আমার প্রিয় পোস্ট
- কম সময়ে একসাথে আপলোড করে ব্লগে অনেক অনেক ছবি দেওয়ার অনেকগুলো উপায় (নতুনদের জন্য) - সাইফুলহাসানসিপাত
- বাংলা ব্লগের বিভাজন রেখা : কর্পোরেট বনাম ইনডিপেন্ডেন্ট ব্লগ - মাহবুব মোর্শেদ
- একদিন, দেখে নিও! - সুলতানা শিরীন সাজি
- ব্যাবিলনের শুন্যোদ্যান ( Hanging Garden of Babylon) - বীরেনদ্র
- ব্লগ রাজনীতি ও ব্লগের রাজনীতি - একরামুল হক শামীম
- বেগম আখতার গানের জগতের সম্রাজ্ঞী। - সুরঞ্জনা
- জেগে ওঠো মানুষ, বেঁচে উঠুক তিতাস - অন্যমনস্ক শরৎ
- সামুর বেশকিছু টেকি , টিপস এন্ড ট্রিকস এবং দরকারি পোস্টের সংকলন

- রবিন মিলফোর্ড
- ফিরে দেখা ২০১১ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগে যা কিছু আলোচিত-সমালোচিত... - ফিউশন ফাইভ
- আমার ছানা পাখীর লেখা গল্প " মুক্তিযোদ্ধার গল্প" পড়ে আমি নিজেই মুগ্ধ - মেহবুবা
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র : জনপ্রিয় কিছু অনুষ্ঠান ও তাদের নেপথ্যের কুশলীরা - দস্যু রত্নাকর
- ১৯৭১ , জেড ফোর্সের মুক্তিযুদ্ধ : জিয়া-শাফায়াত-মইন-আমিনুলদের যুদ্ধ দিনের গল্প জানুন ছবি আর বর্ননায়........ - দাসত্ব
- স্মৃতির পাতা থেকে........ - নাআমি
- খনা : এক ক্ষণজন্মা কিংবদন্তীর দুঃখগাথা - ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন
- ক্যাট স্টিভেন্স থেকে ইউসুফ ইসলাম - অসম্ভব জনপ্রিয় এক নওমুসলিমের ইতিকথা - কবির চৌধুরী
- ব্যাক্তি নিরাপত্তা ও আমরা কি করবো। - জুন
- জেনে নিন আপনি সামহোয়্যারের কত নাম্বার ব্লগার {(যারা জানেনা তাদের জন্য) সম্পূর্ণ আজাইড়া পোস্ট} - অণুজীব
- দেখা হবে আবার, এই সামহয়্যারইন, এই মায়াবীবৃক্ষের তলায় - সুনীল সমুদ্র
- সকল ব্লগারের নামের লিস্ট ও লিংক এক জায়গায় জড়ো করা হচ্ছে, আপনারা সহযোগীতা করুন - বহুরূপী মহাজন
- ·٠•●♥♫♫♫ "লালন" - পোস্ট সংকলন ♫♫♫·•●♥ ·٠ - কবির চৌধুরী
- সোনারগাঁও হোটেলের সোনালী স্মৃতি - চার্ত্রুজ-বী
- সোনারগাঁও হোটেলের সোনালী স্মৃতি .... ২য় খন্ড - চার্ত্রুজ-বী
- শব্দ কল্প দ্রুম -৩ - বোকা ছেলে
- আজম খানকে নৈবেদ্য - তাঁর কীর্তি সমগ্র - কবির চৌধুরী
- আঁধারপ্রেমী - অনিক
- ২০০ বছরের পরাধীনতা এবং আমাদের তথাকথিত ওয়ার সিমেট্রী: পর্ব - ১ - মিলটন
- ডঃ ইউনুস ও আমার দেখা একটি সিনেমার কাহীনি - মুরশীদ
- মাতৃভাষা আন্দোলনের সেই সব সূর্যসন্তানেরা...... - রেজোওয়ানা
- - হৃদয়ের কথা-নির্মম বাস্তবতা আর রূপকথা - মানবী
ইভটিজিং
০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৮
ইভটিজিং
একটি মেয়ে রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে। একদল ছেলে তাকে দেখেই ছুড়ে দিল অশ্লীল মন্তব্য, কটূক্তি। রাস্তাঘাট, বাস স্টপেজ, গার্লস স্কুল কলেজের সামনে, মহল্লার গলির ধারে এটি খুব পরিচিত একটি দৃশ্য। স্বপ্না, সিমি, মহিমা, তৃষা, তিথির করুণ আর্তচিৎকার এখনও বাতাসে ভাসে। এরা প্রত্যেকেই আমাদের পরিচিত। আর যে বিষের ক্রিয়ায় এইসব সদ্য প্রস্ফুটিত ফুলগুলো অকালে ঝরে গেছে তার আভিধানিক নাম ইভটিজিং। একবুক যন্ত্রণা নিয়ে মহিমা, তৃষারা ছেড়ে গেছে আমাদের। ডুবিয়ে দিয়ে গেছে সীমাহীন লজ্জায়। কিন্তু এরপরেও অবস্থার কতটুকু পরিবর্তন হয়েছে? আমরা যদি ইভটিজারদের এই বিপথ থেকে সুপথে ফিরিয়ে আনতে না পারি তবে ধ্বংস হয়ে যাবে সমাজ, দেশের ভবিষ্যৎ।
সর্বনাশা ইভটিজিং
যারা ইভটিজিং করে তাদের এক বিশাল অংশ তরুণ। তবে অনেক মধ্যবয়সী পুরুষও ইভটিজিং করেন। তরুণদের তুলনায় তাদের যেহেতু বয়স বেশি, অভিজ্ঞতার ঝুলি বড়, তাই তাদের থেকে এ ধরনের আচরণ যথেষ্ট প্রশ্নসাপেক্ষ। ইভটিজিংয়ের মানসিকতা বা এর উৎপত্তি সম্পর্কে প্রায় সকলেই পারিবারিক শিক্ষা ও পরিবেশকে দায়ী করেন। পরিবারে নারীর অবমূল্যায়ন দেখে যে শিশুটি কিশোর থেকে তরুণ হয়েছে তার মধ্যে মেয়েদের প্রতি অবজ্ঞাসূচক মনোভাব সৃষ্টি হওয়াটাই স্বাভাবিক। এছাড়াও সঙ্গদোষ, বাবা-মার অতি আদরও অনেক সময় তরুণদের মানসিক বিকৃতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আরেকটি কারণ পরিবারের অতিরিক্ত রক্ষণশীলতা। তরুণরা সব সময়ই নিষিদ্ধ জিনিসের প্রতি আকৃষ্ট হয়। ছেলেদেরকে মেয়েদের সাথে মিশতে না দেয়া থেকে তাদের মধ্যে মেয়েদের সম্পর্কে কৌতূহল সৃষ্টি হয়। এই কৌতূহল নিবারণই অনেক সময় ইভটিজিংয়ের জন্ম দেয়। যার ফল হয় ভয়াবহ।
মন্তব্য মেয়েদের মুখেঃ
এই দৃশ্য আমি ধান্মন্ডি লেকের পাড়ে অহরহ দেখি। আমার বাসার সামনেই পানশী রেস্টুরেন্ট। বিভিন্ন সময়ে ওখানেই আমি কথা বলেছিলাম পাঁচজন তরুণীর সাথে। তারা বলেছেন ইভটিজিং সম্পর্কে। সিটি কলেজের ছাত্রী বাবলী বললেন, ইভটিজিং ছেলেদের বিকৃত রুচির প্রকাশ। তারা নিতান্তই মজা করার জন্য এরকম অশালীন আচরণ করে। কিন্তু মেয়েদের মনে এর বিরূপ প্রভাব সম্পর্কে তাদের কোনো মাথাব্যথা নেই। টিজাররা মাঝে মাঝে সীমা অতিক্রম করে এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে তরুণীটির পক্ষে তা সহ্য করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। ঢাকা মহানগর মহিলা কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করা আনিকা বললেন, মাঝে মাঝে কষ্ট হয় মেয়ে হয়ে জন্মেছি ভেবে। মেয়ে বলেই পাড়ার উঠতি মাস্তান থেকে শুরু করে রিকশাওয়ালার কটূক্তি মুখ বুঝে সহ্য করতে হয়। প্রতিবাদ করেন না কেন? একই প্রশ্নের জবাবে মিরপুর কমার্স কলেজের ছাত্রী যুথী বললেন, রাস্তায় যদি প্রতিবাদ করতে যাই লোকজন জড়ো হয়। তখন নিজেকে অনেক ছোট মনে হয়। ও লেভেলের ছাত্রী ইভা বললেন, ইভটিজিংয়ের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে পরিবার থেকে সতর্কবাণী থাকা উচিত। অর্থাৎ ছোট্ট ছেলেটিকে শৈশবেই শেখানো উচিত মেয়েদের সম্মান করো। ইডেন কলেজের ছাত্রী তানিয়া বললেন, তরুণরা মূলত আবেগ থেকে এ ধরনের কাজ করে। তারা বোঝে না এর ভয়াবহতা কতটা মারাত্মক। তাদের করণীয় আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করে সমস্যার উত্তরণ ঘটানো।
উদ্বিগ্ন অভিভাবকঃ
পঞ্চম শ্রেণীতে পড়া একটি মেয়েকে শিশুই বলা যায়। কিন্তু তাকেও যে রাস্তাঘাটে ইভটিজিংয়ের শিকার হতে হয় তা বুঝলাম আমার নিজের মেয়েকে দিয়েই। বললেন পুরান ঢাকার ব্যবসায়ী আবুল কালাম। অভিভাবকরা সবসময় তাদের মেয়েকে নিয়ে চিন্তিত থাকেন। উৎকণ্ঠায় ভোগেন যতক্ষণ না মেয়েটি বাসায় পৌঁছায়। এই উৎকণ্ঠাই মাঝে মাঝে জন্ম দেয় অতি রক্ষণশীলতার। তবে অতি রক্ষণশীলতার ফলাফলও আমাদের সমাজে আছে। ঠিক বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরোর মতো।
আর কতদিনঃ
দিন পরিক্রমায় ইভটিজিং রীতিমতো ক্রাইমে রূপ নিচ্ছে। ইভটিজিংয়ের কারণে কোমলমতি মেয়েরা মানসিক নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে। নিজেদের ধাবিত করছে আত্মহত্যার মতো জীবননাশের দিকে। আমরা সিমি, স্বপ্না, তৃষা, তিথির মতো হাতেগোনা কয়েকজনের কষ্টকাহন প্রকাশ করি। এরা চূড়ান্ত পরিণতিতে পড়েছিল বলেই এদের ঘটনা গুরুত্ব পেয়েছে সংবাদ মাধ্যমের কাছে। কিন্তু এরকম হাজারো সিমি, স্বপ্না, তিথি ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে আমাদের শহরে, গ্রামে, প্রত্যন্ত অঞ্চলে। আর অপরাধী মুখগুলো থাকে সব সময়ই লোকচক্ষুর অন্তরালে। এ পর্যন্ত এরকম অপরাধের কোনো দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়নি যা থেকে বাড়তে পারে টিজারদের সচেতনতা।
শিকার শুধু তরুণীরাই নয়ঃ
ইভটিজিংয়ের শিকার যে শুধু কিশোরী তরুণীরা তা নয়। এই ঘৃণ্য অপরাধের শিকার হচ্ছেন মধ্যবয়সী নারীরাও। কিন্তু এখানেও ফলাফল একই রকম। মুখ বুঝে সহ্য করা। সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে গেলে প্রাণ বিসর্জন। টিজারদের নতুন টার্গেট নির্ধারণ।
আইনগত বিধানঃ
২০০০ সালে শিশু ও নারী নির্যাতন দমন আইনে অশ্লীল মন্তব্য, অঙ্গভঙ্গি, কটূক্তি করলেই শাস্তির বিধান ছিল। কিন্তু এর অপব্যবহারে অনেক সাধারণ মানুষ নাজেহাল হয়েছেন। ফলে ২০০৩ সালে এই আইন সংশোধন করা হয়। সংশোধিত আইনে শরীর স্পর্শ করে টিজিং না করা পর্যন্ত শাস্তির কোনো বিধান রাখা হয়নি। শরীর স্পর্শের পরই কেবল অপরাধী কাঠগড়ায় দাঁড়াবেন। কিন্তু শুধু মৌখিক কটূক্তিও যে একটি মেয়েকে জীবনের প্রতি বীতশ্রদ্ধ করে মৃত্যুর কোলে ঠেলে দিতে পারে তার চাক্ষুষ প্রমাণ সিমি। বাংলাদেশ পেনাল কোডের ২৯৪ ধারায় ইভটিজিংয়ের শাস্তি হিসেবে ৩ মাসের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে যা অপরাধের তুলনায় অতি নগণ্য। ডিমপি অ্যাক্ট-এর ৭৬ ধারায় ইভটিজিংয়ের শাস্তি হিসেবে ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় শাস্তির কথা বলা আছে। পেনাল কোডে আরও আছে প্রভোগ করার কারণে যদি কেউ আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয় তবে অপরাধীর শাস্তি দশ বছরের জেল। কিন্তু আইন সম্পর্কে অজ্ঞতা এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অসহযোগিতার কারণে বেশিরভাগ সময়ই বিচারহীনভাবে ধামাচাপা পড়ে যায় ঘটনাগুলো।
কখনও দায়ী তরুণীরাওঃ
ইভটিজিংয়ের জন্য ছেলেরাই দায়ী শতকরা ৯৮ ভাগ। তবে কখনও কখনও মেয়েরাও দায়ী হয়। কিছু কিছু মেয়েদের অশালীন আচরণ বখাটে ছেলেদের টিজ করতে আরো বেশী প্রলুব্ধ করে। সেক্ষেত্রে মুষ্টিমেয় তরুণীর উচ্ছৃঙ্খল চলাফেরা, অরুচিশীল পোশাক এসবও অনেক সময় ইভটিজিংয়ের সহায়ক কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আজকাল অতি আধুনিক কিছু তরুণীর মধ্যে ছেলেদের টিজ করার প্রবণতাও লক্ষ করা যায়। যার কারণে ছেলেরা আরও উতসাহি কিম্বা তিক্ত হয় তাদের উত্তক্ত করে।
চাই নির্মল বন্ধুত্বঃ
ইভটিজিং বন্ধ করার জন্য দরকার ছেলে-মেয়ের মধ্যে নির্মল বন্ধুত্বের পরিবেশ। বন্ধুত্বের মাধ্যমে একে অপরকে জানবে। বাড়বে শ্রদ্ধাবোধ, উন্নত হবে মন মানসিকতা। তার জন্য প্রয়োজন তরুণদের নিয়ে কাউন্সেলিং! তাহলে সেদিন বেশি দূরে নয় যেদিন বন্ধ হবে মহিমা, তিথিদের করুণ আর্তি। ছেলে-মেয়ে নির্বিশেষে সবাই হাতে হাত রেখে কাজ করবে দেশের স্বার্থে। বাংলাদেশের নাম জানবে পৃথিবীর সবাই।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ২:৫২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
চানাচুর বলেছেন:
প্লাস।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: মাহদী, হয়ত তোমার কথাই সত্য। কিন্তু আমি রোদন করছিনা-যা মনে আসে, বুঝে আসে-তাই লিখি-তোমরা পড়ে উতসাহ দাও তাতে আরো বেশী লেখার প্রেরণা পাই।
ভালো থেকো।
সাইফুর বলেছেন:
++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সাইফুর।
আবু শরীফ মাহমুদ খান বলেছেন:
ছেলেদের দোষ আছে মানলাম। আর যে সমস্ত মেয়েরা ইভটিজিং করে তারা মাত্র ৫% । মানতে পারলাম না। % আরো অনেক বেশী। ছেলেরা বেকুব বলে পড়ে পড়ে মার খায়। আর মেয়েরা ধরা খেলে কেঁদেকেটে ঘটনা উল্টে ফেলে। কাল দুপুর থেকে রাত ১২:৩১ পর্যন্ত একটা মেয়ে আমাকে মিস কল দিয়ে কল দিয়ে টিজিং করেছে। আপনি আজকে এই সাবজেক্টে লিখেছেন বলে কথায় কথায় বললাম না হলে অন্য দিনের মত চেপে যেতাম।
লেখক বলেছেন: ক্ষেত্র বিষেশ আমিও আপনার সাথে সহমত পোষন করি। আপনার মতই পঞ্চাশোর্ধ আমি, আমার স্ত্রী, আমার দুই ছেলে সন্তান একই সমস্যায় আক্রান্ত হই। সব খারাপই বন্ধ হওয়া বাঞ্চনীয়।
আপনাকে ধন্যবাদ।
মুহিব বলেছেন:
ইভটিজিং-এডামটিজিং সবই রুচি প্রকাশ করে। যে যেমন সে তো তেমনই আচরন করবে।
লেখক বলেছেন: কথা সত্য। কিন্তু আমরা ইচ্ছে করলেই খারাপ্টা এভয়েড করতে পারি। যে খারাপ কাজ করে তাকে শিখাতে পারি-আমরা ভাল কাজটা করে ।
মিলটন বলেছেন:
এটা একটা চারিত্রিক অবক্ষয় মাত্র। প্রত্যেকটা মানুষেরই আশে পাশে বাই-ডিফল্ট কিছু কু-মনবৃত্তিদানকারী ইলিমেন্ট থাকে। যখন মানুষের বিবেকের সাথে সেগুলো যুদ্ধ করে জিতে যায় তখনই মানুষ অন্যায়ের পথে পা বাড়ায়। তেমনি ইভটিজিং। আমি মনে করি এটার কোন জেন্ডার নাই। ছেলে মেয়েকে আর মেয়ে ছেলেদেরকে এটা করে থাকে। তবে মূলত আমাদের সমজে মেয়েরাই যে এর শিকার সেটা সত্য। কিন্তু অহরহ ছেলেরাও এর শিকার হচ্ছে।
আসলে আইন প্রয়োগ করে কতটুকু এটার বাস্তবায়ন করা সম্ভব জানিনা কারণ যেখানে এর চেয়ে বড় অন্যায়ের কোন শাস্তি হচ্ছে না। বরং প্রয়োজন মানবিক মূল্যবোধ, সুশিক্ষা। যার দ্বারা ঐ কু-প্রবৃত্তিকে হার মানিয়ে ভালো গুনগুলো ফুটিয়ে তুলবে।
ধন্যবাদ আপনাকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে লেখার জন্য।
লেখক বলেছেন: তোমাকেও অনেক ধন্যবাদ অসম্ভব বিশ্লেষনী মন্তব্য করার জন্য। তোমার সুন্দর মন্তব্যটাই একটা সুন্দর পোস্ট হতে পারে।
দূর্ভাষী বলেছেন:
প্রিয়তে এবং মাত্র একখান +
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।
স্পেলবাইন্ডার বলেছেন:
সুন্দর লেখা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।
সোমা. বলেছেন:
পোস্টে +, - দেয়ার অধিকার এখনও পাইনি তাই এখানেই দিলাম+++++++++++++++++++++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: প্লাস্টা আপাতত বাকীই রইল-কামনা করছি অতি শীঘ্রই প্লাস দিতে পারবেন-তখন সুদে-আসলে দিয়ে দিবেন!(এখানে ইমো হইবে-যা আমি দিতে পারিনা)
পড়া এবং মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
কালপুরুষ বলেছেন:
শহর-গ্রাম-গঞ্জে-মফস্বলে-হাট-বাজারে এখন সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ও অস্বস্তিকর যে ব্যাধি তার নাম "ইভটিজিং"। দারুন পোস্ট। সবার মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পাক- সকলে মিলে এতসাথে প্রতিহত করুক এই মারাত্মক সামাজিক ব্যাধি।
লেখক বলেছেন:
আমাদের সকল সুন্দর প্রত্যাশা পুরন হবে-আমিও সব সময় তাই কামনা করি।
আজনবী বলেছেন:
যুগপোযুগী একটি লেখা। প্রতিটি বাবা-মার উচিৎ ছেলে এবং মেয়েকে শৈশব থেকেই এ বিষয়ে গঠনমূলক শিক্ষা দেয়া, ইভটিজিং বিষয়ে সন্তানের মনে ভয় না ঢুকিয়ে আত্মরক্ষার জন্য গঠনমূলক পরামরর্শ দেয়া।
লেখক বলেছেন: হ্যা, আমিও মনে করি-সন্তানদের ভয় দেখিয়ে নয়, বরং পারিবারিক মুল্যবোধ সকলের মনে জাগ্রত করে এই ভয়ানক অসুস্থ্য মানিষিকতা দূর করা সম্ভব।
লেখক বলেছেন: শুধু মাত্র ভুক্তভোগীরাই জানে-এ কাহিনী কত মর্মান্তিক!
লেখক বলেছেন: মন খারাপের ইমো কেন রাকিব?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
রাস্তায়/কলেজে/বাসে/স্ট্যান্ডে/মার্কেটে/চলার পথে মেয়েদের কে এত বাজে/খারাপ ভাবে কথা শোনানো হয়,এত নীচুমানের আচরন করা হয়,তা ব্লগে লেখা/বলার মতো নয়!!
