আমার প্রিয় পোস্ট

সব কিছুর মধ্যেই সুন্দর খুঁজে পেতে চেষ্টা করি............

একজন সফল উদ্যোক্তা হতে হলেঃ

১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৩৯

শেয়ারঃ
0 2 0

একজন সফল উদ্যোক্তা হতে হলেঃ

"পরের অধীনে কোনো কাজ নয়, যা পারি নিজে করবো"- অনেক শিক্ষিত এবং চাকরি করার যোগ্য লোকের মাঝেও দেখা যায় এ চেতনা। আর এ চেতনা ধারণ করে অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানোর ব্যাপারে যারা দৃঢ়-প্রতিজ্ঞ, তারাই কেবল হতে পারেন সফল এন্টারপ্রেনিয়ার বা সফল উদ্যোক্তা। উদ্যোগ তো সবাই নিতে পারে কিন্তু সফল উদ্যোক্তা হওয়ার রাস্তা কিন্তু নেহাতই সহজ নয়। আর তাইতো উদ্যোগ নেয়ার পূর্বেই যাচাই করে নিতে হয় নিজের চারপাশ এবং উদ্যোগের সম্ভাব্যতা। চলুন প্রথমেই দেখা যাক একজন সফল উদ্যোক্তার কি কি গুণ থাকতে হয়ঃ

হার না মানা মনোভাবঃ আপনি যদি একজন সফল উদ্যোক্তা হতে চান তবে আপনার হার না মানা মনোভাব থাকতে হবে। চেতনা থাকতে হবে যে কাজটি আপনি শুরু করবেন তার শেষ আপনাকে অবশ্যই করতে হবে। আর এ ক্ষেত্রে যে উদ্যোগ আপনি নিচ্ছেন সে কাজের প্রতি আপনার আগ্রহ থাকা অত্যাবশ্যক। একটা বিষয় মনে রাখতে হবে ছোট জীবনে কোনো কাজে শতভাগ সন্তুষ্টি বা সফলতা অর্জন কারো পক্ষেই সম্ভব না। এখানে যে কোনো উদ্যোগেও ভাল সময়, খারাপ সময় থাকবেই। তবে দিনের শেষে সেই সফল হয় যে খারাপ সময়টাকেও সুন্দরভাবে অতিবাহিত করতে পারে।

বুদ্ধিমত্তাঃ এর মানে এই নয় যে, আপনাকে একজন স্কলার হতে হবে। এন্টারপ্রেনিয়ারদের বুদ্ধিমত্তা একটু ভিন্ন ধরনের। এক্ষেত্রে আপনি যে উদ্যোগ নিয়েছেন সে ব্যাপারে আপনার থাকতে হবে পুরোপুরি স্বচ্ছ ধারণা। আর এ ধারণা রাখতে হবে ব্যবসা শুরু করার পূর্বেই। কমন সেন্স এর সাথে আস্তে আস্তে শুরু হওয়া আপনার অভিজ্ঞতাই আপনাকে করে তুলবে সিদ্ধান্ত নেয়ার ব্যাপারে বুদ্ধিমান।

আমাদের দেশে দুইভাবে উদ্যোক্তা সৃষ্টি হয়ে থাকে। প্রথমত ছোট থেকে ব্যবসা শুরু করে ক্রমে কর্পোরেট গ্রুপে রূপ লাভ করা। দ্বিতীয়ত উদ্যোক্তাদের উত্তরসুরী হিসেবে কর্মকান্ড চালিয়ে যাওয়া। এ পর্যায়ে যারা পারিবারিক সূত্রে বড় বিজনেসের ভার পান তারা মেধা এবং কৌশলের উপর নির্ভর করে সেটি বড় হতে এবং পরিচালনা করতে থাকে। পক্ষান্তরে যারা শূন্য থেকে শুরু করে ক্রমে বিশাল উদ্যোক্তায় পরিণত হন তাদের থাকে কর্মজীবনে বর্ণাঢ্য অভিজ্ঞতা।

একুশ শতকের এই সময়ে ব্যবসায় সম্পৃক্ত হয়ে সফলতা আনয়নের জন্য বেশ কতগুলো বিষয়কে প্রাধান্য দিয়েই শুরু করতে হবে বিজনেস কর্মকান্ড। এ জন্যে প্রথমেই থাকতে হবে শিক্ষা। একই সাথে দেশ বিদেশের বিভিন্ন বিজনেস প্রসঙ্গে ধারণা থাকা প্রয়োজন। কেননা এখন ব্যবসার গন্ডি শুধু দেশ নয়, পুরো বিশ্বই এর সীমারেখা।

উদ্যোক্তা হতে হলে কঠোর পরিশ্রমী হতে হবে। তিল তিল করে গড়ে তোলা বিজনেস এক সময় বিশাল শিল্প সম্রাজ্য করে সাজাতে সততা আর পরিশ্রমের বিকল্প নেই। এরপর আপনাকে হতে হবে ডায়নামিক এবং চৌকস। কেননা উদ্যোক্তা হতে আপনাকে পিওন থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় প্রধানের সাথে পর্যন্ত কথা বলতে হবে। সর্বোপরি হতে হবে হিসেবী-সেই হিসেব হবে আর্থীক ও সময় বিবেচণায় সঠিক সিদ্ধান্ত। বিজনেসের প্রতিটা পর্বে নিখুঁত হিসেবী হয়ে গড়ে তুলতে হবে শিল্প কারখানা।

মূলধনঃ হার না মানা মনোভাব, বুদ্ধিমত্তার সাথে সাথে আপনাকে আরেকটি বিষয় উদ্যোগের শুরুতেই নিশ্চিত করতে হবে আর তা হচ্ছে প্রয়োজনীয় মূলধন। বিশেষ করে প্রথম বছরের সমস্ত খরচ এবং বিনিয়োগের পুরো টাকাই থাকা চাই আপনার হাতে। পরের বছরগুলোর জন্য হয়তো তারল্য নির্ধারণ করে আপনি ব্যবসার আয় হতেই সব খরচ নির্বাহ করতে পারবেন। আপনার হাতে যদি উদ্যোগ শুরু করার প্রারম্ভিক টাকাও না থাকে তবুও পিছনে হটার কোনো কারণ নেই। বাংলাদেশের অনেক সরকারি বেসরকারি ব্যাংক, এনজিও তৈরি আছে আপনাকে সাহায্যের জন্য। এর মধ্যে অনেক বছর যাবত এসএমই বা ক্ষুদ্র ঋণের মাধমে শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য কিছু বেসরকারি ব্যাংকের বিভিন্ন রকম সাহায্য স্কিম অবশ্যই উল্লেখ করার মতো। পাঠক, চলুন জেনে নেয়া যাক এ সব ব্যাংকের এসএমই স্কিমগুলোর আদ্যাপান্ত।

