আমার প্রিয় পোস্ট
- কম সময়ে একসাথে আপলোড করে ব্লগে অনেক অনেক ছবি দেওয়ার অনেকগুলো উপায় (নতুনদের জন্য) - সাইফুলহাসানসিপাত
- বাংলা ব্লগের বিভাজন রেখা : কর্পোরেট বনাম ইনডিপেন্ডেন্ট ব্লগ - মাহবুব মোর্শেদ
- একদিন, দেখে নিও! - সুলতানা শিরীন সাজি
- ব্যাবিলনের শুন্যোদ্যান ( Hanging Garden of Babylon) - বীরেনদ্র
- ব্লগ রাজনীতি ও ব্লগের রাজনীতি - একরামুল হক শামীম
- বেগম আখতার গানের জগতের সম্রাজ্ঞী। - সুরঞ্জনা
- জেগে ওঠো মানুষ, বেঁচে উঠুক তিতাস - অন্যমনস্ক শরৎ
- সামুর বেশকিছু টেকি , টিপস এন্ড ট্রিকস এবং দরকারি পোস্টের সংকলন

- রবিন মিলফোর্ড
- ফিরে দেখা ২০১১ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগে যা কিছু আলোচিত-সমালোচিত... - ফিউশন ফাইভ
- আমার ছানা পাখীর লেখা গল্প " মুক্তিযোদ্ধার গল্প" পড়ে আমি নিজেই মুগ্ধ - মেহবুবা
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র : জনপ্রিয় কিছু অনুষ্ঠান ও তাদের নেপথ্যের কুশলীরা - দস্যু রত্নাকর
- ১৯৭১ , জেড ফোর্সের মুক্তিযুদ্ধ : জিয়া-শাফায়াত-মইন-আমিনুলদের যুদ্ধ দিনের গল্প জানুন ছবি আর বর্ননায়........ - দাসত্ব
- স্মৃতির পাতা থেকে........ - নাআমি
- খনা : এক ক্ষণজন্মা কিংবদন্তীর দুঃখগাথা - ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন
- ক্যাট স্টিভেন্স থেকে ইউসুফ ইসলাম - অসম্ভব জনপ্রিয় এক নওমুসলিমের ইতিকথা - কবির চৌধুরী
- ব্যাক্তি নিরাপত্তা ও আমরা কি করবো। - জুন
- জেনে নিন আপনি সামহোয়্যারের কত নাম্বার ব্লগার {(যারা জানেনা তাদের জন্য) সম্পূর্ণ আজাইড়া পোস্ট} - অণুজীব
- দেখা হবে আবার, এই সামহয়্যারইন, এই মায়াবীবৃক্ষের তলায় - সুনীল সমুদ্র
- সকল ব্লগারের নামের লিস্ট ও লিংক এক জায়গায় জড়ো করা হচ্ছে, আপনারা সহযোগীতা করুন - বহুরূপী মহাজন
- ·٠•●♥♫♫♫ "লালন" - পোস্ট সংকলন ♫♫♫·•●♥ ·٠ - কবির চৌধুরী
- সোনারগাঁও হোটেলের সোনালী স্মৃতি - চার্ত্রুজ-বী
- সোনারগাঁও হোটেলের সোনালী স্মৃতি .... ২য় খন্ড - চার্ত্রুজ-বী
- শব্দ কল্প দ্রুম -৩ - বোকা ছেলে
- আজম খানকে নৈবেদ্য - তাঁর কীর্তি সমগ্র - কবির চৌধুরী
- আঁধারপ্রেমী - অনিক
- ২০০ বছরের পরাধীনতা এবং আমাদের তথাকথিত ওয়ার সিমেট্রী: পর্ব - ১ - মিলটন
- ডঃ ইউনুস ও আমার দেখা একটি সিনেমার কাহীনি - মুরশীদ
- মাতৃভাষা আন্দোলনের সেই সব সূর্যসন্তানেরা...... - রেজোওয়ানা
- - হৃদয়ের কথা-নির্মম বাস্তবতা আর রূপকথা - মানবী
ছেলেরা কেন পালিয়ে যায়ঃ
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৫৯
ছেলেরা কেন পালিয়ে যায়ঃ
আমার ১১ বছর বয়সের মধ্যে আমি বাড়ি থেকে ৪ বার পালিয়েছিলাম। যার শুরু করেছিলাম মাত্র ৮ বছর বয়সে। আমার বাড়ি পালানোর বিষয় নিয়ে এখনো আমার পরিচিত জনেরা অনেক সময় রসালো মন্তব্য করেন-যা আমাকে এক বিমর্ষ নস্টালজিকতায় আক্রান্ত করে। যে বাড়ি পালায়-সেই জানে কী কারনে বাড়ি পালায়! বাড়ি পালানো বিষয়ে আমার ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে লিখছিঃ-
সাধারণত ছেলে বাচ্চাদের মধ্যে বাড়ি থেকে পালানোর প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। এ পালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারটা অনেক সময় ঝোঁকের মাথায় আবার অনেক সময় বেশ পরিকল্পনা করেই ঘটে। পালানোর বিষয়ের পিছনে কখনো থাকে এডভাঞ্চার আবার কখনো থাকে এক নিদারুণ অস্ফুট কস্ট! যার বেলায় যেটা প্রজোয্য। ছেলেটি পালিযে কখনো কোন আত্মীয়ের বাসায় চলে যেতে পারে, কখনো কোন বন্ধুর বাসায়, কখনো স্বল্প পরিচিত কারো কাছে আবার কখনো কোন একেবারে অপরিচিত স্থানে-তা হতে পারে লঞ্চ ঘাট, কাকরাইল মসজিদ কিম্বা ট্রেন স্টেশনের ছিন্নমুলদের কাতারে! পালিয়ে নতুন আশ্রয় স্থলে যাওয়ার মোটামুটি এক সপ্তার মধ্যেই ছেলে বুঝতে পারে যে বাবা মার আদর আর টাকা পয়সার সাহায্য ছাড়া তার পক্ষে চলা সম্ভব নয়। তখনই সে আবার বাড়ি ফিরতে ব্যস্ত হয়ে ওঠে- নিজেই বাড়ি ফিরে আসে বা বাবা মাকে তার অবস্থান সম্পর্কে জানিয়ে ফিরিয়ে নিতে অনুরোধ করে। কিন্তু কেউ কেউ আমার মত "জীবনে আর বাড়ি নাফেরার" ধনুর্ভংগ পন করে-তারপরও ফিরে আসতে বাধ্য হয়!