আমি নিজে ছেলে।লজ্জায় মাথা নিচু হয়ে যায়।
খারাপ/বিবেকহীনতার ১টা সীমা আছে।আমার মনে হয় বিকৃতরুচির/আস্বুস্থ মানুষ এমন করতে পারে।সবার সামনে কেউ/ওরা এমন করতে পারলে,একা/অসহায় কোন মেয়ে/মহিলা কে পেলে কি করবে,স্বাভাবিক ভাবেই বুঝা যায়।
অনেক শিক্ষিত/বয়স্ক লোক/ছেলে কে দেখেছি ইভটিজিং করতে ওপেন প্লেসে/অফিসে।আর অশিক্ষিত দের কথা কি আর বলবো?তারা যেনো লাইসেন্স নিয়ে এসেছে টিজিং করার!!
যে এসব করে/করছে তার নিজের মা/বোন/বউ/মামী/চাচী/প্রেমিকা/বাবা/ভাই/জামাই/প্রেমিক কে কেউ খুব বেশি কষ্ট দিলে,তার মতোই টিজিং করলে,তার মতোই ১টা পরিবারের রাতের ঘুম হারাম করে দিলে কেমন লাগতো!!বুঝতো।যাদের অত্যাচারের জন্য ১টা মানুষ নিজে মৃত্যু কে বরন করে নেয়,সে/তার পরিবারের কেউ না মরলে সে কোন দিন ই এই কষ্ট টা বুঝবেনা।নিজের উপর এসে পরলে হারে হারে টের পাবে সে কি করেছে।
কাকে করছি টিজ?!!কার পরিবার ভয়ে আছে আমার জন্য!!?
কালকেই যে আমার বোন/বউ/মা কে কেউ আমার মতো এমন করবে না,কে বলবে?!![রুপক ভাবে বললাম]
মোবাইলে বিরক্ত করা নিয়ে ১টা কমেন্ট করেছিলাম,এখানে এড করে দিলাম।
মোবাইলে বিরক্ত করা টাকে বড় অপরাধ বিবেচনা করা উচিত।
কয় জন কে ব্লক করবে?
কোন মেয়ে কি নিজে দোকানে ফ্লেক্সি/আইটপ করতে নিজের ইচ্ছেতে যায়?!!
নিজের বোন/আপু/খালা... থাকলে বুঝা যায়,কত কস্ট/অত্যাচার সহ্য করতে হয় আননোওন কলার/মিসকলার দের জন্য।
শিক্ষিত/অশিক্ষিত ,সবাই এটা করে সচেতন ভাবেই।কবে যে আমরা ভালো হয়ে যাবো!!
লেখক বলেছেন: আপনার উল্যেখিত প্রতিটি পয়েন্ট সঠিক বিবেয্য।
সেজুঁতি বড়ূয়া বলেছেন:
একটি প্রত্যাহিক বাস্তব সমস্যা তুলে ধরার জন্য সাধুবাদ জানাচ্ছি। সেই সঙ্গে আপনার এই পোস্ট প্রিয়তে রেখেদিলাম।আংকেল, মেয়েরা চিরিদিনের ইভটিজিং এর স্বীকার তাতে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই। তবে সত্যি কথা বলতে কি-ইদানীং আমাদের মধ্যে অনেক মেয়েরাও স্পেশালী ইংলিশ মিডিয়ামে পড়া টিন এজ মেয়েরা নম্র-ভদ্র ছেলেদের উত্তক্ত করে-যা মিথ্যা নয়।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
আই আনাম বলেছেন:
ইভটিজিংয়ের অন্যতম কারণ বোধহয় আমাদের সংস্কৃতির দ্বন্দ্ব। আমি মালয়েশিয়াতে দেখেছি স্বল্পবসনা কোন নারী রাস্তা দিয়ে হেঁটে গেলে কেউ ফিরেও তাকায় না অথচ আমাদের দেশে যেকোন মেয়েই ইভটিজিংয়ের শিকার হতে পারেন যেকোন মূহুর্তে। ভারতীয় চ্যানেলগুলোতে যে সিরিয়াল দেখান হয় সেখানে ইভটিজিংকে অনেক আকর্ষণীয় কিছু একটা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।পাশ্চাত্যের কোন নারী তাদের পোষাকে যতটা সাবলীল একজন বাঙালী তরুণী সেই পোষাকে ততটাই দৃষ্টিকটূ। নিজস্ব সংস্কৃতির ভেতরে থাকলে এ সমস্যার সামধান অনেকাংশেই সম্ভব। কিশোর বয়সে একজন পুরুষের যৌনচাহিদাগুলো প্রকাশ পেতে শুরু করে। এসময়ে সে পথেঘাটে কোন তরুণীকে অপেক্ষাকৃত স্বল্প বা উগ্র পোষাকে দেখলে প্রবৃত্তির তাড়নায় আকৃষ্ট হয়ে কুমন্তব্য ছুড়ে দিতে পারে। সেক্ষেত্রে কিশোর বয়স থেকেই যৌনশিক্ষা দেয়া যেমন জরুরি তেমনি কিশোরীদেরও সমাজে অনভ্যস্ত পোষাক পরিহারের শিক্ষা প্রদান করাটাও জরুরি।
অসাধারণ পোস্ট শ্রদ্ধেয় জুল ভার্ন। +। শুক্রবারে আসছেন তো গেট টুগেদারে রবীন্দ্র সরোবরে???
লেখক বলেছেন: তোমার মন্তব্যের সাথে একমত। হিন্দি সিরিয়াল/সিনেমার প্রভাব ইভটিজিং করতে অনেক ক্ষেত্রে তরুণদের প্রভাবিত করে। বিদেশে স্বল্প বসনাদের দেখলে কেই টিপ্পনী কাটেনা-কথা সত্য। কারন ওরা ওভাবেই চলতে-দেখতে অভ্যস্ত!
কিন্তু আমাদের দেশে অমন চলা ফেরায় আমরা অভ্যস্ত নই বলেই আমাদের দৃস্টিকটু কৌতুহল অনেক বেশী! বিদেশে গিয়ে কিন্তু আমাদের দেশের তরুনেরাই অত্যন্ত সমঝে চলা ফেরা করে, কথা বলে। অর্থাৎ বিদেশে গিয়ে কোন বাংলাদেশী তরুণই কিন্তু কাউকে টিজ করতে সাহস পায়না। কাজেই বোঝা যায়-এখানে আইন এবং আইনের প্রয়োগ একটা বিরাট বিষয়। এক্ষেত্রে আইনের কঠোর প্রয়োগ অবশ্যম্ভাবী।
কিশোর বয়স থেকেই কিছুটা যৌন শিক্ষায় শিক্ষিত করা বাঞ্চনীয়।
লেখক বলেছেন:
হ্যা, কাল ব্লগীয় আড্ডায় যাচ্ছি। আমার বাসা কিন্তু ওখানেই। কাল আমাদের অনেকের সাথেই ভার্স্টুয়াল জগত থেকে বাস্তবে দেখা-পরিচয় হবে আশা করি।
এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন:
অসম্ভব সুন্দর পোস্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ। এই সমস্যা সমাধান করার প্রধান উপায় আপনি বলেছেন শেষ স্তবকে। সাথে আইনের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ প্রয়োগ কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কামাল ভাই।
জ্বীন বলেছেন:
+আমার মনে হয়, আমাদের নৃতাত্তিক(Anthropology) গবেষণা হওয়া উচিত ।
আমাদের রুট (root) বের করা দরকার ।
আমরা কেনো এমন আচরন করি ?
কেনো লাঠির বাড়ি না খেলে সোজা হই না ?
কেনো দেশের সাথে বেঈমানি করতে বুক কাপে না ?
পাশাপাশি দেশের মানুষ হলেও ভারতের পলিটেশিয়ানরা দেশের জন্য কাজ করে , আমাদেরগুলো দেশ বেচে দিতে চায় ?
কি কারণে এমন হচ্ছে ।
এমনকি কোলকাতার লোকজন/ব্যবসায়ীরা পর্যন্ত নিজের দেশের স্বার্থ বুঝে । (আমাদের দেশের টিভি চ্যানেল ওখানে দেখা যায় না) ।
আমরা ভারতীয় চ্যানেল না দেখলে বাচি না । বিদেশী ড্রেস ছাড়া আমাদের চলে না ।
লেখক বলেছেন: যে দেশের ভোটারেরা একটা কারিকর বিড়ি কিম্বা একটা টোস্ট বিস্কুটের জন্য নিজের ভোট অপাত্রে দিতে পারে-সে দেশের প্রধানমন্ত্রী কিম্বা তার মন্ত্রী সভার কাছে কি ভাবে দেশ প্রেম আশা করা যায়!
ইন্ডিয়ানরা যতই বজ্জাত হোক-ওরা সাচ্চা দেশ প্রেমিক নিঃসন্দেহে।
মানবী বলেছেন:
নিতান্ত ব্যক্তিত্বহীন মেরুদন্ডহীনরাই ইভটিজিং এর মতো কাপুরুষোচিত কাজ করে থাকে। এরা জেলিফিসের মতোই মরেুদন্ডহীন ও আঠালো। ইভটিজিং এর মতো সস্তা ও নিন্দনীয় কাজে আনন্দ ও গৌরব খুঁজে পাবার মতো বিকৃত মানসিকতার নির্বোধ মাত্র।পথ ঘাট, শক্ষিা প্রতিষ্ঠান, অফিস আদালত সহ সর্বত্র এই কাপুরুষদের বিচরন। এই কুলাঙ্গারদের কারনে কতো অগুনিত নারীর জীবন অসহনীয় ও দুর্বিসহ হয়ে উঠে, কতোজনের জীবন নষ্ট হয়ে যায়, কতো জনের জীবন চলার পথ শুরুর সাথে সাথে থমকে যায় আমরা তা জানিনা!!!
"ইভটিজিংয়ের জন্য ছেলেরাই দায়ী শতকরা ৯৫ ভাগ। তবে কখনও কখনও মেয়েরাও দায়ী হয়। কিছু কিছু মেয়েদের অশালীন আচরণ ছেলেদের টিজ করতে প্রলুব্ধ করে। মুষ্টিমেয় তরুণীর উচ্ছৃঙ্খল চলাফেরা, অরুচিশীল পোশাক এসবও অনেক সময় ইভটিজিংয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।"
- শালীনতা বিষয়টি আপেক্ষিক হলেও নারী পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রে মার্জিত পোশাক ও আচরনের সমর্থক, সেই অবস্থান থেকে উপররে বক্তব্যের সাথে সহমত প্রকাশ করত পারছিনা।
কারো অশালীন উচ্ছৃংখল আচরন কখনও একজন ভদ্র, শালীন ও মার্জিত ব্যক্তিকে ইভটিজিং এ প্রলুদ্ধ করতে পারেনা, কেবল মাত্র উচ্ছৃংখল অমার্জিতরাই এটাকে দায়ী করে নিজেদের অপরাধের সাফাই গাইতে পারে।
সময়পোযোগী সচেতনতামূলক সুন্দর পোস্টটির জন্য ধন্যবাদ জুলর্ভান।
লেখক বলেছেন: সুন্দর গঠন মুলক মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
মুখ ও মুখোশ বলেছেন:
কোন বাজে উক্তি কারো সম্পর্কে না করা উচিত। কারন নিজের মা, বোন সম্পর্কে কেউ ঐ ধরণের বাজে উক্তি করলে যেমন লাগে তাদের কাছে তো তেমনই লাগবে। এটা মনে রাখলেই চলে। আর বাজে মন্তব্য আমাদের সামনে কেউ করলে প্রত্যেকেরই আমাদের প্রতিবাদ করা উচিত, তাহলেও যদি কিছুটা কমে।
আপনার লেখা খবই তাৎপর্যপূর্ণ। এই সুন্দর লেখার জন্য আপনাকে ধণ্যবাদ।
লেখক বলেছেন: সহমত এবং ধন্যবাদ চমতকার মন্তব্যের জন্য।
মুখ ও মুখোশ বলেছেন:
কখনও দায়ী তরুণীরাওঃইভটিজিংয়ের জন্য ছেলেরাই দায়ী শতকরা ৯৫ ভাগ। তবে কখনও কখনও মেয়েরাও দায়ী হয়। কিছু কিছু মেয়েদের অশালীন আচরণ ছেলেদের টিজ করতে প্রলুব্ধ করে। মুষ্টিমেয় তরুণীর উচ্ছৃঙ্খল চলাফেরা, অরুচিশীল পোশাক এসবও অনেক সময় ইভটিজিংয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আজকাল অতি আধুনিক কিছু তরুণীর মধ্যে ছেলেদের টিজ করার প্রবণতাও আমি ব্যাক্তিগত ভাবে এই ধানমন্ডি লেকেই দেখেছি। যার কারণে ছেলেরা আরও তিক্ত হয় তাদের উত্তক্ত করে।
আপনার উপরোক্ত বক্তব্যের সাথে একমত। কারন একজন মেয়ে যখন শালীন ভাবে চলাফেরা করে তখন তুলনামূলক ভাবে তার দিকে খারাপ দৃষ্টি দেয় কম আর বেপরোয়ভাবে চলাফেরা করার ফলে তার দিকে খারাপ দৃষ্টি পড়ে বেশী এবং ইভটিজিং হয় বেশী। আমাদের মা বোনদেরকে এই শিক্ষাটা দেওয়া উচিত। ছেলে মেয়েদেরকে নৈতিকতার শিক্ষাটা আমাদের প্রত্যেকেরই দেওয়া উচিত।
লেখক বলেছেন: সহমত।
মানবী বলেছেন:
"মুখ ও মুখোশ বলেছেন : কারন একজন মেয়ে যখন শালীন ভাবে চলাফেরা করে তখন তুলনামূলক ভাবে তার দিকে খারাপ দৃষ্টি দেয় কম আর বেপরোয়ভাবে চলাফেরা করার ফলে তার দিকে খারাপ দৃষ্টি পড়ে বেশী এবং ইভটিজিং হয় বেশী। আমাদের মা বোনদেরকে এই শিক্ষাটা দেওয়া উচিত। ছেলে মেয়েদেরকে নৈতিকতার শিক্ষাটা আমাদের প্রত্যেকেরই দেওয়া উচিত। "- আপনার সদয় অবগতির জন্য বিনীত ভাবে জানাত চাই আমাদের দেশে বোরখা পড়ার অপরাধ তরুনীদের ভয়াবহ ইভটিজিং এর শিকার হতে হয়, এধরনের টিজিং এ অতীষ্ট হয়ে অত্মহননের সাম্প্রতিক ঘটনা আছে।
ইভটিজিং একটি ঘৃন্য অপরাধ, এই অপরাধ কে জাস্টিফাই করতে অপরাধের শিকার তরুনীদের শালীনতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা আমাদের পুরুষ শাসিত সমাজের একটি অন্ধকার মানসিকতা মাত্র।
অশ্লীলতা মার্জিত ভদ্রজন এড়িয়ে চলেন, এটা কখনও তাঁদের অপরাধে প্রলুদ্ধ করেনা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
মুখ ও মুখোশ বলেছেন:
মানবীকে বলছি...............মানুষতো আর ফেরেসতা না যে সব দেখে শুনে নিজেকে ঠিক রাখতে পারবে। আর মানুষের আকর্ষনই হচেছ গোপন জিনিসের প্রতি। এই জন্যই শালীনতার প্রশ্নটা আসে। আর দুনিয়াতে সবাই যদি ভালই হয়ে যেত তবে এতসব সমস্যা এবং প্রশ্নের উত্তরণ ঘটত না। আর ভদ্রতা তো আর গায়ে গতরে লিখা থাকে না। আমরা যাদেরকে ভদ্র ও ভদ্র সমাজ বলে জানি খোদ সেখানেই অশ্লীলতাটা বেশী পরিমানে ঘটে। তাই শালীনতার কোন বিকল্প নেই।
তাজা কলম বলেছেন:
সুন্দর এবং জরুরী পোষ্ট। ঈভ টিজিং-এর বিরুদ্ধে কঠোরতম আইন প্রণয়ন করা জরুরী। তার চেয়েও বেশী প্রয়োজন এর বিরুদ্ধে আমাদের সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা।ঈভ টিজিং কারা করে? আমাদেরই ভাই-বেরাদর কিংবা আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের বদমাস ছেলেরা। এদেরকে পারিবারিকভাবে একাজে নিবৃত্ত করার দায়িত্ব আমাদেরও বটে।
জুলভার্ন আপনাকে ধন্যবাদ সমাজের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলীর উপর তথ্যসমৃদ্ধ পোষ্ট দেয়ার জন্য।
লেখক বলেছেন: সম্পুর্ণ একমত পোষন করছি আপনার বক্তব্যের সাথে।
তবে মেয়েদের ও মাঝে মাঝে কিছু আচরন উসকে দিতে পারে ছেলেদের। গোয়ার সৈকতে বসন হীন ইউরোপের মেয়ে দেখেও আমাদের কোন প্রতিক্রয়া হয়নি, কিন্তু আমাদের মেয়েদের আমরা সেভাবে দেখতে অভ্যস্ত নই, এমনকি চাই ওনা। ওরা ছেলেরা কমপ্লিট পরে মেয়েদের কাপড় ছাড়া নিয়ে ঘুরতে দ্বিধা করেনা আমরা নিশ্চয় তেমন নই।
সবার ই সচেতন হওয়া দরকার তবে ছেলেদের অনেক বেশী পরিমানে।
লেখক বলেছেন: সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ শামসীর।
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
পোলাপান এত খারাপ আচরণ করে, কী আর বলব। লজ্জাতে মাথা নিচু করে রাখি।(আমারে একদিন কমার্স কলেজের মেয়েরা টিজ করছিল। সেইদিন বুঝছি কেমুন লাগে। ছেলেরা ত তার সাথে আরও একগাদা আজেবাজে কথা বলে। বিভৎস।)
লেখক বলেছেন: হতাশ নাহয়ে আমরা যেন যার যার সাধ্য মত যারা টিজ করে-তাদের সুপথে নেবার চেস্টা করি।
অরুন বলেছেন:
একটা কথা খুব বলতে ইচ্ছে করছে। সবার মনের মাঝেই একটা অন্ধকার অংশ থাকে, প্রয়োজন সেই অন্ধকার অংশটাকে দমিয়ে রেখে আলোকিত অংশটাকে প্রকাশিত হতে দেয়া। কেউ বলতে পারবেনা তার মনে কোনদিন অল্প সময়ের জন্যে হলেও খারাপ চিন্তা আসেনি, এখানেই আসে আত্ননিয়ন্ত্রনের প্রশ্ন।আমি খুব দুঃখের সাথে লক্ষ্য করি, কিছু উচ্ছৃংখল মেয়ের জন্যে ছেলেদের মনের এই অন্ধকার অংশটা কুৎসিত অংশটা বের হয়ে আসে, যার শিকার হতে হয় অনেক ভালো এবং ভদ্র মেয়েদেরও। তাই দায়িত্ব সবার আছে, ছেলেদের যেমন কিছু দায়িত্ব আছে, মেয়েদেরও দায়িত্ব আছে। সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হলে আমাদের এই পৃথিবী টা আরো অনেক সুন্দর হবে।
আপনি অতি গুরুত্বপূর্ন বিষয় নিয়ে খুব ভালো লিখেছেন তাই +
লেখক বলেছেন: প্রিয় অরুণ, আমারা সব মানুষই ভালো-মন্দে গড়া। কেউ হান্ড্রেড পার্সেন্ট পারফেল্ট নই। তারপরও আমরা যেনো আমাদের ভালত্ব প্রকাশ করে নিজের এবং অন্যের খারাপ দিকটা সিধ্রে দিতে সচেস্ট হই।
আমাদের মানষিক দৃঢ়তা থাকলে পারিপ[আর্শিকতার প্রভাবে সহজে খারাপ হবোনা।
সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
নষ্ট গিটার বলেছেন:
++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
জানা বলেছেন:
ইভটিজিং। বিপরীত লিঙ্গের প্রতি অমানবিক, রুচিহীন একটি বিকৃত মানষিকতা প্রকাশের নাম। এর শিকার যারা, তাদের কষ্ট, তাদের যন্ত্রনা কোন পর্যায়ের তা অনুধাবন করতে অনেক বেশী ভাবতে হয়না। অহরহই আমরা তার ফলাফল দেখতে পাই চারপাশেই। কত মর্মান্তিক ঘটনাই ঘটে যায় অপমানে, ভয়ে, লজ্জায়! এই লজ্জা কি কেবল তাদেরই? যারা টিজার তারাতো রয়েই যায় সবার অগোচরে। এর প্রতিকার/প্রতিরোধে সমাজের সচেতন মানুষের দায়িত্ব অনেক।
এখানে আলোচনায় অনেকের সাথেই একমত হয়ে বলতে চাই, সচেতনতা, পারষ্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, আত্নমর্যাদাবোধ, দায়িত্ববোধ প্রধানত পারিবারিক শিক্ষা থেকেই আসে। ব্যতিক্রমতো আছেই। যাবতীয় অপরাধ প্রবণতা রোধে পরিবারের দায়িত্ব সর্বাগ্রে।
আমাদের চারপাশে প্রতিনিয়ত ঘটতে থাকা এই অসুস্থ বিষয়টি নিয়ে কথা বলার/আলোচনা করার সু্ত্র তৈরী করে দেবার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জুল ভার্ন।
সুন্দর লেখা, আন্তরীক আলোচনা। ভাল থাকবেন সবসময়।
লেখক বলেছেন: চমতকার মন্তব্যের জন্য আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।
নিবিড় বলেছেন:
ভাল পোস্ট
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সাইফুর বলেছেন:
স্টিকি হওয়ায় অভিনন্দন
লেখক বলেছেন: স্টিকি হতে পারে বুঝলে আরো একটু গুছিয়ে লিখতে চেস্টা করতাম।
পল্লী বাউল বলেছেন:
এই সর্বনাশা ইভ টিজিং এর স্বীকার হয়ে কত কিশোরী/তরুনীর জীবন যে ধ্বংস হয়েছে তার ইয়াত্তা নাই। কিন্তু ইভ টিজিং বন্ধে নেয়া হয়নি কোন কার্যকরী পদক্ষেপ।চমৎকার পোস্ট। ++
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
যারা ইভটিজিং করে তাদের এক বিশাল অংশ তরুণ। তবে অনেক মধ্যবয়সী পুরুষও ইভটিজিং করেন।==============
জ্বি! ঠিক বলেছেন, মধ্যবয়সীরাও কম যায় না মহিলাদের সম্পর্কে "অশালীন, অভদ্র, কুরুচিপূর্ণ,নোংরা" কথা বলতে।
লেখক বলেছেন: আমার পোস্টে প্রথম মন্তব্য করার জন্য প্রীত হলাম।
বাবর মোহাম্মদ বলেছেন:
তবে কখনও কখনও মেয়েরাও দায়ী হয়। কিছু কিছু মেয়েদের অশালীন আচরণ ছেলেদের টিজ করতে প্রলুব্ধ করে। মুষ্টিমেয় তরুণীর উচ্ছৃঙ্খল চলাফেরা, অরুচিশীল পোশাক এসবও অনেক সময় ইভটিজিংয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়.....কন কি?