আরব-বাংলাদেশ ব্যাংক লিমিটেডঃ বিগত দু-দশক ধরে জাতীয় অর্থনীতিতে এসএমই এর অবদান স্মরণ করে এবিবিএল বিভিন্ন সেক্টরে এসএমই লোনের পরিমাণ অনেক বৃদ্ধি করেছে। সবমিলিয়ে যার পরিমাণ সমস্ত ব্যাংক ঋণের ৫৪%। সত্যি এসএমই উদ্যোক্তাদের জন্য এ এক সুখবর বটে! এবিবিএল তার গ্রাহকদের বৃহত্তর স্বার্থের প্রতি লক্ষ্য রেখে সাউথ এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ফ্যাসিলিটি (এসইডিএফ) কে সাথে নিয়ে তাইতো "পার্টনার ইন প্রোগ্রাম" নামে যৌথ পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এক্ষেত্রে এসইডিএফ আরব বাংলাদেশ ব্যাংক এবং তার গ্রাহকদের প্রযুক্তিগত সহায়তা ছাড়াও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং সংগঠন পরিচালনায় গাইড দিয়ে থাকে। যোগাযোগঃ এসএমই ক্রেডিট ডিভিশন, আরব বাংলাদেশ ব্যাংক লিমিটেড, বিসিআইসি ভবন, ৩০/৩১, দিলকুশা। ফোনঃ ৯৫৬০৩১২, ফ্যাক্সঃ ৭১৬৯১৬৯

ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডঃ বাংলাদেশে এসএমই উন্নয়নে ব্র্যাক ব্যাংক কাজ করছে নিরলসভাবে। ব্র্যাক ব্যাংক তাদের এসএমই ইউনিটের ছোট পরিসরের লোনের কাজ করে "অনন্য" নাম দিয়ে। "অনন্য" এর আওতাধীন নির্দিষ্ট খাতে দ্রুত এবং কোয়ালিটি ব্যাংকিং সার্ভিস প্রদান করে থাকে। এক্ষেত্রে ব্যাংকের মূল লক্ষ্য হচ্ছে ব্যবসার প্রসার ঘটিয়ে দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন এবং বেকারত্ব দূর করা। অনন্য'র আওতায় ব্র্যাক ব্যাংক ৩ থেকে ৩০ লাখ টাকার ঋণ দিয়ে থাকে। মূলত লোনের টার্মগুলো হয়ে থাকে তিন, চার, ছয়, সাত, নয়, বারো, পনেরো, আঠারো, চব্বিশ, ত্রিশ এবং ছত্রিশ মাস পর্যন্ত। স্থায়ী সম্পত্তি ক্রয়ের ক্ষেত্রে আঠারো বা তদুর্ধ মাস প্রযোজ্য হয়ে থাকে। এই লোনটি পেতে হলে গ্রাহককে নির্দিষ্ট শাখায় অবশই "অনন্য" একাউন্ট খুলতে হবে। আরো বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করতে পারেন যোগাযোগঃ ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড, ১ গুলশান এভিনিউ, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২। ফোন : ৮৮২৪০৫১-৪।

ঢাকা ব্যাংক লিমিটেডঃ যে সমস্ত ছোট উদ্যোক্তাদের উদ্যোগ টাকার অভাবে বেশিদূর এগোতে পারে না তাদের কথা মাথায় রেখে এগিয়ে যাচ্ছে ঢাকা ব্যাংকের এসএমই ক্রেডিট প্রোগ্রামের কার্যক্রম। মূলত মাইক্রো এন্টারপ্রাইজ এবং ছোট ব্যবসায়িদের কথা মাথায় রেখে "ওভার ড্রাফট" এবং "টার্ম লোন" নামের দুটি প্রজেক্ট এখানে চালু আছে। একজন উদ্যোক্তা তার ব্যবসার ধরণ বুঝে এখান থেকে ১ লাখ টাকা থেকে শুরু করে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ গ্রহণ করতে পারেন। এখানে "ওভার ড্রাফট" স্কিমের জন্য এক বছর এবং "টার্ম লোনের" ক্ষেত্রে এক বছর থেকে তিন বছরের মেয়াদ পর্যন্ত ঋণ দেয়া হয়ে থাকে। বারো পার্সেন্ট ইন্টারেস্ট ছাড়াও এক্ষেত্রে অন্যান্য ফি প্রদান করতে হয়। যোগাযোগঃ ঢাকা ব্যাংক, হেড অফিস, বিমান ভবন, ১০০ মতিঝিল সি/এ, ঢাকা-১০০০, ফোনঃ ৯৫৫৪৫১৪, ফ্যাক্সঃ ৯৫৫৬৫৮৪।

ঋণ আবেদনের জন্য জরুরী কাগজপত্রঃ

০ ব্যবসা নিবন্ধন, ট্রেড লাইসেন্সের, আয়কর সনদ, ভ্যাট সনদ কপি।

০ ব্যাঙ্ক ট্রাঞ্জেকশানের কপি।

০ সমস্ত মেশিনারি, ইক্যুইপমেন্ট, ভেইকেলের বর্ণনা।

০ লিজ নেয়া জমির ক্ষেত্রে লিজের চুক্তিনামা।

০ জমি কেনার প্রস্তাব থাকলে বর্তমান মালিক পক্ষ থেকে আনা চিঠি।

০ চলমান ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে আর্থিক বিবরণী যেমন- চলমান সম্পত্তি, স্থায়ী সম্পত্তি ইত্যাদির বিবরণ।

০ দালান ক্রয়ের ক্ষেত্রে পাশ করা প্ল্যান এবং দামের বিবরণ।

০ ব্যবসায়ের জন্য পরিবেশ মন্ত্রণালয় থেকে নেয়া ছাড়পত্র।

এছাড়াও ব্যবসা ভেদে একেক ব্যাংক একেক রকম কাগজপত্র চেয়ে থাকে।

পরিশেষে বলা যেতে পারে আপনি যদি স্বাধীন চেতা হয়ে থাকেন, নিজের প্রতি যদি আপনার থাকে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাস তবে এখন সময়টা আপনারই। নিজেকে যাচাই করে ব্যবসার ধরণ বুঝে নিয়ে ঝাপিয়ে পড়তে পারেন কোনো শিল্প উদ্যোগে। এক্ষেত্রে অর্থায়নের ব্যাপারে সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন ব্যাংক আর এনজিওগুলোকে তো পাচ্ছেন হাতের কাছেই। সুতরাং গড়ে তুলুন নিজের ব্যবসা, নিজের ভুবন।

