somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... ছোট্ট বেলার স্বরণীয় গান ছোট্ট বেলার স্বরণীয় গান "বাবা বলে গেল আর কোন দিন গান করো না" ছোট্ট মনিদর জন্য উৎসর্গ!

http://www.youtube.com/watch?v=r-2_QZcD3wQ

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29455456 http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29455456 2011-09-26 17:37:07
কে কোনটা ব্যবহারে স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন??? <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" />
ইন্টারনেট ব্যবহারকারী প্রতি চারজনের মধ্যে একজন ওয়েব ব্রাউজার হিসেবে গুগোল ক্রোমো ব্যবহার করছে। আর দিন দিন বাড়ছে এ সংখ্যা। তবে এখনো শীর্ষ স্থানে অনড় রয়েছে মাইক্রসফটের ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার। বৃটেনের নতুন পরিসংখ্যান অনুযায়ী ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহারকারীদের শতকরা ৪৫ জন ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ব্যবহার করলেও গুগল ক্রোমো ব্যবহার করেন ২২ শতাংশ ইউজার। আর মাত্র ৯ শতাংশ ব্যবহারকারীরর কারণে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে অ্যাপল’র ওয়েব ব্রাউজার সাফারি।

তবে বৃটেনে ক্রোমো দ্বিতীয় অবস্থান দখল করলেও বিশ্বে এর অবস্থান এখন তৃতীয়। বিশ্বময় ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহারকারীদের প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন ব্রাউজার হিসেবে গুগলের ক্রোমো ব্যবহারে স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন।
সূত্রঃ- Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29424376 http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29424376 2011-08-02 14:15:33
রাহুল গান্ধী অর্ধ ভারতীয় ও অর্ধ ইতালীয়- "ক্যাটরিনা কাইফ" <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" />
কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীকে বিদেশি বলে দীর্ঘদিন ধরেই প্রচারণা চালিয়ে বিজেপি। টিভি সাক্ষাৎকারে ক্যাটরিনা কাইফও অনুরূপ উক্তি করে কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক রাহুল গান্ধীকে অর্ধ ভারতীয় ও অর্ধ ইতালীয় হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
বলিউডের হার্টথ্রব সেনসেশন নায়িকা ক্যাটরিনা কাইফকে দলে ভেড়ানোর চেষ্টা করছে ভারতের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি।
সম্প্রতি ক্যাটরিনা রাহুলকে কটাক্ষ করে অর্ধভারতীয় বলে বক্তব্য দেয়ার পরই তাদলটির কাছে তার কদর বৃদ্ধি পেয়েছে।
ক্যাটরিনার বক্তব্য ভারতীয় রাজনীতিতে জন্মসূত্র একটি ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। ক্যাটরিনার বক্তব্যকে বিজেপি সমর্থন করে বলছে, কোটি কোটি ভারতীয়ের অন্তরে যে কথার অনুরণন চলছে, ক্যাটরিনা কাইফ তাই উচ্চারণ করার সাহস দেখিয়েছেন।

ক্যাটারিনা কাইফের একজন মুখপাত্র বলেছেন, বিজেপি আগামী বছর মুম্বাই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন এবং উত্তর প্রদেশে রাজ্য বিধান সভায় নির্বাচনী প্রচারণায় ক্যাটরিনা কাইফকে তাদের শীর্ষ প্রচার কর্মী হিসেবে অভিনন্দন জানিয়েছে। অবশ্য ক্যাটরিনা রাজনীতিতে অংশগ্রহণে আপিত্ত করছেন না। তবে তিনি বিজেপির আহ্বানে সাড়া দেবেন কিনা তা এখনো স্পষ্ট করে জানাননি ক্যাটরিনা কাইফ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29421621 http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29421621 2011-07-28 17:42:58
৭১' এর মুক্তিযুদ্ধে ইন্দিরা গান্ধীর অসামান্য অবদান!!!

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সেসময়কার প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর রয়েছে অসামান্য অবদান। তিনি শুধু এক কোটি বাংলাদেশীকে আশ্রয় ও খাওয়া-পরার ব্যবস্থাই করেননি, মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্থা করেন। আর বাংলাদেশের জন্য আন্তর্জাতিক বিশ্বের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা চালিয়েছেন। এমনকি মার্কিন রক্তচক্ষুর বিপরীতে এক অনন্য অবস্থানও নেন তিনি।
বাংলাদেশকে সহযোগিতার জন্য ভারতের বিরুদ্ধেও পাকিস্তান যুদ্ধ ঘোষণা করলে সেখানেও এক হয়ে পকিস্তানের বিরুদ্ধে তিনি যুদ্ধের নির্দেশ দেন। বাংলাদেশের লাখ লাখ শরণার্থীকে সেবাযত্ন করায় ইন্দিরা গান্ধীর এ কাজকে যীশু খৃষ্টের কাজের সঙ্গে তুলনা করেছেন নোবেলজয়ী মাদার তেরেসা। ‘তারা সবাই ঈশ্বরের সন্তান’ শীর্ষক একটি বইয়ে তেরেসা এ বিষয়টি উল্লেখ করেন।
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান রাখা ইন্দিরা গান্ধীকে বাংলাদেশ সম্মাননা জানাচ্ছে স্বাধীনতার ৪০ বছর পর। সোমবার বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সম্মনানা ‘স্বাধীনতার সম্মাননা’ জানানো হবে তাকে। রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে ইন্দিরা গান্ধীর পক্ষে সম্মাননা নেবেন তার পুত্রবধু সোনিয়া গান্ধী। সোমবার বিকেল পাঁচটায় বঙ্গভবনে এক অনুষ্ঠানে এ সম্মাননা দেয়া হবে।
২৫ মার্চ ১৯৭১। ঢাকাসহ পুরো বাংলাদেশে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। রাতের অন্ধকারে নিরীহ, নিরস্ত্র বাঙালির ওপর অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র নিয়ে পাক হানাদার বাহিনী ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং হাজার হাজার নারী, পুরুষ, ছাত্র, শিক্ষক, চিকিৎসক ও সাংবাদিকদের নির্বিচারে হত্যা করে। বিভীষিকাময় এ অবস্থায় থেকে বাঁচতে লাখ লাখ নারী-পুরুষ বাধ্য হয়ে পাশের দেশ ভারতে আশ্রয় নেয়।
ভারতের সেসময়কার প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ৯৮ লাখ ৯৯ হাজার ৩০৫ জন উদ্বাস্ত্তকে আশ্রয় দেন। তাদের থাকা-খাওয়া ও চিকিৎসাসহ অন্যান্য সাহায্য করেন। পরম মমতায় সেদিন ইন্দিরা গান্ধী শরণার্থীদের পাশে দাঁড়ান ও আশ্রিতদের সহায়তার জন্য ভারতবাসীকে অনুরোধ করেন।
শুধু উদ্বাস্ত্ত বা শরণার্থীদের আশ্রয়ই নয়, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রতিবেশী হিসেবে প্রতিবাদী অথচ নিরস্ত্র বাঙালিকে সাহস জোগান তিনি। ছাত্র, শিক্ষক, কৃষক, যুবকদের গেরিলা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয় ভারতে। এর ফলেই অনেকটা ঘুরে দাঁড়ানো সহজ হয় বাংলাদেশীদের। মুক্তিযোদ্ধারা ভারত থেকে প্রশিক্ষণ পেয়ে সশস্ত্র অবস্থায় বাংলাদেশে প্রবেশ করে একের পর এক গেরিলা যুদ্ধে পরাস্ত করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে।
মুক্তিযুদ্ধ চলার সময়েই, ১৯৭১ সালের ১৩ এপ্রিল বিশ্বনেতাদের উদ্দেশে ইন্দিরা গান্ধী বলেন, “পূর্ব বাংলায় যা ঘটেছে, তাতে ভারত সরকার নীরব থাকবে না।” পরে ১৭ মে তিনি পশ্চিমবঙ্গ আসেন। কারণ সেখানেই সবচেয়ে বেশি শরণার্থী আশ্রয় নেয়। প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারকে এই বলে আশ্বস্ত করেন যে, শরণার্থী বিষয়ে কেন্দ্র তাদের পাশে আছে ও থাকবে।
এর আগেই ৩০ এপ্রিল ’৭১ ইন্দিরা গান্ধী বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সাহায্য করতে ভারতীয় সেনাবাহিনীকে দায়িত্ব দেন। ৯ মে তাদের হাতে দেয়া হয় হয় মুক্তিযুদ্ধে যোগদান করতে আগ্রহী বাংলাদেশের তরুণদের সশস্ত্র ট্রেনিং দেয়ার দায়িত্ব।

এছাড়াও, শাসক পাকিস্তানিদের বাংলাদেশে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরতে ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সমর্থন আদায়ে শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী সেসময় বিভিন্ন দেশ সফরও করেন। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ সহানুভূতি ও সমর্থন আদায়েও সক্ষম হয়।

মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের জন্য একটি ট্রান্সমিটার বরাদ্দ করেন ইন্দিরা গান্ধী।
১৯৭১ সালের মাঝামাঝি সময়ে হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টে বিশ্বশান্তি কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়। এ সম্মেলনে ভারতীয় প্রতিনিধিরা বাংলাদেশ বিষয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
সেখানে এক বিশেষ বার্তা পাঠিয়ে ইন্দিরা গান্ধী বলেন, “পূর্ববঙ্গের ঘটনায় ভারতের পক্ষে উদাসীন থাকা কঠিন এবং ইতিমধ্যে ২০ লাখ শারণার্থী ভারতে আশ্রয় নিয়েছে। এসব উদ্বাস্তু যাতে সম্মানের সঙ্গে দেশে ফিরতে পারে সেজন্য পাকিস্তানকে বাধ্য করতে হবে।”
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার বঙ্গবন্ধুর মুক্তি এবং সামরিক সাহায্য বন্ধের বিষয়ে অক্ষমতা জানালে ইন্দিরা গান্ধী তাকে বলেন, “ভারতের পক্ষে বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সাহয়তা বাড়ানো ছাড়া গত্যন্তর নেই।”
১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর কলকাতায় এক জনসভায় ইন্দিরা গান্ধী ভাষণ দেয়ার সময় পাকিস্তানি বাহিনী ভারতের বিভিন্ন বিমান ঘাঁটিতেও আক্রমণ করে। তিনি সেদনিই তার মন্ত্রিসভার ভাষণে বলেন, “আমি এ মুহূর্তে আমাদের দেশের এবং জনগণের গুরুতর বিপদের কথা উল্লেখ করে আপনাদের উদ্দেশে বলছি, কয়েক ঘণ্টা আগে পাকিস্তান আমাদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরু করেছে। পাকিস্তানি বাহিনী হঠাৎ করে আমাদের এয়ার ফিল্ড, অমৃতসার, পাঠান কোর্ট, শ্রীনগর, অবন্তীপুর, উতরলেট এবং আগ্রায় আঘাত হেনেছে। এতদিন ধরে বাংলাদেশে যে যুদ্ধ চলে আসছিল, তা ভারতের বিরুদ্ধে পরিণত হয়েছে।’’
এর পরপরই ভারত ও বাংলাদেশ বাহিনী মিলিতভাবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে এবং পাকবাহিনী বিভিন্ন রনাঙ্গণে পরাজিত হতে থাকে। মুক্তিযুদ্ধের বিজয়কে ত্বরান্বিত করতে ৬ ডিসেম্বর ইন্দিরা সরকার বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়। আমাদের মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় অনেক সৈন্যও শহীদ হয়।
দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদ ও অগণিত মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে ১৬ ডিসেম্বর ’৭১ আমরা বিজয় অর্জন করি।