ছেলে কেন বাসা থেকে পালায়?
সাধারণতঃ বাড়িতে নুন্যতম সহানুভুতি না পেলে কিম্বা কোন দ্বন্দ্বের সুস্থ সমাধান না করতে পারলে সেই দ্বন্দ্বের হাত থেকে বাঁচার জন্য এরা বাড়ি থেকে পালায়। এদের আবেগ অপরিপক্ক। যুক্তি বুদ্ধি অপরিণত। ফলে কোন সমস্যাকে সুস্থভাবে মোকাবেলা না করে তারা সমস্যার হাত থেকে বাঁচার জন্য পালিয়ে বেড়ায়। বাড়ি থেকে পালানোর ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো সব চাইতে বেশী কাজ করে সেগুলো হচ্ছেঃ
০বেশীর ভাগ ছেলেরা পালায় সৎ মায়ের অত্যাচার কিম্বা আরো কিছু কঠিন পারিবারিক আবহের কারনে।
০ বাবা মার মধ্যে সর্বক্ষণ ঝগড়াঝাটি। এটা বাচ্চার মনের নিরাপত্তা বোধকে ব্যাহত করে।
০ "কেউ আমাকে ভালবাসে না"- এ ধরনের বোধ থেকে।
০ সহোদরদের মধ্যে হিংসা বা পরিবারে নতুন সন্তানের আগমনের কারণে অন্য সন্তানের প্রতি মনোযোগ কমে গেলে।
০ কোন অপরাধের কারণে শারীরিক শাস্তি পাওয়ার ভয়।
০ কোন অপরাধের কারণে পরিবার থেকে আদর স্নেহ ভালবাসা হারানোর ভয়।
০ পরীক্ষায় ফেল বা খারাপ রেজাল্ট করা।
০ বন্ধুর বিপদে সাহায্য করার জন্য।
পালানোর প্রবণতা রোধে করণীয়ঃ
ছেলের বাড়ি পালানো রোধে আপনার কিছু করণীয় আছে। প্রথম করণীয় হচ্ছে নিজেকে সংযত করা, রেগে না যাওয়া এবং সহজ থাকা। আর যেসব করণীয় আছে সেসব হচ্ছে-
০ আপনাকে বুঝতে হবে যে ছেলেটি বুদ্ধি অপরিণত এবং ওর মধ্যে ঝোঁকের মাথায় কাজ করার প্রবণতা আছে। ঝোঁকের মাথায় কাজ করার প্রবণতা ওর ইচ্ছাকৃত নয়।
০ ফিরে আসার পর ছেলেকে বকাঝকা করবেন না বা মারধর করবেন না। ওর সাথে ভাল সম্পর্ক আছে এমন কাউকে ওর সাথে আলাপ করতে দিন। ছেলেকে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা সম্পর্কে ওর নিজের অনুভূতি ও অপরাধবোধ প্রকাশ করার সুযোগ দিন।
০ তাকে বুঝতে দিন যে সে যা করেছে তা ভুল না কিন্তু সাহসী ছেলেরা এটা করে না। সাহসী ছেলেরা ঘরের সমস্যা ঘরে থেকেই সমাধান করে। সমস্যার কারণে ঘর ছেড়ে যাওয়াটা পলায়নপর মনোবৃত্তির লক্ষণ- এটা দুর্বলচিত্তের লক্ষণ। দুর্বলচিত্ততা ওকে মানায় না। কারণ ও বুদ্ধিমান ও সাহসী।
০ সমস্যা সমাধানের বাস্তব পথ জানা সম্পর্কে ছেলেকে ধারণা দিন। ভবিষ্যতে এ ধরনের সমস্যা দেখা দিলে না পালিয়ে কিভাবে তার সমাধান করবে সে সম্পর্কে বলুন।
০ আপনার আন্তরিক ও ধৈর্য প্রসূত চেষ্টার পরও ছেলের পালানোর স্বভাব দূর না হলে একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:৫৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন:
আমি ২ বার পালিয়েছিলাম। তবে ১০০ গজের বেশি যেতে পারিনি, তার আগেই বাসার কাজের ছেলেটা আমাকে ধরে ফেলেছে। লেখক বলেছেন: যদি আবার পালাও আমার কাছ থেকে বুদ্ধি নিও............ আমি নিরাপদ পালানোর অনেক কৌশল জানি!