 

সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:৩৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৪৪
মুহিব বলেছেন: এই গুনাবলীর মধ্যে শুধুমাত্র ৩টি ঘুন আমার নাই। বাকি সব আছে।
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫৩

লেখক বলেছেন: আমি জানি মুহিবের চমতকার একটি গুন আছে-যা ব্যাবসার জন্য অনেক বড় সম্পদ। যা হচ্ছে-সৌজন্য বোধ এবং হাসি মুখে সুন্দর করে, গুছিয়ে কথা বলা! আপনার ঐ গুনের জন্যই নিঃসন্দেহে আপনি ৫০% নম্বর পাচ্ছেন। ঐ ৫০% অর্জন করতে পারলে-বাকিটা অর্জন জাস্ট সময়ের ব্যাপার।

২. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৪৫
স্পেলবাইন্ডার বলেছেন: দৌড়ের উপর আছি। প্লাস দিলাম। প্রয়োজনীয় পোস্ট। পরে মনোযোগ দিয়ে পড়ব :)
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫৪

লেখক বলেছেন: ক্যান দৌড়ের উপড় ভাই? কে আপনাকে ধাওয়া করছে-একবার বলেন দেখি!

৩. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫০
কালপুরুষ বলেছেন: চমৎকার পোস্ট। অনেকের কাজে লাগবে।

শুভ কামনা রইলো।
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বাদশা ভাই! অন্য কারো কাজে লাগলেও লাগতে পারে-কিন্তু আপনার কাজে লাগবেনা-কারন আপনি একজন সরকারী আমলা। যাদের কাজই হলো কামলা লোকদের সব ভালো কাজে বাধা হয়ে দাঁড়ানো!

৪. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫২
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন: ভাল তথ্য শেয়ার করলেন +++
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া। কেমন আছো তুমি?

৫. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫২
জ্বীন বলেছেন: গুড স্টার্ট ।
বছরের শুরুটা খুবই ভাল একটা পোস্ট দিয়ে শুরু করার জন্য ধন্যবাদ ।
আসলেই আত্মবিশ্বাস ও ধৈয্যই আসল ।
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০৩

লেখক বলেছেন: এই ক'দিন অনেক কস্ট করে বিছানায় শুয়েছিলাম। অসুস্থ্যতার যন্ত্রনায় আমি খুব একটা কাতর হইনি! আমার মন পরেছিল সামুতে! অনেকেই আসেন নতুন ব্যাবসা করবে-তার জন্য এডভাইস চাইতে। আমার এডভাইস করা যোগ্যতা যদিও নেই-তারপরেও অনেকেই ভাবেন-আমিই কিছু হেল্প করতে সক্ষম হবো......। তাদের কথা ভেবেই এই লেখা।

তোমার জিম'র খবর কি ভাইয়া?

৬. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০৮
সৈয়দ নূর কামাল বলেছেন: চমৎকার একটি পোষ্ট। উদ্যোগের ভাবনা যাদের মনে, কিন্তু আমার মতো সাহসে কুলোতে পারছেনা, তাদের জন্য বড়ো জরুরি কথা।
আমি এখনো অনুভব করতে পারছিনা, কতোটা মুলধন হাতে থাকলে পরে সাধারণ একটি ব্যাবসায় হাত দেয়া যাবে।
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কামাল ভাই।

ব্যাবসা করার জন্য হার্ড ক্যাশ যতটা না বেশী প্রয়োজন তার চাইতে বেশী প্রয়োজন ব্যাবসার প্রতি একগ্রাতা, কমিট্মেন্ট, সময়জ্ঞান এবং সঠিক সিদ্ধান্ত। খুব কম মুলধন নিয়েও অনেক বড় ব্যাবসা করা সম্ভব। আমি নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য বলবো-অবশ্যই কম মুল ধন(হার্ড ক্যাশ) নিয়ে ব্যাবসা শুরু করতে।
আমাদের বেশীর ভাগ তরুন ব্যাবসায়ীদের মনে টার্গেট থাকে অল্প ব্যাবসা করে বেশী লাভ করার-যা বিজনেস এথিক্সের সম্পুর্ণ বিরুদ্ধ! ওই কাজ করতে গিয়েই বেশীর ভাগ তরুন সহসাই "ধরা" খায়!

৭. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৫
নিলআকাশেরদুঃখ বলেছেন: bank loan pao jai na to.ka diba bank loan?jodi thick thak moto bank loan pao jaito tahola bangladesh ar cahara paltaia dao jato
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২৭

লেখক বলেছেন: রিনয়, তোমাকে আমি আশ্বস্ত করতে পারি-ব্যাঙ্ক লোন তোমার জন্য সমস্যা হবেনা। তুমি বর্তমানে তোমার ছোট্ট ব্যাবসা থেকে যা ইঙ্কাম করছো-খরচ করছো-তা সবই ব্যাঙ্কের মাধ্যমে করবে। তোমার ব্যাঙ্ক ট্রাঞ্জেকশান সার্টিফিকেট দরকার-যে কোন ফিনান্সিয়াল অর্গানাইজেশন থেকে লোন পেতে-যা তোমাকে সাক্ষাতেও বলেছিলাম। আমি বিশ্বাস করি-তুমি যে ব্যাবসাটা শুরু করেছো-ছোট্ট পরিসরে তা একটা ভাল উদ্যোগ। তুমি তিন মাসের ব্যাঙ্ক ট্রাঞ্জেকশান রিপোর্ট রেডি করে এসো-আমি তোমার জন্য চেটা করবো।

৮. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৫
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: কাজের পোষ্ট। আপনি অনেক তথ্য সংগ্রহ করে লিখেন যা মুগ্ধ করে

ভালো থাকুন
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপু।

আমি ফোন নম্বর দিতে ভুলে গিয়েছিলাম!
সেল ফোন নং-০১৭১৩ ০৪৬৩৯৩

৯. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৯
রাজীব বলেছেন: শিরোনাম দেখেই ভালো লাগলো। আমার জন্য খুবই দরকারী পোস্ট।
একটু সময় করে পড়ব।

এখন কেমন আছেন?
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩৪

লেখক বলেছেন: তোমার সাথে আলাপ করে আমি বুঝতে পেরেছি-তুমি ব্যাবসার সুযোগ সুবিধা বোঝার এবং জানার ক্ষেত্রে অনেক বেশী এগিয়ে। তোমার মত শিক্ষিত, স্মার্ট এবং কাজপ্রিয় লোকের জন্য ব্যাবসার সাফল্য সময়ের ব্যাপার মাত্র।