সূত্রঃ- Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29419311 http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29419311 2011-07-24 23:44:33
শুভ জন্মদিন "আয়াত"! আজ আমার কলিজার টুকরা "আয়াত" এর ২য় শুভ জন্মদিন! আয়াত এর ধীরে ধীরে বড় হওয়া। (ছবি ব্লগ)












]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29417324 http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29417324 2011-07-21 19:17:22
মেসি- তেভেজ'রা ইউরোপ মাতিয়ে রাখলেও আর্জেন্টিনা ও সাপোর্টারদের হতাশ করে কেনো? <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_17.gif" width="23" height="22" alt="X(" style="border:0;" />
অনেকের মতে, এখন বিশ্বের সেরা আক্রমণভাগ আর্জেন্টিনার। আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগের প্রধান পাঁচ অস্ত্র লিওনেল মেসি, কার্লোস তেভেজ, গঞ্জালো হিগুয়াইন, দিয়াগো মিলিতো ও সার্জিও অ্যাগুয়েরো।
দিয়াগো ম্যারাদোনার দেশের তারকারা ইউরোপ মাতিয়ে রাখলেও আর্জেন্টিনা ও তাদের সাপোর্টারদের হতাশ করছে বার বার। গত বিশ্বকাপের মতো এবারও তাদের বিদায় করে দেয় উরুগুয়ের । এবারের কোপা আমেরিকার চারটি খেলায় মাত্র পাঁচটি গোল করেই বিদায় নিলো আর্জেন্টিনা।
আর্জেন্টিনা তাদের আক্রমণ সাজায় মূলত লিওনেল মেসিকে কেন্দ্র করে। ক্লাব দল বার্সেলোনার হয়ে মেসি যতটা অপ্রতিরোধ্য ততটা কখনো তিনি দেখাতে পারেননি আর্জেন্টিনার হয়ে। ফলে বারবারই মেসিকে শুনতে হয়, তিনি যতটা বার্সেলোনার, ততটা নাকি আর্জেন্টিনার নন। সমালোচকরা তাকে আর্জেন্টিনার হয়ে খেলা ছেড়ে দিয়ে স্পেনের জাতীয় দলের হয়ে খেলারও পরামর্শ দেয়।
অবশ্য কোপায় মেসির পারফর্মেন্স বিচার করলে তার সমালোচরাই জিতবেন। কারণ সর্বশেষ মৌসুমে মেসি সব মিলিয়ে গোল করেছেন ৫৩টি। এর মধ্যে স্প্যানিশ লিগে ৩১টি, চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ১২টি, কোপা দেল রে তে সাতটি ও স্প্যানিশ সুপার কাপে তিনটি।

গত মৌসুমে লিগ শিরোপা, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা ও স্প্যানিশ সুপার কাপ শিরোপা ঘরে তুলেছে বার্সেলোনা। ক্লাবটির হ্যাট্রিক সাফল্যের মূলে ছিলো আর্জেন্টিনার ওই ছোট্ট জাদুকরের অসাধারণ নৈপুণ্য।

অথচ এবারের বিশ্বকাপ বা কোপা আমেরিকায় কোনো গোল করতে পারেননি মেসি। যদিও আর্জেন্টিনার বেশিরভাগ গোলের উৎস তিনি।

কিন্তু বার্সার হয়ে গত মৌসুমে ৫৩টি গোল করার পাশাপাশি ৫৫টি গোলের উৎসও ছিলেন তিনি। একই অবস্থা তেভেজেরও। ইংল্যান্ডের ক্লাব দল ম্যানচেস্টার সিটির অধিনায়ক তেভেজ। লিগে এই মৌসুমে ২১টি গোল করে যুগ্মভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন তিনি। তার নেতৃত্বেই প্রথম বারের মত চ্যাম্পিয়ন্স লিগ খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে ম্যান সিটি। এছাড়া পঞ্চমবারের মত দলকে এনে দিয়েছেন 'এফএ' কাপ শিরোপা।
আর কোপাতে রীতিমতো খলনায়ক তেভেজ। কারণ উরুগুয়ের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের পেনাল্টি শ্যুটআউটে তিনি গোল করতে ব্যর্থ হন। আর তাতেই বিদায় নিতে হয় আর্জেন্টিনাকে।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29414697 http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29414697 2011-07-17 14:51:58
Nothing-is-Impossible! অসম্ভবও সম্ভব!!!--- "Thank's GOD"! Nothing-is-Impossible! অসম্ভবও সম্ভব!!!--- "Thank's GOD"














]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29413499 http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29413499 2011-07-15 16:49:08
ফটোশপ মিসটেক এন্ড ফান!<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" /> (Worst Photoshop Mistakes ever!) " style="border:0;" />

*এক্সট্রা হাতটা কি জরুরী?
* কাঁধের দিকে খেয়াল করুন।
*আংগুল এর দিকে খেয়াল করুন!
*কালা চেহারায় সাদা পেট!


* এখানে নায়িকার কয়টা হাত?
* চোখ দুটো খেয়াল করুন!
* পা?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29349884 http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29349884 2011-03-23 18:41:30
জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে ২১শে ফেব্রুয়ারীর শহীদ মিনার!

*জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ছবি যুক্ত করা হয়েছে। * জাতিসংঘের ছয় দাপ্তরিক ভাষার ওয়েবসাইটে শহীদ মিনারের ছবি দেখা যাবে। ছবিটির নীচে পরিচিতি অংশে বলা হয়েছে, শহীদ মিনার বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনের দুঃখবহ ও সম্মানের প্রতীকি স্থাপনা।( "Shaheed Minar" is a solemn and symbolic memorial to commemorate the Language Movement in Bangladesh. February 21 is observed as International Mother Language Day)

তথ্যসূত্রঃ

"সকল ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা"


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29102547 http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29102547 2010-02-21 17:08:34
আসুন আমরাও ছাগুদের প্রতি আমাদের ঈমানী দায়িত্ব পালন করে অসীম ছওয়াবের ভাগী হই।

জামায়াত নেতাদের মতে,‘ছাত্রশিবিরকে শক্তি জোগানো, তাদের সহযোগিতা করা আমাদের ঈমানি দায়িত্ব। আমরা যে কাজ করতে পারিনি, ছাত্রশিবির তা করছে। এদের সহযোগিতা না করলে আল্লাহর দরবারে আমাদের জবাবদিহি করতে হবে।’

বর্তমানে ছাত্রলীগ আর পুলিশ ছাগুদের সায়েস্তা করতে তাদের ঈমানী দায়িছ্ব পালন করছে।আসুন আমরাও ছাগুদের প্রতি আমাদের ঈমানী দায়িত্ব পালন করে অসীম ছওয়াবের ভাগী হই।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29096031 http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29096031 2010-02-12 17:14:40
আবার সেই রগ কাঁটা শিবিরের উৎপাত!!!
হলের পেছনে নিয়ে গিয়ে গরু জবাই করার মতো করে ৭-৮ জন ধরে রাখে। দু'জন তাদের হাতে থাকা রামদা দিয়ে দু'হাত ও ডান পায়ের রগ কেটে দেয়। পাইপ দিয়ে মাথায় আঘাত করে।' কথাগুলো কোনোমতে শেষ করেই চিৎকার শুরু করেন যন্ত্রণাকাতর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতা সাইফুর রহমান বাদশা। হাসপাতালের অপারেশন
থিয়েটারে শুয়ে এভাবেই ইসলামী ছাত্রশিবির ক্যাডারদের রগ কাটার বর্ণনা দেন তিনি। শুধু বাদশা একা নন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে
আরও দু'জন ছাত্রলীগ নেতার হাত-পায়ের রগ শিবির ক্যাডাররা কেটে দিয়েছে সোমবার রাতে। আশির দশকে 'রগকাটা রাজনীতি'র প্রবর্তক ছাত্রশিবির ১৯৯৪ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বশেষ পায়ের রগ কেটে এক ছাত্রকে পঙ্গু করে দিয়েছিল। এরপর দীর্ঘদিন সে ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটলেও সোমবার রাতে তাদের নৃশংসতার মধ্য দিয়ে আবারও রগকাটা রাজনীতির প্রত্যাবর্তন ঘটল।
মানবজমিন নয়াদিগন্ত জনকণ্ঠ সংবাদ যায়যায়দিন প্রথম আলো ঈত্তেফাক সংগ্রাম আমারদেশ আমাদের সময সমকাল ভোরের কাগজ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29094706 http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29094706 2010-02-10 16:16:24
বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার অন্যতম প্রমাণ এক ভিডিও টেপ!
বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলাকে চূড়ান্ত পরিণতির দিকে নিয়ে যেতে সাক্ষ্যপ্রমাণ প্রতিষ্ঠার অন্যতম ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছিল একটি ভিডিও টেপ। যাতে ধারণ করা ছিল আত্মস্বীকৃত দুই খুনি ফারুক আর রশিদের নিজেদের জবানিতে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থাকার বর্ণনা। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার হাতে সেই ভিডিও টেপটি পৌঁছানোর পরই ঘুরে যায় মামলার মোড়। ১৯৮৩ সালে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এটি কপি করে রেখেছিলেন ভিডিও ব্যবসায়ী বখতিয়ার হোসেন। লন্ডনভিত্তিক গ্রানাডা টেলিভিশনের জন্য পলাতক খুনিদের ওই সাক্ষাৎকারটি নিয়েছিলেন সাংবাদিক অ্যান্থনি ম্যাসকারেনহাস।



http://www.youtube.com/watch?v=l292yT1FHDo]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29087873 http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29087873 2010-01-29 15:19:15
বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফাঁসি থেকে দাফনঃ(২৮-০১-১০)! (ছবি)
ফাঁসির মধ্য দিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বঙ্গবন্ধুর পাঁচ খুনিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তাদের গ্রামের বাড়িতে।

বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার আসামি সুলতান শাহারিয়ার রশীদ খানের লাশ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে নেওয়া হয় ব্রাক্ষণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার গোপীনাথপুর নিজ গ্রামে। লাশ শেষবারের মতো দেখার জন্য ভিড় করে গ্রামবাসী।

জানাজা শেষে কবরে নামানো হচ্ছে সুলতান শাহারিয়ার রশীদ খানের লাশ। পাশ থেকে সেই দৃশ্য দেখছেন স্ত্রী মাশুয়ারা খান। তার পাশে পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও গ্রামবাসী।

বঙ্গবন্ধুর খুনি সৈয়দ ফারুক রহমানের লাশ তাঁর গ্রামের বাড়ি নওগাঁর মারমা মল্লিকপুরে নেওয়া হয়েছে।

বঙ্গবন্ধুর খুনি লে. কর্নেল ফারুক রহমানের ফাঁসি কার্যকরের পর তাঁর লাশ জানাজা শেষে কবরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29087599 http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29087599 2010-01-29 00:37:50
বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন যারা!!!
১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কর্মরত এবং পরবর্তীতে রাষ্টদূত ও পররাষ্ট্র সচিব হওয়া বেশ কয়েকজন কূটনীতিকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ’৭৫-এর ৩ নভেম্বর জেল হত্যার পর কিভাবে রাষ্ট্রযন্ত্র খুনিদের দেশ থেকে বের করে নেয় এবং চাকরি দিয়ে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করে। খুনিদের বাংলাদেশের প্রতিনিধি বানিয়ে দূতাবাসগুলোতে চাকরি দেয়াকে এক লজ্জাজনক অধ্যায় অভিহিত করেছেন সাবেক কূটনীতিকরা। তারা জানান, বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দূতাবাসে চাকরি দেয়ার বিষয়টি পোল্যান্ডসহ কয়েকটি দেশ মেনেও নেয়নি। কোন কোন কর্মকর্তা নানাভাবে এ ঘটনার প্রতিবাদও করেছেন।

১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর জেলহত্যার পর ৪ নভেম্বর বঙ্গবন্ধুর খুনিদের একটি বিশেষ বিমানে রেঙ্গুন হয়ে ব্যাংকক পাঠিয়ে দেয়া হয়। খুনিচক্রকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে দেয়ার পেছনে একটি প্রভাবশালী দেশ প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করেছে। ১৯৭৫ সালের ৬ নভেম্বর ‘ব্যাংকক ওয়ার্ল্ড’ পত্রিকায় লেখা হয় : ‘ফারুক রহমান জানান, ব্যাংককে পৌঁছার পরই তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তান দূতাবাসে তাদের উপস্থিতির খবর জানিয়ে দিয়েছেন এবং ঐ দুইটি দেশে তারা রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করবেন।’ পরদিন ‘ব্যাংকক পোস্ট’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয় : জনৈক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ফারুক আজ (৬ নভেম্বর) মার্কিন কনস্যুলেটে আসেন এবং তার ও আরো ১৬ জন অফিসারের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি প্রার্থনা করেন।

পাকিস্তান সরকারের দেয়া একটি বিমানে ব্যাংকক থেকে তাদের লিবিয়া নিয়ে যাওয়া হয়। লিবিয়ার প্রেসিডেন্ট মুয়াম্মার গাদ্দাফি তাদের সাদরে গ্রহণ করেন। তারা বলেন, বাংলাদেশ থেকে তাদের সঙ্গে যান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন পরিচালক এবং পরবর্তীতে পররাষ্ট্র সচিব এবং বর্তমানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা শমসের মবিন চৌধুরী।

সব খুনিকে এক সঙ্গে লিবিয়ায় রাখা নিরাপদ নয় মনে করে ১৯৭৬ সালের ৮ জুন সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১২ জনকে বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দেন। কয়েকজন সাবেক পররাষ্ট্র সচিব ইত্তেফাককে বলেন, খুনিরা লিবিয়াতে বসে জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধেও নানা ষড়যন্ত্র করতে পারে -এই আশংকা থেকেই তাদের চাকরি দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে দেয়া হয়। তবে হত্যাকাণ্ডে নেতৃত্বদানকারী কর্নেল সৈয়দ ফারুক রহমান ও কর্নেল খন্দকার আব্দুর রশীদ চাকরিতে যোগ দিতে রাজি হয়নি। তারা জিয়া সরকার ও লিবিয়ার প্রেসিডেন্ট গাদ্দাফির সঙ্গে সমঝোতা করে সেখানে ব্যবসা-বাণিজ্য শুরু করে।

জিয়া সরকার যাদেরকে চাকরি দেয় তাদের মধ্যে লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিমকে চীন দূতাবাসে প্রথম সচিব, লে. কর্নেল আজিজ পাশাকে আর্জেন্টিনায় প্রথম সচিব, মেজর একেএম মহিউদ্দিন আহমেদকে আলজেরিয়ায় প্রথম সচিব, মেজর বজলুল হুদাকে পাকিস্তানে দ্বিতীয় সচিব, লে. কর্নেল শাহরিয়ার রশিদকে ইন্দোনেশিয়ায় দ্বিতীয় সচিব, মেজর রাশেদ চৌধুরীকে সৌদি আরবে দ্বিতীয় সচিব, মেজর নূর চৌধুরীকে ইরানে দ্বিতীয় সচিব, মেজর শরিফুল হোসেনকে কুয়েতে দ্বিতীয় সচিব, কর্নেল কিসমত হাশেমকে আবুধাবিতে তৃতীয় সচিব, লে. খায়রুজ্জামানকে মিসরে তৃতীয় সচিব, লে. নাজমুল হোসেনকে কানাডায় তৃতীয় সচিব ও লে. আবদুল মাজেদকে সেনেগালে তৃতীয় সচিব হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়। ঢাকা থেকে শমসের মবিন চৌধুরী তাদের জন্য পাসপোর্ট তৈরি করে নিয়োগপত্র, ব্যাগ, জিনিসপত্র, টাকাসহ লিবিয়া যান। আর লিবিয়ায় খুনিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে সবকিছু প্রস্তুত করেন সেনা কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম শিশু।

পরবর্তীতে এরশাদ সরকার ডালিমকে বেইজিংয়ে নিয়োগ দিতে না পেরে পরে হংকংয়ে ভারপ্রাপ্ত মিশন প্রধান হিসাবে নিয়োগ দেয়। পোল্যান্ডে ডালিমকে একই পদে নিয়োগ দিলেও সে দেশের সরকার তাকে গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানায়। এরপর লন্ডনে এরশাদ ও ডালিমের মধ্যে এক বৈঠকের ভিত্তিতে তাকে কেনিয়াতে হাইকমিশনার নিয়োগ দেয়া হয়। অন্যদের মধ্যে পরবর্তীতে আজিজ পাশা ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও রোমে দায়িত্ব পালন করে। একেএম মহিউদ্দিন আহমেদ সৌদি আরবের মিশন উপ-প্রধান হিসাবে নিয়োগ পায়। রাষ্ট্রদূত সিএম শফি সামীর দাবি অনুযায়ী তার বিরোধিতার কারণে এবং বেনজির ভুট্টো গ্রহণ করতে রাজি না হওয়ায় একই পদে মহিউদ্দিনকে করাচিতে নিয়োগ দিতে পারেননি এরশাদ। রাশেদ চৌধুরী টোকিও’র কাউন্সিলর হয়। নূর চৌধুরীকে এরশাদ আমলে আলজেরিয়ায় কাউন্সিলর হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়। এর আগে সে ব্রাজিলে চার্জ দ্যা অ্যাফেয়ার্স হিসাবে দায়িত্ব পালন করে। শরিফুল হোসেন ওমানে চার্জ দ্যা অ্যাফেয়ার্স নিযুক্ত হয়। অন্যরাও পদোন্নতি পায়। তাদের জন্য পদোন্নতি, সুযোগ সুবিধা সব অবারিত ছিল। শুধু তাই নয়, এসব খুনি এরশাদ ও খালেদা জিয়া সরকারের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় রাজনীতিতে অংশ নেয় এবং রাজনৈতিক দল গঠন করে। শাহরিয়ার রশিদ ও বজলুল হুদা ১৯৮০ সালের পর প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক শক্তি নামের একটি দল গঠন করে। ১৯৮৭ সালে ফারুক রহমান ও আব্দুর রশিদ গঠন করে ফ্রিডম পার্টি। পরে বজলুল হুদাও ফ্রিডম পার্টিতে যোগ দেয়। এর আগে ১৯৮৬ সালে এরশাদের সঙ্গে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন করে লে. কর্নেল ফারুক। বজলুল হুদা ফ্রিডম পার্টির হয়ে ১৯৮৮ সালের নির্বাচনে মেহেরপুর থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়। আর ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার ভোটার বিহীন এক তরফা নির্বাচনে কুমিল্লা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয় লে. কর্নেল রশিদ। এভাবে এরশাদ ও খালেদা জিয়ার আমলে খুনিরা সংসদে বসে।

খুনিরা বিভিন্ন দেশে চাকরিকালীন নানা ধরনের অনিয়ম ও বিশৃংখলা এবং চাকরিবিধি লংঘন করে দেশের ভাবমূর্তিও ক্ষুণœ করে। এদের মধ্যে ডালিম নানা জায়গায় অনেক অঘটনের জন্ম দেয়। তাকে পোল্যান্ড সরকার গ্রহণ না করায় নিয়োগের আদেশ না থাকা সত্ত্বেও সে লন্ডন চলে আসে। এরশাদের লন্ডন সফরের সময় হিথ্রো বিমান বন্দরের এলকক এন্ড ব্রাউন স্যুটে এবং পরবর্তীতে হোটেলে দীর্ঘ বৈঠক করে। অথচ সে সময় তার কোন নিয়োগপত্র ছিল না। কেনিয়া সরকার ডালিমের অকূটনীতিসুলভ আচরণে অসন্তুষ্ট হয়ে তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকবার বাংলাদেশ সরকারের কাছে অভিযোগ করে। ডালিম চীনে কর্মরত অবস্থায় সেখানকার রাষ্ট্রদূত আব্দুল মমিনকেও নানাভাবে হেনস্তা করে। বজলুল হুদা পাকিস্তানে দূতাবাসের কর্মচারিদের মারধর করত। আজিজ পাশা তুরস্কের কাউন্সিলর থাকাকালীন তৎকালীন রাষ্ট্রদূতকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে একটি কক্ষে আটকে রাখে। ওই রাষ্ট্রদূত তখন ঢাকায় এসওএস বা জরুরি উদ্ধার বার্তা পাঠিয়ে উদ্ধার পান।