লেখক বলেছেন: "মুষ্টিমেয়" শব্দটাকে খেয়াল করার অনুরোধ করছি।
নতুন বলেছেন:
আমাদের সমস্যা অন্য কোথাও...... কারন আমি মালোয়েশিয়া... দুবাইতে কখনো দেখিনি কেউ কাউকে টিজ করছে..... এমনকি বাংলাদেশি টিজারও কিন্তু ঐখানে বসে বসে সেক্সি পোশাখে মেয়েদের দেখছে কিন্তু কিছু বলেছেনা....
কারন কি? ... কারন ঐদেশের আইন খুব কড়া ...
আমাদের দেশে মায়েরা এই সমস্যাতে একটা ভুমিকা রাখতে পারে....
আমার মা আমাকে সব সময়ই শিখিয়েছে মেয়েদের সন্মান করতে....
আমাদের সমাজের সব বাবা মা যদি চায় তবে ..খুব শীগ্রয়ী এই সমস্যা সম্ভব...
লেখক বলেছেন: আপনার সুন্দর মন্তব্যের সাথে একমত।
সাইফুর বলেছেন:
পারিবারিক শিক্ষা বা ব্যাকগ্রাউন্ড এ ব্যাপারে দায়ী
লেখক বলেছেন: অবশ্যই।
সহেলী বলেছেন:
কিছু মানুষের বুকৃত মানসিকতা যে কতজনের মানসিক অসুস্থতার কারন : এর প্রতিকার খুব কঠিন তো নয় ।
সদিচ্ছার অভাব আপনার আমার সকলের ।
লেখক বলেছেন: একমত।
জানপরী বলেছেন:
ইভটিজিং !!!!!!!!!!!!!!!!!। আমি মনে করি এটার কোন জেন্ডার নাই। ছেলে মেয়েকে আর মেয়ে ছেলেদেরকে টিজ করে থাকে। রাস্তাঘাটে মেয়েদের চেয়ে ছেলেরা বেশী থাকে বলে ছেলেদের % বেশী। কোন কারণে মেয়েদের পরিবেশে ছেলেরা গেলে মেয়েদের % বেশী হ্য়। তার প্রমাণ মহিলা কলেজের সামনে বা ৩/৪ জন মেয়ের সামনে দিয়ে ১ টি ছেলে হেঁটে গেলে। তাই জেন্ডার বিবেচনা না করে ইভটিজিং এর বিপক্ষে জনমত গড়ে তোলা জরুরী। অতি গুরুত্বপুর্ণ বিষয়ে অবতারণা করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জানপরী।
আমার মেয়েকে আমি স্কুলে যাবার সময় পই পই করে বলি কেউ কিছু বললে ভুলেও তার দিকে তাকাবে না বা কিছু বলবে না। ভয়ে বলি কারন এই টিজিং এর প্রতিবাদের ফলাফলতো আমাদেরই ভোগ করতে হবে। কিছু হলে সবাই আহা উহু করবে কিন্তু সমস্যাতো আমারই। আমার সামাজিক অবস্থানের কারনে হয়ত কেউ সামনে কিছু বলবে না কিন্তু যারা সাধারন তাদেরতো টিকে থাকাই দায়। ইভটিজিং এর জন্য শাস্তি জন্য যে রায় সরকার দিলো সেদিনও আমি এই ব্লগে অনেক কেই বলতে শুনেছি এই এবার নাকি শাস্তি হবে তাহলে আমরা কই যাব।
এখানে আইনটা কাদের জন্য হয়েছে সেটা যেনেই মন্তব্য করা উচিত। মেয়েদের পক্ষে একটা আইন কার্যকর করার রয় হয়েছে তাতেই টিজিং শুরু হয়েছে।
কি আর বলব???
ভাইয়া আপনাকে এই পোস্টি দেবার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি আর মডারেটরদের এই পোস্টি স্টিকি করার জন্য আন্ত্রিক সাধুবাদ জ্ঞাপন করছি।
লেখক বলেছেন: কস্ট করে পড়ার জন্য এওবং অনেক সুন্দর মন্তব্য করার জন্য তোমাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: একমত।
এম রাসেল বলেছেন:
একটা বাস্তব চিত্র তুলে ধরার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। তবে আপনার % এর বিষয়ে একমত হতে পারলাম না বলে দুঃখিত। কারণ এখন প্রায় ২০% (ভদ্র/নম্র/চরিত্রবান) ছেলেও কিন্তু এই ইভটিজিংয়ের স্বীকার হচ্ছে। তবে আপনার এই সমাজ সচেনতামূলক লেখাটির জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। আমরা সবাই এ বিষয়ে সচেতন হলেই কিন্তু এটা বন্ধ করা সম্ভব। যদি আমরা ছেলে কিংবা মেয়ে এসব পার্থক্য না করে সবাইকে মানুষ হিসেবে চিন্তা করি তাহলে এই ইভটিজিংয়ের মত ভয়াবহ রোগ আশা করি অতি শীগ্রই সেরে যাবে।
লেখক বলেছেন: স্থান কাল পাত্র ভেদে সব কিছুরই হিসাবের তারতম্য হতেই পারে। আপনার মত আমারও একই প্রত্যাশা।
মানুষ বলেছেন:
সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রেই মেয়েরা ইভ টিজিং এর শিকার হচ্ছে। এমন কি এই ব্লগেও এমন ঘটনা ঘটেছে। জনৈক মধ্য বয়েসী ব্লগারে ব্লগ ইভ টিজিং-এর অপরাধে বাতিলও করা হয়েছিল। যদিও তিনি এখন অন্য নিকে ব্লগিং করেন।
সরকার সেলিম বলেছেন:
বাস্তবতা তুলে আনার জন্য পিলাস।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
নতুন রাজা বলেছেন:
আমাদের চারিত্রিক ও সামাজিক অবক্ষয়ের উদাহরণ এই ইভটিজিং। এর প্রতিকারে সামাজিক প্রতিরোধের কোন বিকল্প নেই। শুধুমাত্র আইনের মাধ্যমে এর প্রতিকার অসম্ভব। তাই প্রয়োজন সামাজিক সচেতনতা। সময়োপযোগী এই পোষ্টের জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আপনার জন্যও শুভ কামনা।
সায়েম মুন বলেছেন:
বাস্তব ও সময়োপযোগী পোষ্টের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
জুবাইর রেযা বলেছেন:
ধন্যবাদ আপনাকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে লেখার জন্য। ++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সাদা মনের মানুষ বলেছেন:
তাহলে সেদিন বেশি দূরে নয় যেদিন বন্ধ হবে মহিমা, তিথিদের করুণ আর্তি। ছেলে-মেয়ে নির্বিশেষে সবাই হাতে হাত রেখে কাজ করবে দেশের স্বার্থে। বাংলাদেশের নাম জানবে পৃথিবীর সবাই।------সেই অপেক্ষায়---------------------------
লেখক বলেছেন: সহমত।
আপনার প্রত্যাশা পুরন হোক।
মানবী বলেছেন:
অশ্লীল পোষাক পরিহিতাক টিজ করে অথচ শালীন পোশাক পরিহিতাকে করেনা, এমন (?)ভদ্রলোক কেউ দেখেছে বলে মনে হয়না। কারন ইভটিজিং বা কুরুচীপূর্ণ মন্তব্য যে করে সমস্যাটা তার, সে নিজেই শ্লীল অশ্লীল বিভেদ বুঝেনা, অপরের শালীনতা কি বুঝবে!আর সে কারনেই তার বিকৃত রুচী চরিতার্থ করতে নারীদের মাঝে দোষ খুঁজে নেয়.. আমি নিশ্চিত প্রতিটি ইভটিজার নিজের কুকর্মের পক্ষে যুক্তি দেখাতে পারে... যেমন, আমি তো ফেরেশতা নই, মেয়েটি অমন পোশাক পড়েছে দেখে বলেছি, মেয়েটি বেশি জ্ঞানী দেখে বলেছি, মেয়েটি জবাব দেয়না দেখে বলেছি, মেয়েটি অহংকারী দেখে বলেছি।
ঘৃণা জানাই এসব কাপুরুষ কুলাঙ্গার এবং তাদের সমর্থকদের।
এই কাপুরুষ ইভটিজারদের কিছু সংখ্যক বিকৃতমনা সমর্থকদের কারনে মেয়েরা এই ঘৃণ্য অপরাধের প্রতিবাদ জানাতে ভয় পায়! তাঁরা জানেন প্রতিবাদী হলেই অপবাদ আর কলংকের বোঝা নেমে আসবে তাঁদের প্রতি।
নিজেদের বিকৃতির স্বপক্ষে বিকৃততর যুক্তি দেখাতেও এসব সমর্থকদের বাঁধেনা কারন রুচীবোধ বলে কিছুর অস্তিত্ব নেই এদের মাঝে!!
লেখক বলেছেন: বুবু, আমি কিন্তু কোন অসভ্যদের জন্য বিন্দুমাত্র পক্ষপাতিত্ত করিনি এবং কারো সাফাইও করিনি। কিছু মুস্টিমেয় শব্দটাও তাদের জন্য প্রয়োগ করেছি। দয়া করে আমাকে ভুল বুঝবেননা।
শুভকামনা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সারমেয়দের যতরকমের বোঝাও, শিখাও, ডাক্তার দেখাও...কোন কাজ হবেনা! ওদের হিস্যু পেলেই এক ঠ্যাং উচু করেই হিস্যু করবে...............ওটা সারমেয়দের জীনগত সমস্যা!
----------------------------
বস যে ঘটনাকে ইংগিত করেছেন সেটা ইভটিজিংয়ের পর্যায়ে পড়ে কিনা যথেষ্ট আলোচনার দাবী রাখে।কারণ সেটি ছিল একজনের কুমন্ত্রনার ফসল থেকে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি।আর এমন ভুল বোঝাবুঝি যদি ইভটিজিংয়ের পর্যায়ে পড়ে তাহলে ইভটিজিংয়ের সংজ্ঞাই মনে হয় পাল্টে যাবে।
আ শা ব রী বলেছেন:
ইভটিজিং মারাত্মক ব্যাধি, কোন সন্দেহ নাই... কিন্তু এটি প্রতিরোধের উপায় কি? এ নিয়ে কেউ কোন কথা বলছেনা।পারিবারিক শিক্ষা... আমার মাথায় আপাতত আর কিছু নাই। বিশেষ করে শিশুদের পারিবারিক যৌন শিক্ষা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে আমাদের জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।
জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য টেলিভিশনে বিজ্ঞাপন একটি কার্যকর মাধ্যম হতে পারে। এ বিষয়ে গুণীজনরা কি বলেন?
আমরা এই ব্লগের ই একটি কোণায় ছোট্ট একটি বিজ্ঞাপন ঝুলিয়ে দিতে পারি। আপনার শিশুকে ইভটিজিং বিষয়ে সচেতন করুন.. যাতে আপনার/আমার ছোট্ট মেয়েটি এর শিকার না হয়।
আসুন আমরা এই বিষয়ে সবাই একটি বিপুল জনসচেতনতা সৃষ্টি করি। বাচতে হলে জানতে হবে, জানাতে হবে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন:
চুমকি চলেছে একা পথে/ সংগী হলে দোষ কি তাতে এই গান টা কি প্রমাণ করে? এই গান টা ছেলে মেয়ে উভয়ের কাছেই জনপ্রিয়!!!!
আমরা যে কতটা অসেচতন তা বুঝা যায়
অথচ এটি ইভ টিজিং এর জাতীয় সংগীত হিসেবে বলা যেতে পারে
তারেক.মাহমুদ বলেছেন:
ইভটিজিং বন্ধ করার জন্য দরকার ছেলে-মেয়ের মধ্যে নির্মল বন্ধুত্বের পরিবেশ। বন্ধুত্বের মাধ্যমে একে অপরকে জানবে। বাড়বে শ্রদ্ধাবোধ, উন্নত হবে মন মানসিকতা।লেখক বলেছেন: একমত।
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন:
ইভটিজিং বন্ধ করার জন্য দরকার ছেলে-মেয়ের মধ্যে নির্মল বন্ধুত্বের পরিবেশ। বন্ধুত্বের মাধ্যমে একে অপরকে জানবে। বাড়বে শ্রদ্ধাবোধ, উন্নত হবে মন মানসিকতা। তার জন্য প্রয়োজন তরুণদের নিয়ে কাউন্সেলিং! তাহলে সেদিন বেশি দূরে নয় যেদিন বন্ধ হবে মহিমা, তিথিদের করুণ আর্তি। ছেলে-মেয়ে নির্বিশেষে সবাই হাতে হাত রেখে কাজ করবে দেশের স্বার্থে। বাংলাদেশের নাম জানবে পৃথিবীর সবাই।=====================================
Nice end.
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
মুভি পাগল বলেছেন:
এটা যারা করে তারা তাদের নিচু মানসিকতারই পরিচয় প্রকাশ করে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
প্লাস!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লিপিকার বলেছেন:
ইভটিজিং শুধু পথে, ঘাটে, গ্রামে, গঞ্জে, শহরে, মার্কেটে, দোকানে, অফিসে, ধানমন্ডি লেকের পাড়ে বা বাড্ডা খালের পাড়েই দেখা যায়না........এই সামুপাড়ায়ও ইভটিজিং বিদ্যমান....জানেন নিশ্চয়ই।কিছু বিকৃত রুচীর মানুষ সবখানেই দেখা যায়.....সে যত শিক্ষিতই হোক....
লেখক বলেছেন: একমত।
ভোরের তারা বলেছেন:
সমাজের নিম্ন শ্রেনী থেকে শুরু করে উচ্চ শ্রেনীর ছেলেরাও ইভটিজিং করে। বাংলাদেশ ছাড়া পৃথিবীর আর কোথাও এমন কালচার চালু আছে কিনা সন্দেহ। পরিবার থেকেই ইভটিজিং সম্পর্কে সচেতনতা চালু করা উচিত বলে আমি মনে করি।
লেখক বলেছেন: ইন্ডিয়া এবং পাকিস্তানে এই ক-প্রথা কিছু কিছু স্থানে চালু আছে।
আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন:
এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী
লেখক বলেছেন: কে ভুত, কে রাম আর কারা ভন্ড-তা পাঠক জানেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সৈয়দ সাইফুল আলম শোভন বলেছেন:
বিষয়টির জন্য একে অন্যকে দোষ দেওয়া ছাড়া আমরা তেমন কিছুই করি না । একটা সিমি মৃত্যুর পর আর একটা সিমির মৃত্যু পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকি । যারা ইভটিজিং করে তাদেরকে বিশেষ করে একটা নিদিষ্ট শ্রেণীকে ঢালাও ভাবে (তরুন বয়স্কদের) ভিলেন বানাতে উঠে পরে লাগি। সমাজ শেষ, রাজ্য শেষ কিছু হবে না এই রকম বাণী শুনি প্রায়ই।কাজের প্রয়োজনে বেশ কয়েকটি নারী অধিকার বিষয়ক ফোরামের বিভিন্ন সভায় উপস্থিত হওয়ার সুযোগ হয়েছে। সেখানে কারো কারো এই বিষয়টি নিয়ে ভাবানা নিযে আবাক হয়েছি। অনেকেই এটিকে নারী-পুরুষের লড়াই হিসেবে দেখেন। তারা এর সমাধানে বিদমান আইন বাস্তবায়ে যতটা না আন্তরিক তারে চেয়ে কঠোর আইন চায়। কেউ কেউ আবার পুরুষদের শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করতে বেশি ভালবাসে। আইন আর কঠোর ভাবে তৈরি কিংবা নিদিষ্ট কোন শ্রেণীকে দোষারোপের মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান হবে না। সমস্যার সমাধানের জন্য তাদেরকেই পাশে নিয়ে কাজ করতে হবে। কাউকে প্রতিদ্বন্ধি না ভেবে সহযোগি ভাবলে এই কাজটি আরো সহজ হয়।
প্রতিটি নারী যেমন আমাদের পরিবার-সমাজের অংশ পুরুষও তেমনিই। তাকে শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করে সমাধান আসবে না। সম্মিলিত প্রচেষ্টাই সমাধানে কার্যকর হবে। ইভটিজিং বিষয়টি বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। শুধুমাত্র আইন দিয়ে এই সমস্যার সমাধান হবে।
নিজেকে নিয়ে বড্ড বেশি ব্যস্ত হওয়া আর শুধুমাত্র নিজেকেই বড় করে তোলার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাবার মন মানসিকতা জন্য আমরা পারষ্পারিক শ্রদ্ধাবোধ থেকে দূরে অবস্থান করছি। নৈতিকতার শিক্ষাগুলো দ্রুত হারিয়ে যাচ্ছে ।
পাশাপাশি পাঠক্রমগুলোতে নৈতিকতার শিক্ষাকে যেভাবে অবহেলা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো ও ব্যবস্থা পণ্য বানানোর কারখানা বানানো হচ্ছে তাতে এই সমস্যা আরো প্রকট হয়ে উঠবে।
ধন্যবাদ জুল ভার্ন।
লেখক বলেছেন: খুব সুন্দর গঠনমুলক মন্তব্য।
চিরসবুজ-মানব বলেছেন:
চমৎকার লেখা এবং বিশ্লেষণ। সামাজিক সচেতনতা কিশোর থেকে সব বয়সের পুরুষদের বেশী এবং সেই সাথে কিশোরী বয়স হতে মহিলাদেরও শালীন ভদ্র সম্মত পোষাক পরিচ্ছেদ পরিধান করে চলাফেরা করা উচিত। + দিলাম এবং ধন্যবাদ জুলভার্ণ ভাই।
লেখক বলেছেন: তোমার জন্যও অনেক শুভ কামনা ভাইয়া। চিরিদিন চির সবুজ থেকো।
পাপী বলেছেন:
ভালো লিখেছেন। এই ব্যাপারটা নিয়ে আরও সচেতনতা সৃষ্টির প্রয়োজন!
লেখক বলেছেন: সহমত।
আলমগীর কুমকুম বলেছেন:
এরেই কয় গরু মেরে জুতাদান!
লেখক বলেছেন: কশাই'র দৃস্ট থাকে গরুর দিকে আর মুচীর দৃস্টি সব সময় মানুষের জুতার দিকে।
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন:
ইভটিজিং বন্ধ করার জন্য দরকার সামাজিক সচেতনতা। ভাল পোস্ট +++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
ভালো পোস্ট....