আমার শরির এখন খুব বেশে দুর্বল। কেমো থেরাপীর জন্য মাথা ঘুড়ায়। এখনো বাসায় থাকছি। বেশী বেশী হাটাচলা করা যদিও বাধ্যতামুলক-তবুও হাটাচলা করতে কিছুটা অসুবিধা হয়-তাই আপাতত বাসায় থেকেই ট্রেডমিলে কিছু হাটাচলার কাজ সেরে নিচ্ছি। দোয়া করো।

১০. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২৩
ভাঙ্গন বলেছেন: কাজের পোস্ট।







...ক'দিন ভাইয়াকে ব্লগে দেখিনা মনে হচ্ছে!
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩৭

লেখক বলেছেন: আমি হঠাত করে মারাত্মক অসুস্থ্য হয়ে ৩১ জানুয়ারী রাত থেকে হাসপাতালে এডমিট ছিলাম। ক্যান্সার প্রব্লেম ছাড়াও ঈদানীং আমার ব্লাড প্রেশার এবনর্মালী ফ্লাক্সুয়েশন হয়! কাল বাসায় ফিরেছি। এখন অনেকটাই ভালো বোধ করছি।

ভালো থেকো।

১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মনসুর। তুমি ক্যামন আছো ভাইয়া?

১২. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪১
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন: আপনাদের দোয়ায় ভালো আছি দাদা.. ছোটখাটো একটা ব্যবসা শুরু করেছি.. দোয়া করবেন.. শুভকামনা রইল..
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৫৩

লেখক বলেছেন: তোমার ব্যাবসার কথা যেনে ভালো লাগলো। তোমাদের মত তরুন এবং শিক্ষিত লোকের ব্যাবসায়ে স্বাগতম। শুভ কামনা।

১৩. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪৬
ভাঙ্গন বলেছেন: অনেক খারাপ লাগলো শুনে।


দোয়া করি!
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৫৪

লেখক বলেছেন: শুভ কামনা।

১৪. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪৯
সাজিদ বলেছেন: ভালো পোস্ট। বাংলাদেশ এ সোলার প্রোযেক্ট করতে গেলে লোনের ব্যাপারে কিছু তথ্য জানেন। আমার জানামতে রহিমআফরোযকে ওয়র্লড ব্যাংক গ্রামিন ব্যাংকের মাধ্যমে লোন দিচ্ছে। ব্যাক্তেগত পর্যায়ে কি রকম লোন পওয়া যেতে পারে?
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:০৮

লেখক বলেছেন: প্রিয় সাজিদ, আমি আসলে আপনার মন্তব্যের বিষয়বস্তু সঠিক ভাবে বুঝতে পারছিনা।

আপনি কি আপনার নিজস্ব প্রয়োজনে সোলার পাওয়ার ব্যাবহার করার কথা বলছেন? নাকি সোলার পাওয়ার প্রজেক্ট কমার্শিয়াল করার বিষয়ে বলেছেন-এক্টু ক্লিয়ার করলে আমি কিছু তথ্য আপনাকে দিতে পারতাম। তারপরেও জানাচ্ছিঃ-
বর্তমানে কমার্শিলালী সোলার প্রজেক্ট আমাদের দেশের জন্য একটা অত্যন্ত ভালো ব্যাবসা। তবে তা সম্পুর্ণটাই আমদানী নির্ভর। সরকার সোলার প্রজেক্টের মাধ্যমে বিদ্যুত ব্যাবস্থার উন্নয়নের জন্য এই সেক্টরে সকল প্রকার আমদানী কর এবং ভ্যাট প্রত্যাহার করেছে। তারপরেও প্রাথমিক পর্যায়ে তুলনা মুলক ভাবে সোলার প্রজেক্ট কিছুটা ব্যায়বহুল।

আপনি যদি ব্যাক্তি পর্যায়ে ব্যাবহারের জন্য সোলার সিস্টেম কিনতে চান-তাহলে গ্রামীণ শক্তি সহ বেশ কিছু এন জি ও ২৫% ডাউন পেমেন্ট এর পর দীর্ঘ মেয়াদী লোনের মাধ্যমে এই প্রযুক্তি গ্রাহকের কাছে বিক্রয় করছে।

যদি কমার্শিয়াল কোন প্রজেক্টের জন্য এই প্রযুক্তি ব্যাবহার করতে চান-তাহলে রহিম আফরোজ আপনার জন্য সহায়ক হবে। সেখানেও আপনি ২৫% ডাউন পেমেন্ট করলে বাকীটা কিস্তিতে কিনতে পারবেন।

আপনি যদি সোলার পাওয়ারের ব্যাবসা করতে চান-তাহলে আপনি চায়নাতে যোগাযোগ করতে পারেন। ইউরোপীয়ানদের তুলনায় চায়নীজরা অনেক বেশী প্রতিযোগিতামুলক দামে আপনাকে প্যানেল সরবরাহ করতে সক্ষম হবে।

ব্যাবসার জন্য লোন দেয়া-নেয়াটা হচ্ছে ব্যাঙ্ক এবং ক্লায়েন্টের পারস্পরিক আন্ডার স্টান্ডিং এর উপড়। এখানে সরকারের কোন বিধিনিষেধ নেই। এখানে ব্যাঙ্কের লোন নর্মস আপনাকে ফুলফিল করতে হবে।

১৫. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৫৫
সাজিদ বলেছেন: সরি কিছু সলিপ অফ টয়পিং।
জানেন? হবে
আর আমার জানামতে রহিমআফরোযকে ওয়র্লড ব্যাংক প্রাইম ব্যাংকের মাধ্যমে লোন দিচ্ছে।
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:১০

লেখক বলেছেন: আমি বুঝতে পেরেছিলাম।
আমি ইতোমধ্যেই আপনার প্রশ্নের জবাব দিতে চেস্টা করেছি।

১৬. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:০৮
তানজীল ইসলাম বলেছেন: প্রিয়তে রাখলাম
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:১১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তানজীল।

১৭. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:১৩
জ্বীন বলেছেন: জিম' -এটা নিয়ে আমার আর কিছু করার নাই ।

আমি আমার মত চেষ্টা করেছি । হেল্প করতে ।

Anyway বাদ দেন , ভাইয়া ।

১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:২৭

লেখক বলেছেন: তোমার কথায় মনে হচ্ছে-প্রজেক্টটা অংকুরেই বিনস্ট হয়েগিয়েছে! আমি বুঝিএছিলাম-ঐ প্রজেক্ট নিয়ে তোমার কত আন্তরিকতা, কত একাগ্রতা! তোমার সুন্দর চেস্টার মৃত্যু হোক তা আমি ভাবতেই পারছিনা। আমি সত্যি হতাশ ভাইয়া!

