আমার প্রিয় পোস্ট
- কম সময়ে একসাথে আপলোড করে ব্লগে অনেক অনেক ছবি দেওয়ার অনেকগুলো উপায় (নতুনদের জন্য) - সাইফুলহাসানসিপাত
- বাংলা ব্লগের বিভাজন রেখা : কর্পোরেট বনাম ইনডিপেন্ডেন্ট ব্লগ - মাহবুব মোর্শেদ
- একদিন, দেখে নিও! - সুলতানা শিরীন সাজি
- ব্যাবিলনের শুন্যোদ্যান ( Hanging Garden of Babylon) - বীরেনদ্র
- ব্লগ রাজনীতি ও ব্লগের রাজনীতি - একরামুল হক শামীম
- বেগম আখতার গানের জগতের সম্রাজ্ঞী। - সুরঞ্জনা
- জেগে ওঠো মানুষ, বেঁচে উঠুক তিতাস - অন্যমনস্ক শরৎ
- সামুর বেশকিছু টেকি , টিপস এন্ড ট্রিকস এবং দরকারি পোস্টের সংকলন

- রবিন মিলফোর্ড
- ফিরে দেখা ২০১১ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগে যা কিছু আলোচিত-সমালোচিত... - ফিউশন ফাইভ
- আমার ছানা পাখীর লেখা গল্প " মুক্তিযোদ্ধার গল্প" পড়ে আমি নিজেই মুগ্ধ - মেহবুবা
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র : জনপ্রিয় কিছু অনুষ্ঠান ও তাদের নেপথ্যের কুশলীরা - দস্যু রত্নাকর
- ১৯৭১ , জেড ফোর্সের মুক্তিযুদ্ধ : জিয়া-শাফায়াত-মইন-আমিনুলদের যুদ্ধ দিনের গল্প জানুন ছবি আর বর্ননায়........ - দাসত্ব
- স্মৃতির পাতা থেকে........ - নাআমি
- খনা : এক ক্ষণজন্মা কিংবদন্তীর দুঃখগাথা - ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন
- ক্যাট স্টিভেন্স থেকে ইউসুফ ইসলাম - অসম্ভব জনপ্রিয় এক নওমুসলিমের ইতিকথা - কবির চৌধুরী
- ব্যাক্তি নিরাপত্তা ও আমরা কি করবো। - জুন
- জেনে নিন আপনি সামহোয়্যারের কত নাম্বার ব্লগার {(যারা জানেনা তাদের জন্য) সম্পূর্ণ আজাইড়া পোস্ট} - অণুজীব
- দেখা হবে আবার, এই সামহয়্যারইন, এই মায়াবীবৃক্ষের তলায় - সুনীল সমুদ্র
- সকল ব্লগারের নামের লিস্ট ও লিংক এক জায়গায় জড়ো করা হচ্ছে, আপনারা সহযোগীতা করুন - বহুরূপী মহাজন
- ·٠•●♥♫♫♫ "লালন" - পোস্ট সংকলন ♫♫♫·•●♥ ·٠ - কবির চৌধুরী
- সোনারগাঁও হোটেলের সোনালী স্মৃতি - চার্ত্রুজ-বী
- সোনারগাঁও হোটেলের সোনালী স্মৃতি .... ২য় খন্ড - চার্ত্রুজ-বী
- শব্দ কল্প দ্রুম -৩ - বোকা ছেলে
- আজম খানকে নৈবেদ্য - তাঁর কীর্তি সমগ্র - কবির চৌধুরী
- আঁধারপ্রেমী - অনিক
- ২০০ বছরের পরাধীনতা এবং আমাদের তথাকথিত ওয়ার সিমেট্রী: পর্ব - ১ - মিলটন
- ডঃ ইউনুস ও আমার দেখা একটি সিনেমার কাহীনি - মুরশীদ
- মাতৃভাষা আন্দোলনের সেই সব সূর্যসন্তানেরা...... - রেজোওয়ানা
- - হৃদয়ের কথা-নির্মম বাস্তবতা আর রূপকথা - মানবী
আন্দামান-নিকোবর ভ্রমনঃ-১
০৭ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:২২
আন্দামান-নিকোবর ভ্রমনঃ-১
আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ ভারত মহা সাগরের খুবই কাছে কিন্ত বংগপ্সাগরের ভিতরে অবস্থিত। ভারতের মুল ভুখন্ড থেকে অনেক দূরে এর অবস্থান। চেন্নাই(মাদ্রাজ)এবং ভিসাখাপট্টম থেকে যদিও কিছুটা নিকটে, কিন্তু কোলকাতা থেকে বেশ দুরে(যথাক্রমে ১০০ এবং ৯০ কিলোমিটার দুরত্বের পার্থক্য)। আমরা ১২ জন বাংলাদেশী এবং ২ জন ইন্ডিয়ান সিদ্ধান্ত নিয়েছি ৩ দিনের জন্য সেখানে ভ্রমনে যাব। ৮ ই মার্চ আমার ব্যাবসায়ীক বন্ধুকে সাথে গিয়ে আমি ভারতীয় টুরিজম কোলকাতা অফিস থেকে আন্দামান যাবার বিস্তারিত জেনে নিলাম। টুরিজম বিভাগের অনেক ধরনের প্যাকেজ টুরের ব্যাবস্থা আছে। তাতে খরচ কিছুটা কম। কিন্তু "প্যাকেজ ট্যুর" নিয়ে আমার অনেক তিক্ত অভিজ্ঞতা থাকায় প্যাকেজ চিন্তা বাদ দিলাম। কোলকাতা থেকে বিভিন্ন ভাবে আন্দামান যাবার সুব্যাবস্থা আছে। যেমন বিমান, হেলিকপ্টার এবং জাহাজ সার্ভিস। সময়ের মুল্য বিবেচনায়-জাহাজ সার্ভিস তুলনামুলক খুব এক্সপেনসিভ এবং সময় সাপেক্ষ।বাই এয়ার যাওয়াই সব চাইতে ভালো। ইন্ডিয়ান এয়ার লাইন্স জনপ্রতি ভাড়া নেয়-১৪,৩৮৬ ইন্ডিয়ান রুপী। প্রাইভেট এয়ার লাইন্সের জেট এয়ার’এর ভাড়া ১৪০৯৮ রুপী। এছারাও কিংফিশার এয়ার, এলিয়েন্স এয়ার নামেও দু'টা বিমান সার্ভিস আছে-যার ভাড়া আমি জানিনা।
আমি ঢাকাতে আমার পরিচিত মিঃ রাকীবের সাথে (জি এম জি এয়ারের জি এম)যোগাযোগ করি-বিশেষ কোন সুবিধা পাওয়া যাবেকিনা-সেই আশায়। রাকীব জানালেন-কিছুক্ষণ পর ফোন করে আমাকে জানাবে। ২০/২৫ মিনিট পর মিঃ রাকীব ফোন করে জানালেন ওর রেফারেন্সে জেট এয়ারের জি এম(কমার্সিয়াল)ব্রম্মাদত্ত শ্রীনিবাস'র সাথে দেখা করতে। সেই সাথে মিঃ বম্মাদত্ত শ্রীনিবাস'র ফোন নম্বর জানিয়ে দিলেন। আমি কল করি মিঃ ব্রম্মাদত্ত শ্রীনিবাস'কে। তিনি তাঁর অফিসে দেখা করতে বললেন। আমি ভারতীয় বন্ধুকে নিয়ে দেখা করি মিঃ ব্রম্মাদত্ত'র সাথে। ব্রম্মাদত্ত নামটা শুনতে কেমন দৈত্য দৈত্য ভাব আছে, কিন্তু মিঃ ব্রম্মাদত্ত দেখতে খুব হান্ডসাম, অত্যন্ত স্মার্ট এবং সদালাপী। কথা বলেন বৃটিশ ইংলিশ এক্সেন্সে। তাঁকে জানালাম-আমরা ১৪ জন(আমাদের বাংলাদেশী ১২ জনের সহযাত্রী হয়েছেন আমার ভারতীয় দুই বন্ধু) আন্দামান-নিকোবর যাবো এবং আসবো-আমাদের কি ধরনের হেল্প করতে পারেন।