লেখক বলেছেন: সহমত।
ধন্যবাদ।
মানুষ বলেছেন:
ডিজিটাল দুষ্ট ছেলে বলেছেন: বস যে ঘটনাকে ইংগিত করেছেন সেটা ইভটিজিংয়ের পর্যায়ে পড়ে কিনা যথেষ্ট আলোচনার দাবী রাখে।কারণ সেটি ছিল একজনের কুমন্ত্রনার ফসল থেকে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি।আর এমন ভুল বোঝাবুঝি যদি ইভটিজিংয়ের পর্যায়ে পড়ে তাহলে ইভটিজিংয়ের সংজ্ঞাই মনে হয় পাল্টে যাবে।------------------------------------------------------------------------------
কুমন্ত্রনা এবং ভুল বোঝাবুঝির ফসল ছিল কি না সেটা আমি ভাল করেই জানি, শাক দিয়ে মাছ ঢাকা যায় না। এই পোষ্টে আমি মাইনাস দিতে পারতাম কিন্তি নৈতিক কারনেই দেইনি। বাবুয়া যদি তার ভুল বুঝতে পেরে ভুল পথ থেকে সরে আসে তাহলে তাকে অবশ্যই স্বাগত জানাই। অন্যথায় ভন্ডামির দেয়ালে শুধুই থুথু।
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
ভালো পোষ্ট।
সবখানেই এই সমস্যা রয়ে গেছে।
মানুষের নিজস্ব মূল্যবোধ এর উন্নতি না হলে এটা চলতে থাকবেই।
ভালো থাকবেন।
শুভকামনা সবসময়কার।
লেখক বলেছেন: সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ বুবু।
হাসজারু বলেছেন:
আ শা ব রী বলেছেন : আপনার শিশুকে ইভটিজিং বিষয়ে সচেতন করুন.. যাতে আপনার/আমার ছোট্ট মেয়েটি এর শিকার না হয়।সহমত।
আরেকটি ব্যাপারে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই, একটা মেয়ে যখন টিজিং এর শিকার হয়, তখন অনেক সময়, সে চূড়ান্ত শারীরিক নিগ্রহের আশঙ্কা করে। ছেলেদের বেলা কিন্তু ব্যাপারটা তেমন নয়। আমার মনে হয়, দুটো ঘটনা এক পাল্লায় না বিবেচনা করাই ভাল।
লেখক বলেছেন: খুব সুন্দর উপলব্ধি।
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
পুরনো কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গ। আইনের অবস্থা গতিক দেখে মনে হচ্ছে মেয়েরা তাদের চূড়ান্ত মানসিক বা শারিরীক (আত্মহত্যা) প্রতিক্রিয়া না দেখালে জোরালো কোন বিচার/শাস্তি মিলছেনা। বখাটে পশুরা তাৎক্ষণিকভাবে যে আক্রমণটা করল, সেটিরও সাক্ষ্য প্রমাণ থাকেনা। বখাটে হয়ত অপরিচিত কেউ একজন হয়, যার মুখ বা পরিচয় হয়ত মেয়েটি পরে সনাক্ত করতে পারেনা। আবার তাৎক্ষণিকভাবেও পাল্টা অভিযোগ বা আক্রমণের সাহসও অনেক মেয়ে করতে পারেন না। এরকম অসহায়ত্বের সুযোগ নিতে থাকে বখাটেরা। বিদেশে এলে মাঝে মাঝে বর্ণবাদী উক্তি শুনতে হয়, 'ব্ল্যাক নিগারস...ব্ল্যাক বাস্টার্ড..এফ যুক্ত শব্দ' থেকে শুরু করে টেররিস্ট, গো ব্যাক টু ইউর হোউম ইত্যাদি। সমাজে এই কালো পোকা গুলো থাকে, থাকবেই। এগুলোকে ইগনোর করে চলাই শ্রেয়, যদি না পাল্টা কোন বাড়াবাড়ি না করে। বখাটে বর্ণবাদীদের যেহেতু মানুষই মনে করিনা, কাজেই তাদের মন্তব্য আমার কাছে নর্দমার কীটের মতই তুচ্ছ, এগুলোকে পাত্তা না দিয়ে চলার মত কিছু সহ্য শক্তি অর্জন করা চাই।
লেখক বলেছেন: সাঈফ ভাই, আপনার চমতকার মন্তব্যটাই একটা সুন্দর পোস্ট হবার যোগ্য।
চাই নির্মল বন্ধুত্বঃ
ইভটিজিং বন্ধ করার জন্য দরকার ছেলে-মেয়ের মধ্যে নির্মল বন্ধুত্বের পরিবেশ। বন্ধুত্বের মাধ্যমে একে অপরকে জানবে। বাড়বে শ্রদ্ধাবোধ, উন্নত হবে মন মানসিকতা। তার জন্য প্রয়োজন তরুণদের নিয়ে কাউন্সেলিং! তাহলে সেদিন বেশি দূরে নয় যেদিন বন্ধ হবে মহিমা, তিথিদের করুণ আর্তি। ছেলে-মেয়ে নির্বিশেষে সবাই হাতে হাত রেখে কাজ করবে দেশের স্বার্থে। বাংলাদেশের নাম জানবে পৃথিবীর সবাই।
আমার মনে হয় না বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কখনও ছেলে-মেয়ে নির্মল বন্ধুত্ব গড়ে ওঠা সম্ভব!!!
লেখক বলেছেন: আমি আশাবাদি মানুষ। ইনশআল্লাহ বাংলাদেশেও একদিন নির্মল বন্ধুত্বে পরিবেশ হবে।
লেখক বলেছেন: সম্পুর্ণ একমত।
মহানাম বলেছেন:
ইভটিজিং দুরীকরণের প্রস্তাবিত উপায়সমূহ (২) সন্তানের বয়স নিদেনপক্ষে ১৬ না পেরোন পর্য্যন্ত তাকে সবসময় কুসঙ্গ থেকে দুরে রাখতেই হবে। ৭ বৎসর পেরোনের পরপরই তাকে রাখতে হবে কঠোর শাসনে অন্যথায় বয়স বেড়ে গেলে তাকে আর বাগে আনা যাবে না। সে তখন হয়ে উঠবে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য একটি ক্ষতিকর বিষফোঁড়া।
(৩) ইভটিজিং বন্ধ করতে হলে অবশ্যই বর্তমানে প্রচলিত আইনের সংশোধন অবিলম্বে করতে হবে। রাস্তাঘাটে ছুঁড়ে দেওয়া মন্তব্যের জন্যও বখাটেকে কমপক্ষে ১০ বছরের জন্য সংশোধানাগারে পাঠাতে হবে।
(৪) বাংলাদেশ পেনাল কোডের ২৯৪ ধারায় প্রদত্ত ৩ মাসের জেলের পরিবর্তে এটাকে কমপক্ষে ১ বছর করতে হবে।
(৫) ডি এম টপ এ্যাক্টের ৭৬ ধারায় যে ১ বছরের কারাদণ্ড বা নগদ ২০০০ টাকা জরিমানা অথবা উভয় প্রকার শাস্তির কথা বলা হয়েছে, তা সংশোধন করে ৫ বছরের কারাদণ্ড বা নগদ ২০০০০ টাকা জরিমানা অথবা উভয় প্রকার শাস্তি বিধানের সংশোধনী আনতে হবে।
(৬) আর যদি ইভটিজিং-এর ফলশ্রুতিকে আত্মহত্যার মত ঘটনা ঘটে, সেক্ষেত্রে অপরাধীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে।
(৭) উক্ত সংশোধিত আইন প্রতিটি উপজেলায় ব্যাপক হারে রাস্তার মোড়ে মোড়ে প্রকাশ্যে ঝুলানোর ব্যবস্থা করতে হবে যাতে সকল জনসাধারণ এ সম্পর্কে অবহিত হতে পারে।
(৮) ইভটিজিং-এর ঘটনায় তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণে ব্যর্থ হলে দায়ী পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও চাকুরীচ্যুতি সহ ন্যুনপক্ষে ১০ বছরের জেল ও ৫০০০০ টাকার জরিমানার ব্যবস্থা করতে হবে।
(৯) সাথে সাথে মেয়েদেরকেও এমনভাবেই পোশাক ব্যবহার করতে হবে যাতে পশুদের বিকৃত মনে কোন কুপ্রভাব বিস্তার না করে। এজন্য বোরকা পরার কোনই প্রয়োজন নেই আর বোরকাও যে কোন মেয়েকে নিরাপত্তা দিতে পারে না তার ত বাস্তব প্রমাণ ভুরি ভুরিই আছে।
(১০) দেশের প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মহিলা হওয়া সত্ত্বেও যদি এ আইন সংশোধিত এবং কার্যকরী না হয় তাহলে এর চেয়ে বড় দুর্ভাগ্য আর কিছুই বিবেচিত হতে পারে না।
(১১) পাশাপাশি কোন মেয়ে মোবাইলের মাধ্যমে বা অন্য কোন উপায়ে কোন ছেলেকে বিরক্ত করছে বলে যদি প্রমাণিত হয়, সেক্ষেত্রে ঐ মেয়েটিকেও অন্ততঃ বছরখানেকের জন্য সংশোধনাগারে পাঠানোর আইন রাখতে হবে।
লেখক বলেছেন: খুব সুন্দর মনতব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ। আপনার এই পয়েন্টগুলোই ইভটিজিং এর প্রতিকারের জন্য একটা সুন্দর পোস্ট হতে পারে।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
পোস্টে আপনি বলছেন: মেয়ে বলেই পাড়ার উঠতি মাস্তান থেকে শুরু করে রিকশাওয়ালার কটূক্তি মুখ বুঝে সহ্য করতে হয়।জেরী বলেছেন: ইভটিজিং নিত্যদিনের কাহিনী।
===================================================================
এই দুটি উক্তিই সঠিক কারন এসবের আমরা নিত্যদিনের সাক্ষি। ইভটিজিংকারী মেয়েদের সংখ্যা শতকরা যতই হোক না কেন তা অবশ্যই নগন্য। কিন্তু চিরন্তন সত্য হচ্ছে, মেয়েদের এই জাতীয় উত্তক্ত শুধু মাত্র ছেলেরাই করে এবং করতও। এই থেকে আমরা বলতে পারি ইভটিজিং ছেলেদের মজ্জাগত। এই বাক্যের পরে একটা কিন্তু এসে যায়। সেটা হল, ছেলে হলেও আমরা অনেকে এবং আমি নিজেও কখনই এই কাজটি করি নাই। অর্থাৎ ছেলেদের মাঝে একটা বিশেষ গ্রুপ এই কাজটি করে। সমস্যা সমাধানে খুজে বের করতে হবে এরা কারা এবং কাজটি করতে তারা কেন উদ্বুদ্ধ হয়। যে সব পুরুষ মেয়েদের উত্তক্ত করে তাদেরও দুটি গ্রুপে ফেলা যায় বয়সের ভিত্তিতে। প্রথমত, তরুণ এবং মাঝবয়সী।
জৈবিক দৃষ্টিকোনে ছেলেরা মেয়েদের প্রতি আকর্ষিত হবেই এবং তার প্রকাশ ঘটানো অবশ্যই যৌক্তিক এবং গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু কেউ এর প্রকাশ ঘটাচ্ছে প্রেমপত্র লিখে বা বন্ধুত্ব তৈরি করে এগিয়ে অন্যদিকে কেউ কেউ রাস্তায় মেয়েদের প্রতি বাজে উক্তি ছুড়ে দিচ্ছে যাকে বলা হয় ইভটিজিং। কেন একটি গ্রুপ এটা করে। এর কেবল মাত্র কারন হল শৈশবে পরিবারের নারী সদস্যদের প্রতি সম্মান দেখানো না শেখা। ছেলেটি দেখছে তার মা, খালা, ফুফুরা পরিবারের সদস্য কিন্তু পরিবারে তাদের অবস্থান অনেক অনেক নিচে। বাসায় মায়ের প্রতি বাবার যাচ্ছেতাই ব্যবহার দেখে তারা বড় হয়। এর কারনে মেয়েদের প্রতি মানুষ হিসেবে সম্মান দেখাবার যে একটা ব্যাপার আছে সেটা তারা উপলব্ধি করতে ব্যর্থ হয়। তাই মেয়ে দেখলেই শীশ বাজানো, গান গাওয়া বা বাজে মন্তব্য ছুড়ে দিতে তাদের বাধে না। আর একটা গুরুত্বপূর্ণ কারন হচ্ছে সামাজিক শিক্ষা। আমরা স্কুল কলেজে শিক্ষা পাই গাড়ি ঘোড়ায় চড়বার জন্য। কিন্তু সমাজে মানুষ হিসেবে বড় হবার শিক্ষা পাই না। তাই দেখা যায়, কিছু ছেলে পাড়ার বড় ভাইদের আইডল হিসেবে মনে করে। মেয়েদের টিজ করাটা তাদের কাছে বড় হওয়া বা একধরণের স্মার্টনেস। এরাও একসময় ইভটিজার হয়ে দাঁড়ায়।
তবে যতই জৈবিক দৃষ্টিকোনে দেখি না কেন আরো একটা কথা বলতে হয়। যারা ইভটিজিং করে তাদের অধিকাংশই মেয়েটির প্রতি শারিরিকভাবে আকর্ষিত হয় না। এরা এটা করে কারন তাদের মনে মেয়েরাও অন্যদের মতই মানুষ এমন উপলব্ধিই গড়ে উঠেনি। শুনতে হয়ত খারাপ লাগবে তবে এটাও সত্য যে ইভটিজিং কালে আক্রান্ত মেয়েরা ইভটিজারদের কাছে নিতান্তই রাস্তার প্রানী জাতীয়। ছোট্ট একটি ছেলেকে ইভটিজার হিসেবে বড় হওয়া ঠেকাতে প্রথমত, পরিবারের মেয়েদের সম্মান করা এবং স্কুল পর্যায় থেকে মেয়েদের লিঙ্গভেদে নয় মানুষ হিসেবে সম্মান করতে শেখানো।
মাঝ বয়সীর যারা মেয়েদের পথে ঘাটে উত্তক্ত করে তাদের ব্যাপারে সরাসরিই বলা যায় এরা যৌন বিকারগ্রস্থ। তাদের অতৃপ্ত যৌন তৃষ্ণার বিকৃত প্রকাশ ঘটে বাসে ভিড়ে মাঝে মেয়েটির শরীরে হাত দেবার মাধ্যমে। এই গ্রুপে হয়ত কিছু তরূণও থাকে তবে তাদের সংখ্যা বেশি হয়ত নয়। এদের হাত থেকে মেয়েদের রক্ষার উপায় কি? আইন, পেনাল কোড এইসব হাবিজাবি শুনিয়ে কোন লাভ এই ক্ষেত্রে নাই। যত কঠোর আইনই হোক না কেন এসব হবেই হবে। এই সমস্যাটি সমাজে ছিল, আছে এবং থাকবে নিশ্চিত। এগুলো থেকে মেয়েদের রক্ষার একমাত্র উপায় পথে ঘাটে, চাকরি বাকরিতে বা ঘরের বাইরে অন্য সব ক্ষেত্রে মেয়েদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখা। সমাজের ৫০% সদস্যের জন্য আলাদা বা বিশেষ ব্যবস্থা করা পক্ষপাতিত্ব মূলক কোন ব্যাপার নয় কারন এই সমস্যা সৃষ্টিকারি বাকি ৫০% সদস্য।
আইনের বুলি ছড়িয়ে কখনই এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়, দরকার সামাজিক বিপ্লব। সেই বিপ্লবের অংকুরোদগম আমাদের দেশে হয়ত শুরু হয়েছে, তবে ফুল প্রস্ফুটিত হওয়ার আরো বহু বহু দিন বাকি।
লেখক বলেছেন: খুব সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ। আপনার এই লেখাটাই ইভটিজিং এর প্রতিকারের জন্য একটা সুন্দর পোস্ট হতে পারে।
মজনু মিয়া বলেছেন:
ছেলে-মেয়েদেরকে খুব ছোট থেকেই পারিবারিকভাবে নৈতিকতার শিক্ষা দিতে হবে। তাহলে কিছুটা কমতে পারে। কিন্তু যে পরিবারে শিক্ষা দেবার কেউ নাই, তাদের দায়িত্ব কে নেবে?
লেখক বলেছেন: আপনি, আমি এবং আমরা তথা আমাদের সুন্দর সমাজ।
---------------------------------
যাহা জানেন তাহা কতটা সত্যি তাহা সিওর হইতে হইলে সবাকের পোস্ট দেখতে পারেন ।সাথে কমেন্টগুলোও।যে নৈতিকতা আপনারে মাইনাস দেওয়া থেকে ঠেকাইছে সে নৈতিকতার ভাবনা থেকে বাবুয়া যারে নিয়ে কমেন্টাইছিল তার কাছে সরিও বলেছে।যে এত কিছুর নায়ক সেও এখন বাবুয়ারে আবার তেল মারতাছে।লাভের লাভ(?)হইল কি কয়েকজন ব্লগার এই ইস্যুতে ব্যান হইল।আফসুস সেই ঘটনার মিস গাইড অনেককে সেই যে অন্ধকারে নিয়া গেছে তা এখনো রয়ে গেছে।
দন্ডিত বলেছেন:
ভালো কথা, আমি আরিফুল হোসেন তুহিন,৬৪ নং কমেন্টের জন্যে আমার পোস্ট /মন্তব্য দুইটাই ব্যান। কিছুই বলার নাই। কিভাবে নীতিমালা ভাঙ্গলাম সেটাই বুঝলাম না।
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন:
বস, চমৎকার পোষ্ট। ধন্যবাদ এত চমৎকার পোষ্ট দেবার জন্য।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ প্রিয় কবি।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মাহদী।
কি চমৎকার কইরা ইভ টিজিং এর জন্য উৎসাহ যোগাইলো!
অথচ আমরাই এ গানগুলোকে প্রমোট করছি........
if u want to change your society first change ur self.....
ইভটিজিংয়ের সাথে এটাও একটা বড় সমস্যা, কাউকে সেকেন্ড চান্স দেয়া হয় না।
----------------
কাউয়া আপনার কাছ থেকে এমন কমেন্ট সত্যি হতাশার ।অন্যর প্ররোচনার শিকার হয়ে অন্যয় করে মাপ চাওয়ার মত মানসিকতা সত্যি প্রশংসনীয়।মানসিকতার পরিবর্তন হলেই মাপ চাওয়ার অনুভুতি সৃষ্টি হয়।
সুনীল সমুদ্র বলেছেন:
জরুরী একটি বিষয় নিয়ে খুব চমৎকার বিশ্লেষণমূলক লেখা।
সবার আলোচনা-সমালোচনা আর বিতর্কের মধ্য দিয়েই প্রকৃত সমাধানটি খুজে পেতে হবে।...এ বিরাট লজ্জাজনক ব্যাধী থেকে আমাদের পরিত্রাণ পেতে হবে অবশ্যই।
লেখককে আবারও ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কবি।
আপনার মত একজন গুণী মানুষের সাথে পরিচিত হতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি।
উপরের পোস্টে "বাবুয়া" নামের এক ব্লগারের মন্তব্য দেখে হতভম্ব হয়ে গেলাম। শুনেছি তাকে ব্যান করা হয়েছে এবং সে নাকি এখন অন্য নিকে ব্লগায়। তার ব্লগ কোনটা জানিনা...ফাইন্ড আউট করতে পারলে দুই গালে দুইটা স্যান্ডেলের বারি দিয়ে আসতাম!
পোস্ট টা ভালো হয়েছে...
লেখক বলেছেন: আমি আপনার মন্তব্যের জবাব না দিলেও পারতাম। তবুও দিচ্ছি-আপনার অবগতির জন্যঃ মানুষ মাত্রি ভুল করতে পারে। বাবুয়াও ভুল করেছিল। সে জন্য সেই অনাকাংখিত মন্তব্য করার পর পরই বাবুয়া তার মন্তব্য পোস্টদাতা মামো'কে রিকোয়েস্ট করে মন্তব্যটা ডিলিট করিয়েছিল। বাবুয়া তার সেই অনাকাংখিত মন্তব্যের দংধনে দংশিত হয়ে যাকে উদ্দেশ্য করে মন্তব্য করেছিল-তাঁর কাছে বাবুয়া ১৪ জন সিনিয়র ব্লগারের সামনে ক্ষমা চেয়েছিল। তিনি উপস্থিত সকলের সামনে ক্ষমা প্রদর্শনও করে মহাণুভবতার পরিচয় দিয়েছিলেন......... নৈতিক অপরাধে অপরাধী ব্যক্তি যদি অনুশোচনা করে ক্ষমা প্রার্থী হয়-তাহলে কে ক্ষমা করলেন কিম্বা ক্ষমা করেননি-সেটা বিবেজ্য বিষয় থাকেনা।
ভার্সুয়াল প্লাট ফরমে পোস্ট কে লিখেছে-সেটা কখনো বড় হওয়া উচিত নয় বলেই আমি মনে করি। পোস্টের বিষয়বস্তু বিবেজ্য হওয়া বাঞ্চনীয়। ব্লগে বাবুয়াকে নিয়ে যা কিছু হচ্ছে-তা মাত্র গুটিকতক ব্লগারের নিতান্তই ব্যক্তিগত আক্রোশ বৈ অন্য কিছু নয়।
ধন্যবাদ আপনাকে।
একমাত্র শিক্ষা এবং পারিবারিক আপব্রিংগিং এর প্রকোপ কিছুটা কমাতে পারে। নটরডেম কলেজে থাকতে ফাদার পিশোতো ইভটিজীং নিয়ে নোটিশ দিয়েছিলেন। কলেজের শিক্ষিত ছেলেরা আরামবাগের রাস্তায় দাঁড়িয়ে কলেজযাত্রী ছাত্রী এবং গার্মেন্টসের মেয়েদের টীজ করত।
অল্পবয়সীদেরটা না হয় বুঝা গেল। রাস্তা দিয়ে একজন মেয়ে গেলে ছেলেবুড়ো সব্বাই হা করে গিলতে থাকে। ঐটা কিভাবে ঠেকাবেন?
