্নিমা রাতে মদ পানকরে উন্মাতাল নাচে' এই তথ্য আপনি কিভাবে কোথা থেকে জোগাড় করলেন দয়া করে জানাবেন। ধর্মীয় এবং সামাজিক কঠোর বিধিনিষেধের কারণে মণিপুরীদের মধ্যে মদ ও মাংসের প্রচলন নেই। কবে, কোথায়, কোন পুর্ণিমা রাতে এভাবে নাচার অনুষ্ঠান হয়েছিল?
আমি আপনাকে চ্যালেঞ্জ করছি।
উন্মাতাল নাচা বলতে কি বুঝাচ্ছেন? শারদীয় পুর্ণিমাতে 'রাসোৎসব' এবং বসন্তে 'থাবোল চোংবা' নৃত্যগীত মণিপুরীদের ২০০০ বছরের ঐতিহ্যিক সংস্কৃতির অংশ। ভারতবর্ষে এই নৃত্যের ধারাগুলো শাস্ত্রীয়(ক্লাসিক্যাল) নৃত্যের পর্যায়ভুক্ত। গুগলে manipuri dance নিয়ে সার্চ করে দেখতে পারেন।
এছাড়া গারো(মান্দি), ওঁরাও, মগ ও চাকমাদের নিয়ে বাস্তবতাবর্জিত মনগড়া তথ্যগুলো আশা করি পোস্ট থেকে মুছে ফেলবেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
আমি কল্পনাশক্তি দিয়ে লিখিনি। মনিপুরীদের দু'একটা অনুষ্ঠান দেখার সুযোগ আমি পেয়েছিলাম-সেই অভিজ্ঞতাই তুলে ধরেছি। মনিপুরীদের মাংশ ভক্ষন নিষিদ্ধ হলেও মদ নিষিদ্ধ নয়।
কাউকে কস্ট দেবার জন্য আমি এলেখা লিখিনি। তারপরও যেসব মন্তব্য আপনার ভাষায়/দৃস্টিতে "বাস্তবতাবর্জিত"-তা উল্যেখ করলে মুছে দিতে সুবিধা হবে। আশা করি সহযোগীতা করবেন।
কুঙ্গ থাঙ বলেছেন:
যে দু'একটা অনুষ্ঠান দেখার সুযোগ আপনি পেয়েছিলেন সেগুলো কবে কোথায় কাদের আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়েছিল জানতে পারি?আর মদ নিষিদ্ধ নয় এই তথ্য আপনি কোথায় কার কাছ থেকে পেয়েছেন? আমি নিজে একজন মণিপুরী। মদ আমাদের সমাজে পারিবারিকভাবে, সামাজিকভাবে, ধর্মীয়ভাবে, সংস্কৃতিহতভাবে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। ২৫০ বছর আগে বৈষ্ণবধর্মের বলয়ে আসার পর সেই বিধিনিষেধ আরো কঠোর হয়েছে। আপনি সম্ভবদ চাশ্রমিক জনগোষ্ঠিকে মণিপুলীদের সাথে গুলিয়ে ফেলেছেন।
কস্ট পাওয়ার কিছু নেই, মদ খাওয়া বা না খাওয়া, লেংটা হয়ে নাচা বা না নাচা এইসব বিষয় সভ্যতার মাপকাঠি নয়। আমি শুধু তথাকথিত আদিবাসি বা উপজাতিদের নিয়ে প্রচলিত কিম্ভুতকিমাকার ধারনাগুলোকে সংশোধন করতে চেস্টা করছি।
আর দয়া করে আদিবাসি/উপজাতি শব্দগুলোর দায়ভাগ আমাদের উপর চাপানের চেস্টা করবেন না। এগুলো রাস্ট্র এবং আপনারা যারা সংগরিষ্ঠ জনগোষ্টি আছেন, তাদের আবিষ্কৃত টার্ম। আমি লেখার স্বার্থে প্রচলিত ব্যবহার করি কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে এধরনের শ্রেনীকরন ফালতু বলে মনে হয়। জাতির আবার উপ কি? ভিন্ন বা ক্ষুদ্র জাতি হতে পারে, উপজাতি আবার কি?
লেখক বলেছেন: আমি হবিগঞ্জের চন্ডিছড়া চাবাগানে অমন কয়েকটি অনুষ্ঠান অনেকবার দেখেছিলাম।
পার্টিকুলার কোন বক্তব্যে আপনার কিম্বা অন্য কারো দ্বিমত থাকলে আমি সংশোধন করে নিতে চাই।
"আদিবাসি/উপজাতি" বিশয়ে ডঃ আশরাফুল ইসলাম চৌধুরীর লেখা "উপজাতীয় সংস্কৃতি প্রেক্ষিত বাংলাদেশ" বইটা পড়েই আমি আমার বক্তব্য দিয়েছি।তবে আগেই তার লেখার সুত্র আমার উল্যেখ করা উচিত ছিল।
সবাক বলেছেন:
@কঙ্গুনাথ....