ইতোমধ্যেই মিঃ রাকীব কলকাতায় মিঃ ব্রম্মাদত্তের সাথে আমাদের বিশয় আলাপ করেছিলো। তার রেফারেন্সে অনেক উপকার হলো। বেশ কিছু ফর্মালিটিজ কম্পলিট করে আমাদের টিকেটের সেলস এজেন্সী কমিশন(৯%) বাদ দিয়েই আরো ৫% ছাড় দিয়ে ১৪ টি আপ-ডাউন টিকেট ইস্যু করলেন। সেই সঙ্গে আন্দামানে জেট এয়ারের কমার্সিয়াল রিসোর্ট “জেট আন্দামান-নিকোবর রিসোর্টস”এ ২৫% লেস রেইটে থাকার ব্যাবস্থা করে দিলেন। এমন ভরা টুরিস্ট সিজনে যেখানে টিকেট এবং হোটেল/রিসোর্টে সীট মেলাই দুস্কর সেখানে এত কম মুল্যে টিকেট এবং আবাসন পাওয়া সত্যি বিরাট কিছু! মিঃ ব্রম্মানন্দ আমাদের যে খাতির করলেন-তা লিখে বোঝানো যাবেনা! থ্যাঙ্ক উ মিঃ ব্রম্মাদত্ত শ্রীনিবাস।
জেট এয়ারের সার্ভিস খুব ভাল।২ ঘন্টা ২০ মিনিট সময় কিভাবে পার হয়ে গেলো তা টের পেলাম বিমান বালার এনাউন্সমেন্টের কারনেই। ১৩০৩ কিলোমিটার আকাশ পথ পাড়ি দিয়ে আমরা পৌঁছে যাই আন্দামানের পোর্টব্লেয়ার। চারিদিকে নীলাভ সবুজ পানিতে ঘেড়া অপুর্ব সুন্দর দ্বীপ শহর আন্দামান। প্রাকৃতিক উঁচু নীচু অসমতল ভৌগোলিক স্থাপত্য প্রথম দর্শনেই এক স্বর্গীয় অনুভুতি মনকে প্রশান্তিতে ভরে দেয়! পীচ ঢালা প্রশস্ত রাস্তা স্থানীয় উপজাতির মানুষদের বিশাল মনেরই প্রতিচ্ছবি যেনো! এখানে প্রথমেই নজর কারে এখানকার সুদৃশ্য পাহাড়গুলো। এখানকার ছোট ছোট পাহাড়গুলোর উচ্চতার একটা স্পেসালিটি আছে। একটা রিদম আছে। পাহাড়গুলোর উচ্চতার একটা পর্যায়ক্রম আছে। যেমন প্রথম পাহাড়টা যদি ১০০০ ফুট হয়, ২য় টা ৬০০০ ফুট নয়, কিম্বা ৮০০০ ফুট নয়! এখানকার পাহাড়গুলো অনেকটাই গাণিতিক ভাবে উচ্চতা। যেমন ১০০০, ২০০০- ৩০০০ ফুট। অর্থাৎ এবরো থেবরো উচ্চতা নয়।
পোর্টব্লেয়ারে আমাদের অভ্যর্থনা জানান জেট রিসোর্টের পক্ষে কামাক্ষা সাংভি। আন্দামানে বিভিন্ন ধর্মের প্রায় চার লক্ষ মানুষের বসবাস। আন্দামানে থাকার জন্য অনেক হোটেল রিসোর্ট আছে। যার মধ্যে অন্যতম হলো-ডলফিন বীচ রিসোর্ট, পিয়ারলেস রিসোর্ট(পিয়ারলেস গ্রুপের মালিকের আদি নিবাস আমাদের নারায়গঞ্জ। কোলকাতার বিখ্যাত পিয়ারলেস হাসপাতালও একই মালিকানার), সিল্ভার ল্যান্ডস বীচ রিসোর্ট, আটলান্টা কটেজ ইত্যাদি। আমাদের জন্য নির্ধারিত অত্যাধুনিক মাইক্রোবাসে করে আমরা ২০ মিনিটের ভিতরেই পৌছে যাই “জেট আন্দামান-নিকোবর রিসোর্ট”।স্টীল স্ট্রাকচারের উপড় তৈরী রিসর্টের সব রুমগুলোই দামী কাঠের ফ্লোর। প্রতিটা রুম চমতকার সুস্বজ্জিত, আভিজাত্যের ছোঁয়া পরতে পরতে। আমাদের সকলকে প্রথমে ডাবের পানি এবং ফলের জুস পানে আপ্যায়িত করা হলে যে যার রুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে নিলাম। আমাদের লাঞ্চ আজ রিসোর্টেই করার জন্য খাবার মেনু চুড়ান্ত করে নিলাম। এখানে কাছাকাছি ঘুড়ে বেড়ানোর জন্য রিসোর্টের নিজস্ব ২০ টি গার্ডেন কার রয়েছে। যেগুলো পাওয়ার সিস্টেম ব্যাটারী চালিত। আমার বয়স্ক বন্ধু ধর্মীয় আচার পালনে ব্যস্ত মানুষ। তিনি একটু পুজা-অর্চনা করবেন। পুজা করার জন্য তাঁর দেবতা গণেশ সাথে করেই নিয়ে এসেছেন।