১৮. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:১৯
সাজিদ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। আমি দুই দিকেই জানতে চাচ্ছিলাম। If i have a Company that install solar systems in individual homes or office who has the better chance to get the loan. whether bank prefers to give loan to me or the end user of the power. if it is the second case then i can also assist my customer to get that loan which will ultimately help me to get back the ROI.

yes i know this is a good business in bangladesh. but i dont have belief on their quality. there is already a second hand market that is also a probable solution like the recondition car business in bangladesh. anyway financing is the main problem for doing something like this.
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩৮

লেখক বলেছেন: আপনি যদি সোলার বিজনেস করার জন্য কোম্পানী করেন-তাহলে আপনার বিজনেস প্রফাইল এবং প্রপোজাল দেখে ব্যাঙ্ক আপনাকে যথাযথ মর্টগেজ রেখে লোন দিতে পারে। প্রাথমিক ভাবে আপনি ব্যাঙ্ক মার্জিন দিয়ে এল সি করে মালামাল নিয়ে আসতে পারেন। সেই মাল ব্যাঙ্কে লিয়েন রেখেও আপনি ব্যাবসা করতে পারবেন-যা সম্পুর্ন নির্ভর করছে ব্যাঙ্ক-ক্লায়েন্টের পার্স্পরিক বোঝাপরার উপড়। যাদের কাছে আপনি সিস্টেম বিক্রি করবেন(গ্রাহকদের) তাদেরও ব্যাঙ্ক লোন দিতে পারে-তা হবে অবশ্যই গ্রাহকের লোন পরিশোধ করার যথাযথ প্রমান সাপেক্ষে। আপনি এই প্রজেক্ট জয়েনভেঞ্চারেও করতে সক্ষম-যদি আপনি তেমন সচ্ছল দেশী-বিদেশী ব্যাক্তি কিম্বা সংস্থা পার্টনার যোগার করতে পারেন।

কোয়ালিটি সম্পর্কে যা বলেছেন-তার সাথে আমার কিছুটা দ্বিমত আছে। আমি আমার একটা প্রতিষ্ঠানে গত ৬ বছর যাবত ৩০০০ ওয়াটের একটা সোলার সিস্টেম ইউজ করছি-যা অত্যন্ত সুন্দর সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছে। যা অবশ্যই প্রত্যাশার চাইতে অনেক বেশী। প্রতিযোগীতার বাজারে খারাপ জিনিষ অবশ্যই বর্জন করবে গ্রাহকরাই-এটা সময়ের ব্যাপার।

১৯. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:২২
সাজিদ বলেছেন: i dont have belief on chinese products quality.
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: আপনার এই বক্তব্যের সাথেও আমি একমত নই। আমি গত ২২ বছর যাবত চায়নার সাথে ব্যাবসা করে এসছি। যেমন ধরুন-ওদের কাছে একই মডেলের এই পি ল্যাপ টপ ৩০০ ডলারেও কেনা যায়-আবার একই জিনিষ ৩০০০ ডলারেও কেনা যায়। কাজেই কোয়ালিটি নির্ভর করে প্রাইসের উপড়। আমাদের দেশ থেকে বেশীর ভাগ ব্যাবসায়ী গিয়েই ওদেরকে সস্তায় জিনিষ দেবার আবদার করে। ওরাও ব্যাবসা হারাতে চায়না। তাই ব্রান্ড নাম ঠিক রেখে দাম কমিয়ে কোয়ালিটিতে কন্সিডার করতে বাধ্য হয়।

ভারত-চায়না প্রডাক্ট দিয়ে নিজ নিজ দেশের ১২০ কোটি মানুষ চলতে পারছে। পৃথিবীর ৩০০ কোটি মানুষের চাহিদা চায়না পুরন করতে পারে-কিন্তু আমাদের দেশের কতিপয় নাক উচু গ্রাহকের চাহিদা পুরন করতে পারেনা! এটা নিতান্তই হাস্যস্কর!!!

২০. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩৬
রাখালছেলে বলেছেন: একটা ব্যাপার বাদ দিয়ে গেলেন মনে হয়, সব সময় সৎ থাকা ।

অত:পর ধন্যবাদ :-B
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া। সততা প্রকৃত ব্যাবসায়ীদের জন্য সব চাইতে বড় মুলধন।

২১. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৮
লুকোচুরি বলেছেন: হিমু ভাই, এমন সুন্দর করে লিখেছেন-মনে হচ্ছে চাকুরী ছেরে এখনই ব্যাবসায়ে নেমে যাই! যদি কোন দিন কিছু ক্যাশ ক্যাপিটাল করতে পারি-তাহলে ব্যাবসা করার নিয়ত আছে। তখন অবশ্যই আপনার এডভাইস নেব।
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০৮

লেখক বলেছেন: মোস্ট ওয়েল কাম মিঃ ভুবনেশ্বর(জাহাংগীর)।

২২. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:২৯
মিথুন-১ বলেছেন: একটি প্রয়োজনীয় পোস্ট। প্রিয়তে রেখেদিলাম। যদি আল্লাহ সামর্থ দেন-তাহলে ব্যাবসা করবো।
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:০২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৩. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:০৫
হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন: অদূর ভবিষ্যতে কাজে লাগবে। আশা করি, আপনাকে ব্লগেই পাব তখন। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে! :)
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:২০

লেখক বলেছেন: ব্লগে থাকা নাথাকা নির্ভর করছে-আমার সুস্থ্যতার উপড়। তবে এই ব্লগ -তথা আপনাদের লেখাগুলো আমার প্রচন্ড অসুস্থ্যতার সময় আমাকে রোগ যন্ত্রনা ভুলে থাকতে অনেক সহায়ক হয়েছিল। লিখতে না পারলেও আপনাদের সুন্দর লেখার পাঠক হয়ে থাকবো আশা করি।

২৪. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩৮
সত্যাশ্রয়ী বলেছেন: শরীর কেমন এখন? মোবাইল বন্ধ পেলাম বৃহ:স্পতি বার।
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২২

লেখক বলেছেন: অসুস্থ্যতার জন্য হাসপাতালে থাকতে হয়েছিল ৮/৯ দিন। তখন ফোন বন্ধ ছিল। বর্তমানে কিছুটা ভালো।