বক্তব্য প্রকাশে হয়তো ভিন্নতা থাকতেই পারে। আপনার কাছে যে নাচ স্বাভাবিক লেখকের কাছে তা হয়তো উম্মাতাল মনে হয়েছে। এমনিতে আদিবাসীদের মাঝে যে মদপ্রীতিটা স্বাভাবিকের চাইতে বেশি তাতো সত্য, আরো সত্য আদিবাসীদের মাঝে মদ গ্রহণসহ নেশা এবং বিনোদনে তেমন একটা বিধিনিষেধ নেই।
আমি মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার রাণীর বাজারের "অজয় ষ্টোর" এর মালিক লক্ষণ সিংহের বাড়িতে আতিথেয়তা নিয়েছিলাম। তিনি একজন মনিপুরী হিন্দু। মনিপুরী সংস্কৃকিতর তিলাংক হলেও দেখার সুযোগ হয়েছে।
কেন জানি মনে হচ্ছে এখানে এতো শক্তভাবে বিরোধিতা করার মতো তথ্য বিভ্রাট ঘটেনি।
কুঙ্গ থাঙ বলেছেন:
আমি যতদুর জানি হবিগঞ্জের চন্ডিছড়া চাবাগানে কোন মণিপুরী থাকেন না। আপনি যা দেখেছেন তা চাশ্রমিক (উড়িয়া) জনগোষ্ঠীর অনুষ্ঠান হবার সম্ভাবনা ৯৯%। ওঁরাওদের উদোম নাচ, খাসিয়াদের (যারা শতভাগ খ্রীষ্টান) আত্মা, চাকমাদের দস্যুবৃত্তি সংন্ক্রান্ তথ্যগুলো বাদ দিলে আপনার লেখাটি যে চমৎকার হয়েছে তাতে সন্দেহ নেই।
@সডাক, "অজয় ষ্টোর" এর মালিক লক্ষণ সিংহ আপনাকে কি খাইয়েছে জানিনা, তবে মণিপুরীদের মধ্যে মদ খাওয়ার রীতি নেই এইটা ২০০% সত্য। আমাদের অঞ্চলে মদ খাওয়ার প্রবনতা বরং প্রতিবেশী বাঙালী জনগোস্ঠীর মধ্যেই বেশী।
লেখক বলেছেন: মিঃ কুঙ্গ থাঙ, আমরা দেশ বিদেশের অসংখ্য পাঠক লেখকের অবাধ বিচরণ এই ব্লগে। আমরা মাত্র গুটিকতক ব্লগার কাউকে হেয়/অপদস্ত করতে অভ্যস্ত।বেশীর ভাগ ব্লগারগনই শান্তি প্রিয়। ব্যক্তিগত ভাবে আমি জ্ঞানত কাউকে কস্ট দিতে চাইনা। আমার জানার সীমাবদ্ধতার জন্য হয়ত কিছু ভুল তথ্য চলে এসে থাকবে।
চন্ডিছড়া চা বাগানের জি এম মিঃ রুস্তম আমাকে জানিয়েছিলেন এখানকার চা শ্রমিকদের মধ্যে অন্যান্যদের মধ্যে আমার উল্যেখিত জাতিগোষ্ঠীও রয়েছে।
চাকমাদের দস্যুবৃত্তির কথা পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলায় বসবাসরত রাখাইন সপ্রদায়ের ইতিহাস বইতে লেখা আছে। যাহা বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন'র তত্বাবধানে কুয়াকাটায় রাখাইন সম্মেলনে স্যুভেনীর'এ প্রকাশিত হয়েছিল।
আপনার কথামত আমি বিতর্কিত বিশয়গুলো সংশোধন করে দিলাম। আশা করি-আমার সদিচ্ছার প্রতি আপনার কোন সন্দেহ থাকবেনা।
সরাহাল বলেছেন:
মনিপুরি যুবক-যুবতীরা পূর্নিমা রাতের মধ্যরাত থেকে ভোর অবধি খোলা আকাশের নীচে মদ পানকরে নেচে রাত কাটিয়ে দেয় বাদ্যের তালে তালে। - এই লাইনটি মুছে ফেলার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি । একদম মিথ্যা তথ্য। ১. চন্ডিছড়া চা বাগানের ত্রিসীমানায় কোন মণিপুরী থাকেনা।
২. মণিপুরীদের মধ্যে কোন চা শ্রমিক নেই। চা শ্রমিক বা রিকশা চালনা পেশায় মণিপুরী সমাজে অলিখিত নিষেধাজ্ঞা আছে।
লেখক বলেছেন: ডঃ আশরাফুল ইসলাম চৌধুরীর লেখা "উপজাতীয় সংস্কৃতি প্রেক্ষিত বাংলাদেশ" বইটা পড়েই আমি আমার বক্তব্য দিয়েছি।
আপনার অনুরোধ রক্ষা করা হলো।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















লেখক এই পোস্টে কোন মন্তব্য গ্রহণ করবেন না