গার্ডেন কারে কোন হুড থাকেনা। এর কোনটা ২ সীটের, কোনটা ৪ সীটের এমনকি ১২ সীটেরও আছে। এই গাড়ি চলার সময় কোন শব্ধ হয়না, ব্যাটারী চালিত বলে কোন ধুঁমাও হয়না। অর্থাত শব্দ এবং পরিবেশ দুষন মুক্ত গাড়ি। দেখতে অনেকটা খেলনা গাড়ীর মত লাগে। স্পীড অনেক কম। ছেলে বুড়ো সবাই ড্রাইভ করতে পারে। আমি আমার বৌকে নিয়ে একটি গাড়িতে এবং অন্য ৫ জুটি আলাদা আলাদা গাড়িতে আধাঘন্টা খানেক ঘুড়ে বেড়ালাম নানান বাহারি ফুল লতাগুল্ম আর নাম নাজানা গাছ পালায় ঘেরা পুরো রিসোর্ট এলাকাটা। চিত্র-বিচিত্র লতাগুল্মের প্রণোদনায় নাম নাজানা অনেক ফুলের স্পর্শে শিহরিত হলো শরির ও মন। শাল-সেগুণ, মেহগনি আর আকাশলীনার ছায়া গায়ে মেখে নিশ্বাস নিলাম বুক ভরে। আন্দামান-নিকোবর যেনো শুধুই রিসোর্ট আর টুরিস্ট বাংলোর নির্জণ শহর। আমার কি যে ভালো লেগেছে বলে/ লিখে প্রকাশ করা যাবেনা।
আমরা লাঞ্চ করলাম বেলা ২ টার সময়। লাঞ্চের মেন্যু ছিল-বাসমতি চালের সাদা ভাত, একদম তাজা রুপচান্দা ফ্রাই, গভীর সমুদ্রের রেড কিং লবস্টার, চিকেন, চীজ এবং টুনা ফিস মেশানো সালাদ। সব শেষে খাটি দুধ। এরা গ্লাশ ভর্তি দুধের উপড়ে এক চামচ করে খাটি গাওয়া ঘি দিয়ে পরিবেশন করে। বিশয়টাতে নতুনত্ব ছিল। খেতে বেশ মজাই লেগেছিল
শেষ পর্ব পড়ুন কালঃ
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১:২১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
মুহিব বলেছেন:
আন্দামান-নিকোবরের উপর একটা বই পড়ে ঠিক করে রেখেছি কোন এক কালে যখন লম্বা ছুটি আর প্রশস্থ অর্থ হবে তখন এখানে একবার যাব। আমার প্ল্যানে অবশ্য জাহাজ ছিল। আপনি একটু চিন্তায় ফেলে দিলেন।
লেখক বলেছেন: তুলনামুলক ভাবে জাহাজের চাইতে এয়ারে কম খরচ। তবে হাতে প্রচুর সময় থাকলে আয়েশ করে জাহাজে যেতে পারেন। ওখানে যেতে যাতায়ত ভাড়া কিছুটা বেশী কিন্তু খাবার অনেক শস্তা।
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
ভ্রমণ কাহিনি পড়তে আমার রবাবর ভালো লাগে। ছবি আরো দিলে আরো খুশি হতাম। নেক্স পর্বের অপেক্ষায়.......।
লেখক বলেছেন: আমি ছবি এড করতে পারিনা। কিছু কিছু ছবি রি সাইজ করতে হবে-যা আমি পারিনা। যদিও অনেকগুলো ছবি এড করেছিলাম-কিন্তু সেগুলো কেনো জানিনা এড হয়নি।
আমরা একসাথে আন্দামান-নিকোবর এবং লাক্ষাদ্বীপ ভ্রমন করেছিলাম। তিনটি য্যগা সমপর্কেই কিছুটা ধারনা দেবার চেস্টা করবো-বাকী দুই পর্বে।
ভাঙ্গন বলেছেন:
দারুন লাগলো ভ্রমন বৃত্তান্তটা পড়ে। পরের খন্ডের জন্য অপেক্ষায় রইলাম।
লেখক বলেছেন: প্লীজ, ওয়েট এন্ড সি............