লেখক বলেছেন: আমাদের সকলের মানষিকতার পরিবর্তন নিশ্চই একদিন হবে আশা করি।
যারা যারা লাপাইতেছেন তারা এই পোস্টটা পইড়া আসেন দয়া কইরা সবাকের কাছের দোস্তগো কমেন্টও পইড়েন
Click This Link
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন:
এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী
ভালো-মানুষ বলেছেন:
এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী
জোবাইর বলেছেন:
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এরজন্য প্রয়োজন সামাজিক সচেতনতা, ছেলেমেয়েদের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সৌহার্দপূর্ণ মেলামেশা এবং প্রতিটি পরিবারে বিশেষ করে অভিভাবকদের ভুমিকা। বিশেষ করে টিজারের মা ও বোনেরা এব্যাপারে যথার্থ ভুমিকা রাখতে পারে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
ভালো-মানুষ বলেছেন:
এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী
লেখক বলেছেন: কে ভুত, কে রাম আর কারা ভন্ড-তা পাঠক জানেন।
সুবিদ্ বলেছেন:
আমি খুব গর্ব করে বলতে পারি......এই কাজটা আমি কোনদিন করিনাই.....ইনশাআল্লাহ করবোও না......লেখক বলেছেন: আমরা সবাই তোমার মত হই।
মানুষ বলেছেন:
ডিজাটাল দুষ্ট ছেলে বলেছেন: যাহা জানেন তাহা কতটা সত্যি তাহা সিওর হইতে হইলে সবাকের পোস্ট দেখতে পারেন ।সাথে কমেন্টগুলোও।যে নৈতিকতা আপনারে মাইনাস দেওয়া থেকে ঠেকাইছে সে নৈতিকতার ভাবনা থেকে বাবুয়া যারে নিয়ে কমেন্টাইছিল তার কাছে সরিও বলেছে।যে এত কিছুর নায়ক সেও এখন বাবুয়ারে আবার তেল মারতাছে।লাভের লাভ(?)হইল কি কয়েকজন ব্লগার এই ইস্যুতে ব্যান হইল।আফসুস সেই ঘটনার মিস গাইড অনেককে সেই যে অন্ধকারে নিয়া গেছে তা এখনো রয়ে গেছে।-----------------------------------------------------------------
আমার কমেন্ট খেয়াল করেন, আমি বলেছি বাবুয়া যদি তার ভুল পথ থেকে সরে যায় তবে তাকে স্বাগতম।
সেই ইস্যুতে কয়েকজন ব্লগার'কে ব্যান করার কারণেই আজ ক্ষোভটা জমে আছে। যৌক্তিক দাবির জানানোর জন্য যাদের ব্যান, জেনারেল এবং ওয়াচে নেয়া হয়েছিল তাদের ক্রোধটাকে উষ্কে দেয়া হয়েছে বিতর্কিত ব্যক্তির, স্ববিরোধী পোষ্ট ষ্টিকি করার মাধ্যমে। কতৃপক্ক্ষ খুব সম্ভবত হিট সংকটে ভুগছেন। তাই পুনরায় নাটকের অবতারণা।
হা, হা। অতিরিক্ত রক্ষনশীলতাকে ভালোই দোষ দিলেন। টিভিতে বুকের অর্ধেকাংশ খোলা রাখা বা কম্পিউটারে (বাসা বা ক্যাফেতে) যৌবনযাত্রা নিয়ে ব্যাপক সময় প্রদান এই ঠুনকো রক্ষনশীলতা তো কিছুই না।
আমাদের এই সমাজ ব্যবস্থায় আমরা চলছি দুই সংস্কৃতির দুই নৌকায় পা দিয়ে। সমস্যাতো হবেই।
টিজিং কিন্তু ইউরোপ/আমেরিকাতেও অহরহ। কিন্তু সেটা ইভটিজিং নয় এবং সেটা তাদের সংস্কৃতিরই অংশ।
উইকি থেকে "Eve teasing is a euphemism used in India, Bangladesh and Pakistan for public sexual harassment, street harassment or molestation of women by men, with Eve being a reference to the biblical Eve", কেনো এখানে ভারতীয় উপমহাদেশের তিনটি দেশকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে? তিনটি দেশই না আমরা আমাদের সংস্কৃতি অনুসরন করছি, না তাদেরটা। হিন্দি ছবির গানগুলিতে যখন ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতর দুই কাপড় পড়ে নায়ক বা নায়িকার পেছনের দেহগুলো নাচতে থাকে, তখন সেখানে দেখিনা আমরা কোন হিন্দি দেহ, সবই কিন্তু সাদা বা কালো চামড়ার পশ্চিমাদেশগুলোর লেডিস। এইগুলান কিন্তু পশ্চিমা দর্শকদের জন্য নয়। ভারতীয় উপমহাদেশের দর্শকদের জন্যই।
অনেক কিছু বলার আছে, আর কিছু বলতে ভালো লাগতাছে না।
হরিণ বলেছেন:
আমরা কখনো হরিণীদের দিকে তাকিয়ে অশ্লীল মন্তব্য ছুঁড়ে মারি না! আমাদের প্রজাতির (হরিণ) মধ্যে ইভটিজিং নেই। চমৎকার ফিগারের হরিণীর সাথে বসে আমরা খাবার খাই, কথা বলি-ভালোবাসি কিন্তু কখনেই টিজ করি না। ইভটিজিংটা মনুষ্য সমাজের সমস্যা! অবশ্য শুধু বাঙালি মনুষ্য সমাজেই এই সমস্যাটা রয়েছে! এ জন্য কারা দায়ী? আমি বলতে চাইনা। কারণ আমরা (হরিণ) মিথ্যা বলতে পারি না!মনুষ্য সমাজের রুচি নেই!
লেখকের জন্য +++++
লেখক বলেছেন: আসুন আমরা সবাই হরিণ হয়ে যাই!!!
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
উফ কি সুন্দর দেকতে এই কথাটিও কি ইভ টিজিং এর আওতায় পড়ে?
ছাএ জীবনে এই ব্যাপারটা ঘৃণা করে এসেছি এখনও করি এরবেশী কিছু বলবার নেই।
পারভেজ বলেছেন:
বিষয়টা নিয়ে প্রাইমারী লেভেল থেকে আর ধর্মীয় শিক্ষকদের মাধ্যমে অনেক বেশী কাউন্সিলিং এর সম্ভাবনা আছে।তবে শিক্ষার সামগ্রিক উন্নয়ন না হলে সহসা দৃশ্য বদলাবে বলে মনে হয় না।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: সহমত। টেক কেয়ার......
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
টিজিং ব্যাপারটা সম্ভবত আর বয়সে সীমাবদ্ধ নেই, এই জমানায় যে কোনো বয়সের পুরুষই যে কোনো বয়সের মহিলাকে কটুক্তি করতে পারে, করেও।
..:: লিখন আহমেদ ::.. বলেছেন:
এ ধরনের কাজ শুধু ছেলেরাই করে না। মেয়েরাও করে।ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে বা ইডেন কলেজের সামনে মেয়েদের কোনো গ্রুপ বসে থাকলে যদি তাদের সামনে দিয়ে যান তাহলে তাদের মুখ থেকেও অনেক ধরনের কমেন্টস শুনতে হবে আপনাকে।
ইভ টিজিং চিরতরে এই দেশ থেকে তুলে দিতে হবে, সে যেই হোক না কেনো। ছেলে বা মেয়ে ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
এই বাক্য এই পোস্টে দেইখা অবাক হইনাই, তয় পুরা পোস্টের মর্তবা শেষ করনের লেইগা যথেষ্ট মনে হইছে এই বাক্যের উপস্থিতি। তরুণীরা উচ্ছৃঙ্খল চলাফেরা করলে বা অরুচীশীল পোশাক পরলে যেই ইভটিজিং, তারে লেখক জায়েজ করতে চাইতেছেন...
কিন্তু পোস্টের কোথাও অরুচীশীল পোশাকের বিষদ লেখা নাই...কিম্বা উচ্ছৃঙ্খল আচরণ কি তারো উল্লেখ নাই।
একজন পুরুষ কতোটা পুরুষ হইলে এইরম পোস্ট লিখতে পারে...সেইটা ভাবতেছি...
রিমঝিম বৃষ্টি বলেছেন:
জুলভার্ন আবারো একটা চমৎকার লেখা উপহার দিলেন। আমার মতে দুইটা জিনিস দায়ী। এক, আমাদের দেশের রক্ষনশীল মানসিকতা। ছেলে-মেয়ে এক সাথে মেশাটা যেন গুরুতর অপরাধ। কো-এডুকেশনে যেসব ছেলেরা পড়ে তাদের মধ্যে দেখেছি ইভটিজিংএর প্রবনতা কম। তারা মেয়েদের সাথে মিশে, তাই মেয়েদের প্রতি তাদের সম্মানও বেশি। আর কো-এডুকেশনে না পড়া ছেলেদের কাছে মেয়েরা যেন অন্য গ্রহের প্রানী। আর দুই, আমাদের দেশের আইনের শাসনের অভাব। কেউ বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবে না যে ইভ টিজিং আর কোথাও নেই। কিন্তু ইউরোপ-আমেরিকাতে এধরনের ঘটনা ঘটলে কঠোর শাস্তি হয়। তাই ভয়েও কেউ ঐ পথ মাড়ায় না। আমি বেশ কিছু দেশ ঘুরেছি। বাংলাদেশ ছাড়া আর কোথাও ইভটিজিং চোখে দেখিনি। আইনের শাসন একটা বড় কারন।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
রিমঝিম বৃষ্টি বলেছেন:
বিকৃত রুচিসম্পন্নরা এই পোস্টে চুপি চুপি মাইনাস দিয়ে যাচ্ছে।
চুপে চুপে না, আমি বলে কয়েই মাইনাস দিলাম। পোস্ট লেখকের অতীত কর্মকাণ্ডের জন্য না, "মুষ্টিমেয় তরুণীর উচ্ছৃঙ্খল চলাফেরা, অরুচিশীল পোশাক এসবও অনেক সময় ইভটিজিংয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।" - লাইনটার কারণে। জানি না এই কারণেও ব্যান খাব কি না।
নুশেরা বলেছেন:
"মুষ্টিমেয় তরুণীর উচ্ছৃঙ্খল চলাফেরা, অরুচিশীল পোশাক এসবও অনেক সময় ইভটিজিংয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।"
হা হা হা হা! আমরা অন্যায় করে নির্দ্বিধায় অস্বীকার করবো। আর ধরা পড়ে গেলে সাফাই দেয়ার জন্য অজুহাত খুঁজবো। যেন ঐ অজুহাতের কারণটি না ঘটলে অপরাধটি ঘটতোইনা। এসব নতুন কিছু না। লালসালুর মজিদও খালেক ব্যাপারীর স্ত্রী আমেনা বিবির পেটে বেড়ি দেখেছিলেন।
পারতপক্ষে মাইনাস রেটিং দেয়া হয়না; উদ্ধৃত অংশের মনোভাব পোষণের জন্য এই পোস্টে সজ্ঞানে মাইনাস।
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
নুশেরা ম্যাডামের মন্তব্যে সজ্ঞান শ্রদ্ধা রেখে দুটো কথা বলতে চাই। "মুষ্টিমেয়" শব্দটি পুরোপুরি অগ্রাহ্য করে মন্তব্যটি করেছেন মনে হল। লেখক যে মুষ্টিমেয়দের কথা বলেছেন তাদের দায়মুক্তি দেয়ার মানেই হল "সেই মুষ্টিমেয়" ক্ষেত্রে বালিকারা ষোল আনা নিরাপরাধী । কারণটা স্পষ্ট--- বখাটেরা প্রকাশ্যে অসৌজন্য প্রকাশ করেছে, যেটি মেয়েদের পোষাক নির্বাচনের স্বাধীনতার ব্যাপারে অনধিকার হস্তক্ষেপ।একদল মাতাল বখাটে পুরুষ (তাদের জাত ধরুন ষোল আনাই নষ্ট) নববর্ষের প্রথম প্রহরে মাতলামি করছে, সেখানে আলু থালু বেশে বাধনেরা উপস্থিত হবার অধিকার রাখে বটে। কিন্তু আমরা যেসব রক্ষণশীল পুরুষ সেথায় নিজের বোনদের যাওয়াটা পছন্দ করিনা, তারা কিন্তু ক্ষেপে গিয়ে বোনকে শাসাবে, ধমকাবেও। এরাই হলেন লেখকের সেই "মুষ্টিমেয়", যারা পরিণতির কথা সজ্ঞানে জেনে ঝাপ দিতে পছন্দ করে। কিন্তু এই মুষ্টিমেয়দের খানিকটা দোষারোপ করা মানেই "গোটা নারীত্বের অবমাননা" বিপরীতে মাতাল বখাটেদের "পাপ মুক্ত দেব দূত" করে দেয়া - সেটি কিন্তু কেউ বলছেনা (যদিও অত্যন্ত হতাশাজনকভাবে আপনি তাই বোঝালেন!)।
পুরনো শিশু তোষ গল্প মনে পড়ল। ছোট মেয়ে কিছু পর পর কেদে উঠছে দেখে মা বিরক্ত হয়ে মেয়েকে কষে থাবড়া দিলেন। পরে দেখা গেল পিছন থেকে তার ছোট ভাইটি কিছু পর পর চিমটি কাটছিল। বখাটেদের কাছে সৌজন্যতা আশা করা বোকামি। মেয়েরাও ধোয়া তুলসি পাতা নন সব সময়। ভুল করা, চপলতা দেখানোর মত ব্যাপার গুলো মেয়েরাও করে, তারাও তো ভাল-মন্দ মিশিয়ে মানুষ।
মারুফের রহমান বলেছেন:
আশা রাখছি লেখক নুশেরার কথার যূতসই একটা জবাব দেবেন।আমাদের নারীরা এখনও নিজেদের মানুষ হিসেবে মেনে নিতে পারছেনা।প্রতিবাদ আর ত্যাগ করা- তাদের স্বভাবে নেই।আমি মনে করি মেয়েদের এই দূর্দশার জন্য মেয়েরাই দায়ী।ইভটিজিং করার সাথে সাথে যদি টিজারের গালে কষে দুইটা থাপ্পড় মারার সাহস ভূক্তভোগী রাখে তাহলেই সমাধান।তার সাথে সাথে স্বর মিলাবে আরো দশজন।
এর পেছনে থাকবে প্রসাশন আর কঠোর নিয়ম-নীতি।এটা অনস্বীকার্য যে কারো পক্ষে একা কিছু করা সম্ভব না কিন্তু এখন আমাদের পরিস্থিতি এমন হয়ে দাড়িয়েছে কিছু করতে হলে একাই করতে হবে।এতে নিজের ক্ষতি হবে ঠিক কিন্তু এই ত্যাগটাই হয়তো মানুষ করে পেলতে পারবে তাদের যারা সবকিছু দেখেও না দেখার ভান করে।ইভটিজিং বন্ধে নারীর ভূমিকাই প্রধান তারপর প্রশাসন তারপর পুরুষ।
লেখক বলেছেন: আপনার উল্যেখিত ব্লগার আমার কাছে কোন বিষেশ গুরুত্ব বহন করেনা-যে তাঁর মন্তব্যের জবাব আমাকে দিতেই হবে!
ডিজিটালভূত বলেছেন:
কিছু কিছু মেয়েদের অশালীন আচরণ ছেলেদের টিজ করতে প্রলুব্ধ করে। মুষ্টিমেয় তরুণীর উচ্ছৃঙ্খল চলাফেরা, অরুচিশীল পোশাক এসবও অনেক সময় ইভটিজিংয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।অনেক ধন্যবাদ
কিউরিয়াস বলেছেন:
@সাঈফ শেরিফ, আপনার কথাটা বুঝতে পারছি, কিন্তু সমস্যা হল, আপনার এই যুক্তিটার এত অপব্যবহার হয়, যে এর ক্ষতিটা অনেকসময় কুযুক্তির করা ক্ষতির মতই হয়ে দাড়ায়। একটু বুঝিয়ে বলি। প্রথম সমস্যাটা হল, "অরুচিশীল পোশাক" জিনিসটাকে সঠিক ভাবে চিন্হিত করা। আমেরিকার মাইক্রো-স্কার্ট কে মোটামুটি সবাই আমাদের দেশে "অরুচিশীল পোশাক" পোশাক বলবেন স্বাভাবিকভাবেই। কিন্তু সালোয়ার-কামিজ-ওড়না? ছোট হাতের কামিজ? কিংবা ফতুয়া? বুঝতেই পারছেন, কিছুটা হলেও ডিভাইডেড অপিনিয়ন পাবেন, সবাই একমত হবেনা মাইক্রো-স্কার্টের মত। এখন ফতুয়া পড়া একটা কলেজের মেয়ে ইভটিজিংএর মুখে পড়লে, দোষ দেবেন কাকে?
আপনি হয়ত বলবেন, পুরো ঘটনা না শুনে বলা যাবেনা কে দোষী। কিন্তু বেশীরভাগ সময়ই, পুরো ঘটনা বোঝানো আর হয়ে ওঠেনা মেয়েটির, ফতুয়া পড়া মেয়েটাকে দোষী ঠাউরাবেন অনেকেই, হয়ত নিকটজনেরা নয়--কিন্তু বড় চাচা, মেজ খালু সহ পাড়ার অনেকেই যে তখন মেয়েটাকে মেয়েমানুষ হওয়ার নসিহত দেবেন, তাতে সন্দেহ নেই বিন্দুমাত্র।
আপনার বোনকে আপনি যে "ধমকের" কথা বললেন, তা পুরোপুরিই অনেস্ট, এবং তার মংগল চিন্তা থেকেই করেছেন। "পাড়ায় ঢুকলে মাথায় ছোট করে হলেও কাপড় দিস" আর "বাজারের মোড়টা এড়িয়ে চলবি, বদ পোলাপান থাকে" এই দুইটা উপদেশের মধ্যেও বেসিক কোন তফাত নেই। কিন্তু মেয়েটি যদি এরপরও কোন বেপাড়ার মাস্তানের ইভটিজিং-এর মুখে পড়ে, বাজি ধরে বলতে পারি, মেয়ের বাবা প্রথমেই ক্ষেপে উঠবেন মেয়েটার ওপর, কারণ বাবার সবসময়ই মনে হয় মেয়েটা তার ঢিলা, একটু কম বোঝে। (দুনিয়ার ১০১% বাবার এই কথা মনে হয়)
এবং এর সাথে যথারীতি পাড়াত উপদেশ তো থাকবেই। এবং তখনই মেয়েটা জানবে, যে সে মেয়ে, এবং মেয়েমানুষ।
নিশাচর বলেছেন:
পিলাচ............+
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
@কিউরিয়াস, এটা সমস্যা, পুরনো কিন্তু সরানো যাচ্ছেনা। দেশের সকল বখাটেদের এক যোগে সুমতি হবে সে আশাবাদ ও দাবির আগে সমাজটাকে পুরো বদলে ফেলা দরকার, যেটি কার্যত অসম্ভব। মাস্তানদের আবার প্রতিশোধ ও পেশি শক্তির প্রদর্শনীটা বিপজ্জক ব্যাপার। তাই নিজ নিজ এলাকা ভিত্তিক বোঝা পড়া, সতর্কতা এগুলোই আপাত কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাবাদের যে দুষলেন, ঠিক আছে। কিন্তু বাবা যে নিজের মেয়ে বাদে পরের ছেলেকে শাসন করবার অধিকার কম রাখেন, সেটিও কিন্তু সত্য। সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার হল, টিজিং এর কথা গুলো সহ্য করতে না পেরে যখন কোন মেয়ে আত্মহত্যা করে বসে। একজনকে ঠিক কী ধরনের কথা শোনালে সেটা সহ্য শক্তির বাইরে গিয়ে আত্মহত্যার মত ভয়াবহ ব্যাপার ঘটানোর কারণ হয়, সেটি আমার জানার বাইরে।
মুহিব বলেছেন:
এখন বয়স হয়েছে। ইভ টিজিং যে বয়সের ছেলেরা করে তাদের সাথে আর যোগাযোগ নেই। আমার ধারনা ছিল এসব এখন আর হয় না। কিছু নিম্নশ্রেনীর লোকজন করে যা সহজেই ইগনোর করা যায়।
লেখক বলেছেন: আড্ডা প্রিয় মুহিবকে কাল আড্ডায় না দেখে হতাশ হয়েছি!