মোতাব্বির কাগু বলেছেন:
can hear sound from rear
লেখক বলেছেন: মোতাব্বির কাগু কী কন না কন!
মিথুন-১ বলেছেন:
আমার কাছে বাড়ি পালানোটাছিল এডভেঞ্চার! ৩ বন্ধু মিলে স্কুল থেকেই পালিয়েছিলাম ঢাকা যাবার উদ্দেশ্যে। সারাদিন পার করে সন্ধেবেলা রাজবাড়ী রেল স্টেশনে উদ্দেশ্যহীন ঘোরাফেরা করার সময় পুলিশের হাতে ধরা খেয়ে বাড়ি ফিরি। তারপর বড় ভাই আর বাবার হাতে কিছু উত্তম মধ্যম খেয়েছিলাম।
লেখক বলেছেন: একবার পালাতে হয়না মিথুন, বারবার পালাতে হয়-তাহলে বারবার বড় ভাই আর আব্বুর হাতে মার খাওয়া যায়!
ভাঙ্গন বলেছেন:
ভাইয়া,আপনি কি কোয়ান্টাম মেথড জাতীয় কোন কোর্স করেছেন?আপনার লেখাগুলো পড়লে আমার কেন জানি মনে হয় শীতল আর সাবলীল বিষয়।
যেগুলোতে আমাদের দৃষ্টি নেই;কিন্তু আপনার সুক্ষ্ম দৃষ্টি রয়েছে।
....
লেখক বলেছেন: হ্যা ভাইয়া, আমি বেশ কয়েটা কোয়ান্টম এবং সিলভা মেথড কোর্সে অংশ নিয়েছিলাম-শুধু মাত্র ওখানে কি আছে তা জানার জন্য। কিন্তু সিলভা বা কোয়ান্টমের নুন্যতম প্রভাব আমার মধ্যে নেই-সে ব্যাপারে আমি নিশ্চিত। কারন, আমি অবস্থায় নিজের বিবেক বুদ্ধি ছারা অন্য কোন কিছুতেই প্রভাবিত হইনা।
এরশাদুর রহমানা বলেছেন:
পুরানো কথা মনে করিয়ে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ। আমিও ৩ বার পালিয়েছিলাম।প্রথমবার ১৯৮৫ সালে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর থেকে ঢাকা এসেছিলাম। দ্বিতীয় বার ৬ ঘন্টার মধ্যে নিজেই ফিরে এসেছিলাম এবং তৃতীয় বার প্রায় ২০ ঘন্টা পর বাসায় একলোক দিয়ে গিয়েছিল। এ সম্পর্কে একটি ব্লগ লিখব।
লেখক বলেছেন: আমি যতবার পালিয়েছিলাম তত বারই শুধু মাত্র ক্ষুধার তাড়নায় আবার বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছিলাম। কেউ আমাকে কখনো খুঁজে ফিরিয়ে নেয়নি। আমাকে খোঁজার মত কেউ ছিলনা।
আমি সর্ব নিম্ন ৬ দিন এবং সর্বোচ্চ ২৫ দিন পর্যন্ত বাড়ির বাইরে থেকেছি।
স্পেলবাইন্ডার বলেছেন:
ছোটবেলায় খুব ডানপিটে ছিলাম। আর আমার মা ছিলেন রাগী (হেডমাস্টারের মেয়ে তো লেখক বলেছেন: আমি এমনই এক দুর্ভাগা-কোন দিন মা'র হাতের মার খাওয়াতো দুরের কথা মায়ের স্পর্শও পাইনি! মায়ের বুকের দুধও খাইনি কোন দিন-অন্তত একটি বার যদি মায়ের হাতের মার খেতে পারতাম-তবুও সেই সৃতিটুকু বুকের গভীরে খুব যত্ন করে রাখতাম! মা'র কস্ট বুকে চেপে জীবনের ৫০ বছর পার করছি, এখনো সেই কস্ট লালন করছি! এ কস্ট কাউকে বোঝাতে পারবোনা!
লেখক বলেছেন: হ্যা, নাপালিয়ে ভালই করেছো ভাইয়া। তোমার ঘর, মা-বাবা-ভাই-বোন ছেরে কেনো পালাবে?