২৫. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০০
ইউনুস খান বলেছেন: প্রিয়তে রেখে দিলাম। আশা করি শরীর এখন ভালো। ভালো থাকুন সেই শুভকামনা।
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২৩

লেখক বলেছেন: এখন কিছুটা ভালো। তোমার জন্যও অনেক শুভ কামনা ভাইয়া।

২৬. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৪৮
রাজীব বলেছেন: পড়লাম। লোন সম্পর্কে তথ্যগুলো সত্যিই উপকারী।
তবে ব্যবসা নিয়ে অনেক কম লিখেছেন। আমি সফল ব্যবসায়ী নই। আমার মতে ব্যবসা করতে যা লাগে তা হলো

হার না মানা মনোভাব (অধ্যবসায়)
বুদ্ধিমত্তা
মূলধন
এবং সাথে
আত্মবিশ্বাস
পরিশ্রম করার সদিচ্ছা
কখনো ভয় না পাওয়া অর্থাৎ নার্ভাস বা বিচলীত না হওয়া

এসব কিছুর পরও প্রথমেই যেটা দরকার সেটি হচ্ছে পরিস্কার লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য সাথে করে ডিটেইলস কর্মপন্থা

একজন প্রযুক্তিবিদ (যদিও নিজেকে ট্যাকনিশিয়ান লেভেলে ফেলানো যায় তবুও গর্ব করে নিজেকে প্রযুক্তিবিদ ভাবতে ভালো লাগে) হিসেবে বলতে পারি যে
আমরা যেকোন ব্যবসার শুরুতেই সেটির প্রযুক্তিগত দিকটি বেশী দেখি আর ব্যবসায়ীক দিকটি কম দেখি (ব্যবসা সংক্রান্ত বিদ্যার অভাব বলে) ফলে ব্যবসাতে ব্যার্থ হতে হয়।



১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৫৭

লেখক বলেছেন: রাজীব, তোমার চমতকার মন্তব্যের সাথে একমত পোষন করছি।

শুভ কামনা।

২৭. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৫৪
লুৎফুল কাদের বলেছেন: Thank you very much for your post. If you can can you please write something about export-import business. Like how to start it, what I need to start export import business. Thanks again.
১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:০৪

লেখক বলেছেন: আমিও ব্যাবসায়ী হিসেবে প্রডাকশন-এক্সপোর্ট-ইম্পোর্ট বিজনেসের সাথে জড়িত। এই বিষয়ে বিষেশ কোন পয়েন্টে আলোচনা করা হয়ত সহজ কিন্তু এত অল্প পরিসরে এই ব্যাবসা শুরু করার ভুমিকা লেখা সম্ভব নয়। আপনি পার্টিকুলার কি ধরনের এক্সপোর্ট/ ইম্পোর্ট করতে চান-তা জানালে আমি কিছু ধারনা দিতে চেস্টা করতে পারি।

ধন্যবাদ আপনাকে।

২৮. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৩৫
এখন ও বৃষ্টি ভালবাসি বলেছেন: আমিও কয়েকদিনের মধ্যেই ব্যাবসায় নামব ,আপনি যে গুন এর কথা বললেন তা আসলেই অনেক কার্যকরী ,

আপনার প্রথম কথাটায় আমি সত্যি মুগ্ধ ,

হার না মানা মনোভাব ।

১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:০৬

লেখক বলেছেন: ব্যাবসার ভুবনে আপনাকে স্বাগতম।
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

২৯. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০৫
এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন: খুব খুব খুব ভালো পোস্ট ভাইয়া। কাল খুব দৌড়ের ওপর ছিলাম বলে আপনার মহামূল্যবান পোস্টটি দেখার ফুরসত পাইনি। আমি নিজে চাকরি করি। কিন্তু তরুণদেরকে আমি উদ্যোক্তা হবার জন্য সবসময় উৎসাহ দিয়েছি। টানা সাড়ে চৌদ্দ বছর আমি জেলা উপজেলা পর্যায়ে কাজ করার সময় তাদেরকে উদ্যোক্তা হবার পরামর্শ দিয়েছি। তরুণদের মধ্যে যদি বেশি বেশি উদ্যোক্তা সৃষ্টি করা যায় তাহলে এর সুফল অন্যরা পাবে, দেশ পাবে। অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর এ পোস্টের জন্য।
এ পোস্টটাকে স্টিকি করার জন্য মডারেটরদের দৃষ্টি আকর্ষণ করলাম।
১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কামাল ভাই।

আমিও আমার অবস্থানে থেকে থেকে সব সময়ই চেস্টা করি-যাতে উচ্চ শিক্ষিত তরুনেরা পেশা হিসেবে ব্যাবসা বেছে নিতে পারে। আপনি নিশ্চই প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ে থেকে লক্ষ করেছেন-এখনো আমাদের দেশের ৮০% ব্যাবসা নিয়ন্ত্রন করে চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ, ঢাকার মৌলভীবাজার, চকবাজারের কতিপয় অশিক্ষিত অর্ধ শিক্ষিত ব্যাবসায়ী। মুলত এরাই বানিজ্য মন্ত্রনালয়ের দুর্ণিতীবাজ কর্মকর্তাদের ছত্র ছায়ায় সিন্ডিকেট করে ইচ্ছেমত দ্রব্যমুল্য বাড়ায় কিম্বা মাঝে মাঝে কমায়। এই শ্রেনীর ব্যাবসায়ীদের কারনেই আমাদের দেশের সাধারন মানুষের নাভিশ্বাস! ওরা কোন অবস্থাতেই মানুষের মানবিক দিক বিবেচনা করেনা। ওরা শুধু ওদের কায়েমী স্বার্থ রক্ষা ছারা কিছুই বোঝেনা। একারনেই ব্যাবসা ক্ষেতে উচ্চ শিক্ষিত তরুনদের এগিয়ে আসা উচিত এবং আমাদের উচিত সেই সব তরুনদের সার্বিক সহায়তা দেয়া। প্রশাসনের উচিত তাঁদের পৃষ্ঠপোষকতা দেয়া।

৩০. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫৫
লুৎফুল কাদের বলেছেন: Thank you very much for your reply. I want to import car from Japan to Bangladesh and export garments from Bangladesh to USA. I live in USA. I really appreciate your help. Please call me tumi.
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:২৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ লুতফুল কাদের।