নুশেরা বলেছেন:
@ মারুফের রহমান, মন্তব্য # ১২৮মারুফের রহমান বলেছেন: "আশা রাখছি লেখক নুশেরার কথার যূতসই একটা জবাব দেবেন।"
লেখক যূতসই জবাব দিন বা না দিন, তাতে আমার-আপনার কারোরই মানসিকতা পাল্টাবে না। আমার পুত্র এই অপরাধ করলে আমি তাকে পারিবারিক থেকে শুরু করে আইনের সাজার জন্য অপরাধীই বলবো, প্রোভোকেশনের অজুহাত খুঁজবো না।
"আমাদের নারীরা এখনও নিজেদের মানুষ হিসেবে মেনে নিতে পারছেনা।প্রতিবাদ আর ত্যাগ করা- তাদের স্বভাবে নেই।আমি মনে করি মেয়েদের এই দূর্দশার জন্য মেয়েরাই দায়ী।ইভটিজিং করার সাথে সাথে যদি টিজারের গালে কষে দুইটা থাপ্পড় মারার সাহস ভূক্তভোগী রাখে তাহলেই সমাধান।তার সাথে সাথে স্বর মিলাবে আরো দশজন।"
খুব ভালো ভাবনা। কিন্তু বাস্তবানুগ কি? আমার ক্ষুদ্র পেশাগত অভিজ্ঞতায় ছোটখাটো কিছু ক্রিমিনাল কেইসের স্মৃতি আছে। একটা উদাহরণ বলি। ইভটিজিঙের উপদ্রবে পায়ের স্যান্ডেল খুলে ছুঁড়ে দেয়া একটা মেয়ের গালে ক্ষুর চালিয়ে দেয় মাস্তান। গায়ে হাত দেয়া তো অতি সাধারণ ব্যাপার। "আরো দশজন" স্বর মিলায় কিনা সহজেই অনুমেয়।
"এর পেছনে থাকবে প্রসাশন আর কঠোর নিয়ম-নীতি।"
অপরাধ জায়েজ করার "অজুহাত" যতদিন থাকবে ততদিন প্রশাসনও ঐ সুযোগ নেবে। ইয়াসমিনকে "পতিতা" আখ্যা দেয়ার কথা মনে আছে আশা করি। যেন সে দেহোপজীবি হলেই পুলিশ তাকে ধর্ষণের অধিকার অর্জন করে ফেলে!
==========================================
সাঈফ শেরিফ-- বোঝাতে পারিনি মনে হচ্ছে। অবসিনিটির দায় ভিন্ন জিনিস। সেটাও মাত্রাভেদে অপরাধের মধ্যে পড়ে, আইনের বিধিবিধানও আছে। আমার কথা একটাই, একটা পিওর অ্যান্ড সিম্পল অপরাধকে জাস্টিফাই করার জন্য যেন কোন "অজুহাত" দেয়া না হয়।
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শান্ত। বাবা ক্যামন আছেন? তোমার পড়া লেখা কেমন চলছে?
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন:
ইভটিজিং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একটি মারাত্নক সমস্যা.. এই বিষয়ে লেখার জন্য ধন্যবাদ দাদা..ইভটিজিং প্রতিরোধে সকলে সোচ্চার হোন..
লেখক বলেছেন: একমত। কাল তোমার সাথে পরিচিত হয়ে ভালো লেগেছে।
মুক্ত বয়ান বলেছেন:
এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মেহরাব।
somewhereinblog কে ধন্যবাদ লেখাটি ষ্টিকি করার জন্য।
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ সৈয়দ নূর কামাল ভাই।
দখিনা বাতাস বলেছেন:
এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী
মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন:
অমি পিয়ালের সাথে একাত্বতা ঘোষনা করে বলছি : টিজিং ব্যাপারটা সম্ভবত আর বয়সে সীমাবদ্ধ নেই, এই জমানায় যে কোনো বয়সের পুরুষই যে কোনো বয়সের মহিলাকে কটুক্তি করতে পারে, করেও। ধিক তাদের !
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
সাঈফ শেরিফ বলছেন: একজনকে ঠিক কী ধরনের কথা শোনালে সেটা সহ্য শক্তির বাইরে গিয়ে আত্মহত্যার মত ভয়াবহ ব্যাপার ঘটানোর কারণ হয়, সেটি আমার জানার বাইরে। >>>>>>>>
কারো কাছে আত্মহত্যা ব্যাপারটা কিভাবে সম্ভব সেটাই জানার বাইরে। কিভাবে একজন মানুষ নিজেকে হত্যা করতে পারে। অন্যদিকে অনেকেই এটা ঘটাচ্ছেন। ব্রাদার আমাদের জানার বোঝার বাইরে অনেক অনেক কিছুই বিদ্যমান।
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
এক ধরনের বিকৃতি থেকেই এই রোগের উৎপত্তি। ছেলে মেয়েতে সুস্থ ও স্বাভাবিক সম্পর্ক হলে এই বিকৃতি থাকবে না। তোমার জন্য খেলা, আমার জন্য জ্বালা
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তায়েফ।
আমি স্বার্থপর বলেছেন:
আমাদের সামাজিক মূল্যবোধ জাগ্রত না হলে এটা বন্ধ করার কোন উপায় দেখি না।
জেরী বলেছেন:
স্টিকি পোস্ট দেখি ক্যাচালীয় পোস্টের দিকে যাচ্ছে.......????আমরা মানুষ বলেই বোধহয় এমন করি.......এক ঘটনার সাথে আরেক ঘটনার যোগ করে ক্যাচাল করতে ভালোবাসি.....ব্লগটা বড় আজব জায়গা.....১০০জনের ১০০ রকমের মনোভাব দেখি ....সেটা যতই ভালো বিষয়ে হোক না কেন ক্যাচাল করাটা জরুরী হয়ে পড়ে???
রিমঝিম বৃষ্টি বলেছেন:
আমি মানবীর সাথে একমত। বাংলাদেশে যদি ৫% মেয়ের আচরন ইভটিজিং-এর কারন হয়, তাহলে আমেরিকা ত ইভটিজিং-এ ছেয়ে যাওয়ার কথা। কারন এখানে ৯৫% মেয়েই বরং খোলামেলা ড্রেস পড়ে, খোলামেলা চলাফেরা করে। কিন্তু কই এখানে ত ইভটিজিং ঘটতে দেখা যায় না। এর কারন মানসিকতা আর আইনের শাসন। ইভটিজিং করলে যে ভয়াবহ মূল্য দিতে হবে সেটা তারা জানে। আর তাদের মেয়েদের প্রতি মানসিকতাও অন্যরকম। আমাদের মত মেয়েদেরকে অন্য গ্রহের প্রানী মনে করে না।
ভাবসাধক বলেছেন:
সুন্দর পোস্ট ! এই ব্যপারটি অনেক জটিল এবং বিশাল । তবে এইসব ইভটিজারদের শাস্তি আইন কানুন করে নয় ---------------- নগদ দেয়া দরকার ,,,,,,,,,, নগদ জনসমক্ষে শাষ্তি পেলে এবং ঐ শাস্তির খবর প্রচার হলে ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যাবে । নগদ মাইরের উপর ওষুধ নাই।
পোস্ট সম্পর্কে সবাইকে বলি: কারো একজনের অপরাধের জের ধরে এই টপিক টাকে নষ্ট করবেন না প্লিজ!
রাস্তায়, বাসে, অফিসে অহরহ এই জিনিষটা দেখি... ইভ টিজিং এর সাথে শিক্ষার কোনো যোগাযোগ নেই বলে আমি মনে করি; কারণ, অনেক উচ্চ শিক্ষিত মানুষের কাছ থেকেও অনেক খারাপ/ অশালীন আচরন দেখেছি.
আসলে ব্যাপার টা পারিবারিক/সামাজিক ট্রেনিং এর উপরেই বেশি ডিপেন্ড করে.
আর আমাদের জাতিগত নৈতিক অবক্ষয় তো আছেই... আমরা তৃতীয় বিশ্বের দেশ বলে হয়তো মনে করি শালীন আচরণ করাটা আমাদের জন্য বাধ্যতামূলক না!
আর তাই সারা দেশে সহশিক্ষা ব্যবস্থা চালু করতে হবে। তরুণ-তরুণীদের নিয়ে পাড়ায়-মহল্লায় কাউন্সেলিং করতে হবে।
যৌনতা যে নিত্য নৈমিত্তিক প্রশ্রাব-পায়খানা বা মল-মূত্র ত্যাগ করার মতো একটি স্বাভাবিক ব্যাপার, এই বিষয়টি সবার উপলব্ধির মধ্যে আসতে হবে। প্রজনন স্বাস্থ্যসহ যৌন বিজ্ঞানকে সাধারণ শিক্ষার অন্তর্ভূক্ত করতে হবে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সৈয়দ আমিরুজ্জামান ভাই।
রিমঝিম বৃষ্টি বলেছেন:
মারুফের রহমান বলেছেন: আশা রাখছি লেখক নুশেরার কথার যূতসই একটা জবাব দেবেন।আমাদের নারীরা এখনও নিজেদের মানুষ হিসেবে মেনে নিতে পারছেনা।প্রতিবাদ আর ত্যাগ করা- তাদের স্বভাবে নেই।আমি মনে করি মেয়েদের এই দূর্দশার জন্য মেয়েরাই দায়ী।ইভটিজিং করার সাথে সাথে যদি টিজারের গালে কষে দুইটা থাপ্পড় মারার সাহস ভূক্তভোগী রাখে তাহলেই সমাধান।তার সাথে সাথে স্বর মিলাবে আরো দশজন।....................
বিষয়টা এত সহজ না। আপনাকে ধরা যাক ছিনতাইকারী ধরল। আপনি তাকে চড় মারলেন। তারপর কি হবে? জানে মায়া সবারই আছে। ইভটিজাররা দল বেধে থাকে। তারা এলাকার মাস্তান টাইপের হয় প্রায় সময়ই। চড় মারলেই তাই সমাধান হচ্ছে না। শক্ত আইন আর মানসিকতা পরিবর্তনের বিকল্প নাই।
রিমঝিম বৃষ্টি বলেছেন:
@জামাল ভাস্করঃ মেয়েরা কোন কোন ক্ষেত্রে একেবারে দায়ী না, সেটা বলা যায় না। আমি এর অনেক প্রমান চোখের সামনেই দেখেছি। তবে ছেলেরাই ইভটিজিংএর জন্য মূলত দায়ী। আর মেয়েদের ড্রেসকে ইভটিজিং-এর কারন বলা যায় না কখনো। বরং ভাল ড্রেসের মেয়েদেরকে টিজিং-এর শিকার হতে দেখা যায় বেশি। উগ্র ড্রেসের মেয়েরা ঝামেলা করে বেশি। তাই তাদেরকে বেশিরভাগ সময় টিজাররা কিন্তু এড়িয়ে যায়।
মিলটন বলেছেন:
@ ছায়ার আলোআপনি বলেছেন," উপরের পোস্টে "বাবুয়া" নামের এক ব্লগারের মন্তব্য দেখে হতভম্ব হয়ে গেলাম। শুনেছি তাকে ব্যান করা হয়েছে এবং সে নাকি এখন অন্য নিকে ব্লগায়। তার ব্লগ কোনটা জানিনা...ফাইন্ড আউট করতে পারলে দুই গালে দুইটা স্যান্ডেলের বারি দিয়ে আসতাম!"
===============
আপনার ইউটার্ণটা দেখলাম তাকিয়ে তাকিয়ে।
আপনি যদি এমই প্রমানই পান যে সেই বাবুয়াই এই জুলভার্ন তবে এখন আপনি কি করবেন? স্যান্ডেল দিয়ে দুই গালে বারি দিবেন? একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়নির্ভর পোষ্টে পোষ্ট সমর্কিত মন্তব্য না করে অযথা বাহিরের একটি বিষয় টেনে আনা কি নিতান্তই মনের খেয়াল থেকে না অন্যকোনো প্ররোচনাকারীর মিথ্যা ধোঁকা থেকে। কোন বিষয় ব্যাপক না জেনে মন্তব্য করাটা বোধহয় খুব একটা ভালো না। আপনি জানতে চাইলে ব্লগের পুরানো পাতা গুলো উল্টে উল্টে দেখলেই জানতে পারবেন। ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ আপনাকে।
সাগর ঢাকা বলেছেন:
আপনার এই লেখাটা ভালো ...ধন্যবাদ ...তবে উপরের কথা সত্যি হলে , মানে আপনি যদি বাবুয়া হন ...তাহলে আপনার জন্য আজীবন মাইনাস বরাদ্দ ..না হলে ...অনেক অনেক শুভো কামনা ...( চিন্তায় আছি ...কমেন্ট এর জন্য ব্যান খাইতে পারি !)
রিমঝিম বৃষ্টি বলেছেন:
জুলভার্ন আর বাবুয়া যে এক - তার প্রমান কি?
আশিক১১৪ বলেছেন:
যে বা যারা সমস্যায় পরে কেবল তারাই বোঝেন।সকলের সচেতনতা ও সরব উচ্চারনই পারে সমস্যাটিকে নিয়ন্ত্রন করতে।
আমি রোদের ছেলে বলেছেন:
পোস্টটা স্টিকি করায় খুব খুশি হলাম।
গতকাল সন্ধ্যা থেকে নেটে বসা হয়নি। আমার আগেই ১৫৯ জন কমেন্ট করে ফেলেছে
(সবাক)
ব্যতিক্রমী বলেছেন:
ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
ফেরারী পাখি বলেছেন:
গত দুদিন ধরেই আপনার পোষ্টটি দেখছি আর ভাবছি কি লিখবো।২০০৪ থেকে ২০০৫ এর মাঝামাঝি পর্যন্ত আমি একটা বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছি। আমার কাজের ধরণ টা ভিন্ন ছিল। সেই কাজের একটা বিষয় ছিল কিভাবে ইটিজিং বন্ধ করা যায়। তখন কাজ করতে গিয়ে অনেক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছি। সত্যি আমাদের সমাজে এটা যে কত ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে তা বলার অপক্ষো রাখে না। বিশেষ করে মফস্বঃল শহরগুলোতে।
এধরণের কার্যক্রম বন্ধ করা যে কত খানি জরুরী তা বলার নয়। যাই হোক আপনার লেখায় এই বিষয়টি তুলে আনার জন্য আপনাকে সবিশেষ কৃতজ্ঞতা।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
"আপনার ইউটার্ণটা দেখলাম তাকিয়ে তাকিয়ে।
আপনি যদি এমই প্রমানই পান যে সেই বাবুয়াই এই জুলভার্ন তবে এখন আপনি কি করবেন? স্যান্ডেল দিয়ে দুই গালে বারি দিবেন? একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়নির্ভর পোষ্টে পোষ্ট সমর্কিত মন্তব্য না করে অযথা বাহিরের একটি বিষয় টেনে আনা কি নিতান্তই মনের খেয়াল থেকে না অন্যকোনো প্ররোচনাকারীর মিথ্যা ধোঁকা থেকে। কোন বিষয় ব্যাপক না জেনে মন্তব্য করাটা বোধহয় খুব একটা ভালো না। আপনি জানতে চাইলে ব্লগের পুরানো পাতা গুলো উল্টে উল্টে দেখলেই জানতে পারবেন। ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ আপনাকে।"
================================
আমার ইউটার্ন তাকিয়ে তাকিয়ে দেখার জন্য ধন্যবাদ
আপনি জানতে চেয়েছেন বাবুয়া আর জুলভার্ন একই লোক হলে আমি স্যান্ডেলের বারি দেবো কি না?
উত্তর হলো: বাবুয়া কি অনুতপ্ত কি না? যদি সে অনুতপ্ত হয় এবং সত্যিই তার আচরনের জন্য ক্ষমা চেয়ে থাকে (রেসপেকটেড ব্লগারের প্রতি) তাহলে আমি কেন দিতে যাবো?
আর বাবুয়া এবং জুলভার্ন যদি একই ব্যক্তি হয়ে থকে, তাহলে আমার লিন্ক টা কি "বাহিরের বিষয়"??
আপনি আমার ১৫১ নং কমেন্ট টা পড়ার পরেও যদি উপরের কমেন্ট টা করে থাকেন, তবে আপনার প্রতি অনুরোধ, প্লিজ জল ঘোলা করার চেষ্টা করবেন না...
ভালো থাকবেন।
পবিত্র আল ক্বোরআনে মহান আল্লাহ পাক প্রথমে পুরুষদেরকে সতর্ক করেছেন যখনই কোন নারীকে দেখে মনে কোন খারপ বাসনার জন্ম হয় তোমরা তোমাদের চোখকে নিচু কর এর পরই নরীদের সতর্ক করা হয়েছে যে তোমরা তোমাদের লজ্জা স্থানের হেফাজত করা এবং পর্দাশীল হও। এছাড়াও ইসলাম বিপরীত লিঙ্গের পোষাক (যেমন মেয়েরা ইদানীং ছেলেদের প্যান্ট ও শর্ট টপস্ পরছে) এবং টাইট ফিটিং পোষাক যা বিপরীত লিঙ্গকে আকৃষ্ট করে তাহা পরিধান করতে নিষেধ করেছেন।
ইসলামের দৃষ্টিতে উভয়ই সমান অপরাধি। সুতরাং প্রত্যেক বাবা মায়ের উচিত তাদের ছেলে মেয়েদেরকে আধুনিক শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত করা যাতে করে তারা আল্লাহর প্রতি ঈমান আনে ও এ ধরনের বাজে কাজ থেকে নিজেদের বিরত রাখে।
টিজিং সেই ছেলে করে যার মধ্যে আল্লাহর প্রতি কোন ঈমান নাই। যারা রাস্তার মোড়ে দাড়িয়ে সিগারেট খাওয়াকে ভদ্রতা ও ষ্টাইল মনে করে। যারা দিন রাত সাইবার ক্যাফেতে অশ্লিল সাইট চষে বেড়ায়। বাব মায়ের চোখের আড়ালে ব্লু ফ্লিম দেখে। তারা দুধের স্বাধ ঘোল দিয়ে মেটাতে চায় এভবে টিজিং এর মাধ্যমে। কিছু মেয়ে আছে এতেই খুশি। তারা ছেলেদের আড্ডা দেখলে এবং তাদের কাছ থেকে একথা শুনতে খুবই পছন্দ করে যে "দেখ কি সেক্সি ফিগার !' ওয়াও মনে হয়.....................একবার অন্তত একবার.................করি।
আসুন আমাদের সন্তাদেরকে সুস্থ বিনোদনের দিকে নিয়ে আসি কারন সুস্থ বিনোদন সুন্দর মনে জন্ম দেয়।
যুগান্তকারী বলেছেন:
এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী
সেজুঁতি বড়ূয়া বলেছেন:
সামহোয়ার কর্তিপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই-এমন একটি পোস্টকে স্টিকি করার জন্য।খুব খারাপ লাগছে-বাবুয়া ক্যাচাল নিয়ে আর কতকাল ব্লগ উত্তপ্ত থাকবে ভেবে। বাবুয়া যে ব্লগারকে বাজে মন্তব্য করেছিলেন-সেই মন্তব্য নিজের ভুল বুঝেই ডিলিট করিয়েছিলেন। পরবর্তীতে বাবুয়া সেই ব্লগারের কাছে অনেক জন ব্লগারের উপস্থিতিতে নিজের কৃত কর্মের জন্য সরি বলেছেন। সেখানে উপস্থিত ব্লগারগনের সামনেই তিনি বাব্যাকে ক্ষমা করে আশীর্বাদ করেছিলেন বলেই উপস্থিত ব্লগারদের কাছে জেনেছিলাম। কেউ যদি ভুল করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন-সেটাই তার আত্মশুদ্ধি। সেখানে আঘাত প্রাপ্ত ব্যক্তি ক্ষমা করেছেন কি করেননি-সেটাও বড় কথা হতে পারেনা। কিন্তু কতিপয় ব্লগার শুধু মাত্র ব্যক্তিগত আক্রোশেই বাবুয়াকে অপদস্থ করতেগিয়ে সেই বয়স্ক বয়স্ক মহিলা ব্লগারকে বারবার অপদস্থ্য করে চলছেন। যারা বাবুয়া/জুল্ভার্ণ নিয়ে ব্লগ গড়ম করেন-তাদের এক লাইন লেখার যোগ্যতা নেই। অথচ বাবুয়া/ জুলভার্ণ নিয়মিত ভালো লেখা লিখে ব্লগ সমৃধ করে চলেছেন। যারা বাবুয়া/ জুলভার্ণ' র সমালোচনে করেন-তারা অত্যন্ত কদর্য্য ভাষায় গাল্মন্দ করেন-তাতেই সেইসব তথাকথিত "সু শীল" ব্লগারদের আসল চেহারা উন্মোচিত হয়। কিন্তু বাবুয়া কাউকে আঘাত করে কিছু লিখেন বলে আমি দেখিনি। জানিনা-এই প্যাচাল জোলাদের সুতার নাটাইয়ের মত স্বঘোষিত সু-শীল ব্লগারগন আর কতকাল প্যাচিয়ে যাবেন!