মুখ ও মুখোশ বলেছেন:
পোস্টটি পড়ে ভাল লাগল তবে এর মর্মার্ত বুঝে উঠতে পারিনি কারন বাড়ি থেকে পালানোর কোন সাহস ছোটবেলায় করেতেই পারিনি। বাবা ছিলেন প্রচন্ড রাগী আর মাকে ছাড়া থাকার কল্পনাই তখন করতে পারতাম না। মেট্রিক পরীক্ষার আগ পর্যন্ত কখনও মাকে ছেড়ে থাকিনি, মার উপড় ছিলাম খুবই ডিপেন্ডেবল। বন্ধুদের অনেকের মুখে বাড়ি পালানোর গল্প শুনেছি, এসব শুনে আরও এসব চিন্তা মাথায় কখনও আসতনা। মুদ্দাকথা আমি ছোটবেলায় প্রচন্ড ডরপুক ছিলাম।
ভাইয়া আপনার শরীর কি বর্তমানে খারাপ যাচ্ছে? যদি তাই হয়.....একদম অবহেলা করবেন না, ডাক্তারের সাথে নিয়মিত কনসাল্ট করুন। ভাল থাকবেন, দোয়া করি সবসময়।
লেখক বলেছেন: এলেখা পোস্ট দেবার মুল প্রেরণা হলো-আমার ছোট ছেলেটা হঠাত একদিন রাত বারোটা পর্যন্ত বাসায় ফিরছিলনা কোন এক অপ্রকাশিতব্য অভিমানে। মন খারাপ করে ধানমন্ডি লেকে বসেছিল। আমরা যখন বিভিন্ন যায়গায় খুঁজে খুঁজে হয়রান হচ্ছিলাম তখন পার্কের নাইট গার্ডরা বাসায় পৌঁছেদেয়।
হ্যা, আমার শরির এখন বেশ খারাপ। তবে চিকিতসা চলছে ঠিক মত।
ভালো থোকো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: "তোমার দেখি জীবন খানা ষোল আনাই মিছে"!
আমি অবশ্য মোটামুটি বড় হয়ে বাসা থেকে পালিয়েছিলাম। তবে সেটা যতনা পালানোর উদ্ধেশ্যে, তার থেকে বেশী দাবী আদায়ের জন্য। এসএসসি পাশের পর আমাকে আমার পছন্দসই কলেজে ভর্তি হতে দেয়া হয় নাই। বড়কাক্কার পরামর্শ মতো যেখানে ভর্তি করা হয়েছিল সেখানে এডজাষ্ট করতে পারছিলাম না। ১ম বর্ষ ফাইনালে বাংলা, ইংরেজী আর বায়োলজি ছাড়া আর সব বিষয়ে ডাব্বা মেরেছিলাম। এরপরও আমার গার্জিয়ানরা আমাকে ঐ কলেজে রাখতে চাইছিলেন। আমার ততোদিনে পড়ালেখার উপর থেকে মন উঠে গেছে। এরপরই পালানোর ঘটনাটা ঘটেছিল।
আমাদের দেশে বেশীরভাগ বাবা-মা শুধূমাত্র তারা বাবা-মা এই জন্য সিদ্ধান্ত ছেলে-মেয়েদের উপর চাপিয়ে দেন। পরিস্থিতি বা ছেলে-মেয়ের নিডস বা বক্তব্য বুঝতে চেষ্টা করেন না। এটা খূবই জরুরী। আলোচনা করলে ছেলে-মেয়েরা হয়তো অনেক সময় ভূল বা হঠকারী সিদ্ধান্ত নেয়া থেকে বিরত থাকতো।
আপনার লেখাটা খূবই ভাল লাগলো।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ রঞ্জু ভাই। আপনার মন্তব্যের ২য় প্যারাটা খুবই গুরুত্বপুর্ণ। সকল মা-বাবা, বড় ভাই বোনদের বিষয়টা মনেরাখা উচিত।
শুভ কামনা।
একাকী বালক বলেছেন:
বাড়ি দিয়ে পলাইছিলাম কম্পু কিনার আন্দোলনের সময়। আহ কি উত্তাল সময় আমার। বাপে নিমরাজী আছিল। বড় ভাই ভেটো দিল, পোলাপান কম্পু দিয়া আকাম করে। আমি আকাম কি তখন বুঝিই নাই। ( যদিও কম্পু কিনার কিছুদিনের ভিতরই বুঝছিলাম) কইছিলাম আমি গেম খেলুম। আন্দোলনে গতি আনতে বাড়ি পলানোর সাহসী সিদ্ধাত নিলাম। একটা লুঙ্গী আর গামসা নিয়া মামুর বাড়ি পল দিলাম। বাপ মা বন্ধুদের বাসায় খুজল। আর মামুতো ভাবছে আমি বেড়াইতে আইছি। হি হি। তখনতো আর মোবাইল ছিল না। পরে বাপে কম্পু কিনা দিব এই চুক্তির বিনিময়ে বাড়ি ফিরলাম।
লেখক বলেছেন: সাব্বাস প্রিয় একাকী বালক! বিয়ের জন্যও কি অমন আন্দোলন করবে?
