জাতীয় ক্রিকেট দলের নির্বাচকদের চোখের চিকিৎসা দরকার
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৫
বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে ভোরে খেলা হয়ে গেলো প্রথম একদিনের ম্যাচ। ফলাফল কি হয়েছে তা নতুন করে বলার দরকার আছে বলে মনে হয় না। তাই আর বলছি না। কিন্তু এ খেলা নিয়ে লেখা তাই বলতে চাই, আমাদের দেশের নির্বাচকদের চোখের অপারেশনের জন্য কি আমরা একটা ত্রাণ তহবিল গঠন করতে পারি না। যাতে আগামীতে দল নির্বাচনের ক্ষেত্রে সিনিয়রদের একটু পাত্তা দেয়া হয়।
কয়েকদিন আগে যুগান্তর পত্রিকার খেলার পাতায় একটি সংবাদ পড়লাম। তাতে শিরোনাম ছিলো এমন `আশরাফুলদের কী লজ্জা নেই?' লেখাটি পড়ে হতাশ হতে হয়। কেননা নির্বাচকরা দল নির্বাচন করে দেন। সেই দল নিয়ে খেলেন ক্যাপ্টেন। তাই তার কি করার আছে। অন্য দেশের ক্যাপ্টেনরা দল নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকেন। আমাদের দেশে সেই সুযোগ আছে বলে মনে হয় না। তাই নির্বাচকদের চোখের চিকিৎসার জন্য আসুন একটা ত্রাণ তহবিল গঠনের উদ্যেগ নিই।
লেখক বলেছেন: ছাগলের ৪ নম্বর বাচ্চা একলব্য, যারা ক্রিকেটের সঙ্গে জড়িত তারা বরাবরই উপেক্ষিত। তাদের নির্বাচক করা হয় না। অথচ যারা ক্যারিয়ারের গড় রান ৭ তারা নির্বাচক হন। তাই দল প্রোপজ করে লাভ কি। যাদের দেখার দরকার তারা একটু দেখলেই হয়।
চিকনমিয়া বলেছেন:
লাব নাই, কিচুই হইবো নারে
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন:
লাভ নাই ,সিনিয়র/জুনিয়র সবই এক প্রজাতির রামছাগল । ক্যারিয়ারের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এরা একইরকম নির্বোধ থাকে । একটা উদাহরণ দেখান , যেখানে সিনিয়র দের নিয়ে রেজাল্ট বদলে গেছে ।
সজল বলছি বলেছেন:
নির্বাচকেরা কাকে বাদ দিয়েছে? যাকে রাখলে জগৎ উদ্ধার করে ফেলত? সবাইতো এক রকম, নির্বাচকেরা কি করবে?
লেখক বলেছেন: খালেদ মাসুদ পাইলট। যাকে বাদ দিয়ে নেয়া হয়েছে দেড় ফুট একটারে। যে না পারে ক্যাচ ধরতে, না পারে মাথার ওপর দিয়ে যাওয়া বলটারে আটকাইতে। ফরহাদ রেজা ব্যাট করতে না পারলে বল করে পুষিয়ে দেয়। হাবিবুল বাশার যারা দলের ক্যাপ্টেন হিসেবে খুব খারাপ ছিলেন না। তার সময়ে দল সবচেয়ে ভালো করেছে। ঘরোয়া লীগে ভালো করেছেন। তাহলে?
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন:
ঘরোয়া লীগে যারা ভালো করেন তাদেরকে বাই ডিফল্ট টিমের বাইরে রাখা যেতে পারে , এটা নির্মম হলেও প্রমাণিত সত্য

