লেখক বলেছেন: যারা গাল মন্দ করেন তাদের অনেক 'গিয়ান', তারা নাকি অনেক 'পাশ' দিছে-তাই কেনা সার্টিফিকেট নিয়ে আমার কাছে ভিখারীর মত ধর্ণা দেন!
চিরসবুজ-মানব বলেছেন:
এখানে টিজিং টা হচ্ছে অচেনা মেয়ে বা মহিলার উদ্দেশ্যে সাধারণত পথে ঘাটে সরাসরি টিজিং যা সামাজিক ব্যাধি। বাবুয়া যাকে তথা যেই নারী ব্লগার কে যা বলেছেন তা মোটেই টিজ নয় বরং লেখনী নিয়ে মতবিরোধ তথা ব্যাক্তিগত দ্বন্দ। একে এই লেখার সাথে মিলানো যাবে না। এখন যেহেতু বাবুয়া ক্ষমা চেয়েছেন তা এই লেখার জন্য জুলভার্ণ ভাই কে অযাথা টিটকারী দেওয়া কাম্য নয়। তারপর যারা এখানে টিটকারী মেরে যাচ্ছেন তারা আসলে ব্যাক্তিগত আক্রোশ বা ক্রোধ মিটাচ্ছেন।
লুকোচুরি বলেছেন:
একটি সুন্দর পোস্টের জন্য জুলভার্ন ভাইকে ধন্যবাদ জানাই। ঘৃনা করি সেই সব ব্লগারদের যারা এই পোস্টে মাইনাস দিয়েছে এবং যারা পুরনো একটা বিষয় নিয়ে বারবার ব্লগের পরিবেশ ঘোলা করছে। কঋপক্ষের কাছে আবেদন-যারা বারবার একই বিষয় নিয়ে ব্লগের পরিবেশ নস্ট করে চলছে-তাদেরকে চিরতরে ব্লগ থেকে বহিস্কার/ ব্যান করা হোক।
মিলটন বলেছেন:
@ ছায়ার আলোব্লগ বয়সের দিক থেকে আপনাকে কিন্তু পুরাতন বলাই যায়। আচ্ছা ধরে নিলাম আপনি এই ঘটনার কিছু জানেন না। আর না জানাও কোন সমস্যা না। আমার মনে হয় ১৬৯ নং কমেন্টে আপনার কিছু প্রশ্নের জবাব আছে। এর পরেও বিস্তারিত জানতে হলে আপনি সেই সময়ের পাতাগুলো আওড়াবেন আশা করি। একটা কথা মনে রাখবেন সেই সময়ে এটা হঠাৎ করে হয়নি। আর আপনাকে জ্ঞান দেবার আমার কোন মানসিকতাও নেই। আর আপনার উল্লেখ করা ২য় প্রশ্নেরও জবাব পেয়ে যাবেন আশা করি। আর জল ঘোলা করার বিষয়টাতো বলছেন? বোধহয় ও স্বভাবটা আমার নেই। ব্লগে আমার প্রায় ৪ বছর হতে চলল। অনেক কিছুই দেখেছি তাকিয়ে তাকিয়ে। ভালো আছি। আপনিও ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ।
সেলটিক সাগর বলেছেন:
একটা লাইন ছাড়া পোস্টে ভালোই আলোচনা করেছেন।
অফটপিক:
কমেন্ট ৯৪:
লেখক বলেছেন: বাবুয়া তার সেই অনাকাংখিত মন্তব্যের দংধনে দংশিত হয়ে যাকে উদ্দেশ্য করে মন্তব্য করেছিল-তাঁর কাছে বাবুয়া ১৪ জন সিনিয়র ব্লগারের সামনে ক্ষমা চেয়েছিল। তিনি উপস্থিত সকলের সামনে ক্ষমা প্রদর্শনও করে মহাণুভবতার পরিচয় দিয়েছিলেন......... নৈতিক অপরাধে অপরাধী ব্যক্তি যদি অনুশোচনা করে ক্ষমা প্রার্থী হয়-তাহলে কে ক্ষমা করলেন কিম্বা ক্ষমা করেননি-সেটা বিবেজ্য বিষয় থাকেনা। ভার্সুয়াল প্লাট ফরমে পোস্ট কে লিখেছে-সেটা কখনো বড় হওয়া উচিত নয় বলেই আমি মনে করি। পোস্টের বিষয়বস্তু বিবেজ্য হওয়া বাঞ্চনীয়। ব্লগে বাবুয়াকে নিয়ে যা কিছু হচ্ছে-তা মাত্র গুটিকতক ব্লগারের নিতান্তই ব্যক্তিগত আক্রোশ বৈ অন্য কিছু নয়।
প্রথম প্যারার বিষয়ে আমার জানা ছিল না। আপনি যদি আন্তরিকভাবে ভূল স্বীকার করে সহব্লগারের কাছে ক্ষমা চেয়ে থাকেন তবে সেটিকে স্বাগতম জানাই। কিন্তু ২য় প্যারা বিষয়ে আমার কৌতুহল হল কখনো কি ভেবে দেখেছেন আপনার ভাষায় "গুটিকতক ব্লগারের নিতান্তই ব্যক্তিগত আক্রোশ" কিভাবে তৈরী হল? এজন্য বাবুয়া নিকের লেখার ভুমিকা ও সাথে আপনাকে সমর্থনকারী কারো কারো দায়িত্ব কি একেবারেই নেই?
আমি দেশে থাকি না - এই অপ্রয়োজনীয় তথ্যটা উল্লেখ করছি এটা পরিস্কার করতে যে, আপনার সাথে, এখানকার ১৪ জন সিনিয়র ব্লগারের (সংখ্যাটা জানানোর জন্য ধন্যবাদ!) বা ভিন্ন মনোভাব পোষনকারী কারো সাথেই (এস্কিমো ভাই ছাড়া) আমার ব্যক্তিগত পরিচয় নাই।
আপনার ৯৪ নম্বর কমেন্টের রিপ্লাই পড়ে স্বাগতম জানানোটা আবার কিন্তুর মুখে পড়ে ৫৩ নম্বর কমেন্টের রিপ্লাই। রাজাকার ছাড়া কাউকে কুকুর বলা বা বাস্টার্ড বলে গালি দেয়াটা কি শালীনতার সীমারেখার মধ্যে পড়ে? যতদূর জানি কুকুররা কিন্তু এইখানে ব্লগিং করে না। মানুষই করে।
কমেন্ট ৫৩: লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। সারমেয়দের যতরকমের বোঝাও, শিখাও, ডাক্তার দেখাও...কোন কাজ হবেনা! ওদের হিস্যু পেলেই এক ঠ্যাং উচু করেই হিস্যু করবে...............ওটা সারমেয়দের জীনগত সমস্যা!
মিলটন বলেছেন:
@ পোড়া মরিচআচ্ছা আচ্ছা, কিন্তু ভাই আমি একটু কাঁচা ফেইসবুকের ব্যাপারে। তাই সচরাচর যাওয়া হয় না। আপনি কাইন্ডলি একটু মুকুল ভাইয়াকে বলেন এখানে এসে আমাকে দালাল বলে যেতে। আর যদি কখনও ফেইসবুকে যাই তবে ওনার মেসেজটা দেখবো। ধন্যবাদ।
ইমদাদ৩০০৯ বলেছেন:
আমার খুব ভালো লাগলো ।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
আপনেরা সবাই হিজাব পইড়া চলাফেরা করবেন, কোন রকম উশৃংখল আচরন করবেন না... কারন এইটা আমাদের ধর্মের বিরুদ্দে যায়। হিজাব পড়েন, ইবটিজিং থেকে বাঁচুন..
জনস্বার্থে হিজবুত।
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
পোড়া মরিচ বলেছেন: মিলটন ভাই, ফেসবুকে দেখলাম আপনাকে বাবুয়ার দালাল বলছে মুকুল নামে একজন ব্লগার ========================
আপনি কে ভাই???
যতটুকু জানা গেল আপনি অনুমতি ছাড়া ১৭৮ নং সহ আরো কিছু মন্তব্যে অন্য কারো কারো আলোচনা তুলে এনেছেন, এটা যদি সামহোয়্যার ইনের হতো তাহলে ভিন্ন কথা ছিল।
কাজটা অনুচিৎ হয়েছে।
চিরসবুজ-মানব বলেছেন:
এই পোড়া মরিচ সম্ভবত আমারব্লগের ইফতেখার মোহাম্মদ। আমারব্লগ হল আওয়ামী-বাকশালীদের আখড়া। হেন খারাপ কথা নেই সেখানে হয় না। আলীগের সমালোচনা মানেই রাজাকার-জামাত এবং ভারতের পদলেহন কে জায়েয করার ফন্দি। বাবুয়া বিষয়টির সমাধান হয়ে যাওয়া সত্ত্বেও খুচিয়ে খুচিয়ে পুরোনো কাসুন্দি অসুস্থতার লক্ষণ। সামু কর্তৃপক্ষে প্রতি অনুরোধ যারা সুষ্ঠ ব্লগীয় পরিবেশ অহেতুক নষ্ট করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যাবস্থা নিন। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সুমন ভাই।
মোহাম্মদ লোমান বলেছেন:
দারুন চমৎকার, সময়োপযোগী এবং শিক্ষিনীয় পোস্ট।পোস্টের সাথে সম্পর্কহীন কিছু কমেন্ট দেখতে পাচ্ছি।
এসব না করলেই ভাল হতো বলে মনে করি।
বিষয়টির সাথে ৩ টি ফ্যক্টর জড়িত। পরিবার, ছেলে-মেয়ে এবং আইন।
পারিবারিক সুশিক্ষা, ছেলে-মেয়েদের মধ্যে আত্নসম্মান বোধ এবং আইনের সঠিক ও কঠোর প্রয়োগই কেবল এ সমস্যা থেকে আমাদেরকে রক্ষা করতে পারে।
সুন্দর ও বাস্তব বিষয়ের উপর লিখার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: খুব সুন্দর গঠন মুলক সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
আমিই জিনিয়া বলেছেন:
ইভটিজিং আমাদের সমাজের মারাত্নক একটি ব্যাধি অথচ দৈনন্দিন ঘটনা।সকলের মনুষ্যত্ব জাগ্রত হোক এই প্রার্থনা করি।লেখাটির জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও।
ইভটিজিং বন্ধ করার জন্য দরকার ছেলে-মেয়ের মধ্যে নির্মল বন্ধুত্বের পরিবেশ। বন্ধুত্বের মাধ্যমে একে অপরকে জানবে। বাড়বে শ্রদ্ধাবোধ, উন্নত হবে মন মানসিকতা। তার জন্য প্রয়োজন তরুণদের নিয়ে কাউন্সেলিং! তাহলে সেদিন বেশি দূরে নয় যেদিন বন্ধ হবে মহিমা, তিথিদের করুণ আর্তি। ছেলে-মেয়ে নির্বিশেষে সবাই হাতে হাত রেখে কাজ করবে দেশের স্বার্থে। বাংলাদেশের নাম জানবে পৃথিবীর সবাই।
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
মারুফের রহমান বলেছেন:
নুশেরা দির উত্তরে--ইয়াসমিনকে পতিতা আখ্যা দেয়ার ভয়ে যদি আমরাও নির্বাক থাকি তাহলে সেই ব্যর্থতা তো আমাদেরই(আমার এই কথার যদি কোন এন্ট্রি লজিক দাড় করান তাহলে আমার আর কিছু বলার নেই)।সেইদিন যদি ইয়াসমিনের কন্ঠে আরো দশটা মেয়ে কন্ঠ মেলাতো তাহলে দৃশ্যপট কিন্তু উল্টেও যেতে পারতো।আমার কথা হলো হুট করে কোন কিছুই থামিয়ে দেয়া সম্ভব না।প্রথমে সমস্যা উপলদ্ধি করতে হবে তারপর আসবে সমাধানের কথা।ইভটিজিং হচ্ছে আমাদের সমস্যা আর এর শিকার হচ্ছে মেয়েরা।তাই এর প্রতিকারো করতে হবে মেয়েদেরকেই এরপর আসবে অন্যান্যদের সাহায্যের কথা।কিন্তু আমারতো মনে হচ্ছে না আমাদের মেয়েরা ইভটিজিংকে কোন সমস্যা মনে করে হয়তোবা তারা এতেই ভালো পায়।যদি সেটাই না হবে সাধারনদের কথা বাদই দিলাম,আমাদের তো হাজার হাজার মেয়ে আছে যারা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে তারা কি এগুলো দেখছনা নাকি এগুলো প্রতিকারের দরকার মনে করে না?
তারা যদি সক্রিয় হয় আর কারো সাহায্যের দরকার আছে বলে তো আমার মনে হচ্ছে না।
দিদি এর প্রেক্ষিতে আরো কিছু কথা বলার ছিলো সময়ের সংক্ষিপ্ততার কারনে পারছিনা।যাই হোক আমি আমার কথা গুলো বললাম -
ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
লালসালু বলেছেন:
কখনও দায়ী তরুণীরাওঃইভটিজিংয়ের জন্য ছেলেরাই দায়ী শতকরা ৯৫ ভাগ। তবে কখনও কখনও মেয়েরাও দায়ী হয়। কিছু কিছু মেয়েদের অশালীন আচরণ ছেলেদের টিজ করতে প্রলুব্ধ করে। মুষ্টিমেয় তরুণীর উচ্ছৃঙ্খল চলাফেরা, অরুচিশীল পোশাক এসবও অনেক সময় ইভটিজিংয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আজকাল অতি আধুনিক কিছু তরুণীর মধ্যে ছেলেদের টিজ করার প্রবণতাও আমি ব্যাক্তিগত ভাবে এই ধানমন্ডি লেকেই দেখেছি। যার কারণে ছেলেরা আরও তিক্ত হয় তাদের উত্তক্ত করে।
আই আনাম বলেছেন:
লেখার মূল বিষয় থেকে যে কই চইলা গেল কমেন্টগুলা কিছুই বোধগমউ হইল না। এই পোস্টে ২৬ টা মাইনাসের মানে কি ২৬ জন চান বাংলাদেশে ইচটিজিং হোক??? সেরকমই তো মনে হচ্ছে।
লেখক বলেছেন: ওরা অনেক বেশী "শিক্ষিত", সার্টিফিকেট নিয়ে ঘোরে-তাই ঘুরতে ঘুরতেই ওদের এনার্জী শেষ-কিকরে পোস্টের মর্মার্থ বুঝবে!
তরুণ সমাজ তরুণীগো লগে বন্ধুত্ব করলেই সব বদলাইয়া যাইবো এইরম বিশ্বাস মনে হয় না প্রথম আলোও করে। আর এইরম নির্বোধের মতোন সমাধানের একটা পোস্টে আমি নিজে প্লাস দিতে আগ্রহী হমু না। সেইটা যদি সত্য সত্যই ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধেও হয়, তাও না। কারণ এইরম পোস্ট বরং ইভটিজিং নির্মূলের সঠিক পথরে বিভ্রান্তিতে ডুবানের প্রয়াসেই থাকে।
পুরুষতান্ত্রিক একটা সমাজে পুরুষের নিয়ন্ত্রণেই রুচী সমগ্র নির্ধারিত হয়। এইসব রুচী যদি একজন নারীরে অধঃস্তনও করে তবুও তার সেই নীতি পাল্টানের কোন ক্ষমতা নাই। যদি ইভটিজিং সমাজ থেইকা দূর করতে হয় তাইলে এই সমাজরে পুরুষবাদী নিয়ন্ত্রণমূক্ত করতে হইবো ...সেইটা যদ্দিন সম্ভব হইবো না তদ্দিন ইভটিজিংরে প্রতিরোধ করাও সম্ভব না।
এইবার আসি পোস্টের কথায়,
এই পোস্টটারে আমার অসাধারণ কোন পোস্ট মনে হয় নাই...এই পোস্ট ব্লগের মাথায় ঝুলাইয়া দিয়া বাঙালীরে ইভটিজিং করন থেইকা নিবৃত্ত করন যাইবো সেইরম যোগ্যতা সম্পন্ন পোস্টও এইটারে মনে হয় নাই। বড়জোর দৈনিক পত্রিকার নারী পাতায় সপ্তাহে সপ্তাহে ছাপা কাঁচা হাতের রচনাই মনে হইছে। হয়তো লিখকের সদুদ্দেশ্যও কাজ করছে এই লিখনীতে...কিন্তু সেই লিখনীর পুরা বিষয়টাই আমার কাছে হালকা হইয়া যায় যখন লিখক উচ্ছৃংখল তরুণী আর অরুচীশীল পোষাক পরিহিত তরুণীগো টিজ করনরে জায়েজ কইরা দ্যান। লিখক নিজের কোন রুচীবোধে তরুণীগো উচ্ছৃঙ্খলা কিম্বা অরুচীর পোষাক নির্ধারণ করেন সেইটা আমার কাছে এখনো স্পষ্ট হয় নাই, কিন্তু আমি একজন পুরুষরে দেখি যিনি হয়তো আসলেই ইভটিজিং মূক্ত সমাজ প্রত্যাশা করেন...অথচ নিজেও স্বগতঃ স্বরে টিজিং করেন সেইসব তরুণীগো...অথবা মজলিশি আড্ডায় অরুচীর পোষাক পরা নারী দেহ নিয়া রসালো গল্প করনের সম্ভাবনা রাখেন। যেইসব কোন তরুণীর কর্ণপটহে পৌছায় না বিধায় সেইসব তরুণীরা আজো আত্মহত্যা করেন নাই...আত্মহত্যারে অনেক বৃহৎ, প্রায়শঃ মহৎ করা হইছে পোস্টে...
পুরুষ নিয়ন্ত্রিত একটা সমাজ থেইকা আর বেশি কি আমরা প্রত্যাশা করবার পারি...করবার চাই! কমেন্ট করলাম হুদাই...পুরুষতো কেবল প্রশস্তিই ভালোবাসে...
লেখক বলেছেন: আপনার মত অনেক ভালো লেখার যোগ্যতা আমার নেই। অযোগ্যতা দোষের নয়-আমি আমার সাধ্যমত চেস্টা করেছি।
পোস্টের বিশয়বস্তুর গঠন্মুলক সমালোচনা করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন:
মাইনাসগুলান দিতেছে কারা..
রাহিদুল সামান্না রকি বলেছেন:
ভাই আপনে নাকি গতকাল আড্ডায় ছিলেন? আমার টেহাডা পাওনের একটা ব্যবস্থা কইরা দেন। মনসুর, ক্যামেরাম্যান, রাতমজুরের কাম আমার কাছে ইভটিজিং মনে হইতাছে। @ আড্ডার আয়োজক মনসুর, ক্যামেরাম্যান, রাতমজুর আমার টাকা ফেরত দেন
এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী
মারুফের রহমান বলেছেন:
জুলভার্ন সাহেব ---আমার কমেন্টস গুলো রিপিট হওয়ার ব্যাপারে আমি অনুগত নয়।অতিরিক্ত কমেন্টস গুলো মুছে ফেললে ভালো লাগবে।
লেখক বলেছেন: আপনার কথা মত বাড়তি মন্তব্যগুলো মুছে ফেলা হল।
কিউরিয়াস বলেছেন:
জামাল ভাস্করের ১৯৮ নং মন্তব্যের সাথে কঠিনভাবে সহমত, প্রতিটা কথার সাথেই।
আলামিনস্টাইন বলেছেন:
ইভটিজিং যে কতটা খারাপ তা সবাই জানে। আমাদের প্রতিভাবান তরুন সমাজ এই কাজে তাদের অনেক মূল্যবান সময় নষ্ট করে। আমাদের এই সমাজকে অপ্রয়োজনীয় কাজ করা থেকে বিরত রাখার দায়িত্ব কিন্তু আমাদেরই।
লাইলী আরজুমান খানম লায়লা বলেছেন:
লেখাটা পড়ে ভীষন ভাল লেগেছে। আমরা টাঙ্গাইল এর ৯টি ইউনিয়নে ইভ টিজিং বন্ধের জন্য কাজ করেছি।দেখা গিয়েছে এতে ভাল ফলাফল পাওয়া গিয়েছে। কারণ প্রশাসন এতে ব্যাপক সারা দিয়েছে। তারা কলেজ গেইট, রাস্তার মোর, চা দোকানসহ বিভিন্ন স্থানে যেখানে এসব ছেলেরা আড্ডা দেয় আর ইভ টিজিং করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নিয়েছে এবং পেরেন্টসদের বলেছে ছেলে কি করে তার খোঁজ নিতে, মোবাইল সম্পর্কে সতর্কতা, টিভিতে এ্যাড ইত্যাদির মাধ্যমে এটা অনেকটাই কমেছে। এডোলেসেন্ট গন প্রশাসনের সাথে বসে ডায়ালগ করেছিল ---তাদের সমস্যাগুলি তুলে ধরেছিল----আমি বলতে চাচ্ছি প্রশাসন যদি কার্যকর ভূমিকা পালন করে এবং বাবা মা,স্কুল কলেজের শিক্ষক, প্রতিবেশি যদি ভূমিকা পালন করে তাহলে এই অভিশাপ থেকে অবশ্যই মুক্তিলাভ করা যাবে যেটা টাঙ্গাইলের ৯টি ইউনিয়ন করে দেখিয়েছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
অগ্রজ বলেছেন:
ইভটিজিং একটা অভিশাপ। এর বিরুদ্ধে অনেক কথা বলা হল , অনেক লেখা হল ,অনেক ব্লগ পোস্ট করা হয়েছে , অনেক কলাম পত্রিকায় কলাম প্রকাশিত হয়েছে এবং হচ্ছে। অনেক সিম্পোজিয়াম, সেমিনার, প্রতিবাদ সভা সমাবেশ হয়েছে হচ্ছে এবং ভবিৎষতেও হবে। এরপরও তা থেমে নেই। অব্যাহত গতিতে তা চলছে। প্রকৃত অর্থে ইভটিজিং এই ঘৃন্য অভিশাপ টি বন্ধ করার কী কো্ন কার্যকরী উপায় নেই? আইন প্রয়োগ করে কি সম্ভব? হয়তো অনেকে বলবেন সম্ভব। কিন্তু এই জন্য হয়তো অনেক আইন আছে তাতেও কাজ হচ্ছেন। কেউ বলবেন আইনের প্রয়োগ নেই। অর্থাৎ কাজীর গরুর মতো - কাগজে আছে গোয়ালে নেই। এরপরও প্রশ্ন থাকে এই ব্যাপারে অনেক ব্লগার ভাইবোন মন্তব্য করেছেন-নারীদের প্রতি পুরুষের নেতিবাচক মনোভাব অনেকাংশে দায়ী। অর্থাৎ পুরুষের মধ্যে নারীদেরকে শুধুমাত্র জৈবিক দৃষ্টিকোন থেকে পর্যবেক্ষণ করার প্রবানতা বেশি। এখন সম্মানিত ব্লগারবৃন্দ একটু নিরপেক্ষ ভাবে বলুন পুরুষের মধ্যে এই যে নারীর প্রতি যে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি রক্ষা করার জন্য কী আইন প্রণয়ন করার দরকার । পুরুষের এই নেতিবাচক মানসিকতা দূর করার কোন আইন কি প্রণয়ন করা আদৌ সম্ভব? আর একজন পুরুষ তরূনীর প্রতি জৈবিক দৃষ্টিকোন না সহানুভূতিশীল দৃষ্টিকোন থেকে তাকাচ্ছে তা বিচার কোন মানদন্ড কি আবিষ্কৃত হয়েছে? না, হয়নি। হওয়া সম্ভবও নয়। এইজন্য অনেকে বলেছেন পুরুষের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তিত হওয়া দরকার । যথার্থই বলেছেন্। এর কোন বিকল্প নেই। পুরুষের মধ্যে যদি বিবেকবোধ জাগ্রত না হয় তাহলে ভয়াবহ শাস্তিমূলক কোন আইন রচনা করেও ইভটিজিং বন্ধ করা সম্ভব না। তাকে চিন্তা করা উচিত তার নিজেরও মা বোন আছে। তিনি কি কখন চাইবেন তা বোন টিজড্ হোক? কখনই না। তাহলে যাকে টিজ করা হচ্ছে সেও তো কারো না কারো বোন। এই জন্য সর্ব প্রথম পুরুষের মানসিকতার পরিবর্তন অতি জরুরী। বলা যাই মূখ্য বিষয়। এখন আসি একটি ভিন্ন প্রসঙ্গে যেটা নিয়ে অনেক বিতর্ক থাকতে পারে। আমর সাথে দ্বিমত করতে পারেন। কোনসমস্যা নেই। তবুও আমার মতামত বলব। বিষয় টা হলো এই ইভটিজিং বন্ধে মেয়েদের অর্থাৎ যিনি এর শিকার তার কোন দায়দায়িত্ব আছে কিনা ? অনেকে বলবেন অবশ্যই আছে। প্রশ্ন হল কিভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করবেন? প্রতিরোধ গড়ে, মিছিল করে , প্রেস ক্লাবের সামনে মানব বন্ধন করে........ইত্যাদি ইত্যাদি। অবশ্যই এইগুলো করতে কোন বাধা নেই। এখন বাস্তবে দেখুন এই সব পদ্ধতির ফলাফল কতটুকু ইফেকটিভ হয়েছে?ইভটিজিং বন্ধে কতটুটু সফল হয়েছে? আমার মনে হয় এই সকল পদ্ধতি কার্যকর কোনদিন হবেনা। কারণ ইভটিজিং কেন হচ্ছে তা নির্ণয়ে আমাদের গলদ আছে। রোগ যথাযথভাবে আমরা নির্ণয় করতে পারিনি। আবার রোগের ঔষধ নিবার্চনে রয়েছে মারাত্মক ভুল। ঔষধ প্রয়োগের ক্ষেত্রে আরো মারাত্মক ভুল পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়। আমাদের সমাজ কাঠামো শিক্ষা সংস্কৃতি মূল্যবোধ শিল্প সাহিত্য সবকিছুতেই গলদ রয়েছে। উচ্চশিক্ষার প্রথম অধ্যায় কলেজ জীবনে আমাদের বাংলা বিষয়ে পড়ান শকুন্তলা সেখানে শকুন্তলার জন্ম কিভাবে আমরা সবাই জানি। আমাদের মিডিয়া জগৎ নারীর প্রতি যে আচরণ করে থাকে তাকে কি আমরা কম দায়ী মনে করব? 'হেলো মেয়ে শোন..............' বিজ্ঞাপন ,'চুমকি চলেছে একা পথে' ইত্যাদি গানগুলো কি নারী প্রতি জৈবিক দৃষ্টিকোনকে উস্কে দিচ্ছে না? এই সাথে আমাদের তরুণী-যুবতী সমাজ কোন অংশে কি দায়ী নয়? পুরুষের মধ্যে আছে সপ্তরিপু। তার মধ্যে জৈবিকতা অন্যতম। মেয়েরা যদি পোশাক আশাকে বেপরোয়া হয় , উগ্র হয়। টাইট জিন্স, টি শার্ট পরে ভারতের হিরোইন সাজার মিথ্যা চেষ্টা করে এবং কোন যুবকের পাশ দিয়ে গমন করার সময় যদি ঐ যুবকটি দয়া করে তার দিকে না তাকান তাহলে তাকে মানুষ না বলে ফেরেশতাই বলতে হবে। কারণ ফেরেশতাদের কোন রিপু নাই। কথাগুলো অস্বাভাবিক মনে হতে পারে। "বেপরোয়া" :"উগ্র" পোশাকের সংজ্ঞায়ন নিয়ে আপনাদের দ্বিমত থাকতে পারে। কিন্তু এটাই চরম সত্য কথা। ইভটিজিং থেকে তরুরীনা নিজেদের কে রক্ষা করতে হলে তাদের ই সর্বপ্রথম এগিয়ে আসতে হবে। পোশাক আশাকে মার্জিত রুচিশীল হতে হবে। তা না হলে বিশ্বাস করুন পৃথিবী ধ্বংসের আগ পর্যন্ত চিৎকার করলেও ইভটিজিং বন্ধ হবেনা। শতভাগ নিশ্চিত হয়ে বলছি। মেয়েরা যতবেশি স্বেচ্ছায় "অপরুপা": "চোখ ফেরানো যায়না": ইত্যাদি বিশষণে বিশেষায়িত হওয়ার জন্য " কোথায় তুমি আজকের সুপান স্টার"-এ ছুটবে ততবেশি তাদের ইভটিজিং এর শিকার হবে। এতে কোন সন্দেহ নেই। সর্বশেষ আবার পুরুষদের আগের কথা স্মরণ করিয়ে দিতে চাই আপনাদের মানসিকতার পরিবর্তন ছাড়া পোশাক আশাকে মার্জিত হওয়ার পরও তরুনীরা ইভটিজিং থেকে রক্ষা পেতে পারেনা। এই জন্য যিনি পুরুষদের সৃষ্টি করেছেন তিনিই পুরুষদের মনের অবস্থা ভালো করেই জানেন- এই কারণেই প্রথমেই পুরুষ দৃষ্টিকে সংযত করার আদেশ দিয়ে আয়াত নাযিল করেছেন-"মু'মিনদিগকে বল তাহারা যেন তাহাদের দৃষ্টিকে সংযত করে এবং তাহাদের লজ্জাস্থানের হিফাযত করে ইহাই তাহাদের জন্য উত্তম। উহারা যাহা করে নিশ্চয় আল্লাহ সে বিষয়ে সম্যক অবগত।"( আননূরঃ৩০)
এরপর নারীদের উদ্দেশ্যে বলেছেন-
"আর মু'মিন নারীদিগনকে বল , তাহারা যেন তাহাদের দৃষ্টিকে সংযত করে ও তাহাদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করে: তাহারা যেন যাহা সাধারণত প্রকাশ থাকে তাহা ব্যাতিত তাহাদের আভরণ প্রদর্শন না করে, তাহাদের গ্রীবাও বক্ষদেশ যেন মাধার কাপড় দ্বারা আবৃত করে........... "আননূরঃ৩১ আলকুরআন ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ কতৃক প্রকাশিত।
লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
ঈশান৭২৮৫ বলেছেন:
ভালো লাগল, আপনার লেখাটি পড়ে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
হোমিওপ্যাথ বলেছেন:
ভীষণ ভালো লেখা। ক্ষমা করবেন।
অন্য বিষয়ে একটু সহযোগিতা প্রয়োজন। যদি সম্ভব হয় :
জানুয়ারি '০৯ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর '০৯ পর্যন্ত খুন, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, ক্রসফায়ার এবং ইভটিজিং (প্রচার মাধ্যমে যা এসেছে) কতগুলো ঘটনা ঘটেছে তার তথ্য প্রয়োজন।
ওয়েব লিঙ্ক বা প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা/ ফোন নম্বর হলেও চলবে।
একটি থিয়েটার স্কুলের পথ নাটকের জন্য একটু গ্রহণযোগ্য তথ্য প্রয়োজন। আমাদের নাটকে ইভ্ টিজিং-এর একটি ঘটনাও থাকবে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া।
দুঃখিত বিষয়গুলো আমার জানা নেই।
এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন:
পোস্ট টি স্টিকি করার জন্য সামু কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ। আর জুল ভার্নকে অভিনন্দন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কামাল ভাই।
জয়নুল হক বলেছেন:
ইভটিজিং যে কতটা খারাপ তা সবাই জানে না ।
দারুচিনি বলেছেন:
জুল ভার্নকে অভিনন্দন।
লেখক বলেছেন: আমার উঠোনে সু-স্বাগতম ভাইয়া।
বিপ্লব রহমান বলেছেন:
১। লেখাটি খুব ভালো। এর মূল বক্তব্যের সঙ্গে একমত। ২। তবে ৫ ভাগ নারীর উগ্র পোশাক-আশাকের কারণে ইভটিজিং এর দায়ভার ছেলেদের ওপর চাপিয়ে দেওয়াটা একটু হাস্যকর লেগেছে।...
৩। চিন্তাশীল লেখার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সবাক বলেছেন:
এই পোস্টে এসে অনেককে দেখি টপিকসের বাইরে কথা বলতে। আর এক ব্লগারকে দেখছি পাবলিসিটি করে যাচ্ছে আমাকে। ভালোই লাগে এসব দেখতে।
বাবুয়া চরম অন্যায় করছে এটাই শুনি। কিন্তু এখন বাবুয়াকে কি করতে হইবো সেটা শুনি না। যার সাথে দোষ করেছে হিসাব তার সাথেই হবে। এখানের কেউই বাবুয়া বা নাজনীন খলিলের মা বাপ না। আবার ব্লগ কোন সালিশী বৈঠকও না।
আমার সাথে বাবুয়া ভাই'র সাথে ব্যক্তিগত সম্পর্ক আছে। আবার নাজনীন আপুর সাথেও আছে। এবং সম্পর্কগুলো অবশ্যই আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। "ডিজিটাল দুষ্টু ছেলে" নামের এক ব্লগার এখন আমার ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে হয়রানি করে যাচ্ছে। কারো ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করাটা যদি তার অভ্যাসে পরিণত হয়, তবে দেখা যাবে ক'দিন পর তার বাবাকে গিয়ে বলবে "চুতমারানীর পোলা তুই আমার মায়ের লগে ঘুমাস ক্যান?"
আমার সাথে কারো সাথে ব্যক্তিগত লাইফে কি হইবো না হইবো- তা নিয়ে ওই ব্লগারের এতো মাথা ব্যথা কেন? খুবই বিনোদিত হই যখন দেখি সে আমাকে থ্রেট করে।
যেসব ব্লগার কানের ভেতর মুলা ঢুকিয়ে বসে আছে তাদেরকে কিছু বলেও লাভ নাই। সাজি আপুর বাসায় দাওয়াতে মিলিত হয়ে বাবুয়া ভাই নাজনীন আপুর কাছে অপরাধ স্বীকার করে ক্ষমা চান। নাজনীন আপুও স্বভাবগুনে ক্ষমা করেন। বাবুয়া ভাইও দোষ করে ক্ষমা চাওয়ার মতো মনমানসিকতা রাখে আবার নাজনীন আপুও ক্ষমা করার মতো মহত্ব রাখে। ওখানে কে উপস্থিত ছিলো না ছিলো সেটা মূখ্য না।
কেউ কেউ বলে আমাদের কাউকে কিছু জিজ্ঞাসা না করে নাজনীন আপু কেন বাবুয়াকে ক্ষমা করলো? এমন উদ্ভট প্রশ্ন'র কোন মানে হয় না। এখানে কেউই নাজনীন আপু বা বাবুয়ার অভিবাক নয়। এটা কেবলই ব্যক্তিগত রেশারেশি। রোজগার করার জন্য কর্ম করা, হাগা মুতা, খাওনের পাশাপাশি ব্লগে বাবুয়াকে গাইল দেয়াও কিছু ব্লগারের নিত্যকর্ম এবং অবশ্যই করণীয়।
কিছু ব্লগারের ব্যান হওয়নের দায়ভার নাজনীন আপুর কাঁধে চাইপা দেয়। কেউ কেউ আবার নাকি কান্না কান্দে- আমার কারণে নাকি কোন কোন বাঘা ব্লগার নাকি ধর্ষনের স্বীকার হইছে।
অনেক ব্লগারকে দেখা যায় স্ববিরোধী কাজ করতে। কোথাও লজিক্যালি আগায় আর কোথাও ঠিয়া কথা চালায়। কেউ কেউ আবার একটি নির্দিষ্ট বলয়ের আস্থাভাজনে থাকাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে। সেটা তার বিষে সে করবে। কিন্তু তার বিষ যখন অপরের গায়ের উপ্রে পড়ে তখনই সমস্যা।
ডিজিটাল দুষ্ট ছেলে'র ভাবখানা এমন যে, আমি প্রেমিকার কোন গালে চুমু খাবো- সেটাও তাদেরকে জানিয়ে করতে হবে। এক একটা ব্লগ বিবেকের কর্মকান্ড দেইখ্যা হাসমু না কাঁদমু.. সেইটাই ভাবতে পারি না।
নুরুন্নবী হাছিব বলেছেন:
হুমমম...ভালো লাগলো...তবে এসব ক্ষেত্রে সচেতনতার বিকল্প কিছু নেই..
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মিঃ নুরুন্নবী হাছিব।
জড়তা বলেছেন:
একজন বিতর্কিত ব্লগারের পোস্ট স্টিকি করিয়ে সামহয়্যার কর্তৃপক্ষ বুঝিয়ে দিলো তারা আসলে কতটা স্থুল।
জ্বীন বলেছেন:
পোস্ট টি স্টিকি করার জন্য সামু কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ। এতে কি কারো কারো গা জ্বালা ধরলো ? নোংরা মানসিকতা ত্যাগ করা যায় না?
যেমন আমার নিজের লেখার ক্ষমতা নাই । তাই শুধু পড়ি । এমনকি পারসনালি বলতে গেলে কোনো ব্লগারকে চিনিও না !!
তাই বলে যারা লেখে তাদের বিরুদ্ধে "নোংরামির দল " বানিয়ে
কমেন্ট করবো? এ কোন অসুস্থ মানসিকতা ?
কমেন্ট ২১৪, @ সবাক বলেছেন, "কেউ কেউ বলে আমাদের কাউকে কিছু জিজ্ঞাসা না করে নাজনীন আপু কেন বাবুয়াকে ক্ষমা করলো? এমন উদ্ভট প্রশ্ন'র কোন মানে হয় না। "- আসলেই এই দলের কষ্টের শেষ নাই ।
এরা ঠিকি জানে, জনাব বাবুয়া ও নাজনীন ম্যাডামের বিষয়টি সলভ
হয়ে গেছে ।(কমেন্ট ২১৪, @ সবাক)
তারপর - ও
যারে দেখতে না'রি , তার চরণ বাঁকা !!
রিয়াজুল ইস্লাম বলেছেন:
জুলভার্ন আপনি খুব শক্ত মনের অধিকারি আমি বুঝতে পারি, তাও শুধু এতটুকু বলব, কতগুলো মাইনাস পেলেন সেটা নিয়ে কখনও হিসেব করবেন না।শুধু দেখুন মুক্তমন বলতে কে কি বুঝে!!
লেখক বলেছেন: প্রিয় রিয়াজুল, কুকুরের কাজ কুকুর করেছে...............
যারা ভাল মানুষী করতে গিয়ে অশ্লীলতা আর নোংড়ামী করেছে-তাদের আপনারা সবাই চিনেছেন।
আমি ভদ্রতা বজায় রাখতে পেরেছি-এটাই আমার সেটিস্ফেকশান!
রয়েল বেঙ্গল টাইগার বলেছেন:
এই পোস্টের নেতিবাচক মন্তব্যগুলো যদি লেখক না মুছেন, তাহলে মডারেটরদের বলব- এই পোস্টটি আর স্টিকি হিসেবে থাকার অধিকার রাখে না।যে উদ্দেশ্যে পোস্টটি দেয়া হয়েছিল, সে উদ্দেশ্যে এখন আর ব্লগাররা নিচ্ছে না।
অন্তিম বলেছেন:
চমৎকার একটি পোস্ট..........।এরকম লিখাই-তো দরকার..........।
মন্তব্যগুলো এখনও পড়া হয়নি........।
ভাল থাকুন ভাইয়া।
দণ্ডিত পুরুষ বলেছেন:
আমার কমেন্টটা মুছে দিলেন!!! আমি জাস্ট ঐ শ্লাদের একটু খুলছিলাম। যাউক বাদ দিলাম।
লেখক বলেছেন: আমি কোন কমেন্ট মুছে দেইনি-মডারেশন কর্তিপক্ষ মুছে দিয়ে থাকবে হয়ত।
রোহান বলেছেন:
@লুকোচুরী: আপনার কোন কমেন্টের কোন লাইন পড়ে মনে হলো যে একজন নারীর নারীত্বকে আপনার চেক করে দেখা দরকার? ফ্রীক লোকজনে দেশ, ব্লগ ভরে যাচ্ছে....
অপু ফিরোজ বলেছেন:
ভাল লিখেছেন।ধন্যবাদ।
বিডি আইডল বলেছেন:
এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । [/siঅনেক গুরুত্বপূর্ণ পোষ্ট....সবারই সচেতনতা দরকার...
ইভটিজিং এর পোষ্টে অনেকেই দেখছি ব্লগটিজিং নিয়ে আসছে...এটা অনূচিত...
লেখক বলেছেন: আমি কোন কমেন্ট মুছে দেইনি-মডারেশন কর্তিপক্ষ মুছে দিয়ে থাকবে হয়ত।
রাজসোহান বলেছেন:
হুম!
বর্তমানে এটা একটি ব্যাধির মত সমাজের সর্বস্তরে ঢুকে গেছে। যার সমুলে বিনাশ না করলে এক অসভ্য বর্বর যুগের সুত্রপাত হবে বলেই আমার ধারণা।
+
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ জুন, এক বছর পুর্বে ইভটিজিং বিষয়ে আমার পোস্ট পড়ে এপ্রেশিয়েট করার জন্য।
আপনার মন্তব্যের সাথে সম্পুর্ণ সহমত।
শুভ কামনা।
মনে নাই বলেছেন:
আমরা দাত থাকতে দাতের মর্যাদা বুঝিনা, আপনি যখন পোষ্ট টি লিখেছেন তখন যদি সরকার বিষয়টা নিয়ে চিন্তা করতো-তাহলে আজ আর মহামারি আকারে এই সমস্যা দেখা যেত না।
লেখক বলেছেন: আসলে আমি, আপনি তথা আমজনতার কথা কর্তিপক্ষ গুরুত্ব দেবেন-তেমন আশা করাই বাতুলতা। আপনাদের মতই অনেকেই পোস্ট পড়ে কেউ অভিনন্দন জানিয়েছেন, কেউ নিন্দা জানিয়েছেন-ঐটুকুই একজন লেখকের স্বার্থকতা।
সকলকেই ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




