অমন আন্দোলন করে যদি দেশময় শান্তি আনাযেতো। অমন আন্দোলন করে যদি বাজারদর নিয়ন্ত্রন করা যেতো, অমন আন্দোলন করে যদি সুন্দর অর্থে সব অসম্ভবকে সম্ভব করাযেতো-তাহলে আমরা সবাই আন্দোলনে ঝাপিয়ে পরতাম।
ভালো থেকো।
হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন:
ভাঙ্গন বলেছেন: ভাইয়া,আপনি কি কোয়ান্টাম মেথড জাতীয় কোন কোর্স করেছেন?আপনার লেখাগুলো পড়লে আমার কেন জানি মনে হয় শীতল আর সাবলীল বিষয়।
-----আমিও ব্যাপারটাতে একমত। আপনার লেখা-মন্তব্যগুলো ঠাণ্ডা পরশ বুলিয়ে দেয় মনে।
লেখক বলেছেন: উত্তরটা আমি ভাংগনের মন্তব্যেই করেছি......। দয়া করে দেখুন।
এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন:
খুব ভালো লাগলো ভাইয়া। বাবাদের জন্য উপকারী।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ কামাল ভাই।
রাজীব বলেছেন:
খুব ভালো কথা বলেছেন। আপনার পালানোর কাহিনী পড়ার অপেক্ষায় থাকলাম।আমার ২ বন্ধু একবার পালিয়ে ভারতে চলে গিয়েছিল। তখন তাদের বয়স ১২-১৩ বছর ছিল। বিডিআর ও বিএসএফ থেকে পালিয়ে সীমান্ত পার হওয়া, সে কি কাহিনী। এ নিয়ে একদিন লিখবো।
লেখক বলেছেন: আমি একবার পালিয়ে যখন এয়ার ফোর্সের ইন্টেলিজেন্ট ইউনিটের হাতে ধরা পরেছিলাম তখন একজন অফিসার ওন্যদেরকে বলেছিলেন-"ওর পালানোতে একটা শিল্প অর্থাৎ একটা আর্ট আছে"।
ব্যাখ্যাঃ আমি পালিয়েছিলাম বেশ পরিকল্পনা করেই। আমরা থাকতাম এয়ার ফোর্স অফিসার্স কোয়টারে। অন্যান্য সেনা অফিসার্স কোয়াটারের মতই এয়ার ফোর্স অফিসার্স কোয়াটার কম্পাউন্ডও সব সময় কড়া সিকিউরিটি থাকে। আমাকে সবাই চিনে। কাজেই ব্যাগ হাতে বেড় হতে দেখলে সন্দেহের মধ্যে পরে যাবার ভয়। সিকিউরিটি গার্ডদের চোখে ফাঁকি দেবার জন্য আমি পরপর তিনটা হাপ প্যান্ট পরে নিলাম, তার উপড় পরেছিলাম ফুল প্যান্ট। সার্টও পরেছিলাম ৩/৪ টা। নিজেকে তখন খুব মোটা লাগছিলো! আমি ওই অবস্থায় গেট পার হয়েগিয়েছিলাম...। পরে যখন ধরা পরলাম-তখন আমার "স্পেশাল টাইপ অব কাপড় পরা" দেখেই সেই অফিসার অমন কমেন্টস করেছিলেন!
এবিষয়ে অন্য কোনো এক সময়ে একটা সুন্দর পোস্ট দেয়া যাবে......
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
আজকের বিষয়টা অনেক চমৎকার। ভালো লাগলো। কখনো এই এডভ্যান্চার করা হয় নাই।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাকিব।
এখন আর এডভেঞ্চার করার বয়স নাই। কাজেই অমন কাজ করবেননা।
লেখক বলেছেন: খুব স্পর্শকাতর মানষিকতার হলে এবং মনের উপড় প্রচন্ড নিয়ন্ত্রন না থাকলে ঘর পালানো অনেক সময় এক ধরনে ম্যানিয়াতে পরিনত হয়ে যায়।
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন:
আমি কখনো বাড়ী থেকে পালাইনি, আমার কোন ভাইকেও পালাতে দেখিনি/শুনিনি। হিহিহি........মনে হয় আবার আব্বা আম্মু বেশী জ্বালানো টাইপ বাবা মা ছিলেন না। তাঁদের একটা পুরস্কার দেয়া দরকার!
লেখক বলেছেন: ভালো বাবা-মায়ের লক্ষী মেয়ে। তুমিতো আমার লক্ষী আপু! তোমাদের সকলের জন্যই শুভ কামনা।
সবার প্রিয় বলেছেন:
এত দিনে পালাইনি , ভাবছি এবার পালাব। অবশ্যই আমি একা..........এ নির্যাতন আর ভললাগেনা।
লেখক বলেছেন: এই বয়সে একা পালিয়ে লাভ আছে! বিয়ে শাদী করে "তাকে" নিয়ে পালাও.........
লেখক বলেছেন: ইশ! আর একটা নম্বর করতে পার্লেই হ্যাট্রিক্টা হয়ে যেতো!
আনিসুজ্জামান উজ্জল বলেছেন:
আমি একবার পালিয়ে ছিলাম। ইন্ডিয়া চলে গিয়েছিলাম। আর ফিরব না ভেবে। কিন্তু কপালের ফেরে পরদিন সন্ধ্যায় ফিরে এসেছিলাম একরাশ দুঃস্বপ্ন আর তিক্ততা নিয়ে। তারপর থেকে কানে ধরেছি আর পালাবো না। ধন্যবাদ দাদা এই পোস্টের জন্য।
লেখক বলেছেন: ইশ! যেখানে "জীবনে আর ফিরবেনা" সেখানে ২৪ টা ঘন্টাও পার করতে পার্লেনা!
ক্যামন আছো ভাইয়া?
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
বাপের হোটেলে বসে বাপের অন্ন ধ্বংস করছি, উপরন্তু পরীক্ষার ফলাফল আশানুরূপ হচ্ছেনা এমন ভাবনা পালাতে উদ্বুদ্ধ করেছে বেশ ক'বার।
লেখক বলেছেন: আপনাকে পালাতে "উদ্বুদ্ধ" করার পরেও আপনি পালাননি-এটা আপনার মনের জোড়! অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
সেতূ বলেছেন:
আমি কখনো পালাই-নি.।ছোট কালে ফার্মের মুরগি আছিলাম
(বাবা ছিলেন রাগী আর মা-র উপড় ছিলাম খুবই ডিপেন্ডেবল।)
পালানোর এত মজার আগে জানলে ...
একবার ট্রাই মারতম।
পোষ্টে +++
লেখক বলেছেন: যা গিয়েছে যাক-এখন আর পালানোর প্রশ্নই নেই। বরং যাতে কেউ না পালায়-সেভাবে এডভাইস করুন।
মিলটন বলেছেন:
আমাকে একবার বাড়ী থেকে বের করে দেয়া হয়েছিল অংকে কম মার্ক পাওয়ার জন্য। ওহ!! সে এক বিচিত্র অভিজ্ঞতা। পরে একসময় পোষ্টে বলবো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মিল্টন। তোমার সেই পোস্ট পড়ার অপেক্ষায় রইলাম।
সাফির বলেছেন:
আপনার লেখাটা খুবই ভাল লাগলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
ওসমানজি২ বলেছেন:
দিলেনতো ভাই মনে করিয়ে। অষ্টম শ্রেনীতে রেজাল্ট আশানুরুপ না হওয়াতে পালিয়েছিলাম একবারই সেই ১৯৭৫ এর ডিসেম্বরে। যাওয়ার কথা ছিল ঢাকা থেকে মুন্সিগঞ্জ কিন্তু সাথের এক বন্ধু তাদের দোকার থেকে টাকা যোগাড় করতে গিয়ে ধরা পড়ে যায় (পরে জানতে পারি)। আমি বহুক্ষন অপেক্ষা করে চলে যাই কমলাপুর রেল স্টেশনে। সেখানে গিয়ে সিদ্ধান্ত নিলাম এই মুহুর্তে যে ট্রেন পাবো তাতেই উঠে বসবো এবং পেলাম বাহাদুরাবাদ ঘাটের ট্রেন। টিকিট কেটে তাতেই উঠে বসলাম, তখনও জানিনা এই বাহাদুরাবাদ ঘাট কোথায়। ভয়ে কাউকে জিজ্ঞেস করার সাহসও হয়নি। যাই হোক রাতে বাহাদুরাবাদ ঘাটে গিয়ে দেখলাম একদম নদীর পাড়। লোকজন ট্রেনের ফেরী দিয়ে ওপারে যাচ্ছে আরেক ট্রেন ধরার জন্যে। ততক্ষনে আমার ছোট বোন (তখন বয়স ৪ বছর) এর জন্যে মনটা খারাপ হতে শুরু করেছে, ফলে ফিরতি ট্রেনে আবার ঢাকায়। বাড়ীতে পৌঁছে যথারীতি বড় ভাইয়ের এয়ার ফোর্সের বেল্টের আঘাত।
লেখক বলেছেন: আমি একবার পালিয়ে প্রায় ১০ দিনের মত শুধু এ ট্রেন ও ট্রেন করে ট্রেনেই কাটিয়েদিয়েছিলাম! সেই দশ দিনে শাওয়ার করিনি। পকেটের পয়শা শেষ হলে পর কুলিগিরী করেছি। ক্ষুধার জ্বালায় ট্রেনে ফেলেদেওয়া বিড়ির "গোয়া" পর্যন্ত খেয়েছিলাম! তারপরেও বাড়ি নাফেরার পনে অটলছিলাম।
অলোক মিস্ত্রী বলেছেন:
প্রাইভেট টিউটরের আসার আগে পালাইতাম। বাবার মার খেয়ে পালাতাম। কত্তবার!
লেখক বলেছেন: অমন পালানোকেতো আমি ধর্তব্যের মধ্যেই আনিনি। অমন পালানোর কথা বলতেগেলে আমার পালানোর পরিমান হাফ সেঞ্চুরী করে ফেলবে নিঃসন্দেহে!
অক্টোপাস বলেছেন:
চমৎকার লিখেছেন। অজস্র ধন্যবাদ।--------------------------------------
ক্লাস সেভেন কী এইটে থাকতে ফুপাতো ভাইয়ের সাথে সুন্দরবনে পালানো প্ল্যান অনেক দিন ধরেই করেছিলাম। কিন্তু প্ল্যান বাস্তবায়নের দিন ওই বেচারা পিছুটান দেয়ায় আর হয়নি!!
লেখক বলেছেন: আমার জীবনেও অমন "পিছ টান" মারা অনেক বন্ধুছিল বলেও আজও বেঁচে আছি-তানাহলে কবে এইধরাধাম থেকে বিদায় নিতে হতো!
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
ছেলেরা যেই অভিমানে বাড়ি পালায়।
সেই অভিমান নিয়েই মেয়েরা আরো বাড়িমুখি হয়.........হয়তো পালাবার পথ থাকেনা বলেই। তবে আমার এক ছোটখালা রাগ করলেই আমাদের বাড়ি চলে আসতো।কদিন থাকার পর অভিমান কমলে বাড়ি ফিরে যেতো।
ছেলেরা কেনো বাড়ি পালিয়ে যায়?
আর করণীয় কি?
খুব ভালো হয়েছে লেখাটা...........ব্যাপারগুলো খেয়াল করা দরকার।
শুভকামনা ভাইয়া।
লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ বুবু।
এবাদুল বলেছেন:
বেশ ভাল লাগল। আমার ১১ মাসের বুড়া একটা ছেলে আছে। পোষ্টটা কাজে লাগবে। তবে হ্যাঁ আমিও দুইবার বাড়ী থেকে পালিয়েছিলাম, কিন্তু বিকাল বেলা ফুটবল খেলার নেশা আর বাড়ির পাশের খেলার মাঠ আমাকে বারবার বাড়িতে টেনে নিয়ে গেছে।শুভ কামনা রইল।
লেখক বলেছেন: এগারো মাসের বুড়ো বাবুটার জন্য অনেক শুভাশীষ।
লেখক বলেছেন: এখন্তো আর শামসীর একা পালাবেনা-তার সাথে একজন নারী থাকবেন আশা করি।
তানভীর আহমেদ সজীব বলেছেন:
এ কাজটি কখনো করে উঠতে পারিনি, আসলে সাহসের প্রচন্ড অভাব ছিল এসব ব্যাপারে...আর এখনতো পালাতেই ইচ্ছে হয়,...সব কিছু থেকে...সবসময়....কিন্তু এটিও হবার নয়...দায়িত্ববোধ আটকে দিয়েছে আমাকে...তারপরেও হয়তো কোন একদিন ঠিকই পালাবো...
লেখক বলেছেন: কিশোর বয়সে পালানোয় অনেক মজা ছিল-যা এখন পালালে পাবেনা। যদি পুণঃজন্ম নাও-তাহলে কিশোর বয়সে পালিও।
শুভ কামনা।
নতুন রাজা বলেছেন:
"আমি এমনই এক দুর্ভাগা-কোন দিন মা'র হাতের মার খাওয়াতো দুরের কথা মায়ের স্পর্শও পাইনি! মায়ের বুকের দুধও খাইনি কোন দিন-অন্তত একটি বার যদি মায়ের হাতের মার খেতে পারতাম-তবুও সেই সৃতিটুকু বুকের গভীরে খুব যত্ন করে রাখতাম! মা'র কস্ট বুকে চেপে জীবনের ৫০ বছর পার করছি, এখনো সেই কস্ট লালন করছি! এ কস্ট কাউকে বোঝাতে পারবোনা!"আপনার একথাগুলো পড়ে চোখটা ভিজে গেলো ভাই...। দোয়া করি আল্লাহ আপনার মনকে সুস্থির করে দিন... আমিন।
ভালো থাকবেন...
লেখক বলেছেন: তুমিও অনেক ভালো থেকো ভাই আমার।
লেখক বলেছেন: ইনশ আল্লাহ!
একাকী বালক বলেছেন:
লেখক বলেছেন: সাব্বাস প্রিয় একাকী বালক! বিয়ের জন্যও কি অমন আন্দোলন করবে? >>> জুল ভার্ন ভাই হা হা হা। না ভাই উল্টা বিয়ে না করার জন্য পলামু। পলানোর মজাই আলাদা। দ্যা লাস্ট পল লেখক বলেছেন: আমার বড় ছেলের বয়স যখন ৪ বছর-তখন ওকে মজা করে জানতে চাই-"তুমি বিয়ে করবে"? উত্তরঃ না
ছেলে রাতে বিছানায় ঘুমাচ্ছিলনা, আমিও না। হঠাত ছেলে বল্লো-"আব্বু, আমি বিয়ে করবো। কারন, তুমি আর আম্মু মরেগেলে বিয়ে না করলে আমি একা একা থাকবো কেমন করে"!
আমি নিশ্চিত আমার একাকী বালক ভাইয়াটাও "বিয়ে করার জন্যই পালাবে"!ঃ(
কালপুরুষ বলেছেন:
চমৎকার একটা টপিক নিয়ে লিখেছেন। ছোটবেলায় ছেলেদের মধ্যে এই প্রবণতা থাকলেও আমা কখনো বাড়ী থেকে পালাতে চেষ্টা করিনি। ভাল লাগলো আপনার লেখা। নিত্য নতুন সমস্যা বিষয়ক লেখা আপনি ভালই লিখছেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বাদশা ভাই।
সাইমুম বলেছেন:
কালপুরুষদা কেমন অাছেন? ইচ্ছে করলে এখনো পালাতে পারেন। তবে ভাবীর অনুমতি নিয়ে। কিন্তু দেবে কিনা জানিনা।
লেখক বলেছেন: সহমত সাইমুম।
লেখক বলেছেন: মেয়েরাও পালায় যদি সংগী হিসেবে এক জন "বড় বিলাই" যোগার করতে পারে!ঃ()
লেখক বলেছেন: আমি আগের মতই আছি ভাইয়া।
সাদাকালোরঙিন বলেছেন:
লুকিয়ে লুকিয়ে বাসা ছেড়ে শহরের উদ্দেশ্যে বেড়িয়ে পড়তাম প্রায়ই । কিন্তু বাসা পুরোপুরি ছাড়িনি। তবে ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য কিশোর বয়সেই বাসা ছাড়তে হয় । বাসা পালানোর চেয়েও বড় এ্যাডভেন্ঞ্চার ছিল সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সীমানা থেকে পালানো। যত নিয়মকানুন, নিরাপত্তা প্রহরা পালিয়ে তত মজা।
লেখক বলেছেন: হ্যা, আমিও যখন ক্যাডেট কলেজে ভর্তি হই তখন আমার পালানো মনোবৃত্তিটা চলে যায়। বরং কলেজ ছুটিকালীন আমার বাড়ি ফিরে আসতে কিছু অনিবার্য কারনে অনেক কস্ট হতো..................
মার্ক টোয়াইনের টম সয়ার পড়েছেন হয়তো। সবাই কিন্তু এডভেঞ্চারের উদ্দেশ্যে পালায়না। বাল্যকালে আমি ও একবার পালিয়েছিলাম। তবে আব্বা আম্মাকে বলে কয়ে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নিকঠ এক বাড়িতে ক'দিন হাউস টিউটর ছিলাম। ১০ দিন পর আবার বাড়িতে। ধাতে সয়নি।
সুবেহ কা ভুলা শাম কো ওয়াফেস লৌঠে তো ভূলা নেহি কেহতে.....
লেখক বলেছেন: না ভাইয়া, আমার টম সয়ার পড়া হয়নি। আমার ছাত্র জীবনের বেশীর ভাগ সময় কেটেছে হাউস টিউটর হিসেবে! যার বেশীর ভাগই ছিল অত্যন্ত বেদনা দায়ক অভিজ্ঞতা-সেসব কথা আর নাবলি।
শুভ কামনা।
অন্তিম বলেছেন:
পালাতে অনেকবার চেয়েছি তবে পালাতে পারিনি।তবে মনে হয় এবার পালিয়ে যাব।
ভাল থাকবেন ভাইয়া।
লেখক বলেছেন:
এবয়সে আর পালিওনা। এখন তোমার জীবনের সব চাইতে গুরুত্বপুর্ন সময়। এখন কোন ভুল সিদ্ধান্ত নিলে শোধরানো খুব কঠিন হবে।
অন্তু, তোমাকে আমি অনেক দিন, অনেক বার কল করেছি-কিন্তু তোমাকে পাইনি! তুমি কোথায় ক্যামন আছো? সম্ভব হলে কল করো।
শুভ কামনা।
মেহবুবা বলেছেন:
বাবা - মায়ের মধ্যে চমৎকার বোঝাপড়া যদি থকে , পরিবারের শান্ত পরিবেশ ছেলে বা মেয়ের বাড়ীর প্রতি আগ্রহ ধরে রাখে । নিজেদের জীবনে দেখেছি আব্বা - আম্মার মধ্যে সমঝোতা আর সম্প্রীতি মধ্যবিত্ত জীবনের অনেক অভাব মুছে দিয়েছে । অনেক বড় মন মানসিকতা তৈরী হয়েছে পরিবার থেকে।
সিরিয়াস কথা হয়ে যাচ্ছে ।
আচ্ছা এবার বলুন , ছেলেরা নয় মায়েরা কেন পালিয়ে যায় ?
আমার দুই ছেলে মেয়ে খাওয়া নিয়ে যে যন্ত্রনা শুরু করেছে ভাবছি পালিয়ে যাবো । আজ দুপুরে দুইজনকে ইলিশ বেছে খাইয়ে দিতে দিতে নিজের ভাত শেষ করেছি যে কষ্টে । পালানো ছাড়া গতি নেই ।
লেখক বলেছেন: যাও, পালিয়ে যাও কিছু দিনের জন্য। সাথে পিচ্চি আব্বু আম্মু দু'টো এবং ভাইয়াকেও সাথে নিতে ভুলনা। যাবার সম্ভাব্য যায়গাটাও বলেদিচ্ছি-চট্টগ্রামের ফ'য়স লেক। ছোট্ট পরিবারের জন্য ওটা এখন চমতকার এক ভ্যেনু!
সুবিদ্ বলেছেন:
দারুন একটা বিষয় সামনে নিয়ে এসেছেন.......আমার এক কাজিন পালিয়েছিল মেট্রিকে খারাপ করে......আর এক বন্ধুর ছোটভাই পালিয়েছিল মাসুদ রানার মতো হবে বলে.......আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি, এসব পরিস্থিতিতে পরিবারগুলোর অবস্থা কী হয়ে যায়.......আল্লাহর কাছে শুকরিয়া......আমার কখনোই বাড়ি থেকে পালানোর মতো পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়নি.......
(অ.ট.--একটু ফান করি ভাইয়া......ক্যাডেট কলেজ থেকে পালিয়েছি দেয়াল টপকে
লেখক বলেছেন: চুপি চুপি বলি শোনো-ক্যাডেট কলেজ থেকে আমিও দলবদ্ধ হয়ে রাতের অন্ধকারে অনেকবার দেয়াল টপকে পারহয়েছি এবং গ্রাম বাসীর খেজুরের রস আর আখ ক্ষেতের আখ সাবার করেছি! ধরাও খেয়েছি-কিন্তু ক্যাডেট জীবনে আমাদের স্বভাব বদলায়নি!
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



