জাপান থেকে রিকন্ডিশান গাড়ী ইম্পোর্ট অয়ন্ত ভালো ব্যবসা। যারা এখনো এই ব্যাবসায় জড়িত তাদের ভিতর খুব বেশী ডিসঅনেস্টি ঢুকেগিয়েছে। এরা গাড়ী ইম্পোর্ট করেই বিভিন্ন দামী স্পেয়ার্স চেঞ্জ করেফেলে বিক্রি করে ক্রেতাদের ঠাকায়। তাই যদি কোয়ালিটি ঠিক রেখে এই ব্যবসা করা যায়-তাহলে তুমিও লাভবান হবে ক্রেতারাও ভাল জিনিষ কিনে লাভবান হবেন। এই ব্যাবসা করার জন্য প্রথমেই তোমাকে ঢাকায় একটা শো রুম নিতে হবে-সাথে বিশ্বস্ত স্টাফ। আফটার সেলস সার্ভিসের জন্য নিতে হবে ভালো টেকনিশিয়ান। ভালো মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ।

গার্মেন্টস রপ্তানীর বিষয়টা ব্লগের এই স্বল্প পরিসরে ক্লিয়ার করে বোঝানো সম্ভব নয়। তারপরেও আমি যতসামান্য ধারনা দিচ্ছিঃ গার্মেন্টস এক্সপোর্ট/ ইম্পোরটের জন্য তুমি আমেরিকাতে থেকেই বায়ার খুঁজে পেতে পারো। এ ক্ষেত্রে তোমার এডভানটেজ হলো-তুমি আমেরিকাতে থাকছো। দেশে তোমার যদি নিজস্ব গার্মেন্টস থাকে তাহলতো কথাই নেই। নিজের নাথাকলেও তেমন অসুবিধা নেই-দেশে প্রচুর বায়িং হাউস আছে। বায়ারের চাহিদা মত চাহিদাপত্র দেখে বায়িং হাউস থেকে স্যাম্পল সংগ্রহ করে বায়ারের কাছে দিতে হবে।

লুতফর, এই বিষয়টা আসলেই এই পরিশরে বোঝানো যাচ্ছেনা! যদি তুমি দেশে আসো-তখন যোগাযোগ করলে আমি অনেক সুন্দর করে কিছু বলতে পারবো।

শুভ কামনা।

৩১. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:১০
রাজীব বলেছেন: আমিও ভাবছিলাম এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট নিয়ে কিছু লেখার আহবান জানাবো।

কিভাবে ইমপোর্ট করতে হয় ও কিভাবে এক্সপোর্ট করতে হয় এই নিয়ে ২টি পোস্ট দিতে পারেন।

পোস্টে যা যা থাকবে

১। ট্রেড লাইসেন্স
২। এক্সপোর্ট লাইসেন্স
৩।প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র
৪।এল সি
৫। শিপমেন্ট

ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য ও অন্যান্য দরকারী ব্যাপর সমূহ।
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:১৯

লেখক বলেছেন: হ্যা রাজীব, পরবর্তীতে তোমার উল্যেখিত বিষয়ে একটা পোস্ট দেবার ইচ্ছা রইল।

৩২. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:১৯
শ।মসীর বলেছেন: ইচ্ছে হয়, কিন্তু সাহসের ঘটতিটা প্রকট ভাবে ফুটে উঠে :(:(
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৬

লেখক বলেছেন: তোমাদের মত তরুণ উচ্চ শিক্ষিত লোকেরই পেশা হিসেবে ব্যবসা বেছে নিতে হবে-তাহলেই আমাদের জাতীয় জীবনে তার সুফল পেতে পারে। জাস্ট স্টার্ট...............

৩৩. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩৫
সুবিদ্ বলেছেন: সারাদিন মাথায় কত ব্যবসা আসে.......কিন্তু কিছুই করা হচ্ছেনা
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫০

লেখক বলেছেন: তুমি যেখানে আছো-সেখানে থেকেইতো অনেক ব্যাবসার দরজা উন্মুক্ত হতে পারে। তোমার চেনার কথা সার্বান ইন্টারন্যাশনালের মালিককে......(তোমাদের প্রতিষ্ঠানের সাথে ওদের অনেক ব্যবসা ছিল, এখনও আছে কিনা জানা নেই)। তিনি এখন বন্ডেড আইটেমের ব্যবসায় একটা দৃস্টান্ত হয়ে গিয়েছেন! তুমিও সাহস করে নেমে পরো-দেখবে তোমার জন্য খুব সহজ হয়ে যাচ্ছে সব কিছু।

৩৪. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩১
লুৎফুল কাদের বলেছেন: Thank you very much. Hopefully I will go to Bangladesh end of this year. Inshallah I will contact you then.
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:২৭

লেখক বলেছেন: নিজ বাসভুমে আপনাকে আগাম স্বাগতম।

৩৫. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩২
তানভীর আহমেদ সজীব বলেছেন: প্রয়োজনীয় একটি লেখা...আমারসহ অনেকেরই কাজে আসবে... আপনার অনুপ্রেরনা ও সার্বিক সহায়তা অনেকের চলার পথের সহযাত্রী হোক।

ধন্যবাদ
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৩৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ সজীব।

৩৬. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:২৬
জ্বীন বলেছেন: ০১।ভাইয়া আপনার, মিনারেল ওয়াটার/ বোতলজাত পানি সম্পর্কে কোন আইডিয়া আছে ?
মানে প্লান্ট করতে কেমন খরচ বা প্রসপেক্ট কেমন ?

০২। এনার্জি ড্রিংক(যেটায় আসলেই কাজে লাগবে) প্লান্ট করতে কেমন খরচ বা প্রোসপেক্ট কেমন ?

আইডিয়া থাকলে জানাবেন ।

আমার আরেকটা বিষয় জানা দরকার, সাপ্লাই চেইন কিভাবে মেইনটেন করা যায় । মানে চাইলেই তো নতুন কোন প্রোডাক্ট কন ড্রিসটিবিউটর নেবে না । সেক্ষেত্রে কি ক রা যেতে পারে ?

