somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

'একগাল থুঃ থুঃ' কথিত শিক্ষকগোষ্ঠীর মুখে! (দেখুনঃ 'চাটুকারিতার একটি অসাধারণ ভিডিওচিত্র'! )

১২ ই অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


শাহি বা জমিদারি আমলে রাজ্যের আমলা কামলারা চাটুকারিতার মাধ্যমেই নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতেন। তখনকার রাজা বাদশা বা শাসকশ্রেণী চাটুকারদের পছন্দ করতেন, প্রাধান্য দিতেন। জনসাধারণ চাটুকারিতাকে তখন তেমন বাকা চোখে দেখতো না। কেননা, তখনকার সমাজ, সভ্যতা চাটুকারিতাতে অভ্যস্ত ছিলো। সময়ের অগ্রগতিতে মানুষ চাটুকারিতার ফলাফল অনুধাবন করতে শিখেছে। মানুষ এখন চাটুকারিতাকে প্রচণ্ড অপছন্দ করে। ফলাফলঃ 'চাটুকার' শব্দটা পরিণত হয়েছে গালিতে। চাটুকারিতা করতে দেখলেই মানুষ সমালোচনা করে, গালি দেয়। তবুও আমাদের শাসকশ্রেণী এবং আমলাকামলারা এই চাটুকারিতার বলয় থেকে বেরিয়ে আসতে পারছেন না।

আমাদের শাসকশ্রেণী মিথ্যে প্রশংসা শুনতে চান। চাটুকার আমলা কামলারাও শাসকদের চাহিদানুযায়ী ভুয়া প্রশংসা করেন। কেননা তারা(রাস্ট্রের আমলা কামলা) জানেন নিজের অবস্থা ধরে রাখতে হলে বা সুবিধা পেতে হলে চাটুকারিতার কোন বিকল্প নেই। সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও এই চাটুকারিতার প্রাদুর্ভাব মারাত্মক আকারে লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শাসকদের সম্মানার্থে স্কুল কলেজ পড়ুয়াদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা রোদবৃষ্টিতে রাস্তায় দাড় করিয়ে রাখা ত আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর কমন সংস্কৃতি। আজ দেখলাম নতুন আরেক'টি অভূতপূর্ব পদ্ধতি। যোশরের এবিসিডি নামক একটা মাধ্যমিক স্কুলে কয়েকজন স্কুলছাত্রীর মাধ্যমে 'দেবদেবীদের পূঁজা' করার স্টাইলে বিশেষ অঙ্গভঙ্গিমায় মাথা নত করে কতিপয় চোর বাটপারদের ফুলের মালা প্রদর্শন পরিয়ে দেওয়া হলো। (বিশেষ পদ্ধতিতে গণ্যমান্যদের সম্মান প্রদর্শনের ভিডিওচিত্র দেখতে চাইলে ক্লিক করুন-

চাটুকার সরকার - চাটুকার আমলা কামলা - জনগনের ক্ষুদ্রাংশ চাটুকার এবং সুখী। পক্ষান্তরে বেশিরভাগই অসুখী, বঞ্চিত, নিপীড়িত। - এই চেইনে চলছে দেশ।

খুজ নিলে দেখা যাবে উল্লিখিত স্কুলের প্রধান শিক্ষকসহ অধিকাংশ শিক্ষকই দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে চাটুকারিতার মাধ্যমে চাকুরী পেয়েছে। তাদের টিকে থাকতে হলে বা সামনে এগুতে হলে চাটুকারিতা আবশ্যক।

ছবি: সংগ্রহীত
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১:৩৬
২১টি মন্তব্য ২১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বলো দুর্গা মা কি... 'জয়'

লিখেছেন অর্পিতা সাহা., ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ বিকাল ৫:০২



অবশেষে, সেফ ব্লগারের খাতায় আমার নামটাও উঠলো:
ব্লগের সবাইকে শারদীয় শুভেচ্ছা। মডুদের থেকে গ্রীন সিগন্যাল পেয়েছি। মডারেশন স্ট্যাটাস সেফ, মানে আমি নিরাপদ ব্লগার। ভাবতেই কেমন লাগছে!... ...বাকিটুকু পড়ুন

ট্রিবিউট টু 'এবি'

লিখেছেন কি করি আজ ভেবে না পাই, ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫০



'সেই তুমি' আর গাইবেনা কেউ
সেই দরাজিয়া স্বরে;
'রুপালী গিটার' ঠিকি ফেলে আজ
চলে গেলে চিরতরে।

'শেষ চিঠি' হায় শুনিয়েই গেলে
এই ঘুম ভাঙ্গা শহরে;
পালাতে চাইলে পালানো কি যায়
হৃদে যে দাপটে রহো রে।

কষ্ট... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ভাঙা পথের রাঙা ধুলায় পড়েছে কার পায়ের চিহ্ন /// অনন্যসাধারণা রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা ও অদিতি মহসিনের রবীন্দ্র সঙ্গীত

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৮:০৬



১৯৮৯ সালের মার্চ-এপ্রিলে সিলেট শহর থেকে আমি প্রথম ওয়াকম্যান কিনি এবং ঐদিনই ৩টা ক্যাসেট কিনি যার মধ্যে একটা ছিল রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার অ্যালবাম (নাম মনে নাই)। ৩টা ক্যাসেটই ঘুরেফিরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

হেমন্তিকা

লিখেছেন মনিরা সুলতানা, ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১০:০০




এই যে অঝোর রাত্রি নিশীথ যাচ্ছে কেটে ভালোবেসে
বাড়ছে নেশা মেহুল সুবাস বাড়ছে তৃষা শব্দে সুহাস;
কি আসে যায়!
আজকে যদি শরত কাশে রোদ্দুরে রূপ তোমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিশাচর

লিখেছেন কথার ফুলঝুরি!, ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১:০৩



রাত ১১-৫০ । বেস্ট ফ্রেন্ড কে অনলাইন এ ম্যাসেজ দিলাম

কি করিস ?
এইতো এখন ঘুমুতে যাবো। তুই কি করিস ?
মিস করি, তাকে :#|

ফ্রেন্ড এর রিপ্লাই
দূরে গিয়া মর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×