তৎকালীন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও সাবেক পররাষ্ট্র সচিব সিএম শফি সামী বলেন, খুনিদের এভাবে রাষ্ট্রীয় আনুকূল্য দেয়া, দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে দেয়া ছিল জাতির জন্য এক লজ্জাজনক অধ্যায়। এ ঘটনাগুলো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে ভয়াবহ নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়। আনোয়ার সাদাত বেঁচে থাকাকালীন একজন রাষ্ট্রদূত পরিচয়পত্র পেশ করতে গেলে তাকে প্রকাশ্যেই তিনি বলেছিলেন, ‘আমার ট্যাংক দিয়েই তোমরা আমার বন্ধুকে হত্যা করেছ’। তিনি বলেন, ১৯৮৭ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত একেএম মহিউদ্দিনকে পাকিস্তানের করাচিতে ডেপুটি হাইকমিশনার নিয়োগ দেয়া হলে আমি তাকে মেনে নিইনি। পাকিস্তান সরকারকে জানিয়েই তিনি একেএম মহিউদ্দিনকে প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি বলেন, তিনি ’৯২-’৯৩ সালে চীনের রাষ্ট্রদূত থাকাকালেও রাশেদ চৌধুরীকে উপ-হাইকমিশনার হিসাবে নিয়োগ প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। তিনি বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে সেভাবে সংগঠিত প্রতিবাদ না হলেও অনেকে অনেকভাবে প্রতিবাদ করেছিলেন।

১৯৭৫ সালে লন্ডনে ডেপুটি হাইকমিশনার এবং সাবেক পররাষ্ট্র সচিব ফারুক চৌধুরী বলেন, হত্যাকারীদের বিভিন্ন দূতাবাসে নিয়োগ অনেকে মেনে নিতে না পারলেও তাদের কিছু করার ছিল না। কেননা সামরিক শাসকরাই তাদের নিয়োগ দেয়, সব নিয়মকানুন তাদের হাতে। আবুধাবীতে কর্মরত থাকার সময় আমার অধীনে অভিযুক্ত কিসমত হাসেমকে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল। এটা ছিল একটি অসহনীয় ঘটনা। কিন্তু রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তা হিসাবে রাষ্ট্রের নিয়োগের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা যায় না। নিয়োগের আদেশগুলো আসতো চিফ মার্শাল ল’ এডমিনিস্ট্রেটরের অফিস থেকে। তাই আদেশগুলো আমি কখনোই খুঁজে পাইনি।

হত্যাকাণ্ডের সময় ফ্রান্সে কর্মরত সাবেক পররাষ্ট্র সচিব এটিএম নজরুল ইসলাম বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনেক মেধাবী কর্মকর্তার ওপরে খুনিদের সরাসরি কাউন্সিলর, প্রথম সচিবের মত উচ্চ পদে নিয়োগ দেন জিয়াউর রহমান। এরশাদও তাদেরকে পুরস্কৃত করেন। তিনি একেএম মহিউদ্দিন, শরফুল হোসেন, আজিজ পাশাকে ঢাকায় নিয়ে আসেন এবং অন্যদের উচ্চতর পদে পদোন্নতি দেন।

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সময় সুইজারল্যান্ডের জেনেভা মিশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান এবং পরবর্তীতে সচিব পদমর্যাদায় ফরেন সার্ভিস একাডেমির প্রিন্সিপ্যাল মহিউদ্দিন আহমদ এ বিষয়ে বলেন, জিয়া সরকার প্রাথমিকভাবে খুনিদের লিবিয়াতে নিয়ে গেলেও ষড়যন্ত্রের আশংকায় তাদের সবাইকে সেখানে একসঙ্গে রাখার সাহস পায়নি। তখন তাদেরকে বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দেয়। তিনি বলেন, শমসের মবিন চৌধুরী, মেজর জেনারেল নূরুল ইসলাম শিশু ঢাকা থেকে সবকিছু তদারক করেন। নূরুল ইসলাম শিশু এখন যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমাতে বাস করেন। এই দুইজন সেনাবাহিনীতে জিয়ার ঘনিষ্ঠ ছিলেন, সহকর্মী হিসাবে খুনিদেরও চিনতেন। তিনি জানান, শমসের মবিনকে আহত মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে বঙ্গবন্ধুই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চাকরি দেন। ৭৫ এ শমসের মবিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিচালক ছিলেন।

সাবেক রাষ্ট্রদূত মোস্তফা ফারুক মোহাম্মদ এমপি ’৭৫ এ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কর্মরত ছিলেন। তিনি বলেন, এক অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে তখন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা সময় পার করেছেন। অনেকে অফিসে আসতেন না। তেমন কোন কাজ-কর্ম করতেন না কেউ। অল্প কয়েকজন কর্মকর্তা সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতেন। তৎকালীন পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে যোগাযোগ ছাড়াই খুনিদের বিদেশের বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দেয়া হয়েছে। তিনি জানান, অনেক দেশ তাদের নিয়োগ মেনে নিলেও ভিয়েতনাম, পোল্যান্ড কোন খুনিকে গ্রহণ করেনি। এমনকি পরবর্তীতে পাকিস্তানও একজনকে গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানায়।

সূত্রঃ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29087030 http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29087030 2010-01-28 01:49:27
রাজধানীর খিলগাঁওয়ে ছিনতাইকারীর কবলে এক নারী রিকশাযাত্রী!
রাজধানীর খিলগাঁওয়ে ছিনতাইকারীর কবলে এক নারী রিকশাযাত্রী।

ছিনতাইকারীদের একজন রিকশাযাত্রীর কাছ থেকে টাকা-পয়সা ও মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নিচ্ছে।

মোটরসাইকেলে চেপে পালাচ্ছে ছিনতাইকারীরা।

মোটরসাইকেলের পেছনের অংশ। খিলগাঁও ফ্লাইওভারের ওপর থেকে ছবিগুলো তুলেছেন ফটো এজেন্সি ম্যাপের আলোকচিত্রী বশীর আহমেদ
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29086741 http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29086741 2010-01-27 17:07:43
'আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে ইসলাম ধ্বংসের চক্রান্ত হচ্ছে'
'আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে' ৫ম সংশোধনী বাতিলের মধ্য দিয়ে সরকার ইসলাম ধ্বংসের চক্রান্তেনেমেছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর মতিউর রহমান নিজামী। :
:
:
:
:
.
সূত্রঃ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29086240 http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29086240 2010-01-26 20:44:58
ইসলামী আইনে গনতন্ত্র হারাম! এখানে অনৈসলামিক কিছু তো খুজে পাচ্ছি না।
***ইসলামী আইনে পরিচালিত দেশগুলোতে যেমন গনতন্ত্র মেনে নেয়া যায় না তেমনি গনতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ইসলামী রাজনীতি কায়েম ব্যামানান।
এক্ষেত্রে বাংলাদেশে ইসলামী আইন চালু করতে চাইলে, বাংলাদেশ যে আফগানিস্তানে পরিনত হবে এতে কোন সন্দেহ নাই।

ইসলামী আইন ও গনতন্ত্রের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরার চেষ্ট্রা করা হলো।

*রসূল(সাঃ) ইসলাম প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে গণতন্ত্রকে বা প্রচলিত অন্য কোনো ব্যবস্থাপনাকে মেনে নেননি। নেওয়ার প্রশ্নই আসেনা, কারণ তিঁনি কিতাব প্রাপ্ত হয়েছেন আল্লাহর কাছ থেকে,এ্যারিষ্টটলের কাছ থেকে নয় বা রোমের বাদশাহের কাছ থেকে নয়।
*তাই ইসলামী রাজনিতী তে গনতন্ত্র মেনে নেয়া যায় না।

*গণতন্ত্রের জন্মদাতা হলেন এ্যরিষ্টটল এবং তিনি প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে এ ব্যবস্থাপনা তৈরী করেছেন। এরপর তারই পথ ধরে যুগে যুগে গণতন্ত্রের অনেক প্রবক্তা এসেছেন এবং গণতন্ত্রের মূল সূত্র ঠিক রেখে তাকে নানাভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন।
আমরা যদি গণতন্ত্র সম্পর্কে বলি -

01. গণতন্ত্রে সার্বভৌমত্ব মানুষের থাকবে না,সার্বভৌমত্ব থাকবে আল্লাহর।
02. আইন মানুষ বানাবে না,আইন হবে আল্লাহর এবং মানুষ এটি কার্যকর করবে মাত্র।
03. একটি দল রাষ্ট্র শাসন করবে না,এটি করবে একজন নির্বাচিত নিরপেক্ষ ব্যক্তি এবং তার অনুগত বিভিন্ন বিষয়ে যোগ্য ব্যক্তি মন্ডলী।
04. গণতন্ত্রে একটি নির্দিষ্ট সময় পর পর শাসকগোষ্ঠী পরিবর্তিত হবে না বরং যে ব্যক্তি যোগ্যতার সাথে শাসন করবে সে আমৃত্যু করতে পারবে(যদি শারিরীক,মানুষিক সমস্যা না থাকে)।
05. গণতন্ত্রে পুঁজিবাদ প্রতিষ্ঠিত হবে না, ইসলামী শরিয়া আইন সুপ্রতিষ্ঠিত হবে।
06. দেশে কোন সরকারী দল-বিরোধী দল থাকবে না,এক উম্মাহকে ভাগ করবে না। ইত্যাদি।

*ইসলামের সাথে গণতন্ত্রের যে সমস্ত মৌলিক পার্থক্য রয়েছে তা হলো, আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ

(১) “আল্লাহ তায়ালাই হচ্ছেন তোমাদের মালিক,সার্বভৌমত্ব তারই।”(আল-কুরআন,৩৫:১৩)“অতএব পবীত্র ও মহান সে আল্লাহ,যিনি প্রত্যেকটি বিষয়ের উপর সার্বভৌম ক্ষমতার একচ্ছত্র অধিপতি।”(আল-কুরআন,৩৬:৮৩)“তুমি কি জাননা যে, আসমানসমূহ ও যমীনসমূহের যাবতীয় সার্বভৌমত্ব একমাত্র আল্লাহ তায়ালার জন্য নির্দিষ্ট,তিঁনি ছাড়া তোমাদের কোন বন্ধু নেই, কোন সাহায্যকারী নেই ?”(আল-কুরআন,২ঃ১০৭)

কিন্তু গণতন্ত্রে বলা হয়েছে “সকল সার্বভৌমত্বের একচ্ছত্র মালিক জনগণ। ”

(২) গণতন্ত্রে দলীয় শাসন থাকে অর্থাৎ রাষ্ট্র একটি দলের লোকেরা শাসন করে। কিন্তু ইসলামিক রাষ্ট্রে বহু দলের উপস্থিতি থাকলেও, কোন দল শাসন ক্ষমতা পরিচালনা করতে পারবেনা, কারণ এতে পক্ষপাতিত্বের সম্ভাবনা খুব বেশী এবং আমরা তা বর্তমান ব্যবস্থাপনায় দেখতে পাই। খলিফা (ইসলামী রাষ্ট্রের প্রধান)বা জনগণের প্রতিনিধি কোন দলের লোক হলে তিনি দল ত্যাগ করে খলিফা হবেন। দলের সাথে তার কোন সংযোগ থাকবে না এবং তিনি যোগ্যতার ভিত্তিতে রাষ্ট্রের নাগরিকদের মধ্যথেকে বিভিন্ন বিষয়ে কর্মকর্তা নিয়োগ করবেন।

(৩) গণতন্ত্রে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত শাসক ক্ষমতায় থাকে। কিন্তু ইসলামী খিলাফতে শাসক যতক্ষণ যোগ্যতার সাথে শাসনকার্য পরিচালিত করতে পারবেন ততক্ষণ থাকবেন,তিনি ব্যর্থ হলে ঐ মুহুর্তেই বিদায় নিবেন বা বিদায় করা হবে (খিলাফতকে প্রতিষ্ঠিত করা এবং খলিফাকে নির্বাচিত করা যেমন ফর্‌জ তেমনিভাবে তিনি কুরআন সুন্নাহ অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যর্থ হলে তাকে হটিয়ে দেওয়াও ফর্‌জ দায়িত্ব,যা জনতা ইবাদত হিসেবে পালন করে।) ।

(৪) গণতন্ত্রে সংখ্যাগরিষ্ঠ সংসদ সদস্যের মতামতে একটি আইন পাস হয় এবং তা যেকোন ব্যাপারেই হতে পারে। আইনসভার সংখ্যা গরিষ্ঠ সদস্য যদি বলে- মানুষ হত্যা করা উচিৎ তাহলে, তা আইনে পরিনত হবে(ইরাক,ফিলিস্থিন,লেবানন,আফগানিস্থানে নিরপরাধ মানুষের উপর হত্যাযজ্ঞ চালানোর আগে আমেরিকা,ইসরাইল এবং সহযোগী অন্য দেশগুলোর আইনসভায় এ সংক্রান্ত প্রস্তাব উত্থাপিত হয় এবং সংখ্যা গরিষ্ঠের ভিত্তিতে তা পাস হয় অর্থাৎ নিরপরাধ মানুষ মারার ব্যাপারটি রাষ্ট্রীয়ভাবে জায়েজ করা হয়,এ ব্যাপারে আপনারা অবগত আছেন।)

কিন্তু ইসলামে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মতামত যদি ইসলামের সুস্পষ্ট আইনের বিরোধী হয় তাহলে তা কখনই গ্রহন যোগ্যতা পাবেনা। তবে এমন কোন ব্যাপার যদি হয়- যার সাথে ইসলামের কোন বিরোধ নেই তবে সে সমস্ত ক্ষেত্রে সংখ্যা গরিষ্ঠের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ
“যারা আমার আবতীর্ণকরা বিধান দ্বারা সমাজে বিধান দেয়না বা শাসনকাজ পরিচালনা করেনা , তারাই কাফির, ...তারাই জালিম, ...তারাই ফাসিক।”(আল-কুরআন,৫ঃ৪৪-৪৬) “তিঁনি তোমাদের জন্য জ্ঞান ও যুক্তিপূর্ণ কিতাব নাযিল করেছেন ,যা তোমাদেরকে নিয়ম কানুন প্রদান করে।”(আল-কুরআন,২ঃ২৩১) “তিঁনিই আল্লাহ, তিঁনি ব্যাতিত কোন ইলাহ নেই, দুনিয়া ও আখিরাতে সমস্ত প্রশংসা তাঁরই, বিধান আল্লাহর, তোমরা তাঁর দিকেই প্রত্যাবর্তিত হবে।” (আল-কুরআন,২৮ঃ৭০)

কিন্তু গণতন্ত্র বলে-বিধান জনগণের, আইন তৈরী করবে জনগণের প্রতিনিধিরা।

(৫) গণতন্ত্রে জনগণকে শাসন তত্বাবধানের দ্বায়ীত্ব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে জনগণের রায় নিয়ে যেই ক্ষমতায় যায়, সমস্ত ক্ষমতা তাদেরকে কেন্দ্র করে আবর্তিত,পরিচালিত হয়,শাসন ক্ষমতার ৪/৫ বছরে জনগণের আসলেই কোন ক্ষমতা থাকেনা। শাসকগোষ্ঠী ভুল করলে বা জনস্বার্থ বিরুদ্ধ কাজ করলে তা সংশোধনের জন্য ৪/৫ বছর অপেক্ষা করতে হয় নির্বাচনের মাধ্যমে আরেকটি ভাল রায় দেওয়ার জন্য এবং সেটি মিস্‌ হলে বা জনগণ প্রতারিত হলে আবারও ৪/৫ বছর কপাল চাপড়াতে হয়।

কিন্তু ইসলামী খিলাফত পদ্ধতিতে প্রতিনিধি বা খলিফা যে কোনো সময় ভুল করলে সমাজের যে কোন শ্রেণীর লোক সামনা সামনি খলিফার ভুল ধরিয়ে দিতে পারে, কৈফিয়ৎ নিতে পারে, এমনকি তাকে কটাক্ষ করে কথা বললেও খলিফার কিছুই করার নেই। কারণ ব্যক্তিগতভাবে রাগান্বিত হয়ে তিনি কিছুই করতে পারেন না। ভুল শুধরাতে ব্যর্থ হলে তাকে তাৎক্ষনিকভাবে বিদায় নিতে হয়।

(৬) গণতন্ত্রে নেতা নিজের চরিত্র সম্পর্কে উত্তম বয়ান করে তাকে ভোট দিতে বলেন এবং তিনি নেতৃত্বের যোগ্য বলে ঘোষণা করেন। শুধু তাই নয় অন্য প্রার্থী তার থেকে কোন ক্রমেই ভালো নয় একথা নিশ্চয়তার সাথে প্রচার করেন ও প্রকাশ্যভাবে বা অপ্রকাশ্যভাবে তার গীবত করেন। অনেক সময় তার বিরুদ্ধে কাল্পনিক অভিযোগ পেশ করেন এবং অন্যায়,কুটিল,অদ্ভুত চাল চালেন যাতে মানুষ তাকে ফেরেশতা এবং তার প্রতিপক্ষকে শয়তান মনে করে।

কিন্তু ইসলামে নেতৃত্ব চাইলেই- তিনি নেতৃত্ব দানে অযোগ্য বলে বিবেচিত হন এবং তিনি বাদ পড়েন বা বিদায় হন। রসুল(সাঃ) নেতৃত্ব দাবী করা লোকটিকে বাদ দিয়ে অন্যদের মধ্য থেকে নেতা খুঁজতে বলেছেন, কারণ নেতৃত্ব চেয়ে নেওয়ার কারনে সে নেতৃত্বের যোগ্যতা হারিয়েছে(একদা দুই প্রভাবশালী ব্যক্তি এসে রসূল (সাঃ)কে বললেন,ইয়া রাসুলুল্লাহ ! আমাদেরকে আমাদের এলাকার শাসক মনোনিত করুন। রসূল(সাঃ)বললেন,“আমরা এরুপ ব্যক্তিকে কোন পদে মনোনিত করি না,যে তার পদ চেয়ে নেয় বা পদের প্রতি লালায়িত হয়।”(বুখারী))। আর খলিফা নির্বাচনের পর যদি অন্য কেউ এসে বলে এ ব্যক্তি খলিফা হবার অযোগ্য,আমিই যোগ্য, আমাকে খলিফা বানানো হোক তাহলে রসূল (সাঃ) বলেন- এ লোকটিকে হত্যা কর। কারণ সে ফেত্‌না সৃষ্টি করতে চায়,ফেৎনা হত্যা অপেক্ষা ভয়াবহ। আর খলিফার ব্যাপারটা এমন যে খলিফা আল্লাহর আইন বাস্তবায়ন করেন। কুরআন,সুন্নাহ,ইয্‌মা,ইজতিহাদ অনুসরণ করে সমস্যার সমাধান করেন। মৌলিক ক্ষেত্রে নিজের মতামত দিতে তিনি অক্ষম তাই আল্লাহর প্রতি অনুগত মানুষ তার কথায় দ্বিমত পোষণ করেনা বরং আল্লাহর ইবাদতের স্বার্থেই জনগণ খলিফার আদেশ,উপদেশ,নিষেধ মেনে চলে। এতে জনগনের ঐক্যে ফাটল ধরার সম্ভাবনা খুবই কম (রসূল(সাঃ)বলেন,‘কোন ব্যক্তি যদি আমীরের (রাষ্ট্রের শাসক বা খলিফা)আনুগত্য ছিন্ন করে এক বিঘৎও দূরে সরে যায় এবং এই অবস্থায় তার মৃত্যু হয় ,তাহলে সেই মৃত্যু হবে তার জাহেলিয়াতের মৃত্যু।’-মুসলিম শরীফ) । খলিফা নির্বাচন নিয়ে অরাজকতা সৃষ্টির আশংকা কম, কারণ এত কঠিন দায়ীত্ব সাধারনতঃ কেউ নিতে চায় না। তাছাড়া এ দায়ীত্বের সাথে বৈষয়িক অনেক লোকসান জড়িত।

(৭) গণতন্ত্রে সরকারী দল - বিরোধী দল থাকে এবং তারা একে অন্যের প্রতিপক্ষ কিন্তু খিলাফতে বহু দলের অস্তিত্ব থাকলেও কোন দল সরকার গঠন করে না। প্রত্যেকটা দলের থেকে মানুষেরা তাদের নিজেদের কাছে বিশ্বাসযোগ্য,ঈমানদার,আলিম বা উচ্চ শিক্ষিত,উত্তম চরিত্রবান,যেকোন পরিস্থিতিতে নেতৃত্ব দিতে সক্ষম এমন এক বা একাধিক জনকে খলিফা মনোনিত করতে পারেন এবং এরপর নির্বাচন কমিটির(নির্বাচন কমিটির সদস্যরা খলিফা হিসেবে নির্বাচিত হতে পারবেন না) কাছে পাঠাবেন। যাকে মতোনিত করা হবে বা নির্বাচিত করা হবে তিনি নিজে এ পদ চাইতে পারবেন না,তবে মনোনিত করা হলে বিশেষ গুরুতর কারণ ছাড়া এ নেতৃত্ব প্রত্যাখ্যান করতে পারবেন না। খলিফা কোন দলের হলেও তিনি দলের প্রতিনিধিত্ব করেন না। খলিফা হবার আগে দলত্যাগ করেন এবং তার কাছে তখন জাতি, ধমর্, বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষ সমান। এটি খলিফার কাছে ফর্‌জ ইবাদত তাই প্রকাশ্য ও গুপ্ত উভয় অবস্থাতে তার নীতি,প্রচেষ্টা কল্যানকর হবে।

(৮) গণতন্ত্রে শাসক এমন কতৃপক্ষের নিকট জবাবদিহিতার নীতিতে বিশ্বাসী হয় যাদেরকে(মানুষ) শাসক ফাঁকি দিতে পারে, আপোস রফা করতে পারে। কোন কোন ক্ষেত্রে মানুষের পক্ষে শাসকের সুক্ষ্ম ফাঁকি ধরা সম্ভব হয়না, কারণ সে সীমাবদ্ধ জীব।

কিন্তু ইসলামী ব্যবস্থাপনা বা খিলাফতে শাসক স্রষ্টা আল্লাহর নিকট জবাবদিহিতার নীতিতে বিশ্বাসী হয় আর আল্লাহ প্রকাশ্য ও গুপ্ত সকল অবস্থা অবগত। তিনি মানুষিকতা,বাহ্যিকতা,অতীত,বর্তমান,ভবিষ্যত সবকিছুর হিসাব রাখেন। আল্লাহকে ফাঁকি দেওয়া সম্ভব নয়,এটি খলিফা জানেন,মানেন, কারণ তিনি ঈমানদার। তিনি আল্লাহর নিকট কৈফিয়ৎ প্রদানে বিশ্বাসী।

(৯) গণতন্ত্র সমাজে পুঁজিবাদ প্রতিষ্ঠা করে। কিন্তু ইসলাম প্রতিষ্ঠা করে- কুরআন ও সুন্নাহ যা পদ্ধতিগতভাবে পুঁজিবাদকে পুরোপুরি খতম করে।

(১০) গণতান্ত্রিক শাসনে সমাজে সরকারী দল ,বিরোধী দলের বিরোধ ছাড়াও উঁচু শেণী ও নীচু শ্রেণীর মধ্যে মারাত্মক বৈষম্য সৃষ্টি হয়। ইসলামী ব্যবস্থাপনা বা খিলাফতে সরকারী দল,বিরোধী দল থাকে না এবং ধনী ও দরীদ্রের বৈষম্য থাকে না।

(১১) গণতন্ত্রে সম্পদ শুধু ধনীদের মধ্যে আবর্তন করে এতে ধনী হয় আরো ধনী,গরীব হয় আরো গরীব। এ ব্যবস্থায় গরীবের কাছ থেকে সম্পদ পদ্ধতিগতভাবে ধনীর হাতে গিয়ে আটকে থাকে।
খিলাফতে সম্পদ ধনী ও গবীবের মাঝে আবর্তন করে। ইসলামিক অর্থনীতি প্রতিষ্ঠিত হবার কারনে ধনীরা গরীবের প্রাপ্য সম্পদ ফর্‌জ ইবাদত হিসেবে প্রদান করতে বাধ্য থাকে। কতিপয় ব্যক্তি কতৃক নয় বরং রাষ্ট্র কতৃক অর্থনীতি নিয়ন্ত্রিত হয় ,এতে সম্পদের ভারসাম্য প্রতিষ্ঠিত হয় এবং সকল নাগরিকের কল্যান সাধন হয়।

(১২) গণতন্ত্রে জনগণের সম্পদ ব্যক্তি বা তাদের প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়া হয় আর ব্যক্তির বৈশিষ্ট হলো সে কখনই লোকসান করতে চায় না,যে ভাবেই হোক না কেন সে লাভ করতে চায়। ফলে তাদের লাভের চিন্তা জনগণের অপরিসীম দুঃখ কষ্ট বয়ে আনে।

কিন্তু খিলাফতে খলিফা বা শাসক জনতার পক্ষ থেকে তাদের সম্পদের(পানি,বনভূমি,তেল,গ্যাস,কয়লা ইত্যাদি) সুষ্ঠ ব্যবহার করেন এবং সুষম বন্টন করেন। খিলাফত সরকার যদি হিসাব করে দেখে তারা জনগণকে সরকারী বিভিন্ন সুবিধা,সেবা বিনা মূল্যে প্রদান করতে পারছে,তবে খিলাফত সরকার জনগণকে সেগুলো ফ্রি দিয়ে থাকে। এ সরকার লাভের চিন্তা করে না বরং সেবার দিকটিই প্রাধান্য পায়। শাসক এ কাজটি ইবাদত হিসেবে করেন ফলে নিষ্ঠা,আন্তরিকতা,একাগ্রতার ছাপ থাকে প্রতিটি বৈধ কাজে।

(১৩) গণতন্ত্রে কিছু পুঁজিপতি বাজার নিয়ন্ত্রণ করে এবং তারা তাদের লাভের জন্যে কৃত্তিম সঙ্কট সৃষ্টি করে লাভবান হবার চেষ্টা করে। জনগণের ক্রয় ক্ষমতা এখানে বিবেচ্য বিষয় নয়,মুনাফাই বিবেচ্য। গণতন্ত্রে এটা বৈধ এবং মুক্ত বাজার অর্থনীতিতে(পুঁজিবাদে) শাসকের কিছুই বলার নেই।

কিন্তু খিলাফতে জনগণের ক্রয় ক্ষমতা অনুযায়ী পণ্য দ্রব্যের মূল্য নিরুপিত হয়,সরকার ব্যপক ভূর্তুকী দেয়। কতিপয় ব্যক্তি এখানে বাজার নিয়ন্ত্রণ করে না। বাজার নিয়ন্ত্রণ করে সরকার এবং পণ্য দ্রব্য মজুদ করে কৃত্তিম সঙ্কট সৃষ্টিকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির বন্দোবস্ত রয়েছে। তাছাড়া শাসক জনতাকে আল্লাহর ভয়ে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে আচরণ করতে উদ্বুদ্ধ করেন। ফলে সামাজিক,অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি এখানে স্বতস্ফুর্ত।

(১৪) গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ধনী, প্রভাবশালী শ্রেণী বেশী সম্পদশালী হবার কারনে এবং গরীবেরা পদ্ধতিগতভাবে বঞ্চিত হবার কারনে সমাজে নিরাপত্তাহীনতার সৃষ্টি হয়। বঞ্চিতরা ক্ষুব্ধ হয় এবং তাদের ক্ষোভের বহির্প্রকাশে ধনীরা অধিক পরিমানে নিরাপত্তা হীনতায় ভূগতে থাকে,মধ্যবিত্তরাও এর দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সমাজে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

কিন্তু খিলাফত ব্যবস্থায় ধনী লোকেরা গরীবকে সম্পদের ভাগ দেওয়ার কারনে উভয়ের মধ্যে সৌহার্দপূর্ণ অবস্থা বিরাজ করে ফলে ধনীরা গরীব কতৃক ক্ষতির শিকার হয়না বরং তারাই তাকে নিরাপত্তা দিতে থাকে।

(১৫) গণতন্ত্র তৈরী হয়েছে ইসলাম বিরুদ্ধ চিন্তা চেতনা থেকে এবং এটি কুরআন,সুন্নাহ বহির্ভূত। কিন্তু ইসলামী খিলাফত ব্যবস্থা আল্লাহ কতৃক মনোনিত এবং রসূল(সাঃ)কতৃক অনুসৃত। গণতন্ত্র তৈরী হয়েছে সৃষ্ট জীব মানুষের চিন্তা,পরিকল্পনা থেকে অপরদিকে খিলাফত ব্যবস্থা তৈরী হয়েছে মহান স্রষ্টা আল্লাহ তায়ালার পরিকল্পনা থেকে।

* সবকিছু পর্যালোচনা করে কি বলা যায় না ইসলামী আইনে গনতন্ত্র হারাম?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29085534 http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29085534 2010-01-25 16:52:17
দুইটা মজার জোকস! (-১৮)
ডাক্তার-রোগী
ডাক্তার : আপনাকে কতবার বলেছি চর্বিজাতীয় খাবার খাবেন না।
রোগী : খেতে চাই না, কিন্তু জিহ্বা যে মানে না।
ডাক্তার : এত বড় শরীর ছোট এক জিহ্বার সঙ্গে পারেন না, এ কেমন কথা?
রোগী : জিহ্বা তো আর একা নয় পেটও যে তাকে সাপোর্ট করে।

******************************************************************
পাখি
১ম বন্ধু : তোকে যে পাখিটা দিয়েছিলাম সেটা কেমন?
২য় বন্ধু : হেভি টেস্টি।
১ম বন্ধু : বলিস কি, তুই ওটা খেয়ে ফেলেছিস? জানিস পাখিটা সাতটা ভাষায় কথা বলতে পারত?
২য় বন্ধু : তাই নাকি। কই জবাই করার সময় তো কিছু বলল না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29084798 http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29084798 2010-01-24 15:32:00
ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিত!!! (বন্ধু/শত্রু)!
দক্ষিন এশিয়ার অন্যতম অর্থ ও সামরিক শক্তি হিসাবে প্রতিবেশী ভারতের কাছ থেকে আমাদের দিপাক্ষিক সমস্যার সমাধান ও সার্থ আদায়ে সহায়ক আপনার মতে কোনটা হতে পারে?

*** + বন্ধু ও সহযোগী প্রতিবেশির ভূমিকা পালনের মাধ্যমে!
*** - শত্রু ও বৈরী প্রতিবেশির ভূমকা পালনের মাধ্যমে!

প্রিয় ব্লগার-ব্লগারিনী আপনারাই নির্ধারন করুন (প্লাস বা মাইনাসের) মাধ্যমে আপনার মতে কোনটা সঠিক হতে পারে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29084286 http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29084286 2010-01-23 19:03:11
কবিরাজী "শক্তি বর্ধক" ওষুধ হইতে সাবধান!!! ৪ জনের মৃত্যু!!!

কবিরাজি ওষুধ খেয়ে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় চার ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

শুক্রবার সকালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে একজন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাকি তিনজনের মৃত্যু হয়।

মৃতরা হলেন- উপজেলার মনতলা গ্রামের আবদুর রহমান ওরফে মুক্তা (২৮), চানু মিয়া (২৬), কাইকারচালা গ্রামের বাচ্চু মিয়া (২৩) ও আবদুল লতিফ (৩৫)।

এদের পরিবারের বরাত দিয়ে ঘাটাইল থানার ওসি মোমিনুর রহমান জানান, উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের মনতলা গ্রামের আবদুর রহমান মুক্তা বাড়িতে বৃহস্পতিবার এক কবিরাজ শক্তি বর্ধক ওষুধ তৈরি করেন।

সন্ধ্যা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত মুক্তাসহ পাঁচজন এই ওষুধ খান। তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে কবিরাজ পালিয়ে যান।

ওসি জানান, অসুস্থদের মধুপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কবিরাজের পরিচয় কেউ জানাতে পারেনি।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের ময়মনসিংহ প্রতিনিধি জানান, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনার পথে চানু মিয়া মারা যান। তার লাশ বাড়িতে নিয়ে গেছে পরিবারের লোকজন।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয় বাকি তিনজনকে।

এদের মধ্যে সকাল ৯টায় মারা যান মুক্তা। আধা ঘণ্টা পরে মারা যান বাচ্চু মিয়া।

অবস্থার অবনতি হলে আব্দুল লতিফকে স্থানান্তর করা হয় করোনারি কেয়ার ইউনিটে। কিন্তু পৌনে ১টার দিকে তিনি মারা যান।

ময়মনসিংহ হাসপাতালে লতিফের বড় ভাই তারা মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, বৃহস্পতিবার রাত ২টার সময় পাশের ঘরে থাকা তার ভাই বমি করতে শুরু করেন। শব্দ শুনে ঘরে গিয়ে দেখেন তার ভাই ক্রমাগত বমি করছেন।
তাকে দ্রুত একটি মাইক্রোবাসে করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। অসুস্থ অন্যরাও আরেকটি মাইক্রোবাসে ময়মনসিংহ হাসপাতালে আসে।

তারা মিয়া বলেন, এদের সবারই বাড়ি পাশাপাশি।

হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, ভর্তি হওয়া রোগীরা বিষাক্ত কিছু খেয়েছে। এরই প্রতিক্রিয়ায় অসুস্থ হয়ে এরা মারা গেছেন।

১৩ নম্বর ওয়ার্ডে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. রুহুল আমীন খান বলেন, 'আননৌন পয়জনিংয়ে' এরা অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন।

তিনজনের লাশ ময়মনসিংহ মেডিকেলে ময়না তদন্তের অপেক্ষায় আছে।

তথ্য সূত্রঃ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29083902 http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29083902 2010-01-23 01:18:34
"টিপাই মুখ বাঁধ" মানে সিলেট রক্ষা বাঁধ!
বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর বিষয়ে ইংরেজি দৈনিক দি ইনডিপেডেন্ট ও সেন্টার ফর ফরেন অ্যাফেয়ার স্টাডিজ'র যৌথ আয়োজনে রাজধানীর বেল টাওয়ারে এক আলোচনা সভায় তিনি এই কথা বলেন।

জাতীয় পার্টির এই সাংসদ বলেন, "আমি এই বক্তব্যের পূর্ণ দায়িত্ব নিয়ে বলছি ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশই এই বাঁধের দাবি জানায়।"

গত বছরের সেপ্টেম্বরে তখনকার ভারতীয় হাই কমিশনার পিনাক রঞ্জন রায়ও বলেছিলেন, উত্তর-পূর্ব ভারতের বরাক নদীর উপরে এই বাঁধের দাবি ছিল বাংলাদেশের।

একই কথার পুনরাবৃত্তি করে আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, "বাংলাদেশের নিুাঞ্চলে বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য এই বাঁধের দাবি করা হয়। তবে অবশ্যই আমরা টিপাইমুখের ভাটিতে ফুলেরতলা ব্যারেজের বিরোধিতা করেছিলাম।"

সভার প্রধান অতিথি পররাষ্ট্র মন্ত্রী দীপু মনি আনিসুল ইসলাম মাহমুদের বক্তব্যের সমর্থন করে বলেন, ১৯৭৮ সালে ভারতের সঙ্গে যৌথ নদী কমিশনের ১৪তম সভায় বাংলাদেশের উজান অঞ্চলে একটি জলাধার নির্মাণের জন্য ভারতের সঙ্গে যৌথ জরিপের ব্যাপারে একমত হয়েছিল।

এই বাঁধ নির্মাণের প্রস্তাব দেওয়ার মূল উদ্দেশ্য ছিল সিলেট অঞ্চলে বন্যা নিয়ন্ত্রণে আনা।
গত বছরের ৬ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বিএনপি এই বাঁধের বিরোধিতা করে আসছে।

বাংলাদেশ ও ভারত উভয় দেশের পরিবেশবিদরাই প্রবলভাবে বরাক নদীর উপর টিপাইমুখ এলাকায় এই বাধের বিরোধিতা করছেন। বরাক নদীটি বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে।

সিলেট অঞ্চলের শত শত খাল ও কয়েকটি প্রধান নদীর জীবন সুরমা নদীর পানি প্রবাহের ওপর পুরোপুরি নির্ভর করে। আর এইসব নদীকে ঘিরে এই অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষের জীবন ও জীবিকার সংস্থান হয়েছে।

গত বছরের ২৯ জুলাই ভারতীয় সরকারের উদ্যোগে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের একটি প্রতিনিধি দল টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ এলাকা পরিদর্শন করে এসে সাংবাদিকদের জানান, ভারতীয় সরকার তাদের আশ্বস্ত করেছে যে বাংলাদেশের ক্ষতি করে কোনো কিছুই করা হবে না।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের সময়ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রীকে আবারো আশ্বস্ত করেন যে ভারত বাংলাদেশের ক্ষতি করে কোনোকিছুই করবে না।

Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29082468 http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29082468 2010-01-20 19:18:37
আমাদের দেশী মগজ ধোলাই করার চেষ্ট্রা নিজামী-খালেদার!
এই যুগ মানে একবিংশ শতাব্দীতে আইসাও খালেদা-নিজামী দেশ বিক্রির অপবাদ দিয়া রাজনৈতিক বিজয় অরজন করিবার চায়।
ল্যাংটা পোলাপাইন ছাড়া আর কারও মগজ ধোলাই করতে পারবো বইলা আমার মনে হয় না।
তার পরও,,,
আমাদের দেশী মগজ ধোলাই করার চেষ্ট্রা নিজামী-খালেদার!

* নিজামীর কৌশল!

* খালেদা জিয়ার কৌশল!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29081864 http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29081864 2010-01-19 17:20:50
ছাত্রদের বাবাদের দল ছাত্রদল!

সংসদ নির্বাচন করার পর কেউ ছাত্রদল সভাপতি হয়েছেন এমন নজির আর নেই। আর আলীম নারী কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত।
সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু '৮৬ সালে এসএসসি পাস করে '৮৯-৯০ সেশনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। প্রায় এক যুগ আগে তার ছাত্রত্ব শেষ হয়েছে। তার ভাই আবদুস সালাম পিন্টু ও মাওলানা তাজউদ্দিন ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার আসামি।
আমিরুল ইসলাম খান আলীম '৮৬ সালে এসএসসি পাস করেন। তার বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারির ব্যাপক অভিযোগ রয়েছে। ২০০৪ সালে তার জুনিয়র ছাত্রনেতা সালামের প্রেমিকার সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগে ঢাবির ১২টি হলের ১৯ জন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক আলীমের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনেন। পরে তাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে অব্যাহিত দেওয়া হয়। এ ধরনের নানা অভিযোগের কারণে ক্যাম্পাসে অনেকে তাকে সেঞ্চুরি মানিকের সঙ্গে তুলনা করেন। তিনি বিবাহিত নাকি অবিবাহিত কেউই তা নিশ্চিত করে বলতে পারেন না। ওয়ান ইলেভেনের পর নিষ্ক্রিয় ছিলেন। দলের সংকট মুহূর্তে নিজেকে আড়াল করে ফেলেন বলেও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তবে নেতাকর্মীদের ম্যানেজ করার ব্যাপারে পটু আলীম।
সিনিয়র সহ-সভাপতি শহিদুল ইসলাম বাবুল দুই সন্তানের জনক। কমিটি ঘোষণার অনেক আগে থেকেই ছাত্ররাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দেন তিনি। এর আগেও দু'বার কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ছিলেন তিনি।

Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29081283 http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29081283 2010-01-18 20:29:17
অবশেষে গ্যালিভার আর লিলিপুটের সাক্ষাত!!!

ইউটিউব থেকে ভিডিও

দুজনের মধ্যে অমিলের শেষ নেই। কিন্তু তুরস্কে গণমাধ্যমের সামনে এক মঞ্চে সমবেত হওয়া দু'জনই গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডধারী। একজন পৃথিবীর সবচেয়ে খাটো, আর অন্যজন সবচেয়ে লম্বা মানুষ।

৭৪.৬১ সেন্টিমিটার (৩০ ইঞ্চিরও কম) উচ্চতার চীনের পিংপিং হচ্ছেন বিশ্বের সবচেয়ে খাটো মানুষ।

অন্যদিকে, ২৪৬.৫ সেন্টিমিটার উচ্চতার (আট ফুটেরও বেশি) লম্বা তুরস্কের সুলতান কোসেন হচ্ছেন বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা মানুষ।

কিন্তু গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড করে লম্বা, খাটো দুজনই এখন তারকা। দুজনের মধ্যেই যেন চমৎকার এক বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছে।



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29080553 http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29080553 2010-01-17 21:10:52
বাংলাদেশের রাজনীতিতে ভারতবিরোধিতার বিষয়টিকে স্রেফ মেঠো বক্তৃতার অংশ!
বাংলাদেশে রাজনীতিতে ভারতবিরোধিতার বিষয়টিকে স্রেফ মেঠো বক্তৃতার অংশ বলেও মনে করেন তিনি।

সম্পত্তির তথ্য গোপনের মামলায় মঙ্গলবার সংসদ ভবনের বিশেষ জজ আদালত- ৪ এ তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, "রাজনীতি হচ্ছে স্বার্থের ময়দান, আদর্শের নয়। সবার আগে নিজের স্বার্থ। আমার নিজের স্বার্থ যেখানে বিপন্ন হবে, সেখানে আমি নেই। পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবের পরে দেশ। আগে আমার জামিন, তারপর দেশপ্রেম। জামিন না হলে দেশপ্রেম দিয়ে কী করব!"

মুজিব বা জিয়ার আদর্শের কথা বলে যারা রাজনীতি করেন, তারা নিজেদের স্বার্থেই ওই আদর্শকে ব্যবহার করেন বলেও দাবি করেন তিনি।

সালাউদ্দিন কাদের বলেন, "মাঠের রাজনীতির কারণে আমরা ভারতের বিরুদ্ধে কথা বলেছি। দেশ বিক্রি হয়ে যাবে, ভারত এ দেশ দখল করে নেবে। এসব আসলে কথার কথা। ভারতও এ কথা জানে।"

২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "ওই হামলার পরিকল্পনা আগে থেকে জানতে না পারা চারদলীয় জোট সরকারের ব্যর্থতা। এর দায়-দায়িত্ব নিয়ে ওই সময়ের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত ছিল।"

দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক আকতার হামিদ ভূঁইয়া গত বছরের ১৩ জুন রাজধানীর রমনা থানায় সালাউদ্দিন কাদেরের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন।

এতে অভিযোগ করা হয়, আসামি অবৈধভাবে প্রায় ৯ কোটি ৪৬ লাখ টাকার সম্পত্তির মালিক হয়েছেন। একইসঙ্গে কমিশনে জমা দেওয়া সম্পদের হিসাব বিবরণীতে তিনি প্রায় ৯১ লাখ টাকার সম্পত্তির তথ্য গোপন করেছেন।

গত বছরের ১ অক্টোবর কমিশনের উপ-পরিচালক মো. মানিরুজ্জামান ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে এ মামলায় অভিযোগপত্র দেন।

সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে গতবছর ৩ ফেব্র"য়ারি গ্রেপ্তার করে যৌথবাহিনী। এখন তিনি কারাগারে আছেন।
(বিডি নিউজের পুরনো খবর)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29079583 http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29079583 2010-01-16 16:13:58
জামায়াতে ইসলামী শুধু বাংলাদেশে নয় পাকিস্তানেও নিষিদ্ধ ছিল!
সৈয়দ আবুল আলা মওদুদী সূচিত এই সংগঠনটির মূল নাম ছিল জামায়াতে ইসলামী হিন্দ। ১৯৪১ সালের ২৬ আগস্ট এর প্রতিষ্ঠা।
১৯৬২ সালে আইয়ুব খান প্রণিত মুসলিম পরিবার আইন অধ্যাদেশের বিরোধিতা করার কারণে ১৯৬৪ সালের ৪ জানুয়ারি জামায়াতে ইসলামীর কর্মকান্ডের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। মওদুদী সহ ৬০ জন জামায়াত নেতাকে গ্রেফতার করা হয়। এর মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানের ১৩ জন জামায়াত নেতা ছিলেন। গু. আযম তাদের একজন। পরবর্তিতে আবার নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হয়।
পরবর্তীতে জামায়াতে ইসলামী আওয়ামী লীগ প্রদত্ত ছয় দফা এবং মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ঘোষিত ১১ দফার তারা তীব্র বিরোধিতা করে। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী পশ্চিম পাকিস্তানে ৪ টি আসন লাভ করে।
১৯৭১ সালে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের তীব্র বিরোধিতা করেন। ২৫ মার্চ রাতে সংঘটিত অপারেশন সার্চলাইট এর ছয় দিন পর গু. আযম ঢাকা বেতার কেন্দ্র থেকে একটি ভাষণ দেন।
জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে সাহায্য করতে রাজাকার, আলবদর, আলশামস্ প্রভৃতি বাহিনী গড়ে তোলেন। এরা পুরো মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানী বাহিনীর পক্ষে কাজ করে। ৩০ জুন লাহোরে সাংবাদিকদের কাছে গু. আযম বলেন, "তাঁর দল পূর্ব পাকিস্তানে দুস্কৃতকারীদের (মুক্তিযোদ্ধা) তৎপরতা দমন করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করছে ।
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল পাকিস্তানের অখন্ডতা রক্ষার উদ্দেশ্য ঢাকায় শান্তি কমিটি গঠন করা হয়। এর সদস্য ছিলেন পাকিস্তানপন্থী রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্বরা। গু.আযম ও এই কমিটির সদস্য ছিলেন।
১৯৭১ সালের পর ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হলে জামায়াত ও এর আওতায় পড়ে। ১৯৭৬ সালের আগস্টে জিয়াউর রহমান সরকার সকল ধরণের রাজনৈতিক দলের রাজনীতি উন্মুক্ত করে রাজনৈতিক দল অধ্যাদেশ ঘোষণা করেন। এ সময় ইসলামিক ডেমোক্র‌্যাটিক পার্টি নামক একটি দলের সাথে জামায়াতে ইসলামী যুক্ত ছিল। পরে গোলাম আযম বাংলাদেশে ফিরে এলে ১৯৭৯ সালের মে মাসে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ গঠিত হয়। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29075357 http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29075357 2010-01-09 23:23:53
যে গানটি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের জন্য বিবেচনা করা হয়েছিল! http://www.youtube.com/watch?v=52T1jNZcfDQ

দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের ‘ধন ধান্য পুষ্প ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা’ গানটি রচনার শতবর্ষ পূর্ণ হলো ২০০৯ সালে। এ উপলক্ষে গানটি গাওয়ানো হলো অন্যরকমভাবে। অর্থাত্ যেভাবে সচরাচর শোনা যায়, তার থেকে একটু আলাদা করে। গানটির বিভিন্ন অংশে কণ্ঠ দিয়েছেন ৫২ জন শিল্পী। এঁদের মধ্যে আছেন পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তী, ওস্তাদ রশিদ খান, রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, হৈমন্তী শুক্লা, সুবীর নন্দী, শ্রীকান্ত আচার্য্য, মিতা হক, ইন্দ্রানী সেন, লোপামুদ্রা মিত্র, অদিতি মহসিন ও রাঘব চট্টোপাধ্যায়। কোরাস গেয়েছেন ৩০ জন শিল্পী। এর মধ্যে আছে ১২ জন শিশুশিল্পীও। গানটির শুরুতে আবৃত্তি করেছেন ব্রততি বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সংগীত পরিচালনা করেছেন অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়।
* গানটি ‘বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের জন্য যে গানগুলো শুরুর দিকে বিবেচনা করা হয়েছিল, তার মধ্যে “ধন ধান্য পুষ্প ভরা” গানটিও ছিল। গত বছর গানটি রচনার শতবর্ষ পূর্ণ হলো।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29075096 http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29075096 2010-01-09 15:32:10
আদুভাই চট্টগ্রামে বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক, কেন্দ্রে ছাত্রদলের সহসভাপতি!
আদুভাই একই সাথে দুই কমিটির বিশাল নেতা!
গত শুক্রবার ঘোষিত ছাত্রদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটিতে আহমেদুল আলম চৌধুরী ওরফে রাসেলকে সহসভাপতি করা হয়।
তিনি একই সাথে চট্টগ্রাম স্থানীয় কোতোয়ালি থানা বিএনপির নতুন কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক বিএনপি ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদল—দুই কমিটিতেই তিনি জায়গা পেয়েছেন।
বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী শ্রমিকবিষয়ক সম্পাদক এম নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘রাসেল ছাত্রদলের রাজনীতি করতে আগ্রহী নয় বলে তাঁকে কোতোয়ালি থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে। হঠাত্ করে তাঁকে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহসভাপতি করা হয়েছে। এটা আসলে দলের গঠনতন্ত্রবিরোধী।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29071335 http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29071335 2010-01-04 00:30:08
সামু এখনো ডিজিটালেই আছে! " style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />
"স্বাগতম ২০১০" সকলকে এনালগ শুভেচ্ছা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29069443 http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29069443 2010-01-01 00:20:54
ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাসের নিরাপত্তায় ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী!
বিরোধী দল বলছে,,,,,,
"ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাসের নিরাপত্তায় সে দেশের বাহিনী আনা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি এবং তা অগ্রহণযোগ্য"
"অন্য দেশ থেকে বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী আসা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি। এ ধরনের কর্মকাণ্ড কোনোভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।"
যদিও "যে কোনো বিদেশি মিশনে ওই দেশের সার্বভৌমত্ব থাকে। মিশন প্রাঙ্গণের নিরাপত্তা দেখার দায়িত্ব তাদের। "মিশন প্রাঙ্গণে তারা নিজেরা নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে পারে যদি না সংশ্লিষ্ট দেশের আইনে কোনো বাধা না থাকে।"
'*সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন সংবাদপত্রে খবর প্রকাশ হয়েছে, ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের নিরাপত্তার জন্য ৫০ জনের বিশেষ নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ দল আসছে।
"কূটনৈতিক সম্পর্ক সংক্রান্ত ভিয়েনা কনভেনশন ১৯৬১ এর ২২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কূটনৈতিক মিশন এবং তার ভবন ও অঙ্গনসমূহ যেকোনো প্রকার অনুপ্রবেশ থেকে সংরক্ষিত এবং মিশনসমূহ স্বাগতিক রাষ্ট্রের আইনি এখতিয়ার বহির্ভূত। এছাড়া কূটনৈতিক প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ অন্যান্য কার্যক্রম গ্রহণে মিশনসমূহ নিজস্ব এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারে।"
**অতএব আন্তর্জাতিক ভাবে স্বিকৃত যে, নিরাপত্তার সার্থে পৃথিবীর অনেক দেশই সে দেশের দূতাবাসের নিরাপত্তায় সে দেশের বাহিনী আনতে পারে। *** যুক্তরাষ্ট্র তাদের দূতাবাসের নিরাপত্তার স্বার্থে পৃথিবীর প্রায় অনেক তাদের নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনী দিয়ে থাকে। *** উল্লেখ্য কিছুদিন পূরবে ডেনমার্কের কোপেনহাগেনে অনুষ্ঠিত জলবায়ু সন্মেলনে নিরাপত্তার জন্য যতেষ্ঠ নিরাপত্তা বাহিনী না থাকায় সে দেশের আসে-পাশের দেশ সুইডেন ,নরওয়ে, জার্মানী সহ বিভিন্ন দেশ থকে নিরাপত্তা বাহিনী ধার আনা হয়েছিল।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29065979 http://www.somewhereinblog.net/blog/kabir0202/29065979 2009-12-26 17:25:45