লেখক বলেছেন: হ্যা, টুটুল ভাই, আপনার এবং মুহিবের জন্য হিসাবটা খুব বেশী প্রয়োজন(আপনারা ওখানে হানিমুনে যাবেন ভেবে) মনে করেই আমি বিস্তারিত হিসাবে জেনে এসেছি। নেক্সট দুই পর্বে যথাক্রমে আন্দামান-নিকোবর এবং লাক্ষাদ্বীপের খরচপাতির হিসাব দেবো।
১৩ তারিখে বিউটি বোর্ডিং এলে দেখা হবে.........
কক বলেছেন:
প্রিয়তে........দেখি সময় শুযোগ হলে একটা ট্যুর দিতে হবে।
লেখক বলেছেন: আশা করি-ওখানে যারাই যাবেন, তার বেড়ানোটা উপভোগ করবেন। অবশ্যই সেলুলার জেল দেখে আসবেন। যেখানে অনুভব করতে পারবেন "জেল" কী জিনিষ!
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
সেজুঁতি বড়ূয়া বলেছেন:
সুন্দর বর্ণনা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
মিলটন বলেছেন:
একটি চমৎকার ভ্রমন বিবরন দিয়েছেন আপনি। সত্যিই চমৎকার। জানিনা কোনদিন যাওয়ার ভাগ্য হবে কিনা?পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।
লেখক বলেছেন: আজকের পর্ব শুধু ইন্ট্রোডাকশান। পরের দুই পর্বে ভ্রমন বিত্তান্ত থাকবে।
ইচ্ছা থাকলেই যাওয়া সম্ভব।
রাজীব বলেছেন:
অনেক দিন অপেক্ষায় ছিলাম একটি ভ্রমন কাহিনীর। পেয়ে ভালো লাগলো।আপনি সবসময় লুকিয়া লুকিয়ে ভ্রমনে যান কেন? পরে গেলে সবাইকে নিয়ে যাবেন।
লেখক বলেছেন: আগামীতে যখন ভ্রমনে যাবো-তখন অবশ্যই জানিয়ে যাবো। ভ্রমন কাহিনী অনেক জমে আছে-কেনো লিখছিনা-তাতো তুমি জানই...............
লেখক বলেছেন: আমি ছবি রিসাইজ করতে পারিনা। আমি ছবিগুলো তুলেছিলাম Canon Digital IXUS 900TI 12MP ক্যামেরা দিয়ে। ছবির সাইজ অনেক বড়। আমি সাইজ ছোট করতে পারিনা। তাই সেই ছবিগুলো আবার সেল ফোনে তুলে দিতে ব্লগে এড করতে চেস্টা করেছি। তারপরেও ছবিগুলো প্রপারলী সেট করতে পারিনি।
হ্যা, বাকী পর্বগুলো তাড়াতারি দেবো।
লেখক বলেছেন: দেখা হবে ইনশআল্লাহ।
নিশাচর বলেছেন:
পিলাচ.............+প্রথমে একটা রাগের "ইমো" তার পর হিংসার "ইমো" এর পর হবে দুই হাত দিয়ে চুল ছেড়ার "ইমো" এর পর কান্নার "ইমো"
খালি একলা একলা ঘুইড়া বেড়াইলেই হইবো। আমাগো তো ঘুড়নের মন আছে। ক্যান যে কানা হইয়া জন্মাইলাম। পিরথিবিতে কত কিছুই যে দেহনের আছে। .............................................ই ই ই ই ই ..............কান্নার "ইমো"..
লেখক বলেছেন: কইছিনা তগো কয়জনরে অবশ্যই নিয়া যামু! আমারে একটু সোজা হইতে দে............।
কৌশিক বলেছেন:
আনন্দে ইমো হবে। চমৎকার হয়েছে।
লেখক বলেছেন: ইমো বিশয়ক এই স্টাইলটা ছিল একান্তই আমার ব্যক্তিগত। কারন, আমি ইমো এড করতে পারিনা। নদী দখন, হল দখল, বাড়ী দখলের মত আমার ইমো স্টাইলটাও বেদখল হয়ে যাচ্ছে!
আনিসুজ্জামান উজ্জল বলেছেন:
ভাবিরে নিয়া ঘুরেন আর আমাদের কপালে কেবল গল্প। এই রকম হইলে খেলব না কিন্তুক...
লেখক বলেছেন: "ঘ্রানে অর্ধ ভোজন"!!!
আজনবী বলেছেন:
আন্দামান নিকোবর নিয়ে ছোটবেলা থেকেই ভীষণ কৌতুহল আমার। আব্বা আম্মার কাছে গল্প শুনতাম বৃটিশ আমলের কালাপানি সংক্রান্ত। ভাল লাগল আপনার লেখা। অপেক্ষায় রইলাম পরের পর্বের।
লেখক বলেছেন: আমি দেখেছি-সেলুলার জেল, যেখানে রাজবন্দীদের রাখা হত এবং যেখানে ফাঁসীতে ঝোলানো হতো। সে এক ভয়ংকর শরির ছমছম করা অভিজ্ঞতা!
নিশাচর বলেছেন:
ডিজিটাল ফাজিল ডা ঝানতে চায় ঐ লিষ্টে ওর নাম আছে কিনা ??............................হিংসার "ইমো"
লেখক বলেছেন: অবশ্যই ওকে নেব। ওর সৌদি আরবে নারী শ্রমিকদের নিয়ে লেখাটা খুব সুন্দর হয়েছে।
লেখক বলেছেন: আপনার কমেন্টস পড়ার পর থেকেই চেস্টা তদ্ববীর চালাচ্ছি। কিন্তু আমার মোটা মাথায় কিচ্ছু খেলছেনা!
নুসরাত জাহান যুথি বলেছেন:
দারুন...
লেখক বলেছেন: অনেক দিন পর আমার ব্লগ ভিজিট করার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: হ্যা ফারহান, ওটা আদিবাসীদের যায়গা হলেও এখন বলতে গেলে পুরোটাই নাগরিক সভ্যতায় আদিবাসীদের সংস্কৃতি ঢাকা পরে গিয়েছে! ওদের অবস্থা আমাদের দেশীয় উপজাতীয়দের মতই। ওদের সংস্কৃতি এখন টিকেট করে দেখতে হয়!
মাহবুব সুমন বলেছেন:
দারুন ভ্রমন কাহিনী আসছে মেন হয়!
লেখক বলেছেন: মাহবুব সুমন ভাই, আপনাকে ধন্যবাদ আমার ব্লগ ভিজিট করার জন্য।
এই পর্বগুলো শেষ হলে আমার লাস্ট চায়না ভ্রমনের উপড়(২৭ জানুয়ারী-১০ ফেব্রুয়ারী ২০০৯) বিস্তারিত ভাবে একটা বড় সিরিজ পোস্ট দেবো আশা করি.........।
আপনি ইদানীং খুব কম লিখছেন!
সহেলী বলেছেন:
নাগরিক যন্ত্রনা কি শেষ ! আপনি বেশ তথ্যমূলক পোষ্ট দেন দেখেছি , অনেকের কাজে আসবে । ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন: না ভাই, নাগরিক যন্ত্রনা শেষ হবার নয়। নাগরিক এবং নগর যত দিন থাকবে যন্ত্রনাও তত দিন থাকবে এবং আমার লেখায় টুকটাক অসংগতি তুলে ধরা হবে।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
ভোরের তারা বলেছেন:
প্রিয়তে রাখলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
নিশাচর বলেছেন:
টিয়া পাখি---উড়াল দেওয়া হইবো না মনে লয়। পাঙখায় জোর নাই। পাঙখায় যে জোর আছিল হেইডা আস্তে আস্তে কইম্যা এহন এমুন অবস্থায় আইছে- যে এই জোড় দিয়া উড়াল দেওয়া যাইবোনা -- হাইট্যা হাইট্যা অথবা গাড়িতে যাওন যাইবো। হে হে হে হে হে হে -- কি বুঝলেন ???
বিস্তারিত ফূনামুনে।
লেখক বলেছেন: তাইতো "কবি নীরব"..............................
কালপুরুষ বলেছেন:
তৃতীয় পর্ব পেজ ওপেন করতে সমস্যা হচ্ছে। টাইটেল দিয়ে রি-পোস্ট করুন।
লেখক বলেছেন: আচ্ছা..................
শেরজা তপন বলেছেন:
ফাটাফাটি... যাইতে হবে
লেখক বলেছেন: আশা করি ভ্রমনটা ভালো লাগবে।
লেখক বলেছেন: অন্তু, তুমি এমন করে হারিয়ে গেলে!
এস এইচ খান বলেছেন:
চমৎকার। প্রিয়তে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ প্রিয় এস এইচ খান।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