উদ্দোগতার সম্বল সাহস আর ইচ্ছা !! পারবে ??
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫৮

লেখক বলেছেন: মিনারেল ওয়াটার নিয়ে তোমার ভাবনাটা আমাদের দেশের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। প্রথমেই তোমাকে "মিনারেল" ওয়াটার সম্পর্কে ভালো ধারনা রাখতে হবে-যা নিশ্চই তুমি আন্দাজ করতে পেরেছো। তোমার জেনে রাখা প্রয়োজন-আমাদের দেশের বেশীর ভাগ বোতলজাত পানীয়ই কিন্তু "মিনারেল" ওয়াটার নয়। মাত্র হাতে গোনা তিন/চারটা ব্রান্ড "মিনারেল"। বাকী সব "ড্রীংকিং ওয়াটার"। আশা করি বিষয়টা তুমি বুঝতে পেরেছো।

নদী মাতৃক বাংলাদেশ, পানির দেশ এই বাংলাদেশ! কেউকি কোন দিন ভেবেছিল-বাংলাদেশের মানুষ পানি কিনে খাবে? কিন্তু কঠিন বাস্তবতায় এখন বাংলাদেশের গ্রাম গঞ্জের মানুষ পর্যন্ত এক লিটার "ড্রীংকিং ওয়াটার" ২০/২২ টাকা দিয়ে কিনে খায়। গাবতলী গরুর হাটে যেসব মানুষ যায়, কমলাপুর, সায়েদাবাদ বাসস্টান্ডে যেসব ভবঘুড়ে মানুষ এমন কি রাস্তার পাশের হোটেলে কিছু খেয়েও সেই মানুষগুলো যারা -তারাও এখন বোতলজাত পানি কিনে খায়! কাজেই নিঃসন্দেহে বোতল জাত পানি-তা হোক শুধু মাত্র "ড্রীংকিং ওয়াটার" কিম্বা "মিনারেল ওয়াটার"-তা চল্বেই।

মিনারেল ওয়াটার প্রজেক্ট ব্যায়বহুল। তবে ড্রীংকিং ওয়াটার প্রজেক্ট অনেক শস্তা।
এখানে একটা বিষয় হচ্ছে-কম্পলিট প্রজেক্ট। অর্থাৎ পানি ডিস্টিরাইলেজেশন, পিউরিফিকেশন, মিনারেল করা, বোতল তৈরী করে প্যাকিং এবং বাজারজাত করা-অনেক ব্যায়বহুল। প্রকার/ আয়তন (মধ্যম)ভেদে ৫ কোটি থেকে ২০ কোটি আকার প্রজেক্ট।

তুমি পানি বিশুদ্ধ করে বোতলজাত করতে পারো। তখন বোতল অন্য কোন ম্যানুফ্যাকচারারের কাছ থেকে কিনতে হবে-তাহলে খরচ অনেক কম হবে-কিন্তু উতপাদন ব্যয় বেড়েগিয়ে প্রফিট কম হবে। তুমি যদি ১০/২৫/৫০ লিটারের বড় বোতলে বোতল জাত করো-তাহলে আরো কম খরচ হবে। আসলে এবিষয়টা এই পরিশরে বিস্তারিত ভাবে বোঝানো সম্ভব নয়।

এনার্জী ড্রিংক সম্পর্কে আমার ধারনা নেই ভাইয়া।

৩৭. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩৮
জ্বীন বলেছেন: ভাইয়া ধন্যবাদ ।
পানি বিশুদ্ধ করে বোতলজাত করার ব্যপারটাই ভাবছি ।
শুরুতে বোতল অন্য কোন ম্যানুফ্যাকচারারের কাছ থেকে কিনতে চাই ।


আমার প্রজেক্ট টোটালি আউট সোর্সিং নির্ভর !!

মার্কেটিং কিভাবে করা যেতে পারে ?

এখন আমি জানতে চাই -----
" মানে চাইলেই তো নতুন কোন প্রোডাক্ট কোন ড্রিসটিবিউটর নেবে না । সেক্ষেত্রে কি করা যেতে পারে ?"
কিভাবে মার্কেটে ঢোকা যেতে পারে ?

১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫৯

লেখক বলেছেন: আমাদের দেশে কম শিক্ষিত তরুণ-যুবকদের কারখানা। কাজেই সমস্যা নেই। এস এস সি পাশ কিম্বা ত্রাচেয়েও কম শিক্ষিত কিন্তু স্মার্ট/চটপটে সুন্দর করে কথা বলতে পারে-এমন কিছু তরুণদের বাছাই করতে হবে। তাদের একটা টার্গেট দিতে হবে প্রতি দিন একটা কোয়ান্টিটি বোতল বাজারযাত করতে পারলে মান্থলী বেতন এবং তার চাইতে বেশী বিক্রি করতে পারলে বিক্ত্রির উপড় বাড়তি কমিশন দেয়া হবে। যারা কাজ করতে চায়, কাজ করার উদ্যম আছে-তেমন লোকেরাই তোমার বিজনেস নিজের অংশীদ্বারিত্ব মনে করে এগিয়েনিয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে তুমি নিজেই প্রডিশার, নিজেই ডিস্টিবিউটার, নিজেই সেলস্ম্যান! কাজ করায় লজ্জার কিছু নেই ভাইয়া। আমি যখন অনার্স ফাস্ট-সেকেন্ড ইয়ারের ছাত্র তখন আমি কমার্শিয়াল/ প্রফেশনাল ড্রাইভিং পর্যন্ত করেছি। যেভাবে আমি তোমাকে বলেছি-সেই ভাবেই আমি আমার ব্যাবসা শুরুকরেছিলাম-বলা যায়। বিস্তারির সামনা সামনি বলা যাবে।

৩৮. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০৫
জ্বীন বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া ।
আপনার সাথে যোগাযোগ করবো ।
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১৭

লেখক বলেছেন: মোস্ট ওয়েলকাম।

৩৯. ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১৯
তানজীল ইসলাম বলেছেন: এই পোষ্ট এর পর এই ধরনের আরও কিছু পোষ্ট আশা করছি
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২০

লেখক বলেছেন: চেস্টা করবো।

৪০. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৩
মুভি পাগল বলেছেন: একজন সফল অন্ট্রপ্রনর হওয়ার জন্য যতটা না দৈহিক গঠন প্রয়োজন তার চেয়ে বেশি জরুরী মানসিক শক্তি
১৯ শে নভেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:২১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪১. ১৯ শে নভেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:৩৫
সৈয়দা আমিনা ফারহিন বলেছেন: অনেক দরকারী একটা পোস্ট। প্রিয়তে
১৯ শে নভেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪২. ১৯ শে নভেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১০
অভিবাসী বলেছেন: পড়ে অনেক ভাল লাগল। আপনি ভাল থাকবেন, সুস্হ থাকবেন।
১৯ শে নভেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

আপনার জন্যও শুভ কামনা।

 

লেখক এই পোস্টে কোন মন্তব্য গ্রহণ করবেন না

মোট সময় লেগেছে ১.১৫০২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি এক বিদেহী আত্মা! খুব ভালোলাগে ভালো ঘুম হলে। কিন্তু আমার পোড়া চোখে ঘুম নেই! ঘুম হীন চোখে স্মৃতির রাজ্যে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই