দেশান্তরী মানুষেরা ফিরে আসতে অনেক সময় পার করে দেয়!
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৫
শঙ্খ ঘোষ জন্মভূমিতে ফিরেছেন পঞ্চাশ বছর পর। আমার কেমন জানি অবিশ্বাস্য মনে হল। প্রিয় ঘর, উচ্ছল শৈশব আর ডানপিটে সময়গুলো যাদের কাটে একটা নির্দিষ্ট অঞ্চলে, আমার ধারণা তারা একটা মোহের ভেতর সারাজীবন থাকতে বাধ্য। তার উপর দেশের সীমানা কেটে অন্য একটা অঞ্চলে আপন নিবাস বানিয়ে তোলা এটাও কষ্টকর নয় কী?
কদিন আগে কবি শঙ্খ ঘোষ বাংলাদেশে এসেছিলেন। সাহিত্যের বারান্দায় ঘুরাঘুরি করা তরুণ লিখিয়ে আর প্রিন্ট ও বিজলী মিডিয়ার বদৌলতে অনেকেরই সুযোগ হল ভাল লাগা একজন কবিকে খানিকটা জানার।
আরো অনেক প্রশ্নের মতো একটা প্রশ্ন প্রায়ই আমার ভেতর ঘুরপাক খায়। দেশান্তরী হবার সাধ কেমন? মাদার্শা গ্রামে আপন চিলেকোটায় বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রায় শেষ পর্যন্ত কাটানোর পর গত এক দেড় বছরের নগর জীবন, কেমন করা এক শূণ্যতা দিয়ে ঘায়েল করে, আমাকে যেভাবে বিভ্রান্ত করছে জীবিকা বিষয়ে সীদ্ধন্ত নিতে, তা থেকে আমার নিশ্চিত ধারণা এই বিভ্রম কোনোভাবেই যাবার নয়।
তবে দেশান্তরী হওয়া প্রচণ্ড সংবেদনশীল মানুষগুলো কীভাবে কাটিয়ে দেয় অন্য একটা সীমানার বেড়াজালে?
খুব কষ্ট হয়?
প্রিয় শৈশবটা কী তাড়া করে পেছন থেকে?
ঘুমের ঘোরে মেতে উঠে কী ডাংগুলি আর পাশা খেলার উত্তেজনায়?
এই কষ্টই কী তারা ফেরী করে তারা কবিতা ও কথায়?
নাহ্। তা হয়ত নয়।
সম্ভবত জীবনের সারাৎসারটাই তারা ফেরী করে সারাজীবন।
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
হুমম
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সফেদ ফরাজী...... বলেছেন:
`প্রিয় শৈশবটা কী তাড়া করে পেছন থেকে?'হয়তো হ্যাঁ, হয়তো না।
তাহলে কি দাঁড়াল- হ্যাঁ-না।
এই হ্যাঁ-না'য়ের মাঝে যে হাইফেন সেইখানেই চুপটি মেরে বসে থাকে আমাদের শৈশবের স্মৃতিগুলো_ যা আমাদেরকে প্রতিনিয়ত আঁকড়ে থাকে কিন্তু একটি হাইফেনের ব্যবধান বাস্তবতায়।
ফজলুল কবিরী বলেছেন:
আমি নিশ্চিত নই তাড়া করে কিনা। যখন খুব অসহায় বোধ করি তখনই এমন একটা উপলব্দী কাজ করে। সম্ভবত হাইফেনের ব্যবধানে।
গানের ফেরিওয়ালা বলেছেন:
জীবনের ফেরি এইরকমই।


















