অনেক দিন পর ব্লগে লিখতে হলো। না লিখে বসে থাকতে পারলাম না। যা শুরু হয়েছে তাতে প্রতিবাদ জরুরি। কিন্তু প্রতিবাদ করে সহ্য করার মত পেশিশক্তি নেই। তাই ব্লগের আশ্রয় নিতে হলো।
দেশে যেন পরিবর্তনের জোয়ার বইছে। যা দেখছেন সেখানেই পরিবর্তন হবে নিশ্চয়ই। ডিজিটাল যুগে পা রাখলেই নতুন নতুন উদ্ভাবন আপনাকে তাক লাগাবে। কিন্তু এ পরিবর্তন তেমন হচ্ছে না। শুধু পুরানো কিছুকে ঘোঁষে মেজে নতুন করার চেষ্টা মাত্র। বর্তমান সরকার মতায় আসার পর পরিবর্তন দেখে সকলের তাক লেগেছে বলতেই হয়। কেননা মাওলানা হামিদ খান ভাসানীর নামকরণে প্রতিষ্ঠিত নভো-থিয়েটারের নাম পরিবর্তন করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভো-থিয়েটার করা হয়েছে। ইতিমধ্যে খুলনায় বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের স্মৃতিজড়িত ‘বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়াম’ নামটি পরিবর্তন করে প্রধানমন্ত্রীর চাচা শেখ নাসেরের নামে নামকরণ করেছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণের দাবিদার বর্তমান সরকার। সর্বশেষ বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের নাম পরিবর্তন করে রাখা হলো বঙ্গবন্ধু কনভেনশন সেন্টার। এর আগে মতায় এসে শেখ হাসিনার নেতৃত্বের সরকার পিজি হাসপাতাল, ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামসহ অসংখ্য স্থাপনার নাম পরিবর্তন করেছে। শেখ হাসিনার সরকার মতায় এলেই মনে হয় যেন নাম পরিবর্তনের হিড়িক পড়েছে।
এদেশের একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমার কিছু প্রস্তাব আছে। বঙ্গবন্ধু ছাড়াও অনেক খ্যাতিমান ব্যক্তি রয়েছে যাদের নামে উল্লেখিত প্রতিষ্ঠানগুলোর নামকরণ করা হয়েছিল। সেগুলো পরিবর্তন করে যখন বঙ্গবন্ধুর নাম দিতেই হলো তখন আরো কিছু গুরুত্বপূর্ন প্রতিষ্ঠান রয়েছে সেগুলোর নাম পরিবর্তন জরুরি। তবে এ নাম পরিবর্তন নিয়ে কোন বির্তক হবে না। কেননা এ প্রতিষ্ঠানগুলো কোন ব্যক্তির নামে না। যেমন জাতীয় সংসদ ভবন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, গনভবন প্রভৃতি। আশাকরি দ্রুত এমন প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম পরিবর্তন করে ডিজিটাল যুগে পর্দপান আরো বেগবান করবে বর্তমান সরকার।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



