আমার প্রিয় পোস্ট
- কম সময়ে একসাথে আপলোড করে ব্লগে অনেক অনেক ছবি দেওয়ার অনেকগুলো উপায় (নতুনদের জন্য) - সাইফুলহাসানসিপাত
- বাংলা ব্লগের বিভাজন রেখা : কর্পোরেট বনাম ইনডিপেন্ডেন্ট ব্লগ - মাহবুব মোর্শেদ
- একদিন, দেখে নিও! - সুলতানা শিরীন সাজি
- ব্যাবিলনের শুন্যোদ্যান ( Hanging Garden of Babylon) - বীরেনদ্র
- ব্লগ রাজনীতি ও ব্লগের রাজনীতি - একরামুল হক শামীম
- বেগম আখতার গানের জগতের সম্রাজ্ঞী। - সুরঞ্জনা
- জেগে ওঠো মানুষ, বেঁচে উঠুক তিতাস - অন্যমনস্ক শরৎ
- সামুর বেশকিছু টেকি , টিপস এন্ড ট্রিকস এবং দরকারি পোস্টের সংকলন

- রবিন মিলফোর্ড
- ফিরে দেখা ২০১১ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগে যা কিছু আলোচিত-সমালোচিত... - ফিউশন ফাইভ
- আমার ছানা পাখীর লেখা গল্প " মুক্তিযোদ্ধার গল্প" পড়ে আমি নিজেই মুগ্ধ - মেহবুবা
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র : জনপ্রিয় কিছু অনুষ্ঠান ও তাদের নেপথ্যের কুশলীরা - দস্যু রত্নাকর
- ১৯৭১ , জেড ফোর্সের মুক্তিযুদ্ধ : জিয়া-শাফায়াত-মইন-আমিনুলদের যুদ্ধ দিনের গল্প জানুন ছবি আর বর্ননায়........ - দাসত্ব
- স্মৃতির পাতা থেকে........ - নাআমি
- খনা : এক ক্ষণজন্মা কিংবদন্তীর দুঃখগাথা - ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন
- ক্যাট স্টিভেন্স থেকে ইউসুফ ইসলাম - অসম্ভব জনপ্রিয় এক নওমুসলিমের ইতিকথা - কবির চৌধুরী
- ব্যাক্তি নিরাপত্তা ও আমরা কি করবো। - জুন
- জেনে নিন আপনি সামহোয়্যারের কত নাম্বার ব্লগার {(যারা জানেনা তাদের জন্য) সম্পূর্ণ আজাইড়া পোস্ট} - অণুজীব
- দেখা হবে আবার, এই সামহয়্যারইন, এই মায়াবীবৃক্ষের তলায় - সুনীল সমুদ্র
- সকল ব্লগারের নামের লিস্ট ও লিংক এক জায়গায় জড়ো করা হচ্ছে, আপনারা সহযোগীতা করুন - বহুরূপী মহাজন
- ·٠•●♥♫♫♫ "লালন" - পোস্ট সংকলন ♫♫♫·•●♥ ·٠ - কবির চৌধুরী
- সোনারগাঁও হোটেলের সোনালী স্মৃতি - চার্ত্রুজ-বী
- সোনারগাঁও হোটেলের সোনালী স্মৃতি .... ২য় খন্ড - চার্ত্রুজ-বী
- শব্দ কল্প দ্রুম -৩ - বোকা ছেলে
- আজম খানকে নৈবেদ্য - তাঁর কীর্তি সমগ্র - কবির চৌধুরী
- আঁধারপ্রেমী - অনিক
- ২০০ বছরের পরাধীনতা এবং আমাদের তথাকথিত ওয়ার সিমেট্রী: পর্ব - ১ - মিলটন
- ডঃ ইউনুস ও আমার দেখা একটি সিনেমার কাহীনি - মুরশীদ
- মাতৃভাষা আন্দোলনের সেই সব সূর্যসন্তানেরা...... - রেজোওয়ানা
- - হৃদয়ের কথা-নির্মম বাস্তবতা আর রূপকথা - মানবী
বন্ধু আমার............
০২ রা আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:০৫
বন্ধু আমার............
কফি হাউজের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই............গানটা যদি আজ বন্ধু দিবসে মান্না দের মত দড়াজ গালায় গাইতে পারতাম-তাহলে খুব ভালো লাগত। কিম্বা "রঙ ধনু ভালো লাগে, নীল আকাশ ভালো লাগে, ভালো লাগে তারার উঠোনে জেগে থাকা সেই রাত-বন্ধু তোমায় মনে পরে......... "। কবি আর গীতিকারের এমন হৃদয় উষ্ণকরা পকংতিমালার আকুতি-তাহলে কি সুন্দরইনা হতো! গান গাওয়ার যোগ্যতা আমার নেই। কিন্ত মনে মনে প্রিয় গান বলার/ আবৃতি করার অভ্যাস আমার আছে।
জীবন যাপনে ব্যস্ততা যাদের অফুরান, বন্ধুত্ব তারেদের কাছে প্রান খুলে শ্বাস নেবার এক স্থান। অন্যদিকে বন্ধুত্বের অসংখ্য আড্ডা আর ভাল্লাগা নিয়ে যাদের দিনমান কেটে যায়-তাদের কাছে জীবনের বাস্তবতাটাই যেন এক শংখনীল কারাগার! বন্ধুত্বতা আসে আমাদের কংক্রিটের স্তুপে ভরা শহরে। বন্ধুত্ব তার গান শুনিয়ে যায় গ্রামের মেঠোপথে। বন্ধুর পথে আলোকিত সপ্ন দেখায় প্রিয় বন্ধুরা। আবার হাসিকান্নার ভাগাভাগিতে বন্ধুরাই শুনিয়ে যায় আশা জাগানিয়া সময়ের গান।
বন্ধুত্বের সমস্ত রং আর রূপ গায়ে মেখে যারা এখনো তুমুল আড্ডায় মেতে আছেন তাদের কাছে বন্ধুত্বের সকল উপমাই অর্থহীন। তাই বন্ধু দিবসে এরা কখনো দলছুট হয়ে ছুটে যান না হলমার্ক কিংবা আর্চিস এ। ই-কার্ড আর গ্রিটিংস এর ভিড়ে তাদের কখনো মনে করিয়ে দিতে হয় না বন্ধু দিবস নামে আপাত অর্থহীন একটা দিনের কথা। তবু এই পৃথিবীর অসংখ্য দিবস আর অর্থহীন আচার-উৎসবের মাঝে যদি বন্ধু দিবস নামে একটা দিবস এসেই যায়, ক্ষতি কী! যদি হাজারো ব্যস্ততার ভিড়ে একটি দিন এসে মনে করিয়ে যায় ফেলে আসা কোনো বন্ধুদিনের কথা তাহলে সেটিই বা দোষের কী। তাই আমরা গুটিকয় আধুনিক মানুষ, আধুনিকতার স্রোতে ভাসিয়ে দেয়া কিছু মানুষ এখনো ভালোবাসি এই দিবসের মাঝে আটকে যাওয়া বন্ধুত্বকে।
আসলে বন্ধু আর বন্ধুতা যাদের প্রতি মুহূর্তের সঙ্গী তারা একমুহূর্তেও জন্যও মন থেকে আড়াল করতে পারেন না বন্ধুদের। জীবনের সংকটে এরা ছুটে যান বন্ধুদের কাছে। আবার আনন্দ, উল্লাস কিংবা দিন শেষের অবসরেও এরা ভালোবাসেন বন্ধুত্বের কলতান শুনতে। বন্ধুত্বের পরিপূরক সম্পর্কের মাঝে এরা খুঁজে পান জীবনযাপনের ভিন্ন রস। অন্যদিকে যন্ত্রনগরে অবাক প্রহর কাটানো যে যন্ত্রমানুষেরা এরই মাঝে ভুলতে বসেছেন তাদের স্বর্ণালী বন্ধুত্বের প্রহরগুলোকে, তারাও কিন্তু ঠিকই মিস করেন তাদের বন্ধুদের। কিন্তু "যতদিন এই দেহে আছে প্রাণ" ততদিন শুধু "মিস" করার মাঝেই কেন আটকে থাকবে আপনার গর্ব করার মতো বন্ধুতাগুলো? কেন স্রেফ ফেসবুক এর স্ট্যাটাস পড়েই জানবেন বন্ধুর খবর! অচেনা ব্যস্ততার গন্ডি থেকে কেন আরেকটিবার এসে দাঁড়াবেন না চেনা বন্ধু সড়কে? হয়তো বলবেন, বন্ধুদের খবর তো নিতেই চাই কিন্তু সময় যে হয়ে ওঠে না। অথবা ঈর্ষাকাতর কেউ তার অভিমানের ঝাপি খুলে বলতে পারেন, "আমার খবর তো ওরা কেউ নেয় না। তাহলে আমি-ই বা কেন.."। বন্ধু দিবসে এই অভিমানগুলোকেই না হয় ছুটি দিন। অন্তত একটিবার তার কথা মনে করে ফিরে যান বন্ধুবৎসল কোনো আড্ডায়। যেখানে বন্ধুত্বের রঙ ব্যস্ততার আঁচরে দিনের পর দিন ধূসর হয়ে পড়ছে, সেখানে নতুন এক পড়ত রঙ চড়ানোর দায়িত্বটাও না হয় তুলে নিন নিজের কাঁধে। আর যারা গ্রামের টি-স্টল কিংবা কলেজ ক্যাম্পাস কিংবা করিডোরগুলোকে প্রতিদিনই মুখরিত করে রাখছেন নানা রঙের বন্ধুতায়, তারাও সকল স্বার্থ আর সংকীর্ণতার উর্ধ্বে উঠে ভালোবাসতে শিখুন বন্ধুকে।
চিন্তার চারদেয়ালে হঠাত করেই কড়া নাড়ে ফেলে আসা দিনের অতি প্রিয় কিছু মুখ। মনে পড়ে- আমার প্রিয় বন্ধু, অকালে হারিয়ে যাওয়া আমার সহদরা বুবু'র কথা। আমার জন্মের পর থেকে জীবনের ১৫ বছর পর্যন্ত আমার জীবনে বুবুই ছিলেন-আমার মা, বাবা, ভাই, বোন সর্বপরি এক মাত্র বন্ধু! আমার সেই বন্ধু, আমার প্রিয় বুবু হারিয়ে গিয়েছেন যেখান থেকে আর ফিরে আসা যায়না-সেই দেশে। বুবু, তোমাকে আমি অনেক মিস করি। প্রতিটা মুহুর্ত আমি তোমাকে মিস করি। তোমাকে আমি অনেক ভালোবাসি বুবু। মনে পরে বুবু'র মতো অসংখ্য বন্ধুর কথা। কোথা থেকে যেন রাজ্যের স্মৃতি আর প্রশ্ন এসে ভর করে মনের অচীন কোণে। আচ্ছা নাসিরটা কি আগের মতই "তালপাতার সেপাই" আছে? ফরিদ, সানি, জুবেরী ওরা কি আমেরিকা থেকে আমাকে মনে করে? নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ তপন কি লন্ডনে বসে আমার কথা ভাবে? বাবু কি তার সুইডিশ বৌ নিয়ে সুখী? কিরন, অর্চনা, তোরা এখন কোথায়? তোদের হিমুদা'র জন্য এখনো কি তোরা খাবার নিয়ে অপেক্ষা করে থাকিস? মাসীমা কি এখনো পুঁজো শেষে আমার জন্য নারিকেলের নাড়ু তুলে রাখেন? মনিদীপা দি' কি আমার বুবুর কথা মনে করে এখনো কাঁদে? এসব কথা কেন আমার সব সময়, প্রায় প্রতিদিনই মনে পড়ে? কেন ওদের কথা শুধুই বন্ধু দিবসের জন্যই রক্ষিত থাকেনা?
আমার ছেলে বেলার বন্ধু, আমার শিক্ষা জীবনের বন্ধু সেলিম এখন মেজর জেনারেল, পাপ্পু ব্রিগেডিয়ার জেনারেল, মাহমুদ জয়েন্ট সেক্রেটারী, এক সময়ের তুখোড় গিটারিস্ট হায়দার বৃটিশ বৌ লন্ডনে রেখে, এয়্যরোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং শিকয়ে তুলেরেখে এখন দেশের জনপ্রিয় মানবতাবাদী কন্ঠ শিল্পী, মেজবা কামাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনপ্রিয় শিক্ষক, আনু মুহম্মদ প্রক্ষ্যাত অর্থনীতিবিদ, নুরুল কবীর দেশের প্রখ্যাত সাংবাদিক(নিউ এজ সম্পাদক), দেবনাথ মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানীর উচ্চ পদস্থ্য কর্মকর্তা, ফ্রান্সিস গোমেজ পুরোদস্তুর অধ্যাপক এবং সমাজসেবী, চৌধুরী জাফরুল্ল্যা শরাফত দর্শক শ্রোতাদের চরম বিরক্তির কারন হয়ে এখনো খেলাধুলার কমেন্টেটরস(সত্য বলার জন্য রাগ করিসনা শরাফত)! সর্দি আনোয়ার একটা প্রাইভেট ব্যংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, কাউস্যা আনোয়ার লন্ডনে, জর্দা আনোয়ার শিল্পপতি।
আমার ছেলেবেলার বন্ধু, আমার স্কুল-কলেজ লাইফের বন্ধু, প্রতি দিনের বন্ধু, চিরদিনের বন্ধু বহুল আলোচিত বীর সৈনিক কর্ণেল গুলজার উদ্দীন যার সাথে আমার শেষ যোগাযোগ হয়েছিল ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০০৮ ইং র্যাব থেকে সেনাবাহিনীতে প্রত্যাবর্তন এবং সিলেটের সেক্টর কমান্ডার হিসেবে বদলী হবার দিন। গুলজার তুই কোথায় আছিস ভাই? পিলখানার মর্মান্তিক ঘটনার সময় আমি আল্লার কাছে অনেক কান্না করে তোর জীবন রক্ষার আকুতি জানিয়েছিলাম। কিন্তু আমার আকুতি আল্লাহর দরবারে পৌঁছায়নি বন্ধু। তোকে হারিয়ে আমি আমার ভাই হারিয়েছি। যেখানেই থাকিস-ভালোথাকিস। আমার জীবনের নানান ঘাতপ্রতিঘাতে তোর সহমর্মিতা, তোর অবদান, তোদের পারিবারিক স্নেহ ভালোবাসার অবদান আমি কি করে ভুলে থাকব!
কাছের দুরের, হারিয়ে যাওয়া বন্ধুরা, তোমরা আমাকে অনেক দিয়েছো। ভালোবাসা, স্নেহ, মমতার অনেক ঋণে ঋণী করে রেখেছো আমায়। তোমাদের সহায়তা নাপেলে জন্মের সময় মাতৃহারা একটি শিশু জীবনের অর্ধশত বছর পার করতে পারতনা কোন অবস্থাতেই! তোমাদের ঋণ আমি কোন দিন শোধ করতে পারবোনা............
"ছুঁয়ে ছুঁয়ে দেখো আমার এ হাড়, ছুঁয়ে ছুঁয়ে শেখো একি, চোখ দিয়েছি প্রিয় বন্ধু, সে চোখে দেখো পৃথিবীর রূপ একি, তবু বন্ধু ভালোবেসো একবার... যা ছিল সব দিয়েছি দেবার........."- সিডি প্লেয়ারে ধীর লয়ে বেজে চলেছে কৃষ্ণকলির গান। আর আমি আমার অনুভূতির প্রতিটি কোণে যেন অন্য একটা শিহরণের ডাক শুনতে পাই। আজ সারা দিনমান বাসায় থাকার দিন। আজ অলস মেঘের দিন। আজ রকিং চেয়ারে আয়েশ করে গান শোনার দিন। তবু আমার চিন্তার মাঝে কোথায় যেন একটা অস্থিরতা। কেবলই মনে হয়, আচ্ছা আজ সারাটা দিন কি বন্ধুত্বেরও দিন হতে পারতো না। হয়তো পারতো। কিন্তু হয় না। সময় আমাদের হ্যামিলনের বাঁশি দিয়ে কোথায় যেন নিয়ে গেছে চেনা বন্ধুদের চেনা আড্ডাগুলোকে। এখন তাই ব্যস্ত সময় কাটে অফিসে, সংসারে। ছুটির দিনে বাইরে বেরুতে আলসেমী লাগে। বন্ধুর বাড়ির নেমন্তন্নে যাবার জন্য সময় বের করতেও হিসেবের ছক কষতে হয়। আর যান্ত্রিক জীবনে বন্ধুত্ব, আড্ডা বাঁধা পড়ে রয় যান্ত্রকিতার মাঝে।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৯:০৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
রিমঝিম বৃষ্টি বলেছেন:
ফাইনালি আপনি আইলেন। আপনেরে হগলতে হারিকেন দিয়া খুজতেছিল। ফুলের মালা ত নাই, আপনেরে প্লাস দিয়া বরন করলাম।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাদের-আমাকে মনে রাখার জন্য। আমি কিছুটা অসুস্থ্য হয়ে হাসপাতালে ছিলাম। বাসায় ফিরেছি-কিন্তু এখনো কিছুটা প্রব্লেম আছে। আমার জন্য আপনাদের শুভকামনা-আমাকে উজ্জীবিত করেছে।
লেখক বলেছেন: তুইতো আমার সবসময়েরই বন্ধু আছিস এবং থাকবি।
লেখক বলেছেন: আপনার জন্যও শুভকামনা এবং বন্ধু দিবসের শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ বন্ধু।
যেকোন লেখা পড়ে প্লাস/মাইনাস দিলে লেখকের লেখার স্বার্থকতা। কারন সব লেখাতেই থাকে কম বেশী পরিশ্রম। সেই পরিশ্রম স্বার্থক হয়-পাঠকের ভালো মন্দ বিশ্লেষনে।
কালপুরুষ বলেছেন:
বন্ধু দিবসের শুভেচ্ছা রইলো।
লেখক বলেছেন: এবং আপনাকেও শুভেচ্ছা।
লুকোচুরি বলেছেন:
সর্দি আনোয়ার একটা প্রাইভেট ব্যংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, কাউস্যা আনোয়ার লন্ডনে, জর্দা আনোয়ার শিল্পপতি....... দয়া করে এই তিনটা নামের ব্যাখ্যা দিবেন! জীবনে এমন নাম কোন্দিন শুনিনিতো-তাই খুব কৌতুহল হচ্ছে।লেখাটা চমতকার হয়েছে!
লেখক বলেছেন: ছেলে বেলায় আমাদের ৭/৮ জনের একটা গ্রুপ ছিলাম। যারা সবাই বন্ধু অন্ত প্রান ছিলাম। কাক্তালীয় ভাবে ক্লাশ ফাইভ থেকে এইচ এস সি পর্যন্ত আমাদের ৪ জন বন্ধুর নাম হয়ে যায় "আনোয়ার"। ঐ সময় আনোয়ার নামটা জানিনা কেন অনেকের ছিল। তো আনোয়ারদের আইডেন্টিফাই করতে আমি এক এক আনোয়ারের চারিত্রিক বৈশিষ্টানুযায়ী নামের আগে তাদের মুদ্রাদোষগুলো লাগিয়ে দিয়েছিলাম। সেই বিশেষনগুলো কেউ মুছে ফেলতে পারেনি-এতো বছর পরেও।
সর্দি আনোয়ার কথা বলতো আর নাকে টান দিত-যেনো সে তার নাক বেয়ে পরা সর্দি লুকোচ্ছে! আসলে কিন্তু ওর সর্দি ছিলনা।
কাউস্যা আনোয়ার কথা শুরুর পুর্বেই কাঁশি দিত। এটা ওর অভ্যাস ছিল। তাই তাকে কাউস্যা আনোয়ার বলেই আমরা ডাকতাম।
জর্দা আনোয়ার ক্লাশ নাইনে পড়ার সময় থেকেই পান খেত-তাও আবার জর্দা দিয়ে। তাই ওকে আমরা নাম দেই জর্দা আনোয়ার!
ব্যতিক্রমী বলেছেন:
আমলা কি বনদু অইতে পালি আপণার?হঠাৎ রাস্তায়
অফিস চেম্বারে
হারিয়ে যাওয়া মুখ
চমকে দিয়ে বলে
বন্ধু কি খবর বল!!!!
কতো দিন দেখা হয় নি.....................
লেখক বলেছেন: কেনো নয় বন্ধু? দুহাত প্রসারিত করে আছি বন্ধু হিসেবে তোমাকে আলিংগন করার জন্য।
জন্ম তারিখ আনুযায়ী আপনি প্রায় আমার পিতার বয়সী। কিন্তু সামুতে আপনি আমার বন্ধু তাই আপনাকে বন্ধুদিবসের শুভেচ্ছা।
আপানর লেখা গুলো বরাবরই ভাল লাগে। এই লেখাটাও ভাল লাগলো। প্রিয়তে রাখলাম এই কারনে যে আমি নিজেও একজন নস্টালজিকতায় আক্রান্ত মানুষ। আমার আজকের লেখাটা পড়ুন, Click This Link
ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন: এসো আমার যুবক বন্ধু। তোমাকে অভিনন্দন। বন্ধু হতে বয়সের কোন বাধ্যবাদকতা নেই। সুন্দর মানষিকতা থাকলে বয়স কোন ফ্যাক্টর হয়না।
আমার বর্তমান বয়স অর্ধশত বছর। আমার বড় ছেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেষ বর্ষের ছাত্র। ছোট ছেলে এস এস সি পরীক্ষার্থী।
তোমার লেখা নিশচই পড়বো।
ফেলো, ফেলো টুটি।
হে সূর্য, হে মোর বন্ধু, জ্যোতির কনকপদ্মখানি
দেখা দিক ফুটি।
বহ্নিবীণা বক্ষে লয়ে দীপ্ত কেশে উদ্বোধিনী বাণী
সে পদ্মের কেন্দ্র-মাঝে নিত্য রাজে, জানি তারে জানি।
লেখক বলেছেন: আপনার এমন একটা অসম্ভব সুন্দর মন্তব্য আমাকে আরো বেশী উজ্জীবিত করেছে। শুভেচ্ছা এবং শুভ কামনা বন্ধু দিবসে।
সহেলী বলেছেন:
আপনার এতদিনের কোন লেখায় এমন দরদ দেখিনি । বন্ধু দিবসে আপনি অনেককে খুঁজতে গিয়ে নিজেকে হারিয়ে ফেলেছেন ।
সুখী , সুন্দর জীবন কামনা করছি আপনার জন্য ।
লেখক বলেছেন: সব সময়ই আমি আমার প্রিয় সব বন্ধুদের মিস করি। আমার জীবনে বন্ধুদের অবদান অনেক বেশী। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় আমি ক্যাডেট কলেছের সপ্তম শ্রেনীর ছাত্র। ফেব্রুয়ারী মাসের প্রথম সপ্তাহে সবে মাত্র ক্যাডেট হিসেবে জয়েন করেছি। এপ্রিল মাসের ১৬ তারিখে আমাদের সব ক্যাডেটদের বাড়ী ফেরত পাঠানো হয়। আমরা থাকতাম ক্যানন্টমেন্ট এয়ারফোর্স অফিসার কলোনীতে। গুলজার থাকতো গ্যারিসনের কাছে জে সি ও'স কোয়ার্টারে। এক দিন পাক সেনারা ক্যান্টন্মেন্ট পোস্ট অফিসের সামনে ডাঃ সাত্তার সহ অনেক জনকে গুলি করে হত্যা করে। আমি কৌতুহলী হয়ে সেই হত্যাকান্ড দেখতে যাই। ঐ দিনই নেকগুলো পরিবারের সাথে ক্যান্টন্মেন্ট থেকে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাবার কথা। আমার অনুপ্সথিতিতেই আমাদের পরিবার(আমার সৎ মা। ভাই-বোন, মামা, খালারা) আমাকে নানিয়েই ঢাকা ত্যাগ করে। বুবু থাকতেন কখনো মামা বাড়ি, কখনো খালা বাড়ি/চাচা বাড়ি। আমারও কোন নির্দিস্ট থাকার যায়গা নেই। আমি বাসায় ফিরে দেখি বাসায় তালা। ঐ সময় অফিসার্স কোয়াটারে ৫/৬ টা ফ্যামিলী থাক্তেন-সবাই যারযার সুযোগ্মত চলে গিয়েছেন। আমি ভয় পেয়ে কান্না করতে থাকি। আমি কোথায় যাব ভাবছি। এমন সময় দেখি গুলজার ওর বড় ভাইকে নিয়ে আমার খোঁজে এসেছে............। গুলজার আমাকে নেবার জন্য কান্নাকাটি করছিল-আমাকে নানিয়ে কোথাও যাবেনা......... আমি গুলজারদের সাথে চলে যাই ওদের গ্রামের বাড়ি ব্রাম্মনবাড়িয়া............... গুলজার আমার সেই বন্ধু............।
সুরঞ্জনা বলেছেন:
অনেক ভাল লাগলো আপনার লিখা।সত্যি কথা বলেছেন, যান্ত্রিক জিবনে বন্ধুত্ত, আড্ডা বাধা পরে রয়
যান্ত্রিকতার মাঝে। কিন্তু আমরা কাওকেই ভুলিনা। আমাদের মনের গহীনে, চন্দন গন্ধি স্মিতির কুঠুরিতে সব তুলে রেখেছি।
মাঝে মাঝে তার ধুলো মুছি, আজ সেই ধুলো মুছবার ই দিন।
শুভবন্ধু দিবস। শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: বন্ধু দিবসে আপনাকেও অনেক অনেক শুভেচ্ছা।
মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন:
বন্ধুরা কেউ কেউ হারায়, অথচ বন্ধুতা হারায় না। (মেজবা কামাল কি ঢাবির ইতিহাসের শিক্ষক ?)বন্ধু দিবস ভালো কাটুক - আপনার , আমার , সকলের
লেখক বলেছেন: আপনি ঠিক বলেছেন মেজবা কামাল একজনই............ আমার বন্ধু।
বন্ধু দিবসে আপনাকেও অনেক অনেক শুভেচ্ছা।
আইসিস বলেছেন:
শুভ কামনা রইল , ভালো থাকবেন ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক অনেক শুভেচ্ছা এবং শুভ কামনা।
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন:
শুভ হোক বন্ধুদিবস ...
লেখক বলেছেন: আপনার জন্যও অনেক অনেক শুভ কামনা।
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
অনেক সময় নিয়ে, অনেক দরদ দিয়ে লেখাটা লিখেছেন। বন্ধুত্ব এমনই।বন্ধু দিবসের শুভেচ্ছা
লেখক বলেছেন: আল্লাহর রহমত এবং বন্ধুদের অসীম সহযোগীতা নাপেলে আজ পৃথিবীর মাঞ্চিত্রে আমার কোন অবস্থান থাকতোনা। তাই প্রতিনিয়ত আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জানাই এবং বন্ধুদের কথা কৃতজ্ঞচিত্তে শরণ করি।
সহেলী বলেছেন:
গুলজার , যিনি বিডিআর হত্যাযজ্ঞের শিকার !ওনার ছবি দেখেছি অনেকসময় , দেখে কেমন যেন ভাল মানুষ মনে হত ; ভুল হয় নি ; ছোটবেলা থেকে উনি মানুষ হতে শিখেছিলেন , হতে পেরেছিলেন ।
উনি আপনার এত কাছের একজন ছিলেন , সেটাই গর্ব হয়ে থাক । তার অকালপ্রয়ান তাকে মঙ্গলময়ের কল্যানস্পর্শের জন্য নিয়ে গেছে ।
শুভকামনা আপনার জন্য , এবং আজকের দিনে গুলজার সহ অন্য সবার রুহের মাগফেরাত কামনা করছি যারা নেই আমাদের মাঝে ।
লেখক বলেছেন: হ্যা সেই গুলজারের কথাই আমি লিখেছি।
গুলজার আর আমার চেহারা বিষেশভাবে শরিরের রঙ প্রায় একই রকম অর্থাৎ কালো। গুলজারদের অনেকজন ভাই-বোন। অন্যরা সবাই খুব ফর্শা। গুলজারের অনেক দুঃখছিল ও কালো বলে। ওরা অন্য ভাই বোনেরা ওকে খেপাত-ওকে কুড়িয়ে পেয়েছে বলে। এক সময় গুলজার তাই বিশ্বাস করত। কালো বলে আমারও দুঃখের কমতি ছিলনা.........।
সেই ছেলে বেলায় দুজন দুজনকে খুব অসহায় ভাবতাম। যদিও আমি ছিলাম সত্যিকারের অসহায়। এইসব কিছু কিছু অন্তমিলের কারনেই হয়তবা ছোটবেলা থেকেই আমাদের আত্মার বন্ডিংস্টা ছিল খুব স্ট্রং! ওর মেয়ে দুটো ওদের বাবার মতই প্রায়-তাই ওদের বাবা এবং আমার সাথে খুব খাতির............। এসব কথা মনে করে আমি ভয়ানক ভাবে ভেঙ্গে পরি!
রুবেল শাহ বলেছেন:
অসা
ধা
র
ণ
অনন্য অসাধারণ লেখাটা ভাইয়া..................
তুমি আমার ভাইয়া হলেও তোমার সাথে আমার সম্পর্ক অনেকটা বন্ধুর মত...............
তুমি সুস্থ হও এই কামনাই সর্বদা...........
প্রতিটি দিনই বন্ধুত্বের ...............
শুভেচ্ছা ...............
লেখক বলেছেন: তুমিতো আমার শুধু ভাই নও, আমার বন্ধুও, আমার আপন জন।
জ্বীন বলেছেন:
"A man is known by his compan" এটা আপনার লেখা থেকে বোঝা যায় । বীর সৈনিক কর্ণেল গুলজার উদ্দীন এর কথা যা জেনেছি, তাতে এটুকু বোঝা যায় দেশের এই ক্ষতি পূরণ হবার নয় ।
বন্ধু দিবসের অনেক অনেক শুভেচ্ছা । ভালো থাকবেন ।
লেখক বলেছেন: শুধু গুলজার নয়-ঐ ঘটনায় অনেক অনেক জন অনেস্ট আর্মী অফিসার আমরা হারিয়েছি সরকারের উদাসীনতা আর হঠকারিতার জন্য-সেই ক্ষতিপুরন কোন দিন সম্ভব নয়।
তোমার জন্যও অনেক অনেক শুভ কামনা।
হক মাহবুব বলেছেন:
আপনার লেখাটি পড়লাম। আপনার চার 'আনোয়ার' বন্ধুর কথা পড়ে একটু নষ্টালজিয়ার কবলে পড়ে গেছিলাম। আমরাও কয়েক মাহবুব একত্রে থাকতাম আর চেনার সুবিধার জন্য অন্য বন্ধুরা নামের আগে পরে 'সাদা, কালো, গুদাম, হাতভাংগা ইত্যাদি নামে ডাকতো। অবশ্য সামনে ডাকতো না, অপ্রত্যক্ষে বলতো। সরাসরি বললে তো খবরই ছিল।আরে, কোথায় আপনাকে ধন্যবাদ দেব না 'ধান ভানতে শীবের গীত' শুরু করেছি।
আপনাকে ধন্যবাদ একটি অসাধারণ লেখার জন্য। আর দ্রুত ভাল হয়ে উঠুন।
লেখক বলেছেন: খুব সুন্দর কমেন্টস করার জন্য অনেক ধন্যবাদ মাহবুব।
আমরা কিন্তু বন্ধুদের যেসব নাম দিতাম-তা গোপনতো করতামইনা বরং মৌজ করে সেই "অপনাম" এর আকিকা পালন করতাম। তারপর সেই নাম ছড়িয়ে দিলাম সকলের কাছে............। তাই বলে আমাদের সম্পর্কের কোন অবনতি হয়নি আজ পর্যন্ত! বরং আমাদের সন্তানেরা সেই সব নাম নিয়ে এখন মজা করে!
লেখক বলেছেন: আপনাকেও বন্ধু দিবসের শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শামসীর।
ব্যতিক্রমী বলেছেন:
এরকম আহবান পেলে চোখে জল এসে যায়। "আমার রক্তের ভেতরে প্রবাহিত
বন্ধু, স্মৃতি, দুঃখ,
আমার দেহ আবিষ্ট
ঘিরে রাখা স্বপ্নিল বন্ধুত্বের ভালোবাসায়।"
ভালো থাকা হয় যেন বন্ধু............
যদিও আমি অতি ক্ষুদ্র (২০) আপনার চেয়ে..........
হাতে হাত....... অ...ন...ন্ত...কা...ল...
বয়ে চলে নিঃসঙ্গ পৃথিবীতে..............
লেখক বলেছেন: বন্ধুত্বতো এমনই উদ্ধত্ব হওয়া চাই। সততা নাথাকলে বন্ধুত্ব হয়না।
লেখক বলেছেন: অনেক কস্ট নিয়ে বড় হয়েছিবলে অনেক খুশীর মাঝেও আমার কস্টের বয়ান চলে আসে.....................
বন্ধু দিবসের শুভেচ্ছা এবং শুভ কামনা।
মানবী বলেছেন:
সর্দি আর জর্দা আনোয়ারদের রহস্য কিছুটা বুঝলাম, কাউস্যা আনোয়ারটা বুঝতে পারছিনা এখন সত্যটা বলি। পোস্টটি পড়ে খুব মন খারাপ হলো। কর্ণেল গুলজারের কথা মনে করে। বেচারার দেশ প্রেম আর সততা কাল হয় দাঁড়িয়েছিলো ক্ষমতালোভী প্রতিহিংসাপরায়নদের কাছে! তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করছি।
আপনি ভালো থাকুন জুল ভার্ন। ধন্যবাদ পোস্টটির জন্য।
লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। গুলজারের মত একজন প্রতিভাবান অফিসারকে বিডি আর সেক্টর কমান্ডার হিসেবে বদলী করাই হয়েছিল কায়েমী স্বার্থবাদীদের প্রতিহিংসার ফল। বিডিয়ার দের ভিতরে পুঞ্জিভুত কিছু সমস্যা দীর্ঘদিন যাবত বিরাজ করছিল। সেই পুঞ্জিভিত ক্ষোভকে জলন্ত আগ্নেয়গীরিতে রুপান্তরিত হতে সার্বিক সহায়তা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর দুইজন নিকট আত্মীয় এম পি এবং স্ব-রাস্ট্র মন্ত্রী স্বয়ং। তাদের সহয়াওতা না পেলে, তাদের আস্কারা নাপেলে বিডিয়ার বিদ্রোহ হতনা। সেনা অফিসারদের হত্যা করা হয়নি, বিষেশ মহলের ইন্দনে, সাপোর্টে হত্যা করানো হয়েছিল সুপরিকল্পিত ভাবে। এসব কথা বললে/ লিখলে আমিও ভাল থাকবোনা।
লেখক বলেছেন: ইনশাআল্লাহ।
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
বন্ধু মোরা সবাই..............
মন ছুঁয়ে যাওয়া লেখা।
মনটা ভারী হয়ে গেলো।
শুভেচ্ছা থাকলো আর অনেক দোয়া।
লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
আজ সকালে কয়েকবার কল করেছিলাম। রিং হয় কেউ ফোন তুলছেনা! সময় সুযোগ হলে কল দিও।
সেজুঁতি বড়ূয়া বলেছেন:
আংকেল, খুব সুন্দর একটা লেখা পড়ে মন ভরে গেল। আপনার বন্ধুদের টাইটেল নামগুলো জেনে খুব হাসি পাচ্ছে! আমি ভেবেছিলাম-কাউকে বিরক্ত করার জন্য বিভিন্ন নাম দেয়ার প্রচলন বুঝি আমাদের সময়ই শুরু হয়েছে। কিন্তু আপনার লেখা পড়ে বুঝে নিলাম-আমার জন্মের পুর্বেও এই প্রথা চালু ছিল!
লেখক বলেছেন: আমার ধারনা, আমাদেরও অনেক অনেক পুর্বে এই প্রথা চালু ছিল। আমার আব্বা সেন্ট গ্রেগরী স্কুলের ছাত্র ছিলেন। স্কুল ছুটির সময় ১৯৩৪ সনের আব্বার একটা চিঠি আমি খুঁজে পেয়েছি- আব্বাকে লেখা তাঁর এক বন্ধু আববাকে অনেক কথা লেখার পর বিষেশ দ্রস্টব্যঃ লিখে জানতে চেয়েছেন-"হ্যারে, আমাদের 'একালের মজনু'র (বি ডি হাবিবুল্লা)খবর জানিস"?
বিডি হাবিবুল্লাহ ছিলেন বরিশালের একজন প্রক্ষ্যাত আইঞ্জীবি এবং শের-ই-বাংলা একে ফজলুল হক সাহেবের অন্যতম সহচর।
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
বন্ধুরা মরে যায় না
লেখক বলেছেন: ভাল একজন বন্ধু আপনার আমার জীবনের সম্পদ হতে পারে।
মুহিব বলেছেন:
যারা আপনাকে বন্ধু হিসেবে পায় তারাও নিশ্চয় খুব গর্ব করে। আমি নিশ্চিত এ ব্যাপারে।
লেখক বলেছেন: বিষয়ে আমার বন্ধুরাই বলবেন..................
আপনাকে যতটা জোস ওয়ালা মনে করেছিলাম, আপনি তার চেয়েও বেশী এবং রসিক। আসলে এজন্যই মনে হয় মানুষ হিসেবে আপনি চমৎকার ।
অধিকাংশ মানুষই যখন সমাজের উচু স্তরে পৌছে যায় তখন ছোট অবস্থানের মানুষগুলো আর তার চোখে পড়ে না, উপরোন্ত সেই ক্ষুদ্র মানুষগুলো তাদের চোখে একটা আপদ, ঘৃন্য । এদিক দিয়ে আপনি মনে হয় ব্যতিক্রম।
আর আপনার বন্ধু ভাগ্য সাংঘাতিক রকমের ঈর্ষনীয়। সবার এরকম হয় না।
আপনার জন্য শুভকামনা ।
লেখক বলেছেন: শরাফতকে কেউ একজন জানিয়েছে-ওকে নিয়ে আমি ব্লগে লিখেছি আমার পোস্টে............। শরাফত আজ ফোন করে আমাকে একহাত নিয়েছে! বিশ্বাস করুন আমার সাথে যে ভাবে রাগ করেছিল-তা অন্য যেকেউ শুনলে ভাবতো শরাফাত বুঝি ক্রিকেট খেলার ধারা বর্ণনা দিচ্ছে! (এখানে হাসির ইমো হইবে)ওর কথার স্টাইলটাই অমন!
প্রিয় জেড ইসলাম, সব মানুষের মতই আমিও কান্না করতে করতে এই পৃথিবীর আলোবাতাস দেখেছিলাম। ভাগ্যের বিড়ম্বনায় অনেক কেঁদেছি। আর কাঁদতে চাইনা। সবার সাথে হেসে খেলে মরে যেতে চাই......। আমার জন্য দোয়া করবেন।
ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনাকে হাতজোড় কইরা বলি, আপনি দয়া করে তাকে বলেন, উনি যাতে দয়া করে এই কমেন্টেটরি ছেড়ে দিয়ে অন্যকিছু করে। আর না হলে আপনারা উনাকে অন্য কোন একটা ব্যবস্থা করে দেন।
লেখক বলেছেন: ওর হবেনা, কোন দিন হবেনা। বিটিভিতে এবং স্পোর্টস কাউন্সিলে ওর অনেক খয়েরখা হাই অফিশিয়াল আছেন-যারা ওকে দিয়েই বছরের পর বছর ধারা বর্ণনা দেওয়াবে।
ওর আর একটা বেহায়াপনামী হলো- এনি হাউ, টিভিতে চেহারা দেখানো যায়-এমন যে কোন একটুক্রো অনুষ্ঠানেও মুখে পাউডার মেখে, ঠোটে লিপিস্টিক লাগিয়ে হাজির হবেই! ওর এটা একধরনের বাতিক! ঐ বেটা মাউরা(ও কিন্তু খাস ঢাকাইয়া)-তুই কি বুঝিসনা তরে সবাই কুত্তা বিলাই'র মত লাঠি নিয়া সম্মান করে...............
অঃটঃ আজ আমার খবর আছে!! শরাফতের হাত থেকে এবার আর আমার রক্ষা নেই!!!(এখানে ইমো হইবে)
সাইলেন্সার বলেছেন:
সবার বন্ধু গ্রুপে ১/২ জন রসিক/জোকার থাকে যাদের সাধারণ কথাতেও অনেক হিউমার থাকে।
অনেকটা জনপ্রিয় অভিনেতা মোশারফ টাইপ........... এরা যা বলে তাতেই হাসি পায়।
আপনার ঐ চৌধুরী সাহেব মনে হয় তেমনই একজন............
লেখক বলেছেন: বন্ধুটির অনেক ভালোগুনের কথা বলি-বেতন পেয়ে অফিস থেকে বের হয়েছে। বাজার করে বাসায় ফিরবে।-এমন সময় একজন এসে বল্লো-তার টাকার খুব বেশী প্রয়োজন। শরাফত তার সব টাকাই বিপদে পড়া মানুষ্টাকে দিয়ে খালি হাতে বাসায় ফিরবে! অথচ বাসায় কালকের খাবারের জন্য চাল-ডাল-তেল-নুন কিছুই নেই। এমন কি বাচ্চার জন্য দুধ নেই। বাচ্চাদের স্কুলের বেতন দেয়া হয়নি। অথচ ধার দেয়া টাকা নন রিফান্ডাবল!
শরাফাত এমন একজন মানুষ-যিনি তার চটড়্গ্রামগামী বন্ধুকে ট্রেনে তুলেদিতে গিয়েছেন। ট্রেন ছেড়ে চলে গিয়েছে ব্রাম্মনবাড়িয়া-তখন তার মনে পড়েছে বাড়ি ফেরার কথা! এই হলো আমাদের শরাফত!
রাজীব বলেছেন:
হৃদয়স্পর্শী লেখা। পড়ে ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাজীব।
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন:
+। আপনার অতীত স্মৃতি রোমান্থন দারুণ লাগল। আর দুঃখ পেলাম মরহুম গুলজার সাহেবের কথা এবং উনার পিতার কথা শুনে। আপনি সুন্দর করে কথা লিখতে পারেন জুল ভার্ণ ভাই। এর জন্য আপনার ব্লগে প্রায় সব সময়ই আসতে হয়। আল্লাহর কাছে আপনার ও পরিবারের জন্য সুখে-শান্তিতে থাকার জন্য দোয়া করি। বন্ধু দিবসের শুভেচ্ছা রইল! আর এই লেখা প্রিয়তে নিলাম।
লেখক বলেছেন: ভাইরে, এমন সুন্দর করে বল্লি-আমার চোখ ভিজে গিয়েছে!!!
জীবনে অনেক কস্ট করেছি, মানবেতর জীবন যাপন করেছি, অনেক দিন নাখেয়ে থেকেছি। এইচ এসসি পর্যন্ত নিজে বই কিনে পড়তে পারিনি। আদর স্নেহ যে টুকু পেয়েছিলাম-তা আমার বুবু'র কাছ থেকেই-সেটাই আমার জীবনের প্রাপ্তি আর তোমাদের মত অনেক সহানুভুতিসমপন্ন মানুষের ভালোবাসাই আমার প্রেরণা।
তুমি আমার লেখা প্রিয়তে রেখেছ-আর আমি তোমাকে আমার অন্তরের প্রিয়তে রেখেদিলাম।
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন:
এই লেখাটা আরও ২বার পড়বো বোধহয়।।। স্কুলের বন্ধুদের ভীষণ মিস করি, ভার্সিটিতে সেরকম কোন ঘনিষ্ঠ বন্ধু নেই, বরং সিনিয়র-জুনিয়রদের সঙ্গেই ঘনিষ্ঠতা থাকে সবসময়..........তবুও বন্ধুত্বের প্রকাশটা এখনো আছে স্কুলের ঐ বন্ধুদের প্রতি....
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ হিমু।
অপরাজিতা ০০৭ বলেছেন:
সরাসরি প্রিয়তে!
লেখক বলেছেন: এ আমার পরম সৌভাগ্য!
ডিজিটাল কলম বলেছেন:
এভাবে না লিখলেও পারতেন............................+++++++++++++++++++++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বন্ধু।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
এ ১টা মেইল করা যাবে ? আপনার এ লেখাটি ২ য় বারের মতো পড়লাম। বন্ধুর প্রতি ভালোবাসা দিয়ে লেখা পড়ে ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: প্রিয় সুমন ভাই, আমি অবশ্যই আপনাকে মেইল কবো।
সুবিদ্ বলেছেন:
শরাফত সাহেব নাকি একটা ধারাভাষ্য একাডেমী খুলবেন......দয়া করে উনাকে একটু নিরস্ত করেন, ভাইয়া......
লেখক বলেছেন: খবরটা শুনে হাঃ হাঃ পঃ গেঃ
ও কি আমার কথা শুনবে! শরাফত খাটী ঢাকাইয়া পোলা-মাথার মধ্যে যা ঢুকবে-তাই করবে!
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















